মিঠুন কুমার রাজ,
পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি।
সব যন্ত্রনা ফুরালেও ক্ষুধার জ্বালা ফুরায় না সিদ্দিক চাচার পরিবারের। ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি।
বয়সের ভারে নুয়ে পড়া আবু বক্কর সিদ্দিক চাচা এখন আর কাজ করতে পারেন না। ভাল মন্দের বিচার তিনি কম বোঝেন। এক সময় দিনমজুর ছিলেন তিনি।
স্ত্রী ফাহিমা বেগম হাবাগোবা। তবুও পেটের দায়ে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে হয়। দিন যে ভাবেই কাটুক তাদের রাত কাটে চরম অনিশ্চয়তায়।
তাঁরা স্বামী স্ত্রী দুজনই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।
তাদের ভাঙ্গা ঘরে একটি মাত্র খাট। তার মধ্যে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতে হয়। দিন হলে কি করে খাবার সংগ্রহ করবে তাঁরা এ নিয়ে নির্ঘুম রাত কেটে যায় তাদের।
ভাঙ্গা ঘরে শীত আর বর্ষা মৌসুমে কষ্টের শেষ থাকে না সিদ্দিক চাচার পরিবারের।
আর বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারনে যখন সারাপৃথিবী কোণঠাসা হয়ে পরছে তখন এই পরিবারটির অবস্থা আরও শোচনীয়।
আসুন আমরা সবাই মিলে সিদ্দিক চাচর নির্ঘুম রাতটাকে পাল্টে দেয়ার চেষ্টা করি। নিভিয়ে দেই তাদের ক্ষুধার জ্বালা। নিয়াজ মাহমুদ এ তথ্য সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজকে প্রেরণ করেন।
