স্টাফ রিপোর্টারঃপাশাপোল ইউনিয়নের কালিয়াকুন্ডী বাওড়ে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে।জানা যায় গত ০২/০১ /২০২০ ইং তারিখে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে, পাশাপোল ইউনিয়নের সাধারন মানুষর জন্য কালিয়াকুন্ডী বাওড় উন্মুক্ত কোরে দিয়ে যান কিন্তু সেই বাওড়ে মাছ ধোরতে দিতে নারাজ অত্র ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বরের স্বামী জুলু। সেই সুত্রে ধরে আজ ২০/০৯/২০২০ ইং দুপুর ১২ ঘটিকার সময় আলী হোসেন শহিদুল হাফিজের বাড়ির সামনে মাসুদ আর জুলুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এক পর্যায়ে সেখানে মাছুদ (১৪) কে হুমকি দেয়। মুনতাজের দোকানে যায় মাল আনতে গেলে,, সেখানে তার বলে যে তোদের এক একটা ধরবো আর ফাড়বো,, বলার পরে ভাইপো মাছুদ(১৪) বাড়ি চলে আসে দোকান থেকে,, তার খানিক পরে ওরা ৪,পাচঁ জন আসে মজনু (২৫)জুলু (৪৫)বাবলু (২০)আর রফিকুল(২৪) তরিকুল, আমাদের পাড়াই আসে,,যখন এসেছে ঐ সময় আমরা তিন চার জোন মাঠ থেকে বাড়ি আসছিলো।
জুলু ভালো ভাবে আসলে আমাদের সামনে,, এসেই একটা গাছিদা বেরো কোরে আমার পায়ে কোপ মারে,,তার পরে আমি বেহুশ হয়ে যায়,, আর আমার সাথে যারা ছিলো তারা দোড় মেরে এক জোনার ঘরে ওঠে,, সেই ঘর ভেঙে সেই তিন জোনার মারে তার পরে বিটি লোক এক হয়ে জুলুর মারে,, আর তার চার ছেলে দোড় মারে,,
আমরা তো গরিব মানুষ ভাই চাষ কাজ কোরে খাই,, ওর জ্বালায় সারা গ্রামের লোক অতিষ্ঠ আর হয় ও থাকবে,, গ্রামে না হোলে আমাদের থাকার ব্যাবস্তা করেন
হয় জুলুর রাখেন গ্রামে না হয় আমাদের রাখেন কিছু একটা করেন
জুলু ২দিন আগে পুলিশ নিয়ে আসে,, পুলিশ টাকা খেয়ে বলে যায় ঘেরে তোমরা মাছ ধরোনা,, এই কথা পুলিশ বলে কি কোরে,, যেখানে ইউওনো এসে ল্যান্ড প্রোসাসোন,ভুমি অফিসের নায়েব নেতারা থেকে উন্মুক্ত করে,, কি কোরে বলে বলেন তো,,
আমাদের গ্রামের মহিলারা মারে জুলুর
সাত্তারের, বয়েশ,৩৬ বছর,, ওরর আলীর বয়েশ ২৭,,জসিম এর, ২৩, বছর
শহিদুল ভাইয়ের ঘরে ওঠে, আমাদের তিন জোন
