আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত আমিনুর রহমান

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত আমিনুর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার: ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন এমপি প্রতিনিধি আমিনুর রহমান। জানা যায় যশোর জেলার  ঝিকরগাছা উপজেলার ১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অত্র ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ,বর্তমান এমপি প্রতিনিধি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আমিনুর রহমান ।প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছেন সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ।ব্যাস্ত সময় পার করছেন এই জনদরদি নেতা ,তারই ধারাবাহিকতায় আজ(৬ ফেব্রুয়ারি) শনিবার সন্ধ্যায় অত্র ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের  ব্যাংদাহ গ্রামে গণসংযোগ ও মতবিনিময় করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী গরিব, দুঃখীর বন্ধু জনপ্রিয় এই নেতা। অত্র ওয়ার্ডের ব্যাংদাহ বাঁশতলার মোড়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সকলের কাছে তার জন্য দোয়া ও সমর্থন চান। এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুস  সামাদ, অত্র ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার শামসুর রহমান, প্রবীণ আওয়ামী লীগ জয়নুর  রহমান, 


ব্যাংদাহ সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মিলন হোসেন, নাসির উদ্দিন,আতাউল হক, মাস্টার আব্দুল মজিদ, যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম,শামিম,হোসেন, মফিজ উদ্দিন রহমান,আবুু তাহের, ইসলাম, ইউনুছ আলী,  কুদরুত আলী, শহিদুল ইসলাম, আহসান হাবীব, দিয়ান আলী, মেম্বার পদপ্রার্থী তরিকুল ইসলাম সামাউল ইসলাম, শহিদ হোসেন, সহ শতাধিক নেতাকর্মী। এসময় তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য কামনা করে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার পক্ষে সমর্থন ও দোয়া কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়  

নাগরপুরে জাংগালিয়া কবরস্থান কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাগরপুরে জাংগালিয়া কবরস্থান কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

হাসান সাদী,নাগরপুর(টাংগাইল)প্রতিনিধি:নাগরপুরে জাংগালিয়া কবরস্থান পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে তৃতীয় (৩)তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ খ্রি.জাংগালিয়া কবর স্হান মাঠে বাদ আসর হইতে জাংগালিয়া কবরস্থান কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আ.জলিল দেওয়ান সাহেবের সভাপতিত্বে তৃতীয় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 ওয়াজ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসাবে ওয়াজ ফরমাইছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান (দা.বা)ঢাকা। 

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিতি ছিলেন-সহবতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান মো.তাফায়েল মোল্লা।

 ওয়াজ মাহফিলে উপস্হিতি ছিলেন নাগরপুরের স্হানীয় আলেম বৃন্দ ও নাগরপুরের ধর্মপ্রান তৌহিদী জনতা।

পতেঙ্গায় নেভাল একাডেমীর প্রধান ফটক তৈরীর কারিগর মোস্তফা জামাল

পতেঙ্গায়  নেভাল একাডেমীর প্রধান ফটক তৈরীর কারিগর মোস্তফা জামাল

হাসান রিফাতঃপতেঙ্গার শেষ প্রান্তে কর্ণফুলির তীর ঘেঁষা বাংলাদেশ নেভাল একাডেমীর নির্মানাধীন দৃষ্টিনন্দন ফটকটি ইতোমধ্যে সবার নজরে এসেছে।  এর অন্যতম কারণ এটি পতেঙ্গার খুবই চমৎকার এবং মনোরম একটি স্থানে অবস্থিত। দারুণ শৈল্পিকতার এই ফটকটি যাঁর হাত ধরে বাস্তবিক রূপ পাচ্ছে তিনি হলেন পতেঙ্গা ও দক্ষিণ হালিশহর এলাকার খুবই পরিচিত মুখ মোঃ মোস্তফা জামাল। 
এই দৃষ্টিনন্দন ফটকটির নির্মাণ ও এর নকশা ধারণা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে মোস্তফা জামাল,,  জানান
"একজন বিখ্যাত আর্কিটেক্ট ড্রয়িংটা আমাকে পাঠিয়েছিলেন এটার একটা মডেল তৈরি করতে এবং আমি মডেলটা তৈরি করে দেয়ার পর আমাকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন  আমি কি এটার বাস্তব রূপ দিতে পারব কিনা?  , আমি বললাম চেষ্টা করে দেখতে পারি , আমাকে বলা হল আপনাকেই কাজটা শেষ করতে হবে, এবং সেই থেকে কাজ চলছে,  "
মোস্তফা জামান এর বাড়ি ইপিজেড থানা এলাকার সিমেন্ট ক্রসিং, তিনি আরও জানান "সিমেন্ট ক্রসিং এর  আফিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের সহযোগিতায়  এই কাজটি করছি,  ইনশাআল্লাহ আর মাস তিনেক এর মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে। "।

আশাশুনিতে র‍্যাবের হাতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই রেজাউল আটক

আশাশুনিতে র‍্যাবের হাতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই রেজাউল আটক

আহসান উল্লাহ , আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি : আশাশুনিতে ১০০ পিস ইয়াবাসহ রেজাউল শেখ ও রেজাউল বিশ্বাস নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব। শুক্রবার রাতে র‍্যাব, খুলনা-৬ এর ডিএডি জামির হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়দল বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় বড়দল গ্রামের লতিফ শেখের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রেজাউল শেখ ও তার সহযোগী ফকরাবাদ গ্রামের মান্নান বিশ্বাসের ছেলে রেজাউল বিশ্বাসকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাদের ওই রাতেই আশাশুনি থানাপুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

বগুড়াতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাজু পুনরায় হেরোইনসহ গ্রেফতার

বগুড়াতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাজু পুনরায় হেরোইনসহ গ্রেফতার

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃচোর না শোনে ধর্মের কথা' প্রবাদ বাক্যটির মতো বগুড়াতেও এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাজু ওরফে ল্যাংড়া সাজু (৫০) যার নামে বর্তমানে ১৬টি মাদক মামলা বিচারাধীন। যে আজ থেকে প্রায় দুই/আড়াই বছর আগেই মাদক ব্যবসা কে কেন্দ্র করে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে পা হারিয়েছেন তবুও ছাড়তে পারেনি এই অন্ধকার জগতের পথ। বগুড়া সদর থানার ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে। সকালে শহরের ফুলবাড়ি এলাকা থেকে পুনরায় সোয়া ৪ গ্রামসহ হেরোইনসহ গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে।

সাজু সদরের ফুলবাড়ি মধ্যপাড়া এলাকার মৃত: আব্দুল গণির ছেলে। অভিযানে তার কাছে এই হেরোইন সরবরাহকারী আরও এক মাদক ব্যবসায়ী নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানার বলরামপুর এলাকার মিরাজুল ইসলামের ছেলে বেলাল (৪৫) কেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ফুলবাড়ি পুর্লিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামীদের ফুলবাড়ি কারিগর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা থেকে বিক্রির জন্যে তাদের হেফাজতে রাখা সোয়া ৪ গ্রাম হেরোইনসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় যার আনুমানিক মূল্য হবে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত সাজুর বিরুদ্ধে ১৬টি মাদক মামলা বিচারাধীন তারপরেও সে এই জগতে বিচরণের সুযোগ নিয়েছিল যা শক্তহাতে পুলিশের পক্ষে দমন করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরপূর্বক শুক্রবার দুপুরের পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে মর্মে জানান এই কর্মকর্তা।

এদিকে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের চলমান অভিযান প্রসঙ্গে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ জানান, জেলা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বগুড়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের পক্ষে এই অভিযান কঠোরভাবে চলমান থাকবে। ছোট থেকে রাঘব বোয়াল কাউকেই ছাড় দেওয়া হবেনা। যারা গোপনে মাদক সেবন বা বিক্রির চেষ্টাও করছে তাদের হুশিয়ারী দিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন পুলিশের নজরদারিতে সকলেই রয়েছে। দিনশেষে কেউ বাঁচতে পারবেনা তাই সময় থাকতে সকলকে সাবধান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


আশাশুনিতে ২য় দিনে হাজরাখালী ক্ষতিগ্রস্থ বেরিবাধ পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক

আশাশুনিতে ২য় দিনে হাজরাখালী ক্ষতিগ্রস্থ বেরিবাধ পরিদর্শন করেছেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক

আহসান উল্লাহ বাবলু,  আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্থ খোলপেটুয়া নদীর পাউবো'র বেড়ীবঁাধ পরিদর্শন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। এসময় তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও খুলনার কয়রা উপজেলার ১৪ ও ১৫ নং পোল্ডারে মেঘা প্রকল্পের মাধ্যমে টেকসই বাঁধের কাজ হবে, চলতি মাসেই সেটি একনেকে পাশ হবে। সরকারিভাবে আপাতাত আশাশুনিতে টেকসই বেড়ীবঁাধের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়নি। ১ম দিন প্রতাপনগর ও  ২য় দিন রবিবার সকালে আশাশুনির হাজরাখালীতে বঁাধের কাজের অগ্রগতি ও ভাঙ্গনকৃত প্লাবিত এলাকার মানুষের খোঁজ খবর নিতে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক পরিদর্শন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রোকন উদ-দৌলা, পাউবো'র অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা) ড. মো. মিজানুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী রাফিউল্লাহ, শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আতাউল হক দোলন, আশাশুনি ইউএনও মীর আলিফ রেজা, পাউবো'র নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল খায়ের, ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, আলমগীর আলম লিটনসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। পরে মন্ত্রী ত্রিমহনীর কোলা বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

আল জাজিরা সবাইকে সতর্ক করেছে : মোমিন মেহেদী

আল জাজিরা সবাইকে সতর্ক করেছে : মোমিন মেহেদী


প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, একটা অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে আল জাজিরা সবাইকে সতর্ক করেছে। এরপরও যদি দেশের রাজনীতিকরা অপরাধ-দুর্নীতি থেকে সরে না আসে সময়ের সাথে সাথে তাদের পতন ত্বরান্বিত হবে।

৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩ টায় শ্যাওড়াস্থ নতুনধারা ঢাকা মহানগর উত্তর-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত 'ভাষার মাসে সম্ভাবনার রাজনীতি' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। ভাটারা থানা নতুনধারার আহবায়ক কামরুল হাসান নিশান-এর সভাপতিত্বে এতে প্রেসিডিয়াম মেম্বার হাসানুজ্জামান চৌধুরী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, সাংগঠনিক সম্পাদক লিটন দ্রং প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নতুনধারার রাজনীতিকগণ এসময় বলেন, নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনতে তৈরি হচ্ছে ছাত্র-যুব-জনতাকে সাথে নিয়ে। তারা রাজনীতির নামে অপরাজনীতি যেমন প্রতিহত করবে, তেমনি নীতির রাজনৈতিক চর্চার মধ্য দিয়ে অপরাধ-দুর্নীতিকে সমূলে উৎখাত করে দেশকে সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশে^র বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার চেষ্টা অব্যহত রাখবে। আর একারণেই নতুনধারার সদস্য হতে আগ্রহী যে কোন স্বাধীনতার স্বপক্ষের ব্যক্তিকে ০২-৯৫১৪৫৩২ নম্বরে সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টার মধ্যে কল দিয়ে সদস্য হওয়ার জন্য আহবান জানানো হচ্ছে। 

নড়াইলের পল্লীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নড়াইলের পল্লীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।। প্রেমিকের আহবানে সাড়া দিতে গিয়ে নড়াইলের কালিয়ায় স্কুলছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষনের  ঘটনায় ফুসে উঠেছে কালিয়ার সর্বস্তরের মানুষ। ওই ঘটনার প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে সকল শ্রেনী ও পেশার মানুষ।

শনিবার কালিয়া পৌর শহরে নির্যাতিত ছাত্রীর নিজ বিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও কালিয়া প্যারিশংকর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পৃথক ভাবে মানববন্ধনসহ মৌন  মিছিল করেছেন তারা। সকালে  কালিয়া সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা নিজ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন পালন করেছে।
এরপর সকাল ১১ টায় কালিয়া প্যরি শংকর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকরা পৌর শহরে মৌন মিছিল করে ঘটনার প্রতিবাদসহ বিচার দাবি করেছে। ওইদিন দুপুর ১২ টায় কালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে পৌর শহরের চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন। 
মানববন্ধন চলাকালে  বক্তব্য রাখেন, কালিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগে সা. সম্পাদক কৃষ্ণপদ ঘোষ, কালিয়া পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র মো.ওয়াহিদুজ্জামান হীরা,  উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামান হোসনে জন, ছাত্রলীগের সভাপতি এফএম সোহাগ, সা, সম্পাদক রাইসুল ইসলাম পান্নু, কালিয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিএম শুকুর আলী, কালিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মশিউল হক মিটু,প্যারিশংকর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপ্তি রানী বৈরাগী, অধ্যাপক এরাদত হোসেন, শিক্ষক অরুনকান্তি মল্লিক, মো. সাজ্জাদ হোসেন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন একজন অবুঝ শিশুকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে নিয়ে দল বেধে ধর্ষনের মত ঘটনা কালিয়ায় এই প্রথম। ওই ধরনের জঘন্য ও কুৎসিত ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই। তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বলেছেন,  অন্য কেউ যাতে ওই ধরনের ঘটনার জন্ম দিতে না পারে সে জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনসহ পলাতক ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিসহ নির্যাতিত ছাত্রীর পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন।

কালিয়া সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীতে পড়–য়া ওই ছাত্রীর সাথে এই গ্রামের ইউছুফ শেখের ছেলে বখাটে মিশাণ শেখের কিছু দিন আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুত্র ধরে ওইদিন সন্ধ্যা ৭ টার দিকে প্রেমিক মিশান তাকে ফোন করে বাড়ীর পাশের মাঠের মধ্যে ডেকে নিয়ে মুখ বেধে কলাই ক্ষেতের মধ্যে দল বেঁধে পর্যায়ক্রমে ধর্ষন করে পলিয়ে যায় ধর্ষকরা। নরপশুদের পাশবিকতার শিকার স্কুল ছাত্রী নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

নির্যাতিত ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে কালিয়া থানায় ৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ প্রতারক প্রেমিক মিশানসহ এজাহার নামীয় দুই আসামীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডের আবেদনসহ নড়াইল আদালতে পাঠিয়েছে।

কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেছেন, স্কুলছাত্রীকে গনধর্ষনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় ২ জনকে প্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিমের চিরুনী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে ধর্ষদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

নন্দীগ্রামে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

নন্দীগ্রামে  অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিককে প্রাণ নাশের হুমকি

নন্দীগ্রাম (বগুড়া)প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার নন্দীগ্রামের নাগর নদীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় রুর‍্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর নন্দীগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক উত্তরের দর্পণ পত্রিকার সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জুয়েল কে প্রান নাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। উক্ত হুমকির বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেছে সাংবাদিক জুয়েল। ঘটনা সুত্রে জানাযায়, উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের গুলিয়া কৃস্টপুর গ্রাম সংলগ্ন নাগর নদীতে অবৈধ ভাবে  বালু উত্তোলন এবং সেসব বালু ট্রাক দিয়ে বিক্রি করছে আদমদীঘি থানার চাঁপাপুর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মোঃ খোকন হোসেন এমন খবরে সাংবাদিক জুয়েল সেখানে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পায় এবং বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন সহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শারমিন আখতার ও উপজেলা কমিশনার (ভুমি) মোঃ নুরুল ইসলাম কে জানায়। এরপর অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের ও বিক্রির মুলহোতা খোকন হোসেন সাংবাদিক জুয়েল কে ফোন করে ম্যানেজ করতে না পেরে তারা নন্দীগ্রাম সিমানায় বালু উত্তলন এবং বিক্রি করবে না যা করবে তাদের আদমদীঘি সিমানায় করবে এ কথা বলে সাংবাদিক জুয়েল কে মোবাইলেই যেখানেই থাকুক প্রানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। উক্ত বিষয়ে সাংবাদিক জুয়েলের সাথে বথা বললে তিনি জানান, খোকন হোসেন নন্দীগ্রামে স্বাধীন ভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রির ব্যাবসা আমার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমাকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে।

কুলাউড়ায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

কুলাউড়ায় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃনড়াইলে আদালতে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারুণ্যের অহংকার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে  মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি উপলক্ষে কুলাউড়া উপজেলা, পৌর ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার বেলা ৪ ঘটিকার সময় উক্ত রায় বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সুলতান আহমদ টিপুর সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুর রহমান সাইফুলের পরিচালনায় উক্ত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি খন্দকার কার্জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত , সহ-সাধারণ সম্পাদক কাওছার আহমেদ বাপ্পু, কুলাউড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়কবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ ও কুলাউড়া পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সহ পৌর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ এবং কুলাউড়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক সহ নেতাকর্মীরা।

ঝিনাইদহ শহরে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

ঝিনাইদহ শহরে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃঝিনাইদহ র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: কামাল উদ্দিন এবং স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র এএসপি সোহেল পারভেজ এর নেতৃত্বে র‌্যাব ঢাকা কুর্মিটোলা সদর দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নাদির শাহ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল এবং ওষুধ প্রশাসনের মো: রেহান হাসান শহরের বিভিন্ন স্থানে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে ০২ টি মিষ্টি কারাখানা ও ০১ টি বিস্কুট, কেক, পাউরুটি উৎপাদন কারখানায় অস্থাস্থ্যকর পরিবেশ এবং ০১ টি কসমেটিক্স গোডাউনে নকল কসমেটিক্স মজুত করায় ০৪ জন অভিযুক্ত'কে ৩,৭০,০০০/-(তিন লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এর মধ্যে গোলাম মোস্তফা (৫৫), মোস্তফা কসমেটিকস, শৈলকুপা ৬০,০০০/= হাজার টাকা, সুব্রত ঘোষ (৫৫) বাগাট ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার ৮০,০০০/= হাজার টাকা, রবি ঘোষ (৩৬), ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার ১,৫০,০০০/ হাজার টাকা ও শেখ জামান আহমেদ ( ৩২), হীরা বেকারী এন্ড কারখানা ৮০,০০০/= হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভেজাল খাদ্য সামগ্রী এবং বিপুল পরিমাণে নকল ও অননুমোদিত  কসমেটিক্স সামগ্রী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ধ্বংস করা হয়।

টেস্টে ভালো করার আভাস

টেস্টে ভালো করার আভাস

নিউজ ডেস্কঃ বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২২৩ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণার পর পরিকল্পনাটা টের পাওয়া গিয়েছিল। কাল তো হাতে পুরো একটা দিন আছেই, সঙ্গে আজকের শেষ সেশন।

আজ শেষ সেশনে আলো-আঁধারির খেলায় কয়েকটি উইকেট নিয়ে রাখতে পারলে কাল শেষ দিনের রোমাঞ্চে মুমিনুল হকের দল মনস্তাত্ত্বিকভাবে এগিয়ে থাকবে। শেষ সেশনে ৩ উইকেট নেওয়ায় বাংলাদেশ দলের এই পরিকল্পনাকে মোটামুটি সফল-ই তো বলা যায়!

মোটামুটি বলার কারণ, দিনের খেলা শেষ হওয়ার ৭ ওভার আগে আরও একটি উইকেট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজকে মিড অফে তুলে মেরেছিলেন কাইল মায়ার্স।

বেশ কঠিন ক্যাচটা উল্টো দিকে দৌড়ে মোস্তাফিজুর রহমান ধরতে পারলে দেখার মতো এক দৃশ্য হতো। এর সঙ্গে মায়ার্সের মতো বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানকে তুলে নিতে পারলে আজ-ই জয়ের পথে বেশ এগিয়ে থাকত বাংলাদেশ দল।

আপাতত চট্টগ্রাম টেস্টের ভাগ্য আসলে আগামীকাল ক্যারিবিয়ান মিডলঅর্ডারের দৃঢ়তা ও বাংলাদেশের স্পিনারদের কৌশলের ওপর নির্ভর করছে।
জয়ের জন্য ৩৯৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু চতুর্থ উইকেট-জুটিতে এনক্রুমা বোনার-মায়ার্সের ৯৪ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এই চাপ আলগা করে ফেলে সফরকারী দল।
নিখাদ ব্যাটিং না হলেও বেশ দ্রুতলয়েই রান তুলেছেন দুজন। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের লক্ষ্য থেকে এখনো ২৮৫ রান পিছিয়ে ক্রেগ ব্রাফেটের দল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে। বাংলাদেশের মাটিতে টেস্টে এটাই সর্বোচ্চ লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।
অর্থাৎ চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে হলে বাংলাদেশের মাটিতে নতুন রেকর্ড-ই গড়তে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
ক্যারিবিয়ানদের এই কঠিন লক্ষ্যটাকে শেষ সেশনে আরও কঠিন করে তুলেছিলেন চট্টগ্রাম টেস্টে 'মাইডাস টাচ' পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পাওয়া অলরাউন্ডার ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে নেন ৪ উইকেট। আজ দলটির ইনিংসেও শুরুতে স্পিন-ফাঁস পরানোর পথে ছিলেন এ অফ স্পিনার।
আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের যে ৩ উইকেট পরেছে, সবগুলোই মিরাজের। জহুর আহমেদ চৌধুরীর বাইশ গজ এমনিতেই স্পিনবান্ধব। চতুর্থ দিনে ভঙ্গুর উইকেটে বল একটু থেমে এসেছে ব্যাটে। বাঁকের সঙ্গে এ সুবিধা নিয়েই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বল করে উইকেটগুলো নেন মিরাজ।
শেষ দিনে রোমাঞ্চ জমিয়ে রাখল চট্টগ্রাম টেস্ট
বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২২৩ রানে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণার পর পরিকল্পনাটা টের পাওয়া গিয়েছিল। কাল তো হাতে পুরো একটা দিন আছেই, সঙ্গে আজকের শেষ সেশন।

আজ শেষ সেশনে আলো-আঁধারির খেলায় কয়েকটি উইকেট নিয়ে রাখতে পারলে কাল শেষ দিনের রোমাঞ্চে মুমিনুল হকের দল মনস্তাত্ত্বিকভাবে এগিয়ে থাকবে। শেষ সেশনে ৩ উইকেট নেওয়ায় বাংলাদেশ দলের এই পরিকল্পনাকে মোটামুটি সফল-ই তো বলা যায়!

মোটামুটি বলার কারণ, দিনের খেলা শেষ হওয়ার ৭ ওভার আগে আরও একটি উইকেট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজকে মিড অফে তুলে মেরেছিলেন কাইল মায়ার্স।

বেশ কঠিন ক্যাচটা উল্টো দিকে দৌড়ে মোস্তাফিজুর রহমান ধরতে পারলে দেখার মতো এক দৃশ্য হতো। এর সঙ্গে মায়ার্সের মতো বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানকে তুলে নিতে পারলে আজ-ই জয়ের পথে বেশ এগিয়ে থাকল বাংলাদেশ দল।

আপাতত চট্টগ্রাম টেস্টের ভাগ্য আসলে আগামীকাল ক্যারিবিয়ান মিডলঅর্ডারের দৃঢ়তা ও বাংলাদেশের স্পিনারদের কৌশলের ওপর নির্ভর করছে।
জয়ের জন্য ৩৯৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু চতুর্থ উইকেট-জুটিতে এনক্রুমা বোনার-মায়ার্সের ৯৪ বলে ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এই চাপ আলগা করে ফেলে সফরকারী দল।

নিখাদ ব্যাটিং না হলেও বেশ দ্রুতলয়েই রান তুলেছেন দুজন। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের লক্ষ্য থেকে এখনো ২৮৫ রান পিছিয়ে ক্রেগ ব্রাফেটের দল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে। বাংলাদেশের মাটিতে টেস্টে এটাই সর্বোচ্চ লক্ষ্য তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।অর্থাৎ চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে হলে বাংলাদেশের মাটিতে নতুন রেকর্ড-ই গড়তে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

ক্যারিবিয়ানদের এই কঠিন লক্ষ্যটাকে শেষ সেশনে আরও কঠিন করে তুলেছিলেন চট্টগ্রাম টেস্টে 'মাইডাস টাচ' পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পাওয়া অলরাউন্ডার ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে নেন ৪ উইকেট। আজ দলটির ইনিংসেও শুরুতে স্পিন-ফাঁস পরানোর পথে ছিলেন এ অফ স্পিনার।
আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের যে ৩ উইকেট পরেছে, সবগুলোই মিরাজের। জহুর আহমেদ চৌধুরীর বাইশ গজ এমনিতেই স্পিনবান্ধব। চতুর্থ দিনে ভঙ্গুর উইকেটে বল একটু থেমে এসেছে ব্যাটে। বাঁকের সঙ্গে এ সুবিধা নিয়েই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বল করে উইকেটগুলো নেন মিরাজ।

আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭তম ওভারের প্রথম বলে জন ক্যাম্পবেলকে (২৩) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নিজের পরের ওভারে ব্রাফেটকেও (২০) তুলে নেন এ অলরাউন্ডার।
এরপর শেন মোজলিকেও (১২) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি। টানা দুই ওভারে ২ উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারী দলকে ভীষণ চাপেই ফেলেছিলেন তিনি। পরে জেঁকে বসা চাপটা আলগা করেন বোনার-মায়ার্স জুটি। ৪৯ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত মায়ার্স। অন্য প্রান্তে ১৫ রানে অপরাজিত বোনার।
তথ্যের উৎসঃ প্রথম আলো   



সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ

সাতক্ষীরায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে  গণসংযোগ

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারী সাতক্ষীরা পৌর নির্বাচনে
আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী শেখ নাসেরুল হকের পক্ষে ভোট প্রার্থনায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনভর গনসংযোগ করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগ কর্তৃক নির্ধারিত সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে গত ৬ ফেব্রুয়ারী-২০২১ শনিবার বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশের নেতৃত্বে দিনভর অনুষ্ঠিত গণসংযোগে অংশ গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের জেলা সহ-সভাপতি মাষ্টার শফি উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আব্দুর রহমান হাবিব, যুগ্নসাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে অধ্যাপক আমিনুর রহমান, শংকর দাশ, আহসান হাবিব, আসাদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছাক সরদার
ও মামুন বিশ্বাস, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মাদ হাফিজ, মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মাষ্টার আব্দুল আওয়াল, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আজাহারুল ইসলাম সাদী,  সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শংকর দাস, সদর উপজেলা যুগ্ন-আহবায়ক মাষ্টার মফিজুল ইসলাম  আব্দুস সালাম সরদার ও গোলাম এজদানী, আব্দুল আলিম প্রমুখ। 

গণসংযোগকালে নেতৃবৃন্দ জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত নৌকা প্রতীকের ভোট দিয়ে মেয়র পদে বিজয়ী করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য পৌরবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়।

ঝালকাঠিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঝালকাঠিতে বাংলাদেশ  ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা কমিটির সম্মেলন শনিবার সকাল ১১টায় শহরের টিএন্ডটি রোডস্থ ফাতেমা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন'র কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারী জেনারেল শেখ মুহাম্মদ আল আমিন । প্রধান অতিথি ঝালকাঠি জেলা ছাত্র আন্দোলনের ২০২০ সালের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২১ সালের জন্য এম নাইম খানকে সভাপতি, মোস্তাফিজুর রহমানকে সহসভাপতি ও মো. রবিউল ইসলামকে সেক্রেটারী করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করেন। পরবর্তিতে নেতৃবৃন্দকে সমন্বয় করে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কেএম শরীয়তুল্লাহ, শুরা সদস্য মো. রেজাউল করীম, হাফেজ আরিফ বিল্লাহ, জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মো. আলমগীর.  সেক্রেটারী মো. শাখাওয়াত হোসেন, জেলা যুবআন্দোলন সেক্রেটারী ইব্রাহিম আল হাদী, শ্রমিক আন্দোলন সভাপতি আ. কুদ্দুস।  সংগঠনের জেলা সভাপতি এম নাইম খানের সভাপতিত্বে সেক্রেটারী রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় বার্ষিক প্রতিবেদন পাঠ করেন সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান।

বড়লেখায় বিকাশের মাধ্যামে ভাতা দেওয়ার দাবি বৃদ্ধাদের

বড়লেখায় বিকাশের মাধ্যামে ভাতা দেওয়ার দাবি বৃদ্ধাদের

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায় সোনালী ব্যাংকে বৃদ্ধ ভাতা দেয়া হয়েছে।বৃদ্ধের কষ্ট হচ্ছে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে টাকা গুলা পেতে।
তাঁরা দাবি করছে পরিবার বিকাশের ব্যবস্থা করে বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দেয়া জন্য।

বৃদ্ধারা বলেন ১০-০২ টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে  অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।তাই তারা তাড়াতাড়ি সরকারি ভাবে বিকাশের মাধ্যামে ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করেন বৃদ্ধারা।

বড়লেখায় করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ৪০০০ ডোজ এসেছে

বড়লেখায় করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ৪০০০ ডোজ এসেছে

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: বড়লেখা উপজেলায় করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন এসে পৌছালে তা গ্রহণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বড়লেখা ও করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ শামীম আল ইমরান ও অত্র কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রত্নদ্বীপ বিশ্বাস। বড়লেখা উপজেলায় প্রথম পর্যায়ের জন্য করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ৪০০০ ডোজ এসেছে।এ ধাপে আগামীকাল থেকে ৫৫ বা তদুর্ধ বয়সী এবং সম্মুখ সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

ঝিকরগাছায় মাস্ক, হ্যান্ড-স্যানিটাইজার ও সবজি বিতরণ

ঝিকরগাছায় মাস্ক, হ্যান্ড-স্যানিটাইজার ও সবজি বিতরণ

আফজাল হোসেন চাঁদ : যশোরের ঝিকরগাছায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বপ্নলোকের পাঠশালা'র ২য় ক্যাম্পাস এর  শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে মাস্ক-হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সবজি বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় ঝিকরগাছা পৌর সদরের মোবারকপুরস্থ কলেজপাড়া ও সকাল সাড়ে ১০টায় কৃষ্ণনগর মাঠপাড়াতে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান পেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই এই আয়োজন করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০১৭ সালে এলাকার পিছিয়ে পড়া, হতদরিদ্র, পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের নিয়ে নিজেদের অর্থায়নে ঝিকরগাছা পৌরসভার অভ্যন্তরে কৃষ্ণনগর মাঠপাড়ায় প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বপ্নলোকের পাঠশালা পরিচালিত হচ্ছে। এ বছর স্বপ্নলোকের পাঠশালা'র ২য় ক্যাম্পাসে মোট ৭০জন শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। পেন ফাউন্ডেশন করোনা ভাইরাস শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ মোকাবেলায় বা বিস্তার রোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণকল্পে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। স্বপ্নলোকের পাঠশালা'র শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষদের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান, হ্যান্ড গ্লোভস, বিলিসিং পাউডার, পোস্টার এবং লিফলেট, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিশু খাদ্য এবং অভিভাবকদের মাঝে নগদ অর্থ, মানবিক সহায়তায়  নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, ঈদ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ঈদ পোশাক এবং অভিভাবকদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এছাড়া উপজেলার ইউনিয়নসমূহে ওয়ার্ড ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করা হয়, বিদেশ থেকে আগতদের ১৪দিন পর্যন্ত নিজ বাড়িতে অবস্থান নিশ্চিত করানো বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করেছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না এবং বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন এবং হাঁচি-কাশি শিষ্টাচার মেনে চলুন এসংক্রান্ত মাইকিং করা হয়। করোনা ভাইরাসে পজিটিভ ব্যক্তিদের ঔষুধ, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহে সহযোগিতা করা হয়। এছাড়াও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির নিরাপদভাবে দাফন/সৎকারসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কমিটি গঠনপূর্বক কর্যক্রম পরিচালানা এবং উপজেলার সকল জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বপ্নলোকের পাঠশালা'র প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মেঘনা ইমদাদ'র সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নলোকের পাঠশালা'র সভাপতি ও কথা সাহিত্যিক সফিয়ার রহমান, অবসরপ্রাপ্ত সমবায় অফিসার এবিএম আক্তারুজ্জামান, কবি ও সাহিত্যিক টিপু সুলতান, পেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইমদাদুল হক ইমদাদ, সাংবাদিক আফজাল হোসেন চাঁদ, শিক্ষক রিজন বিশ্বাস,হস্বপ্নলোকের পাঠশালা'র শিক্ষক বিথী খাতুন সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মেঘনা ইমদাদ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, সমাজের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা থেকেই শুরু হয়ে ছিল এপথ চলা। আমার এই কাজে আমার স্বামী সহ সমাজের অনেকেই উৎসাহ ও সহযোগিতা করেছেন। তিনি ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানান।

ঝালকাঠি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানের ৪১ বেইলি সেতু এখন মরণফাঁদ

ঝালকাঠি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানের ৪১ বেইলি সেতু এখন মরণফাঁদ

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঝালকাঠির সড়ক ও জনপদ বিভাগের দীর্ঘদিনের পুরাতন ৪১ বেইলি সেতুর প্রায় সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব সেতুতে একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। আটকে পড়ছে যানবাহন, বন্ধ থাকছে যান চলাচল। বিভিন্ন সময় নামমাত্র মেরামত করা হলেও এ সমস্যা সমাধানে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। 

সূত্র বলছে, ঝালকাঠির সড়ক ও জনপদ বিভাগের ২৬০ কিলোমিটার সড়কে ৪১টি বেশি বেইলি সেতুর প্রায় সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ। বিভিন্ন সময় এসব সেতুগুলোর একেকটির পাত (প্লেট) ভেঙে কিংবা দেবে গিয়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে অনেকে। এসব সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে নেই কোনো সর্তকতামূলক সংকেত। ঝুঁকি নিয়ে সরু এ সেতুগুলো পারাপারে নানা বেগ পেতে হয় চালকদের। ৩০/৪০ বছরের এসব পুরাতন সেতু বিভিন্ন সময় নামমাত্র মেরামত করা হলেও আবার ভেঙে একাকার হয়ে দুর্ঘটনা পড়ছে ট্রাক, বাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। অধিকাংশ সেতু বেশি পুরাতন হওয়ায় কোনোটি বেঁকে গিয়ে দেবে আছে। এসব সেতুতে যেকোনো সময় বাসসহ ধসে গিয়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

এছাড়া মহাসড়কে যত্রতত্র স্পিড ব্রেকার ও সড়কের মোড়গুলোতে সঠিকভাবে সাংকেতিক ফলক না থাকায় ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনায় ঘটছে। এসব সমস্যা সমাধানে নেই কোনো উদ্যোগ। চালক ও স্থানীয়রা বলছেন, বেইলি ব্রিজের প্রায় সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ, প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সরু এ সেতুগুলো ভয়ে ভয়ে পার হতে নানা বেগ পেতে হয় চালকদের। এসব সেতু ভেঙে নতুন করে ঢালাই সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

জানা গেছে, বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি চার বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়িয়া, পাথরঘাটাসহ দক্ষিণ-পশ্চিম আঞ্চলগামী প্রতিদিন শত শত যানবহন যাতায়াত করে। সেতুটির উপরে বাস বা ট্রাক উঠলে তা দুলতে থাকে। এছাড়া এই সেতুর স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে।
শুধু বাসন্ডা বেইলি ব্রিজই নয়, সদর উপজেলার কির্ত্তীপাশা ইউনিয়নের বেশাইনখান ও তারাপাশার দুইটি বেইলি ব্রিজ, রাজাপুরের বাগড়ী বেইলি ব্রীজ, নৈকাঠি বেইলি ব্রিজসহ জেলার ৪১টি বেইলি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবির জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলমান রয়েছে। অনুমোদন হলেই ঝুকিপূর্ণ এ সেতুগুলোর পরিবর্তে সেখানে নতুন ব্রিজ ও কার্লভার্ট নির্মাণ করা হবে।

মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী সভা

মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী সভা

আহসান উল্লাহ বাবলু,, আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী শেখ নাসেরুল হকের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টায় শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার কার্যালয়ে মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভায় মো. নুরুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেয়র প্রার্থী শেখ নাসেরুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, শেখ শাফি আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুব্রত ঘোষ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফসার আলী, সদস্য নাজমুন নাহার মুন্নি, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাহাদাৎ হোসেন, মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, মো. আবু তালেব, আব্দুস সেলিম, সহ সভাপতি হাজী মহসিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আনছারুজ্জামান, মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মহব্বত প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম সরদার, মধুবাগ আবাসিক এলাকা উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তৈয়েবুর রহমান, প্রচার  ও প্রকাশনা সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম, সদস্য বেলায়েত হোসেন, জলিল পেশকারসহ কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় বক্তারা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানের আহবান জানান।

থানায় ধর্ষণ মামলা করে প্রানের ভয়ে ঘরছাড়া মোংলার এক অসহায় কিশোরী

থানায় ধর্ষণ মামলা করে প্রানের ভয়ে ঘরছাড়া মোংলার এক অসহায় কিশোরী

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  মোংলায় খ্রীষ্টান ধর্ম থেকে মুসলিম হবে এবং বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে দিনের পর দিন মুসলিম কিশোরীকে ধর্ষন করে আসছিল খ্রীষ্টান সম্প্রদয়ের এক যুবক। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে এবং বিয়ের দাবী তুললে বিয়েতো করবেই না উল্টো তাকে বাড়ী থেকে বের করে দেয় ওই যুবক ও তার পরিবারসহ স্থানীয় কিছু চিহ্ণিত সন্ত্রাসীরা। এব্যাপারে কিশোরী থানায় ধর্ষন মামলা করছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রান নাশের হুমকি দেয়ায় ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন নির্যাতিতা কিশোরী।  
জানা গেছে, মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের উত্তর হলদিবুনিয়া গ্রামের খ্রীষ্টান সম্প্রদয়ের ডঃ জুলিয়ান বৈরাগীর ছেলে সুবির বৈরাগীর সাথে প্রতিবেশী কিশোরী (১৭)'র সাথে আগে থেকেই পরিচয়। মুসলিম ধর্ম ভাল লাগায় প্রায়ই কিশোরীর বাড়ীতে আসা-যাওয়া করতো সুবির বৈরাগীর। এক পর্যায় সুবিরের সাথে কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। 
সুবির বৈরাগী খ্রীষ্টান ধর্মের হওয়ায় মুসলিম হয়ে তাকে বিয়ে করবে বলে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষন করে আসছিল অভিযুক্ত সুবির। এছাড়াও কিশোরীর সাথে ধর্ষনের দৃশ্য গোপানে মোবাইল ফোনে ভিডিওি ধারন করা হয়েছে এমনও ভয় দেখাতো লম্পট সুবির বলে অভিযোগ করে কিশোরী। 
গত ৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে জরুরী কাজের কথা বলে সুবির বৈরাগী কিশোরীকে বাসায় ডেকে জোর পুর্বক ধর্ষন করে। এ ঘটনা কাউকে বলা হলে ধর্ষণের দৃশ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় সুবির।
এ ঘটনা সুবিরের বড় ভাই সোহাগ ও মা সপ্না বৈরাগীর কাছে জানালে এবং বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তারা কিশোরীকে মারধর করে বাড়ী থেকে বের করে দেয় বলেও মামলা উল্লেখ করেন নির্যাতিতা ওই কিশোরী। 
এদিন রাতে ওই কিশোরী মোংলা থানায় অভিযোগ করলে স্থানীয় রাজীব বৈরাগীর সহায়তায় মিজান মোল্লা, জিম হালদার, জেবিয়ার বৈরাগী, অনুজ হালদার, দিলিপসহ কয়েক প্রভাশালী ব্যাক্তিরা ঘটনা স্থানীয়ভাবে সমাধানের আশ্বাস দিয়ে কিশোরী দুশ্চরিত্র অপবাদ দিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। 
পরবর্তীতে ১২ সেপ্টম্বর ওই কিশোরী থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্ত গ্রেফতার করছে না পুলিশ। 
পাশাপাশী মামলা তুলে না নিলে আসামী ও তাদের সহযোগীরা এসিড মেলে ঝলছে দেয়ারও প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে বলেও কিশোরী অভিযোগ করেন।
এছাড়া মামলার ২নং আসামী সোগাহ বৈরাগী খুলনার একটি হাসপাতালে চাকরী করার সুবাধে কিশোরীকে ধর্ষনের আলামত ও ডাক্তারী রিপোর্টও পাল্টে দেয়া ও মামলা মিটিয়ে নেয়ার ভয় দেখাচ্ছে আসামীদের সহযোগীরা।    মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় এ কর্মকর্তা। 

প্রতি মেট্রিক টন পানির দাম আন্তর্জাতিক মুদ্রার ১০ ডলার

প্রতি মেট্রিক টন পানির দাম আন্তর্জাতিক  মুদ্রার ১০ ডলার

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয়ের অন্যতম উৎস বিশুদ্ধ পানি। বন্দরে আগত দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে এসব পানি বিক্রি করা হয়। এছাড়া এ পানি বিক্রি করা হয় বন্দর সংলগ্ন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানেও। প্রতি মেট্রিক টন পানির দাম আন্তর্জাতিক  মুদ্রার ১০ ডলার। 

সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারী পানামা পতাকাবাহী জাহাজ 'বি এলপিজি সোফিয়াথয় ৭০ মেট্রিক টন এবং ২২ জানুয়ারী থাইল্যান্ড পতাকাবাহী জাহাজ 'সেনা-৭থ এ পানি সরবরাহ করা হয় ১৫০ মেট্রিক টন। এ দুটি জাহাজে পানি সরবরাহ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি টাকায় আয় করে দুই লাখ ১৫ হাজার ৫০ টাকা-সুত্র মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ। 

মোংলা বন্দরের হারবার বিভাগ আরও জানায়, মোংলা বন্দরের নিজস্ব পানির জলযান 'এমভি তৃষ্ণাথ এবং 'এস ভি রুহিথ বন্দরে আগত বাণিজ্যিক জাহাজে পানি সরবরাহ করে থাকে। বাগেরহাটের ফয়লায় অবস্থিত বন্দরের নিজস্ব পানির প্লান্ট থেকে এ পানি আনা হয়। 
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগের শিপ মুভমেন্ট মোঃ মোহাম্মদুল্লা বলেন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আগত ১৪৮ টি বাণিজ্যিক জাহাজে ২০ হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন পানি সরবরাহ করা হয়। আর এ থেকে বন্দর আয় করে এক কোটি ৯৯ লক্ষ ১৯ হাজার ৪৯৫ টাকা বলেও জানান তিনি।

বন্দরের অর্থ বিভাগের মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বন্দরে আগত বানিজ্যিক জাহাজ ও বন্দর সংলগ্ন বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে দুই কোটি ৭১ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩৮৩ টাকার পানি বিক্রি করা হয়েছে। 

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন বলেন, বন্দর সৃষ্টির পরই জাহাজের পানির চাহিদা বুঝে মোংলা বন্দরে পানির প্লান্ট স্থাপন করা হয়। 
তিনি বলেন, বন্দরে আগত যেসব জাহাজে পানির চাহিদার প্রয়োজন হবে সে ক্ষেত্রে ওই সব জাহাজের স্থানীয় শিপিং এজেন্ট বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানাবে। পরবর্তীতে ওই পরিমান পানির অনুকূলে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পরই পানি সরবরাহ করা হয়। এভাবে প্রতি বছরই বন্দরে আগত জাহাজগুলোতে পানির চাহিদা মেটানো হয়। 

নড়াইলের পল্লীতে ৮ টি দোকান ঘর পুঁড়ে ছাই

নড়াইলের পল্লীতে ৮ টি দোকান ঘর পুঁড়ে ছাই


মোঃ আজিজুর বিশ্বাস স্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।। নড়াইল জেলার কালিয়ার নাড়াগাতী থানার খাশিয়াল  বাজারে আগুন লেগে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় বিশ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি।
শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

আগুনের লেলিহান শিখা স্বপ্ন ভেঙ্গে দিয়েছে আট দোকানীর।  ক্ষতিগ্রস্তরা হলো কাঁচামাল ব্যাবসায়ী টোনা গ্রামের দেলোয়ার খান, খাশিয়াল গ্রামের ফ্রিজিং গোস্ত ব্যাবসায়ী শাহিদুল বিশ্বাস, আকিদুল বিশ্বাস বাজার কমিটির সভাপতি ও মূদিদোকান ব্যাবসায়ী জাহের মোল্যা, টোনা গ্রামের সার ও কীটনাশক ব্যাবসায়ী প্রিন্স খান, মুদিদোকানী নজরুল মোল্যা, বুদ্ধি সরদার, হেমায়েত শরীফ।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, রাত ১২ টার দিকে বাজারের দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। 

খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু এর আগেই আটটি দোকার পুড়ে ছাই যায়। এতে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। খাশিয়াল বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জাহের মোল্যা বলেন, কিভাবে আগুন লাগলো আমরা বলতে পারবোনা। তবে ক্ষতিগ্রস্ত গোস্ত ব্যাবসায়ী শাহিদুল বিশ্বাস বলেন, কেউ শত্রুতা মূলক এ অগ্নিকান্ড ঘটিয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাড়াগাতী থানার ওছি মোসাঃ রোখসানা খাতুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফায়ার সার্ভিসের উদ্বৃত্তি টেনে বলেন, সম্ভবত চায়ের দোকান থেকে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

সোহরাওয়ার্দিতে 'শরৎ৭১' এর এক অন্যরকম দুপুর

সোহরাওয়ার্দিতে 'শরৎ৭১' এর এক অন্যরকম দুপুর

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ:
কোনো শিশুই পথশিশু হয়ে জন্মায় না! আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার গ্যাঁড়াকলে পরে আজ তাদের হতে হয় ফুল বিক্রেতা, বাদাম বিক্রেতা আরো কতো কি!

রাস্তার ধারে ধারে অসহায় সেসব চাহনিগুলোয় শুধু একটাই হাহাকার আর্তনাদ; এক মুঠো ভাত!
'পেটের দায় বড় দায়' এ বাস্তবের সাথে খুব আগেই পরিচিত হয়ে যায় এসব শিশুরা!আর ঠিক এইসব অসহায় নিষ্পাপ মুখগুলোর জন্য গত ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ একবেলা আহারের ব্যবস্থা করে 'শরৎ৭১'

"একাত্তরের চেতনাই হোক দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র" -এই স্লোগানকে সামনে রেখে মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছে শরৎ৭১। অসহায় দুস্থ শিশুদের উন্নয়নে ও গ্রামীণ নারীদের দুরাবস্থা দূর করতে তাদের উদ্যোক্তাকরণের পাশাপাশি আরও ১১ টি সেবামূলক লক্ষ্যে কাজ করার উদ্দেশ্যে ২০২০ সালের ১লা ডিসেম্বর শরৎ৭১ এর প্রতিষ্ঠা করেন প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী মেহেদি হাসান।

"৭১- এর সোনার বাংলায় অনাহারে থাকবে না একটি শিশু" সেই ধারাবাহিকতার ফলস্বরুপ গত ৫ই ফেব্রুয়ারির রোদেলা দুপুরে ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করে শরৎ৭১।এই ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন শরৎ৭১ এর প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী মেহেদী হাসান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব রুমন খান ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড এর এইচ আর এক্সিকিউটিভ সহ শরৎ৭১ এর টিম লিডার রওশন জাহান সুমাইয়া, ফাইরুজ আতকিয়া অহনা, নায়্যার খান ও এক্সিকিউটিভ টিম মেম্বারা।

এসময় প্রতিষ্ঠাতা বলেন, "মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে শিক্ষা সমৃদ্ধ ও মানবিক দেশ গঠন আমাদের লক্ষ্য" সকলের উপস্থিতিতেই  ইভেন্টটি সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়। দুপুরশেষে বিকেলের শেষ আলোর মতো শিশুদের মুখে ছিল এক আনন্দঝলকানির হাসি! আর শরৎ৭১ এর প্রাপ্তির ঝোলায় যুক্ত হয় আরো একগুচ্ছ ভালবাসা।

মাগুরায় প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন বিচার পাননি সংখ্যালঘু পরিবার

মাগুরায় প্রভাবশালী নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন বিচার পাননি সংখ্যালঘু পরিবার

মাগুরা সংবাদাতাঃ মাগুরা সদর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রাম ও বগিয়া ইউনিয়নের প্রভাবশালী মহল  কর্তৃক সংখ্যালঘুদের উপর জুলুম ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নানা ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পরিবারটি আজ দেশ ছাড়ার উপক্রম ।  
ঘটনা অনুসন্ধানে দেখা যায় আলুকদিয়া গ্রামের দিলিপ কুমার দাস ও তার পরিবারের বসতবাড়ির ৩৭ শতাংশ পুকুরসহ জমি একই গ্রামের মৃত মোছেন শেখের ছেলে ছালেক, রশিদ ও বশির শেখ দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে জোর দখল করে রেখেছে। জমিতে লাগানো ৫টি বিশাল আকৃতির  গাছ জোর করে কেটে  ছালেক শেখ ও রশীদ শেখ বিক্রি করে দিয়েছে।  জমি নিয়ে বিরোধের জের হিসেবে সালেক শেখ ও তার ভাইয়েরা ১৯৯৬ সালে ভাড়া করা বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে অশোক কুমার দাস ও উজ্জল কুমার দাসকে গুলি করে, সে যাত্রায় অবশ্য দুজন বেঁচে যান। উক্ত জমি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমার পর ১৯৯৬ সালে নিম্ন আদালত কর্তৃক, ১৯৯৯ সালে জজ কোর্ট কর্তৃক, ২০০৬ সালে হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত রায় দিলীপ কুমার দাস ও তাদের পরিবারের পক্ষে যায়। আদালতের রায়ের কপি মাগুরা সদর থানায় জমা দেয়ার পরও বগিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর রওনক ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা সহ প্রভাবশালীদের কারসাজিতে এখনো পর্যন্ত পরিবারটি জমির দখল নিতে পারেন নাই। 
বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে আপোষ মিমাংসার জন্য উভয়পক্ষকে ডাকা হলেও পক্ষান্তরে দিলীপ কুমার দাস ও তাদের পরিবার বর্গকে জমি লিখে দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হয় এবং ছালেক শেখের ছেলে মনিরুল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়ির নারী ও পুরুষদের সময়ে অসময়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করছে।
উক্ত জমির অন্য দুইজন ওয়ারিশ বিদ্যুৎ কুমার দাস ও শ্রী প্রসেনজিৎ কুমার দাস জানান এই সম্পত্তি আমাদের পৌতৃক সম্পত্তি জমি থাকতেও বর্তমানে সরকারি খাসজমিতে কোনরকম পরিবার নিয়ে বসবাস করছি। 
দিলীপ কুমার দাস আক্ষেপ করে বলেন আজ আলুকদিয়া বাজারের একটি বড় অংশ আমাদের পৌতৃক সম্পত্তি, আলুকদিয়া হাই স্কুল, আলুকদিয়ার হাসপাতাল এবং সাথের দোকানপাট সবই আমাদের জমিতে স্থাপন করা। এগুলো এখনো লিখিয়ে দেয়া হয়নি। তারপরও আমাদের এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। এ ব্যাপারে বগিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গে  যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন মধ্যেমে কথা  হয় তিনি বলেন আমি কোন প্রভাবশালী ব্যাক্তি নয়, ও আমি কখনো দিলীপ কুমার দাস ও তার পরিবার বর্গকে জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়নি।
একথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। 
এবং তিনি  আরো বলেন যদি দিলীপ কুমার এর পরিবার বর্গ  জমির রায় তাদের পক্ষে গেছে এই মর্মে  হাইকোর্টের রায় এর সার্টিফাইড কপি তারা আমাদের কে দিলে আমার তাদের জমি ফিরে দেওয়ার জন্য  চেষ্টা করবো।

রাজাপুরে হাঁস পালনে ভাগ্য ফিরিয়েছে দুই কলেজ ছাত্র রাসেল-রাকিব

রাজাপুরে হাঁস পালনে ভাগ্য ফিরিয়েছে দুই কলেজ ছাত্র রাসেল-রাকিব

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টার 
হাঁস পালনে ভাগ্য ফিরিয়েছে ঝালকাঠির রাজাপুরের ছোট কৈবর্তখালি গ্রামের আলিম সিকদারের ছেলে কলেজ ছাত্র রাসেল ও রাকিব সিকদার। করোনায় কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়িতে বেকার সময় কাটাচ্ছিলেন রাসেল-রাকিব। সময়কে কাজে লাগিয়ে হাঁসের খামার করে বর্তমানে ডিম বিক্রি করে প্রতিদিন আয় করছেন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে কলেজ ছাত্র রাসেল সিকদার জানান, গত ২০২০ সালের মার্চে মাসের শেষের দিকে করোনার জন্য স্কুল কলেজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা হাঁসের ফার্ম করার জন্য উদ্যোগ নেন। বাড়ি থেকে উত্তর দিকে একটি খালের পশের পাকা সড়কের বিপরীতে কৃষি জমি কেটে উঁচু করে হাঁস পালনের উপযোগী একটি কাঠ-টিনের একটি ঘর নির্মাণ করেন। পানিতে হাঁস পালনের জন্য ওই ঘরের সামনের প্রায় দুইশ গজ খাল জাল দ্বারা বেড়া দিয়ে আটকে দেন। 

ঘরটিতে বিদ্যুত সংযোগ দেন এবং নির্দিষ্ট এলাকাটি সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে নেন। প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা ৩৫ টাকা দরে এগারোশ ক্যাম্পেল জাতের হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করেন। এতে তাদের খরচ হয় প্রায় দেড়লক্ষাধিক টাকা। হাঁসগুলো সার্বক্ষণিক দেখাশুনা করার জন্য দুইমাস আগে থেকে এলাকার আবু সালের মাদ্রাসা পড়–য়া ছেলে মিরাজ (১১) কে মাসে ২ হাজার টাকা বেতনে রেখেছেন বলেও জানান রাসেল সিকদার।

তারা জানান, প্রতিদিনের খাবারের সাথে পশু সম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকারের প্রায় দুইশ টাকার পরিমাণ ঔষধ খাওয়াতে হচ্ছে। বর্তমানে নয়শ হাঁসের মধ্যে প্রতি দিন ৫শত থেকে ৬শত ডিম দেয়। প্রতি হালি ডিম ৪৫ টাকা দরে ফার্ম থেকে পাইকার এসে ক্রয় করে নিয়ে যায়। ভবিষ্যতে এই ফার্ম বড় করা এবং পাশাপাশি গরু অথবা মুরগির ফার্ম করার ইচ্ছা আছে তাদের। এদিকে, এ খামার দেখে ওই এলাকার অন্য বেকার যুবকদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান, পশু হাসপাতালের যারা ফিল্ডে কাজ করেন তারা ওই ফার্মের খোজ খবর নিচ্ছেন এবং পরামর্শ দিচ্ছেন। অপরদিকে, ফার্মের লোকজন এসে হাসপাতাল থেকে ঔষধ নেন। তিনি আরো জানান, ফার্ম কর্তৃপক্ষ চাইলে হাসপাতাল কাছ থেকে একটি প্রত্যয়ন পত্র নিয়ে করোনাকালীন সরকারের দেয়া প্রনোদণা থেকে ব্যাংক দিয়ে পাঁচ শতাংশ মুনাফায় সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারেন।

মাগুরার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার তফছির আহমেদ

মাগুরার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার তফছির আহমেদ

মাগুরা সংবাদদাতা:মাগুরা জেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের নতুন চমক আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার তফছির আহমেদ, একজন তরুণ ব্যবসায়ী ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং তার থেকেও বড় পরিচয় তিনি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। 

ইঞ্জিনিয়ার তফছির আহমেদ মাগুরার সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের আমুড়িয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তার পিতার নাম  মৃত ময়েন লস্কর যিনি আমুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন এবং তার পরিবার জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

বয়সে তরুণ কিন্তু আদর্শে উজ্জীবিত ইঞ্জিনিয়ার তফছির আহমেদ ছোটবেলা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যশোর পলিটেকনিক শাখার ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন, ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন ও বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিজীবনে তফছির আহমেদ একজন সৎ, সজ্জন ও পরোপকারী ব্যক্তি হিসেবে সবার কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। 

তফছির আহমেদ এর মতে মাগুরা কুচিয়ামোড়া ইউনিয়ন তুলনা মূলকভাবে দরিদ্র পীড়িত ও অবহেলিত হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাধারণ মানুষের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো সততা ও দুর্নীতিমুক্ত ভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারলে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত একটি আদর্শ ইউনিয়ন গড়া সম্ভব। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কুচিয়ামোড়া ইউনিয়ন হবে মাগুরা জেলার একটি উদাহরণ, যেখানে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে ঘুষ ও দুর্নীতিমুক্ত ভাবে বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা, গর্ভকালীন ভাতা প্রদান করা হবে । এছাড়াও ৪০ দিনের কর্মসূচি, ১০ টাকা মূল্যের চাউল, রাস্তাঘাট উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ, এলজিএসপি অর্থ প্রভৃতি কাজে স্বচ্ছতা আনা হবে। 

সর্বোপরি কুচিয়ামোড়া ইউনিয়ন হবে মানুষের আশা ভরসা ও ন্যায় বিচারের একটি আস্থার স্থল।

আবাসনে বাস্থান শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান

আবাসনে বাস্থান  শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান

আমি প্রায়শঃ কান্নাকাটি করি।
হরহামেশা নয়,  মাঝে মধ্যে।
দিনে,হোক রাতে, মধ্য দুপুরে,সাঝে কি সন্ধ্যায়, 
কি ভোরে কি গরু বাধা বিকালের ফুরুন্ত সুর্য্যালয়ে
অথবা বিপদাসংকুল কোন সংকেত দিয়ে গভীর রাতের তৃতীয় কোন প্রহরে শিয়াল নয়তো কিম্ভূতকিমাকার দানব ডাকা কোন এক তৃতীয় প্রহরে, 
আমি প্রায়শঃই খুব কান্না কাটি করি।

মুক্ত মানুষ তাজা পুড়িয়ে মারার মত, 
দর্জি বিশ্বজিৎ কে যেদিন,
 ঢাকার কুলাংগারদের যাবার, 
প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত  দর্শক কে সার্কাসের গ্যালারিতে দ্বার করিয়ে রেখে, 
কুপিয়ে কুপিয়ে খুন করে ছিল, 
আমি সেদিন কেঁদেছিলাম। 
খুব কেঁদেছলাম, 
বেদনার বোঝা বইতে না, 
আমি মেঝেয় বুক ঠেকিয়ে আমি কেঁদেছিলাম।
প্রতিনিয়ত নয়, 
প্রতিটি বেদনা আমাকে খুবড়ে খুবড়ে কাঁদায়। 
সারাদিনের কর্মক্লান্ত রানু যখন, 
আমার বুকের পাজেরে বুক ভর্তি শ্বাস নিয়ে,
 ঘুমে আছড়ে পড়ে, আমি আস্তে অতি ধীরে, 
বাহুবন্ধন খুলে ফেলি।
আমি ফিরে আসি আমার বালিশে।
নিঃশব্দে ওপাশ ঘুরে আমি কাদি। 
দীর্ঘক্ষন, দীর্ঘ রাত, দীর্ঘ সময় ধরে আমি কাদি,
কেদেই চলি যেন প্রহরের প্রহর। 
রানু উঠে, তাহাজ্জুদ পড়ে,ফজর পড়,
আমি কেঁদে চলেছি, কেঁদে চলেছি। 
ঈশ্বর যেন ধ্যান মগ্নতাকে আকড়ে আছে আমাকে মূর্তিমান কোনো পুজোরী ভেবে। 
মৌসুমি প্রবাহের মতো, 
প্রকৃতীর খামখেয়ালি বেহায়াপনার শেষ আবাসস্থল 
যেন আমার এ কান্নার আর্তি। 
এ আর্তি কড়াল গ্রাসের রাহু গ্রহণ।

মোবাইলই মৃত্যুর কারণ!

মোবাইলই মৃত্যুর কারণ!

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃনর্দমায় পড়ে যাওয়া মোবাইল ফোন তুলে দিতে গিয়ে, বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে পথ এক পথশিশুর করুণ মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে?

জানা গেছে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার সাগর পাড়ের সুগন্ধা পয়েন্টের, হোটেল আলফা সংলগ্ন কলাতলী প্রধান সড়কের উক্ত স্থানে উন্নয়ন কাজ চলতে থাকায়, সড়কের ধারে টেলিফোন ও বৈদ্যুতিক তারসহ সবকিছু গত কয়েকদিন এলোমেলে অবস্থায় রয়েছে।

শুক্রবার বিকালের দিকে কোনো এক পর্যটকের স্ত্রীর হাত থেকে একটি মোবাইলটি অসাবধানতাবশত নর্দমায় পড়ে যায়। পর্যটকরা মোবাইলটি নর্দমা থেকে উদ্ধার করতে ওই স্থানে থাকা পথশিশু লালু (১০)কে বখশিশ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নালায় নামিয়ে দেয়। নর্দমায় নামার সঙ্গে সঙ্গেই পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুটি মারা যায়!

কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন জানান, পুলিশ খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। নর্দমা থেকে নিহত পথশিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

উলিপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর জোটেনি তিন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভাগ্যে

উলিপুরে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর জোটেনি তিন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ভাগ্যে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর জোটেনি ভূমিহীন ও গৃহহীন আলেয়া বেওয়া (৫৫), আব্দুল গফুর (৮৫) ও সবুর আলী (৫০) দের ভাগ্যে। কেউ থাকেন অন্যের বাড়িতে, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে ও মসজিদের পাশে ঝুপড়ি ঘরে। পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও তাদের খোজ কেউ রাখে না। 

উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড হাতিয়ার মলা এলাকায় বুধবার (০৩ ফব্রুয়ারী) সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়ে আলেয়া বেওয়া শ্রবনপ্রতিবন্ধি ছেলেকে (১৪) নিয়ে ওই এলাকার মোজাম আলীর বাড়িতে ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। আলেয়া বেওয়ার স্বামীর মত্যু হয়েছে অনেক আগেই। দেড় বছর ধরে একটু মাথা গোজার ঠাইয়ের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে শেষ পর্যায়ে মোজাম আলীর বাড়িতে আশ্রয় হয়েছে তার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, শ্রবনপ্রতিবন্ধি ছেলের ভাতার কার্ডের জন্য এলাকার মেম্বারকে ভিক্ষাবৃত্তি করে তিন হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এরপর দুই মাস পূর্বে কার্ড হলে ভাতার প্রথম নয় হাজার টাকার মধ্যে ছয় হাজার টাকাই কেটে নেয় ওই মেম্বার। একটি ভাতার কার্ড করে দিতেই মেম্বার নয় হাজার টাকা নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, শুনেছি যার ঘর নাই, তাদের ঘর করে দিছে সরকার। চেয়ারম্যান-মেম্বারদের কাছে সরকারি ঘর চাইতে গেলে তারা ৩০-৩৫ হাজার টাকা দাবী করে। এতো টাকা কোথায় পাবো। চাহিদামত টাকা দিতে না পারায় ঘরও পাইনি। গরীব মানুষের আল্লাহ ছাড়া দেখার কেউ নাই। 
একই এলাকার আব্দুল গফুর গস্তির এক সময় বাড়ি-ঘর-জমি-জমা সব ছিল। নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন হাতিয়া ভবেশ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে। সেখানে স্ত্রী জামিনা বেগম (৭৫), দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি ছেলে জাহাঙ্গীর (৪০), দৃষ্টিপ্রতিবন্ধি নাতনী (১১) কে নিয়ে এক বছর থেকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের এক কোনায় ছোট একটু জায়গায় মানবেতর ভাবে জীবন যাপন করছেন। এলাকার কিছু প্রভাবশালী তাদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে তার অভিযোগ। ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চলে আব্দুল গফুরের। বর্তমান বয়সের ভারে ঠিকমত চলাফেরা করতে পারেন না তিনি। তাই ভিক্ষাও জোটেন কপালে। স্থানীয়রা দয়া করে কিছু দিলে তবেই খাবার জোটে তাদের।  

এ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলার সময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি বলেন, এতো কষ্ট করে থাকি তবুও কপালে সরকারি ঘর জোটেনা। বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় আব্দুল গফুরের প্রশাসন কিংবা জন প্রতিনিধিদের কাছে যাওয়ার সামর্থ্যও নই। 
ওই এলাকার অপর এক গহহীন সবুর আলী ওরফ চিতু পাগলা। তিনিও নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারিয়ে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয় মসজিদের পাশে ঝুপড়ি ঘরে। 

এলাকাবাসী আব্দুল খালেক (৬৫), মুকুল মিয়া (৩৮), আবদুল হাকিম (৫০), লিটন মিয়া (৩০)সহ অনেকে জানান, এই তিনটি পরিবার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর পাওয়ার যোগ্য। তারা আরও বলেন, আমাদর সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করি, তা দিয়েই তাদের জীবন বাঁচে। এখান থেকে দুইশত গজের মধ্যে আশ্রয়ন প্রকল্পের দশটি ঘর নির্মান করা হচ্ছে। অথচ এই পরিবারগুলোর সেখানে ঠাই হয়নি। 

ওই এলাকার ইউপি সদস্য শাহ আলম বলেন, এই তিনটি পরিবার খুবই অসহায়। আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরের জন্য সুপারিশ করেছিলাম, একজনও পায়নি। চেয়ারম্যানের সহযোগিতা না পাওয়ায় আমি দুস্থ মানুষের  সহযোগিতা করতে পারছিনা। তিনি আলেয়া বেওয়ার প্রতিবন্ধি ছেলের ভাতার টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। 

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন জানান, ওই তিন পরিবারের নাম তালিকায় দেয়া হয়েছে। প্রাপ্তি সাপেক্ষে তাদেরকে ঘর প্রদান করা হবে। তিনি আরও বলেন, শুধু ওই তিনটি পরিবারই নয়, এ ইউনিয়নে ওয়াবদা বাধ থেকে উচ্ছেদও নদী ভাঙ্গনে প্রায় ১২শ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। তারা নানা ভাবে সরকারি খাস জায়গাসহ অন্যের বাড়িতে ঝুপড়ি ঘরে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। 
এ বিষয় উপজলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, ওই তিনটি পরিবারের আবেদন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের তহশিলদারের কাছে জমা দিলে পরবর্তীতে নতুন ঘর বরাদ্দ পাওয়া গেলে তাদেরকে প্রদান করা হবে।

বিবাহ না দেওয়ায় যুবকের আত্মহত্যার চেষ্টা!

বিবাহ না দেওয়ায় যুবকের আত্মহত্যার চেষ্টা!

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ৫ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার বিকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক যুবক রেললাইনে শুয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পথচারীরা এ দৃশ্য দেখে তাকে উদ্ধার করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই দিন বিকালে তিস্তা-রমনার মাঝখানে সিঙ্গেরডাবরী রেল স্টেশনের অদুরে একটি ব্রীজের পাশে আত্মহত্যা করার জন্য ট্রেনের অপেক্ষায় লাইনে পড়ে। এ দৃশ্য দেখে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে সিঙ্গেরডাবরী হাটে নিয়ে যায়। পড়ে সেখানে রবীন্দ্রনাথ রায়ের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে রাজারহাটে সাংবাদিক প্রহলাদ মন্ডল সৈকতের হেফাজতে রয়েছে। 

ছেলেটির নাম শিমুল চন্দ্র রায় ( ২৬), পিতা মন্ডল, গ্রাম- বেলগাছা পোড়াগাছা (সালাম চেয়ারম্যানের গোল বাড়ির পাশে) , উপজেলা  ও জেলা কুড়িগ্রাম বলে জানা গেছে।

যোগাযোগ করুন ০১৭১৯০২৬৭০০, ০১৭২৯১০৭১৩৪।
ছেলেটি জানায়, বাড়ি থেকে বিয়ে না দেয়ায় সে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নিয়েছিল।