সিরাজগঞ্জ সদর থানার (ওসি) হাফিজুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা

 সিরাজগঞ্জ সদর থানার (ওসি) হাফিজুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমানের বিদায় উপলক্ষে সদর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে এক বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ থানার এসআইদের হল রুমে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ সময় বিদায়ী ওসি হাফিজুর রহমানকে বিদায়ী স্বারক ক্রেস্ট তুলে দেন সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেল ¯িœন্ধ্যা আকতার, কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা, ওসি (অপারেশন) নুরুল ইসলাম, এস আই আলী জাহান, এস আই আবু জাফর নয়ন, এস আই আজিম, এস আই জুয়েল রানা, এস আই আনিসুর রহমান, এস আই মেহেদী হাসান, এস আই ফারুক, এস আই চাঁদ আলী প্রমুখ।

বিদায়ী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, সিরাজগঞ্জ সদরে স্বল্প কর্ম সময়ে মানুষের যে ভালবাসা পেয়েছেন সেজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন। হাফিজুর রহমান বর্তমানে পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে কক্সবাজার জেলায় পরবর্তী কর্মস্থল।

কুমিল্লায় ডিবি পরিচয়ে ২২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ছিনতাই

কুমিল্লায় ডিবি পরিচয়ে ২২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ছিনতাই



মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃকুমিল্লায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা শাখার এলআইসি টিম। রাজধানী ঢাকা, সাভার ও গাজীপুর এলাকার বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এসময় তাদের নিকট থেকে নগদ অর্থসহ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত পুলিশের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে ১১টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক  প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার)পিপিএম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে নগদ অর্থ বহনকারীদের জোরপূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে ছিনতাই করে ভিকটিমকে নির্জনস্থান ফেলে পালিয়ে যেত ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একটি প্রতারকচক্র। গত ৩ মাসে জেলার ৩টি উপজেলা থেকে ২২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় ওই চক্রটি। এর মধ্যে গত ২১ জুলাই সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজারে ৫ লাখ ৮ হাজার টাকা, গত ১২ আগস্ট কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার পৌরসভাস্থ মহিলা কলেজের সামনে থেকে ১২ লাখ টাকা এবং সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর দাউদকান্দির গৌরিপুর এলাকা থেকে বিকাশ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা অভিনব কায়দায় ছিনতাই হয়। বিষয়টি নজরে আসায় ডিবি’র এলআইসি টিম বুধবার ভোরে ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের নিকট থেকে নগদ দেড় লাখ টাকা, কভারসহ খেলনা পিস্তল, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি ওয়াকিটকি, ডিবি’র পোশাক, ১টি লাঠি, ১টি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার ধাতুয়া গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া (৪৫), ভোলার তজুমুদ্দিন থানার শ্যাম্ভপুর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে গাড়ি চালক ইউসুফ (৫২), জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার মানিকপাড়া গ্রামের মৃত আনারুলের ছেলে আপেল (৩৩) ও যশোর সদরের জমজমপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে মনির (৪৫)। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজিম-উল আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমন পিপিএম ও নাজমুল হাসানসহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩, থানায় অভিযোগ

 পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে    প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩, থানায় অভিযোগ




পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ- চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ গৌবিন্দারখীল তিতা গাজীর বাড়িতে বসতঘর নিয়ে বিরোধ এর জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ ৩ জন আহত হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার  দুপুর সাড়ে ১২ টায়।আহতরা হচ্ছেন, মৃত আবুল হাসেম এর স্ত্রী জয়নাব বেগম (৪০) তার ভাই মোঃ আজগর (৩৫) মিস্রি রহমত আলী (২১) আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে। পরে এঘটনায় জয়নাব বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার মোঃ সেলিম, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন, মহিউদ্দিন সহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ে করেছে। থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায় দীর্ঘদিন যাবত জয়নাব বেগম এর সাথে প্রতিপক্ষদের বসতঘরের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৮ মাস জয়নাব বেগম বাপের বাড়িতে থেকে স্বামীর বসতঘরে  এসে ঘরের দরজা খুলিতে গেলে দেখতে পাই বিবাধীগণ আমার বসতগৃহে দরজায় বাটাম দিয়ে বন্ধ করে দেয়। জয়নাব বেগম ও তার ভাই আজগর মিস্রি রহমত আলী উক্ত বাটাম খুলিতে গেলে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম। এতে আজগরের বাম হাতের কনু হাড়ভাণ্ডা জখম হয় এবং জয়নাব বেগম কে মারধর করে শ্লীলতাহানি করে।এসময় মিস্রি রহমত আলী বাঁধা দিলে তাকেও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে প্রকাশ। বর্তমানে বিবাধীগণের হত্যার হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে বাদী জয়নাব বেগম জানান। সে এ ব্যাপারে এমপি ও ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এ ব্যাপারে এস আই জাহাঙ্গীর আলম জানান মারামারি ঘটনায় একটি অভিযোগ হয়েছে অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্তা নেওয়া হবে। 

আশাশুনিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা থানায় লিখিত অভিযোগ

আশাশুনিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা  থানায় লিখিত অভিযোগ


আহসান উল্লাহ বাবলু, সাতক্ষীরা জেলা   প্রতিনিধি ঃ আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের হাফিজুলসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাইকগাছার দেবদুয়ার গ্রামের মহসিন মিস্ত্রীর কন্যা শিরিনা খাতুন কতর্ৃক থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানাগেছে, উপজেলার রামনগর গ্রামের আলীম উদ্দীন গাজীর ছেলে হাফিজুল ইসলামের সাথে একই গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে লাচ্চুর মাধ্যমে পরিচিত শিরিনা হন। এরপর থেকে মোবাইলে তাদের মধ্যে যোগাযোগের এক পর্যায়ে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে কাছে পেতে প্রতারণার আশ্রয় নেয় হাফিজুল। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় হাফিজুল তাকে দরগাহপুর বাসস্ট্যন্ডে ডেকে নিয়ে সেখান থেকে যশোরে রওয়ানা হয় এবং খাজুরায় তার পরিচিত জনৈক হক এর বাড়িতে নিয়ে ওঠে। সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। তিন দিন সেখানে থাকার পর হাফিজুলের ভাই নূর ইসলাম ও লাচ্চু মোবাইলে কথা বলে বাড়ি ফিরতে বলে। তিনদিন পর তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে দরগাহপুরে আসলে ভাই ও লাচ্চুর কুপরামর্শে তাকে নিজের বাড়িতে না নিয়ে লাচ্চুর বাড়িতে নিয়ে তোলে। এরপর তারা ষড়যন্ত্র করে খুব শীঘ্রই বিয়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে ওয়াদা করে শিরিনাকে তার পিতার বাড়িতে পাঠায়। কিন্তু পরে আর তার ফোন না ধরাসহ যোগাযোগ না রাখায় অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় শিরিনা। বাধ্য হয়ে শিরিনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এব্যাপারে বিবাদী হাফিজুলসহ তার সহায়তাকারীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

কেশবপুরে আমেনা ফুডস্ এন্ড তৃপ্তি হোমমেড বেকারির মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

 কেশবপুরে আমেনা ফুডস্ এন্ড তৃপ্তি হোমমেড বেকারির মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

নিউজ ডেস্কঃযশোরের কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আমেনা ফুডস্ এন্ড তৃপ্তি হোমমেড বেকারির মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা।


ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌর শহরের উপজেলা বিআডিপি অফিসের পেছনে অবস্থিত আমেনা ফুডস্ এন্ড তৃপ্তি হোমমেড বেকারির কারখানায় (২৩ সেপ্টেম্বর) বুধবার বিকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আমেনা ফুডস্ এন্ড তৃপ্তি হোমমেড বেকারির কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসম্মত পোশাক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট না থাকায় এবং খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেটে নির্দিষ্ট তারিখ না থাকায় বেকারীর খাদ্য সামগ্রী তৈরির অপরাধে ফ্যাক্টরির ম্যানেজার ইমাম হুসাইনকে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫৩ ধারা মোতাবেক ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ৷ এবং আগমী এক মাসের মধ্যে সকল প্রকার বৈধ কাগজপত্র ও স্বস্থ্যবিধিমেনেই খাদ্য সামগ্রী তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন ৷


ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির ফারুক হোসেন, অফিস সহকারী জুলফিকার হাসান , ও কেশবপুর থানা পুলিশ সদস্যরা ৷

করোনায় আক্রান্তের ১০ দিন অতিবাহিত হলে কর্মস্থলে ফিরতে পারেনী বন্দরের ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা

করোনায় আক্রান্তের ১০ দিন অতিবাহিত হলে কর্মস্থলে ফিরতে পারেনী বন্দরের ১০ শীর্ষ কর্মকর্তা




মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা  


মোংলা বন্দরে শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় দৈনান্দিন দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১১ দফা নির্দশনার মধ্যে চলছে বন্দরের আমদানী-রপ্তানীর কাজ। করোনায় আক্রান্তের প্রায় ১০ দিন অতিবাহিত হলেও কোন কর্মকর্তা সুস্থ্য হয়ে কর্মস্থলে যোগদান করেনী। তাই বন্দরের পন্য আমদানী-রপ্তানীর সাথে জড়িত ব্যাবসায়ীরা কিছুটা বিরম্ভনায় পরলেও সিমিত সময়ের জন্য তাদের ব্যাবসায়ীক পলিসির মাধ্যমে বন্দরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও বন্দর ব্যাবহারকারীদের সমন্নয় সচল রেখেছে এ সমুদ্র বন্দরকে। 


করোনার সংক্রমন রোধে পালাক্রমে সীমিত পরিসরের জনবল ব্যবহার ও বন্দরের বানিজ্যি সচল সহ দৈনান্দিন দাপ্তরিক ও বন্দর পরিচালনায় ১১ দফা নির্দেশনা চলছে পন্য আমাদনী-রপ্তানীর কার্যক্রম। মোংলা সমুদ্র বন্দরের শীর্ষ ১০ কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় গত সপ্তাহে এ নির্দেশনা জারি করে কতর্ৃপক্ষের পরিচালক প্রশাসন গিয়াস উদ্দিন । এ পরিস্থিতিতে দাপ্তরিক কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা বিরাজ করলেও তেমন প্রভাব পড়ছে না বলেও জানান তিনি। গেল দুথসপ্তাহের ব্যবধানে বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী, পরিচালক (প্রশাসন) গিয়াস উদ্দিন, হারবার মাষ্টার কমান্ডার ফখর উদ্দিন, সচিব ওহিউদ্দিন, প্রধান অর্থ ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তফা কামাল, সিভিল ও হাইড্রোলিক বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী রাবেয়া রউফ, বন্দর চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব মাকরুজ্জামান মুন্সী ও তড়িৎ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী উম্মে কুলসুম করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইতিমধ্যে বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী তত্বাবধায়ক আমির হোসেন নামের এক কর্মচারীর মৃত্যু হয়। এছাড়া আরও অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর শরিরে করোনার উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ্য রয়েছেন। করোনার এ প্রদুভাবের মধ্যে সীমিত আকারের জনবল দিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে কর্তৃপক্ষ। এতে বন্দরের বিভাগীয় বিভিন্ন দপ্তরে ফাইলের জট সহ গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং দৈনান্দিন কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। ফলে বন্দর ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী, ঠিকাদাররা সহ দাপ্তরিক ধীর গতির ফাঁদে পড়েছেন। এ অবস্থায় আগামীতে আরও প্রকট আকার ধারন করতে পারে বলে শংকা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে বন্দরের সার্বিক কাযক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং করোনায় আক্রান্ত কর্মকর্তারা সুস্থ্য হয়ে উঠলে দাপ্তরিক কার্যক্রম অংশ গ্রহন করতে পারবেন বলে জানান আইসোলেসনে থাকা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক প্রশাসন মোঃ গিয়াস উদ্দিন। তিনি জানান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিরাপদ ও করোনার সংক্রমন রোধে নানামুখী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আমাদনী-রপ্তানী সহ  বন্দরের নিরাপত্তা, ট্রাফিক, হারবার, মেডিকেল এবং যান্ত্রিক ও তড়িৎ বিভাগের কাজের পরিধি অনুযায়

সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার,উপমন্ত্রীর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার,উপমন্ত্রীর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা :সুন্দরবনের নদী-খালে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকার ও দুর্বৃত্ত চক্রের তৎপরতায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ বন,পরিবেশ  ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার এমপি। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় মোংলা উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সভায় সুন্দরবনের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসকে নজরদারী বৃদ্ধি সহ আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন বন,পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।        


উপজেলা নিবার্হী অফিসার কমলেশ মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় আইন শৃঙ্খলা , করোনা পরিস্থিতি ও খাদ্য সহায়তা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রমের পাশাপাশি সুন্দরবন উপকুলের জেলে ও সুন্দরবন সুরক্ষার বিষয় আলোচনায় ওঠে আসে। এ সময় সম্প্রতি আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের হাতে কয়েক দফায় হরিণের মাংস, গাজাঁ, ইয়াবাসহ বেশ কিছু মাদকের চালান আটক হয়। এর সাথে জড়িদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে পাটায় পুলিশ বলে এ মিটিংয়ে উঠে আসে। এছাড়া বনের অভ্যান্তরে জেলে ভ্যাসে প্রবেশ করে বিষ ও ফাদঁ পেতে মাছ এবং বনের হরিন শিকার করছে কয়েকটি দুষ্ট চক্র। ইতি মধ্যে বিষসহ বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত  আইন শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। নিষিদ্ধ কীটনাশক সহ বনের মৎস্য, বনজ ও জীব বৈচিত্র এবং এখানকার অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ে কথা বলেন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। তিনি বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘ কয়েক মাস মোংলা-রামপালে সফর করা হয়নী বলে বনে অপরাধ চক্রের তৎপরতা বেড়ে যাবে, তা কখনই মেনে নেয়া হবেনা। এ সরকারের পুর্বে এ অঞ্চলে অপরাধোও চলতো এবং অপরাধীও ছিল অনেক বেশী, কিন্ত বর্তমান সরকার বনের বন দস্যুদের সুযোগ করে দিয়েছে ভাল পথে ফিড়ে আসার জন্য তাই অপরাধ কমে গেছে। তার পরেও যারা বনের বা বনের সম্পদের ক্ষতি করছে তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলে প্রমাসনকে আরো কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেন উপমন্ত্রী। 


সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদা, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি নয়ন কুমার রাজবংশি, নৌ বাহিনীর কন্টিজেন্ট কমান্ডার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার অসিফ ইকবাল, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সংসদথর ডেপুটি মকান্ডার শেখ আঃ রহমান, উপজেলার সকল সরকারী প্রাঃ বিঃ, মাধ্যমিক বিঃ, মাদ্রাসা ও কলেজথর প্রধানগন, ছয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগন সহ আইন শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও আওয়ামীলীগের দলীয় নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। 


ঝিনাইদহে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার

 ঝিনাইদহে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার





খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহটি ইউনিয়নের মধুপুর বাজারে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ডিলারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় নিজাম উদ্দিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে ডিলারের লোকজন। আহত নিজাম উদ্দিন সদর উপজেলার কংশী গ্রামের মসলেম মোল্ল্যার ছেলে। 


এলাকাবাসী জানায়, মধুপুর বাজারে বসির ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় কার্ডধারীদের মাঝে ১০ টাকা কেজিতে চাল দিয়ে আসছিল। বুধবার দুপুরে জনপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করার সময় লাইনে দাড়িয়ে থাকা লোকজনের মধ্যে কিছুলোক নিয়ম ভঙ্গ করে আগে উঠে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।  এসময় ডিলার বসিরের লোকজন কংশি গ্রামের নিজাম উদ্দিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত নিজাম উদ্দিন জানান, চাল দেওয়ার সময় আমি লাইনে দাড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পাই কিছু কার্ডধারী লোকের পেছন থেকে ২০/৩০ টাকা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ডিলারের লোকজন লাইনছাড়াই দ্রুত চাল নিয়ে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এমন সময় আমি হাতে নাতে টাকাসহ একজনকে জাপটে ধরি। সেসময় ডিলারের লোকজন আমাকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে চলে যায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে ডিলার বসির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, এখানে তেমন কিছু ঘটেনি। লাইনে দাড়ানো নিয়ে হাতাহাতি হয়েছে। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি।

এ ঘটনায় পোড়াহাটি ইউনিয়ন ভ’মি সহকারি (ট্যাগ অফিসার) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় আমি একটি কক্ষে বসে চালের কার্ডের কাজ করছিলাম। গোলযোগের শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে।


এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেখ আনোয়ারুল করিম বলেন, মধুপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল দেওয়ার ঘটনায়  বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাময়িকভাবে চাল বিতরণ বন্ধ রাখি। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত স্বাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবহিত করণ ও পরিকল্পনা সভা

 আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবহিত করণ ও পরিকল্পনা সভা




আহসান উল্লাহ বাবলু সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃআগামী ০৪ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২০  উদযাপন উপলক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর আয়োজনে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সুদেষ্ণা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর আলিফ রেজা বলেন, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। উপজেলার কোন শিশু যাহাতে এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে তার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে জনসাধারণকে অবহিত করার আহ্বান জানান। সভায় বক্তব্য রাখেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার  ডাঃ দীপন বিশ্বাস, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মোস্তাফা, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এনামুল হক, এমটি ইপিআই দীলিপ কুমার ঘোষ,  স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান, সহঃ স্বাস্থ্য পরিদর্শক রমেশচন্দ্র মন্ডল প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী স্বাস্হ্য পরিদর্শক (দায়িত্বপ্রাপ্ত)এস,এম,মোক্তারুজ্জামান স্বপন।

আত্রাইয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

 আত্রাইয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত



মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো


নওগাঁর আত্রাইয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন উপলক্ষে এডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় এর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর সম্মেলন কক্ষে সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রোকসানা হ্যাপি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালাম, যুব উন্নয়ন অফিসার ফজলুল হক, সমাজ সেবা অফিসার সাইফুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন, সহকারী শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান,আত্রাই প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ রুহুল আমীন।  এছাড়া বক্তব্য দেন মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ আরিফ হাসান, ইউএসপিও খাজা আবু মুসা এহসানুল কিবরিয়িা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক মির্জা মোঃ আসলাম হোসেন, স্যানিটারী ইন্সেপেক্টর এমদাদুল হক, রিয়াজুল ইসলাম প্রমুখ। আগামী ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পক্ষকালব্যাপি জাতীয় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ২২হাজার ৯শ ৮৮জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল। ৮টি ইউনিয়নে ১৯২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হবে।

হবিগঞ্জে বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন

হবিগঞ্জে বিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 


হবিগঞ্জে এক কোটি দশ লাখ টাকা ব্যয়ে বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবনের নব নির্মিত ২য়, ৩য় ও ৪র্থ তলার ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২৩-সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভবনের উদ্বোধন করেন। এ সময় হবিগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রোকেয়া খানম।


সহকারী প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাওলানা আব্দুল জলিল ও মহিবুর রহমান চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন

উদ্বোধন শেষে মোনাজাতে অংশ নেন এবং পুরো ভবনটি ঘুরে দেখেন এমপি আবু জাহির, এছাড়া বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা সার্বক্ষণিক পরিস্কার রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

হবিগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে মুখোমুখি মেয়র ও কর্মচারীরা

হবিগঞ্জে বকেয়া বেতনের দাবিতে মুখোমুখি মেয়র ও কর্মচারীরা




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 


হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বকেয়া বেতন দেয়ার দাবীতে এবার মুখোমুখি অবস্থানে চলে এসেছে মেয়র ছালেক মিয়া ও পৌর কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন যাবত বেতন ভাতাদি না দেয়ায় ও বার বার মেয়রের সরনাপন্ন হয়েও কোন সুরাহা না হওয়ায় এবং মেয়র কর্তৃক লাঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছে পৌর কর্মচারীরা। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৌরসভা কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়। এসময় তারা তাদের ন্যায্য অধিকার না পেলে কঠোর আন্দোলনেরও হুশিয়ারি প্রদান করেন।


শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক সুশীল বশার জানান পৌর সভার প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন কর্মচারীকে ৭ থেকে ৮ মাস যাবত বেতনসহ কোন ধরণের সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন না মেয়র ছালেক মিয়া। বার বার মেয়রের কাছে গিয়ে বকেয়া বেতনের জন্য বলা হলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। উল্টো কর্মচারীদের লাঞ্চিত করাসহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। এছাড়াও মেয়রের পছন্দের কর্মচারীরা ঠিকই বেতনভাতাদি পাচ্ছেন বলেও জানান তিনি আরো জানান দীর্ঘদিন যাবত বকেয়া বেতন না পেয়ে কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে।


তাই এ বিষয়টি নিয়ে সকালে পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব সিরাজুল ইসলামের কাছে গেলে তিনিও কোন সুরাহা করতে পারেননি, তাই বাধ্য হয়েই আমাদেরকে আন্দোলনে নামতে হয়েছে পালন করতে হয়েছে কর্মবিরতি।

সুশীল বশার আরো জানান বিষয়টি নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেবেন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে মাঠে থাকবেন এছাড়াও পৌর সভার কর আদায়কারী দেবাশীষ দেব কর নির্ধারক সুজিত কুমার দত্ত কার্য সহকারী আজিজুল হক কার্য সহাকারী রিপন মিয়া। 


ঠিকাদানকারী কামাল উদ্দিন ড্রাইভার সেবুল মিয়া, ইউনুছ মিয়া ও জাহির মিয়াসহ কর্মবিরতিতে যোগদেন আরো ১৫ থেকে ২০ জন কর্মচারী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র ছালেক মিয়া জানান, পৌর সভার নিজস্ব আয় থেকে কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়। এই মুহুর্তে শুধু আমার পৌরসভা নয় সারা বাংলাদেশে প্রায় ২ শতাধিক পৌরসভায় অনেক কর্মচারীর বেতন বকেয়া রয়েছে। এছাড়াও বিক্ষোব্ধ কর্মচারীরা বিভিন্ন সময় উত্তেজিত হয়ে অফিস ভাংচুর করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি


মেয়র আরোও বলেন যারা আন্দোলন করছেন তারা আমার পুবের্র মেয়রের সময় চাকরি নিয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই কর্মস্থলে ঠিক মতে উপস্থিত হয় না আবার কেউ কেউ জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি নিয়েছে। তাই আমার প্রতিদ্ধন্ধি লোকদের ঈশারায় তারা এ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, পৌরসভায় মেয়র ছালেক মিয়া ও কর্মচারীদের মুখোমুখি অবস্থানে থাকার ফলে ব্যাঘাত ঘটছে পৌর কাজ কর্মে অনেকেই পৌর কার্যালয়ে গিয়ে সেবা না পেয়ে ফিরছে শূণ্য হাতে।

এমন অবস্থা চলতে থাকলে পৌর নাগরিকরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবেন বলে মনে করছেন সচেতন মহল তাই এ বিষয়ে দ্রুত সমাধাণ করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।

শৈলকুপায় প্রাণিসম্পদ ১৩ জন কর্মীর মাঝে উপকরণ বিতরণ

শৈলকুপায় প্রাণিসম্পদ ১৩ জন কর্মীর মাঝে উপকরণ বিতরণ





সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা  (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের  শৈলকুপা উপজলার  প্রানিসম্পদ ও ডেইরি প্রকল্পের অধিনে কর্মরত ১৩ জন লাইভস্টক  সার্ভিস প্রোভাইডারের  নিকট বিভিন্ন উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বেলা ১২ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম তার অফিস কক্ষে উপকরণ সমুহ ১৩ জন কর্মীর নিকট প্রদান করেন। উপকরণ সমুহের মধ্যে রয়েছে কম্পিটারট্যাব, কিটবক্স, থার্মোফ্লাক্স, ছাতা. রেইনকোট, গামবুট, স্যাভলন, টর্চলাইট, পেনড্রাইভ ও ওয়াটার পট। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএলও,ডাঃ মামুন খান, ভ্যাটেরিনারী সার্জন ডাঃ বায়েজিদ, প্রেসক্লাব সভাপতি এম হাসান মুসা প্রমুখ।

শৈলকুপায় সামাজিক দল পরিবর্তন করায় হামলায় আহত-৫

শৈলকুপায় সামাজিক দল পরিবর্তন করায় হামলায় আহত-৫


সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা( ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃঝিনাইদহে সামাজিক দল পরিবর্তন করায় অপর পক্ষের হামলায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। সোমবার সকালে শৈলকুপার বড়বাড়ী বগুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানায়, বগুড়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের কর্মকান্ডে বিরক্ত হয়ে ও তার নির্যাতন থেকে বাঁচতে রোববার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের আনোয়ার শেখ ও মুকাব্বের হোসেনের নেতৃত্বে ৫০/৬০ আওয়ামী লীগ কর্মী জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম শিমুলের সামাজিক দলে যোগদান করে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের নির্দেশে তার কর্মীরা মাঠে কাজ করা অবস্থায় আনোয়ার শেখসহ কয়েকজনের উপর হামলা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ঝিনাইদহে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৫ হাজার তাল বীজ রোপন শুরু

ঝিনাইদহে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৫ হাজার তাল বীজ রোপন শুরু





সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

‘দেশ আমার, ভাবনা আমার’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহে ৫ হাজার তাল বীজ রোপন শুরু হয়েছে।


আজ সকালে সদর উপজেলার ডেফলবাড়ী গ্রামে এ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ।

এসময় জেলার কৃষি কর্মকর্তা ড.খান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বন কর্মকর্তা, পরিবেশবিদসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বজ্রপাত রোধে ‘এসো দেশ গড়ি জহির রায়হান গ্রন্থাগার’র আয়োজনে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ৫ হাজার তাল বীজ রোপন করা হবে বলে জানান গ্রন্থাগারের পরিচালক জহির রায়হান।

সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে র্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী জব্দ

 সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে র্যাবের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী জব্দ



 আহসান উল্লাহ বাবলু সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ রাবের বিশেষ অভিযানে এক ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠানের গুদামে অভিযান চালিয়ে আট লাখ টাকার নকল প্রসাধনী জব্দ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড়বাজারের আলমগীর স্টোর্সের গুদামে এ অভিযান চালানো হয়। নকল পণ্য বিক্রি করার অপরাধ স্বীকার করায় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক আলমগীর হোসেনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

সাতক্ষীরার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নূরুল আমিন জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার গোপন খবরের ভিত্তিতে বুধবার দুপুর ১২টা থেকে দু’টো পর্যন্ত সাতক্ষীরা শহরের বড়বাজারে তার নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রসাধনী ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলমগীর স্টোর্সের গুদাম থেকে বিএসটিসি অনুমোদন বিহীন জনসন বেবী পাউডার, ক্রিম, লেকমি ক্রিম, ফগস পারফিউম, ক্লিন এণ্ড ক্লিন ক্রিমসহ ৬২ ধরণের নকল প্রসাধনীর চার হাজার ৫৬টি পণ্যব্দ করা হয়। ওই সব পণ্যের গায়ে কোন বিএসটিসির মার্ক ছিল না। নামী দামী কোম্পানীর স্টিকার লাগিয়ে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতেন ওই ব্যবসায়ি। জব্দকৃত পণ্যের মূল্য আট লাখ টাকা। জব্দকৃত পণ্য নষ্ট করা হবে বলে জানা তিনি।

ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি ঢাকার চকবাজার থেকে ওই সব নিম্নমানের প্রসাধনী ও নামী কোম্পানীর স্টিকার কিনে এনে খুচরা ও পাইকারি বিক্রি করতেন।

নিজের দোষ স্বীকার করায় ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে অংশ নেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার উপপরিচালক জাকির হোসেন, খুলনা র‌্যাব -৬ এর সাতক্ষীরা শাখার সহকারি পুলিশ সুপার বজলুর রশীদ, সুলতানপুর বড়বাজার কসমেটিকস ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতার উপর ছাত্রলীগ নেতার হামলা

কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের যুবলীগ নেতার উপর ছাত্রলীগ নেতার হামলা




কলাপাড়া  প্রতিনিধি:

 তারিখঃ ২৩/০৯/২০২০ইং

পটুয়াখালী কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নে যুবলীগের সদস্য   মোঃ রবিউল গাজীর উপর সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর বেলা ১২ টায়  লালুয়ার  বানাতি বাজারে মোবাইল টাওয়ার,বালুর মাঠে এ ঘটনাটি ঘটে।


স্থানীয় যুবলীগের শ্রমিকলীগের ও  ছাত্র লীগের  কিছু নেতাকর্মীরা জানান, সোমবার দুপুর বারোটা একটার দিকে কিছু সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাঁয়তারা দিচ্ছে হঠাৎ করে মোহল্লাপাড়া ভ্যান স্টান থেকে মোঃ রবিউল গাজী কে জামার কলার ধরে টেনে নিয়ে আসে। 


তার পড়েই উজ্জাল(২০) সজিব মৃধা(২৫) সান্ত(১৮) মুসা(২২) আরো ৪/৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি সশস্ত্র গ্রুপ অতর্কিত তার উপর হামলা করে তাকে পিটিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হাত ও পায়ে জখম করে। আহত রবিউল গাজীর হাতে ৪ টি ও পায়ে ৬ টি সেলাই করা হয়।



এলাকাবাসী তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে পটুয়াখালী হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।


হামলার কারণ ও হামলাকারীদের পরিচয় স্থানীয়  ব্যাক্তি জামাল,রুমা ও তামান্না,সাকিল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের জানামতে রবিউল গাজী বিগত এক থেকে দের বছর ধরে ব্যাটারি চালিত ভ্যান গাড়ি স্টানের সভাপতি  দায়িত্ব ও সুখ দুঃখ সবার পাশে দাঁড়ান। এ সময় হঠাৎ করে উজ্জল নামের ছাত্রলীগ নেতা এ একপ্রকার সন্ত্রাস অস্ত্রধারী ছেলে। সে  পিছন থেকে রবিউলকে লাঠি দিয়ে মাথায় বারি দিলে রবিউল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।  অরো অনেকেই ছিলো তাদের নাম জানিনা।


বিগত কিছুদিন ধরে মহাল্লাপাড়া স্টান নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর সাথে তার মতবিরোধ রয়েছে আর একারণেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তার মেয়ে মোহনা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন।


হামলাকারী উজ্জলের ব্যাবহারিত মোবাইল ফোনে কল দিলে, উক্ত হামলার ঘটনার দিন সে ধানখালীতে অবস্থান করছে উক্ত ঘটনা মিথ্যা ও বানোয়াট  বলে জানান ,অপর হামলাকারী  সজিব মৃধা বলেন আমি বিগত ১০/১৫ দিন অসুস্থ এব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। উক্ত হামলাকারীদের ব্যাপারে জানতে চাইলে   বলেন সবাই ছাত্রলীগ,আমারা ছাত্রলীগ নেতাকর্মী      


এব্যাপারে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এখনো কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর ১১৭ তম মৃৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মহিলা নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর ১১৭ তম মৃৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা



মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ,লাকসাম,কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ


আজ বুধবার ২৩/৯/২০২০ ইং নারী জাগরণের অগ্রদূত নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ১১৭ তম মৃৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা।


এ মহিয়ষী নারী নবাব ফয়জুননেছা চৌধুরানী তুমি ছিলে তুমি আছ তুমি থাকবে এই উপমহাদেশের  মানুষের মাজে তাই আজ  ১১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে  বিনম্র শ্রদ্ধা। আপনি উপমহাদেশের প্রথম মহিলা নবাব প্রথম এবং শেষ মহিলা নবাব। 


ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৮৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার তৎকালীন হোমনাবাদ পরগনা লাকসামের খরস্রোতা ডাকাতিয়া নদীর তীর ঘেষে পশ্চিমগাঁও গ্রামে অবস্থানকারী মোতাহের খানের পুত্র সুলতান খাঁন ওরফে গোরাগাজি চৌধুরীর পুত্র হোসেন আলী চৌধুরী গাজী শাহেদার অন্যতম বংশধর মুজাফফর গাজির কন্যা মায়মুনা বিবি ওরফে ময়না বিবিকে বিবাহের পর তাদের দুই পুত্র আশ্রাফ আলী চৌধুরী ও আহম্মদ আলী চৌধুরী আর দুই কন্যা আফিয়া চৌধুরানী ও অমেনা চৌধুরানী আহম্মদ আলী চৌধুরী হলেন নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর পিতা। তার মাতৃকুল নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ভুলুয়ার অন্তর্গত ধলীয়া গ্রামে মিনা মাহতাব নামে এক সভ্রান্ত বংশীয় জনদরদি জমিদারের পুত্র ফজিল আহম্মদ চৌধুরীর শেষ বংশধর বেজু মিয়া চৌধুরী। এরই ভগ্নিপতি জমিদার আমজাদ চৌধুরী ওরফে ডেঙ্গুমিয়া চৌধুরীর পুত্র আসাদ চৌধুরীর প্রথমা কন্যা আরফান্নেছা চৌধুরী।


তৎকালীন হোমনাবাদের জমিদার আহম্মদ আলী চৌধুরী ও ভুলুয়ার জমিদার আসাদ চৌধুরী কন্যা আরফান্নেছা চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ কন্যা হলেন এ মহিয়ষী নারী ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী।


পরিবার সূত্র জানায়, মোগল সম্রাট শাহআলমের শাসনকালে শাহজাদা জাহান্দর খানের পুত্র হুমায়ন খাঁ হোমনাবাদ পরগনার জমিদারি লাভ করার পর ৬ষ্ঠ বংশধর আহম্মদ আলী চৌধুরীর পিতা জমিদার নন্দিনী আরফান্নেছা মাতার তৃতীয় সন্তান এ ফয়জুন্নেছা। বড় দুই ভাই ইয়াকুব আলী চৌধুরী ও ইউছুফ আলী চৌধুরী এবং ছোট বোন লতিফান্নেছা চৌধুরী রানী। ফয়জুন্নেছার মাতা ও জমিদার নন্দিনী এবং জমিদার পতিœ ছিলেন বলে ফয়জুন্নেছা সকলের আদুরে কন্যা হলে যা হয় তার ব্যাতিক্রম ছিলেন না। প্রাচুর্যেই জন্মে ছিলেন জমিদার তনয়া ফয়জুন্নেছা। বাল্যকালেই ১৮৪৪ খ্রিঃ সেপ্টেম্বর মাসে আকালেই তিনি পিতৃহারা হলেন। তখন তিনি ১০ বছরের বালিকা মাত্র। ইয়েমেনের অধিবাসী বিখ্যাত ব্যাক্তি হোমনাবাদ পরগনার আদী মুসলমান জমিদার সাধুবর গাজী শাহেদা। বংশধরদের মধ্যে এক বংশের নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী অপর বংশধর বরুড়া উপজেলার বাউকসারের জমিদার মোহাম্মদ গাজী চৌধুরী। কিশোরী ফয়জুন্নেছার বিয়ের প্রস্তাব আসে দুঃসর্ম্পকীয় আত্মীয় ওই জমিদার গাজী চৌধুরীর সাথে। অনেক নাটকীয় ও কৌশলী শর্তের বেড়াজালে অবশেষে ফয়জুন্নেছার বিয়ে সম্পন্ন হলো জমিদার গাজী চৌধুরীর সাথে। চলে গেলেন স্বামীর বাড়ি বরুড়া উপজেলার বাউকশার গ্রামে। শর্তানুযায়ী গাজী চৌধূরী ও ফয়জুন্নেছার জীবন সুখে চলছিল। এরমধ্যে দুটি কন্যা সন্তান জন্ম নিল আরশাদুন্নেছা ও বদরুন্নেছা। কিছুদিন পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে শর্ত ভঙ্গ শুরু হলে বড় মেয়ে আরশাদুন্নেছাকে ওই বাড়ীতে রেখে ছোট মেয়ে বদরুন্নেছাকে সঙ্গে নিয়ে লাকসামের পশ্চিমগাঁও চলে আসে মায়ের কাছে। ১৮৮৫ সালে মায়ের মৃত্যুর পর ফয়জুন্নেছা জমিদারীর দায়িত্ব তুলে নিয়ে কর্মতৎপরতার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলেন একজন সুদক্ষ, প্রজাহিতৈষী, শিক্ষানুরাগী, তেজস্বী ও বিচক্ষণ শাসক হিসাবে।


অন্য সূত্রে আরো জানায়, জমিদার ফয়জুন্নেছার সমগ্রজীবন ছিল নিয়মতান্ত্রিক ও শৃঙ্খলার মধ্যে। জমিদারী পরিচালনা ছাড়াও তাঁর দুটি প্রধান সাধনা ছিল আল্লাহর ইবাদত এবং সাহিত্য সাধনা। নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীর জমিদারীর ১৪টি মৌজা ছাড়াও দেশে-বিদেশে ১৪টি প্রাথমিক মক্তব, প্রাথমিক বিদ্যালয়, দ্বীনিয়াত শিক্ষা, হাইস্কুল, বালিকা বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, দাতব্য চিকিৎসালয়, হাসপাতাল, দিঘী-পুকুর, মসজিদ, মুসাফিরখানা, পুল-ব্রিজ, পত্র-পত্রিকায় পৃষ্ঠপোষকতা, কবি সাহিত্যিকদের সাথে যোগাযোগ, ফয়জুন পাঠাগার, রূপজালাল গ্রন্থ রচনাসহ বিভিন্ন জনহিতকর কাজ করে গেছেন তিনি। এছাড়া ১৮৯৪-৯৫ সালে মক্কাশরিফে হজ্বব্রত পালন করতে গিয়ে ওই দেশের বাদশা আব্বাসিয় খলিফা হারুনুরু রশিদের স্ত্রী নামে যোবায়দা নহর পুনঃখনন এবং একটি মুসাফিরখানা রোবাত স্থাপন করেন।


তৎকালীন ত্রিপুরার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মিঃ ডগলাস জনকল্যানমুখি কাজে অর্থ যোগানের জন্য দেশের সকল জমিদারদের কাছে চিঠি পাঠান। বিশাল পরিমান অর্থ যোগানের কথা ভেবে ওই জনকল্যানমুখী কাজে দেশের অন্যান্য জমিদাররা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে শেষ মূহর্তে হোমনাবাদ পরগনার জমিদার ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী নিজেই ঋণ হিসাবে নয় জনকল্যানে সম্পূর্ন টাকা তিনি দান করেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন ভিক্টোরিয়া মহারানী বিশ্বের একজন মুসলিম নারী জমিদারের এরূপে আচরণে মুদ্ধ হয়ে রানী ফয়জুন্নেছাকে বেগম উপাধিতে ভূষিত করলে তিনি সম্মানের সাথে প্রত্যাখান করেন। মহিলা জমিদার হিসাবে এমনিতেই তিনি বেগম বলে পরিচিত। রানী ভিক্টোরিয়ার রাজ দরবারে পুনরায় পরামর্শ করে ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীকে নবাব উপাধিকে ভুষিত করার সিদ্ধান্ত নেন যা ১৮৮৯ খ্রিঃ সেই খেতাব প্রদান অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বর্তমান কুমিল্লার চর্থাস্থ সৈয়দ বাড়ীর মাঠে।


তার জমিদারীর শাসনামলে হাসি কান্না দুঃখ বেদনায় ভরপুর তার সার্বিক জীবনে কাহিনী নিয়ে রূপক কাব্যগ্রন্থ রূপজালাল বইটি ১৮৭৬ খ্রিঃ প্রকাশ করার পর অবশেষে ১৯০৩ সালে ২৩ সেপ্টেম্বর এ মহিয়ষী প্রথম রানী নবাব ফয়জুন্নেছা চির নিদ্রায় শায়িত হন তারই নির্মিত নবাব বাড়ি জামে মসজিদের পাশে।

তাই আজ বিকাল ৩টায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে সবাই আসবে অদৃশ্য মহামারী পরিস্থিতি করোনা ভাইরাস স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অনুষ্ঠান সফল করতে সবার প্রতি অনুরোধ রইল।

ইন্দুরকানীতে বেল বিক্রি করতে এসো বৃষ্টির কারণে বিপদে পড়েছে বিক্রেতারা

 ইন্দুরকানীতে বেল বিক্রি করতে এসো বৃষ্টির কারণে বিপদে পড়েছে বিক্রেতারা





মিঠুন কুমার রাজ, 

স্টাফ রিপোর্টার। 


ইন্দুরকানীতে তিনদিন ধরে বৃষ্টির কারণে বেল ব্যবসায়িরা আটকে রয়েছে স্থানীয় উপজেলার চৌরাস্তায়। বৃষ্টির কারণে এবছর ক্রেতাদের তেমন সারা পায়নি বলে জানিয়েছেন বেল বিক্রেতারা। এছাড়াও করোনা মহামারীর কারণে ইন্দুরকানী উপজেলার বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার কারণে ছাত্রী/ছাত্রীদের কাছে বেল বিক্রি করতে না পারার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তারা। তারা জানায় গেলো বছরে ইন্দুরকানী উপজেলার প্রতিটি বাজার থেকে প্রচুর ক্রেতা তারা পেয়েছিলো অথচ এবছরে তাদের বেল বিক্রি করতে এ উপজেলায় আসাটাই বিফলে গেছে। তারা জানান চৌরাস্তার জলিল ভাইয়ের হোটেলের পাশে এমন সুন্দর একটা পরিবেশ থাকার কারণে আমাদের তেমন কোন অসুবিধা হয়নি শুধু বৃষ্টির কারণে বেল তেমন বিক্রি করতে পারছিনা। এভাবে যদি আরও বৃষ্টি থাকে তাহলে আমাদের না খেয়ে এই উপজেলায় থাকতে হবে।


এদিকে ইন্দুরকানী উপজেলার চৌরাস্তার বিখ্যাত আলুর পুরির নামকরা হোটেলের মালিক জলিল মিয়া বলেন বেল বিক্রেতারা গত তিন দিন যাবৎ বৃষ্টির কারণে তাদের গন্তব্যে পৌছাতে না পেরে আমার এখনে থাকছে। তারা আমার হোটেলে তিন বেলা খাবার খাচ্ছে। তাদের কোন রকমের অসুবিধা যেন না হয় সেদিকে আমি খেয়াল রাখবো। 

তবে চৌরাস্তায় এমন বেলের দোকান দেখে কিছু কিছু ক্রেতারা তাদের বাসায় ছেলে/মেয়েদের জন্যে বেল নিয়ে যাচ্ছে। 

এমন যদি অনবরত আরও কিছুদিন বৃষ্টি হয় তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে বেল ব্যবসায়িদের এমনটাই দাবি।

নওগাঁর রাণীনগরে ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

নওগাঁর রাণীনগরে  ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত




রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর রাণীনগরে একডালা ইউপি চেয়ারম্যানকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।  অসহায় হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিডির ৩৯৪০কেজি চাল উত্তোলনপূবর্ক আত্মসাতের অভিযোগ স্থানীয় তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় উপজেলার একডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলামকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।


গত আগস্ট মাসের ৫তারিখে (মঙ্গলবার) একডালা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন যাত্রাপুর গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে ৩৯৪০কেজি ভিজিডির চাল উদ্ধার করা হয়। ওইদিন দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন।


স্থানীয়রা প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ভ্যান চালক জয়েন উদ্দিনের বাড়িতে যাত্রাপুর গ্রামের চাল ব্যবসায়ী মুজিবরের ছেলে বাবু ও চেয়ারম্যান সুবিধাভুগীদের কাছ থেকে চাল কিনে বস্তা পরিবর্তন করছিলো তা দেখতে পায়। এরপর বিষয়টি সংবাদকর্মীদের জানালে সংবাদকর্মীরা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। এসময় সংবাদকর্মীর উপস্থিতি টের পেয়ে চাল রেখে সবাই পালিয়ে যায়।


এই বিষয়ে বিভিন্ন গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তারই ভিত্তিতে স্থানীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব মো: ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চত করা হয়েছে। এই আদেশ  জন স্বার্থে প্রচার ও দ্রুত কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

আক্কেলপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে অসহায় ও দুস্থ্য রোগীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

 আক্কেলপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে  অসহায় ও দুস্থ্য রোগীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ




 

রাজশাহী ব্যুরো

শেখ হাসিনার দিন বদলে সমাজসেবা এগিয়ে চলে এই শ্লোগানে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, থ্যালাসেমিয়া স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।


আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার সময় আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম হাবিবুল হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুদানের চেক বিতরণী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ শরিফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সালঅম আকন্দ,জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলহাজ্ব ইমাম হাসিম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা  মোঃ সোহেল রানা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপজেলার অসহায় ও দুস্থ্য ৬ জন রোগীর মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৩ লক্ষ টাকার চেক  বিতরণ করা হয়।

এবিএন/আতিউর রাব্বী তিয়াস/জসিম/তোহা

আক্কেলপুরে অসহায় ও দুস্থ্য রোগীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

শেখ হাসিনার দিন বদলে সমাজসেবা এগিয়ে চলে এই শ্লোগানে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, থ্যালাসেমিয়া স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার সময় আক্কেলপুর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম হাবিবুল হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুদানের চেক বিতরণী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ শরিফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সালঅম আকন্দ,জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলহাজ্ব ইমাম হাসিম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা  মোঃ সোহেল রানা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপজেলার অসহায় ও দুস্থ্য ৬ জন রোগীর মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৩ লক্ষ টাকার চেক  বিতরণ করা হয়।

নওগাঁর আত্রাইয়ে ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

 নওগাঁর আত্রাইয়ে ঘূর্ণিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত





মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো


নওগাঁর আত্রাইয়ে উপজেলায় জগদাশ গ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় দেওয়াল চাপা পরে ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।


এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের জগদাশ গ্রাম ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। প্রায় ৫০টি পরিবারের শতাধিক কাঁচাপাক ঘর বিধ্বস্ত ও বহু গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জগদাশ গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, ১০ মিনিটের এই ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে প্রায় অর্ধশত বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টিনের চালা উড়ে গেছে। গাছপালা ভেঙে আত্রাই টু সিংড়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

এ ছাড়াও বিদ্যুতের বেশ কয়েক বিদ্যুতের খুঁটি ওপড়ে গেছে। এ ঘটনার পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।


এদিকে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থল গিয়ে আহতদের উদ্ধার ও সড়কে পরে থাকা গাছপালা অপসারণের চেষ্টা চলছে বলে ফায়ার সার্ভিসের একটি সুত্রে হতে জানানো হয়েছে।

আলোচিত সেই দুই বোনের ভর্তির লাখ টাকা দিলো নাভানা গ্রুপ

আলোচিত সেই দুই বোনের ভর্তির লাখ টাকা দিলো নাভানা গ্রুপ




নারায়ণগঞ্জ,শিপন।


দুই বোনের ভর্তি বাবদ লাখ টাকা দিলো নাভানা গ্রুপ।

সরকারি তোলারাম কলেজে ভর্তির জন্য বিবেচিত হয়েও পাঁচ হাজার টাকার জন্য ভর্তি হতে পারছিলেন না দুই বোন হাবিবা ও সুমাইয়া।


এ নিয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিক সংবাদ দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজে সংবাদ প্রকাশিত হয়।


বিভিন্ন হৃদয়বান ব্যক্তিরা তাদের সহায়তা করতে যোগাযোগ করেন। পাশাপাশি সংবাদটি নাভানা গ্রুপের চোখে পড়ে।


নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দুই বোনকে নাভানা গ্রুপের পক্ষ থেকে নগদ এক লাখ টাকা অর্থসহায়তা প্রদান করা হয়।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাভানা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার আরাফাদুর রহমান বান্টি, ব্যবস্থাপক আফজাল নাজিম, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা।


নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাঘাত যাতে না ঘটে সেজন্য আমরা সকল প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করতে চাই। সংসারে অভাব-অনটন থাকবে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা থাকলে সব অনটন ও অভাব উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যেতে পারবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে। সেজন্য কঠোরভাবে পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই আমরা জীবনে সফল হতে পারবো।


প্রকাশিত সংবাদের পর পর নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুই বোনকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ‘টিম খোরশেদ’র উদ্যোগে টাইম টু গিভ ও নূর সুফিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ১০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে তাদের সহযোগিতা করেছেন।

শেকৃবিতে ভিসির দায়িত্বে রেজিস্ট্রার: নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের প্রতিবাদ

শেকৃবিতে ভিসির দায়িত্বে রেজিস্ট্রার: নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের প্রতিবাদ




নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃরাজধানীর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শেকৃবি) উপাচার্যের মেয়াদ পূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখার জন্য একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে চলতি দায়িত্বে উপাচার্যের পদাধিকার দেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(নোবিপ্রবি) স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ।


আজ মঙ্গলবার রাতে নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ড. মো. মফিজুল ইসলাম  এবং                                                 সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে  প্রতিবাদ জানায় তাঁরা।       


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ হতে (স্মারক নং৩৭.০০.০০০০.১১৮.৯৯.১১১.০২.১৬৪) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মেয়াদ পূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে (বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম) চলতি দায়িত্বে উপাচার্যের পদ প্রদানের আদেশ জারি করা হয়। আমরা জানি যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণার প্রাণকেন্দ্র ও জাতির আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে যার মূল কাজ জ্ঞানের সৃজন ও জ্ঞান বিতরণ। আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও নীতিমালার আলোকে একজন প্রতিথযশা অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন, যার দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান বৃদ্ধি হয়। তাই আমরা মনে করি শেখ রেজাউল করিম একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়ার উচ্চশিক্ষা ভিত্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও নীতিমালার সাথে এই নিয়োগ সাংঘর্ষিক। আমরা নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ এই নিয়োগের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন ও উচ্চশিক্ষার মানবৃদ্ধিকল্পে এই নিয়োগাদেশ প্রত্যাহার করে নেবার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাই। সেই সাথে সাথে একজন প্রতিথযশা অধ্যাপককে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। 


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ আশা করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অন্যকোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ব্যাতিত অন্য কাউকে যেন উপাচার্যের পদে বা উপাচার্যের চলতি দায়িত্বেও আসীন না করা হয়। এবিষয়ে আমরা নোবিপ্রবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সদস্যবৃন্দ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।