মোঃ আওলাদ হোসেন , জেলা প্রতিনিধি,ভোলা(দৌলতখান)
মাহমুদা আক্তার (২৪) গত ৪/১২/১৫ ইং তারিখে মোঃ আতিকুর রহমান(২৯) পিতা - আব্দুর রব, মাতা- নাছিমা । ধরিয়া ২নং ওয়ার্ড,পোষ্ট-মৌলবীর হাট, থানা -বোরহানউদ্দিন, জেলা- ভোলা এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর থেকেই মাহমুদা আক্তারের
পরিবারের কাছে আসামি আতিক ২লক্ষ টাকা, একটি ল্যাপটপ ও একটি মটর সাইকেল যৌতুক দাবি করে আসছিল । মেয়ের পরিবার দিতে না পারায় আতিকের অবহেলা, অপমান, দাম্ভিকতা অহংকার , উগ্রভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে মেরে ফেলতে চেষ্টা করে। এতোপাতাড়ি কিল ঘুসি ও চুল ধরে ফ্লোরে এবং দেয়ালে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে ফেলেছিল সেই তথ্য যেন কারো কাছে না বলে তাই মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে।
বিভিন্ন সময় মাহমুদার উপর নির্যাতন করে হাসপাতালে না নিয়ে বাসায় ভুল ঔষধ খাওয়ানোর কারণে চার মাস ধরে জ্বর ছিল । রক্তের পরিমাণ ৬ এ নেমে আসলেও কোন চিকিৎসা না দিয়ে পারিবারিক কাজে চাপ দিতে থাকে মৃত্যু শয্যায় মাহমুদার পরিবার হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করায়।
এভাবে নির্যাতন সহ্য না করতে পেরে চিকিৎসা নিয়ে মাহমুদা বাবার বাড়ি যায় সেখানে আতিক ও তার বাবা মা ভাই বোন একটি মীমাংসায় বসে এক পর্যায়ে আতিক ও তার পরিবারের সবাই উচ্চবাচ্য করে মাহমুদার উপর হামলা করে
এবং যৌতুকের টাকা না দিলে স্ত্রী এবং বাচ্চা না নিয়ে তালাক দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবে বলে হুমকি দেয়।
মাহমুদা এই ঘটনায় আহত হয়ে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভোলা জেলা দায়রা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
সেই মামলায় পলাতক আসামি আতিক (গত ৭ই সেপ্টেম্বর২০ ইং তারিখে) গোপনে হাজির হতে যান আদালত তাকে জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য যে আসামি আতিক ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজির ১ম ব্যাচের ছাত্র।
মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ ,ঢাকার গুলশান ক্যাম্পাসে
কম্পিউটার ল্যাব এসিস্ট্যান্ট পদে কর্মরত আছেন।
