রুপের মেয়ে আফরান ইসলাম তরুন

 রুপের মেয়ে  আফরান ইসলাম তরুন





হঠাৎ চোখের দৃষ্টি পড়ে চোখের পলকে, 

সে চোখ দুটোতে যেন মায়া খেলে! 

আমিত্বের জন্য কখনো তাকাইনি তোমার দিকে,

সেই আমিত্বই আজ উদাসীন মগ্নতায় চেয়ে থাকে! 

 

তোমার নরম উষ্ণ ঠোঁটে মেঘের তুলো রাশি, 

ফুটন্ত লাল গোলাপের মতো তোমার মুখের হাসি

বাতাসে তোমার চুলের মিষ্টি সুঘ্রাণ

হয়ে যাচ্ছে অনুভবে বাষ্পিত_

রঙের চেয়েও রঙিন ইচ্ছা,

ভাবনা মনে রয়েছে কল্পিত। 


লিখছি কবিতা,তোমার জন্যই সব আয়োজন,

সে তোমাকেই চাই যে প্রয়োজন ছাড়াও প্রয়োজন!

তমহীন কবিতা লিখতে চাই তোমায় নিয়ে 

একটু মনের সাড়া দিও ওহে রূপের মেয়ে!

হবিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে বীজ তুলে দিলেন -এমপি আবু জাহির

 হবিগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে বীজ তুলে দিলেন -এমপি আবু জাহির




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি


হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় গোপায়া ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১২৯ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে শাক-সব্জির বীজ এবং কমিউনিটি বীজতলার হালিচারা বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে এসব তুলে দেন।


এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে গোপায়া ইউনিয়নে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সরকারি এসব বীজ বিতরণ করা হয়েছে। উপকারভোগীদের মাঝে ১০০ জন কৃষকে লালশাক ডাটাশাক 

কলমিশাক মূলাশাক পাংকশাক শসা, লাউ মিষ্টি কুমড়া করলা মরিচ বরবটি ও 


শিমের বীজ এবং ২৯ জন কৃষকের প্রতিজনের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে ১ বিঘা জমিতে রোপনের জন্য বিআর-২২ জাতের ধানের হালি। বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এমপি আবু জাহির বলেন, করোনা সংক্রমনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে সেই নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী এ লক্ষ্যে কৃষকগণকে কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন এমপি আবু জাহির।

জনগণ সেই এনালগে কাজী রকিবুল ইসলাম

জনগণ সেই এনালগে কাজী রকিবুল ইসলাম






ডিজিটাল এর সুফল এক-দুই মাস পরে বিফল,

গ্রাম-গঞ্জ মফস্বলে জনগণ সেই এনালগে।

স্বপ্নের সফলতা যায় বিফলে,

কালো হাতের করণিক ক্ষমতার লাট!

শুরু করে নানান রকম অজুহাত,

নেট নেই তো সার্ভারে ডিস্টার্ব-

সময়মতো স্পর্শ করেনা ডিজিট,

পাওনা দেনায় লাগে গিট

খোঁজ নেয় না কে বাটপার চিট।

বদের ধাড়ি গোয়েন্দারা করে না নজরদারি,

মাঝে মধ্যে অফিস গুলো করত যদি ভিজিট

দেশ প্রেমিক জনগণের দেয়ালে ঠেকতো না পিঠ।

কর্তা যদি নিতো একটু খোঁজ,

কুচক্রী দের কমত ‘মাস্তি মোজ’

দেশের উন্নয়ন বাড়তো কয়েক ডোজ

দেশ প্রেমিক জনগণের কমতো মাথার বোঝ।


পটিয়ার প্রজন্মলীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

 পটিয়ার প্রজন্মলীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত




সেলিম চৌধুরী, পটিয়া প্রতিনিধিঃ  পটিয়া পৌরসভা সুচক্রদন্ডী ২নং ওয়ার্ড নবগঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ পরিচিতি সভা সংগঠনের সভাপতি শিবুরাম দে সভাপতিত্বে   সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সংগঠনের পৌর সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফি নেতৃত্বে দলের নেতা কর্মীরা          ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সুচক্রদন্ডী ২নং এর চারবারের কাউন্সিলর ও পটিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র -১ বাবু ইঞ্জিনিয়ার রুপক কুমার সেন।  এতে আরো উপস্থিত ছিলেন  নয়ন সেন কৃষ্ণ সেন,  বিষ্ণ সেন, প্রদীপ সেন,  দোলন সেন(কালু), শ্যামল বড়ুয়া, বরুণ সেন, শফিকুল ইসলাম শফি, সাইফুল ইসলাম বিপু, বাবলু সেন, সাধন দে, সুব্রত দে, শয়ন দে, লিকু সেন, কার্ওিক ঘোষ, সুজন মিএ, হৃদয় দে, পায়েল চৌধুরী, অভি সেন, চিরঞ্জিৎ সেন, বাপ্পু দাশ, প্রাভান ঘোষ, সুজয় দে, সুরঞ্জিৎ সেন, অনিক চৌধুরী, নির্মল দে, কমল দে, অভি দে, বিজয় ঘোষ, অন্তু দাশ, জনি দে, বাপ্পি ঘোষ প্রমুখ.

সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 


রিয়াজুল করিম রিজভী

চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান:


সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলনে ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থী স্থানান্তর প্রক্রিয়া বাতিল এবং সন্দ্বীপের লক্ষাধিক নদী ভাঙনে অসহায় উদ্বাস্তুদের ভাসানচরে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়।


এ দাবিতে আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এফ. রহমান হলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সন্দ্বীপের সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়ন জেগে উঠার পর ঠেঙ্গার চর নামে পরিচিতি পাওয়া বর্তমান ভাসানচরে বার্মা থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া চলমান। এরই অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ৪০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ভাসানচর পরিদর্শন করেন। আমরা মনে করি ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা স্থানান্তরিত হলে তাদের স্বদেশ বার্মায় ফেরত পাঠানো অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।


সন্ত্রাস এবং মাদকে জড়িত রোহিঙ্গারা ভাসানচরে স্থানান্তরিত হলে সন্দ্বীপ, হাতিয়া সহ তৎ সংলগ্ন সব দ্বীপ, বৃহত্তর চট্টগ্রাম, বৃহত্তর নোয়াখালী, ভোলা এমনকি বাংলাদেশের জনজীবনে পরিবেশগত বিপর্যয়, আইন শৃঙ্খলার অবনতিসহ সংলগ্ন এলাকায় সন্ত্রাস এবং মাদকের বিস্তার ঘটতে পারে। চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলা হয়ে উঠতে পারে ইয়াবা কারবারের কেন্দ্রবিন্দু, নদী পথে ইয়াবা সহজেই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। নদী পথে তৈরী হতে পারে অস্থিরতা। সাগরে আমাদের সম্ভাবনাময় মৎস্য সম্পদ আহরণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে, সাগরে ডাকাতি বৃদ্ধি পেতে পারে, নৌ চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে, সমগ্র চট্টগ্রামে অস্থিরতা বিরাজ করতে পারে। সন্দ্বীপের সার্বিক পরিবেশ পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।


সন্দ্বীপ-হাতিয়া-চট্টগ্রাম-নোয়াখালী, ভোলা এমনকি বাংলাদেশ হুমকির মধ্যে পড়তে পারে, শান্তির দ্বীপ সন্দ্বীপ অশান্তিতে পরিণত হতে পারে। সন্দ্বীপ সহ তৎ অঞ্চল হারাতে পারে নিজস্ব স্বকীয়তা।


বক্তারা দাবি করেন সম্ভবত বিশ্বে এমন কোনো নজির নেই শরণার্থীদের সীমান্ত থেকে ২০০শ মাইল দূরে দ্বীপে রাখার।


আমরা বার্মা থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তাদের স্বদেশ বার্মায় ফেরত পাঠাতে সরকারের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা আরো বৃদ্ধির জোর দাবি জানাই।


কেননা, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর বিদ্যমান রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান নয়। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তারা সেখানে স্থায়ী হয়ে এখন থেকে একযুগ পরে আলাদা ভূ-খন্ডের দাবি করতে পারে। তখন রাষ্ট্রতন্ত্রকেই তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হতে পারে। বক্তারা রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু স্থায়ী সমাধান চান।


রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে তা আমাদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। রোহিঙ্গাদের কারণে ভাসানচর সংলগ্ন অঞ্চলের নাগরিকদের পাসপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যে সমস্যা ইতিমধ্যে টেকনাফ ও উখিয়াতে দেখা দিয়েছে। বর্তমানে কক্সবাজার অঞ্চলের মানুষ পাসপোর্ট পেতে বিভিন্ন হয়রানির শিকার হচ্ছে।


বক্তারা বার্মা থেকে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া বাতিলের জোর দাবি জানান। একই সাথে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সন্দ্বীপের সাবেক ন্যায়মস্তি ইউনিয়ন জেগে উঠার পর ঠেঙ্গারচর নামে পরিচিতি পাওয়া বর্তমান ভাসানচরে সন্দ্বীপের নদী ভাঙনে অসহায় জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের জোর দাবি জানান। প্রসঙ্গত: সন্দ্বীপের নদী ভাঙনে অসহায় জলবায়ু উদ্বাস্তু জনসংখ্যা লক্ষাধিক।


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন-সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান।


সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন-সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসাইন, লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম সন্দ্বীপের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট লায়ন আলহাজ মো. সলিমুল্লাহ, সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের সমন্বয়ক মো. মিজানুর রহমান ও মাকছুদের রহমান, এবি ব্যাংক সন্দ্বীপ শাখার সাবেক ম্যানেজার আলহাজ মো. সোলাইমান, এক্সিম ব্যাংক সন্দ্বীপ শাখার সাবেক ম্যানেজার অ্যাডভোকেট মো. তসলিমুল আলম, মানবাধিকার সংগঠক লায়ন এমদাদুল করিম সৈকত, কবি কে.এম. আজিজ উল্যা, ন্যায়মস্তি ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের সাবেক ৪ বারের ইউপি সদস্য সেন্টু চক্রবর্ত্তীর পুত্র তরুণ চক্রবর্ত্তী।


উপস্থিত ছিলেন-সাপ্তাহিক উপনগর নির্বাহী সম্পাদক কেফায়েতুল্লাহ কায়সার, সন্দ্বীপ রক্তদাতা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন আল আকাশ, সাপ্তাহিক আলোকিত সন্দ্বীপ-এর স্টাফ প্রতিনিধি নুর মোস্তফা আলী হাসান, সন্দ্বীপ ল’স্টুডেন্টস্ ফোরামের সাবেক সভাপতি এম. হাসান খান, সাংবাদিক আবদুল হান্নান হিরা, মোবারক হোসেন ভূঁইয়া, প্রলয় দাশ, রিয়াজুল করিম রিজভী, স্বর্ণদ্বীপ ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আকরামুল হাসান প্রমুখ।

পটিয়ায় তুচ্ছ ঘটনার জের প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৬

 পটিয়ায় তুচ্ছ ঘটনার জের প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৬


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃচট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ভাইখাইন ইউনিয়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন মেম্বার আবদুল জলিল ডাক্তারের বাড়িতে   তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৬জন আহত হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে তিন দফায় ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে ও দুপুরে এবং সন্ধায়। আহতরা হচ্ছেন মৃত নুরুচ্ছফার পুএ আবদুল জলিল মেম্বার, মোঃ আবদুল গফুর, তার স্ত্রী খুরশিদাা বেগম, ছেলে মোঃ দিলরাজ, মোঃ জোনায়াদ, জাবেদ হোসেন মানিক । আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে। পরে আবদুল জলিল (মেম্বার) বাদী হয়ে একই এলাকার নাজিম উদ্দীন,মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ বেলাল, মোঃ জিসানসহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায় আবদুল গফুরের ছেলে দিলরাজ(৭) এর সাথে প্রতিপক্ষ ২ নং বিবাদীর ছেলে মোঃ ইশান (১২) ভাগিনা মোঃ তাহিন এর সাথে খেলাধুলা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। এর এক পর্যায়ে ইশান তাহিন মিলে দিলরাজকে হাত পা বেধে এলোপাতাড়ি  মারধর করে বাড়ির কৃষি জমির কাদামাটি পানির মধ্যে ছেপে ধরলে তার শোরচিৎকারে তার মা খুরশিদাা বেগমসহ এলাকাবাসী এসে উদ্ধার করে।এরপরে দুপুর ও সন্ধায় প্রতিপক্ষরা আবদুল জলিলের বাড়ির উঠানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এতে আবদুল জলিল গং এর কারণ জানতে চাইলে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্র দিয়ে হামলা চালিয়ে ৬ কে রক্তাক্ত জখম করে বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে প্রকাশ। বর্তমানে এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করেছে স্থানীয়রা। আবদুল জলিল এর পরিবার চরম নিরাপক্তারহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে সে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আহত পরিবার পটিয়া থানার ওসিসহ     উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।  অভিয়োগের বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই    মিল্টন তদন্ত সাপেক্ষে    আইনগত ব্যাবস্তা নিচ্ছেন বলে জানান। 

সিরাজগঞ্জে করোনা জয় বীর পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

 সিরাজগঞ্জে করোনা জয় বীর পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ   

" বঙ্গবন্ধুর মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার"- এ স্লোগানকে ধারণ করে সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনে করোনায় জয়ী বীর পুলিশ সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।      


সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর)  সকালে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের আয়োজনে,  পুলিশ লাইন্সের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা  আলাউদ্দিন ড্রিলসেডে উক্ত অনুষ্ঠানে, করোনা জয়ীর পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম সহ সিরাজগঞ্জ জেলায় কর্মরত ৯৮ জন করোনা জয়ী পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়  ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে, জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম বক্তব্যে  বলেন, কর্মজীবীর পুলিশ সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে করোনা মহামারীকে প্রতিরোধ করতে নিজেদের অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছে। তেমনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো। এজন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুলিশদেরকে মর্যাদায় সমাসীন করেছে।  তেমনি জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা জয়ী বীর পুলিশদেরকেও সম্মানিত করেছেন। আগামীতে জননিরাপত্তায় পুলিশ যেন আরো দায়িত্বশীল অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। সে জন্য সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান।  পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম  আরো বলেন, "পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ" স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশে প্রথম সিরাজগঞ্জে আইনি সহায়তা আগতদের আপ্যায়নের মাধ্যমে  ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরীর  উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। যা ভবিষ্যৎ  দেশের প্রতিটি থানায় এরকম উদ্যোগ গ্রহণ করলে, জনগণ বেশি আরো বেশি পুলিশি সহায়তা ও সহমর্মিতা  হাত বাড়িয়ে দেবে। 


করোনা মহামারী প্রতিরোধে এ্যান্টিবডি তৈরিতে প্লাজমা প্রদানে সকল পুলিশ সদস্যকে উৎসাহ প্রদান করেন। 


এসময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি ফারহানা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( শাহজাদপুর সার্কেল) ফাহমিদা হক শেলী ও মোহাম্মদ শরাফত ইসলাম প্রমুখ।

সিরাজগঞ্জ বাগবাটিতে ৪০ জন প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

 সিরাজগঞ্জ বাগবাটিতে ৪০ জন প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার এলজিএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে বাগবাটী ইউনিয়ন

পরিষদের আয়োজনে ৪০ জন শারারীক প্রতিবন্ধিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা

হয়েছে। সোমবার সকালে বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও

ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি

হিসাবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক এবিএম রওশন কবীর। এসময়

বাগবাটী ইউনিয়নের ৪০ জন অসহায় প্রতিবন্ধিকে একটি করে হুইল চেয়ার

বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার

আনোয়ার পারভেজ,ইউপি সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, ৯ নং ওয়ার্ড

আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবু হাসেম, ১ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক

মো. সহিদুল ইসলামসহ ইউপি সদস্য নুরুনবী,মুনজু,জহুরুল,বাদশা,মনোয়ারা সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত

ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন বাগবাটী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও

ইউপি সদস্য মো. মনজুর মোর্শেদ সজল।

কয়রায় ছাত্রলীগ নেতা টিংকু,র জন্মদিন উপলক্ষে কোরআন খতম, বৃক্ষরোপন ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরন

 কয়রায়  ছাত্রলীগ নেতা টিংকু,র জন্মদিন উপলক্ষে কোরআন খতম, বৃক্ষরোপন ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরন





কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু’র ২৭ তম জন্মবার্ষিকী  পালন উপলক্ষে বৃক্ষরোপন ও দুস্থদের খাদ্য বিতারন করেছে কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল  থেকে দিনব্যাপী  উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কোরআন খতম , বৃক্ষরোপন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং  দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়।কয়রা উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম টিংকু’র জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ-সম্পাদক মাসুদ রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি  তরিকুল ইসলাম,  উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা শেফার, ছাত্রলীগ নেতা,বেলাল হোসেন বিল্লু, সাব্বির হোসেন শান্ত, মফিজুল ইসলাম,অপু,ফেরদৌস আহম্মেদ,মোস্তাফিজুর রহমান,মুকেশ,জয়ন্ত, শরিফ,সাব্বির হোসেন, জুবায়ের হোসেন, মেহেদী, হাসান, কাজল,তুহিন প্রমুখ।

মাধবপুরে হারিয়ে গেছে আশির দশকের সেই অডিও ক্যাসেট এর কথা

মাধবপুরে হারিয়ে গেছে আশির দশকের সেই অডিও ক্যাসেট এর কথা




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আশির দশকের শেষের দিকে মাধবপুর ক্যাসেট পট্টি নামে একটি গলি পরিচিত ছিল। এ গলি দিয়ে হাটলেই বুঝা যেত শুধু অডিও সাউন্ড ও রেকর্ডের কথা। আশির দশকের মাঝামাঝি ও নব্বই দশকের শুরুতে বাংলাদেশের তারুণ্যের মাঝে ছিল দারুণ এক উত্তেজনা। অভাবনীয় উন্মাদনা। আর সে সময়টাকে অভিহিত করা যায় ক্যাসেট যুগ মিউজিকের যুগ ব্যান্ড এর যুগ হিসেবে। প্রায় পুরো তরুণ সমাজের চিন্তা জগতকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল ব্যান্ড মিউজিক। অল্প সময়ের মধ্যে শহর থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে ব্যান্ড মিউজিক গীটারের টুং টাং ধ্বনিতে মোহিত হত সে সময়ের তারুণ্য। 


গায়ে হলুদ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন বরণ সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ব্যান্ড মিউজিক ছাড়া কল্পনাই করা যেত না। পাড়া মহল্লার তরুণরা গড়ে তুলেছে ব্যান্ড। বের হয় অডিও ক্যাসেট। ঝাঁকে ঝাঁকে তরুণরা ছুটেছে ব্যান্ড মিউজিকের পেছনে। বিনোদনের অনুসঙ্গ হয়ে ওঠে ক্যাসেট ও ব্যান্ড মিউজিক। সময়টা ছিল সৃজনশীল এবং একই সঙ্গে ভাল কিছু করার প্রত্যাশা। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজারের মত অডিও ক্যাসেট বের হয়েছে বাংলাদেশের ক্যাসেট যুগে

এর মধ্যে আধুনিক রবীন্দ্র সংগীত নজরুল সংগীত পল্লীগীতি কবিতা ব্যান্ড ও সলো শিল্পীদের ক্যাসেট ছিল।


কিন্তু চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি ব্যান্ডের ক্যাসেটের ব্যান্ডের জনপ্রিয়তার কারণে এক সময় সলো ক্যাসেট করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। অনেক সলো আর্টিস্ট জনপ্রিয়তা পাবার আশায় নামমাত্র একটা ব্যান্ড গঠন করে ক্যাসেট রিলিজ ও টিভিতে গান গেয়েছেন। ভালভাবে ইনস্ট্রুমেন্ট বাজাতে পারতো না এমন তরুণেরাও প্রফেশনাল মিউজিসিয়ানদের সাহায্য নিয়ে ব্যান্ডের ক্যাসেট বের করেছে ব্যান্ড মিউজিককে ভালোবেসে। একের পর এক ব্যান্ডের ক্যাসেট আসতে থাকে বাজারে। ভালো গানের সঙ্গে অনেক খারাপ গানও ঢুকে পরে এত এত হিট গানের মাঝে হারিয়ে যায় অনেক। 


ভালো ব্যান্ডের গান ও ব্যান্ড লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায় তারা নানা কারণে

প্রচারের অভাবও ছিল অনেক ক্ষেত্রে সেই সব সুরেলা ক্লাসিক গান আজ অনেক বছর পর ইউটিউবে। কোথায় হারিয়ে গেল সেই ব্যান্ডগুলো বাংলা ব্যান্ডের সেই দিনগুলো কই? এমন গানের কথা মিউজিক সুর কি আর আসবে? আহা কি সুর কি লিরিক অনেক শুনেছি তারপরও বারবার শুনতে মন চায়। এ ধরনের ব্যান্ড বাংলাদেশে আর কখনো হবে না ৯০ দশকের মত হৃদয় ছোঁয়া গান আজ আর শুনিনা যাকে বলে এভারগ্রীন।


সে সময় এমন কিছু ব্যান্ড ছিল যাদের নাম অনেকেই জানেন না তেমনি একটি ব্যান্ড ওয়েভস। বাংলাদেশের প্রথম হ্যাভিমেটাল ব্যান্ড জার্মানীতে ১৯৮১ সালে ইফতেখার, মাহামুদ ও মিঠু তিন বন্ধু মিলে গড়ে তুলেন ওয়েভস। ১৯৮৩ সালে মিউজিক করার জন্য বাংলাদেশে আসে ওয়েভস। তাদের সঙ্গে যোগ দেন সুইডেন থেকে মিনু ও জার্মানী থেকে কামাল। মিনু বাংলাদেশের প্রথম মেটাল নারী ব্যান্ড মেম্বার। বিদেশ থেকে তারা সব আধুনিক যন্ত্র নিয়ে আসে ঢাকায়

ওয়েভস রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে স্রোতাদের আগ্রহ বাড়তে থাকে মেটাল গানের প্রতি মিনু ও মিঠু ব্যান্ড।


ছেড়ে বিদেশে চলে গেলে তাদের পরিবর্তে ভোকাল হিসেবে যোগদান করেন মাকসুদুল হক (ফিডব্যাক) ড্রামে মিল্টন ও গিটারে নটু। ওয়েভসের ভিন্ন ধারার গান সে সময়ে সুধী মহলে সমালোচিত হয়। নোংরা রাজনীতির কারণে ওয়েভস দেশ ছেড়ে চলে যায়। ১৯৯৬ সালে ১০ বছর পর তাদের প্রথম এ্যালবাম বাজারে আসে। ওয়েভ্সের কিছু গান ইউটিউবে দেয়া আছে (You Tube- Iftekhar sikder) আশির দশকের আরও একটি ব্যান্ড উইন্ডস। সংগীত পরিচালক মরহুম আলী আকবর রুপু এ ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন‌. 

( ২য় পাতা )


তিনি কী-বোর্ড বাজাতেন গায়ক আতিক হেলাল (বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী) উইন্ডস ব্যান্ডের বেশ কয়েকটি গান লিখেছিলেন নাট্যকার আখতার ফেরদৌস রানা (ফেরদৌস হাসান) তাদের তিনটা ক্যাসেট বের হয়েছিল মোহাম্মদপুরের কয়েকজন তরুণ তিথি ও সোহেল মিলে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ফেইথ। ভোকাল অনল রায়হান পার্থ (চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান ও অভিনেত্রী সুমিতা দেবীর ছোট ছেলে) ড্রামার তিথি (বর্তমান লালন ব্যান্ডের ড্রামার ও দলনেতা)। হবিগঞ্জের বাংলা ব্যান্ড জনপ্রিয় গান মিষ্টি মেয়ে চোখটি তোল।


গায়ক সবুজ সুরেলা কন্ঠ অনেক বছর পর আর টিভির একটি গানের রিয়ালেটি শোতে প্রথম হয়ে ফিরে এসেছিলেন। আবারও হারিয়ে গেছেন ৮০ এর দশকের শেষে বাজারে আসে ব্লু ওয়েভস ব্যান্ডের ক্যাসেট। ভালোবাস কি না জানি না, সাগরের তলদেশে, পৃথিবীকে ঘিরে যামিনী কাঁদে ইত্যাদি তাদের জনপ্রিয় গান ইত্যাদি। ব্যান্ডের ভোকাল গিলবার্ট। পালস ব্যান্ডের চন্দ্রিমা রাত্রিতে কিংশুক সৌরভে প্রিয়তমাকে খুঁজে পাই। অরকিজ ব্যান্ডের মাতাল করা হাওয়া এই স্বপ্নের জোছনায় ইত্যাদি এর পাশাপাশি আরও কিছু সুরেলা গান এ প্রজন্মের। 


অনেকেই শোনেননি ব্যান্ড মিউজিক শুধু মিউজিক ছিল না প্রেম ভালোবাসার পাশাপাশি সেখানে রাজনীতি সমাজ সচেতনতা দেশ জাতি সমাজ তারুণ্য, মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা মৌলবাদ ফাঁরাকা বাঁধের কথাও ছিল সেই কথাগুলো আড়ালেই থেকে গেছে অপসংস্কৃতির প্রচারটাই পেয়েছে বেশি। সেই তকমা গায়ে নিয়ে থেমে থেমে এগিয়ে গেছে ব্যান্ড মিউজিক। শুধুমাত্র বড় চুল থাকার জন্য বিটিভিতে প্রচারিত হয়নি ওয়েভ্স ব্যান্ডের গান। যে সম্ভাবনা নিয়ে এগিয়ে এসেছিল ব্যান্ড মিউজিক তা ধরে রাখতে পারেনি ব্যান্ডগুলো বাংলাদেশের।


ব্যান্ড মিউজিকের অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার কথা ছিল দলাদলি অন্তকলহ মাদক, পরিকল্পনার অভাব আর বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর নাক সিটকানোর জন্য সে পথ যেন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠল। ব্যান্ড মিউজিক সঠিক পথে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে গেলে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ইভটিজিং এতোটা মাথাচারা দিয়ে উঠতে পারতো না আজ। ব্যান্ড সংগীতই আমাদের পৌঁছে দিতে পারতো বিশ্ব দরবারে। ব্যান্ড মিউজিক হতে পারতো বাংলাদেশের আরেক পরিচয় হাজার হাজার মানুষ কাজ করেছে অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে।


তাদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয়েছিল। জমজমাট ছিল সেই দিনগুলো ক্যাসেট যুগ শেষ হয়েছে অনেক আগেই বেশ কয়েক বছর সিডি চলেছে। সিডিও হারিয়ে গেল স্রোতারা এখন ইন্টারনেটে গান শুনে। অ্যাপসের মাধ্যমে দু’একটি করে গান বাজারে আসছে। সে অবস্থাও নড়বড়ে বাংলাদেশের অডিও শিল্পের সুদিন এখন শুধুই অতীত ইতিহাস মাত্র। অপরদিকে যারা অডিও ক্যাসেট বিক্রি করে সংসার চালাতো তারা আজ নিরুপায় হয়ে মোবাইল চার্জার টর্চলাইট, হাত ঘড়ি দেয়াল ঘড়ি কোমর বেল্ট ইত্যাদি বিক্রি করেন, মাধবপুর বাজারের ব্যবসায়ী আঃ আজিজ বলেন অডিও ক্যাসেট বিক্রি করে যেমন তেমন ভাবে সংসার চালাতো কিন্তু এখন অডিও ক্যাসেট বিক্রি বন্ধের পর হতে নিত্যান্তই অভাব অনটনের মধ্যে জীবনযাপন করছে।

হিলিতে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের মহড়া অনুষ্ঠিত

হিলিতে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের মহড়া অনুষ্ঠিত

মোঃ কৌশিক চৌধুরি,হিলি প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের হিলিতে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ সোমবার বেলা ১১ টায় হাকিমপুর (হিলি) পৌর সভার সামনে পৌরসভার কাউন্সিলার ও এলাকার সাধারণ মানুষ দের মাঝে মহড়া দিয়ে  দেখানো হয় আগুন লাগলে কিভাবে নিয়ত্রন করতে হয় এই বিষয় প্রশিক্ষন ও মহড়া দেন ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার। 

হিলি ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমান জানান, আগুন লাগানোর আগে ও পড়ে সাধারণ জনগণের করণীয় এর ওপর জনগণকে সচেতন করতে প্রতি বছরে এই মাসে আমরা ৮ তারিখ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত এই মহড়ার আয়োজন করে থাকি। 

এসময় মহড়ায় হিলি ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স অফিসের কর্মীরা ছাড়াও পৌর সভার মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত ও কাউন্সিলরসহ এলাকার জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

স্বামীর অধিকার পেতে শশুরালয়ে স্ত্রীর অনশনে

স্বামীর অধিকার পেতে শশুরালয়ে স্ত্রীর   অনশনে




লাকসাম, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃপ্রেমের বিয়ের স্বীকৃতির জন্য স্বামীর বাড়ীতে বউয়ের অনশনের সংবাদ পাওয়া গেছে। আজ রোববার কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউপির ইরুয়াইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অনশনকারী ওই কনের নাম বীথি আক্তার, সে একই ইউপির মনোহরপুর গ্রামের বদিউল আলমের মেয়ে। বর উপজেলার কান্দিরপাড় ইউপির ইরুয়াইন গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল হকের ছেলে জুয়েল রানা

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউপির ইরুয়াইন গ্রামের আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল হকের ছেলে জুয়েল রানার সাথে একই ইউপির মনোহরপুর গ্রামের বদিউল আলমের মেয়ে বীথি আক্তারের সাথে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে।

প্রেমের স্বীকৃতি দিতে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী উভয়ে গোপনে বিয়ে করে। বিয়ের কয়েক মাস অতিবাহীত হলে স্বামী জুয়েল রানা বউ বীথিকে নিজ বাড়ীতে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতৈক্য সৃষ্টি হলে রোববার দুপুরে বীথি আক্তার স্বামীর স্বীকৃতি পেতে জুয়েল রানার বাড়ীতে অনশন শুরু করে।

এদিকে বীথির স্বামী জুয়েল রানা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে

রবিবার রাতে অনশনরত বীথি জানায় ,জুয়েল রানা কে আমি ভালবেসে বিয়ে করেছি। স্বামীর অধিকার পেতে আমি শশুরালয়ে অনশনে করছি।

জুয়েল রানার পিতা রফিকুল হক সাংবাদিক কে মুঠোফোনে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

কান্দিরপাড় ইউপির ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি মেয়েটিকে জুয়েল বিয়ে করেছে। আমরা সামাজিক ভাবে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছি।

কুমিল্লা লাকসামে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন অর্থায়নে বরাদ্ধকৃত প্রকল্প পরিদর্শন

 কুমিল্লা লাকসামে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন  অর্থায়নে বরাদ্ধকৃত প্রকল্প পরিদর্শন


মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ, লাকসাম প্রতিনিধিঃকুমিল্লার লাকসামে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন দপ্তরের অর্থায়নে বরাদ্ধকৃত চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন, উপকরন বিতরন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ৫নং গৌবিন্দপুর ইউনয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে গতকাল সোমবার দুপুরে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর।


গোবিন্দপুর ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথী হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ইউনুছ ভুইয়া,উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ কে এম সাইফুল আলম, পৌর মেয়র অধ্যাপক আবুল খায়ের, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী।


এ সময় উপজেলা ভুমি অফিসের আওতায় ভূমিহীনদের মাঝে নতুন বন্দোবস্তকৃত ভুমির খতিয়ান প্রদান, এলজিএসপির-৩ অধিনে সেলাই মেশিন, ফগারমেশিন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাস্ক, সাবান ও ব্লিচিং পাউডার বিতরন, ছাত্রীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরন। সমাজ সেবা অফিসের আওতায় বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধিদের ভাতা প্রদান। এডিপি’র আওতায় প্রতি স্কুলে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরন। প্রকল্প দপ্তরের আওতায় শিশু খাদ্য বিতরন ও হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন। কৃষি অফিসের আওতায় শাক সবজির বীজ বিতরন। মৎস্য অফিসের আওতায় জেলেদের মাঝে এ.আই.জি.এ এর আওতায় সেলাই মেশিন বিতরন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস আওতায় আর্সেনিকমুক্ত টিউব্রয়েল, পাম্প, ওয়াটার ট্যাংক বিতরন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারি কমিশনার ভুূমি উজালা রানী চাকমা, থানা ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম হিরা, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা- কর্মচারী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠন সহ সার্বজনিন নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

মিরসরাইয়ে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যেগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

মিরসরাইয়ে ইসলামী ব্যাংকের উদ্যেগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান




মিরসরাই প্রতিনিধি:ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড মিরসরাই শাখার উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্যাংক মিলনায়তনে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের শাখা প্রধান ও এভিপি মুহাম্মদ লুৎফুল্লাহিল মজিদ। ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন ম্যানেজার (অপরারেশন্স) মোঃ জাহেদ উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখার জিবি ইনচার্জ মোঃ হাসান উদ্দিন, কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ শরীফ উদ্দিন। প্রতি শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য এককালীন ২৭ হাজার টাকা বৃত্তি প্রদান করা হয়.


আশাশুনির গুনাকরকাটি শাহ্ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ের চার তলা ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের উদ্বোধন

 আশাশুনির গুনাকরকাটি শাহ্ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ের চার তলা ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের উদ্বোধন


আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গুনাকরকাটি শাহ্ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ের চার তলা ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের উদ্ভোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের উদ্ভোধন করেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী, সাতক্ষীরা-০৩ আসনের জাতীয় সংসদ অধ্যাপক ডাঃ আফম রুহুল হক এমপি।


অধ্যাপক ডাঃ আফম রুহুল হক এমপি'র একান্ত প্রচেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি-আইতলা-মাদারবাড়িয়া-


মহাজনপুর-দাদপুর-বাহাদুরপুর বাসির স্বপ্নের ও দীর্ঘ দিনের দাবির 


গুনাকরকাটি শাহ্ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ের চার তলা ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপনের উদ্বোধনে খুশির জোয়ার দেখা গেছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে।


ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে বিদ্যালয় চত্বরে এক আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সাংসদ প্রতিনিধি শম্ভুজিৎ মন্ডল। এসময় কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছেদ আল হারুন চৌধুরী, আ"লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন, স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক বৃন্দ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নগরীতে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

নগরীতে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার


তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃখুলনার টুটপাড়া কবরখানা মোড়ে নির্মাণাধীন সিসভাস নামে একটি ভবনের ছাদ থেকে তপন সরদার (৫০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল নয়টার দিকে গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই ভবনের কেয়ারটেকার, তার গলায় রশি পেঁচানো ছিল।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত তপন সরদার ওই ভবনের কেয়ারটেকার, তার গলায় রশি পেঁচানো ছিল। একই ভবনে তার ছেলেও কাজ করতো। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু দায়ের করা হয়েছে।

খোলা আকাশের নিচে রাখা বশেমুরবিপ্রবির আসবাবপত্র এখন ঝোপঝাড়!

খোলা আকাশের নিচে রাখা বশেমুরবিপ্রবির আসবাবপত্র এখন ঝোপঝাড়!



বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ক্রয়কৃত আসবাবপত্র জুড়ে গজিয়ে উঠেছে ঘাস আর লতাগুল্ম। হলের জন্য স্টিল নির্মিত প্রায় ৮০০ টি হোস্টেল বেড ঘাস ও লতাগুল্ম জড়িয়ে এখন ঝোপঝাড়ে পরিনত হবার পথে। এসব আসবাবপত্রের আনুমানিক দাম এক কোটি টাকার উপরে।

প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আসবাবপত্র ক্রয়,যথেষ্ট ধারন ক্ষমতাযুক্ত রুম/ সংরক্ষন স্হানের অভাব এবং দীর্ঘদিন বাইরে ফেলে রাখার ফলেই আসবাবপত্রের এই করুণ পরিণতি বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।


সরেজমিনে দেখা গেছে বশেমুরবিপ্রবির একাডেমিক ভবনের সামনের দিকে ৫০০ টি এবং পেছনের দিকে প্রায় ৩০০ টি মিলে মোট ৮০০টি স্টিল নির্মিত বেড খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হয়েছে। রোদ,বৃষ্টি আর প্রাকৃতিক পরিবর্তনের ফলে  ( খরা,অনাবৃষ্টি, ঝড়,জলাবদ্ধতা)  স্টিলের বেড গুলোতে  মরিচা পড়ে বিবর্ণ হয়েছে এবং ঘাস আর লতাগুল্মে সেগুলো মনে হয় ছোটখাট কোনো ঝোপঝাড়। খোলা আকাশের নিচে রেখে দেয়া বেডগুলো আজ সংরক্ষণের অভাবে  যেন হয়েছে  ঝোপঝাড়। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও ওয়ার্কস দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে বশেমুরবিপ্রবি অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ২০১৭-১৯ পর্যন্ত দু'বছরে এসকল বেড ক্রয় করা হয়েছে। জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড ও খুলনা শিপইয়ার্ড থেকে ১১ টি ওয়ার্ক অর্ডার করা হয়েছিল। মোট ৪৪,৮২৭,৬২৫ টাকা মূল্যে ২৬৭০ টি হোস্টেল বেড ক্রয় করা হয়েছিলো।গড় হিসাবে  প্রতিটি বেডের  মূল্য প্রায় ১৬,৭৮৯ টাকা। এর মধ্যে শুধুমাত্র ২০১৯ এর ২৮ মে এবং ২৬ জুন দু'দিনেই ১৯৪৫ টি বেডের অর্ডার প্রদান করা হয়েছিলো। আর এই সময়ে নতুন করে কেবল ৪০০ আসনবিশিষ্ট দুটি হল নির্মাণ করেছে কর্তৃপক্ষ। 

 রেজিস্ট্রার দপ্তরের থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, ২০১৭ এর জানুয়ারি থেকে ২০১৯ এর জুলাই পর্যন্ত পূর্বনির্মিত হলগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ছেলেদের স্বাধীনতা দিবস হল থেকে ২০টি বেডের চাহিদার কথা তাদের জানানো হয়েছিল।


কিন্তু চাহিদার চেয়ে  অতিরিক্ত বেড কিনে রেখে দেয়া হচ্ছে খোলা  আকাশের নিচে। সরকারি টাকায় কেনা ৮০০টি বেডের দাম  প্রায় ১৩,৪৩১,২০০ টাকা।কিন্তু তা আজ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবেই নষ্ট হচ্ছে।  


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নতুন নির্মিত হলগুলোর জন্য ১০০০-১৫০০টি বেড যথেষ্ট ছিলো। কিন্তু প্রয়োজনের অনেক বেশি সংখ্যক পণ্য অর্ডার করায় এগুলো এখন নষ্ট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসকল পণ্য জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কেনা হয় তাই অবশ্যই এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত।’


১৯৪৫টি বেডের ব্যাপারে কিছু জানেন না উল্লেখ করে এ বিষয়ে ওয়ার্ক অর্ডার প্রদানকারী প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. এম. এ. সাত্তার  বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তৎকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নির্দেশেই এসকল ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করেছিলাম। এমনকি পরবর্তীতে  আমাকে ওয়ার্ক অর্ডারের জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদানেরও নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু আমি অগ্রিম অর্থ প্রদান করতে রাজি হই নি এবং প্রকল্প পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করি।’


প্রশাসনকে পাঁচবার চিঠি দেবার কথা তুলে ধরে ও জায়গা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোরের দায়িত্বে থাকা মোঃ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘স্টোরের জায়গা বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনকে গত দু’বছরে প্রায় পাঁচবার চিঠি প্রদান করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, ইতিমধ্যে আমরা কাঠের বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিলগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। তবে এখনও স্টোরের জায়গা পর্যাপ্ত নয়। স্টোরের জায়গা বৃদ্ধি পেলেেই অবশিষ্ট আসবাবপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণ সম্ভব হবে।’


ঝোপঝাড়ের আসবাবপত্রের বেহাল দশার  কথা  শুনে বশেমুরবিপ্রবির সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য ড. এ.কিউ.এম মাহবুব বলেন, ‘এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোপার্টি, জনগণের প্রোপার্টি, দেশের প্রোপার্টি। এগুলো এভাবে নষ্ট হতে দেখে আমি অত্যন্ত মনঃক্ষুণ্ন। "


তিনি আরো বলেন,"এ বিষয়ে আমি একা কোনো সিদ্ধান্ত নিবো না। রিজেন্ট বোর্ডের মিটিং এর মাধ্যমে এসকল আসবাবপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা সাদেক বাচ্চু মারা গেছেন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা সাদেক বাচ্চু মারা গেছেন




নিউজ ডেস্কঃ  ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন এই অভিনেতা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।



এনটিভি অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী । তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে দুবার তাঁর হার্ট ফেল হয়েছে। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেছি আমরা।’



গতকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে এনটিভি অনলাইনকে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, দুপুরে সাদেক বাচ্চুর চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড বসবে। তারপর সাদেক বাচ্চুর চিকিৎসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


মেডিকেল বোর্ডের মিটিং শেষে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী জানান, সাদেক বাচ্চুর চিকিৎসায় ডাক্তারদের আর কিছুই করার নেই। রোববার পৌনে ৫টার দিকে তিনি এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘সাদেক বাচ্চুর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন। তাঁকে শতভাগ অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। দুপুরে প্রফেসর রেদোয়ানুর রহমানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড বসেছিল। তারপর উনার চিকিৎসায় কিছুটা পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এখন যে অবস্থা উনার, চিকিৎসায় ডাক্তারদের আর কিছুই করার নেই। তাঁর অবস্থার উন্নতি হতে পারে, আবার অবনতিও হতে পারে।’


এর আগে ঠাণ্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হলে গত ৭ সেপ্টেম্বর সাদেক বাচ্চু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর ১১ সেপ্টেম্বর তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। একদিন পর তাঁর অবস্থার অবনতি হতে তাঁকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি কোভিড ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন।


সাদেক বাচ্চু বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম খল-অভিনেতা। মঞ্চ ও টিভি নাটক থেকে চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ১৯৭৭-৭৮ সালে বিটিভির নিয়মিত শিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেন সাদেক বাচ্চু। বিটিভিতে তাঁর অভিনীত প্রথম নাটক ‘প্রথম অঙ্গীকার’।


১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রামের সুমতি’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন সাদেক বাচ্চু। তিনি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

শৈলকুপায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ

 শৈলকুপায় ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ



সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পদমদি গ্রামে ৭ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক কলেজ ছাত্রের বিরুদ্ধে।

সোমবার সকালে শৈলকুপা উপজেলার পদমদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিতার স্বজনার জানান, সকালে ওই শিশু প্রতিবেশী আলমগীর হোসেনের বাড়ির ফ্রিজে রাখা মাছ আনতে যায়। এসময় আলমগীর হোসেনের ছেলে কলেজ ছাত্র আশিক তাকে একা পেয়ে জোরপুর্বক ধর্ষন করে। নির্যাতিতা বাড়িতে এতে বিষয়টি বাবা-মাকে বললে বললে  সেখান থেকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ দিকে এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত আশিক।

শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান,  শিশু কন্যার পরিবারের লোকজন থানায় এসেছিলো। তবে এখন পর্যন্ত তারা লিখিত অভিযোগ দেয়নি। ঘটনার সাথে জড়িতকে আটক করতে অভিযান চলছে।

আনোয়ারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কমিটিতে বটতলী ইউনিয়ন থেকে স্হান পেলো ২ জন।

আনোয়ারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কমিটিতে বটতলী ইউনিয়ন থেকে স্হান পেলো ২ জন।




মোঃআরিফুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি।


আনোয়ারা উপজেলা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা কমিটিতে বটতলী ইউনিয়ন থেকে স্হান পেলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনাপেষী দুই সৈনিক, মোঃ ইলিয়াস আসাদ রুবেল (সহ-সভাপতি ) ও মোঃ সেলিম রিয়াদ (ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক )

চলাচলের পথে কোন প্রতিবন্ধকতা ও অবৈধ স্থাপনা থাকতে পারবে না- খোরশেদ আলম সুজন

চলাচলের পথে কোন প্রতিবন্ধকতা ও অবৈধ স্থাপনা থাকতে পারবে না- খোরশেদ আলম সুজন




চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

মোঃ হাসান রিফাত 



চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন দামপাড়া স্টোর থেকে শুরু করে আগ্রাবাদ জাম্বুরী মাঠ দেওয়ানহাট ডিটি রোড, দক্ষিণ পাহাড়তলী জোড়া ঢেবা হয়ে সাগরিকা মোড় পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি নির্দেশ দেন যে, মানুষ ও যানবাহন চলাচলের পথে কোন ধরণের প্রতিবন্ধকতা ও অবৈধ স্থাপনা থাকতে পারবে না। এসব অবৈধ স্থাপনা আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিজ নিজ উদ্যোগে সরিয়ে ফেলা না হলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি আগ্রাবাদস্থ জাম্বুরী মাঠ সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশনের জায়গাটিকে জঞ্জাল মুক্ত করে সেখানে অকেজো ও পরিত্যক্ত যানবাহনের ডাম্পিং সেন্টারে পরিণত করা এবং অকেজো যানবাহনগুলো নিলামে বিক্রিরও নির্দেশ দেন। জাম্বুরী মাঠ ও কর্ণফুলী শিশুপার্কের আশেপাশে সকল অবৈধ স্থাপনা এবং ফুটপাতের উপর দোকান-পাটের বর্ধিত অংশ আজকের মধ্যে উচ্ছেদ করারও নির্দেশ দেন। এছাড়া শিশু পার্কের ভেতরে অবস্থিত লেক সিটি রেস্টুরেন্টটিকে কমিউনিটি সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করে বিয়েসহ যে কোন ধরণের সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে ঘোষণা করেন। তিনি শিশু পার্কের ভেতরে অব্যবস্থাপনা, অভ্যান্তরীন চলাচল পথে ভাঙ্গা ও যত্রতত্র ভাবে ময়লা আবর্জনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সেখানে স্বাস্থ্যবান্ধব পরিবেশ রক্ষায় সৌন্দর্য্যবন্ধন ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময়ে পার্ক বন্ধ রেখে বেলা দু’টার পর পার্ক খোলা এবং পার্কের আশে পাশে গড়ে উঠা অবৈধ দোকান- পাঠ ও স্থাপনা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। অন্যথায় ইজারা বাতিল করা হবে বলে সর্তক করে দেন। তিনি পার্কটিকে নান্দনিক ছোঁয়ায় শিশুদের মনন বিকাশের উপযোগী করে গড়ার নির্দেশনা দেন। তাছাড়া দক্ষিণ পাহাড়তলী জোড় ঢেবা পাড় সংলগ্ন চারপাশ এলাকা দখলদার মুক্ত ও মাদক কেনা- বেচার আখড়া উচ্ছেদ করে সেখানে নান্দনিক বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান চসিক প্রশাসক। এই জোড় ঢেবায় চাষ করা মাছের জন্য ক্যামিক্যাল যুক্ত কোন খাবার না দিতে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে সর্তক করে দিয়ে বলেন, এতে জোড়া ঢেবার পানি দূষনের আশংখা দেখা দেয়। তিনি দক্ষিণ পাহাড়তলী বাসীকে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের সন্তানরা যাতে বিপথগামী না হয় সেজন্য অভিভাবকদের সর্তক হতে হবে এবং করোনাকালে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের শ্রদ্ধাচারী জীবনাচারণ হবে সংকট থেকে পরিত্রানের একমাত্র পথ। চসিক প্রশাসক সেখানে উপস্থিত ছেলেমেয়েদের মাঝে চকলেট বিতরণ করেন। এরপর তিনি দেওয়ানহাট থেকে সাগরিকা পর্যন্ত ডিটি রোডের খানা-খন্দ ভরাট সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকৌশলীবৃন্দ চসিক প্রশাসককে অবগত করেন যে, বৃষ্টি বাঁধ না সাধলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সড়কটি ৪ ইঞ্চি ঢালাইয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। তিনি প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারবৃন্দকে কাজের গুণগত মান যাচাইয়ের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি বলেন এ সড়কটিও চট্টগ্রামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। বন্দর নগরীর আভ্যন্তরীন যোগাযোগ সহ সারা বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সড়কের দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা,বিশেষ করে রড- সিমেন্ট, ফার্নিচার-ওয়ার্কসপ সহ নানাবিধ দোকান পাটের সামগ্রী দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে এসব স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। তিনি উপস্থিত এলাকাবাসীকে সড়কের নির্মাণকাজের তদারকি করারও আহবান জানান। এরপর চসিক প্রশাসক সাগরিকা থেকে একেখান মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুপাশের ফুটপাত অবৈধ দখল থাকতে দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি দখলদারদের এসব ফুটপাতের দখল আজকের মধ্যেই স্বউদ্যোগে ছেড়ে দেওয়ার আহবান জানান। নচেৎ আগামী কাল সিটি কর্পোরেশন পুলিশ প্রশাসনের সহযোগীতায় এসব অবৈধ দোকান এবং স্থাপনা উচ্ছেদ করবেন বলে ঘোষণা করেন। এ সময় চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মো. আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমেদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মুফিদুল আলম, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, ঝুলন কান্তি দাশ, আনোয়ার হোসেন, আবু ছালেহ, মনিরুল হুদা, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, বিপ্লব দাশ, এস্টেট অফিসার কামরুল ইসলাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল পিপিপি, ব্যক্তি মালিকানায় দেয়া চলবে না, করতে হবে আধুনিকায়ন

 রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল পিপিপি, ব্যক্তি মালিকানায় দেয়া চলবে না, করতে হবে আধুনিকায়ন

  




তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ


রাষ্ট্রায়ত্ত সকল পাটকল অবিলম্বে চালু, দুর্নীতি-লুটপাট-ভুলনীতি বন্ধ ও আধুনিকায়ন করা এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে গতকাল রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে বিশাল এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে স্থায়ী, বদলী ও দৈনিক ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিককে বেকার করে তাদের পরিবারকে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যে দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে এসব মিলগুলো লোকসান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তার দায় শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে পাটকলগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।  বক্তারা আরো বলেন, কোনোভাবেই এসব মিল পিপিপি, লীজ বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়া চলবে না। শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী মাত্র ১২শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন করতে হবে। একই সাথে অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ সকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হবে। অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ। 


 


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও বাম জোট ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, যুগ্ম-আহ্বায়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এবং যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ নেতা আনিসুর রহমান মিঠু’র যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা এড. আ ফ ম মহসিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, বিশিষ্ট আইনজীবী ও নাগরিক নেতা এড. মঞ্জুরুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক আয়কর উপদেষ্টা এস এম শাহনওয়াজ আলী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, সাংবাদিক ও গবেষক গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, সিপিবি’র মহানগর সভাপতি ও টিইউসি খুলনা জেলা সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ইষ্টার্ণ জুট মিল সিবিএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক খান, নারী সেল, খুলনার আহ্বায়ক সুতপা বেদজ্ঞ, আইনজীবী ও সাংবাদিক ড. এড. জাকির হোসেন, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন, বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাইস-চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি নিতাই গাইন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) নেতা গাজী নওশের আলী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের খুলনা জেলা সভাপতি মনিরুল হক বাচ্চু, ইউসিএলবি নেতা মোস্তফা খারিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, টিইউসি নেতা গাজী আফজাল, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান বাবু, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা’র খুলনা নির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, খালিশপুর ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, আবুয়ান ৭১-এর সভাপতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সিপিবি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, তোফাজ্জেল হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সদস্য আল আমিন শেখ, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা বিএল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে, ছাত্র নেতা জয় দাশ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি সনজিত মন্ডল, শ্রমিক নেতা অলিয়ার রহমান, নূরুল ইসলাম, সামশেদ আলম শমশের, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, সুমন শেখ, ইলিয়াস হোসেন, জসিম গাজী, রাজ্জাক গাজী, হামজা গাজী, আব্দুর রশীদ, জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, জাকির হোসেন, নজরুল ইসলাম মল্লিক, মেহেদী হাসান বিল্লাল, ফজলু মোল্লা, মনির হোসেন, আবুল হাসেম, একলাস মোল্লা, রামপ্রসাদ রায়, জসিম গাজী প্রমুখ। সমাবেশে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, দৌলতপুর শাখার শিল্পীরা গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন।

চরফ্যাশনে অনুষ্ঠিত হলো যুব অধিকার পরিষদের প্রতিনিধি সভা

চরফ্যাশনে  অনুষ্ঠিত হলো যুব অধিকার পরিষদের প্রতিনিধি  সভা




জেলা প্রতিনিধি ভোলা,দৌলতখান: ভোলার চরফ্যাশনে শান্তি পূর্ণ ভাবে আজ রবিবার বিকাল পাঁচঘটিকার সময় অনুষ্ঠিত হলো যুব অধিকার পরিষদের প্রতিনিধি ও সদস্য সভা। 

বাংলাদেশে গনতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে সারা দেশে ছাত্র অধিকার,যুব অধিকার,শ্রমিক অধিকার,পেশাজীবী নারী অধিকার ,প্রবাসী অধিকার পরিষদ সহ বেশ কতগুলো লিয়াজু কমিটি  ইতোপূর্বে  স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই সংগঠনটি সামাজিক অধিকার সহ সব ধরনের গঠনমূলক সমালোচনায় সব সময় ছিল সক্রিয়। কোটা সংস্কারের মত গুরুত্বপূর্ণ আইনটি একমাত্র এই সংগঠনটিই গঠনমূলক আন্দোলন করে নিশ্চিত করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ছাত্র অধিকার পরিষদের অন্যতম অঙ্গসংগঠন যুব অধিকার পরিষদ এই প্রথম ভোলার চরফ্যাশনে প্রতিনিধি ও সদস্য সভার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন,যুব অধিকার অধিকার পরিষদ  ভোলা জেলা শাখা সদস্য মোঃ সাইদুল ইসলাম। ছাত্র অধিকার পরিষদ এর আহব্যাক জয় যুগ্ম আহব্বায়ক সম্রাট আল মামুন  সদস্য সচিব অন্তর হাওলাদার।

দৈনিক জনতা চীফ রিপোর্টার হলেন হাবিবুর রহমান

দৈনিক জনতা চীফ রিপোর্টার হলেন হাবিবুর রহমান


সেলিম চৌধুরী পটিয়াপ্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সাবেক নেতা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের স্থায়ী সদস্য ও প্রাচীন জাতীয় দৈনিক,   দৈনিক জনতা'র  পত্রিকার ক্রাইম চীফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান পদোন্নতি হয়ে চীফ রিপোর্টার হয়েছেন। এছাড়াও হাবিবুর রহমান টাইমস ২৪ ডটনেট, টাইম আই বেঙ্গলী ডটনেট ও সাপ্তাহিক মুক্তমন পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক। 


এছাড়াও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় লাইভ ২৪ টেলিভিশন, এএনএম নিউজ ও ডিজিটাল বাংলার ঢাকা প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি দৈনিক জনতা'য় ২০০১ সালের মার্চের ১ তারিখ থেকে কর্মরত আছেন। দৈনিক জনতা পত্রিকার চীফ রিপোর্টার হওয়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও পটিয়া দৈনিক জনতা পাঠক ফোরাম নেতৃবৃন্দ এবং পটিয়ার সাবেক এমপি আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, সাবেক মেয়র শামসুল আলম মাষ্টার, সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ.ম.ম  টিপু সুলতান চৌধুরী, সাবেক দক্ষিণ জেলা ছাএলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান, পটিয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আবদুল খালেক, ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, আবদুল মন্নান, সাবেক কমিশনার নুরুল ইসলাম, পটিয়া প্রেসক্লাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৈনিক জনতা প্রতিনিধি সেলিম চৌধুরী, রিভিউ হিউম্যান রাইট মানবাধিকার পটিয়ার সভাপতি নাছির উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের চৌধুরী এক বিবৃতিতে   হাবিবুর রহমান কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েন।    

সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরতে চায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী রাজু

সুস্থ হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরতে চায় বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী রাজু




সুমন, বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ (২০) মেরুদণ্ড জটিলতায় ভুগছেন। তার মেরুদণ্ডের ডিস্ক সমস্যা ধরা পড়েছে। তাকে বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন তিন লক্ষের মত টাকা।


রাজু আহমেদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রায় ৮ মাস ধরে তিনি মেরুদণ্ড সমস্যায় ভুগছেন।তার মেরুদণ্ডের এল৪ ও এল৫ ডিস্ক দুটোর সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে জানান তিনি।


রাজু বলেন," ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খেয়েছি। তখন সাময়িক ব্যথা কমলেও আবার সমস্যা হতো।১৫ বার ফিজিওথেরাপি নিয়েও লাভ হয়নি।ডাক্তার বলেছেন ডিস্ক অপারেশন করাতে হবে এবং প্রচুর টাকা দরকার"।


তার পরিবারের অবস্থা ততটা মজমুত নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বাঁচতে চাই। সবার সহযোগিতা চাই।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর আবেদন করেছেন কিনা এ প্রসঙ্গে রাজু বলেন,ক্যাম্পাস ছুটি থাকায় করতে পারিনি।


রাজু জানান তার বাসা শেরপুরে এবং তিনি বর্তমানে বাড়িতেই আছেন। বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাসে সুস্থ হয়ে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রাজু।


যোগাযোগ ও সাহায্যের জন্যঃ

০১৭৬০৮৬২১৯৩( মোঃ মেহেদী হাসান)

করোনার কারনে মেলা আয়োজনে অনুমতি মেলেনি, তবুও চলছে প্রস্তুতি

করোনার কারনে মেলা আয়োজনে অনুমতি মেলেনি, তবুও চলছে প্রস্তুতি


চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :  প্রতিবছর ভাদ্রমাসের শেষ মঙ্গলবার থেকে শুরু হয় ঐতিহ্যে বাহী পীর বলুহ দেওয়ানের মেলা তবে এই বছর করোনার কারনে  প্রশাসন থেকে অনুমতি না পাওয়ায় এই মেলা হচ্ছে না। মেলা না হলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত হতে ফেরিওয়ালাসহ হরেক রকমের ব্যবসায়ীরা মেলা চত্তরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। চৌগাছার বিশিষ্ট মানুষ জন এই মেলা আয়োজনের বিপক্ষে থাকলেও কিছু লোক চেষ্টা করছেন মেলা আয়োজনের।

যশোরের চৌগাছার ঐতিহ্যপূর্ণ বলুহ দেওয়ানের এই মেলা শতশত বছর ধরে চলে আসছে।  উপজেলার নারায়নপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা গ্রামে কপোতাক্ষ নদের পাড়ে অঞ্চলের পীর বলুহ দেওয়ান (রঃ) এর মাজার। যুগযুগ ধরে তার রওজা শরীফকে ঘিরে প্রতি বাংলা সনের শেষ মঙ্গলবার বসে মেলা, যা অঘোষিত ভাবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলে। এ বছরও মেলা হওয়ার কথা থাকলেও বাধ সেধেছে মহামারি করোনা ভাইরাস। করোনা ভাইরাসের কারনে মেলা শুরুর এক দিন আগেও সরকার থেকে কোন অনমুতি মেলেনি বলে সংশ্লিষ্ঠরা জানিয়েছেন।

আশাশুনিতে ভূমি ব্যবস্থাপনার উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

 আশাশুনিতে ভূমি ব্যবস্থাপনার উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আহসান  উল্লাহ  বাবলু  উপজেলা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে স্থানীয় টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশাশুনি ও পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার ইএলইউএলডি-এসএলএম প্রকল্পের আয়োজনে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ-পরিচালক আলহাজ¦ কৃষিবিদ নূরুল ইসলাম। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাজিবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিঃ উপ-পরিচালক (শস্য) মোঃ জসিম উদ্দিন, সিঃ উদ্যান তত্ববিদ আমজাদ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়নের ২০ জন কৃষক প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন।