যশোর শহরের মধ্যে আবারো বাংলা ও চোলাইমদ বেচাকেনা শুরু




সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি। 

যশোর শহরের মধ্যে আবারো অবৈধভাবে বাংলা ও চোলাইমদ বেচাকেনা শুরু হয়েছে। গত মার্চ মাসে অবৈধ তৈরীকৃত বিষাক্ত বাংলা ও চোলাইমদ পান করে যশোর এলাকায় ১১ জন মৃত্যুর ঘটনা গোটা যশোর বাসীর মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেও আবারো চোলাইমদ বেচাকেনা শুরু হওয়ায় অনেক পরিবারের মধ্যে আতংক শুরু হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলেছেন,গত মার্চ মাসে যশোর শহরের মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে ও বাবু বাজারসহ শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে অবৈধবাবে বিষাক্ত চোলাইমদ সেবন করে যশোর শহরের গরীবশাহ মাজারের পাশের্ মনি,ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের বাসিন্দা সাবুর,ঝুমঝুমপুর এলাকার ফজলুর রহমান চুক্কিসহ জেলায় কমবেশী ১১ জন পর্যায়ক্রমে মারা যায়। এ ঘটনায় চোলাইমদ সেবন করে মৃত্যুর ঘটনায় নিহতর পরিবারের পক্ষ থেকে দু’টি ও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে পুলিশ সেই সময় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে চোলাইমদ বেচাকেনার অভিযোগে মাহমুদুল হাসান,কৃষ্ণ,সাজুসহ কমবেশী বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে। বর্তমানে উক্ত মামলাগুলি চার্জশীট দাখিলের অপেক্ষায় রয়েছে। চোলাইমদ বেচাকেনার অভিযোগে পুলিশের হাতে যারা সেই সময় গ্রেফতার হয়েছিল। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দিতে গ্রেফতারকৃতরা যাদের নাম বলেছেন তাদের মধ্যে কালো মিন্টু,ইছালী গ্রামের জাকির ছোট মহাসিন,আনারুল কারেন্ট মিস্ত্রী মনিরসহ অনেকে থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। বিগত মার্চ থেকে চোলাইমদ বেচাকেনা একেবারে বন্ধ না হলেও শহরের হরিজন পল্লী পুরাতন পৌরসভার সামনে ও শহরের রেলষ্টেশনের অদূরে রেলরোডস্থ এলাকায় সুইপার কলোনীতে অবাধে চোলাই মদ বেচাকেনা চলতে থাকে। খোদ শহরের মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে থেকে চোলাইমদের দোকান থেকে চোলাইমদ কিনে সেবন করার অভিযোগে শহরে গড়ে ওঠা চোলাইমদক বেচাকেনা সিন্ডিকেটের উপর চলে অভিযান। অভিযানে কিছু সংখ্যক সদস্য ধরা পড়ে। বাকী অংশ বিভিন্ন জেলায় ও আত্মগোপন করে থাকায় তারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। বাজারের উক্ত রোডের ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ইছালী গ্রামের জাকিরের সহযোগী ও মাদক মামলার আসামী সাবেক মাদক বিক্রেতা ফারুকের ভাইপো ছোট মহাসিন, বাবু বাজার হাটখোলা রোডস্থ পলাশ হোটেলের পাশের ভোলাসাহা আবাসিক হোটেলের সামনে কারেন্ট মিন্ত্রী মনি ,বাবু বাজার ২নং গলির সুমীর স্বামী আনারুল, উক্ত ২নং গলির গেটের সামনে পান দোকান পুলিশের কথিত সোর্স সুমন ওরফে বেকারী সুমন, মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের ২ নং গলির সর্দানী বিনার ভাই মনির হোসেন মায়ের দোয়া পান সিগারেটের দোকানের আড়ালে ডোমদে মাধ্যমে উত্তোলন করে বাংলা ও চোলাইমদ বিক্রি করে। সূত্রগুলো জানিয়েছেন উক্ত দোকানে সব সময় নারীদের নিয়ে আড্ডা করে। পতিতা সর্র্দানী বিনার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেনা। সূত্রগুলো বলেছেন, মায়ের দোয়া দোকান্দার মনিরের সহযোগী হিজড়া হাসান অবৈধ মদ আনা নেওয়াসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ করে থাকে। সূত্রগুলো বলেছে,পথচারীরা পতিতা সর্দানী বিনার অত্যাচারে ওই সড়কে চলাফেরা করতে পারেনা। করোনা ভাইরাসে সামাজিক দূরত্ব না মেনে পতিতা সর্দার্নী হাটখোলা রোডস্থ ও মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে অবস্থান নেওয়ায় ওই সড়কে ব্যবসায়ী চলাচলরত পথচারীরাঅতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ