পরিপূর্ণ নারীর অপূর্ণতা


আজহারুল ইসলাম সাদী 

___________________________

নারী আমাদের মা, নারী আমাদের বোন,

নারী আমাদের কন্যা, নারী আমাদের স্ত্রী।

সমাজ জীবনের প্রতিটি রন্ধে রন্ধে নারীর ব্যপক ভূমিকা অপরিসীম।

একথা আমরা কেউ অস্বিকার করতে পারিনা যে, সমাজে নারী ছাড়া পরিবার তন্ত্র অচল।

তাই আমাদের সবারই কতব্য নারীকে তার ন্যায্য অধিকার পাইয়ে দিতে সাহায্য করা।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, অধিকারের নামে নারীকে রাস্তায় নামিয়ে আনতে বলা হচ্ছে।

সহনশীলতার সহিত নারীকে সমাজে তার গতিতে 

চলতে দিতে হবে।

যে, নারী বিপথগামী তাকে কেউ শত চেষ্টা করে ও সু-পথে ফেরাতে পারেনা এটা আমরা স্বীকার করতে বাধ্য।

প্রতিটি কর্মে নারী অংশ গ্রহন করে সফলতা  দেখিয়ে প্রমান দিয়েছে।

যে,তারাও পারে জয় করতে।

সমাজ জীবনে প্রায় প্রতিটি কর্মের ক্ষেত্রে অবশ্যই নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

বিশ্লেষণ দেয়া যেতে পারে যেমন কোন

নারী অপরাধীর ক্ষেত্রে নারীর প্রয়োজন আছে, সে জন্য চাকরির ক্ষেত্রে নারী পুলিশের প্রয়োজন আছে। 

কর্মেক্ষেত্রের বিভিন্ন পর্যায়ে, নারীর প্রয়োজনীয়তা আমরা কখনো অস্বীকার করতে পারিনা?

তাই বলছি নারী পুুরুষ সবাই মিলে নারীর প্রতি সহনশীল হই।

তাদের নায্য অধিকার ফিরিয়ে, দেই।

তাদেরকে যেন, গৃহবন্দী না রাখি।


উদাহরণ স্বরূপ একজন নারীর সহনশীলতার পরিচয় দেয়া যেতে পারে। 


আর দশজন নারীর মত এক কর্মঠ দক্ষ এক নারীর নাম নাজমা বেগম।

সমাজের আর দশজন নারীর মত তার ও স্বপ্ন সাধনা ছিলো সুখি সংসার জীবনের।

সেই লক্ষে বুদ্ধি জ্ঞান হওয়ার পর থেকে সে বুঝতে শেখে, নারীর জীবন বিয়ের পর আবার নতুন করে শুরু করতে হয়, তাই ইসলামি শিক্ষায় গ্রামীণ রক্ষণশীল পরিবারে বেড়ে উঠা এই নাজমা বেগম

সকল প্রস্ততি নিতে থাকে।

একটা সময় তার বিয়ে হয়, সংসার জীবনের পরতে পরতে এমন ভাবে চলার চেষ্টা করেছে যে, তার কাজ কর্ম বা স্বামী সেবায় কেউ যেন খুট ধরতে না পারে।


কিন্ত কথায় বলে "অতি বড় ঘরনি না পায় বর"

সংসার জীবনের শুরুতেই তাকে কেন যেন নানা মিথ্যা অপবাদের স্বীকার হতে হয়।

একে একে জন্ম নেয় দুটি সন্তান তার পরে ও চেষ্টা করেছে অশান্তিময় সংসার টা যে কোন পর্যায়ে আকড়ে ধরার।

তার পরেও শত চেষ্টা করেও স্বামী ধনকে নিজের আয়ত্তে রাখতে পারেনি স্বামী তার হয়ে পড়ে পরকীয়ায় আসক্ত। 

এবং চলে যায় অনাত্র।


এক সময় হয়ে যায় বিচ্ছিন্ন। 

নতুন করে সুখি সংসারের স্বপ্ন দেখে, সুখি জীবনের স্বপ্ন দেখে আশান্বিত হয়, পুনরায় বিয়ের পিড়িতে পা রাখেন নাজমা।

কিন্তু বছর না গড়াতেই দেখা গেলো দ্বিতীয় স্বামী এবং তার পরিবার নাজমা কে নয় তার রুপ আর অর্থের জন্য বিয়ে করেছিলো।

সরলা মনের নারী নাজমার সাজানো জীবনের পরতে পরতে ভুল বুঝে কষ্ট দিয়ে নিঃসৃত করে দেয় তার অপরিসীম লালিত ভালোবাসাকে।


আমরা হই একে প্রতি অপরে সহনশীলতা। 

তবেই সুখি হবে নারী পুরুষের সুখি দাম্পত্য জীবন।

একজন নারীর মর্যাদা দিতে শিখি।

সমাজে শুধু নারীক ভোগের বস্তু হিসেবে দেখলে চলবেনা?

বুঝতে হবে তার মন ও আশা আকাঙ্খা।  


সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ