বগুড়ায় আগামী ৩ নভেম্বর থেকে মহিলা ফুটবল দল গঠনে বাছাই
মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত জেএফএ অ-১৪ মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২০, অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বগুড়া জেলা অ-১৪ মহিলা ফুটবল দল এর বাছাই আগামী ৩রা নভেম্বর ২০২০, সকাল ১০.০০ ঘটিকায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম (শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম সংলগ্ন) মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
প্রত্যেক বালিকা খেলোয়াড়ের বয়স অ-১৪ হতে হবে অর্থা ০১ নভেম্বর ২০০৬ খ্রিঃ এর পরে হতে হবে। বয়স নির্দ্ধারনের ক্ষেত্রে পিএসসি’র সনদ, জন্ম নিবন্ধন এবং ২(দুই) কপি সদস্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি সংগে আনতে হবে।
আগ্রহী খেলোয়াড়দের খেলার সরঞ্জাম অর্থাৎ জার্সি, প্যান্ট, এ্যাংলেট, হুজ, বুট (যদি থাকে) সহ যথাসময়ে বগুড়া জেলা ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু, মোবাইলঃ ০১৭১১২০৩৯৫১ এবং যুগ্ম সম্পাদক জনাব মোঃ সহিদুল ইসলাম স্বপন, মোবাইলঃ ০১৭১১৯৫৪৮৬২ এর সহিত নিকট রিপোর্ট করতে বলা হলো।
আত্রাইয়ে কৃষক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
মোঃ ফিরোজ হোসাইন, রাজশাহী ব্যুরো:নওগাঁর আত্রাইয়ে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আত্রাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে নওগাঁ -৬ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সাহেবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় বাংলাদেশ কৃষকলীগ আত্রাই শাখার সভাপতি আব্দুল আজিজ মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষকলীগ সাবেক সহ সভাপতি ও উত্তরবঙ্গ দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা মো. আব্দুল লতিফ তারিন। এসময় বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-৬ আসনে উপনির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল, নওগাঁ জেলা কৃষকলীগ আহবায়ক মো. ওহাব আলী, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সহ-সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান প্রামানিক, সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ ইসলাম বিপ্লব, প্রচার সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আফছার আলী প্রাং, যুবলীগ সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুল,মহিলা লীগ সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষকলীগ সাধারন সম্পাদক জহুরুল ইসলাম। বক্তাগন আগামী ১৭ অক্টোবর উপনির্বাচনে শান্তি, উন্নয়ন ও সাসটেনেবল গোল বাস্তবায়নে নৌকা মার্কা বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে একমত পোষণ করেন৷
নওগাঁর আত্রাই নদীর পানি সামান্য কমলেও বেড়েই চলেছে মানুষের দূর্ভোগ
মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরোঃউজানের প্রবল পানির চাপের কারনে আত্রাই নদীতে প্রচুর পানির চাপ হওয়ার ফলে নওগাঁর মান্দা থেকে বান্দাইখাড়া হয়ে আত্রাই পর্যন্ত দূর্বল রাস্তা হওয়ার ফলে নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন যায়গায় রাস্তা ভেঙে প্রবল বেগে নদীর পানি মান্দা থেকে বিষ্মপুর ইউনিয়ন হাটকুলাপাড়া ইউনিয়ন কালিকাপুর ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সমস্ত গ্রাম পানি বন্দি হয়েছে এবং বহ মাটির বাড়ি ও আধা পাকা বাড়ি ভেঙে পরে গেছে। যা এক করুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে আত্রাই নদীর পানি সামান্ন কমলেও বেড়েই চলেছে মানুষের দূর্ভোগ। আমি বিভিন্ন যায়গায় ঘুরে দেখলাম মানুষ ও পশুর বহু খতি হয়েছে যা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
আত্রাই উপজলোর ৮নং হাটকালুপাড়া ইউনিয়নে সব কয়টি গ্রামের মাছের পুকুর, ফসলি জমি বন্যার পানতিে ভেসে গেছে বন্যার পানিতে বাড়ি ঘর ডুবে গেছে মাটির বাড়ি পানিতে ভেঙে যাচ্ছে অসহায় মানুষ অন্যের আশ্রয়ে কোন মতে জীবন রক্ষার চেষ্টা করছে তারা নিজে খেতে পাচ্ছে না, তার উপর তাদের গরু ছাগলের খাবার যোগার করা কঠিন। মাননীয় আত্রাই উপজেলা প্রশাসন এবং নওগাঁ জেলা প্রশাসনের কাছে হাটকালুপাড়া ইউনিয়নে এই অসহায় বানভাসি মানুষদের জন্য দ্রুত ত্রান/ সাহায্যরে ব্যবস্হা করার জন্য বিনিত অনুরোধ জানিয়েছেন এ্যাডঃ জনাব মোঃ সাজেদুর রহমান (বুলু) । মানুষ এখন পানি বন্দী, দয়া করে সাহায্য করুন।
এই মর্মে বিব্রিতি প্রদান করেছেন, চেয়ারম্যন ৮নং হাটকালুপাড়া ইউপি জনাব মোঃ আঃ শুকুর সরদার সরকারি ত্রানের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পরবিবারের তালিকা ইউ,পি র্কতৃক জরুরী ভাবে লিস্ট তৈরি করা হচ্ছ।এমতবস্তায় মানুষের মহাবিপদে অত্র ইউ,পিতে অবস্থিত সকল এন,জিওর কিস্তি আদায়ে স্থগিত করার জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট এন,জিও র্কতৃপক্ষকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোকে ত্রান ততপরতা বৃদ্ধি করার জন্য বিশেষেভাবে অনুরোধ করেছেন।
সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে
মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃপাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বর্তমানে সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুরে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘন্টায় ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ও সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা হার্ট পয়েন্ট এলাকায় বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগী প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চত করেন।
যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও তাড়াশ উপজেলার নিম্ন এলাকা এবং বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। সেই সাথে ডুবে গেছে ফসল, ঘর-বাড়ি ও গ্রামীন সড়ক। এতে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষ।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জুনের প্রথম থেকেই যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে বাড়তে শুরু করে। গত ২৮ জুন উভয় পয়েন্টেই বিপদসীমা অতিক্রম করে। এরপর ৪ জুলাই থেকে আবার কমতে শুরু করে এবং ৬ জুলাই বিপদসীমার নিচে নেমে যায় যমুনার পানি। ৯ জুলাইয়ের পর ফের বাড়তে থাকে এবং ১৩ জুলাই দ্বিতীয় দফায় বিপদসীমা অতিক্রম করে কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে।
টানা ২৫ দিন দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হওয়ার পর ৭ আগস্ট যমুনার পানি উভয় পয়েন্টেই বিপদসীমার নিচে নেমে যায়। এর মধ্যে কয়েক দফায় যমুনার পানি কমতে ও বাড়তে থাকলেও বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কাজিপুর পয়েন্টে আবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার পানি। এরপর থেকে যমুনার পানি দু’টি পয়েন্টেই হ্রাস-বৃদ্ধি হতে থাকে। ১ অক্টোবর কাজিপুর পয়েন্টে ও (২ অক্টোবর) আবার বিপদসীমা অতিক্রম করলো।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আমার ইউনিয়নের ৬টি ওয়ার্ডের মানুষের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। তাদের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা চেয়ে তালিকা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, টানা বর্ষণের কারণে যমুনায় পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কাজিপুর পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে পানি বৃদ্ধিতে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। বৃষ্টিপাতের কারণেই যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পানি স্থিতিশীল হতে পারে বলে তিনি জানান।
সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, চলতি বন্যায় জেলার ৬টি উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে কাজিপুর-৪৫০, বেলকুচি-২৫০, তাড়াশ-২৫০, সদর-২৫০, শাহজাদপুর-৩০০ ও চৌহালী-১৭০০ শুকনো খাবার প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারী বরাদ্দের ত্রাণ ও নগদ টাকা মজুদ রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী ত্রাণ ও টাকা বিতরণ করা হবে।
সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃপাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণের কারণে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বর্তমানে সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুরে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘন্টায় ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে কাজিপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ও সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা হার্ট পয়েন্ট এলাকায় বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগী প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম পানি বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চত করেন।
যমুনার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও তাড়াশ উপজেলার নিম্ন এলাকা এবং বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। সেই সাথে ডুবে গেছে ফসল, ঘর-বাড়ি ও গ্রামীন সড়ক। এতে চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষ।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জুনের প্রথম থেকেই যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে বাড়তে শুরু করে। গত ২৮ জুন উভয় পয়েন্টেই বিপদসীমা অতিক্রম করে। এরপর ৪ জুলাই থেকে আবার কমতে শুরু করে এবং ৬ জুলাই বিপদসীমার নিচে নেমে যায় যমুনার পানি। ৯ জুলাইয়ের পর ফের বাড়তে থাকে এবং ১৩ জুলাই দ্বিতীয় দফায় বিপদসীমা অতিক্রম করে কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে।
টানা ২৫ দিন দীর্ঘস্থায়ী বন্যা হওয়ার পর ৭ আগস্ট যমুনার পানি উভয় পয়েন্টেই বিপদসীমার নিচে নেমে যায়। এর মধ্যে কয়েক দফায় যমুনার পানি কমতে ও বাড়তে থাকলেও বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় কাজিপুর পয়েন্টে আবার বিপদসীমা অতিক্রম করেছে যমুনার পানি। এরপর থেকে যমুনার পানি দু’টি পয়েন্টেই হ্রাস-বৃদ্ধি হতে থাকে। ১ অক্টোবর কাজিপুর পয়েন্টে ও (২ অক্টোবর) আবার বিপদসীমা অতিক্রম করলো।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার মেছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আমার ইউনিয়নের ৬টি ওয়ার্ডের মানুষের বাড়ি-ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। তাদের জন্য জরুরি খাদ্য সহায়তা চেয়ে তালিকা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, টানা বর্ষণের কারণে যমুনায় পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কাজিপুর পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার ও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে পানি বৃদ্ধিতে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। বৃষ্টিপাতের কারণেই যমুনাসহ অভ্যন্তরীণ নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পানি স্থিতিশীল হতে পারে বলে তিনি জানান।
সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুর্ণবাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, চলতি বন্যায় জেলার ৬টি উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে কাজিপুর-৪৫০, বেলকুচি-২৫০, তাড়াশ-২৫০, সদর-২৫০, শাহজাদপুর-৩০০ ও চৌহালী-১৭০০ শুকনো খাবার প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারী বরাদ্দের ত্রাণ ও নগদ টাকা মজুদ রয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী ত্রাণ ও টাকা বিতরণ করা হবে।