রাজাপুরে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩, আটক ২

রাজাপুরে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৩, আটক ২

এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ,স্টাফ রিপোর্টার ঝালকাঠির রাজাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হালিম খলিফা (৪৮) নামে এক আ'লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার চর হাইলাকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত মঠবাড়ি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আ'লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম খলিফার স্ত্রী সুখি বেগমসহ আরও ৩ জন আহত হয়েছে। পুলিশ রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ঘটনায় জড়িত থানার অভিযোগে মন্টু খলিফা (৪৫) ও সেলিম খান (৬০) নামে দুই জনকে আটক করেছে। আহতরা হলেন- নিহত আ'লীগ নেতার স্ত্রী সুখি বেগম (৩৫), তার(সুখির) দুই ভাই লিটন তালুকদার (৪৮) ও সাইফুল তালুকদার (২৬)। নিহতের শ্যালক সাইফুল তালুকদার অভিযোগ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো একই বাড়ির প্রতিপক্ষদের সাথে এ নিয়ে কয়েক দফায় শালিশ হলেও বিরোধের সুরাহা হয়নি। কয়েকদিন ধরে এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। এসব ঘটনার জেরে সোমবার রাতে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষ মন্টু খলিফা, সেনা সদস্য তুহিন খান, সেলিম খান, শাহিন, সোহাগ, সজীব, শামিম ও শাওনসহ ১৫/২০ জন্য পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাথারি কুপিয়ে হালিম খলিফা ও তার স্ত্রী সুখি বেগমকে জখম করে। খবর শুনে বোন ও ভগ্নিপতিকে রক্ষায় এগিয়ে গেলে লিটন ও সাইফুলকেও কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় আহতদের রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে হালিম খলিফাকে মৃত ঘোষণা করে এবং অপর আহত লিটন, সাইফুল ও সুখি এবং আহত অভিযুক্ত মন্টুকে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাজাপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মন্টু ও সেলিম নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়া উপজেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়া উপজেলার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

মোঃ রেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ ১৬ ই মে ২০২১ ইং রোজ রবিবার সংগঠনের সুযোগ্য সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর সাইফুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে  ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জুবায়ের আলীর সন্চালনায় শুরু হওয়া ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্ঠান অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও সফল মিলনমেলায় পরিনত হয়। 

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সম্মানিত উপদেষ্টা ও ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি'র সভাপতি জনাব বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু সহ কার্যকরী পরিষদের সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্য এর উপস্থিতিতে, সবাই অত্যন্ত গঠন মূলক মতামত ব্যক্ত করেন এবং সকলের সাংগঠনিক মতামতের ভিত্তিতে অবশেষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়া উপজেলার ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান ।

অনুষ্ঠানে কুলাউড়া উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৩ টি ইউনিয়নের মধ্যে লটারির মাধ্যমে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ছয়টি(৬) ঘর তৈরীর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এবং পর্যায়ক্রমে কুলাউড়া পৌরসভা এবং ১৩টি ইউনিয়ন সহ মোট ১৪ টি ঘর নির্মাণ করার মেঘা পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।

ইতিমধ্যে কুলাউড়া উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে, বিভিন্ন ১৩ জন অসহায়দের মধ্যে ৩৯ হাজার টাকা বিতরন করা হয়েছে। কুলাউড়া উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নে আরো ২২৫০০ টাকা করে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত  হয়।

বিএনপি'র নিবেদিত প্রাণ দুইজনকে বিদেশ যাত্রার জন্য, একজনকে ৫০,০০০ টাকা ও অন্যজনকে ৩০,০০০ টাকা অনুদান দেওয়ার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়।সংগঠনের উপদেষ্ঠা ও ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপি'র সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপুলর চমকপ্রদ একটি প্রস্তাব আলোচনা সভায় সবাই একযোগে সমর্থন জ্ঞাপন করেন ও অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে তুলে।

প্রস্তাবটি ছিলো-আমাদের তারুন্যের অহংকার আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের সরাসরি পৃষ্টপোষকতায় " জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন " এর তত্বাবধানে বহির্বিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফোরাম কুলাউড়া এর অর্থায়নে আমরা ত্রান বিতরন তথা দলীয় অসহায়দের পূনর্বাসন/ ঘর নির্মাণ করবো এবং প্রথমে তিনি নিজে একটি ঘর তৈরীর অর্থ দান করার প্রতিশ্রুতি দেন । সাথে সাথেই সবাই স্বানন্দে প্রস্তাবটি সমর্থন করেন।পাশাপাশি সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেবও একটি করে ঘর দান করার ঘোষনা করেন এবং অন্যদেরও এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন। 

উপদেষ্টা বদরুল আলম চৌধুরী  বলেন, যদি সম্ভব হয়-উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান সাহেবকে রাখার চেষ্টা থাকবে। পরিশেষে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সাহেব উপস্থিত ও অনুপস্থিত সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে-সকলে ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহব্বান জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

লালমনিরহাটে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

লালমনিরহাটে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রশিদুল ইসলাম রিপন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় হর চন্দ্র (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার (১৭ মে) বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিণ গোতামারী গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে হর চন্দ্রের ২ছেলে প্রাণ কৃষ্ণ ও পবিত্র চন্দ্রের মধ্যে বোরো ধানের খড় শুকানো নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ২ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বাবা হর চন্দ্র চেষ্টা করেও থামাতে পারেননি তাদের বিবাদ। পরে বিকেলে পরিবারের লোকজন বাড়ির গোয়াল ঘরে বৃদ্ধ হর চন্দ্রের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে থানায় খবর দেন।

হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ এরশাদুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মর্গের প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জেনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্যামনগরের সদ্য বাঘবিধবা মুর্শিদা খাতুনের পাশে 'গিফট ফর গুড

শ্যামনগরের সদ্য বাঘবিধবা মুর্শিদা খাতুনের পাশে 'গিফট ফর গুড

মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ গত ১৪ মে ঈদের দিন সুন্দরবন মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের  আক্রমণে নিহত রেজাউল সরদারের পরিবারে ১ মাসের খাদ্য সামগ্রী সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে গিফট ফর গুড নামের একটি স্বনামধন্য দাতব্য প্রতিষ্ঠান। ১৭ মে  দুপুরে সংগঠনটির উপকূল অঞ্চলের ভলেন্টিয়ার পার্টনার আইসিডি'র সদস্যবৃন্দ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা নামক গ্রামের বাসিন্দা নিহত রেজাউল ইসলামের বাড়িতে যায়।এক মাসের জন্য পরিবারের খাদ্য সামগ্রীর নিশ্চয়তা পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন নিহতের স্ত্রী মুর্শিদা খাতুন।  'গিফট ফর গুড' কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন' আমি খুব খুশি হয়েছি, আমাদের  এই চরম দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সংসারের যাবতী প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী কিনে বাড়ীতে নিয়ে এসেছেন। আমার কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। শুধু দোয়া করি যেন গিফট ফর গুড সংগঠনটি আমার মতো উপকূলের অসংখ্য  বাঘবিধবা পাশে যেন দাঁড়াতে পারে"

"গিফট ফর গুড" এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক জনাব মিথুন দাস কাব্য জানান, বাঘবিধবা মুর্শিদা খাতুনের ৬ সদস্যের পরিবারের দুরবস্থার কথা জানতে পেরে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিবারের জন্য একমাসের খাদ্য সামগ্রী ব্যবস্থা করেছি, আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে মুর্শিদা খাতুনসহ উপকূলের অসংখ্য বাঘবিধবার জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার। এই বিষয়ে খুলনা অঞ্চলের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'আইসিডি'র সাথে প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে। সংগঠনটি আমাদের গিফট ফর গুড'  এর ভলেন্টিয়ার পার্টনার হিসেবে কাজ করবে। 

বাঘবিধবা মুর্শিদা খাতুন পরিবারের বাজার হিসেবে  ৫০ কেজি চাল, ৫ কেজি ডাল, ৫ কেজি তেল, ১০ কেজি আলু, ৫ কেজি পেঁয়াজ, ২ কেজি রসুন, ৫০০ গ্রাম হলুদ, ১ কেজি কাঁচাঝাল, ৫০০ গ্রাম শুকনা ঝাল, ২ কেজি লবন, ১ কেজি হুইল পাউডার, ৪ টা সাবান, ২৫০ গ্রাম জিরাসহ অন্যান্য সামগ্রী পেয়েছে।

আমাদের সামাজিক দায় : পর্ব- ৩, লেখক : গোলাম মোস্তফা

আমাদের সামাজিক দায় : পর্ব- ৩, লেখক : গোলাম মোস্তফা
প্রতীকী চিত্র,  উৎস : ইন্টারনেট

আমাদের মত অবসর ভোগীদের ধর্ম চিন্তা অনেক বেশি। আমরা মসজিদকে ইবাদতের জন্য বেছে নিয়েছি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়ি। তার বাইরে যত প্রকার নামাজ আছে সবটাই মসজিদে পড়ার কোশেস করি।

সারাক্ষণ আমল নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমল মানে বুঝে নিয়েছি তসবিহ পাঠ। নামাজ পড়া, সাওম পালন, কালিমা পাঠ, সুয়োগ থাকলে হজ্জ করি। যাকাত যেন বোঝা, দিতে চাইনে আদৌ। আমরা কোন কষ্টকর কাজ আর করি নে।

বাজারে বসি,  এ দোকান, সে চেম্বার ঘুরি, গল্প গুজব করি। আমাদের দুচোখে কেবল বেহেশতের শান শওকত  ও তা পাবার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চোখে পড়ার মত। 

আমাদের কোন সামাজিক দায় আছে কিনা জানি না। জানলেও পালন করি না। আমি নিজে যেতে পারিনি তবে তাবলীগ জামাতের সাথে সংশ্লিষ্ট। ৪১ দিনের চিল্লা দিতে গেছেন।

আমার মনে হয় অবসরে গেলে বেশির ভাগ মানুষ সন্যাস গ্রহন করে। পেনশন নিয়ে বেঁচে থাকে। আমাদের সংসার বিমুখতা আমাদের জন্যই সমস্যা বয়ে আনছে।

আমরা সংসারে দায়িত্ব পালন না করার কারণে সংসারে আমাদের কোন গুরুত্ব নেই। যে কোন সামাজিক কার্যক্রমে অংশ না নেবার কারণে সামাজিকতা থেকে ছিটকে গেছি। সামাজিকভাবে বয়কটের মত একটা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে চলে আমাদের সময়।

আমরা নিস্ক্রিয় বলে অধস্তন রাও পাশ কাটিয়ে চলে। পরিবারের সদস্যরা, কি বোঝ তুমি, বলে তাচ্ছিল্য করার সুযোগ পায়।

পরিবারের জন্য, সমাজের জন্য কোন দায়িত্ব না নেবার কারণে আমরা কোন সংস্কার দিতে পারছি না শিশুদের।

ফলটা বেশ তিক্ত স্বাদ। আমাদের কোন পরিজন নেই।


গোলাম মোস্তফা, প্রধান শিক্ষক (অবঃ)

শিক্ষা নিয়ে আর কত তালবাহানা দেখবে এই শিক্ষিত সমাজ

শিক্ষা নিয়ে আর কত তালবাহানা দেখবে এই শিক্ষিত সমাজ
ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

মোঃ সজীব হোসেন, মোহাম্মদপুরঃ এই জাতির শিক্ষিত বিবেকের অভাব নেই; তবে শিক্ষাক্ষেত্রে তালবাহানা দেখার মত বিবেকের বড় অভাব। আজ দেড় বছরের বেশি শিক্ষা ক্ষেত্রে যে তালবাহানা চলছে, তা জাতির বিবেককে নাড়া দেয় না। সবাই যেন নাট্যমঞ্চে নাটক দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে।

অশিক্ষিত শ্রমজীবী মানুষ যদি করোনার এই সঙ্কটের মধ্যে নিজেদের জীবিকা নির্বাহের কাজে নামতে পারে, তবে কি নিয়মনীতির মধ্যে গড়ে ওঠা ছাত্রসমাজ করোনাকে মানিয়ে নিতে পারতো না? কেন তাহলে খেলার পুতুলে পরিনত হবে শিক্ষাক্ষেত্র? যে ছাত্রদের আজ  সংসারের হাল ধরার কথা তারাই আজ সংসারের বোঝা।

সরকার কি পারবে জীবনে দেড়টা বছর ফিরিয়ে দিতে? অনার্স শেষ করে আজ যাদের চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কথা, দেড় বছরেও  পরিক্ষা শেষ করতে পারে নাই সেসকল অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। চাকরির বয়সের নির্দিষ্ট  সময়সীমা থাকলেও ছাত্র বয়েসের কোন সময়সীমা করোনা পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে  না। যে বলির পাঠা আপনি এবং  আমি নিজেও। শিক্ষিত হলেই যে আপনি নিশ্চিত ভবিষ্যৎ পাচ্ছেন এমনটা না। তবে যে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাড়িয়ে থাকবেন এটাই আমাদের সমাজ।

করোনা কেন শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে? ইতিহাস বলে সকল আন্দোলনের শুরুটা করেছে ছাত্রসমাজ তাহলে আজ কেন ছাত্রসমাজ নির্বাক? কেন ছাত্র সমাজ নাটকের অংশ, খেলার পুতুল। তাহলে কি ছাত্রদের মধ্যে আগের মূল্যবোধ কাজ করে না, নাকি তারাও আজ তাদের ইতিহাস ভুলে গেছে?

আজ কাল করতে করতে অনেকটা সময় জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। তাই সকল কার্যক্রম-এর মত শিক্ষা ক্ষেত্রকেও নিয়ম-নীতি নির্দেশনার মাধ্যমে চালিয়ে যাওয়ার যথাপোযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদয় দৃষ্টি কামনা করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

আশাশুনির পাইথালী বাজারে বিসমিল্লাহ স্টোরেপন্যের এমআরপি থেকে বেশি দামে বিক্রির প্রমান মিলেছে

আশাশুনির পাইথালী বাজারে বিসমিল্লাহ স্টোরেপন্যের এমআরপি থেকে বেশি দামে বিক্রির প্রমান মিলেছে

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের পাইথালী বাজাওে মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরে করোনাকালীন সময়ে ক্রেতার অসহায়ত্বের সুযোগে ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পন্যের এমআরপি থেকে বেশি দামে বিক্রির প্রমান পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঈদের পূর্বদিন সন্ধ্যার পরে উল্লেখিত স্টোরে। জানাগেছে, ক্রেতা ২ লিটারের ২টি ক্লেমন নিয়ে দোকানদারকে ২০০ টাকা দিলে ক্রেতাকে সে ৭০ টাকা ফেরত দেয়। এমআরপি অনুযায়ী ৬০ টাকা দরে ১২০ টাকার স্থানে ১৩০ টাকা নেওয়ার কারন জানতে চাইলে দোকানদার ক্রেতাকে বলেন, আমি বেশি দামে ক্রয় করেছি তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। এসময় ক্রেতা বলেন, যেখানে কোম্পানী কর্তৃক সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে বেশি নেওয়াটা তো অন্যায়। জবাবে দোকানদার বলেন এটা সিস্টেম। ক্রেতা এবং দোকানদারের দামাদামি সংক্রান্ত কথোপকথন পাশে দাঁড়ানো অন্য একজন কাস্টমার ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটিতেও ক্রেতা ও বিক্রেতার কথোপকথন শুনে এমনটি মনে হয়েছে যে, কোম্পানী কর্তৃক নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্য যেটাই হোক না কেন সে তার ইচ্ছামত দামে পন্য বিক্রি করবে। বিষয়টি নিয়ে মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরের স্বত্বাধিকারী আবুবক্কার ওরফে খোকন গাজীর ছেলে দোকানদার জিএম শামিম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার দোকানের পণ্য আমি আমার ইচ্ছা মতো দামে বিক্রি করবো। আমি এবিষয়ে কারো কৈফিয়াত দেবো না। দেশের আইন বলে একটা জিনিস আছে, আপনাকে অবশ্যই ভোক্তা অধিকার আইন মেনে চলা উচিত এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, এতে আর কি হবে বড়জোড় কিছু জরিমানা। সেটা পরে দেখা যাবে। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ইতিপূর্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, ভেজাল পণ্য বিক্রি ও লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগে জরিমানা ও গুনেছেন তিনি। কাস্টমারের সাথে দুবর্যবহার এটাতো সাধারণ বিষয় তার জন্য। এভাবেই ব্যবসা করে আজ কোটিপতি বনে গেছেন তিনি। ভুক্তভোগী ক্রেতা এবিষয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসাইন খাঁনের পরামর্শ চাইলে তিনি ভুক্তভোগী ক্রেতাকে বলেন, কোম্পানী কর্তৃক নির্ধারিত এমআরপি'ই হলো যে কোন পন্যের সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য। এটা আন্যায়। আপনি চাইলে ভোক্তা অধিকার আইনে ওই প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। এদিকে করোনাকালীন সময় সাথে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দোকানদারের এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল ও ক্রেতা সাধারণ।