বগুড়ায় তিন উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণা

বগুড়ায় তিন উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটি ঘোষণা

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধি ঃবাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীন ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুলফিকার রহমান শান্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষে কাহালু উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবনির্বাচিত কমিটিতে সভাপতি সাজেদুল ইসলাম খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন রাজু।

আদমদিঘী উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ফিরোজ হোসেন চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান সজল,গাবতলী উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেদ ইসলাম সহ -সভাপতি শাকিল ইসলাম বুলেট,মোঃ জাহিদুল ইসলাম,যুগ্ম - সাধারন সম্পাদক সোয়াইব হোসেন সনি এবং রিপন মিয়া সাংগঠনিক সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়।


মধুপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আহত এক

মধুপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আহত এক

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের মধুপুরে তিন তলা বিল্ডিং এ কাজ করার সময় মোহর আলী (২০) নামে এক শ্রমিক বিদ্যুৎ স্পৃস্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে আহত হয়েছেন।  আজ মধুপুর উপজেলা সড়কের জোড়া ব্রিজের পার্শে তিন তলা একটি বিল্ডিং এ কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায় , উক্ত বিল্ডিংএর বাহিরে  থাইয়ের কাজ করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিল্ডিং ঘেষেই  বিদ্যুৎতের খুটি রয়েছে। আর এ খুটি হতে বিভিন্ন দিকে বিদ্যুৎতের তার চলে গেছে। আহত মোহর পিরোজপুর গ্রামের মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এব্যাপারে মধুপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম বিপ্লপ সরকার এর সাথে কথা বললে তিনি জানান আমাকে এ ব্যাপারে কেউ অবগত করেন নাই।

প্রতিদিন শ,শ,মানুষের পদচারণায় কেওড়াকাটা পর্যটন শিল্পের নতুন দিগন্ত

প্রতিদিন শ,শ,মানুষের পদচারণায়  কেওড়াকাটা পর্যটন শিল্পের নতুন দিগন্ত


মোহাঃ ফরহাদ হোসেন,কয়রা, খুলনাঃ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও ঐশ্বর্যমন্ডিত বনগুলোর মধ্যে আমাদের সুন্দরবন অন্যতম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি এ বন। এর চার দিক নিবিড় ঘন, চিরসবুজ এবং নিস্তব্ধ। সর্বত্রই সবুজের রাজত্ব। গাছপালা অপরূপ সাজে সজ্জিত। ভারত ও বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে বিস্তৃত এ শাসমূলীয় বন (ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট) আমাদের দেশে অংশে ৩৮ ভাগ। প্রাকৃতিক এই বনভূমি এদেশের খুলনা,সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালী মোট ৫ টি জেলার সীমান্ত ঘেঁষে অবস্থিত। সুন্দরবনকে ঘিরে বাকী চার জেলায় কমবেশি পর্যটন শিল্প গড়ে উঠলেও খুলনা জেলায় খুব একটা চোখে পড়েনা। খুলনা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত সুন্দবনের কোলঘেঁষা কয়রা উপজেলার কিছু উদ্যোমী তরুণ অত্র এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পর্যটন অভয়ারণ্য গড়ার সামাজিক আন্দোলন করে আসছে। একাধিবার প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষত কাটিয়ে উঠে এলাকাবাসী এখন স্বপ্ন দেখে একটি পর্যটন কেন্দ্রের। এক সময়কার কয়রার রাস্তাঘাটের বেহালদশা থেকে মুক্ত হয়ে এখন যাতায়াত ব্যবস্থা অনেকটা উন্নত। ২০১৫ সালে কয়রার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা কয়রা উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগের সহায়তায় পর্যটন কেন্দ্রের দাবীতে সুন্দরবন ভ্রমন করে এলাকায় ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করতে সক্ষম হয় যা খুলনার আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোতে ফলাও করে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে কয়রা সদর থেকে ৭ কি. মি পূর্বে ৬নং কয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানটি পর্যটনের জন্য খুবই সম্ভাবনাময় হিসেবে দেখছে এলাকাবাসী। খুলনা থেকে ১১০ কি.মি দক্ষিণের এই স্থানটি আসার জন্য খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বাসযোগে (বাসভাড়া ১৫০ টাকা জনপ্রতি ,সময় লাগবে ৫ ঘন্টা) কয়রা সদরে পৌছে মডেল হাইস্কুল মোড় থেকে ইজিবাইক/ মোটর সাইকেলযোগে (ইজিবাই ২০ টাকা,মোটরসাইকেল-৩০ টাকা জনপ্রতি) মাত্র ১৫ মিনিট লাগবে কেওড়াকাটা পর্যটন কেন্দ্র পর্যন্ত যেতে। অন্যদিকে খুলনা নতুন বাজার লঞ্চঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ১১.৪৫ মিনিটে ছেড়ে আসা লঞ্চযোগে ( সময় লাগবে ৮ ঘন্টা, ভাড়া জনপ্রতি ১২০ টাকা) পর্যটন কেন্দ্রে পৌছানো সম্ভব। নামতে হবে ৫নং ও ৬নং কয়রা লঞ্চঘাটে ( লঞ্চঘাটের পাশেই পর্যটন স্পট)। কয়রা সদরে স্বল্প খরচে থাকার জন্য রয়েছে কয়েকটি আবাসিক হোটেল। স্বল্প খরচে ইঞ্জিনচালিত বোটযোগে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা যাবে। রয়েছে বিশাল এলাকাজুড়ে মনজুড়ানো গোলপাতা ট্রি প্লান্ট প্রজেক্ট। দলবেঁধে পিকনিক করারও সু ব্যবস্থা রয়েছে। আরো আবলোকন করা যাবে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী" আদিবাসী মুন্ডা সম্প্রদায়ের "বৈচিত্র্যময় জীবনাচার। সামাজিক এই আন্দোলনের উদ্যোক্তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সংগঠক আশিকুজ্জামান বলেন, " বাংলাদেশের অসংখ্য পর্যটন স্পটের মতো আমরাও যুক্ত হতে চাই অর্থনৈতিক গুরুত্বে। এলাকাবাসী বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এই পর্যটন আন্দোলনে সম্পৃক্ত করে তাদের সামাজিক উন্নয়ন কর্মকা-ে উৎসাহিত করে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকায় উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। মাদক ও অন্যান্য অসামাজিক কার্যকলাপের কবল থেকে তারণ্যকে মুক্ত রাখার জন্য এই প্রয়াসের গুরুত্ব অপরিসীম"শীত মৌসুম ও দুই ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের আগমন চোখে পড়ার মতো। বন বিভাগ,স্থানীয় প্রশাসন ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনজর পড়লে এই স্থানটি হয়ে উঠবে দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। সরকার রাজস্ব আয়ের পাশাপাশি এই অঞ্চলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে আরও যত্নশীল হবে বলে আশাবাদী সুন্দরবন পাড়ের জনসাধারণ।

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক 'লেনিন' কে সংবর্ধনা প্রদান

সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক 'লেনিন' কে সংবর্ধনা প্রদান

হুদা মালী, শ্যামনগর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১২নং গাবুরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ‌‌ শাখা কর্তৃক পার্শ্বেমারী বাজার চত্বরে মঙ্গলবার (১৯ ই জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে, 
জননেতা জি এম শফিউল আযম লেনিন 
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় ৫নং ওয়ার্ডের বাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জননেতা জি এম শফিউল আযম লেনিন তার  বক্তব্যে বলেন  বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা'র হাত কে শক্তিশালী করতে নৌকা প্রতীকের বিকল্প নেই। তিনি আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতা কর্মীর উদ্দেশ্য  বলেন চলমান উন্নয়ন চিত্র মানুষের কাছে তুলে ধরে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে আমরা ঐক্যবদ্ধ , আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন চিত্রের কথা মানুষের মাঝে তুলে ধরেন এবং দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা'র জন্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুনসুর আহমেদ নানার জন্য দোয়া চান । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জি এম বাদশাহ আলম, গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মহাসিন আলম, গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জি এম ইমাম হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য জি এম আবিয়ার রহমান, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউ'পি সদস্য ৩নং ওয়ার্ড শ্রী পীযুষ কুমার মৃধা  ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক  মোঃ আবুল সবুর মোড়ল, গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের  সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আতিয়ার রহমান, জেলা আওয়ামী যুবলীগের অন্যতম নেতা ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম আব্দুল্যাহ আল মামুন, ইউনিয়ন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শেখ আবু রায়হান মোহাম্মদ হাসান, সহ গাবুরা ইউনিয়ন,আওয়ামী লীগ সহ অঙ্গসহযোগী
সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন,  সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গাবুরা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক এস এম আতাউর রহমান।

নওগাঁর, বদলগাছী থানা পুলিশ এস আই পরকীয়ায় খেল গন-পিটুনী

নওগাঁর, বদলগাছী থানা পুলিশ   এস আই পরকীয়ায় খেল গন-পিটুনী

রহমতউল্লাহ  আশিকুর জামান নুর,নওগাঁ প্রতিনিধি: পরকীয়ার টানে অবৈধ মেলামেশা করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন নওগাঁর বদলগাছী থানার উপ-পরির্দশক আরিফুল ইসলাম। বদলগাছী উপজেলার কদমগাছী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানা খবর পেয়ে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। বদলগাছী থানার ওসি জোবায়েল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
 ঘটনা সুত্রে স্থানীয়রা জানান, রোববার দিবাগত রাতে বদলগাছী উপজেলার কদমগাছী গ্রামের বাসিন্দা পুলিশ কন্সস্টবল ফারুক রাব্বীর ফঁকা বাড়ীতে প্রেমিকা খুশি আক্তারকে ডেকে নিয়ে যায় এস আই আরিফুল। সেখানে অবৈধ মেলামেশার সময় গ্রামবাসী জানতে পেয়ে তাদেরকে আটক করে।
কদমগাছী গ্রামের, মিজানুর রহমান (অনু) ও সোহাগ নামে দুই যুবক সাংবাদিকদের বলেন, গ্রামবাসী আরিফুল ইসলাম ও খুশি আক্তারকে অসামাজিক অবস্থায় দেখতে পায়। এমন সময় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ঘটনার স্থলে পুলিশের উপ পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম খুশি আক্তারকে বিবাহিত স্ত্রী বলে দাবি করেন। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা কিম্বা জন প্রতিনিধির কাছে তাদের বিয়ের কোন প্রামানাদি দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে কোন মন্তব্য করতে রাজি হোননি।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান বলেন- ঘটনা জানার পর আরফিুলকে ক্লোজ করা হয়েছে। একইসাথে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে  বলে জানান এস ,পি

নওগাঁর ,বদলগাছী ঐপাহাড়পুর বাজারে ভ্রাম্যমান অভিযান

নওগাঁর ,বদলগাছী ঐপাহাড়পুর বাজারে ভ্রাম্যমান অভিযান

রহমতউল্লাহ  আশিকুর জামান নুর,জেলা প্রতিনিধি,নওগাঁঃ নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযানে দুই দোকানে পৃথক পৃথক ২০০০,২০০ টাকা জরিমানা ও একটি  কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে।

আজ ১৯ জানুয়ারি ২০২১,মঙ্গলবার বিকাল ৪.০০-৪.৩০ টার পর  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নওগাঁর বদলগাছীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব,মোঃ সুমন জিহাদী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর
 বাজারের আসলাম হোসেনের কম্পিউটার দোকানে অবৈধ গান ও পর্ণো ভিডিও কম্পিউটারে সংরক্ষণ করার দায়ে তাকে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়,সেই সাথে তার কম্পিউটারটি জব্দ করা হয়েছে।একই সাথে পাহাড়পুর বাজারে মজিবুর রহমানের ছেলে মুনছুর রহমানের মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে সিগারেটের মোড়ক দোকানের সামনে প্রদর্শনীর জন্য ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সুমন জিহাদী বলেন,সাদা পোশাকে একটি জ্যাকেট পরিধান করে বাজারে চিকিৎসা নিয়েছি এবং হোটেলে খাবার খেয়েছি তারপর সঙ্গীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসার জনাব সাখাওয়াত হোসেন ও পুলিশকে সাথে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেছি। বাজারের প্রায় সব ঔষধের দোকান  বন্ধ করেন ও পালিয়ে যায় অনেকে। 
দেখা যায় মুদী ও সার কীটনাশক দোকানিরাও তাদের কর্মস্থলের ঝাপ বন্ধ করেন

কয়রায় সরকারি খরচে আইনগত সহয়তা প্রদান বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গনশুনানী

কয়রায় সরকারি খরচে আইনগত সহয়তা প্রদান বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গনশুনানী

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ চৌকি লিগ্যাল এইড কমিটি কয়রা ও রুপান্তরের উদ্যোগে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং এ্যাকটাভেটিসের আর্থিক সহযোগিতায় প্রমোটিং পিস এন্ড জাস্টিস (পিপিজে) খুলনা  সরকারি খরচে আইনগত সহয়তা প্রদান বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গনশুনানী অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে ও রুপান্তরের ফিল্ড অফিসার মাহিনুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কয়রা উপজেলা সিনিয়র সহকারি জজ মোঃ ফারুক আযম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ বুলবুল আহমেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাছিমা আলম। গনশুনানীতে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন কয়রা উপজেলা আইনজীবি ইউনিট বারের সভাপতি এ্যাডঃ আলহাজ্ব আবু জাফর, সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ গোলাম মোস্তফা, এ্যাডঃ আনিছুর রহমান, এ্যাডঃ স্বদেশ কুমার মিস্ত্রী, ইউপি সচিব উত্তম কুমার সরকার, গ্রাম আদালত সহকারি আলমগীর হোসেন প্রমুখ। গনশুনানীতে ইউপি সদস্য সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন অংশ গ্রহন করেন।

ঝিনাইদহে “মানবাধিকার জেন্ডার সচেতনতা এবং সামাজিক দায়িত্ব কোর্স” এর উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপারঃ

ঝিনাইদহে “মানবাধিকার জেন্ডার সচেতনতা এবং সামাজিক দায়িত্ব কোর্স” এর উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপারঃ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কনস্টেবলদের পাঁচ দিন মেয়াাদী "মানবাধিকার জেন্ডার সচেতনতা এবং সামাজিক দায়িত্ব কোর্স" এর শুভ  উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম। ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনস এ তিনি কর্মসুচির উদ্বোধন করেন। টেনিংয়ে ৫৫ জন কনস্টেবল অংশ গ্রহন করেন। পুলিশ সুপার প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর দিকনির্দেশনা প্রদান করে বলেন, প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ পুলিশ গঠনে টেনিংয়ের বিকল্প নেই।

ফুলের রাজধানী গদখালীতে করোনাকালীন সময়ে বিপাকে ফুল চাষীরা

ফুলের রাজধানী গদখালীতে করোনাকালীন সময়ে বিপাকে  ফুল চাষীরা


আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।যশোরের ঝিকরগাছায় ফুলের রাজধানী গদখালীতে করোনাকালীন সময়ে হচ্ছে না ফুল বিক্রি। চাষিদের ফুল উৎপাদন হলেই সেই উৎপাদিত ফুল হচ্ছে নষ্ট। ক্রেতার আনাগোনা পাওয়া যাচ্ছে না ফুল মার্কেটে, ক্রমাগতই উৎপাদন বৃদ্ধি হলেও চাহিদার জন্য গ্রাহকের উপস্থিতি অতিসামান্য। এবারের আসন্ন বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা দিবস ও স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ফুল চাষিরা মহাব্যস্ত সময় পার করলেও চলতি বছরে তাদের মধ্যে থাকছে না কোন প্রকার টার্গেট। এখন ক্ষেত থেকে সময়মত পর্যাপ্ত ফুল পেতে গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। তবে মৌসুমে এ চার দিবসে গতবছর ফুলসমিতির লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৭০-৮০ কোটি টাকা। তবে বিক্রি হয়ে ছিলো প্রায় ৭০কোটি টাকা। কিন্তু চলতি বছরের মহামারী করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরোয়াপরিবেশের অনুষ্ঠান ও বৈদেশীক দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় চলতি বছরে চাষিদের পক্ষে কোনপ্রকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম।

তবুও বসে নেই ফুলচাষিরা, দিন-রাত ফুল বাগানের পরিচর্যা করে চলেছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে গদখালীর চাষিরা বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা ও স্বাধীনতা দিবসের ফুল বাজারে সরবরাহের আশায়! ফুলের রাজ্য গদখালি ও পানিসার ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠ জুড়ে শুধু, ফুল আর ফুল। সেখানে বিভিন্ন ধরণের জারবেরা, গোলাপ, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা হাতছানি দিয়ে ডাকছে, মায়া ভরা প্রকৃতিকে। প্রায় প্রতিটা ক্ষেতেই চাষিরা ফুলের গাছ পরিচর্যায় মগ্ন হয়ে সময় পার করছে। 

এখানে চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মার্তৃভাষা ও স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে তাদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পায়। তারা সব সময় বসে বসে সময় পার করে, কিন্তু বছরের প্রথমে তিন-চারটি উৎসবকে ঘিরে এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি ফুল বিক্রি হয়।

ফুল চাষি নজরুল ইসলাম খোকন ও আলমগীর হোসেন জানান, প্রায় চার বিঘা জমিতে জারবেরা, চন্দ্রমল্লিকা, গ্লাডিওলাস ও রজনীগন্ধা ফুল রয়েছে। উৎসবকে সামনে রেখে ফুল সরবরাহ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। ফুলের ভরা মৌসুমে আমাদের নাওয়া-খাওয়া থাকে না। তবে তুলনামূলক ফুলের চাহিদা ও দাম এখন একটু কম। হচ্ছে না ফুল বিক্রি, ফলে আমাদের উৎপাদিত ফুল হচ্ছে নষ্ট। ১ বিঘা গোলাপ ও ২ বিঘা গ্লাডিওলাস ফুলের আবাদ করে বর্তমানে কোন প্রকার ফুল বিক্রি হচ্ছে না। পহেলা বৈশাখে ফুলের চাহিদা হতে পারে বলে মনে করে ফুল উৎপান করছি। তারা আরো বলেন, এক বিঘা গোলাপ রোপনে প্রায় ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়। ৪ হাজার চারার দাম প্রায় ৬০-৭০হাজার টাকা। আর রোপনসহ অন্যান্য খরচ আরও ৬০ হাজার টাকা। এছাড়াও পরিচর্যার খরচ রয়েছে বাড়তি। একবার রোপনে ৪-৫ বছর পর্যন্ত গোলাপ ফুল পাওয়া যায়।

স্থানীয় পাইকারী ব্যবসায়ী মাসুদ রানা জানান, ভালবাসা দিবসে ফুল বিক্রি বেশি হয়। বাজারে জারবেরা, গোলাপ, রজনীগন্ধ ফুলের চাহিদা বেশি থাকে। কৃষকরাও দাম ভালো পায়। প্রতি বছর যশোরে ফুলের আবাদ বাড়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবেনা বলে আমরা আশাবাদি। তবে করোনাকালীন সময়ে বর্তমানে আমাদের পুঁজিবাচানো দায় হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার এ অঞ্চলের প্রায় ৬ হাজার কৃষক আড়াই হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের আবাদ পরিচালনা করে। গতবছর বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও স্বাধিনতা দিবসে গদখালী এলাকার কৃষকরা ৭০-৮০ কোটি টাকার ফুল সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চাষীরা ৭০কোটি টাকার ফুল বিক্রি করেন। তবে বর্তমান করোনাকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরোয়াপরিবেশের অনুষ্ঠান ও বৈদেশীক দেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হওয়ায় চলতি বছরে চাষিদের পক্ষ হতে কোনপ্রকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারচ্ছে না। তবে ফুলচাষীরা এবারও ভাল ফুল উৎপাদন করেছে। আমি আশাকরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ঘরোয়াপরিবেশের অনুষ্ঠান ও বৈদেশীক দেশের সাথে যোগাযোগ চালু হলে চাষীরা তাদের ফুলের অনেক ভালো মূল্য পাবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত রহমান জানান, এই অঞ্চলের ফুল চাষীদের জন্য সরকার ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে ফুলচাষিদের বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফুল চাষিদের ব্যাংক ঋণ সহজ করতে  ও ফুল সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এছাড়াও ইতিমধ্যে তাদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে তাদেরকে সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নলছিটিতে পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

নলছিটিতে পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃপছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে জান্নাতুন নেছা ইমি (১৪) নামে এক কিশোরী। মঙ্গলবার বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা গ্রামের বাড়ির ভেতর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইমি নলছিটি উপজেলার রানাপাশা গ্রামের মৃত মাসুদ মাঝির মেয়ে। সে রানাপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অস্টম শ্রেণিতে পড়তো। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রতিবেশী খালেক মাঝির ছেলে সুমন মাঝির (২২) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ইমির। মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তাঁরা গ্রাম থেকে পালিয়ে অন্যত্র চলে যায়। মেয়ের মা ফারজানা বেগম এ ঘটনায় গত ১৮ ডিসেম্বর নলছিটি থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এতে প্রেমিক সুমন মাঝি, তাঁর বাবা, বড়ভাই ও দুই ভগ্নিপতিকে আসামি করা হয়। মামলার পরে ইমিকে নিয়ে সুমন মাঝি এলাকায় ফিরে আসেন। পরবর্তীতে একাধিকার ইমি তাঁর পরিবারকে সুমনের সঙ্গে বিয়ে দিতে বললেও রাজি হয়নি। এক পর্যায়ে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে ইমি মঙ্গলবার দুপুরে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হালিম তালুকদার বলেন, বিকেলে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কাজিপুরে দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কাজিপুরে দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার  কাজিপুরের সিমান্তবাজার এলাকার   স্থানীয় লোকজনের দখলে রাখা প্রায় দুইশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে । সিরাজগঞ্জ জেলা সউজ অফিস সূত্রে জানা গেছে,  সিরাজগঞ্জ -কাজিপুর রাস্তা সম্প্রসারনের কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে রাস্তার উভয় পাশ্বে সওজ কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত বেশকিছু জায়গা স্থানীয়রা দখলে নিয়ে অবৈধ স্থাপনা করে বসে। এতে রাস্তা সম্প্রসারণ সহ সরকারি জমি উদ্ধারের জন্যই এই উচ্ছেদ অভিযান চলছে। এবিষয়ে অনেক ভুক্তভোগি অভিযোগ করে বলেন আমাদের মালামাল সরানোর সূযোগ দেয়া হয়নি

। অপরদিকে সড়ক জনপদ অফিস, সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান অবৈধ দখলকারিদের ইতিপুর্বে তাদের স্থাপনা ভেঙ্গে নেয়ার জন্য মাইকিং করা সহ নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল কিন্ত অবৈধ বসবাসকারিরা তাঁদের স্থাপনা অপসারন না করায় অবশেষে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযান আরও  একদিন চলবে বলে সউজ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেলেন তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের সোহেল

শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেলেন তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের সোহেল

আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেলেন ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের সোহেল । অক্টোবর হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে সাজাপ্রাপ্ত সহ ৩৯টি গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করায় । সোমবার (১৮ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামান সনদ ও সম্মাননা পুরস্কার তুলে দেন দায়িত্বশীল এ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে । এ সময় ময়মনসিংহ ডিবির ওসি সহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীলতার সাথে ভাল কাজ করায় তাদেরকে সম্মাননা প্রদান ও পুরস্কৃত করা হয় । ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে জেলা পুলিশের কল্যাণ সভা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামানের সভাপতিত্বে এই আয়োজিত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে । উক্ত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহজাহান মিয়া, জয়িতা শিল্পী, ফজলে রাব্বী, ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমানসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য পুলিশ অফিসার ও বিভিন্ন থানার ওসি এবং ফাঁড়ি পুলিশ পরিদর্শকগন উপস্থিত ছিলেন । 

তারাকান্দার ওসি আবুল খায়ের সোহেল বলেন, পুরস্কার বড় কথা নয়- পুরস্কারের কথা শুনলেই উৎসাহ, উদ্দীপনা ও কাজের গতি বেড়ে যায় । আমাকে পুরস্কৃত করায় আমি মাননীয় ময়মনসিংহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহা: আহমার উজ্জামান পিপিএম-সেবা মহোদয়কে কৃতজ্ঞতা জানাই । এবং আমাকে সহযোগিতা করার জন্য তারাকান্দা থানায় কর্মরত সকল অফিসার ফোর্সদের অসংখ্য ধন্যবাদ সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভ কামনা রইলো । এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, পুরস্কারের আশায় নয়, দায়িত্বশীলতার সাথে নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্ব কাজ করতে হবে । ভবিষ্যতে শুধু পুরস্কার নয়, দায়িত্বহীনতার জন্য তিরস্কার করা হবে । উক্ত সভায় ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ মাসে উত্তম, ভাল, দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করায় আরো ৫ পুলিশ অফিসারকে সম্মাননা প্রদান করা হয় ।

মোংলার বুড়বুড়িয়া এলাকার একটি বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি

মোংলার বুড়বুড়িয়া এলাকার একটি বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ মোংলার বুড়বুড়িয়া এলাকার একটি বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের আধারে কাঠের ঘরের দরজার কড়া খুলে ভিতরে প্রবেশ করে ইষ্টিল ও কাঠের আলমারীতে থাকা স্বণার্লংকার,নগদ টাকাসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায় চোরেরা। 

উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়বুড়িয়া গ্রামের মৃত হামিক শিকারীর বসত বাড়ীর ঘরে সোমবার(১৮ জানুয়ারী) দিবাগত রাতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে বাড়ীতে কেউ না থাকায় স্থানীয় সংঘবদ্ধ চোরের দল কৌশলে কাঠের ঘরের দরজার ভিতরে লাগানো কড়া খুলে ভিরতে ঢুকে। পরে ঘরে থাকা ইষ্টিল ও কাঠের দুইটি আলমারীর তালা ভেঙ্গে তাতে থাকা দুই ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা, একটি মনিটর ও একটি ল্যাপটপ, গৃহকর্মী তানজিনা বেগমের (৪৫) হজের যাওয়ার জন্য গচ্ছিত নগদ ৯০ হাজার টাকাসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার(১৯ জানুয়ারী) সকালে তানজিনা বেগমের প্রতিবেশী আত্মীয় সাফিয়া বেগম (৫০) ওই ঘরের দরজা খোলা দেখে সেখানে যান। গিয়ে দেখেন ঘরের মধ্যে সকল মালামাল এলোমেলো পড়ে রয়েছে। তারপর গৃহকর্মী তানজিনা বেগমকে মোবাইলে বিষয়টি জানান। গত ১ জানুয়ারী তানজিনা বেগম তার মেয়ে কেয়া শিকারীকে (২৬) নিয়ে কক্সবাজারে ছেলে তরু শিকারীর কাছে বেড়াতে যান। চুরির এ ঘটনায় পরিবারটির পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

গৃহকর্মী তানজিনা বেগম বলেন, তিনি হজ্ব করতে যাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অল্প অল্প করে ৯০ হাজার টাকা বাড়ীতে জমিয়ে রেখেছিলেন। সেই টাকা, দুই ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা, বিদেশ থেকে ছেলের পাঠানো মনিটর ও ল্যাপটপসহ আরো বেশ কিছু মালামাল চোরে চুরি করে নিয়ে গেছে। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। 

এ ঘটনায় মোংলা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চুরির খবরটি শুনেছি, সেখানে পুলিশও পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মোহনগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি

মোহনগঞ্জে  নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি

আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি নেত্রকোনাঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে  নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক  কর্মসূচি  পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে  উপজেলা চত্বরে আলোচনা সভা  ও  র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা (ফাও) এর  সহযোগীতায় এবং  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাওর ও চর উন্নয়ন ইন্সস্টিটিউট এর আয়োজনে ও  বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেরা'র (সোসিও ইকোনমিক এন্ড রুরাল এ্যাডভান্সমেন্ট এসোসিয়েশন) তত্ত্বাবধানে  এ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

ইউএনও  আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন,  জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাড. আব্দুল হান্নান রতন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. এম. হারুন অর রশিদ, প্রফেসর ড. এম. ডি. গোলাম ফারুক,  উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হয়রত আলী, কৃষি কর্মকর্তা  মোস্তফা কামাল,  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. সুবীর সরকার প্রমুখ। এসময়   ফাও এর প্রতিনিধি মো. আ. রহমান, সেরা'র প্রতিনিধি মো. রিয়াদ আহমেদ, সাংবাদিক, স্থানীয় মসজিদের ইমাম সহ মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

 বক্তারা সুস্থ্য থাকতে  নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সবজি'র জন্য বাজারের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে চাইলে বাড়ির আঙ্গিনায় বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। আর নিরাপদ সবজি শরীরের ইমিউনিটি  বাড়ায়। ইমিউনিটি  রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি করোনা থেকে বাঁচতে মাস্ক পড়া, হাত ধোয়া সহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক পরামর্শ দেয়া হয়।

মহাসড়ক যানজট মুক্ত, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জনস্বার্থে অব্যহত থাকবে এ অভিযান

মহাসড়ক যানজট মুক্ত, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জনস্বার্থে অব্যহত থাকবে এ অভিযান

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধান:
ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে সড়ক ও জনপথের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

ঝিনাইদহে বিভিন্ন সময় গড়ে ওঠা সড়ক ও জনপথের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।  শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। সেসময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথের খুলনা জোনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা (রাজস্ব), সড়ক ও জনপথ বিভাগ কুষ্টিয়া সার্কেলের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ করিম, সওজ'র নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুকুল জোতি বসুসহ বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা।
সড়কের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, আরাপপুর, হামদহ, আলহেরা বাইপাস পর্যন্ত মহাসড়কের প্রায় ৫ কিলোমিটার জুড়ে শতাধিক দখলদাল অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। গত ১ সপ্তাহ যাবত স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি, মাইকিং করা হয়। মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখতে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও  জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যহত থাকবে।

রাজধানীতে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর স্মরনসভা

রাজধানীতে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর স্মরনসভা

এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ,
রমনা(মগবাজার),ঢাকাঃ রাজধানীর মগবাজারে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম দিলুরোড মাদরাসার উদ্দ্যোগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকা থেকে রাত ১১.৩০ পর্যন্ত কাসেমীর স্মরনসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

নূর হোসাইন কাসেমী একজন আদর্শ শিক্ষক, শাইখুল হাদিস,রাজনিতীবিদ,অাধ্যাতিক রাহবার,ইসলাম ধর্ম ও জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে ছিলেন প্রতিবাদী কন্ঠ।
তিনি জীবদ্দশায় এক বর্ণাঢ্য ইতিহাস রচনা করে গিয়েছেন।
তার বর্ণাঢ্য জীবনী নিয়েই আজকের আলোচনা।
নূর হোসাইন কাসেমী ১৯৪৫ সালের ১০ জানুয়ারি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ থানার চড্ডা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত তিনি নিজ গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেন। তারপর ভর্তি হন পাশের গ্রামের কাশিমপুর মাদরাসায়। এখানে পড়েন মুতাওয়াস-সিতাহ পর্যন্ত। তারপর বরুড়ার ঐতিহ্যবাহী জামিয়া দারুল উলুমে ভর্তি হন। সেখানে হেদায়া পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করেন। এরপর উচ্চ শিক্ষার জন্য ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে পাড়ি জমান।প্রথমে সাহারানপুর জেলার বেরিতাজপুর মাদরাসায় ভর্তি হন। সেখানে জালালাইন জামাত পড়া শেষ করেন। তারপর ভর্তি হন দারুল উলুম দেওবন্দে। সেখানে তিন বছরে লেখাপড়া শেষ করেন।
তারপর আল্লামা কাসেম নানুতুবীর প্রতিষ্ঠিত ভারতের মুজাফফার নগরের মুরাদিয়া মাদরাসায় শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭৩ সালের শেষের দিকে তিনি দেশে ফিরে শরীয়তপুর জেলার মুহিউস সুন্নাহ মাদরাসায় শাইখুল হাদিস ও মুহতামিম পদে যোগদান করেন। ১৯৭৮ সালে জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ মাদরাসায় যোগদান করেন। ১৯৮২ সালে চলে আসেন জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগে। এরপর তিনি ১৯৮৮ সালে রাজধানীর অন্যতম বিখ্যাত জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা সহ আরো বহু মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। 

নূর হোসাইন কাসেমীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ছিল। তিনি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম সহ আরো বহু রাজনৈতিক সংঘঠনের সাথে জড়িত ছিলেন।

স্মরনসভার সভাপতি ও দিলুরোড মাদরাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি সালাহ উদ্দিন দাঃবাঃ এর সভাপতিত্বে স্মরনসভা ও দোআ মাহফিলে আমন্ত্রিত মেহমানগন আলোচনা রাখেন।

আল্লামা সালাহ উদ্দিন বলেন,কাসেমী সাহেবের মৃত্যুতে বাংলাদেশের ইসলামী অঙ্গনের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা কখনোই পূরণ হবার নয়। আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী দেশ জাতির অধিকার এবং ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় যে অবদান রেখেছেন তা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়ার প্রিন্সিপাল ও বেফাকুল মাদারিস এর মহাসচিব মুফতী মাহফুজুল হক বলেন,আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী সাহেবের চলে যাওয়াতে আমরা সবক্ষেত্রেই তার অভাব অনুভব করছি,কারন বলার মানুষের অভাব নেই, অভাব হলো কাজের মানুষের,তিনি ছিলেন উভয় ময়দানে সমান পারদর্শী। 
সঠিক সিদ্ধান্ত,পরামর্শক হিসেবে তার অবদান অনশিকার্য।
তরুন ওলামায়ে কেরামের আস্থাভাজন, 
 হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব, জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া, ঢাকার শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক সাহেব দাঃবাঃবলেন,
নূর হোসাইন কাসেমীর সমকালে তার মতো ছাত্র গড়ার অভিভাবক ও মাদরাসা পরিচালনা ও তত্বাবধায়ক আর কেহ ছিলো বলে আমার জানা নেই।
আল্লাহর হুকুমের জলান্জলী দেয়া হবে এমন কাজ করেন নি। তিনি ছিলেন সত্য-ন্যায়ের উপর অটল এক মহামনিষী।হতাশা কখনও তার কাঁধে ভর করতে পারেনি।এক কাসেমীর চলে যাওয়াতে শত পরিকল্পনা লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে,শত কর্ম পরিচালনা স্তব্ধ হয়ে পড়েছে। তার অনুপস্থিতিতে সর্ব লাইন আজ শুন্য দেখছি।
জামিআ রাহমানিয়া আরাবিয়ার প্রধান মুফতী,বিশ্ব বরেণ্য লেখক আল্লামা মুফতী হিফজুর রহমান সাহেব দাঃবাঃ বলেন, আল্লামা কাসেমী ছিলো বাংলার মুখলিস আলেমদের অন্যতম একজন আলেম,বাতিলের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর,
বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন মর্দে মুজাহিদ,মানুষ(আলেম)গড়নে ওয়ালা এক অনন্য বক্তিত্ব।তার চলে যাওয়াতে আজ আমরা অভিবাবকহীন হয়ে পড়েছি।

জামিআ মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসার শিক্ষাসচিব মাওলানা মকবুল হোসাইন দাঃবাঃ বলেন,কাসেমী ছিলো রাহবারে মিল্লাত, সর্বজ্ঞানে জ্ঞানী ও পন্ডিত মানুষ,বড় মনের অধিকারী,

আল্লামা কাসেমীর ভ্রাতা মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস কাসেমী বলেন, ছোট বেলা থেকেই কাসেমী সাহেব ছিলেন গুনাহ থেকে পরহেজগার, সবসময় তার চক্ষু থাকতো অবনমিত,যার কারনে এলাকার সবাই তাকে দরবেশ ডাকতো, ইলমী ময়দান সহ অন্য সব ময়দানে তিনি ছিলেন নীরব বিপ্লবী এক অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তি,

তার প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান জামিআ মাদানিয়া বারিধারার বর্তমান প্রিন্সিপ্যাল আল্লামা নাজমুল হক দাঃবাঃ বলেন, কাসেমী সাহেবের সাথে আমার দীর্ঘ দীনের চলা ফেরা,তিনি প্রত্যেক ময়দানেই ছিলেন যোগ্য সিপাহসালার।ইলমী,আমলী,তরবিয়তী ময়দানে তার তুলনা হয় না। আমার জীবনে তার মত অন্য কোন ব্যক্তিত্ব আর দেখা হয় নি।
তিনি ছিলেন দেওবন্দের পূর্ণ অনুসারী।

সর্বশেষে কাসেমীর সহকর্মী ও বারিধারার বর্তমান শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতী ওবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেবের আলোচনা ও দোআর মাধ্যমে রাত ১১.৩০ এর পর স্মরনসভার ইতি ঘটে।

আত্রাই বেইলি ব্রীজের বেহাল দশা যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

আত্রাই বেইলি ব্রীজের বেহাল দশা যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা




রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে মৎস্য ও শষ্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত নওগাঁর আত্রাই উপজেলা। এই উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে আত্রাই নদী। এই নদীর উপর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ অংশকে সংযোগ করেছে একটি বেইলি ব্রিজ। কিন্তু একমাত্র এই বেইলি ব্রিজের স্টিলের পাটাতনে জং ধরে বিভিন্ন জায়গায় ফুটো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন কোন সংস্কার না করায় তা দিন দিন যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
জানা গেছে, প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারীসহ ছোট-বড় যানবাহনকে। এ অবস্থায় যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।    সচেতন কোন একজন পথচারীদের সতর্ক করতে সেই ফুটোতে কাঠ রেখে দিয়েছিলেন। তারপরও সেতু পারাপারে অসাবধানতা বসত মোটরসাইকেল/ গাড়ি উঠে সেই স্থানে ফাঁকা হয়ে গেছে। এছাড়া ব্রিজের বেশিরভাগ পাটাতন নরবরে হয়ে গেছে। এটি পাড়াপাড়ে বুক কাঁপে পথচারীদের। সতর্কভাবে যানবাহন এবং লোকজন কোনোমতে সেতু পারাপার হন। এটি আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে নদীর দক্ষিণ পারের সংযোগকারী একমাত্র ধবেইলি ব্রিজ। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন এবং মানুষের যাতায়াতের এই বেইলি ব্রিজটি দিনের পর দিন এমন দৈন্যদশায় থাকলেও এটি মেরামতে কোনো উদ্যোগই নেয়নি কর্তৃপক্ষ। আত্রাই সেতুর কাজ প্রক্রিয়াধীন থাকায় বেইলী ব্রীজের জন্য কতৃপক্ষের কোন নজর নেই। 
আরও জানা যায়, ১৯৯৫ সালে তৎকালীন সরকার রেলওয়ের পুরোনো পিলারের উপর এ ব্রিজটি নির্মাণ করেন। ব্রিজ নির্মাণের পর হতে নদীর উভয় পাশের মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যোগাযোগ ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন  আসে। তারপর হতে আত্রাই নদীর উপর দিয়ে পার্শ্ববর্তী নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া এবং রাজশাহী জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার মেলবন্ধন হয়। সংস্কারের অভাবে ব্রিজটির বেশিরভাগ স্থানের স্টিলের পাটাতনের লোহায় জং ধরে জোড়ার মুখ ফাঁকা অবস্থায় জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। মাঝে মাঝে পাটাতন ফুটো হয়ে থাকায় সেই ফুটোতে পড়ে কেউ যেন আহত না হন সে জন্য কোনো সচেতন ব্যক্তি কাঠ রেখেছিলেন। এ সেতু পারাপারে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন যানবাহন এবং এলাকাবাসী।
পথচারী শহীদ ইসলাম, আব্দুল কাদের,নুরুননাহার,মো.খালেকসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন জনগুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন জরুরি পদক্ষেপ নেই। প্রতিনিয়ত এ ব্রিজ দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন এবং মানুষ যাতায়াত করেন আর এই ব্রিজে উঠে ভয়ে থাকতে হয় কখন পা গর্তে পড়ে যায়। এই ব্রিজের পাটাতন অনেক দিন থেকেই ভাঙা থাকায় যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই হোঁচট খেতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এটি বেহাল হলেও কেউ তা মেরামত করছে না। আর রাতের বেলায় ব্রিজে কোনো সড়কবাতি না থাকায় সন্ধ্যার পরই ভুতুড়ে অবস্থা বিরাজ করে।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ঝুঁকিপূর্ন স্থানগুলো নতুন করে সংস্কার করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া এই সমস্যা আর বেশিদিন থাকবে না। কারন এই বেইলি ব্রিজের পশ্চিম পাশ দিয়ে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের কাজ অনেকটাই শেষের দিকে। ব্রিজটি নির্মাণ হলে তখন আর এই বেইলি ব্রিজ ব্যবহার করতে হবে না।

ফিরে পেলাম সুখের পরিবার মোঃ ফিরোজ খান

ফিরে পেলাম সুখের পরিবার মোঃ ফিরোজ খান

জীবন মানেই প্রতিনিয়ত মেঘ রৌদ্রের খেলা
কখনও মেঘ আবার কখনও রৌদ্রের ঝলকানি
কিছু ভুলের মাশুল গুনতে হয় জীবনের পথে
ভুলগুলো জীবনে জড়িয়ে ছিল কষ্ট হয়ে।

তবুও জীবন যাপন করতে পিছু হটে যাইনি  
মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছি প্রতিনিয়ত
ভুলগুলো পরিবার থেকে-ছিন্ন করেছিল
পরিবার থেকে  দূরে ছিটকে পরেছিলাম আমি।
আমি সবসময়  আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতাম

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাকে সাহায্য করেছেন
আবারও পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়েছি
ভুলগুলো থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।
একটি সুখী পরিবার সবসময় অনেক সুখের হয়
সুখী পরিবার আবারও ফিরে পেলাম কষ্টের পরে আর যেনো জীবনের পথে  কোনো ভুল না করি পরিবারের সবাই মিলেমিশে ভালো আছি এখন।

নড়াইলে শারমিন নামের এক গৃহবধু কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

নড়াইলে শারমিন নামের এক গৃহবধু কে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ

মো:আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।।নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার  ইতনা গ্রামে শারমিন (২৩)নামে এক গৃহবধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে আজ মঙ্গলবার সকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

শারমিনের বাবা ও দাদীর সাথে কথা বলে জানা যায়,উপজেলার মশাঘুনি গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে শারমিন খানম (২২) এর সাথে প্রায় ৩ মাস পুর্বে একই উপজেলার ইতনা গ্রামের বাবলু শেখের ছেলে রিকাত শেখ (২৬) এর সাথে বিবাহ্ হয়।
বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার সুখেই কাটছিল,কিন্তু শারমিনের স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যরা পরস্পর যোগসাজসে শারমিনের ওপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
এরই জের ধরে গত (১৮জানুয়ারি) সোমবার শারমিন ও তার স্বামীর কথা কাটাকাটি হয় আমরা শুনেছি। 

এদিকে ওই ঘটনার পরে সেখানে ইতনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির,বর্তমান নির্বাচনী প্রচারণার কাজে বিকাল ৪ টার দিকে রিকাতদের বাড়িতে গিয়ে শারমিনের শাশুড়ির সাথে কথা বলে সে তখন গরুর খড় কাটছিলো।
এসময় মনিরুজ্জামান তাদের মোবাইল নাম্বার চাই, শারমিনের শাশুড়ি বলেন তার ছেলের বউয়ের থেকে নিতে।তখন মনিরুজ্জামান শারমিনের থাকার ঘরে গিয়ে ডাকতে থাকে ডাকে সাড়া না পেয়ে শারমিনের শাশুড়ি কে আসতে বলে তখন শারমিনের শাশুড়ি ও আশপাশের লোকজন এসে ঘরের দরজা আটকানো দেখে এবং সাফল দিয়ে দরজা তখন ভেঙে ফেলে ঘরে ঢুকে শারমিন কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তখন মনিরুজ্জামান লোহাগড়া থানা ও শারমিনের পরিবারকে জানান বলে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন। 

খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাতেই লাশ থানায় নিয়ে আসেন এবং মঙ্গলবার সকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়না তদন্তের কাজ সম্পন্ন করেন।

এদিকে নিহত শারমিনের  পিতা লিটন শেখ অভিযোগ করে বলেন,আমার মোয়ে আমার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে দুইদিন আগে শ্বশুর বাড়িতে যাই। কেনো সে মরবে,আমার জামাই রিকাত শেখসহ তার ও পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়ে শারমিন কে  মেরে ফেলেছে। আমার মেয়ে মরা খবর আমাদের দেই নাই, আমি এর বিচার চাই। 

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলেও জানান।

নড়াইলে র‌্যাবের অভিযানে ১৭০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার দুইজন

নড়াইলে র‌্যাবের অভিযানে ১৭০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার দুইজন

মো:আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ  রিপোর্টার নড়াইল।।নড়াইলে র‌্যাবের মাদক বিরোধী অভিযানে ১৭০পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
র‌্যাব-৬, (স্পেশাল কোম্পানী) খুলনা এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে,নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানাধীন ১০ নং পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের সরসপুর গ্রামের জনৈক মোঃ রবিউল ইসলাম(সাদ্দাম) এর বাড়ীর পূর্ব পাশে  কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে আভিযানিক দলটি (১৮জানুয়ারি) সোমবার আনুমানিক রাত ০৪.০৫ ঘটিকায় সময় অভিযান পরিচালনা করে আসামী,মো: রবিউল ইসলাম (সাদ্দাম) ২৮ পিতা-মো:আজিজুল হক শরিফ,সাং-সরসপুর ও মো:সোহেল ফকির ২৫ ,পিতা-মো:মোস্তফা ফকির,সাং-ডুমুরিয়া,উভয় থানা-নড়াগাতী, জেলা-নড়াইলদের'১৭০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃতদের নড়াইলের নড়াগাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রোকসানা খাতুন বলেন,আসামিদের বিরুদ্ধে  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বড়লেখায় ৪০দিন জামায়াতে নামাজ পড়ায় ৩০জন শিশুর মধ্যে পুরষ্কার প্রদান

বড়লেখায় ৪০দিন জামায়াতে নামাজ পড়ায় ৩০জন শিশুর মধ্যে পুরষ্কার প্রদান

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্ণি ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামে ৪০ দিন জামায়াতের সহিত নামাজ আদায়কারি ৩০ জন শিশুর মধ্যে পুরষ্কার সামগ্রী তুলে দিলেন সোস্যাল ফাউন্ডেশনের দ্বায়িত্বশীল বৃন্দ।
আজ ১৮/০১/২০২১ইং: রোজ সোমবার বাদ আসর উজিরপুর জামে মসজিদে উক্ত পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্টানের আয়োজন করে সোস্যাল ফাউন্ডেশন উজিরপুর।

উক্ত অনুষ্টানে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের পরিচালনায় সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি জনাব,আব্দুল আলিম। সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আলিম বলেন, "সবাইকে নিজে নামাজ পড়তে হবে এবং অন্যদেরকে নামাজের প্রতি উৎসাহ প্রদান করতে হবে।"
এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা: জনাব,আছাদ আল মাহদী, সহ-সভাপতি: সরওয়ার আহমদ,  সাংগঠনিক সম্পাদক: আজিজুর রহমান রাজু, অর্থ সম্পাদক: আকরাম হোসেন, এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
উল্লেখ্য এর আগেও আর একবার তাদেরকে পুরুষ্কৃত করা হয়। এবারের আয়োজন ২য় তম। প্রতিষ্টাতা :আছাদ আল মাহদী বলেন "এই পরিকল্পনা দির্ঘমেয়াদি হবে। ভবিষ্যৎতে এই কার্যক্রম আরো ভালো ভাবে চালিয়ে যাওয়ার আশাবদী আমরা"।

ঝিকরগাছার কাজল রায়হানের ভাগ্নে অভি ইসলাম প্রান্ত ধর্ষণ মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার

ঝিকরগাছার কাজল রায়হানের ভাগ্নে অভি ইসলাম প্রান্ত ধর্ষণ মামলায় পুলিশের হাতে  গ্রেফতার

আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।যশোরের ঝিকরগাছার উপজেলার কৃতীপুর গ্রামের এক কিশোরী স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে। রাজধানী ঢাকায় রুপালি পর্দার নায়িকা বানানোর স্বপ্ন দেখিয়ে, যশোর শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়ার অভি ইসলাম প্রান্ত, নামের এই যুবক গত বৃহস্পতিবার তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ঝিকরগাছার এক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী।
 
অভিযুক্ত অভি ইসলাম প্রান্ত ঝিকরগাছায় তার মামা কাজল রায়হানের বাড়িতে থাকেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র মাদকসহ অনুমানিক ১৭টি মামলা রয়েছে। ঝিকরগাছা থানায় দায়ের করা অভিযোগের ওই স্কুলছাত্রী দাবি করেছে, অভি ইসলাম প্রান্তের মামা কাজল রায়হানের রাজধানী পান্থপথে একটি অ্যাড ফার্ম রয়েছে। সেখানে কাজের মাধ্যমে মিডিয়ায় নায়িকা বানানোর প্রতিশ্রুতি করে দেয়ার কথা বলে প্রান্ত, ওই ছাত্রীকে তার মামার বাসায় যেতে বলে। তাঁর কথামতো গত বৃহস্পতিবার বিকালে ওই বাড়িতে গেলে প্রান্ত তাকে জোর করে ধর্ষণ করে। 

মামলা ছাড়াও ঝিকরগাছা থানায় খুন, ধর্ষণ, দ্রুত বিচার আইন, মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি অস্ত্র আইনের মামলা সহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে।

ঝিকরগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ধর্ষণ মামলার আসামী ও লিস্টভুক্ত সন্ত্রাসী অভি ইসলাম প্রান্ত (২৬), অস্ত্র-গুলিসহ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ঝিকরগাছার থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের, দিকনির্দেশনায় এস.আই কাজী মোঃ সাহিদুজ্জামান, মোঃ হেলাল উজ্জামান, এ.এস.আই মোঃ আনিছুর রহমান, এ.এস.আই মোঃ সহিদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, উপজেলার বাঁকড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে লিস্টভুক্ত সন্ত্রাসী ও ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-১১, তারিখ-১৬-০১-২০২১ ইং, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী-০৩ এর ৭-৯ (১) এর আসামী অভি ইসলাম প্রান্তকে ইং-১৭-০১-২০২১ ইং তারিখে ১০.১০ মিনিটের সময় ঝিকরগাছা থানাধীন বাঁকড়া পাঁচ রাস্তার মোড়ে সোহাগ ষ্টোরের সামনে পাকা রাস্তার থেকে গ্রেফতার করেন ঝিকরগাছা থানা পুলিশ। এবং আসামীর নিকটে থাকা একটি রেজিষ্ট্রেশন বিহীন নীল কালো রংয়ের  FAZER VERSION 2.0  মোটর সাইকেল ও ০৩ টি মোবাইল ফোন জব্দ করেন।

গ্রেফতারের পরবর্তী আসামী অভি ইসলাম প্রান্ত এর স্বীকারোক্তি মতে ঝিকরগাছা উপজেলার কাটাখাল বঙ্গবন্ধু পার্কের পশ্চিম পার্শ্বের, বটগাছের গোড়ায় মাটির নিচ থেকে তার বিভিন্ন অপকর্মে ব্যবহৃত ১টি দেশীয় পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন এস.আই হেলাল উজ্জামান। 

সাক্ষীদের সামনে বা সম্মুখ্যে ১৮-০১-২০২১ ইং তারিখে রাত্র ১.৩০ মিনিটের সময় জব্দ তালিকা জব্দ করেন। আসামীর বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-১৩, 

তারিখ-১৮-০১-২০২১, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন এর ১৯-এ রুজু করে বিজ্ঞ আদালতে  সোপর্দ করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে উক্ত মামলা ছাড়াও ঝিকরগাছা থানায় খুন, ধর্ষণ, দ্রুত বিচার আইন, মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি অস্ত্র আইনের মামলা আছে বলে জানা যায়।

আসামীর বিরুদ্ধে থাকা মামলা সমূহঃ
১। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১০(০৩)১২, ধারা- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সংশোধনী ২০০৯ এর ৪/৫
২। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ০৬(৬)১৩, ধারা- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী দ্রুত বিচার এর ৪-৫-৩।
৩। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-৫(০১)১৩, ধারা- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ সংশোধনী ২০০৯ এর ৫-৪
৪। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১৭(১২)১৪, ধারা-১৪৩-৪৪৭-৪৪৮-৩২৩-৩০৭-৩২৫-৫০৬পিসি,
৫। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ৩৮(৪)১৪, ধারা- ১৪৩-৩২৩-৩২৪- ৩২৬ পিসি,
৬। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ৯(৮)১৫,  ধারা-১৪৩-৩৪১-৩২৩-৩২৬ -৩২৪-৩০৭-৪২৭-৫০৬ পিসি,
৭। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১৫(৪)১৫, ধারা-৩২৩-৩৭৯-৫০৬পিসি,
৮। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ২১(০২)১৫, ধারা-৪৪৮-৩২৩-৩২৬- ৩০৭-৩৭৯-৫০৬ পিসি,
৯। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১৪(১২)১৭, ধারা-১৪৩-৩৪১-৩২৪-৩২৬ -৩০৭-৩০২-৩৪ পিসি,
১০। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ২১(১০)১৭, ধারা-৩৪১-৩৪২-৩৬৫-৩৮৫-৩২৩-৫০৬ পিসি,
১১। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১৪(১০)১৭, ধারা-১৪৩-৩২৩-৩২৫-৩০৭-৩৮৫-৩৮৬-৫০৬পিসি,
১২। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং- ১০(৭)১৭, ধারা-১৪৩-৩৪১-৩২৩-৩২৫-৩০৭-৩৫৪-৩৭৯-৫০৬ পিসি,
১৩। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০১-০৬-১২, ধারা-১৪৩- ৩২৬-৩০৭-৩৭৯ পিসি,
১৪। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-২৯(৯)১৫ ধারা-১৮৭৮ সালের আর্মস এ্যাক্টর ১৯-এ
১৫। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-১৫(১২)১৭, ধারা- ১৯-এ ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন;
১৬। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-১৬(১২)১৭; ধারা- ১৯(১) এর ১ (খ) ১৯৯০ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন।
১৭। ঝিকরগাছা থানার মামলা নং-১১, তারিখ-১৬-০১-২০২১ ইং, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩) এর ৭-৯ (১)।