অহংকার ছাড়া সিংগাপুরের একটি মন্ত্রী





মোঃ নাঈম শেখ সিঙ্গাপুর প্রতিনিধিঃ    
অহংকার কী-এ প্রশ্নের সরল উত্তর হচ্ছে, কোনো বিষয়ে নিজেকে বড় মনে করে অন্য মানুষকে তুচ্ছ মনে করার নামই অহংকার।   কাড়ি কাড়ি টাকা যার ব্যাংক একাউন্টে সঞ্চিত, সে তো যে দিন এনে দিন খায় তাকে অর্থবিত্তে ছোট মনে করেই,  অহংকার হচ্ছে তাকে তাচ্ছিল্য করা, গরীব বলে তাকে হেয় করা।
অহংকার মানে হচ্ছে মানুষকে ইগনোর করা
আর জাতিগত দিক থেকে আমাদের ভেতরে অহংকার টি সবথেকে বেশি কাজ করে,, আমাদের বাংলাদেশের  বড় কোন কর্ম কর্তাকে একটি (SMS) বা ফোন করা হলে,, বা আপনার ছাড়া  ধনী কোন লোক কে  আপনি একটা ফোন বা (SMS)করবেন আপনি তার উত্তর কোনদিনই পাবেন না.
অথচ উন্নত একটি দেশে সিঙ্গাপুর পৃথিবীর বুকে  মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে দেশের একজন মন্ত্রীকে একটা( sms) করলেও সেই sms এর উত্তর দেন.
একটু চিন্তা করে ভাবুন তো উনি (sms) এর উত্তর না দিলেও পারতেন, বা তাচ্ছিল্য করলেও পারতেন ,কিন্তু কেন তিনি( sms )এর উত্তরটা দিলেন??
কারণ  তিনি অহংকার করতে জানেন না.
                যিনি  অহংকারী মানুষ তিনি কখনো দায়িত্বশীল হতে পারে না, তিনি কখনোই নেতা হতে পারেন, তিনি কখনোই মানুষের সেবা করতে পারবে না..
কি শিক্ষা গ্রহণ করে যে ,তারা শিক্ষিত হয়েও এইটুকু মানবিক জ্ঞান যাদের ভিতরে নাই. কি আশ্চর্য সমাজের মানুষ আমরা নিজের  ধনী আত্মীয় কাছে  একজন  গরীব আত্মীয় খুবই প্রয়োজনীয় ফোন করলেও তারা ফোনটা ধরতেও ইতস্তত করি.
গরিব বলে হেয় প্রতিপন্ন করি,, এই সমস্ত মানুষ মানুষের কাতারে পড়ে??
   একটা  উন্নত দেশের মন্ত্রী হয়েও এক মিনিট তার হাতে সময় থাকে, একটা sms এর উত্তর করার জন্য, আর আমরা কি হয়ে যায়, যে আমাদের হাতে এক মিনিটও সময় থাকেনা?? মানুষকে মূল্যায়ন করতে শিখতে হবে.,, পয়সাওয়ালা লোক দেখে  এর এসএমএস এর উত্তর দিবেন আর গরিবের উত্তর দেবে না তা হবে না,
                   আসুন আমরা  মানুষকে মানুষ মনে করি, সে ধনী হোক, আর গরিব, প্রত্যেক মানুষকে মর্যাদা দিতে হবে..



সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ