পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃচট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ভাইখাইন ইউনিয়নে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন মেম্বার আবদুল জলিল ডাক্তারের বাড়িতে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৬জন আহত হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে তিন দফায় ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে ও দুপুরে এবং সন্ধায়। আহতরা হচ্ছেন মৃত নুরুচ্ছফার পুএ আবদুল জলিল মেম্বার, মোঃ আবদুল গফুর, তার স্ত্রী খুরশিদাা বেগম, ছেলে মোঃ দিলরাজ, মোঃ জোনায়াদ, জাবেদ হোসেন মানিক । আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে। পরে আবদুল জলিল (মেম্বার) বাদী হয়ে একই এলাকার নাজিম উদ্দীন,মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ বেলাল, মোঃ জিসানসহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায় আবদুল গফুরের ছেলে দিলরাজ(৭) এর সাথে প্রতিপক্ষ ২ নং বিবাদীর ছেলে মোঃ ইশান (১২) ভাগিনা মোঃ তাহিন এর সাথে খেলাধুলা নিয়ে মনোমালিন্য হয়। এর এক পর্যায়ে ইশান তাহিন মিলে দিলরাজকে হাত পা বেধে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাড়ির কৃষি জমির কাদামাটি পানির মধ্যে ছেপে ধরলে তার শোরচিৎকারে তার মা খুরশিদাা বেগমসহ এলাকাবাসী এসে উদ্ধার করে।এরপরে দুপুর ও সন্ধায় প্রতিপক্ষরা আবদুল জলিলের বাড়ির উঠানে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এতে আবদুল জলিল গং এর কারণ জানতে চাইলে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্র দিয়ে হামলা চালিয়ে ৬ কে রক্তাক্ত জখম করে বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে প্রকাশ। বর্তমানে এঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে যে কোন মুহূর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করেছে স্থানীয়রা। আবদুল জলিল এর পরিবার চরম নিরাপক্তারহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে সে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আহত পরিবার পটিয়া থানার ওসিসহ উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। অভিয়োগের বিষয়টি তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মিল্টন তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যাবস্তা নিচ্ছেন বলে জানান।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
