কয়রায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে মাঝে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে ন্যাজ্যারীন মিশন

কয়রায় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ  পরিবারে মাঝে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছে ন্যাজ্যারীন মিশন




 কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের ১০০০ টি পরিবারে জরুরী খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বাংলাদেশ ন্যাজ্যারীন মিশন। জার্মান ডক্টর ও হিমেডিকা ইন্টারন্যাশনাল এর অর্থায়নে ৪ টি ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করে প্রতিটি পরিবারে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে ২৫০ টি পরিবারে স্থানীয় চেয়ারম্যান জিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলুর উপস্থিতিেিত, সাড়ে ১১ টায় কয়রা সদর ইউনিয়নে ২৫০ টি পরিবারে স্থানীয় চেয়ারম্যান এইচ এম হুমায়ুন কবিরের উপস্থিতিতে, বিকালে বাগালী ইউনিয়নে ২৫০ ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নে ২৫০ টি পরিবারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আঃ সাত্তার পাড় ও বাবু বিজয় কুমার সরদারের উপস্থিতিতে সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন বাংলাদেশ ন্যাজ্যারীন মিশন। এসব খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ লিটার তৈল, ২ কেজি আলু, ২ টি সাবান, ১ কেজি হুইল পাউডার, ২ প্যাকেট বিস্কুট, ১০ টি খাবার স্যালাইন, ৫ টি মাস্ক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, 



বাংলাদেশ ন্যজ্যারীন মিশনের চেয়ারম্যান জনাব জন মন্ডল, ম্যানেজার নরেশ মন্ডল, উত্তম মন্ডল, আনিছুর রহমান ও রুবেন সরকার, কয়রা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এসএম হারুন অর রশীদ, সাংবাদিক রিয়াছাদ আলী, আজিজুল ইসলাম, শাহজাহান সিরাজ ও আশরাফুল সহ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বরগণ।

বাংলাদেশ ন্যাজ্যারীন মিশনের চেয়ারম্যান জনাব জন মন্ডল বলেন, দূর্যোগেই মনুষ্যত্বের পরিচয়্ আমরা সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছি। তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের সকল বিত্তবান ও সামাজিক সংগঠনেরদের এই দূর্যোগ সময় অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর আহবান জানান।

বুড়িচংয়ের বাকশীমুল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জিয়াউর রহমান হিমেল খাঁন এর ৪১ তম জন্মদিন

বুড়িচংয়ের বাকশীমুল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জিয়াউর রহমান হিমেল খাঁন এর ৪১ তম জন্মদিন






মারুফ হোসেন-বুড়িচং(কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমুল ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি মোঃ জিয়াউর রহমান হিমেল খাঁন এর ৪১ তম জন্মদিন পালিত হয়। জন্ম দিনে বিভিন্ন ব্যাক্তি এবং দলের সকল নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।     

৮ই জুলাই বুধবার সকল নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও কেক কেটে এ দিনটি উদযাপন করেন। বিশেষ করে ছাত্র লীগ যুব লীগ কর্মীরা বাকশীমুল ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব  বজায় রেখে মোঃ জিয়াউর রহমান হিমেল খাঁন এর জন্ম দিন পালিত করেন। জিয়াউর রহমান হিমেল খাঁন শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছায় মুগ্ধ হন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ মিজানুর রহমান খাঁন( যুবলীগ নেতা) মোঃ সেলিম( এম এ- সিনিয়র সহ সভাপতি যুবলীগ, বাকশীমুল ইউনিয়ন), প্রভাষক এম এ হান্নান রোকন (যুবলীগ নেতা)  মোঃ দুলাল(যুবলীগ নেতা),তুহিন (যুবলীগ নেতা),মোঃ ইসমাইল (যুবলীগ নেতা), মোঃ তফিক ( যুবলীগ নেতা),মোঃ রাছেল (যুবলীগ নেতা), মোঃ হানিফ (যুবলীগ নেতা), মোঃ জুয়েল ( যুবলীগ নেতা), আবু তাহের  ( যুবলীগ নেত) মোঃ শরিফুল ইসলাম ( ছাত্র লীগ নেতা), মোঃ মিন্টু (ছাত্র লীগনেতা), ইন্জিনিয়ার মোঃ পলক ( ছাত্র লীগ নেতা), মোঃ পাবেল ( ছাত্র লীগনেতা), মোঃ সোহাগ (ছাত্রলীগ নেতা), মোঃ গিয়াসউদ্দিন (রনি) -ছাত্রলীগ নেতা), মোঃ জহিরুল ইসলাম ( ছাত্রলীগ নেতা), মোঃ আমিনুল ইসলাম ( ছাত্রলীগ নেতা), মোঃ হ্নদয়, রিপন, শরিফ, সৈয়দ, সামিন প্রমুখ।

কেশবপুর উপ-নির্বাচনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহব্বান

কেশবপুর উপ-নির্বাচনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহব্বান





মোরশেদ আলম
যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 

যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেছেন, শান্তিপ্রিয় কেশবপুর বাসী স্বস্তি আর শান্তিতে বসবাস করবে। কেশবপুরে কোন সন্ত্রাসী থাকবে না, চাঁদা বাজ থাকবে না, মাদকসেবী থাকবে না।

 আমি কেশবপুর উপজেলাকে ঢেলে সাজাতে চাই। গ্রাম পর্যায়ের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই। আপনাদের দায়িত্ব হল ভোট দেওয়া, আর আমার কাজ হল উন্নয়ন করা। যে গ্রামের মানুষ যত বেশি নৌকায় ভোট দেবে, সে গ্রামে তত বেশি উন্নয়ন হবে।

 কেশবপুরের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজকে আরো গতিশীল করতে ঐক্যবদ্ধভাবে ১৪ জুলাই সারাদিন নৌকায় ভোট দিন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ জনকল্যাণে কাজ করে। দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে, সবই আওয়ামী লীগ সরকার করেছে। দেশের সকল দূর্যোগ আর মহামারীতে আওয়ামী লীগ সরকারই একমাত্র জনগণের পাশে থাকে।

 সম্প্রতি ঘুর্নিঝড় আম্ফানে দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সকল ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সহযোগিতা করেছে এবং যা অব্যাহত রয়েছে। করোনা মহামারী মোকাবেলায়ও সরকার সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে।

জননেতা জনাব শাহীন চাকলাদার তার নির্বাচনী প্রচনায় কেশবপুরের বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ পথসভা করার সময় এসব প্রতিশ্রতি দিয়েছেন।তিনি জানান কেশবপুরে নৌকার বিজয় আসলে তা সাধারণ মানুষের জন্য উন্নয়ন এর জোয়ার বয়ে আনবে, এবং তিনি কেশবপুর কে একটি সুন্দর, নেশামুক্ত,চাদামুক্ত, উন্নত উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলতে সব প্রচেষ্টাই  করবেন।

ইছামতি নদীর পাড়ের ভাঙ্গন রোধে এইচবিএফের বৃক্ষরোপণ

ইছামতি নদীর পাড়ের ভাঙ্গন রোধে এইচবিএফের বৃক্ষরোপণ



নিজস্ব প্রতিবেদক
বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ইছামতি নদীর পাড়ের ভাঙ্গন রোধে বৃক্ষরোপণ করেছে হেল্প বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন (এইচবিএফ)। সাগরকণ্যা ট্যুর অ্যান্ড ট্যাভেলস্ চারা গাছ দিয়ে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে সহযোগিতা করে। 

জানা গেছে, এইচবিএফের কর্মীরা বালুপাড়া ও নিজগ্রাম এলাকার ইছামতি নদীর পাড়ে এ বৃক্ষরোপণ করেন। বৃক্ষরোপণের সময় উপস্থিত ছিলেন এইচবিএফের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আবুল বাশার মিরাজ, সিইও আব্দুল্লাহ্ আল ফাত্তাহ, প্রজেক্ট ম্যানেজার সাইদুর রহমান, ইডুকেশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার ইকবাল হোসেনসহ এলাকার একদল তরুণ।

বৃক্ষরোপণের বিষয়ে জানতে চাইলে এইচবিএফের পরিচালক আবুল বাশার মিরাজ বলেন, 'বর্ষাকালেই রাস্তার ধার কিংবা নদীর পাড় ভেঙ্গে যায়। মূলত নদী ও রাস্তার ধারের মাটি আটকে রাখার জন্য বৃক্ষ না থাকার কারণেই ভেঙ্গে যায় কিংবা ধসে যায়। পরবর্তীতে এটার সংস্কারের জন্য সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। সরকারের এ ব্যয় কমানো ও দেশের বনজ সম্পদের পরিমাণ বাড়াতে আমরা ধারাবাহিকভাবে বগুড়া জেলার ১২ টি উপজেলা ও নদীর পাড়েই গাছ লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।'

কেশবপুর উপনির্বাচনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রচারণায় ঝিকরগাছা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ

কেশবপুর উপনির্বাচনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে প্রচারণায় ঝিকরগাছা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ




মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, 
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ 

আগামী ১৪ জুলাই ২০২০ ইং যশোর-০৬ (কেশবপুর) সংসদ উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা জনাব শাহীন চাকলাদার-এর পক্ষে নৌকা প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান ও ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক জননেতা জনাব মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে কেশবপুর উপজেলার ০১নং ত্রিমহিনী ইউনিয়ন এ নৌকা মার্কার প্রচার প্রচারণা চালানো হয়। 

প্রচার প্রচারণায় ছিলেন যশোর জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আজাহার আলি, ঝিকরগাছা উপজেলা যুবলীগ আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাফিরুল হক এবং ঝিকরগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাবীব শিপলু এবং সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন।

কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ( অবঃ) শামসুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন

কাজী নজরুল ইসলাম  ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক ( অবঃ) শামসুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন




স্টাফ রিপোর্টারঃ যশোরের কাজী নজরুল ইসলাম  ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক  ( অবঃ)
সবার প্রিয়  সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ছাতিয়ানতলা গ্রামের বাসিন্দা,মোঃ সামসুজ্জামানের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন  হয়েছে।


গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টায় চুড়ামনকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ছাতিয়ানতলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা লিয়াকত হোসেন জানাজার নামাজটি পরিচালনা করেন। জানাজার নামাজ শেষে মরহুমের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুমের পরিবার সুত্রে জানা যায় আগামী শুক্রবার জুম্মাবাদ চুড়ামনকাঠি জামে মসজিদ ও ছাতিয়ানতলা জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

জানাজায় এবং দাফনের সময় উপস্থিত ছিলেন চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অ্যাড. মোশারেফ হোসেন, কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকমন্ডলী, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পদ্মনাভ অধিকারী, সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্নাসহ স্থানীয় সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধি বৃন্দ।


পারিবারিক সুত্রে জানা যায় যশোর বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি অধ্যাপক মোঃ সামসুজ্জামান গত  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার ইবনেসিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ-ই গুণী কবি অধ্যাপক  করোনায় পজিটিভ ছিলেন বলে জানা গেছে।


এই মহান ব্যক্তির  মৃত্যুতে গভীর শোক, শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা সহ তার  বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদ,যশোর।  বিবৃতিদাতারা হলেন, বিদ্রোহী সাহিত্য পরিষদের  সহসভাপতি কাজী রকিবুল ইসলাম, আমির হোসেন মিলন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মুন্না, সহসাধারণ সম্পাদক নূরজাহান আরা নীতি, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল হাসনাত সজল, প্রকাশনা সম্পাদক আহমদ রাজু, অফিস সম্পাদক শরিফুল আলম, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান তুহিন, নির্বাহী সদস্য আহমেদ মাহাবুব ফারুক, অ্যাড. মাহমুদা খানম, নাসির উদ্দিন, সোনিয়া সুলতানা চাঁপা।ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি পদ্মনাভ অধিকারী, জাগপার কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও যশোর জেলা শাখার সভাপতি নিজামদ্দিন অমিত, যশোর জেলা শাখার সম্পাদক কামাল উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
তিরি ১৯৫১ সালের ২০ অক্টোবর যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ পাস (বাংলা) করে যশোর  কাজী নজরুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে  অধ্যাপনা শুরু করেন। এই কলেজ থেকেই তিনি ২০১২ সালে অবসরে যান।  মৃত্যুকালে দুই ছেলে মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী ও আত্নীয়  স্বজন রেখে গেছেন।



ঝিকরগাছার ক্রিকেট একাডেমিতে সিলিং ফ্যান প্রদাণ

ঝিকরগাছার ক্রিকেট একাডেমিতে সিলিং ফ্যান প্রদাণ



মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, 
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ 

দেশের ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যশোরের ঝিকরগাছায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের (এডিপি) - এর আওতায় ঝিকরগাছা উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিলিং ফ্যান সরবরাহ প্রকল্পের সিলিং ফ্যান প্রদান করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সেলিম রেজা।

ঝিকরগাছা ক্রিকেট একাডেমী ও আলোকিত পথ নৈশ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সিলিং ফ্যান গ্রহণ করেন সাবেক ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান বাশার।

আশাশুনিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সমতা প্রকল্পের আওতায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

আশাশুনিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সমতা প্রকল্পের আওতায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ


 



আহসান উল্লাহ বাবলু  উপজেলা প্রতিনিধি: 

আশাশুনিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের সমতা 

প্রকল্পের আওতায় ১৪ জন প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার 

বিতরনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণকালে প্রতিবন্ধীদের ১৪ জন প্রতিবন্দির মাধ্যে ৩ জন প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার দেওয়া হয়েছে। এরা হলো মধ্যে মহিষাডাঙ্গা গ্রামের অনিমেষ সরকারের পুত্র রিয়া সরকারকে হুইল চেয়ার, আগরদাঁড়ি গ্রামের শফিকুল মোল্যার পুত্র আব্দুর রহমানকে একটি কর্ণার চেয়ার ও আর আর গ্রামের মহাদেব বাছাড়ের পুত্র প্রকাশ বাছাড়কে একটি স্পেশাল চেয়ার বিতরণ করেন। 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য 

রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি এবিএম 

মোস্তাকিম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রফিকুল ইসলাম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিএম মুজিবুর রহমান, উপজেলা আ'লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, আশাশুনি এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন এরিয়া ক্লাস্টার মিথিলা ম্যানজিস, জেলা সমন্বয়কারী সমতা প্রকল্পের প্রতিভা বিকাশ সরকার, ওয়ার্ল্ড ভিশন সমতা প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার হারুন-অর-রশিদসহ প্রকল্পের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ ।

আশাশুনিতে আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আশাশুনিতে আনুলিয়া ব্লাড   ব্যাংকের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ





আহসান উল্লাহ বাবলু  আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: 

আশাশুনিতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের 

তান্ডবে আনুলিয়া ব্লাড ব্যাংকের পক্ষ থেকে ১৩০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে আনুলিয়া সমাজকল্যান সংগঠনের আয়োজনে প্রতাপনগর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত অসহা ও হতদরিদ্রদের মাঝে চিড়া, মড়ি, চিনি, কেক, বিস্কুট, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, স্যালাইন, নাপা এক্সট্রা ট্যাবলেট, ফ্লাজিল ট্যাবলেট সহ ইত্যাদি খাদ্য সামগ্রীর একটি প্যাকেজ বিতরণ 

করা হয়। খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে সমাজকল্যান সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মোঃ রুহুল কুদ্দুস, সভাপতি মোঃ আবুতালিব, সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলম বকুল, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম রাসেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

ঝিনাইদহ হরিণাকুণ্ডুতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম

ঝিনাইদহ হরিণাকুণ্ডুতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার 
( ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি) 



ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে হাসেম ( ৪০) নামে একব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পৌরসভাধীন জোড়াপুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তি ওই গ্রামের মহিউদ্দিন শেখের ছেলে।
এঘটনায় আহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় একই গ্রামের জামাল, কামাল, জীবন ও খবিরসহ ৮/১০ জজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ খবির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে আহত হাসেম গরু কিনতে  একই গ্রামের মুঙলার ছেলে শিমুলের বাড়িতে যায়। পরে সেখান থেকে বের হলে আসামিরা রাস্তার ওপর তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাসেম জানান, তিনি শিমুলের বাড়ি গরু কিনতে গিয়েছিলেন। তাদের সাথে কথা বলে বেরিয়ে রাস্তায় আসার পর আসামিরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এসময় তার কাছে থাকা ১ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকাও আসামিরা ছিনিয়ে নেয় বলে তিনি জানান।
হরিণাকুণ্ডু থানার পরিদর্শক ( ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এবিষয়ে মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

শৈলকুপায় গৃহহীন আদিবাসীদের ঘর বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শৈলকুপায় গৃহহীন আদিবাসীদের ঘর বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন






সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা(ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ 



ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনমানের উন্নয়ন সাধনে “ জমি আছে ঘর নেই” প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে দশটি ঘরনির্মাণ কাজে ও ঘর বরাদ্দে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী  ইসমাইল ও মিন্টু এবং সততা আদিবাসী সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি রাম সরকার এর বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন শৈলকুপা উপজেলার আদিবাসী সম্প্রদায়।

বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে আদিবাসী সম্প্রদায়দের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমিড়াদহ আদিবাসি শ্রমজীবি সমবায় সমিতির সদস্য দিলীপ কুমার বিশ্বাস।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে আদিবাসিদের ঘর নির্মাণে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা ঘরপ্রতি বরাদ্দের পরও প্রত্যেকের নিকট থেকে চল্লিশ, পঞ্চাশ ও ষাট হাজার টাকা ঘর বরাদ্দ বাবদ ঘুষ গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসের স্টাফ ইসমাইল ও মিন্টু’র দাবিকৃত টাকা যারা দিতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের ভাগ্যে ঘর জোটেনি। উপজেলাতে সাতটি আদিবাসী সমিতি সংগঠন থাকলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসের পছন্দমত দুই-তিনটি সমিতির লোকদের টাকার বিনিময়ে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ছয়টি সমিতিকে বাদ রেখে দু’টি পছন্দের সমিতিকে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক বরাবর ২০১৯-২০২০অর্থ বছরের আদিবাসিদের বসতঘর নির্মাণে অর্থ বরাদ্দে দুর্নীতি প্রসঙ্গে ছয়টি সমিতির যৌথ স্বাক্ষরে একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম গোপনীয়ভাবে সততা আদিবাসি সভাপতি রাম সরকার এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসের স্টাফ ইসমাইল ও মিন্টুর মাধ্যমে প্রত্যেক ঘরনির্মানে ঘরপ্রতি পঞ্চাশ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করে দশটি ঘর দশজন আদিবাসীকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে এবং রাম সরকার এর মাধ্যমে বেনীপুর সরদার পাড়ার কল্পনা-১ ও কল্পনা-২ এর নিকট থেকে আদিবাসিদের প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের আওতায় ঘর বরাদ্দ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে দুই জনের নিকট থেকে পঁচিশ হাজার এবং আঠার হাজার টাকা অগ্রিম নেওয়া হয়।

শৈলকুপায় এযাবদ আদিবাসিদের নামে যত টাকা বরাদ্দ এসেছে তা ছাড়পেতে উপজেলা নির্বাহী অফিসকে মোটা অংকের ঘুষ দেওয়া লেগেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। 

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন বক্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম, অফিস স্টাফ ইসমাইল ও মিন্টু’র অপসারণও দাবি করেন। 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অগ্রগতি আদিবাসি বহুমূখি সমবায় সমিতি, কচুয়া মধুদাহ আদিবাসি কল্যান বহুমূখি সমবায় সমিতি, কুমিড়াদহ আদিবাসি শ্রমজীবি সমবায় সমিতি, হাটফাজিলপুর আদিবাসি মৎসজীবি সমবায় সমিতি ও শৈলকুপা আদিবাসি দারিদ্র বিমোচন সংস্থার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকদ্বয় যথাক্রমে- কমল চন্দ্র দাস, কুমার সরকার, শম্ভু সরদার, গোপাল বিশ্বাস ও দিলীপ বিশ্বাস।

উপজেলার ছয়টি আদিবাসী সমিতি ঘর বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং তাদের সমিতি বাদ রেখে দুটি সমিতিকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে অনেকে ক্ষতিগ্রস্থসহ হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।

তাছাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম এর নির্দেশে ঘরবরাদ্দ না পাওয়া ছয়টি সমিতির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকদের অপরিচিত লোকজন দ্বারা তাদেরকে ভয়-ভীতিসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং তারা উপজেলায় যেতে পারছে না বলে অভিযোগ করেন। 

ছয়টি সমিতির এহেন আর কোন উপায় বা মাধ্যম নেই যে যার কাছে গেলে উক্ত বিষয়টি সমাধান হবে এবং আদিবাসীদের উক্ত আত্মসাতের টাকা ফেরৎ পাবে। উক্ত বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও হস্তক্ষেপ কামনার আবেদন জানিয়েছেন।

ঝিনাইদহে যাত্রী সেজে ইজিবাইক ছিনতাই, জনতার হাতে আটক-১

ঝিনাইদহে যাত্রী সেজে ইজিবাইক ছিনতাই, জনতার হাতে আটক-১




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার 
( ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি) 



ঝিনাইদহে যাত্রী সেজে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের চেষ্টায় গোলাম রসুল (২৫) নামে একজন জনতার হাতে আটক হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) জেলার সদর উপজেলার উদয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত বিশারত নামে আরও একজন পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভুগি সোহান (১৬) নিজেই বাদী হয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। ইজিবাইক চালক সোহান রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার জসাই গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে। সে ঝিনাইদহ কোড়াপাড়া এলাকায় নানা বাড়ি থাকেন। 
গ্রেফতার কৃত গোলাম রসুল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের চান আলীর ছেলে।
পালিয়ে যাওয়া অন্য আসামি মোঃ বিশারদ পিতা (অজ্ঞাত) ঝিনাইদহ পৌর এলাকার খাজুরা গ্রামের ছেলে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ভুক্তভুগি সোহান পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। ঘটনার দিনে ঝিনাইদহ এইস এস এস সড়ক (ওয়াজির আলী স্কুলের পূর্ব পাশে) অবস্থিত মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে  মুকুল জোয়ারদারের কাছ থেকে দিনে ৪০০ টাকা ভাড়ায় নিয়ে শহর সহ আশপাশ ইজিবাইক চালাতে থাকে। আসামী দু'জন দুপুর ৩ টার দিকে শহর কেন্দ্রিক লাউদিয়া থেকে গোয়াল পাড়া বাজারে যাওয়ার কথা বলে সোহানের ইজিবাইকে ওঠে।
এরপর আসামি গোলাম রসুল ও বিশারত বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সন্ধা ৭টার দিকে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার উদয়পুর হাইস্কুলের ৫০গজ দক্ষিনে পাকা রাস্তার উপর গেলে আসামি বিশারদ হঠাৎ তার মুখ চেপে ইজি বাইকের চাবি নিয়ে নেয়। এ সময় আসামি বিশারদ এর হাতে কামড় দিলে সে হাত সরিয়ে নেয়। এরপর ইজিবাইক চালক চিৎকার দিলে এলাকাবাসী ছুটি আসে।
এ সময় আসামি দু'জন পালানোর সময় পবহাটি কলা হাটার সামনে থেকে আসামি গোলাম হোসেনকে এলাকাবাসী ধরে ফেলে, সাথে থাকা অন্য আসামি বিশারদ পালিয়ে যায়।
ওসি বলেন,এ ঘটনায় মামলার  প্রস্তুুতি চলছে।

রাস্তার বেহাল দশা, জনপ্রতিনিধিদের সাড়া মেলেনি সংস্কার করল গ্রামবাসী

রাস্তার বেহাল দশা, জনপ্রতিনিধিদের সাড়া মেলেনি সংস্কার করল গ্রামবাসী




মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, 
ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ

ঝিকরগাছা উপজেলার, ৭নং নাভারণ ইউনিয়নের অন্তর্গত ৯ নং ওযার্ড বায়সা গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের বসাবস। জানা যায় এই গ্রামের রাস্তা গুলো ভাঙা,গর্ততে ভরপুর। বৃষ্টি হলেই কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায় ফলে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েন গ্রামবাসী। রাস্তার জন্য অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে এবং গ্রামের স্কুলসহ আশেপাশে কলেজে অধ্যায়ণরত শিক্ষার্থীদের যায়ায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই জন-দুর্ভোগ নিরসন করার জন্য গ্রামবাসী রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য এলাকার মেম্বার, ইউনিয়ন চেযারম্যান কে বার বার  জানানো সত্ত্বেও কোনো সাড়া মেলেনি। ৯ নং ওযার্ড যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সুজন রাস্তাটির বেহাল অবস্থা দেখে তিনি নিজে গ্রামবাসীর সাথে নিয়ে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেন এবং সকল গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে নিজেদের অর্থায়নে রাস্তাটি নির্মাণ করেন। উল্লেখ্য একই ওযার্ডে চাঁদপুর গ্রামে আরো একটি কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করেছেন যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সুজন।

মাধবপুর বাজারের লকডাউন উঠে গেল

মাধবপুর বাজারের লকডাউন উঠে গেল





লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 হবিগঞ্জের মাধবপুর বাজারের লকডাউন উঠে গেল মাধবপুর পৌরসভার বাজারসহ ৬ ওয়ার্ডে চলা ২১ দিনের লকডাউনের মেয়াদ বুধবার (৮-জুলাই) রাতেই শেষ হয়েছে। ফলে খুলে দেয়া হয়েছে মাধবপুর সদরে বাজার।

তবে নতুন করে করোনা সংক্রমণ রোধে আরো ১০ থেকে ১৫ দিন এ এলাকায় কড়াকড়ি থাকবে। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আয়েশা আক্তার বলেন, মাধবপুর বাজারে লকডাউন রাত ১২টার পরেই উঠে গেছে। 

তবে আমরা সাবধানতার জন্য আরো ১০ থেকে ১৫ দিন কড়াকড়িভাবে এলাকা পর্যবেক্ষণ করব। এলাকার বাসিন্দা ছাড়া অন্য কাউকে অপ্রয়োজনে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।তিনি আরো জানান, মাধবপুর পৌর বাজারে সাধারণ মানুষের।

প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করা হবে। মাক্স ছাড়া বাসা থেকে বের হতে পারবে না,প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় ঘোরাফেরাও নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আর কোনো বাড়িতে করোনা রোগী থাকলে সেই বাড়িটি আরো কিছুদিন লকডাউন থাকবে। 

উল্লেখ্য গত (১৮জুন) মধ্য রাতে মাধবপুর বাজারে পরীক্ষা মূলক ভাবে লকডাউন করা হয়। পরে ২জুলাই থেকে আরো সাতদিন লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

যশোরে বৃহস্পতিবার ২৯ পজেটিভ ফলাফলে সদরের ২৮জন

যশোরে বৃহস্পতিবার ২৯ পজেটিভ ফলাফলে সদরের ২৮জন




সুমন হোসেন, যশোর প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার যশোরে ২৯ নতুন জন করোনায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন। তারমধ্যে যশোর সদরের ২৮ জন। অপরজন শার্শা উপজেলার বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মুখপাত্র ডাক্তার রেহনেওয়াজ রনি। এ নিয়ে যশোরে আক্রান্ত হয়েছেন ৮শ’২৯জন। সুস্থ্য হয়েছেন ৩৭৩জন ও মৃত্যবরণ করেছেন ১৪ জন। তিনি আরো জানান, প্রশাসনের পক্ষথেকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লকডাউনের কাজ চলছে।

হতদরিদ্র খেলোয়াড়দের মাঝে দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ

হতদরিদ্র খেলোয়াড়দের মাঝে দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব তহবিলের নগদ অর্থ বিতরণ




মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি: হতদরিদ্র খেলোয়াড়দের মাঝে নিজস্ব তহবিল হতে নগদ অর্থ বিতরণ করেছে দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা।
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে জেলা স্টেডিয়ামে দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিজস্ব তহবিল হতে বিভিন্ন ইভেন্টের শতাধিক হতদরিদ্র খেলোয়াড়দের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. মাহমুদুল আলম। 
এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি মো. মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী পাপ্পু, মতিউর রহমান মতি, আজিজুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক মো. আসলাম হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, দিনাজপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে ২২টি ইভেন্টে খেলার অনুশীলন হয় এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন খেলোয়াড়েরা। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে হতদরিদ্র মেধাবী খেলোয়াড়েরা অনুশীলনসহ প্রতিযোগিতা বন্ধ থাকায় নিজস্ব তহবিল হতে শতাধিক খেলোয়াড়দের মাঝে অল্প পরিসরে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

দিনাজপুর সরকারি কলেজে শুভসংঘের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী

দিনাজপুর সরকারি কলেজে শুভসংঘের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী




মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কেন্দ্রীয় কর্মসূচী হিসেবে দিনাজপুর সরকারি কলেজে সবুজ ক্যাম্পাসে পরিণত করার উদ্যোগে কালের কণ্ঠ শুভসংঘ দি.স.ক শাখার বন্ধুরা  বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করেছে।
বৃহস্প্রতিবার সকালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ফলজ ও ঔষধী বৃক্ষের চারা রোপন করে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন।
শুভসংঘের বৃক্ষরোপন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন ৩৪ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত এ্যাডজুটেন্ট মেজর মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী, শুভসংঘের উপদেষ্টা দিনাজপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো.দাইমুল ইসলাম,প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক একে.এম আল আব্দুল্লাহ,দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো.আব্দুল্লাহ আল ফুহাদ,উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন,সহকারী অধ্যাপক মাহাবুবর রহমান,প্রভাষক নুর ন্নবী,ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো.হামিদুর রহমান সোহেল, শুভসংঘ জেলা শাখার সভাপতি মো. রাসেল ইসলাম,দিনাজপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মো.রশিদুল ইসলাম,ইভেন্ট সম্পাদক হুমায়ন পারভেজ,জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক শরীফুল ইসলাম,ভারপ্রাপ্ত প্রচার সম্পাদক ইয়াছির আরাফাত রাফি প্রমুখ।

দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন

দিনাজপুরে ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন





মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির সার্বিক সহযোগিতায় ও তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৃহীত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার দিনাজপুর সদর উপজেলার ৩নং ফাজিলপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আয়োজনে রানীগঞ্জ এহিয়া হোসেন হাইস্কুল এন্ড কলেজ চত্বরে বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ বিপাশ বসাক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ তানভীর ইসলাম রাহুল, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আহসানুজ্জামান চঞ্চল, যুগ্ম আহবায়ক শামীম রেজাসহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এ সময় তানভীর ইসলাম রাহুল বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জীববৈচিত্রের অস্তিত্বে রক্ষার্থে আমাদের অধিক পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া ছাত্রলীগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে কোন দর্যোগ মোকাবেলায় পাশে ছিল ও থাকবে।  ছাত্রলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসুচী দিনাজপুর শহরের ১২ টি ওয়ার্ড ও ১০ ইউনিয়নে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

দিনাজপুুরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

দিনাজপুুরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন




 দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপির সার্বিক সহযোগিতায় ও তত্ত্বাবধানে সেচ্ছাসেবকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির গৃহীত কর্মসুচীর অংশ হিসেবে ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার দিনাজপুর সদর উপজেলার পরিষদ চত্বরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদ সরকার। এ সময় উপস্থিত জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া জাকির, সহ সভাপতি মোঃ শামীম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক তছলিম উদ্দিন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম সরকার, সাধারন সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক অরবিন্দুু রায়, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আবু নাসের সাদ্দামসহ স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।  
বক্তারা বলেন, স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ন জীবনযাপনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা জরুরি। আর ভারসাম্যপূর্ণ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা বৃক্ষের। বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষার জন্যই নয়; বরং ধর্মীয় কারণেও মানুষের বৃক্ষরোপণ করা চাই। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর মোট উদ্ভিদ প্রজাতির ভেতরকার ২৫ শতাংশই বৃক্ষ। বৃক্ষ ছাড়া প্রাকৃতিক পরিবেশের কল্পনা করা অবান্তর। গাছবিহীন এক মুহূর্তও অসম্ভব। মানুষের যাপিত জীবনের সব কিছুই গাছকে ঘিরে ও গাছকে নিয়ে। তাই গাছ নিধন হলে গাছ শুধু একাই মরে না। মানুষসহ সব প্রাণসত্তার জন্যই তা ঝুকি ও উতকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একটি পূর্ণবয়স্ক বৃক্ষ বছরে যে পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে, তা কমপক্ষে ১০ জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের বার্ষিক অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে পারে।

হাজী আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে রেজাউল করিম চৌধুরীর শোক

হাজী আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে রেজাউল করিম চৌধুরীর শোক





রিয়াজুল করিম রিজভী প্রতিনিধি চট্টগ্রামঃ-

চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আব্দুর রহমানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হারিয়েছে নিবেদিত প্রাণের এক নেতাকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের অত্র জনপদে রাজনীতির মাধ্যমে মাটি ও মানুষের কল্যাণে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।  দলীয় রাজনীতিকে অত্র এলাকায় সুসংগঠিত করার কাজে তিনি আজীবন নিজের মেধা ও শ্রম ব্যয় করেছেন। প্রবীন রাজনীতিবিদ হিসাবে হাজী আব্দুর রহমানের এই মৃত্যু আমাদের জন্য অপূরনীয় এক ক্ষতি। 

আমি মরহুম হাজী আব্দুর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁকে জান্নাতবাসী করুন।আমিন।

গ্রামের রাস্তা মেরামতের জন্য পথচারী এবং চালকদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন

গ্রামের রাস্তা মেরামতের জন্য পথচারী এবং চালকদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন




কাউসার আলী
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের ০৩ নং ওয়ার্ডের প্রধান রাস্তাটি মেরামত করার জন্য পথচারি এবং বিভিন্ন যানবাহনের  চালকদের কাছ থেকে কয়েকদিন ধরে চাঁদা তোলা হচ্ছে।আর এ চাঁদা তোলার ফলে গ্রামবাসী এবং চালকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিচ্ছে এবং এর ফলে যেকোন সময় খারাপ পরিস্থিতির  সৃষ্টি হতে পারে।চাঁদা তোলার কাজে নিযুক্ত একজনকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন গত ২-৩ বছর ধরে রাস্তাটি চলাচলে অনুপযুক্ত এবং চলমান বর্ষায় রাস্তার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে গেছে।যদি রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করা না হয় তাহলে যেকোন সময় মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।তিনি আরো বলেন খবরটি অনলাইন পত্রিকা দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ সহ স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয় এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে অনেক আলোচনা করা হয়েছে।কিন্তু  রাস্তার কোন কাজ হয়নি।তাই গ্রামবাসী নিজেরা উদ্যোগি হয়ে রাস্তা মেরামতের জন্য সাহায্য তোলা হচ্ছে।এতে কাউকে জোর করা হচ্ছেনা যদি কেউ চাঁদা নিজের ইচ্ছায় দেয় তবে নেয়া হবে না দিলে জোর করা হবেনা। এ বিষয়টা নিয়ে দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি মোঃকাউসার আলী
 মোবাইল ফোনে স্হানীয়  জনপ্রতিনিধি (ইউপি চেয়ারম্যান) জনাব মোঃ সোহরাব হোসেনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের কাছে দরখাস্ত করেছি।কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাস হলেই কাজ শুরু হবে।তিনি আরো বলেন গত বছরগুলোতে ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট থেকে ইট দিয়ে মেরামত করা হয়েছিল।তিনি আরো বলেন বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বাজেট পাস হতে দেরি হচ্ছে।এখন গ্রামবাসীর একটাই চাওয়া যে করেই হোক রাস্তাটি চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা সে যেভাবেই হোক।

সঠিক ভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে দোয়া চাইলেন- বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার

সঠিক ভাবে  দায়িত্ব  ও কর্তব্য  পালনে দোয়া চাইলেন- বেলকুচি উপজেলা  নির্বাহী  অফিসার




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জ  জেলার বেলকুচি  উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন মো. আনিসুর  রহমান। 
গত বুধবার (৮ জুলাই)  সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলায় নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে  মো. আনিসুর রহমান যোগদান করেন। আনিসুর রহমানের জন্মস্থান টাঙ্গাইল জেলায়।
আনুষ্ঠানিকভাবে নবনিযুক্ত  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)  আনিসুর  রহমানকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ  করেন   বেলকুচি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  বাহাউদ্দীন ফারুকী (বিপিএম/পিপিএম) এবং বেলকুচি উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তার  ও  কর্মচারীগণ। 
নবাগত ইউএনও মোঃ আনিসুর  রহমান বলেন, আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের জন্য সকলের দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা  করবেন । 
উল্লেখ্য, তিনি ইতিপূর্বে জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার  হিসেবে কর্মরত  ছিলেন। পরর্বতীতে  
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে বেলকুচি উপজেলার বিদায়ী ইউএনও  সিফাত-ই-জাহানের স্থলাভিষিক্ত হলেন ।

মাধবপুরে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ বাগান

মাধবপুরে হারিয়ে যাচ্ছে  বাঁশ বাগান




লিটন পাঠান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

গ্রাম বাংলার বাঁশ বাগান দেখেই যতিন্দ্র মোহন বাগচী তার কাজলা দিদির কবিতায় লিখেছেন বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদ উঠেছে ঐ। মাগো আমার শোলক বেলা কাজলা দিদি কই কবির বাঁশ বাগান গুলো এখন শুধুই স্মৃতি। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাঁশ বাগান। আগে মাধবপুর এলাকার বিভিন্ন গ্রামে আনাচে-কানাচে প্রচুর বাঁশ বাগান দেখা যেত কিন্তু এখন আর মাধবপুর।

এলাকার সেই চিরচেনা চিত্র এখন আর চোখে পড়ে না। দিনবদলের সাথে সাথেই গ্রাম বাংলার চিত্র গুলোও বদলে যাচ্ছে। সে সময় গ্রামের মানুষ ঘরবাড়ি গবাদী পশুর বাসস্থান, নদী পারাপারের সাঁকো তৈরী ছাড়াও গৃহস্থালীর নানা কাজে বাঁশের তৈরী বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার করত। বর্তমানে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে মানুষের চিন্তা ধারারও আমূল পরিবর্তন এসেছে মানুষ এখন।

প্রয়োজনের তাগিদেই নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে অভ্যস্থ হচ্ছে। বাঁশ দিয়ে ঘরবাড়িসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করা হবে এমন পরিকল্পনা এখন করতে পারছেন না গ্রাম বাংলার মানুষ। সময় ও সমাজ পরিবর্তনের সাথে সাথেই বাঁশের জায়গা দখল করছে ই্ট পাথর সহ রড সিমেন্টের  খুঁটি রড সিমেন্টের ও ইট পাথরের মূল্য বেশী হওয়ায়।

 সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি এবং অধিক টেকসই নিরাপত্তার কারণে মানুষ ঘরবাড়ি নির্মাণে আর বাঁশের ব্যবহার তেমন করছে না। ফলে ওইসব কাজে বাশেঁর গুরুত্ব মানুষের কাছে আগের মত না থাকলেও দরিদ্র জনগোষ্ঠির কাছে বাঁশের কদর একেবারে কমে যায়নি। নিজস্ব প্রয়োজনে মানুষ আগে বাঁশ চাষে আগ্রহী ছিল এক সময় মাধবপুর উপজেলার।

বিভিন্ন এলাকায় প্রায় প্রতি কৃষকের বসতভিটার কোন না কোন জায়গায় বাঁশ বাগান ছিল। কিন্তু এখন নেই বললেই চলে কয়েক বছর আগেও মাধবপুর অঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকার আনাচে কানাচে বড় বড় বাঁশ বাগান দেখা গেছে। ওই বাঁশ বাগান ছিল ঘন, বাঁশগুলো ছিল লম্বা দেখে মনে হতো যেন বাঁশের বন বাগান বাঁশ বাগান গুলো উজার হলেও।

পরিবেশের প্রয়োজনে নতুন করে বাঁশ বাগান সৃষ্টিতে বন বিভাগ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা এখন পূর্ণাঙ্গ বাঁশ বাগানে রূপ নিচ্ছে। পরিবেশবিদদের মতে প্রাকৃতিক ও পরিবেশের প্রয়োজনে বাঁশ চাষ অত্যন্ত জরুরী আর উজার হওয়া জায়গাগুলো পরিণত হচ্ছে কৃষি জমি বা বসতবাড়িতে।

৬ দফা দাবীতে, নাগরপুর কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

৬ দফা দাবীতে, নাগরপুর কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন




হাসান সাদী
নাগরপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদ,নাগরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা সভাপতি মীর ওবায়েদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক, সৃর্য আইডিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মো.গোলাম   মোস্তাফা(গোলাম)এর পরিচালনায় কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক/কর্মচারীরদের আর্থিক সহযোগিতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে ব্যাংক লোন সুবিধাপ্রদান,
কিন্ডারগার্টেনগুলোর নিবন্ধন প্রদান,বিদ্যুৎ,গ্যাস ও পানি বিল মওকুফ সহ, পাবলিক পরীক্ষা নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে দেওয়ার সুযোগ,কিন্ডারগার্টেন প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা বোর্ড গঠনের দাবি অথাৎ ছয় দফা দাবিতে  মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

আজ বৃহস্পতিবার ০৯ জুলাই ২০২০ খ্রি.সকাল ১১.০০ টায় নাগরপুর নয়ানখান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান গেটের সামনে টাংগাইল -আরিচা উপ মহাসড়কে প্রায় ঘন্টাব্যাপি নাগরপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন স্কুল এন্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসৃচী পালন করা  হয়েছে।          

মানববন্ধনে প্রধান উপস্হাপন ও বক্তা হিসাবে নাগরপুর কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ ঐক্য পরিষদের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক ও সৃর্য আইডিয়াল স্কুল এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মো.গোলাম মোস্তাফা(গোলাম)বলেন,করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সারা দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করায় মানবেতর জীবনযাপন করছে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ও কর্মচারীরা।বিশেষ করে নাগরপুর উপজেলার কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরা এক দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে। তারা সামান্য বেতনে কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করে তাদের সংসার চালান। করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও টিউশনি বন্ধ ঘোষণা করায় অসহায় হয়ে পড়েছে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকরা।

 তিনি আরও বলেন,শিক্ষকের মতো মহান পেশায় থাকার কারণে কারো কাছে হাত পেতে  কিছু নিতে পারছেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য অনেক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং দিয়েও যাচ্ছেন। তাই মাননীয় সাংসদ জননেতা আহসানুল ইসলাম টিটু ও নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে করোনার কারণে নাগরপুরের কর্মহীন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক ও কর্মচারীদের অার্থিক সহায়তা প্রদান  ও অন্যান্য দাবীগুলো পেশ করার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

মানববন্ধনে আরও উপস্হিত ছিলেন-নাগরপুর কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আহসানুজ্জামান মুকুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল মোল্লা মানিক সহ কিন্ডারগার্টেন এর সকল পরিচালকগন,প্রধান শিক্ষকগণ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীবৃন্দ।

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ঔষধ বিতরণ করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ঔষধ বিতরণ করলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী




প্রতিনিধি দিনাজপুর : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দিনাজপুর জেলায়  গর্ভবতী  মা ও শিশুদের মাঝে অবারো বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ঔষধ বিতরণ করছে। গত ২৬ শে মার্চ থেকে এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে ০৯ জুলাই বুধবার সারাদিন দিনাজপুর সদর উপজেলায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের ১৬ পদাতিক ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে ৪ হর্স এবং ৪৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স এর যৌথ ব্যবস্হাপনায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন, করোনার নমুনা সংগ্রহ ও ঔষুধ বিতরণসহ প্রায় তিন শতাধিক গর্ভবতী মা ও শিশুদের মাঝে সেবা প্রদান করা হয়।দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলায় বীর উত্তম শহীদ মাহবুব সেনানিবাস এর ৪৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স এর তত্ত্বাবধানে সিএমএইচ বিইউএসএমএস এবং সিএমএইচ সৈয়দপুর এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ কর্তৃক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৪ হর্সের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গর্ভবতী মা এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে। চিকিৎসা ক্যাম্পের নেতৃত্ব দেন ৪৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্সের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ হাসমত উল্লাহ খান। চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ লেঃ কর্ণেল আফরোজা আখতার, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রী বিদ্যা বিশেষজ্ঞ মেজর রাফিয়া সুলতানা, মেডিকেল অফিসার  ক্যাপ্টেন দিলরুবা ইয়াছমিন। অধিনায়ক, ৪৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স লেঃ কর্ণেল মোঃ হাসমত উল্লাহ খান বলেন “আজ গর্ভবতী মহিলাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ বিতরণ ও প্রয়োজনীয় উপদেশ সম্বলিত লিফলেট প্রদান করা হয়। গর্ভবতী মায়েদের করোনা লক্ষণ অনুযায়ী পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে সিএমএইচ হতে পরীক্ষা সম্পন্ন করে আগামীকাল করোনা পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে। এছাড়াও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ কর্তৃক শিশুদের  চেকআপসহ প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হয়। সবশেষে সকল রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি করোনা ভাইরাস হতে কিভাবে নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে রক্ষা করা যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়”। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের ৪ হর্স ইউনিটের ক্যাপ্টেন মোঃ ইসতিয়াজ আরাফাত বলেন, “বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগের সংক্রমন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বিধায় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহন করতে গিয়ে গর্ভবতী মা ও শিশুদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান এই বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ বিতরণ দেশের সব অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন। আজ ৪৫ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স দিনাজপুরে আমাদের এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে”। এছাড়াও ৪ হর্স, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ১৬ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনে সামাজিক দূরত্ব কার্যকর, সচেতনতা সৃষ্টি, বাজার মনিটরিং এবং দুস্হ মানুষদের বিভিন্ন ধরণের সাহায্য প্রদানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও দেশের যেকোন দূর্যোগকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের সকল সদস্যগণ জনগণের পাশে থেকে কাজ করে যাবে বলে অঙ্গীকারবদ্ধ।

করোনার সর্বশেষ তথ্য

করোনার সর্বশেষ তথ্য




নিউজ ডেস্কঃ
আজ (৯ ই জুলাই ) গত ২৪ ঘন্টায়  ১৫৬৩২ নমুনা পরীক্ষায় ৩৩৬০ জনের করোনা শনাক্ত।
নতুর করে করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ২২৩৮। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৪৯। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫,৪৯৪ জনের করোনা শনাক্ত।
 ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ ৩৬০৭, মোট সুস্থ ৮৪৫৪৪।

নতুন আরো ৩৬ জনসহ দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত ৮৪৪ জন : নতুন ১৮ জনসহ সুস্থ ৪৬৪ : মৃত ১৬

নতুন আরো ৩৬ জনসহ দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্ত  ৮৪৪ জন : নতুন ১৮ জনসহ সুস্থ ৪৬৪ : মৃত ১৬





দিনাজপুর প্রতিনিধি : নতুন আরো ৩৬ জনসহ দিনাজপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ৮৪৪ জন। বুধবার ১৮জন নতুন সুস্থ্যসহ মোট সুস্থ্য ৪৬৪ জন  ও মৃত্যুবরন করেছে ১৬ জন।  

দিনাজপুর সিভিল সার্জন  ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুছ বুধবার (৮ জলাই) রাত ৯টা সাংবাদিকদের জানান, ২৪ ঘন্টায় জেলায় নতুন করে আরো ৩৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগির সংখ্যা দাড়ালো ৮৪৪ জনে। নতুন ১৮ জনসহ সুস্থ হয়েছে ৪৬৪ জন। আর গত ২৪ ঘন্টায় বীরগঞ্জে একজনসহ এ পর্যর্ন্ত মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন আক্রান্ত ৩৬ জনের মধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ৭ জন, কাহারোলে ৭ জন, ঘোড়াঘাটে ৫ জন, বিরলে ৪ জন, চিরিরবন্দরে ৪ জন, বীরগঞ্জে ৩জন, নবাবগঞ্জে ৩ জন, ফুলবাড়ীতে একজন ও বিরামপুর উপজেলায় দুইজন। আর নতুন সুস্থ ১৮ জনের মধ্যে সদরে ৩ জন,  নবাবগঞ্জে ৩ জন, খানসামায় ৬ জন ও চিরিরবন্দর উপজেলায় ৬ জন।

তিনি জানান, আক্রান্ত ৮৪৪ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৮৮ জন (মৃত ৩ জনসহ), বিরলে ৫৫ জন, বোচাগঞ্জে ২২ জন (মৃত দুইজনসহ), কাহারোলে ৪৩ জন (মৃত দুইজনসহ), বীরগঞ্জে ৩০ জন (মৃত দুইজনসহ), খানসামায় ৪৪ জন (মৃত একজনসহ), চিরিরবন্দরে ৬৮ জন (মৃত ৩ জনসহ), পার্বতীপুরে ৬২ জন (দুইজন মৃতসহ), ফুলবাড়ীতে ২৮ জন (মৃত একজনসহ), বিরামপুরে ৯২ জন, নবাবগঞ্জে ৪৮ জন, হাকিমপুরে ৯ জন ও ঘোড়াঘাটে ৫৫ জন (মৃত একজনসহ)। 

অপরদিকে সুস্থ ৪৬৪ জনের মধ্যে দিনাজপুর সদর উপজেলায় ১৫৬ জন, বিরলে ৩৮ জন, বোচাগঞ্জে ১৯ জন, কাহারোলে ১৯ জন, বীরগঞ্জে ১৯ জন, খানসামায় ১৭ জন, চিরিরবন্দরে ৪১ জন, পার্বতীপুরে ৩৫ জন, ফুলবাড়ীতে ১৮ জন, বিরামপুরে ৩৫ জন, নবাবগঞ্জে ৩০ জন, হাকিমপুরে ৫ জন ও ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩২ জন। 

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৪ জন, বোচাগঞ্জে দুইজন, কাহারোলে একজন, বীরগঞ্জে দইজন, খানসামা একজন, চিরিরবন্দরে ৩ জন, পার্বতীপুরে একজন, ফুলবাড়ীতে একজন ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় একজন। তিনি জানান, দিনাজপুর জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১৬ জন এবং করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে আরো ২০ জন।

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ১৪৬টি নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩৬ জনের নমুনায় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। 

এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় ১০৭টিসহ ৭ হাজার ৭৮৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর গত ২৪ ঘন্টায় ১৪৬টিসহ ৭ হাজার ৬৯৩টি নমুনা পরীক্ষার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২২৫ জনসহ ১৩ হাজার ৯২৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। আর বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছে ৩৪৩ জন, প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছেন ৭ জন, হাসপাতালে ভতি রয়েছেন ১৪ জন ও ১৬ জনের হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে ভ্যান থেকে সিটকে পড়ে মহিলার মৃত্যু

কিশোরগঞ্জে ভ্যান থেকে সিটকে পড়ে মহিলার মৃত্যু




মো:লাতিফুল আজম
কিশোরগঞ্জ নীলফামারী প্রতিনিধি:


ভ্যান থেকে সিটকে পড়ে ৭৩ বছরের এক মহিলার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল (বুধবার) রাত ৮ টায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের সিংহিমারী দোলা নামকস্থানে।


কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পারেরহাট আক্কেলপুর গ্রামের মৃত ভরত চন্দ্রের স্ত্রী চিনু বালা (৭৩) দু’ মেয়েসহ নাতনীর বাড়ি বাহাগিলী থেকে ভ্যান যোগে বাড়ি ফিরছিল। এসময় চাঁদখানা ইউনিয়নের সিংহিমারী নামকস্থানে ভ্যানটি মোড় নেয়ার সময় চিনু বালা (৭৩) সিটকে পড়ে গুরুত্বর আহত হয়। তাকে কিশোরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষনা করে।


কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এম হারুন অর রশিদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন- নাতনী বাড়ি থেকে ফেরার পথে ভ্যান থেকে সিটকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে

মোংলায় এসি ল্যান্ড সহ ৭জন করোনায় আক্রান্ত

মোংলায় এসি ল্যান্ড সহ ৭জন করোনায় আক্রান্ত





মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ 
মোংলায় সহকারী কমিশনার ভূমি (এসি ল্যান্ড)নয়ন কুমার রাজবংশী সহ ৭জন  করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। 
  
মোংলায় আজ ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার  পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো মোট ১৬জন।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেশ বিশ্বাস বলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী সহ আজ মোংলা উপজেলায় নতুন করে  ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যানরা হলেন  মোঃরনি(৩০)পিতাঃমোহাম্মদ সেকেন্দার আলী (ইউ,এন,ও অফিস),   শাহিনা খানম( ৩০)স্বামীঃ মোঃরবিউল ইসলাম(উলুবুনিয়া), সজিব কুমার দে(৩২), পিতাঃরাজ কুমার দে (ই,পি,জেড এ কর্মরত) সুস্মিতা রানী (২২)স্বামীঃসজিব কুমার,(ই পি জেড এ কর্মরত)  ইতি খান(২১)পিতাঃইমরার খান(ই,পি,জেড এ কর্মরত)সুলতান আহম্মেদ(৫৮)পিতাঃআঃরশিদ খান,(ময়লাপোতা মোড়) 
তিনি আরো বলো এ পর্যন্ত মোংলায় মোট আক্রান্ত এর সংখ্যা১৬ জন।    

করোনা পজেটিভ এর সত্যতা স্বীকার করেছেন সহকারী কমিশনার( ভূমি)নয়ন কুমার রাজবংশী, এ সম্পর্কে তিনি বলেন আমার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আমার সন্দেহ হয়,এর কারনে আমি করোনা পরীক্ষা করাই,আজ আমার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।কিন্তু শারীরিক ভাবে আমি এখন সুস্থ আছি,এবং বাসায় কোয়ারেনন্টাই এ আছি।

ছাগলনাইয়া স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সমাজ সেবক- মহসিন আলী

ছাগলনাইয়া স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন সমাজ সেবক- মহসিন আলী




মিরসরাই প্রতিনিধি
ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য ১০ বেডের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করেছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও বারইয়ারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজ্বী মহসিন আলী। তিনি বুধবার (৮ জুলাই) কর্তৃপক্ষের কাছে এই সিলিন্ডার হস্তান্তর করেছেন।

মহসিন আলী জানান, ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের জন্য নির্মিত দশটি বেডের অধীনে বেশ কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন রয়েছে। সে বিষয়টি চিন্তা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে তিনটি অক্সিজেন সিলিন্ডার যার মূল্য প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিয়েছে। যাতে করে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা আক্রান্ত রোগীদের কাজে আসে। এর আগে তিনি করোনায় মারা যাওয়ার রোগীদের দাফন কাফনে নিয়োজিত মিরসরাইয়ের ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু’ সংগঠনের তহবিলে ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছেন। উল্লেখ্য হাজ্বী মহসিন আলী দীর্ঘদিন ধরে মিরসরাই ও ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দান, অনুদান সহ সামাজিক কর্মকান্ড করে আসছেন।

জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সম্পাদককে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের সাথে জড়িতদের উকিল নোটিশ প্রদান

জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সম্পাদককে নিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের সাথে জড়িতদের উকিল নোটিশ প্রদান




রিয়াজুল করিম রিজভী(চট্টগ্রাম প্রতিনিধি), জনপ্রিয় পত্রিকা জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূইয়াকে সম্মানহানি এবং সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল এবং সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করলেন বেলাল হোছাইন ভূইয়া।এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মাহফুজা আক্তারের মাধ্যমে ভূয়া সংবাদের সাথে জড়িত সকল ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে লিগ্যাল উকিল নোটিশ প্রেরন করা হয়।উক্ত উকিল নোটিশে এডভোকেট মাহফুজা আক্তার ওই সকল ব্যাক্তি এবং প্রতিষ্ঠানকে ৭(সাত) কার্য দিবসের মধ্যে মিথ্যা এবং বানোয়াট সংবাদ প্রকাশের কারনে কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না তার যথাযথ কারন উপস্থাপন করার নির্দেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার(৪ জুলাই) থেকে জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ বেলাল হোছাইন ভূইয়াকে হেয় প্রতিপন্ন ও সম্মানহানির উদ্দেশ্য নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল এবং বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা এবং বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছিল। উক্ত সংবাদের প্রতিবাদ এবং আইনগত ব্যবস্থা স্বরূপ বেলাল হোছাইন ভূইয়া এই লিগ্যাল উকিল নোটিশ প্রেরন করেন।

নওগাঁয় গরু’নিয়ে ৩১হাজার খামারীদের দু:শ্চিন্তা চরমে

নওগাঁয় গরু’নিয়ে ৩১হাজার খামারীদের দু:শ্চিন্তা চরমে





রাজশাহী ব্যুরো
  কোরবানির জন্য লালন-পালন করা প্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার গবাদি পশু নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েছেন নওগাঁর প্রায় ৩১ হাজার খামারিরা। দিন যেতেই ঘনিয়ে আসছে ঈদুল আজহা। মুসলিম র্ধমাম্বলীদের আরেকটি বড় উৎসব এই ঈদুল আজহা মূলত এটি কোরবানীর ঈদ নামেই বেশি পরিচিত আমাদের কাছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে পশু খামারিদের দু:চিন্তা ততই বেড়ে চলেছে।
প্রতিবছর রোজার ঈদের পরপরই কোরবানীর জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা গবাদি পশু ক্রয় করে নিয়ে যান। তবে এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো। কোরবানির ঈদ এগিয়ে এলেও করোনার কারণে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা এখনও কেউ যোগাযোগ করেনি খামারিদের সাথে। ফলে শুধু কাঙ্খিত দাম নয় বরং লোকশানের শঙ্কায় রয়েছেন খামারিরা। নওগাঁর বেশ কয়েকটি খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে তারা সারা বছর গরু, ছাগল লালন-পালনে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন। করোনার কারনে এবার পশু গুলো সঠিক মূল্যে বিক্রি করতে না পারলে বড় ধরনের লোকশানের মুখে পড়বেন। এবার করোনার কারনে কিছুতেই দু:চিন্তা মুক্ত হতে পারছেনা তারা।
জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, নওগাঁ জেলায় এবার ২ লাখ ৭২ হাজার ৫৩টি কোরবানীর পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যা প্রতি বছরের ন্যায় জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্শ্ববর্তী রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা হয়ে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবেনা বলে আশাবাদী প্রাণি সম্পদ বিভাগ।
নওগাঁর দুবলহাটি গ্রামের খামারি বেনজির আহম্মেদ পলাশ এবারে ২৫টি ষাঁড় গরু প্রস্তুত করেছেন কোরবানীর জন্য। যার বাজার মূল্য ধরা হয়েছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে গরু মোটাতাজা করণের খামার করছেন। অন্যান্য বছর রোজার ঈদের পরেই দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা তার খামার থেকে গরু নিয়ে যান। কিন্তু এবছর করোনার কারনে তার সাথে যোগাযোগ করেনি কেউ। ফলে কিছুটা শঙ্কাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।
একই গ্রামের আরেক খামারি রবিউল ইসলাম বাবুল বলেন, করোনার কারনে মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। করোনার কারনে বাজারে ক্রেতা মিলবে কিনা বা সঠিক দাম পাবে কিনা তা নিয়ে চিন্তিত তিনি।
দরের মাতাসাগর গ্রামরে খামারি আব্দুল মজিদ এবছর কুরবানীর জন্য লালন-পালন করা ২৭টি গরু নিয়ে হতাশায় ভুগছেন। কুরবানীর হাটে ঠিকমত গরুগুলো নিতে পারবেন কিনা? ক্রেতা মিলবে কিনা বা নায্য মূল্য পাবেন কিনা তা নিয়ে চিন্তিত তিনি। সারা বছর গরু লালন-পালন করতে যে পরিমানে ব্যয় করেছেন তার খরচ টুকু পাবেন কিনা এ নিয়ে চরম হতাশায় রয়েছেন। ফলে শুধু কাঙ্খিত দাম নয় বরং লোকসানের শঙ্কায় রয়েছেন বলে জানান তিনি।

জেলা প্রাণি সম্পদের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ডা: মো: হেলাল উদ্দীন খান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে খামারিদের মাঝে কিছুটা হলেও ভিতু সঞ্চারের সৃষ্টি হয়েছে। তবে খামারিরা যাতে পশু বিক্রয়ের জন্য সঠিক ভাবে পরিবহন করতে পারে, যাতে কেও হয়রানির স্বীকার না হয় এ জন্য আমরা প্রশাসনের সাথে সম্মিলিত চেষ্টা করছি। করোনার জন্য আমারা প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করব। জেলার প্রতিটা পশুর হাটে এবার সমাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পশু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তবে যেখানে রাস্তা ঘাট, গন পরিবহন ও শপিং মল গুলোতেই মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি সেখানে পশুর হাটে কি করে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের? এ নিয়ে সামাজিক সংগঠন একুশে পরিষদের সভাপতি এ্যাডঃ ডিএম আবদুল বারী বলেন, কুরবানীর ঈদ উপলক্ষে পশুর হাট নয় বরং সেটি “করোনার হাট” বসবে। যদি পশুর প্রকার ভেদে আলাদা আলাদা ভাবে হাট বসানো হয় এবং মিনিমাম ৬ফিট দুরত্ব বজায় রাখা হয় তাহলে হয়ত কিছুটা স্বস্তি মিলবে। তবে প্রশাসন যদি কড়া নজরদারী না করে আর হাট ইজারাদাররা সচেতন না হয় এবং হাটে যদি স্বাস্থ্য বিধি না মানা হয় তবে করোনা আরো মহামারি আকার ধারন করবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রকোপ কমছেনা কিছুতেই বরং বাংলাদেশে দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনার প্রকোপ। করোনার কারনে পশুর হাট বসবে কিনা? হাট বসলেও ক্রেতা মিলবেন কিনা, ক্রেতা মিললেও দাম সঠিক মিলবে কিনা? এমন হাজারো প্রশ্ন নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে খামারিদের মধ্যে। যারদা ফলে লোকশান আতঙ্কে রয়েছেন খামারিরা।

ঝিনাইদহে করোনা আক্রান্ত পলি আক্তার, চলে গেলেন না ফেরার দেশে

ঝিনাইদহে করোনা  আক্রান্ত পলি আক্তার, চলে  গেলেন  না ফেরার  দেশে




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার 
( ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি) 



করোনায় আক্রান্ত হয়ে  জীবন  যুদ্ধে লড়াই  করে অবশেষে মৃত্যুকে আলিঙ্গন  করে না ফেরার দেশে  চলে  গেলেন গৃহ বধু পলি আক্তার  (৫০)। পলি আক্তার  ঝিনাইদহ  শহরের  বিশিষ্ট ঠিকাদার এবং  ঝিনাইদহ শহরের একতা মটরস্ এর  মালিক  জাহিদূল ইসলাম জাহিদ  মিয়ার সহধর্মিণী  ও খুলনা বিভাগের  হেল্থ ডিজি  ডাঃ রাশেদা  সুলতানার ছোট  বোন। তিনি  করোনা  আক্রান্ত হয়ে  ঢাকার  সামরিক  হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন থেকে  আজ বৃহস্পতিবার  ভোর ৪.৩০ মিনিটের  সময় মারা যান।

"ঝিনাইদহ আরাও ৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু -১

"ঝিনাইদহ আরাও ৩৩ জন করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু -১





সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ


৯_৭_২০২০ইংতারিখ   কোভিড-১৯ এর আপডেট তথ্য :

অফিসিয়াল ভাবে আমাদের কাছে কুষ্টিয়া_ল্যাব থেকে আরো ৭৭টিনমুনার ফলাফল এসেছে। যার ৪৪জন_নেগেটিভ এবং ৩৩জন_নতুন_আক্রান্ত। 

মোট প্রাপ্ত ফলাফলের সংখ্যা২৩৯৫+৭৭=২৪৭২
নেগেটিভ_২১০৬
আক্রান্ত_৩৩৩+৩৩=৩৬৬

মোট_সংগৃহীত_নমুনার_সংখ্যা_২৭৪৫

উপজেলা_ভিত্তিক_আক্রান্তের_মোট_সংখ্যা 
সদর_১০৭+২৪=১৩১
শৈলকূপা_৫২+২=৫৪
হরিনাকুন্ডু_১৬
কালীগন্জ_১১৩+৭=১২০
কোটচাদপুর_২৫
মহেশপুর_২০

আক্রান্তদের_এলাকা_সমুহ_
সদর(২৪)-
১.চাঁন্দমারি পাড়া 
২. আদর্শপাড়া
৩. সিদ্দিকীয়া সড়ক
৪. সিদ্দিকীয়া সড়ক
৫. সিদ্দিকীয়া সড়ক
৬. সিদ্দিকীয়া সড়ক
৭. যাত্রাপুর
৮. মাইক্রো ওয়েভ স্টেশন( BTCL Jhenaidah)
৯. মাইক্রো ওয়েভ স্টেশন( BTCL Jhenaidah)
১০. পাগলাকানাই
১১. ব্যাপারী পাড়া
১২. কোদালিয়া
১৩. ভুটিয়ারগাতি
১৪. পাগলাকানাই
১৫. ব্যাপারী পাড়া
১৬. কান্চননগর
১৭. পুলিশ লাইন 
১৮. পুলিশ লাইন 
১৯. সদর পুলিশ ফাঁড়ী
২০. সদর পুলিশ ফাঁড়ী
২১. সদর ট্রাফিক ঝিনাইদহ
২২. আরাপপুর
২৩. ব্যাপারী পাড়া
২৪. আদর্শপাড়া

শৈলকূপা(২)-
১. মিনগ্রাম(মৃত ব্যক্তির ফলাফল পজেটিভ এসেছে) 
২. ভাঁটই বাজার

কালীগঞ্জ(৭)-
১. দোউলতপুর (খালকোলা)
২. চাপালি (নলডাঙ্গা)
৩. শিবনগর (আলিগঞ্জ)
৪. হাট বারবাজার
৫. ঢাকালেপাড়া  (নলডাঙ্গা)
৬. দুলাল মুন্দিয়া
৭.  ফয়েলা (নলডাঙ্গা)

​মোট_সুস্থতার_সংখ্যা_১১৬+৫=১২১

উপজেলা_ভিত্তিক_সুস্থতার_সংখ্যা

সদর_৩৩
শৈলকূপা_১৬
হরিনাকুন্ডু_৬
কোটচাঁদপুর_১৮
কালীগন্জ_৩৮
মহেশপুর_৫+৫=১০

কোভিড_১৯_হাসপাতালে_ভর্তি_রোগীর_সংখ্যা_৮+৯=১৭

মোট_মৃত্যুর_সংখ্যা ৬+১=৭

শৈলকূপা_৩+১=৪
কালিগন্জ_৩


কয়রা উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শ্রমিকদের পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মানববন্ধন

কয়রা উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শ্রমিকদের পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মানববন্ধন




কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে  শ্রমিকদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় গত ৮ জুলাই সকাল ১০ টায় উপজেলা সদরের তিন রাস্তার মোড়ে ইমারত শ্রমিকরা পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধন শেষে ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফ হোসেন জানান,শ্রমিকরা উপজেলা প্রকৌশলীর সরকারী বাস ভবনে কাজ করে টাকা চাইলে  তিনি টাকা না দিয়ে আমাদের ঘুরাচ্ছেন সে জন্য আমরা পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে মানব বন্ধন করেছি। শুধু তাই না উপজেলা প্রকৌশলী আমাদের সাথে দুর ব্যবহার করেছে। এবং একজন কর্মকর্তা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। আমরা তার বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানাই।

উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা যে টাকার কাজ করেছে আমি সে টাকা দিতে চাইলে তারা নিতে রাজি হয়নি। তবে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অনেকই বিভিন্ন অভিযোগ শুরু করেছে। কয়রা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিজয় কুমার সরদার বলেন, উপজেলা ইজ্ঞিনিয়ার কোন মানুষের মুল্যায়ন করনে না ,তিনি আমার ইউনিয়ানে যে কাজ করেছেন তা অত্যান্ত নিম্ম মানের। ইউপি ভবনে ৯ লাখ টাকার রংএর কাজ লবন পানি দিয়ে রং টানার কাজ করে বিল সাবমিট করেছে। এ ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া যায়না। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা বলেন, শ্রমিকরা ইজ্ঞিনিয়ারের কাছে টাকা পাবে মর্মে আমাকে জানালে আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ও থানা অফিসার ইনচার্জকে জানিয়েছি।উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ইজ্ঞিনিয়ার বিষয়টি আমাকে জানালে আমি তাদের টাকা পরিশোধ করে দেওয়ার কথা বলি কিন্তু তিনি টাকা পরিশোধ করেননি ।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন-লরেন্স ওয়াং

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ খাতের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন-লরেন্স ওয়াং




মোঃ নাঈম শেখ, সিঙ্গাপুর প্রতিনিধিঃ   
জাতীয় উন্নয়ন মন্ত্রী লরেন্স ওয়াং গতকাল বলেছিলেন, নির্মাণ খাতে শ্রমিকদের মধ্যে করোনাভাইরাসে উচ্চ হারে পজিটিভ রেজাল্টে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে সরকার এবং সংশ্লিষ্টদের সংক্রমণের ঝুঁকি পরিচালনার ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে।
এর অর্থ এই যে ভাইরাসটি অভিবাসী কর্মীদের ডরমিটরির করোনাভাইরাস মুক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে খুব কঠোর হতে হবে।

তারা কোভিড -১৯ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি হ্রাস করতে ঠিকাদাররা নতুন পরিচালনার পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে তাও তারা নিশ্চিত করবে।
মিঃ ওয়াং, যিনি এই মহামারীটি পরিচালনা করার জন্য টাস্কফোর্সের সহ-সভাপতিত্ব করেছিলেন, ভার্চুয়াল মিডিয়া ব্রিফিংয়ের সময় বলেছিলেন যে গত মাসে সার্কিট ব্রেকার ব্যবস্থাগুলি আংশিকভাবে উত্তোলনের পরে যেহেতু কমিউনিটির আনলিঙ্কযুক্ত অর্ধেকগুলি মামলা নির্মাণ বা নির্মাণ-সম্পর্কিত কর্মীদের জন্য দায়ী করা হয়েছে৷

বেশিরভাগ কেস শ্রমিকদের নিয়মিত ও পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১৪ দিনের মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছিল। 
দুই তৃতীয়াংশ শ্রমিক কোভিড -১৯ অ্যান্টিবডিগুলির জন্য পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছিলো।যার অর্থ তারা কিছুদিন আগে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল।

এটি একরকম অবাক করার মতো বিষয় নয়, কারণ আমরা সবেমাত্র এমন একটি সময় পেরিয়ে এসেছি যেখানে পুরো নির্মাণ শিল্পে আমাদের সংক্রমণের খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে।
আমরা বেশ কিছু সময়ের জন্য নির্মাণ কার্যক্রম স্থগিত করে দিয়েছি, এবং কেবলমাত্র এখনই এই কার্যক্রমগুলির কয়েকটি পুনরায় শুরু করেছি।শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালীন, এক উপায়ে, আমরা এখন এই পুরানো সংক্রমণের কয়েকটি বাছাই করছি। 

মিঃ ওয়াং বলেছিলেন যে ডরমিটরিগুলোকে করোনাভাইরাস মুক্ত করতে কিছুটা সময় নেবে এবং ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছিল তিনি। 

"আমরা শুনেছি, টাইম টু টাইম ঠিকাদাররা আমাদের শ্রমিকদের মুক্তি দিতে বলছে, এটা ঠিক আছে বলে জোর দিয়েছিলেন," তিনি বলেছিলেন।
তবে এই শ্রমিকদের কাজে ফিরিয়ে দেওয়ার আগে আমাদের ছাড়পত্র কঠোরভাবে করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 

প্রায়ই চারপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কর্মীরা (একত্রিত হন) এবং কখনও কখনও কেবল নির্মাতারা নিজেরাই নয়, এমনকি স্থপতি, প্রকৌশলী, ফোরম্যান-সকলেই একত্রিত হয়ে কাজের জায়গাতে বা আবদ্ধ জায়গাগুলিতে ঘনিষ্ঠভাবে আলাপচারিতা করেন।
মিঃ ওয়াং বলেছিলেন যে কাজ শুরু হওয়ার আগে ঠিকাদারদের পক্ষে স্প্লিট-টিমের ব্যবস্থা এবং শ্রমিকদের আবাসন ব্যবস্থা গ্রহণের মতো ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তিনি আরও জানান, সরকার ইন্ডাস্ট্রির সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে এবং ঠিকাদারদের নির্মাণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।
এই মাসের শেষের দিকে সিঙ্গাপুরে ডডরমিটরিতে বসবাসকারী ৩২৩০০০ কর্মীদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ কিংবা করোনাভাইরাস পরীক্ষায় নেগেটিভ হবে বলে আশা করছেন। 

গতকাল একটি পৃথক ঘোষণায় জনশক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১৮০,০০০ শ্রমিক করোনাভাইরাস মুক্ত। 
কিছু কাজ শুরু করার আগে উপযুক্ত বাসস্থানে বা নিরাপদ পরিচালনার ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য সরিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

গতকাল, আরও ৩৮৪ টি ডরমিটরিকে করোনাভাইরাস মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে৷এর মধ্যে একটি শ্রমিকদের থাকার উদ্দেশ্যে নির্মিত ডরমিটরি, ৩৪৫ কারখানা-রূপান্তরিত ডর্ম এবং ৩৮ টি অস্থায়ী কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত ছিল।এর অর্থ এই পর্যন্ত ৬২৫ টি ডরমিটরি করোনাভাইরাস মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। 

করোনাকালীন সম্মুখ যোদ্ধা ও মানবতার ফেরিওয়ালা সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ

করোনাকালীন সম্মুখ যোদ্ধা ও মানবতার ফেরিওয়ালা সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধি ঃ
গত মার্চ মাস থেকেই করোনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির কাজ শুরু করে সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ।
১২টি থানায় ৩০ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়। এছাড়াও প্রতিটি থানায় মাইকিংয়ের মাধ্যমেও সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম অব্যহত রাখা হয়।
২৫ মার্চ থেকে সামাজিক দূরত্বের জন্য সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা দিলে লোকজনকে বাইরে বের হওয়ায় নিরুৎসাহিত করতে এবং ঘরে থাকতে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম।
তিনি জানান, ‘জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সতর্কবার্তা দিয়ে বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। বিদেশ থেকে আগত মানুষদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে পাঁচ হাজার স্টিকার তৈরি করে সকল থানায় পাঠানো হয়।
বিদেশ ফেরত এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ থেকে সিরাজগঞ্জে আসা প্রায় চার হাজার ২০০ মানুষের বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টাইন স্টিকার লাগিয়ে লাল পতাকা টানিয়ে দেয়া হয়।
এসব লোকজনের হোম কোয়ারেন্টাইনকালীন স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকল্পে প্রতিটি বাড়িতে একজন এসআই পাঠিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং চৌকিদার-দফাদারকে সম্পৃক্ত করে মনিটরিং করা হয়। এসব হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা অনেককে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও নিত্যপণ্য সরবরাহ করা হয়।’
তিনি আরও জানান, ‘ত্রাণ কার্যক্রমে দুর্নীতি রোধে পুলিশি অভিযানে প্রায় ২০ হাজার কেজি চাউল উদ্ধার হয়। এ সংক্রান্ত ১২ মামলায় ১৮ জনকে আইনের আওতায় আনা হলে ত্রাণ বিতরণে দুর্নীতি বন্ধ হয়।
করোনার কারণে হঠাৎ কর্মহীন হয়ে দুর্দশায় পড়েছেন কিন্তু আত্মসম্মানের কারণে কাউকে বলতে পারেননি বিধায় সরকারি ত্রাণ পাননি এমন দুই হাজার পরিবারের মধ্যে জেলা পুলিশের উদ্যোগে চাল, ডাল, আলু, তেলসহ খাদ্যসামগ্রী রাতের অন্ধকারে পৌঁছে দেয়া হয়।
এ কার্যক্রম এখনো অব্যাহত আছে। ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়েও আমরা এমন অনেক পরিবারকে সহযোগিতা করেছি। করোনা রোগে কিংবা করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত পাঁচজনকে পুলিশ সদস্যরা দাফনের কার্য সম্পন্ন করেছে। পুলিশ সদস্যদের করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, ভিটামিন এবং সাবান, স্যানিটাইজার, পিপিইসহ সুরক্ষাসামগ্রী সরবরাহ করা হয়। জীবাণুনাশক টানেল স্থাপন, জীবাণুনাশক ওষুধ ও মেশিন সংগ্রহ করে পুলিশের অফিস, আবাসন এবং গাড়িগুলো নিয়মিত স্প্রে করা হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।’
এছাড়া কর্মহীন হয়ে পড়া দুই সহস্রাধিক দিন মজুর ও নিম্নআয়ের মানুয়ের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য বিভিন্ন ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ সুপার