" ছাত্র মিলন "সামাজিক সংগঠনের কম্বল বিতরণ

 " ছাত্র মিলন "সামাজিক সংগঠনের কম্বল বিতরণ


 " ছাত্র মিলন "সামাজিক সংগঠনের কম্বল বিতরণ 

রিয়াজুল করিম রিজভী,চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃছাত্র মিলন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ এর যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত চসিক মেয়র পদপ্রার্থী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব এম.রেজাউল করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক ছাত্রনেতা জনাব জালাল উদ্দীন ইকবাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক এবং ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর বাবু জহরলাল হাজারী, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব মোঃ ইকবাল হাসান চৌধুরী, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোছলেম উদ্দিন আহমদ, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ দিদারুল আলম, জনাব মোঃ আজম খান, জনাব কাজী হেলাল উদ্দীন, মোঃ কামরুল হক, মোঃ জানে আলম, মোজাম্মেল হক মানিক,  নুর আহাম্মদ, ইউছুপ হারুন মাসু, ফরমান উল্লাহ, রেজাউল করিম পিন্টু, মনিরুল হক মুন্না, রাজিব ভট্টাচার্য, আব্দুল আওয়াল অপু। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ছাত্র মিলন সংগঠনের সভাপতি অস্তিম মজুমদার ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তোহিদুল ইসলাম। এতে আরো বক্তব্য রাখেন হাসনাত রাকিব, প্রান্ত সেন, পাপ্পু সরকার, ইশতিয়াক আহমেদ, তাহসিন আকবর।

রিজভী সাহেব পুরোপুরি সুস্থ হননি- তথ্যমন্ত্রী

 রিজভী সাহেব পুরোপুরি সুস্থ হননি- তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।


নিউজ ডেস্কঃ রিজভী সাহেব হাসপাতাল থেকে বেরিয়েই যে ভাষায় কাদের ভাইকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তাতে মনে হচ্ছে, তিনি পুরোপুরি সুস্থ হননি, চিকিৎসা আরো বাকি আছে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত কৃতিশিল্পী সম্মাননা ও ‘বাঙালির তীর্থভুমি’ স্মরণিকার প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সমসাময়িক প্রসঙ্গে তিনি একথা বলেন।আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বিষয়ে বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'বাংলাদেশের মুসলমানেরা কয়েকজন ধর্ম ব্যবসায়ীর কাছে ইসলাম ধর্ম লিজ দেয় নাই। তারাই সব বোঝেন আর কেউ কিছু বোঝেন না! সৌদি আরবে ভাস্কর্য জাদুঘর আছে, রাস্তায় রাস্তায় প্রাণীর এমনকি সৌদি বাদশার মুখাবায়ব সম্পন্ন ভাস্কর্যও আছে। মক্কা শরিফ, মদিনা শরিফের ইমাম সাহেব গ্র্যান্ড মুফতি এ নিয়েতো কখনো প্রশ্ন তোলেন নাই।' আমাদের দেশের এই কজন ধর্মব্যবসায়ী তাহলে মক্কা, মদিনার শরিফ ইমামের চেয়েও বেশি জ্ঞানী, ধর্ম নিয়ে বেশি বোঝেন!' প্রশ্ন রাখেন তিনি।

অনুষ্ঠানের আয়োজক বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ফাল্গুনী হামিদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কামাল চৌধুরী, মতিন চৌধুরী, সাংবাদিক মানিক লাল ঘোষ প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।

তথ্যের উৎসঃঃ কালের কন্ঠ 

ওসি প্রদীপ কুমার দাসের ইয়াবা বাণিজ্যের কথা জেনে ফেলায় সিনহা কে হত্যা !

 ওসি প্রদীপ কুমার দাসের ইয়াবা বাণিজ্যের কথা জেনে ফেলায় সিনহা কে হত্যা !

ওসি প্রদীপ

নিউজ ডেস্ক: টেকনাফ থানার বরখাস্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসের ইয়াবা বাণিজ্যের কথা জেনে যাওয়ায় মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর বাহারছড়া ক্যাম্পের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ বাকি আসামিদের নিয়ে মাদক উদ্ধারের নাটক সাজান ওসি প্রদীপ।'

রবিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এসব কথা জানিয়েছেন।

এর আগে সকালে কক্সবাজার আদালতে ২৬ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দেন র‍্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম।

অভিযোগ পত্রে বলা হয়, কক্সবাজারের টেকনাফ ওসি প্রদীপের অভয়ারণ্য ছিল। কথিত রাজ্য ছিল। মূলত এই স্বেচ্ছাচারিতা, আইন অমান্য করে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, এবং তার ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য সিনহা ও তার সঙ্গীরা হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ওসি প্রদীপ সরকারি অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার করেছেন এবং ইয়াবা কেন্দ্রিক বাণিজ্যের সাথে যুক্ত ছিলেন।জুলাই মাসের ৭ তারিখে সিনহা মো. রাশেদ খান, শিপ্রা দেবনাথ, সিফাত ও রুফতি নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান করে। সেসময় ইউটিউবে একটি ভিডিও চ্যানেল নিয়ে কাজ করার সময় আঞ্চলিক বাসিন্দাদের সাথে তাদের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সেখানে সাধারণ মানুষের সাথে মিশে গিয়ে তাদের জিম্মি হওয়া, অত্যাচারের ঘটনা সম্পর্কে তিনি জানতে পারেন যা মেজর সিনহাকে পীড়িত করে।

এসব বিষয়ে ওসি প্রদীপের কাছে জানার জন্য ক্যামেরা ও ডিভাইসসহ তারা তিনজন (সিনহা, শিপ্রা ও সিফাত) যখন থানায় যায়। শিপ্রা ও সিফাতের বক্তব্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ল্যাপটপে স্পর্শকাতর কিছু ছিল। তবে সেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।র‌্যাবের অভিযোগপত্রে বলা হয়, থানায় তাদেরকে অনতিবিলম্বে টেকনাফ বা কক্সবাজার ছেড়ে যেতে বলা হয়। তা না হলে "তোমাদের আমি ধ্বংস করে দেবো" বলে হুমকি দেয়া হয়। তবে ওসি প্রদীপের হুমকি উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণেই ষড়যন্ত্র করে মেজর সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে বলে বলছে র‌্যাব।

তথ্যের উৎস: কালের কণ্ঠ 

আব্দুল্লাহ সোহরাওয়াদ্দী গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল নাইট ম্যাচ

 আব্দুল্লাহ সোহরাওয়াদ্দী গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল নাইট ম্যাচ

 


আব্দুল্লাহ সোহরাওয়াদ্দী গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল নাইট ম্যাচ

মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ মরহুম আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী সৃতি স্বরণে নাইট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে ফরকেরহাট  উচ্চ বিদ্যালয়  মাঠ।ফাইনাল নাইট ম্যাচে কুড়িগ্রাম বন্ধু-মহল স্পোর্টিং ক্লাব বনাম কাসেম বাজার ফুটবল একাদশ গোল ব্যাবধানঃ ১-১   

ট্রাইব্রেকারে জয়লাভ করেন কুড়িগ্রাম বন্ধু-মহল স্পোর্টিং ক্লাব। 

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মরহুম আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দীর কনিষ্ঠ রাজপুত্র জনাবঃ জাহিদ সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি   চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ, রাজারহাট।

সভাপতিত্ব করেন তরুন সমাজের অহংকার ও সাবেক ছাত্রনেতা জহুরুল ইসলাম তালুকদার (ময়নাল) ভাই  

সফল সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,উমর মজিদ ইউনিয়ন শাখা।

ম্যাচটি আয়োজন করেন খালেক ইসলাম, খোকন, এবং ফেরদৌস সরকার ও আরো অনেকেই ।

পটিয়ায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে যুবদল নেতার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

 পটিয়ায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে যুবদল নেতার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ
পটিয়ায় পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে যুবদল নেতার সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ 


সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃচট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ  শাহজাহান চৌধুরীর ব্যাক্তিগত উদ্যোগে গতকাল রবিবার সন্ধায় বৈলতলী রোড় কার্যলয়ে পাঁচ শতাধিক মানুষের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সহ- সভাপতি  আনোয়ার ইসলাম মিয়া, সহ-সভাপতি রবিউল হোসেন বাদশা, পৌর বিএনপি নেতা মোসলেম উদ্দীন, মফিজুর রহমান, দঃ জেলা যুবদল যুগ্ম সম্পাদক আল রায়হান সোহেল, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল সালাম,  পৌর যুবদল নেতা জসিম তালুকদার, আনোয়ার হোসেন সুমন,উপজেলা যুবদল নেতা সাজ্জাদ আলম আলভী, মোঃ আবদুল আজিজ, জালাল,করিম,আলমগীর, টিটু প্রমুখ। এসময় দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী 

তার বক্তব্যে বলেন, করেনা ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিস্কার 

 পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। তিনি আরোও বলেন, সকলের সচেতনতা  ভুমিকাই মূখ্য। তাই  উপযুক্ত পারিশ্রমিক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ সভাপতি আনোয়ার ইসলাম মিয়া বলেন, 

দরিদ্রদের মধ্যে খাবার বিতরণ করব।সমাজের বিত্তবানদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।    

দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি  রবিউল হোসেন বাদশা বলেন, সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও আসন্ন শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর প্রকোপ শুরু হয়েছে। মানুষ যদি এখনই সচেতন না হয়, স্বাস্থ্যবিধি না মানে, তাহলে আসন্ন শীতে আবারও ভয়াবহ রূপ ধারন করতে পারে করোনা ভাইরাস এর থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছলার আহবান জানান তিনি।

রাজারহাটে বাবা হত্যার আসামী কর্তৃক কন্যা ধর্ষিতা

রাজারহাটে বাবা হত্যার আসামী কর্তৃক কন্যা ধর্ষিতা
রাজারহাটে বাবা হত্যার আসামী কর্তৃক কন্যা ধর্ষিতা  

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃরাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাটুয়ামহল গ্রামের মৃত মুসলিম মিয়ার ১৪ বছরের কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে জিম্মি করে ধর্ষন করে আসছেন একই গ্রামের খগেন বর্মনের পুত্র মিনাল বর্মন। সরেজমিন ঘুরে জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক ছিল। মেয়েটির বাবা তাদের এই অনৈতিক সম্পর্ক জেনে যাওয়ায় ছেলেটিকে তার মেয়ের সাথে মেলামেশা করতে নিষেধ করেন। 

মেয়েটির বাবা মুসলিম মিয়া ছেলেটি কে বলেন মুসলিম মেয়ে হিন্দু ছেলের এই সম্পর্ক সমাজ মেনে নিবেনা তাই ভবিষ্যতে যেন তার মেয়ের সাথে কোন যোগাযোগ করা না হয়। এতে মিনাল বর্মন ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটির বাবাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে মেয়েটির বাবা মুসলিম মিয়া মাঠিতে লুঠিয়ে পড়ে এবং পরে স্থানীয়রা মুসলিম মিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

 এই ঘটনায় মুসলিম মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে মিনাল বর্মন কে প্রধান আসামি করে রাজারহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর আসামি মিনাল বর্মন ১০/১১ মাস কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাইরে এসে মেয়েটিকে নানাবিধ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। 

গত ১২ই ডিসেম্বর শনিবার মেয়েটি তার নানা বাড়িতে বেড়াতে আসলে ছেলেটি মেয়েটির গতিবিধি পুর্ব থেকে পর্যবেক্ষণ করেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাড়ি ফাঁকা পেয়ে মিনাল বর্মন মেয়েটিকে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। মেয়েটির আত্মচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে ছেলে মিনাল বর্মন কে আটক করে রাখে।

 সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নে মেয়েটি বলেন আমার বাবার হত্যাকারী মিনাল বর্মন জেল থেকে বেড়িয়ে এসে আমার মাকে বাবার মত মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে আসছেন। আমি আমার মায়ের জীবন বাচাতে তার এই অনৈতিক কাজের সাথী হয়েছি। মিনাল আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করে। আমি এবং আমার মা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি প্রশাসনের নিকট আমার এবং আমার মায়ের জীবনের নিরাপত্তা চাই।এবিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু সরকার বলেন ঘটনাটা শুনেই থানার ফোর্সকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে দিয়েছি, মেয়েপক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ছেলের বাবা, ছেলেকে জোর পূর্বক আটক রাখার অভিযোগ থানায় করেছেন।

দৌলতখান প্রশাসন ছয় ব্যারেল চোরাই তৈল জব্দ করেছে

দৌলতখান প্রশাসন ছয় ব্যারেল চোরাই তৈল জব্দ করেছে
দৌলতখান প্রশাসন ছয় ব্যারেল চোরাই তৈল জব্দ করেছে

মোঃ আওলাদ হোসেনবিশেষ প্রতিনিধি দৌলতখান (ভোলা)

ভোলার দৌলতখানে ছয় ব্যারেল চোরাই কেরোসিন (ডিজেল) তেল জব্দ করেছে দৌলতখান থানা পুলিশ।  

রোববার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে দৌলতখান থানা পুলিশের একটি টিম উপজেলার পৌরসভা রাধাভল্লব বাজারের মাছঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিতেক্ত অবস্থায় এসব চোরাই তেল জব্দ করা হয়। 

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান জানান, দৌলতখান চৌকিঘাট এলাকায় চোরাই তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রতিনিয়ত চট্রগ্রাম থেকে নৌ-পথে আসা সরকারি মালিকানাধীন তেল বহনকারী জাহাজ থেকে নামানো হচ্ছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দৌলতখান রাধাভল্লব  মাছঘাট এলাকা থেকে ছয় ব্যারেল চোরাই তেল জব্দ করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। 

এ সময় এর সাথে জড়িত কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।

সিরাজগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

 সিরাজগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

সিরাজগঞ্জে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় সদর উপজেলার একডালা পুনর্বাসন এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেন সিরাজগঞ্জ সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ। ।

১৩ডিসেম্বর, রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে এ বিয়ে বন্ধ করেন।

অভিযানের বিষয়ে সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার একডালা পুনর্বাসন এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে হচ্ছে সংবাদ পেয়ে কনের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায় বিয়ের আয়োজন চলছে। এসময় উপস্থিত কনের বাবার নিকট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পূর্বে বিয়ে দিবেন না মর্মে মুচলেকা নেয়া হয় এবং বর ও কনের বাবাকে মোট ৭,০০০/- টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, সিরাজগঞ্জ উপজেলাকে বাল্যবিয়েমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ জন্য তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।এবং বাল্যবিয়ে বন্ধে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

উক্ত,মোবাইল কোর্ট পরচালনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ, উপজেলা ভূমি অফিসের স্টাফগণ সহযোগিতা করেন।

লালমনিরহাটে ডিসেম্বরে জেঁকে বসেছে শীত

লালমনিরহাটে ডিসেম্বরে জেঁকে বসেছে শীত
লালমনিরহাটে ডিসেম্বরে জেঁকে বসেছে শীত


মোঃ রশিদুল ইসলাম রিপন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট ঘন কুয়াশা ও তীব্র শৈত্য প্রবাহের কারণে জেলার ৫টি  উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি  পৌরসভার ৪শত ৭৬টি গ্রাম ও ৩শত ৫৪টি মৌজার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কার্তিক মাস থেকে শুরু হয় ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র হিমেল হাওয়া। ঘন কুয়াশার কারণে রাতে বেলায় সড়কে লাইট জ্বালিয়ে সাধারণ জনগণ চলাচল করতে দেখা গেছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রাতে কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শীতে তিস্তা, ধরলা, মালদহ, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীগুলোর তীরবর্তী এলাকার চর ও দ্বীপ চরের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। বেশি ঠান্ডা পড়ায় এখানকার মানুষজন খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। বৃদ্ধ ও শিশুরা শীতে সবচেয়ে বেশী কষ্ট পাচ্ছে। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। বিশেষ করে রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী ছিন্নমুল মানুষগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্ট পোহাচ্ছে। শীতার্ত মানুষগুলো এক টুকরো গরম কাপড়ের জন্য তাকিয়ে আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিত্তবান লোকদের দিকে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারী, পুরুষ, শিশু ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

 

এদিকে হরেক রকমের শীতবস্ত্রের পসরা নিয়ে বসেছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। লালমনিরহাট জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড়, রেলওয়ে স্টেশন, জজ কোর্ট, বিডিআর গেট এলাকায় বসেছে শতাধিকেরর বেশি অস্থায়ী দোকান। তবে এ সকল শীতবস্ত্রের দাম বেশি হওয়ায় অভাবী লোকজন কিনতে পারছে না।

 অপরদিকে রোটারী ক্লাব অব লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন সংগঠন গত কয়েক দিনে লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করছে।

ভাষ্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা সাংসদের মানববন্ধন

 ভাষ্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায়  মুক্তিযোদ্ধা সাংসদের মানববন্ধন
ভাষ্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায়  মুক্তিযোদ্ধা সাংসদের মানববন্ধন


আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃস্বাধীনতার মহানায়ক বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষ্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে, রোববার, (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার সময় সাতক্ষীরা পাওয়ার হাউস এর সামনে, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাংসদের সাবেক কমান্ডার মোশারাফ হোসেন মশুর সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. আব্দুল বারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসানুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম আব্দুর রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসানুজ্জামান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব লায়লা পারভীন সেঁজুতি প্রমূখ।

বক্তারা এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের সাথে জড়িত ও মদদদাতা মৌলবাদী গোষ্ঠীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।

বাঁশখালী নামের ইতিহাস

বাঁশখালী নামের ইতিহাস


বেলাল উদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাঁশখালী থানা সৃষ্টি ১৯৫৮ সালে। ১৯৮৩ সালে একে উপজেলায় রূপান্তরিত করা হয়।

বাঁশখালী নামের বুৎপত্তি সম্পর্কে প্রামান্য কোন তথ্য পাওয়া যায়না, এই নামের উৎপত্তি কবে হয় তা সঠিক ভাবে জানার শত চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি, নানা মুনির নানা মত হওয়ায় যুক্তি থাকা স্বত্ত্বেও তা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এ ক্ষেত্রে বাঁশখালীর প্রবাদ পুরুষ বিশিষ্ট ইতিহাসবিদড.আবদুল করিম প্রণিত "বাঁশখালীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য" গ্রন্থে তিনটি কিংবদন্তির উল্লেখ আছে।তথ্যগত দিক দিয়ে তার বর্নিত কিংবদন্তিগুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

কিংবদন্তি-১: বাঁশখালী পাহাড়ের পূর্বে সাতকানিয়া থানা অবস্থিত। কথিত আছে যে, ঐ এলাকা য়২ ভাই ১ বোনের এক পরিবার ছিল। বোনটির বিয়ে হয় পশ্চিমে অর্থাৎ বাঁশখালীতে, সে সেখানে স্বামীসহ জমি আবাদ করে বাস করতে থাকে। পরবর্তিতে পৈত্রিক সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ভাই বোন বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। বিবাদের এক পর্যায়ে বোনের পক্ষে মারামারিতে প্রচুর বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এক পর্যায়ে বাঁশ ঝাড়ে আর কোন বাঁশ অবশিষ্ট না থাকায় বোনের পক্ষের লোকেরা বলতে থাকে বাঁশ সব শেষ করে দিল অর্থাৎ বাঁশ কেটে খালী করে দিয়েছে। এইভাবে বাঁশ খালী বলতে বলতে বাঁশখালী নামের উৎপত্তি।

কিংবদন্তি-২: কথিত আছে যে, বাঁশখালী এলাকায় প্রথম জরিপ চলাকালে এক জায়গায় একটি বাঁশ খুটিঁ স্বরূপ পুতে রাখা হয়। ঐ বাঁশ দুর থেকে দেখা যাওয়ার জন্য খুটির ডগায় একটি কাক মেরে বেধে দেয়া হয়। পরবর্তিতে কাকটিকে খুটির ডগায় আর দেখা যায়নি। তখন একে অপরকে বাঁশ খালী বলে জানায়। এভাবে বাঁশখালী নামের উৎপত্তি বলে ধরে নেয়া হয়।

কিংবদন্তি-৩: বাঁশখালীতে সোনাইছড়ি (হোনাইছড়ি)নামে একটি খাল আছে। পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলা থেকে ব্যবসায়ীরা বাঁশ ক্রয় করে সোনাইছড়ি খালে জমা করত। পুরাখাল বাঁশের ভেলায় ভর্তি হয়ে যেত। তারপর অন্যান্য খালে নিয়ে যেতো। এর থেকেই নাম হলো বাঁশখালী।

কিংবদন্তি-৪: সাতকানিয়া থানার বাজালিয়ায় সাঙ্গু নদীর তীরে মরহুম মৌলানা শরফ-উদ-দীন বেহাল (র:) এর মাজার দৃষ্ট হয়। জনশ্রুতি মতে ঐ বেহাল সাহেব মযযুব ছিলেন। আরো শোনা যায় জোর করে তিনি মগ মহিলাদের দুধ পান করতেন এতে মগেরা বিরক্ত হয়ে মস্তক কেটে তাকে হত্যা করলে দেখা যায় বার বার তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তখন মগেরা তার ছিন্ন মস্তকটি সমুদ্রে নিক্ষেপ করে আসে। অনেক দিন পরে সমুদ্র বক্ষ থেকে জেলেরা ঐ মস্তক উদ্ধার করে এবং আশ্চর্য হয় দেখে যে, মস্তকটি এখনও তাজা। ছিন্ন মস্তকটির দেহের খোঁজ নেয়ার উদ্দেশ্যে একটি বাশেঁর উপর ডগায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। অপরদিকে মুণ্ডু বিহীন দেহটি বেশ কয়েকদিন তরতাজা থাকায় বাজালিয়া বাসী কিছু মুসলমান ও কিছু মগও খন্ডিত মস্তকটির খোঁজে সমুদ্র উপকূলে আসে। মস্তকটির খোঁজ পেলে দুই পক্ষই দেহটি (মস্তক ও দেহ) রেখে দিতে চায়। শেষ পর্যন্ত ফয়সালা হল পরের দিন শিরটি যদি সকাল পর্যন্ত বাঁশের ডগায় থাকে তবে শির সহ দেহটিকে সমুদ্র উপকূলে দাফন করতে হবে আর যদি বাঁশের ডগা থেকে শিরটি পড়ে যায় তবে দেহটি বাজালিয়ায় দাফন করা হবে। পরদিন সকালে যথারীতি দেখা যায়শিরটি মাটিতে পড়ে আছে। উল্লেখ্য উভয় পক্ষের লোক সারারাত পাহারায় ছিল তাদের অলক্ষ্যে কখন যে শিরটি মাটিতে ছিটকে পড়ল তারা বুঝতে পারেনি। সবাই বলতে লাগল বাঁশ তো খালী। পরে দেহটি বাজালিয়ায় দাফন করা হয়। সাতকানিয়ায় বেহাল সাহেবের মাজার অত্যন্ত সম্মানিত। যাত্রীবাহী গাড়ী মাজার অতিক্রমকালে যাত্রি নামিয়ে দেয়। সেই ছিন্ন মস্তক ছিটকে পড়ার পর থেকে অর্থাৎ বাঁশটি খালী হয়ে যায় । এভাবে বাঁশখালী নামের গোড়াপত্তন হয়।

পরিশেষে বলতে হয় ড. আবদুল করিমের আলোচিত শেষেক্তো বর্ননাটি সর্বাধিক প্রচলিত। তাঁর মতে দ্বিতীয় কিংবদন্তির যৌক্তিকতা থাকতে পারে, তবে এতে যে জরিপটির কথা উল্রেখ করা হয়েছে তা যদি ইংরেজ আমলে হয়ে থাকে তবে তা ইংরেজ আমলের আগেই বাঁশখালীর নামকরন করা হয়ে থাকবে। তাই কিংবদন্তিটি সত্য হতে পারেনা। প্রথম কিংবদন্তিটি যেহেতু বাঁশ কেটে খালী করার সাথে সম্পৃক্ত তাই এটি সত্য কিংবা সত্য নাই হউক না কেন এতে ধরে নেয়া যায় যে, বাঁশ এবং খালী দুই শব্দের সহমিলনে বাঁশখালী নামটি গঠিত।ইতিহাস খুঁজেন  সাংবাদিক বেলাল উদ্দিন

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিবের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি




'একজন আলেম আমাদের মাঝ থেকে চলে যাওয়া মানে'-'আমাদের মাঝ থেকে একটি সূর্য ডুবে যাওয়া'

সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমে দ্বীন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালিন মুহতামিম, হাজারো আলেম-উলামার উস্তাদ হযরত মাওলানা নূর হোসাইন ক্বাসেমী-এর ইন্তিকালে জাতি দক্ষিণ এশিয়ার একজন উজ্জল নক্ষত্র একজন বিজ্ঞ আলেমে দ্বীনকে হারালো।

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ডাকে সাড়া দিয়ে, আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন পরপারে । '' ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ''।
'' নিশ্চয় আমরা আল্লাহর এবং আমরা তাঁরই দিকে ফিরে যাব ''।  ('-২.১৫৬-')

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় উনার ভূমিকা ছিলো অত্যন্ত বলিষ্ঠ। জাতির ক্রান্তিকালে তাঁর মত প্রবীণ আলেমে দ্বীনের ইন্তেকাল হলো।  ইসলাম, দেশ ও জনগণের জন্য তাঁর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা আলেম সমাজ ও জাতি চিরকাল মনে রাখবে।(-ইনশা-আল্লাহ-)

শুরু হয়েছে উনার অনন্তকালের সফর।এই সফরে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন উনার একান্ত সাহায্যকারী হোন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে উনার জন্য সহজ, আরামদায়ক ও শান্তিময় করে দিন। ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাতের উচ্চ মাকাম আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাঁকে দান করুন। আমীন।

আমরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং উনার শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় এ আলেমে দ্বীনকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। (-আমীন-)


                        আকরাম হোসাইন
'ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-দৈনিক খবরের ডাকঘর পত্রিকা'
'মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি-দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ পত্রিকা'-'প্রতিনিধি-দৈনিক ইতি কথা পত্রিকা'

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

 আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়নের আনুলিয়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর আলিফ রেজা। বুধবার সকালে তিনি এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে মাস্ক পরিধান না করায় তিনি ০৪ টি মামলায় সর্বমোট ১৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।এছাড়া করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারণামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন জনস্বার্থে এই ধরনের  অভিযান অব্যাহত থাকবে।

লোহাগড়া ভূয়া ডাক্তারের খপ্পরের শিকার সহজ সরল রোগীরা

লোহাগড়া ভূয়া ডাক্তারের খপ্পরের শিকার সহজ সরল রোগীরা
লোহাগড়া ভূয়া ডাক্তারের খপ্পরের শিকার সহজ সরল রোগীরা

আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার   নড়াইল প্রতিনিধিঃ 
লোহাগড়া ভূয়া ডাক্তারের খপ্পরের শিকার সহজ সরল রোগীরা,নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ১ নং নলদী ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামের ভুয়া ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে অজপাড়া গায়ের সহজ সরল মানুষ।


এই চাকুলিয়া গ্রামটা লোহাগড়া উপজেলা সদর থেকে অানুমানিক ২৫ কিলোমিটার  দুরে, এখানে মৃত প্রমতন ভুষন রায়ের ছেলে  সুভাষ রায়, ও তার স্ত্রী উষা রানী ( ইউপি সদস্য) গড়ে তুলেছে সরকারের অনুমোদন বিহিন অপ চিকিৎসালয়।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং অপারেশন থিয়েটার বাদে এই কথিত ডাক্তার স্বামী স্ত্রী মিলে মানবদেহে অস্ত্রোপচার করেন।


সরোজমিনে গিয়ে রুগী মো: মকলেছ বিশ্বাস,(৭০) ও শরিফা বেগম (৩০) শহিদুল জমাদ্দার,রবিউল ইসলাম,সহ অারে ৩/৪ জনের সাথে কথা হলে তারা জানাই, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অপারেশন থিয়েটার ছাড়া রুগীদের অপারেশন করে আসছেন দুই কথিত ডাক্তার।



সাংবাদিকরা এই কথিত ডাক্তারের বাড়িতে গিয়ে ভর্তি থাকা দুইজন রোগীর সাথে কথা বলেন, একজন মকলেছ বিশ্বাস, সে বাউসী রুগী তাকে অপারেশন করে ৪,হাজার টাকা নিয়েছেন, ও ২নং রুগী শরিফা বেগম,পাইলস্ অপারেশন করিয়ে ৬ হাজার টাকা নিয়েছেন, কথিত ডাক্তার উষা রানী, ও সুভাষ রায়।


স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, প্রতিদিন দেখা যাই অাগত রুগীরা ডাক্তার সুভাষ ও তার সহযোগী স্ত্রী কর্তৃক অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে। অারো জানা যায় তিনি মিঠাপুর বাজারে সৌমিক ফার্মেসিতে নিয়মিত রুগী দেখেন।


কথিত ডাক্তার সুভাষ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন অামার সরকারী কোনো অনুমোদন নাই, অামার পূর্ব পুরুষেরা করে গেছে তাই অামি এই পেশায় অাছি, তিনি অারো বলেন সে স্থানীয়  নেতাও সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে দিব্বি এই ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। 

নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা:অাব্দুল মোমেন এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন,এই বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আশাশুনিতে সাংবাদিক বাচ্চুর চাচা সোবহান সরদারের জানাজা সম্পন্ন

 আশাশুনিতে সাংবাদিক বাচ্চুর চাচা সোবহান সরদারের  জানাজা সম্পন্ন
 আশাশুনিতে সাংবাদিক বাচ্চুর চাচা সোবহান সরদারের  জানাজা সম্পন্ন

আহসান উল্লাহ বাবলু,আশাশুনি,  সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে ও  সাংবাদিক  আব্দুস সামাদ বাচ্চুর চাচা আব্দুস সোবহান সরদারের  জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার বাদ যোহর পারিবারিক গোরস্থানে মরহুমের জানাযার নামাজ শেষে দাফন করা হয়। পরিবার সুত্রে জানাগেছে আশাশুনি সদরের মৃত নূরবক্ত সরদারের বড় পুত্র শিক্ষক রাফকুল ইসলাম মজনুর পিতা ও উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুস সামাদ বাচ্চুর বড় চাচা আব্দুস সোবহান সরদার (৯০) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আশাশুনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার মধ্যরাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইনালিল্লাহি -------- রাজেউন)। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, চার পুত্র ও সাত কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেছে গেছেন। আলহাজ্ব আইয়ূব আলী সানার পরিচালনায় জানাযা নামাজে অংশ নেন আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক স.ম সেলিম রেজা মিলন,  জেলা পরিষদ সদস্য ও আশাশুনি উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মহিতুর রহমান, ঘোনা দারুচ্ছুন্নাত দাখিল মাদরাসার শিক্ষক আলহাজ্ব মাওলানা আঃ রকিব, উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, থানা সদর জামে মসজিদের ইমাম প্রভাষক হাফেজ বাকি বিল্লাহ, ওয়াপদা জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ রবিউল ইসলাম, ডাঃ গাউছুল হক, উপজেলা আ’লীগ নেতা আব্দুল্লাহেল বাকি বাচ্চু, আব্দুল আজিজ, হোসেনুজ্জামান হোসেন, বিএনপি নেতা  নুরুল হক খোকন, উপজেলা জাতীয় পাটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বাশার, আশাশুনি রিপোটার্স  ক্লাবের  সহসভাপতি এমএম সাহেব আলী, মেম্বর মইনুর ইসলাম, সাবেক ব্যাংকার শাহাজান আলী, সাবেক মেম্বর ওলিয়ার রহমান, উপজেলা যুবলীগ নেতা মোর্শেদ মেহবুব লিপ্টন, মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান বাবলা, তৈবার রহমান, উজ্জল , শহিদুল ইসলামসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১৮ডিসেম্বর শুক্রবার পরিবারের আয়োজনে বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।  ।

দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ফাতিমা পারভীন

 দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী      ফাতিমা পারভীন


তুমি ছিলে আমার কাছে সম্পূর্ণ অজানা। 

কেননা রাজনৈতিক অঙ্গনে আমার ছিল না পদচারণা! 

তোমাকে দেখেছিলাম সেদিনই প্রথম, 

নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসাবে যেদিন, জানিয়েছিলাম স্বাগতম!

সাদামাটা সাজ,হাস্যোজ্জ্বল মুখ,কী মধুর আলাপন!

কত সাধারণ তুমি! 

দেখে মনে হয় সবাই তোমার কত চেনা, কত আপন!

স্বামী, সন্তান, সংসার সামলে ৪০টা বছর ধরে

 করছ রাজনীতি। 

টলাতে পারেনি একবিন্দু কেউ, জাগাতে পারেনি ভীতি। 


কালের সাক্ষী তুমি, অসাধারণ এক মহিয়সী নারী! 

সত্যিই তুমি যুগযুগান্তরের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী! 

তুমি নিভৃতচারী,নিরহংকারী 

জাতির কর্ণধার। 

অন্ধকারে আলোর দিশারী তুমি 

নতুন প্রজন্মের হাতিয়ার! 


সমাজের অহংকার, দেশের গর্ব তুমি, 

রত্নগর্ভা মায়ের সন্তান। 

হৃদয় উজাড় করা 

মানব বটবৃক্ষ তুমি, 

করে যাও সুশীতল ছায়া দান!


নির্ভিক তুমি,অদম্য সাহস নিয়ে এগিয়ে চলা সংগ্রামী নেতা।

কালের কুসুম তুমি, 

নিজেও রত্নগর্ভা মাতা!

তুমি সংস্কৃতি মনা,

লুকিয়ে আছে তোমার মাঝে শিল্পের চেতনা। 


উদার চিত্তের মানুষ তুমি 

ব্যক্তিত্ব সুমহান!

দায়িত্ব বোধে অটুট তুমি 

অতিশয় কর্তব্যপরায়ণ! 

তুমি ছিলে পৌর কমিশনার 

যশোরের সর্বপ্রথম  নারী। 

১৬৩ বছরের ইতিহাসে জনগনের ভোটে সরাসরি জয়লাভকারী! 


আন্দোলন করেছো স্বৈরাচার বিরোধী, 

সয়েছো  শত পুলিশি নির্যাতন! 

দেশের স্বার্থে সর্বদা নিজেকে করেছো সমার্পন।

রাজপথে রেখেছো সক্রিয় ভূমিকা, 

হাসি মুখে করেছো কারাবরণ!

হাসপাতালের বেডে শয্যাগত হয়েও দেশকে করেছো স্মরণ। 

প্রার্থনা করি বেঁচে থাকো তুমি, সহস্র বছর ধরে! 

চিরদিন যেন রয়ে যাও তুমি, 

শত কোটি মানুষের অন্তরে!

হেফাজতের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর ইন্তেকালে জামায়াত আমীরের শোক

হেফাজতের মহাসচিব নূর হোসাইন কাসেমীর ইন্তেকালে জামায়াত আমীরের শোক
নূর হোসাইন কাসেমীর

টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান রোববার এক শোকবাণী প্রদান করেছেন।

শোকবাণীতে তিনি বলেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী গত ১ ডিসেম্বর থেকে শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কয়েক দিন আগে শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনি রোববার দুপুরে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমি তার ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

শোকবাণীতে তিনি আরো বলেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী ছিলেন আলেম উলামা ও তৌহিদী জনতার প্রিয় রাহবার। তার ইন্তেকালে দেশের ইসলাম প্রিয় জনতার মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি সারা জীবন ইসলামের খেদমত করে গেছেন। তিনি দেশে ইসলামী শিক্ষার বিস্তার ও প্রসারে বিশেষ করে কওমি শিক্ষার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া আদায়ের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। ইলমে দ্বীনের খেদমতের জন্য যুগ যুগ ধরে এ দেশের মানুষ তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তার ইন্তিকালে জাতি একজন খ্যাতিমান আলেমে দ্বীনকে হারাল। তার শূন্যতা সহজে পূরণ হবার নয়।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার ভুল-ত্রুটিসমূহ ক্ষমা করে দিয়ে তাকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমি তার শোকাহত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও ছাত্রদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

হিলিতে ফেন্সিডিল ও জাতীয় ইনজেকশন সহ যুবক আটক

 হিলিতে ফেন্সিডিল ও জাতীয় ইনজেকশন সহ যুবক আটক
 হিলিতে ফেন্সিডিল ও জাতীয় ইনিজেকশনসহ যুবক আটক

হিলি প্রতিনিধিঃদিনাজপুরের হিলি সীমান্তবর্তি গ্রাম চুরিপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, নেশা জাতীয় ইনিজেকশনসহ মাদক ব্যাবসায়ি এক যুবককে আটক করেছে হাকিমপুর থানা পুলিশ। আটককৃত যুবক হিলি’র চুরিপট্টি এলাকার জিলাপিপট্টি’র শের আলীর ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (২০)। আজ রোববার দুপুরে হাকিমপুর থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিকে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক উদ্ধার করে।

হাকিমপুর থানা পুলিশের অফিসার ইন-চার্জ ফৈরদৌস ওয়াহিল জানান, চুরিপট্টি এলাকার জিলাপিপট্টির একটি বাড়িতে বেশ কিছু ফেন্সিডিল মজুদ রাখা হয়েছে। গোপন সুত্রে এমন খবর পেয়ে হাকিমপুর থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ওই বাড়িতে গোপনে লুকিয়ে রাখা ১৭৬ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল ও ২৯৯ পিচ নেশা জাতীয় ইনজেকশন (অ্যাম্পল) উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ইব্রাহিম নামের এক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা করা হয়েছে। 

সিরাজগঞ্জে মা-বাবার শেষ স্মৃতি বতসঘর বিক্রি করার অভিযোগে-থানায় জিডি

সিরাজগঞ্জে মা-বাবার শেষ স্মৃতি বতসঘর বিক্রি  করার অভিযোগে-থানায় জিডি
সিরাজগঞ্জে মা-বাবার শেষ স্মৃতি বতসঘর বিক্রি করার অভিযোগে-থানায় জিডি


সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ স্বামীহারা স্ত্রীর শেষ স্মৃতি মুছে ফেলতে বসতবাড়ির ঘর বিক্রি করে দিলেন মৃত আব্দুস সামাদের প্রভাবশালী সন্তান মো. আলী হোসেন।

ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার ১নং রতনকান্দি ইউনিয়নের বিনয়পুর গ্রামে। মা-বাবার বসতভিটার ঘর নতুন করে তুলে দেবার অজুহাতে শেষ স্মৃতি মুছে ফেলা বা বিক্রির অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারন ডাইরী করেন মো. সোবাহান আলী। 

অভিযোগে জানা যায়, বিনয়পুর গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদ ৬ সন্তানসহ বসতভিটা রেখে মারা যান। আব্দুস সামাদ মারা যাবার পর তার স্ত্রী  সখিনা বেওয়া স্বামীর শেষ স্মৃতিতে বসবাস করছিলেন। মৃত আব্দুস সামাদের সন্তান মো. আলী হোসেন ঘর বিক্রির টাকা হাতিয়ে নিতে কৌশল অবলম্বন করেন। আলী হোসেন নতুন ঘর তুলে দেবার নামে   ঘর বিক্রি করে দেন এবং ভাইয়ের সম্পত্তি বেদখল দিতে ষড়যন্ত্রের জাল বুণছে বলে অভিযোগ করেছেন আরেক সন্তান মো.আনিসুর রহমান আনিস। এ বিষয়ে এলাকায় বৈঠকে হবার কথা থাকলেও সুবিধাভোগী সন্তানেরা বসতভিটা থেকে বঞ্চিত দুই ভাইকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখাচ্ছেন।  মৃত আব্দুস সামাদের স্বাবলম্বি ৬ সন্তান এর মধ্যে ৫ সন্তান বাহিরে অবস্থান করায় আলী হোসেন তার নিজ ইচ্ছায় মা-বাবার শেষ স্মৃতি ৭০ হাত আধাপাকা ঘর আত্বসাত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অর্থাভাবে মেধাবী শিক্ষার্থী মিঠুর জীবন প্রদীপ নিভে যেতে বসেছে

 অর্থাভাবে মেধাবী শিক্ষার্থী মিঠুর জীবন প্রদীপ নিভে যেতে বসেছে


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:অর্থের অভাবে জিবিএস ভাইরাসে আক্রান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী চঞ্চল ইসলাম মিঠুর জীবন প্রদীপ নিভে যেতে বসেছে। সে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ধানহাড়িয়া গ্রামের জাহিদুল ইসলাম লিটনের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়ণরত। তার পিতা বেসরকারি একটি ব্যাংকের গাড়ি চালক। তার পরিবারের পক্ষে এই ব্যায়ভার বহন করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। মিঠুর চিকিৎসার খরচ মেটাতে এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার পরিবার। বর্তমানে মিঠু অসুস্থ্য হয়ে ঢাকার মিরপুরের এস আই বিএল ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে ছাড়া তার কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। ফলে এই চিকিৎসা করাতে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। তার পরিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। এজন্য সমাজে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তিনি। মিঠুর চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা করতে চাইলে ০১৭৪৫-৯২২১৮০ ব্যাক্তিগত বিকাশ নাম্বার অথবা ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক সঞ্চয়ী  হিসাব নং- ০১৯৭১২২০০০০৪৩৭৬, মোছাঃ কাজল, ঝিনাইদহ শাখায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কাজিপুরে গান্ধাইল ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসৃজনশীল প্রকল্পে অনিয়মের অবিযোগ

 কাজিপুরে গান্ধাইল ইউনিয়নে ৪০ দিনের কর্মসৃজনশীল প্রকল্পে অনিয়মের অবিযোগ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে গান্ধাইল ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ৪০ দিনের কর্মসৃজনশীল প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।  রবিবার সকাল ১১ টায় সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়  লেবার ধরা আছে ২৫ জন অথচ কাজ করতে দেখা যায় ৯ জন  তাহলে বাকি ১৬ জন লেবার কোথায়? এই বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য আঃ ছামাদ বলেন  আমরা এখানে বসে আছি বেশ কয়েক জন আমাদের ও হাজিরা উঠবে এটা অফিস ও জানে।এ বিষয়ে গান্ধাইল ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম কে মুঠো ফোন করলে তিনি জানান এ বিষয় আমি অবগত নই তবে বিষয় টি আমি দেখছি। কাজিপুর পি আই ও কে  এই ০১৭৪৮৯৮১৮৬৭ নাম্বারে মুঠো ফোনে ফোন করলে তিনি ফোন রিচিব করেন না। নাম প্রকাশের অনইছুক তারা বলেন এই মেম্বর এটা নতুন কিছু না সে বিগত কয়েক টি কর্ম সূচিতেই এ রকম অনিয়ম করে কিন্ত দেখার কেউ নেই। সে আসলে কিসের প্রভাব খাটায় বুজিনা।

ফলোআপ:একটি চামচের দাম ৯৭ হাজার টাকা!

ফলোআপ:একটি চামচের দাম ৯৭ হাজার টাকা!

সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ দেশে বালিশ ও পর্দা কেলেংকারীর পর এবার চামচ কেলেংকারীর ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিদর্শন বাংলোতে একটি  চামচ কেনার ব্যায় দেখানো হয়েছে ৯৭ হাজার টাকা। ২০২০ সালের ৮ জুন ওয়ার্ক মেমোরেন্ডামে (নং ডাব্লিউ-৩/২৩৬) ক্রোকারিজ সামগ্রী কেনা বাবদ ৯৭ হাজার টাকার ব্যয় দেখানো হয়।


কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মোড়ের নাসির উদ্দীন মোল্লা এই মালামাল সাপ্লাই করেন। কিন্তু পরিদর্শন বাংলোর বেয়ারার রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি একটি ৪০ টাকার চামচ ছাড়া কোন ক্রোকারিজ সামগ্রী পাননি। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আরএফকিউ এর মাধ্যমে ৫০টি পর্দা কেনা ব্যায় দেখিয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। প্রকৃতপক্ষে ৫০টি পর্দা ২৪০ টাকা দরে দাম পড়ে মাত্র ১২ হাজার টাকা। অফিসে দুই দফায় মবিল কেনা দেখানো হয়েছে ৪ লাখ টাকা। কিন্তু অফিসে মিলেছে ৪০ টাকা দামের গ্রিজের প্যাকেট।


১০টি মেহগনি গাছ রোপন বাবদ ব্যায় দেখানো হয়েছে ২ লাখ টাকা। একটি ব্রান্ডিং বোর্ড তৈরী করতে খরচ দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। শৈলকুপায় ১১ কিলোমিটার খাল সংস্কার না করেই তুলে নেওয়া হয়েছে ৫ লাখ টাকা।


এভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন অফিস চত্বরে আবর্জনা পরিস্কার, অফিস ও ঘরবাড়ি মেরামত, বিলবোর্ড তৈরী, সেচ খাল পরিস্কার, ক্রোকারিজ সামগ্রী, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, বিল বোর্ড, গেট মেরামত, গাছ রোপন ও পরিদর্শন ব্যায় দেখিয়ে সরকারের কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর সমন্বিত অফিসের উপ-পরিচালক বরাবর এক অভিযোগে এই দুর্নীতির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।


ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় ঠিকাদার, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান সুজন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুলতান আহম্মেদ এই অর্থ লোপাটের সঙ্গে জড়িত বলে দাবী করা হয়েছে।


তবে এসব বিষয়ে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান সুজন (বর্তমান মাগুরায় কর্মরত) দাবী করছেন, ঢালাও ভাবে দুর্নীতির এই তথ্য সঠিক নয়। বিকৃত ও আংশিক ভাবে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেড় দুই বছর আগে এ সব মালামাল কেনা হয়েছে। সেগুলো এখন পুরানো ও ব্যবহৃত হয়ে গেছে।


লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯/২০ অর্থ বছরে ১০টি কাজ আরএফকিউ টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে কুষ্টিয়ার আলামপুরের সৈকত এন্টারপ্রাইজ ৫টি, চৌড়হাস মোড়ের নাসির উদ্দীন মোল্লা ২টি, ঝিনাইদহের লিটন ট্রেডার্স ২টি ও

শৈলকুপার মতিয়ার রহমান একটি কাজ করেছেন। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ১৮টি কাজের বিপরীতে ৩১ লাখ টাকা কাজ না করেই তুলে নেওয়া হয়েছে বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে এনডিআর প্যাকেজের কাজে নিম্নমানের খাট, আলমিরা, টিভি কেবিনেট, মেট্রেস ও চেয়ার সরবরাহ করে ১৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা তুলে নেওযা হয়েছে। একই অর্থ বছরে খুলনার মেসার্স আমিন এন্ড কোম্পানীর কাছ থেকে ২ লাখ ৬৮ হাজার (কাজের আইডি নং ৩১৬৪৮৫) ও ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকার (কাজের আইডি নং ১২৮৬৪০) দুইটি কাজ কিনে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বিল তুলে নেন। ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়ার কাজী মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে ৪

লাখ ৪২ হাজার (কাজের আইডি নং ১২৮৬৪৫) টাকার কাজ কিনে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বিল তুলে নেন।


এ ভাবে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুরাতন মসজিদের গাছ ও ৫ লাখ টাকার মালামাল বিক্রি করে দেওয়া হয়। ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে নদী দখল মুক্ত অভিযান থেকে জনৈক আমিরুল ইসলামের দুই তলা একটি বাড়ি বাঁচিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে জিকেআইপ প্রকল্পে ৬৪ জেলায় ছোট নদী পুনঃ খনন প্রকল্পে প্রায় ১৪ কোটি টাকার কাজে এক কোটি ৫ লাখ টাকার ঘুষ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ।


ঠিকাদারদের একটি সুত্র অভিযোগ করেন ১০% হারে ঘুষ না দিলে কাজ দেওয়া হতো না। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ অবৈধ ভাবে উপর্জিত অর্ত দিয়ে যশোর শহরে কোটি টাকা দিয়ে স্ত্রীর নামে আলিশান বাড়ি কিনেছেন। সাতক্ষিরা শ্বশুরবাড়িতে ৫ বিঘা জমি কিনে সেখানে গরুর খামার করেছেন। শৈলকুপার ঠিকাদার গম মতিয়ারের সঙ্গে পার্টনারে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কিনেছেন। দীর্ঘদিন ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকরী করার সুবাদে সব সেক্টরে তিনি দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলেছেন বলে দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শৈলকুপা অফিসটিও চলে না। ৪ কর্মকর্তার সবাই থাকেন ঝিনাইদহে। কর্মকর্তারা অফিসে না আসায় ১১ জন কর্মচারী খেয়াল খুশি মতো চলেন। অফিস ও বাসা গো ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।


এ বিষয়ে সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও বর্তমানে মাগুরায় কর্মরত সারোয়ার জাহান সুজন বলেন, ঢালাও ভাবে দুর্নীতির এই তথ্য সঠিক নয়। বিকৃত ও আংশিক ভাবে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দেওয়া হয়েছে। ক্রোকারিজের মধ্যে ১৮টি আইটেম ছিল। সেগুলো তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন সব কাজ যথাযথ ভাবে করা হয়েছে। কোন দুর্নীতি হয়নি।


কথা বলার জন্য ঝিনাইদহ পওর বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও শৈলকুপার দায়িত্বে থাকা এসডি সুলতান মাহমুদকে একাধিকবার তার মুঠোফোনে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

এ ব্যাপারে শনিবার সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কুষ্টিয়া ডিভিশনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মরিুজ্জামানের মুঠোফোনে কথা বলার জন্য ফোন করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিরাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিশুরা যেন আবার নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে পারে এবং তাদের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পুনরায় শুরু করতে পারে, সে জন্য সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি আরো বলেন আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে ভালো দিন আসবে।

আমাদের শিশুরা স্কুলে যেতে পারবে। তারা স্বাভাবিকভাবে তাদের পড়াশোনা শুরু করবে। আমরা সে লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আজ১৩ ডিসেম্বর রোববার গণভবন থেকে মিরপুর সেনানিবাসের জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজে শেখ হাসিনা কমপ্লেক্স ডিএসসিএসসিতে জাতীয় প্রতিরক্ষা কোর্স এবং সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ কোর্সের স্নাতক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, সরকার কোভিড-১৯–এর জন্য স্কুল খুলতে পারছে না। অনলাইন ও টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বোপরি শিশুরা যদি তাদের স্কুলে যেতে না পারে, তবে এটি তাদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। তিনি আবারও করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

মোংলায় অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী ও খাবার বিতরণ

মোংলায় অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী ও খাবার বিতরণ
মোংলায় অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী ও খাবার বিতরণ

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা:মোংলায় অসহায় প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাগল, মুরগি, হুইল চেয়ার, ওষুধ, দোকানের মুদি মালামাল, শিক্ষা উপকরণ এবং পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে কারিতাসথর আয়োজনে ২৬ প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে এ সহায়তা প্রদাণ করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নিবার্হী অফিসার কমলেশ মজুমদার অসহায় প্রতিবন্ধীদের হাতে কারিতাসের এ সহায়তা সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা তারিকুল ইসলাম, কারিতাসথর এসডিডিবি প্রকল্পের জেপিও রবিন রবার্ট গোলদার ও মাঠ কর্মকতার্ রবিন সরকার উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে কারিতাস এসডিডিবি প্রকল্পের আওতায় মোংলার প্রবীণ, প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী  ও মাদকাসক্তদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছেন। 

ঝিনাইদহে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা দুই যুবক গ্রেফতার, টাকা ও মোবাইল জব্দ

 ঝিনাইদহে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা দুই যুবক গ্রেফতার, টাকা ও মোবাইল জব্দ

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃপুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে জহিদ ও উজ্জল হোসেন নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ। সম্পর্কে এরা মামাতো ফুফাতো ভাই। শনিবার রাতে যশোরের অভয়নগর উপজেলার আমডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রতারণা করে উপার্জিত ৬২ হাজার টাকা ও বেশ কয়েকটি মোবাইল সেট ও সিম। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কালীগঞ্জ থানার এসআই জাকারিয়া ও পিএসআই আশিকুল। পুলিশ জানায় প্রতারক উজ্জল বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকার ছোট আঁচড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম খোকন ও জাহিদ শার্শা উপজেলার বেনাপোল পোর্ট এলাকার বড় আঁচড়া গ্রামের ছামসুজ্জোহার ছেলে। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, জাহিদ ও উজ্জল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও যশোরের কেশবপুরসহ বিভিন্ন এলাকার ইউপি মেম্বর-চেয়ারম্যানদের কাছে পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছিল। তাদের প্রতারণার বিষয়টি ছিল ভিন্ন। স্মার্ট ভাবে কথাবার্তা বলে তারা সহজেই ইউপি চেয়ারম্যান এবং মেম্বরদের বশ করতে পারতো। এ ভাবে তারা কালীগঞ্জের ২০ ব্যক্তির কাছে পুলিশ পরিচয়ে ফোন করে ৭ ব্যক্তির কাছে সফল হয় এবং টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া ঝিনাইদহ ও যশোরের কেশবপুর এলাকার মেম্বর চেয়ারম্যানদের কাছেও ফোন করে একই ভাবে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয় জাহিদ ও উজ্জল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার আরো জানান, এ ধরনের অপরাধের তথ্য পেয়ে পুলিশ মোবাইল ট্রাকিং করে এই চক্রের দুই হোতাদের সনাক্ত করে। প্রতারক জহিদ ও উজ্জল হোসেন গনমাধ্যম কর্মীদের জানান, তারা দায়দেনার জড়িয়ে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। মুক্ত হয়ে তারা রিক্সা ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করবেন বলেও জানান। কালীগঞ্জ থানার এসআই জাকারিয়া জানান, প্রতারখ উজ্জল ও জাহিদকে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের মানব বন্ধন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের মানব বন্ধন
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের মানব বন্ধন 

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ  বাঙ্গালী  জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর  রহমানের  ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে মানব বন্ধন ও র‌্যালি করেছে বাংলাদেশ   হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।গতকাল রবিবার বেলা ১১ টায় সিরাজগঞ্জ  সিভিল  সার্জন  কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ   হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন সিরাজগঞ্জ জেলা সভাপতি  সেলিম রেজা এর সভাপতিত্বে  এবং  সাংগঠনিক  সম্পাদক  কে এম রাশেদুল হাসানের  সঞ্চালনায়  অনুষ্ঠিত  মানববন্ধন  কর্মসূচিতে  হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশন জেলা শাখার সাধারণ  সম্পাদক  আব্দুল মোন্নাফ , শাহজাদপুর  উপজেলার সভাপতি  দিলুআরা জাহান, আব্দুল তালেব, শহিদুল ইসলাম  প্রমূখ বক্তব্য  রাখেন।
বক্তারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধকে বিশ্বাস করে না তারাই বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের মাধ্যমে এই জাতির চেতনা এবং অস্তিত্বে আঘাত করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই মুক্তিযুদ্ধের চেতানাকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে।এছাড়াও আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে দোষী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
মানববন্ধনে   ৯ টি উপজেলার হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি  ও  সাধারণ  সম্পাদক এবং  কর্মকর্তা  ও  কর্মচারী  গণ অংশ গ্রহণ  করেন ।

কুলাউড়া সোস্যাল কেয়ার অব নেশনের উন্মুক্ত সেমিনার

কুলাউড়া সোস্যাল কেয়ার অব নেশনের উন্মুক্ত সেমিনার
কুলাউড়া সোস্যাল কেয়ার অব নেশনের উন্মুক্ত সেমিনার 


মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃকুলাউড়া উপজেলার অন্যতম জনপ্রিয়  সামাজিক সংগঠন সোস্যাল কেয়ার অব নেশনের আয়োজনে পৌর শহরের কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় বিসিএস ও অন্যান্য চাকরি পরিক্ষায় সাফল্য পাওয়ার আশায় উপায় সমূহ জানানোর উদ্দেশ্যে চাকরি প্রত্যাশিদের নিয়ে একটি ক্যারিয়ার বিষয়ক উন্মুক্ত সেমিনার আয়োজন করে।

উক্ত ক্যারিয়ার বিষয়ক উন্মুক্ত সেমিনারে আলোচনা করেন কুলাউড়ার দুই কৃতি সন্তান 
৩৮ তম বিসিএস (স্বাস্থ্য-সুপারিশপ্রাপ্ত)
মেধাক্রম - ২৯ ডা. শিবনাথ ভট্টাচার্য এবং ৩৮ তম বিসিএস শিক্ষা (ইংরেজি) সুপারিশপ্রাপ্ত
মেধাক্রম - ০২ মোঃ মুহিবুর রহমান। 

সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সোহেল আহমেদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক অাব্দুল মতিন,সংগঠনের উপদেষ্টা ডাঃ হেমন্ত চন্দ্র পাল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাইমিন ইসলাম মাহিন।

সেমিনারের আলোচনা পর্ব শেষে আলোচকদের মধ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়, এসময় উপস্তিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য জামিল আহমদ চৌধুরী, খায়রুল কবির জাফর, সিনিয়র সদস্য আবু রুম্মান চৌধুরী, ছায়েম আহমেদ, ভাস্কর দে, আশিকুল ইসলাম বাবু,মেহেদি হাসান।
সাধারণ সম্পাদক মোক্তার অাহমেদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ খান শাওন,সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদুর রহমান তানজুল,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অলক চন্দ,প্রচার সম্পাদক সুমন অাহমেদ,অাপ্যায়ন সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ।
সদস্য উপস্থিত ছিলেন -মোঃজাহিদ হাসান শিবলু,সৈয়দ অাবির হোসেন,ইমরান হোসাইন অলিদ,মোঃমাছুম বিল্লাহ,মোঃজায়েদ অাহমদ,সাব্বির অাহমদ আজহার মুনিম শাফিন, সাইদুর রহমান সাইদ প্রমুখ।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের, স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ এখন খাল

মাইকেল মধুসূদন দত্তের, স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ এখন খাল
মাইকেল মধুসূদন দত্তের, স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ এখন খাল

ওয়াহিয়া আক্তার, চৌগাছা প্রতিনিধিঃযশোরের মাইকেল মধুসূদন দত্তের, স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ এখন খাল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ এখন খালে পরিণত হয়েছে।কপোতাক্ষ নদীর দুই পাশে ময়লা আবর্জনা ফেলায় আজ কপোতাক্ষ নদের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। দূষিত হচ্ছে পানি। তাই কপোতাক্ষ নদের সৌন্দর্য বাঁচিয়ে রাখতে ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ বাঁচিয়ে রাখতে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।

পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী মনছুর আলম

পটিয়া পৌরসভা  নির্বাচনে ৬ নং ওয়ার্ডে দলীয়  মনোনয়ন প্রত্যাশী মনছুর আলম

সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ- চট্টগ্রামে প্রথম শ্রেণীর পটিয়া পৌরসভা  নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও পৌরসভার নির্বাচনে কে কে প্রার্থী হচ্ছেন এই নিয়ে চলছে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ। দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চলছে পুরোদমে। অলিখিতভাবেই শুরু হয়ে গেছে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা। আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেবেন সাবেক নগর ছাএলীগ নেতা পরিছন্ন রাজনীতি কর্মী উদীয়মান যুবনেতা আল মনছুর। সে পটিয়া পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডে ঐতিহ্য পরিবারের সন্তান। তার পিতা একজন সফল ব্যাবসায়ি এবং  একনামে পরিচিত বাদশা কোম্পানি। দীর্ঘদিন এলাকায় আল মনছুর

 মানুষের  সেবা করার ব্রত নিয়ে  নির্বাচনী মাঠে সমাজ সেবামুলক কাজে জড়িত ছিলেন। পটিয়া  পৌর নির্বাচনে মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে অনেকেই সম্ভাব্য প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নিয়ে শুরু করেছেন পৌর এলাকায় গণসংযোগ। চলমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে  ফেব্রুয়ারি মাসে। তফসিল ঘোষণার আগেই বিভিন্ন কৌশলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। 

জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নড়েচড়ে উঠছেন। শুরু করেছেন তৎপরতা।

ইতিমধ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। অনেকে গণসংযোগ, মতবিনিয়ম সভা শুরু করেছেন। আল মনছুর দৈনিক ইনফো বাংলা"কে জানান,৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আমি সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে সুশিক্ষাই  শিক্ষিত। আমরা দু,ভাই এক বোন  ভাই- বোনের মধ্যে সবার ছোট ভাই আবু ইউছুপ(পিংকু),,ক্রীড়া,সামাজিক সংঘঠন, সেবা,উন্নয়নমূলক কাজে তার ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সাতক্ষীরা নালতা শাখায় জুনিয়র অফিসার পদে নিয়োজিত, আমার ছোট বোনের হাসব্যান্ড সরকারী চাকুরীজীবি চট্টগ্রাম জেলা প্রসাশক কার্যালয়ের আওতাধীন,প্রবাসী কল্যাণ শাখায় সহকারী অফিসার  কোর্ট বিল্ডিং।আমার বাবা আবুল কাসেম (বাদশা)কোম্পানি ১৯৮০"সাল থেকে নগরীর আইস ফ্যাক্টরী রোড় থেকে পরিবহন ব্যবসার সাথে সংপৃক্ত, এখন ও পর্যন্ত সুনাম আর  সততার সহিত পরিবহন ব্যবসা করে আসছেন।বর্তমান চট্রগ্রাম আনোয়ারা বাঁশখালী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি আমার বাবা পরিবহন ব্যবসার পাশাপাশি ১৯৯৫ সাল থেকে ওনি বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে এম,কে মোটর পার্টস দোকান প্রতিষ্টা করেন!এবং সততা,যোগ্যতার সাথে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন সামাজিক সেবামুলক,দানশীল পরহেজগার একজন ব্যক্তি আমার বাবা অতি সাধারণ জীবন যাপন করেন, অহংকারের ছিঁটেফোটা নেই আমার বাবার!দক্ষিণ চট্রগ্রামে দক্ষ সৎ পরিবহন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত আমার বাবা!আমার আব্বা ব্যবসায়ী সে সূত্রাধিকারে আমি ও,,একজন মোটর পার্টস।ও পরিবহন ব্যবসায়ী!নগরীর আইস ফ্যাক্টরি রোড়ে আমার বাবার ব্যবসা থাকার সুবাধে আমার বুদ্ধির বয়স থেকে নগরীর আইস ফ্যাক্টরি রোড় বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আমার যাওয়া আসা ছিলো!৮০/৯০দশকের দিকে চট্রগ্রাম নগরীর আলকরন ওয়ার্ডে,,পটিয়ার বর্তমান সাংসদ হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি মহোদয়  যখন কমিশনার নির্বাচিত হয়েছিলেন তখন আমার আব্বা মাননীয় হুইপ মহোদয়"কে কমিশনার পদে বিজয়ী করতে সাহসী ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

আমার সেজ চাচা,মেঝ চাচার ও,,দোকান ছিলো নগরীর আইস ফ্যাক্টরি রোড়ে!তখনকার দিনে তো আর ডিজিটাল ব্যানারের প্রচলন ছিলো না,,দেয়ালে পোস্টার কিংবা চিকা মারা হতো!আইসফ্যাক্টরি রোড়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি,,কিংবা চিকা মারা হতো,বিভিন্ন আওয়ামীলীগ নেতার প্রচার মূলক দেয়াল লিখন,,কিংবা পোস্টার করা হতো!বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখলে হৃদয়ে কেমন জানি শিহরণ জাগতো!আমার বাবা বুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা একজন সৎ ব্যক্তিত্ব!ছোটবেলায় বাবাকে ভয় পেতাম,,তাই বেশী কথা বলতাম না!সেজ চাচার সাথে আমার সম্পর্কটা ছিলো বন্ধুসুলভ,,সেজ চাচা আমাকে বঙ্গবন্ধু ও,,আওয়ামীলীগ সম্পর্কে বুঝাতেন,,আমি উৎসাহিত হতাম!আমি যখন ক্লাস ,এইট,নাইনে পড়তাম  আইস ফ্যাক্টরি রোড় যেতাম,,তখন সিটি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মিছিল গুলো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতাম!আওয়ামীলীগ,,আর বঙ্গবন্ধুর প্রতি তখন থেকেই শ্রদ্ধা আমার!সেজ চাচাকে বলতাম আমি কলেজে ভর্তি হলে,সিটি কলেজে ভর্তি হবো!ওনি আমাকে কথা দিয়েছিলেন,আমি তোকে সিটি কলেজে পড়াবো!সত্যি,সত্যি সেজ চাচা আমাকে সিটি কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন!কন্টেনিউয়াস চট্রগ্রাম শহরে বসবাস করা শুরু করলাম,,আমাকে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ কি আমার সেজ চাচাই শিখিয়েছেন!কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে,,পরে  ছাত্রলীগের কতো মিছিল মিটিং করেছি,,অন্যকে উৎসাহিত করেছি,ছাত্রলীগ,,আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে!জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্রগ্রামে জনসভা করলে,,যথাসম্ভব অংশ গ্রহণ করেছি অনেকবার!তখন তো আর বর্তমান যুগের সেলফি মার্কা রাজনীতি ছিলোনা!বর্তমানে নেতার পাশে দাঁড়িয়ে দু,চারটা ছবি পোষ্ট করতে পারলেই বড়,বড়,নেতার ভাব!নেতা সাজা সহজ করে ফেলেছে,এফ,বি"সেলফি!

#আমি যখন রাজনীতির সাথে সংপৃক্ত হয়েছিলাম,,তখন রাস্তায় মাটির সাথে কথা বলা,,বা বয়সে অনেক,অনেক ছোট ছিলো,(নিন্মশ্রেণীর)"এসবের অনেককেই দেখছি বর্তমানে বড়,বড় আওয়ামীলীগার নেতার ভাব!বড়,বড়,আওয়ামীলীগার বিশ্লেষক!!((সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না!) আসন্ন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আমি আল- মনছুর নোমান)"৬নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হতে ইচ্ছুক!বিগত প্রায় চার মাস ধরে আমি আমার নির্বাচনী ওয়ার্ডে,,সর্বস্তরের সবার দোয়া,আশীর্বাদ নিতে,মাঠে কাজ করে যাচ্ছি!আমি অামার স্কুল লেভেল (ক্লাস টেন)থেকেই  বিভিন্ন সামাজিক,সাংস্কৃতিক,ক্রীড়া সেবামুলক কাজে নিজেকে যথাসম্ভব নিয়োজিত রেখেছি!গরীব,দুঃখী মেহনতী মানুষদের সাধ্যমতো সাহায্য করে চলেছি,,সর্বস্তরের সবার পাশে ছিলাম,আছি,থাকবো ইনশাআল্লাহ!! আমার বংশমর্যাদা,চরিত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতা,,আচার,আচরণ,সততা,যাচাই করবেন আমার নির্বাচনী ওয়ার্ডের সর্বসাধারণ!আমি ৬নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের সবার দোয়া,আশীর্বাদ ও সমর্থন কামনা করেন।

বড়লেখায় পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ

 বড়লেখায় পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ
 বড়লেখায় পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার একতা রক্তদান সংস্থা বড়লেখার পক্ষ থেকে আজ-

বড়লেখা শহরে, পাখিওয়ালা বাজার, দরগাবাজার, পুরাতন বাজার(লামার বড়লেখা), কাননগো বাজার, আজিমগঞ্জ বাজারের চলমান পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব জমির উদ্দীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ শাহাব উদ্দীন সমাজ সেবক ,কামরুল ইসলাম,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আহসানুজ্জামান রুবেল দুবাই প্রবাসী   , সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব তাজুল ইসলাম বি.পি, স্থায়ী কমিটির সদস্য কলিম উদ্দিন, সংগঠনের সভাপতি মাসুম আহমদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি এমদাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আব্দুল আলি, সহ অর্থ সম্পাদক জালাল আহমদ ও সংগঠনের অনান্য নেতৃবৃন্দ চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ দা  প্রমূখ।


মানবিক কাজে একতা পাশে আছে, পাশে থাকবে। আল্লাহ আমাদের মাস্ক বিতরণী কর্মসূচিকে কবুল করুন।

পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু করার দাবি ছাত্রলীগ কর্মীর

পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু করার দাবি ছাত্রলীগ কর্মীর
পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনা সেতু করার দাবি ছাত্রলীগ কর্মীর

এম এ আদিল আহমদ,কানাইঘাট উপজেলা প্রতিনিধি:ডিসেম্বর মাস বিজয়ের মাস আর এই বিজয়ের মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমাদের আরেকটি বিজয়, পুরোপুরি দৃশ্যমান হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু। যুক্ত হলো পদ্মার দুই পাড়। দক্ষিণবঙ্গের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যে সেতুর স্বপ্ন দেখেছে। সেই স্বপ্নটি দৃশ্যমান হলো, বৃহস্পতিবার ১২টা ২ মিনিটে ৪১তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে বাস্তব রূপ পেলো পুরো পদ্মা সেতু। এদিকে সেতুটির নাম ‌‌‌‌‌‌‌‌‘শেখ হাসিনা সেতু’ নামকরণের দাবি জানিয়েছেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগ কর্মী মামুনুর রহমান তার ফেইসবুক একাউন্ট তিনি এক স্টেটাসের মাধ্যমে দাবিটি জানান। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্যে দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। সে হিসাবে ৩ বছর ২ মাস ১০ দিনে বসানো হলো সেতুর সবকয়টি স্প্যান। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের বলেন, ৪১তম স্প্যান বসানোর মধ্যে দিয়ে সেতুর ৪২টি পিলারের ওপর সবকয়টি স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে। জাজিরা প্রান্তে আগেই ২০টি স্প্যান বসানো হয়। আর মাওয়া প্রান্তে বসানো হয়েছে ১৯টি স্প্যান। ১টি স্প্যান বসানো হয় মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝখানে।