মুক্তমনী সুস্থ হওয়ার পর তাকে উপহার দিলেন ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার

মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা প্রতিনিধিঃ গত জানুয়ারি মাসে ২০২০ এ  ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণে সম্পুর্ন শরীর প্যরালাইজড হয়ে যায় ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বকুলিয়া গ্রামের ১৪ বছরের মুক্তামনী।


এমতাবস্থায় মুক্তামনী ও তার পরিবারের পাশে দাড়ায় ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার। দীর্ঘ বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ সুস্থ মুক্তমনী।


সুস্থ মুক্তমনীকে দেখতে বাসায় যান ইমন সরদারসহ আরো অনেক নেতাকর্মীরা। সুস্থ মুক্তমনীকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ইমন সরদার। সুস্থ মুক্তমনীকে দেখার পর ছাত্রনেতা ইমন সরদার জানান, ০২/০১/২০২০ তারিখে বকুলিয়া গ্রামে আমার নিজ আত্নীয় কাকা সম্পর্কে, তিনি বকুলিয়া প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রাতে ফোন দিয়ে মুক্তামনীর বিষয়ে আমাকে সব বলে, এবং তার শেষ চিকিৎসা এমতাবস্থায় ছিলো ভূল টিটমেন্ট পেয়ে পুরা শরীর প্যরালাইজড হয়ে যায়।


আমি ওই রাতে যশোর সদর হসপিটালে ওর সব বিষয় অর্থপেডিক্স ডাঃ শিমুল সাহেব বড় ভাই কে বিষয়টি অবগত করি। তিনি তার স্যার ডাঃ গোলাম ফারুক ও ডাঃ আব্দুর রউফ সাহেব এর সাথে বোর্ড মিটিং করে মুক্তামনী কে সদর হসপিটালে আনার কথা বলেন এবং ভর্তি করতে বলেন।


০৩/০১/২০২০ সকাল ০৮ টার সময় মুক্তামনী কে আমার কাছে হস্তান্তর করে হসপিটালে পরে ডাঃ শিমুল ভাই সার্বিক সহযোগিতায় বেড ও নিয়মিত টিটমেন্ট জরুরী অপারেশন এর সব কিছুই অতিদ্রুত নিজের মেয়ে মনে করে ০৮/০১/২০২০ তারিখে সফল অপারেশন করেন। ১৩/০১/২০২০ তারিখে মুক্তামনি কে হসপিটাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় এবং আল্লাহর রহমতে মুক্তামনী ওইদিন থেকেই হাত পা নাড়াতে পারতো। ১৫/০৩/২০২০ বকুলিয়া গ্রামে আমি ও আমার সফর সঙ্গী নিয়ে তাকে দেখে এসেছি খোজ নিয়েছি ও পছন্দের খাবার দিয়ে এসেছিলাম।


আমি নিজে প্রতিদিন ৩ বার যেতাম হসপিটালে ডাক্তারদের সাথে কথা বলতাম, তাদের পারিবারিক অবস্থা খুবিই সংকটপূর্ণ থাকায় রুগি ও স্বজনদের সবই দায়িত্ব একপ্রকার আমার ঘাড়েই ছিলো, আমি সেই কাজের সফল কাল রাতে একটা ফোন কল আসে মুক্তামনির পিতার মাধ্যমে জানতে পারি যে মুক্তামনি হাটতে পারে ও সে সুস্থ।


তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যশোর টিএস মেডিকেলের বড় ভাই ইব্রাহিম হোসেন ভাই তাদের তাৎক্ষণিক ঔষধ সরবরাহ করতো, খুবিই হেল্প করতো এই বিষয় নিয়ে এবং ভাই সহজটার পথ দেখাতো, যশোরে থেকে আমার অনুপস্থিততে তাদের দেখাশোনা করতো ছোট ভাই আল মামুন, জি এম শাকির, শান্ত সহ অনেকের কাছে।


আমি একসিডেন্ট করেছি তাকে জানিয়েছি মু্ক্তামনী বিষয়টি না মানায় ও তার আবদারে আজ ০২/১০/২০২০ তারিখে তার নিজ বাসায় খাবার খেয়ে, আমার প্রানের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, হাজিরবাগ ইউনিয়ন শাখার পক্ষ থেকে তার হাতে ভালোবাসার উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত বকুলিয়া গ্রামের মাওলানা রেজাউল করিম, ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার, রুবেল হোসেন, নাহিদ হাসান সোহাগ, মামুন হোসেন, জিও জনি, রাকিব হাসান, সোহান হোসেন, ফয়সাল, হাবিবুর, মুক্তামনী সহ তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ।


সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ