বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি বরাবর দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুর এর খোলা চিঠি

বরাবর,

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির, সম্মানিত সভাপতি

আমি দাইয়ানুর রহমান (মিষ্টারনুর)

সাধারণ সম্পাদক 

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, কুয়েত  শাখা

বর্তমানে আমাকে বহিস্কৃত করা হয়েছে। আমি জানতে চাই আমাকে বহিস্কৃত করার কারণটা কি??

আমাকে ০১/০৪/২০১৮ সালে কুয়েতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন শাখা কমিটি দেওয়া হয়েছিলো , আমি দাইয়ানুর  রহমান মিষ্টারনুর কুয়েত প্রবাসী হয়েও অনেক পরিশ্রমের ফাঁকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পিতা মুজিবের নামের সংগঠন বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েতে প্রতিষ্ঠাতা করি বহিবিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া ইলেকট্রনিক মিডিয়া প্রিন্ট মিডিয়া সহ রাজনৈতিক মঞ্চে বিভিন্ন আওয়ামী লীগের ও অঙ্গসংগঠন সহ সহযোগী  সংগঠনের সাথে সম্মিলিতভাবে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম প্রচার প্রচারণার মাধ্যম দিয়ে প্রতিষ্ঠা করে ব্যাপক জাঁকজমক পরিবেশে প্রচার বিস্তার লাভ করে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েত শাখা বিগত 3 বছর যাবৎ বাংলাদেশে নিযুক্ত দূতাবাসে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর আমন্ত্রণ পাই এবং দূতাবাসের মধ্যে আমাদের বক্তব্য সুযোগ থাকে এমনকি প্রতিনিয়ত আমাদের সম্প্রচার প্রবাহিত করে আলোড়ন সৃষ্টিকরি এখন আমি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চাই কি কারনে আমাকে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েত শাখা থেকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল? এর বিচার চাই বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর সম্মানিত সভাপতি সাহেবের কাছে। 

আর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েত শাখার পরিচালনায় আমার ব্যর্থতাটা কি?

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েত শাখার সভাপতি আমিনুর রহমান খান কুয়েতের মাঝে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর লিফটের লাগিয়ে ভিসা ব্যবসায়ী মানি লন্ডারিং হুন্ডির ব্যবসায়ীদের সাথে লিপ্ত থাকায় শত শত মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাদের সাথে প্রতারণা করায় আমি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর কুয়েতের কার্যক্রম তার থেকে দূরে নিয়ে আসি বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম আমিনুর রহমান খান কুয়েতে চালিয়ে যাওয়ার সূত্রে আমি তার থেকে অনেক দূরে থাকি এমনকি আমিনুর রহমান আমিন ভিসা ব্যবসা করে আমার দুই ভাইকে অবৈধ  করেছে এবং আমার দুই রিলেটিভ সহ তাদেরকে অবৈধ  করেছে জাল ভিসা বিক্রি করে আমাকে বাংলাদেশের 30 লক্ষ টাকার মতো ঠকিয়েছে এমত অবস্থায় দীর্ঘদিন একসাথে থাকা কালিন কিছু বলতে পারেনি আপনারা অবগত আছেন যে লক্ষ্মীপুর 2 আসনের এমপি জনাব শহিদুল ইসলাম পাপুল কাণ্ডে আমিনুর রহমান খান জড়িত আছেন এমনকি তার সাথে একমত পোষণ করিনি আমাদের বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর ব্যানারে আমি মানা করার সত্ত্বেও জনাব পাপুল সাহেবের নাম দিয়েছে আমাদের ব্যানারে  কিন্তু বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মহোদয় এবং সাধারণ সম্পাদক মহোদয়ের ছবি পর্যন্ত ব্যানারে জায়গা দেই নাই আমি বলার সত্ত্বেও আমাদের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ছবি ব্যানারে লাগাতে দেয় নাই আর বিভিন্ন স্থান থেকে আমার কাছে অভিযোগ এসেছে আমিনুর রহমান খান ভিসা বিক্রি করে তাদেরকে ভিসা দেয় নাই তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সেই টাকা মেরে দিয়েছে সেই সাথে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েতের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুর রহমান খানের কাছ থেকেও সাত থেকে আট লক্ষ টাকার মতো সে নিয়েছে তার টাকা ফেরত দেই নাই আমার টাকাও ফেরত দেয় না এখনো পর্যন্ত আমার দুই ভাইকে কুয়েতের লিগেলিটি পাই নাই তার জন্য আর আমি বলার সত্ত্বেও সে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি করে এমনকি কুয়েতের মধ্যে যারা অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত সে বিষয় নিয়ে আমি তুমুল ঝড় তুলি বাংলাদেশে নিযুক্ত দূতাবাসে অভিযোগ করি যারা যারা ভিসা ব্যবসা করে আমাদের বাংলাদেশীদের প্রতারিত করেছে ও অবৈধ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দূতাবাস সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলি এমনকি আমাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ভিসা ব্যবসায়ী ডোনারদের সাথে তার সম্পৃক্ত আমিনুর  আমাকে দাবানোর জন্য তারা যেভাবে বলে সেইভাবে আমার সাথে আচরণ করে এ নিয়ে আমি যেন ভয় পাই সেই হিসেবে করে ষড়যন্ত্র ও আমাকে কি ভাবে বিপদে ফালানোর যায় সে চেষ্টা করে ।

এ ব্যাপারে এমন কি আমি সাধারন সম্পাদক মোজাম্মেল হক  মহোদয়কে ফোন করে অবগত করেছি তিনি বলছেন সুন্দরভাবে একটা কমিটি তৈরি করে দাও আমি সেই কমিটিকে অনুমোদিত করে দিব। এই কথা শুনে আমি ভালো দক্ষ প্রকৃত মুজিব আদর্শের সৈনিক সভাপতি খোঁজে  ছিলাম এরই মাঝে সিদ্ধান্ত নিলাম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিচিত লাভ করে যে অর্জন করেছি সেই অর্জনের পেক্ষাপটে আমি নিজকে সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদককে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি আনার জন্য তৈরি ছিলাম এরই মাঝে কিভাবে জানতে পারে আমিনুর রহমান আমিন খান সে 3 বছর পরে যোগাযোগ করে সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক সাহেবের কাছে কিভাবে ভুলভাল বুঝিয়ে আমাকে মাইনাস করার জন্য ষড়যন্ত্র করে সার্থক হল আমি জানতে চাই রাজনৈতিক কর্মকান্ডে তার পূর্বের অবস্থানসহ কুয়েতের মাঝে তার দুর্নীতি ভিসা ব্যবসা এবং তার স্ট্যাটাস বংশমর্যাদা পরিচয় কি আসলেই কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদ মোজাম্মেল হক সাহেব কি জানেন??

কি করে তার কথা শুনে বিনা নোটিশে আমাকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল?? আমি জানতে চাই বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে বিচার চাই সভাপতি মহোদয় এর কাছে দেশ ও জাতির কাছে।

আসলে কি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন টাকার কাছে বিক্রি হয়?? বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কি টাকার কাছে অদক্ষ ব্যক্তির কাছে মাথা নত করে??

আমি অভিযোগ দেওয়ার সত্বেও সেই ব্যক্তির যাচাই-বাছাই না করে তাকে কি করে সভাপতি বহাল রাখে?? আর যাকে সাধারণ সম্পাদক করেছে তার যোগ্যতা এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পূর্বের কোন পরিচয় পত্র আছে কিনা এ বিষয়ে খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করছি। 

আর একটা কথা বলতে চাই আমাকে বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে সহ-সম্পাদক করেছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক 

আমি কিন্তু কুয়েতে জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কার্যক্রম চালু করি নাই। কুয়েতে আমার জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের কোন পদ-পদবী নাই। এটার জের ধরে কেন সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক সাহেব দুই নৌকায় পা রাখার অভিযোগ করে?? নেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর মধ্যে পার্থক্যটা কি??

কুয়েতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর পরিচয় আমার পরিচিত বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কুয়েত শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমি পরিচিত।প্রতিটি কার্যক্রম বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন নিয়ে করি।আর আমি জানতে চাই জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ আর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর মধ্যে পার্থক্যটা কি??

জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ কি মোস্তাকের বা রাজাকারের কোন সংগঠন?? না আওয়ামী লীগ বিরোধী সংগঠন।তাহলে কি করে এই সংগঠনের নাম থাকায় আমাকে অবজেকশন করা হয়?জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ একটি সংগঠন ও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আরেকটি সংগঠন তাহলে সমস্যাটা কি??আমার রাইট  নয় জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিশোধ করা?? আমার কি রাইট  নয় বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন করা??

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন একটি সামাজিক সংগঠন এই সংগঠনের সাথে থেকে যে কোন সংগঠন করা যায় কিনা?? আপনার কাছে জানতে চাই

তাহলে মোজাম্মেল হক সাহেব সহ কেন্দ্রীয় যত নেতৃবৃন্দ আছেন তারা কি অন্যান্য সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত নয়??

তাহলে আমার প্রতি কেন এই অবিচার করা হলো।।

নওরীন রাদ্রিকা সাংগঠনিক  সম্পাদক সে আমাকে আনফ্রেন্ড করল কোন কারনে??

জননেত্রী  শেখ হাসিনা পরিষদের না করার জন্য বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর গঠনতন্ত্রে লেখা আছে কিনা আমি জানতে চাই দেশ ও জাতি জানতে চায়?? 

ফেসবুক প্রোফাইলে আপনারা চেক করে দেখুন প্রতিটি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর নেতৃবৃন্দকে কার কত কিভাবে প্রচার প্রচারণা করা আছে। আর ফেসবুকে প্রচার আমার যতোটুকু আমি করে যাচ্ছি  তাহলে আইডি স্ক্রিনশট দিয়ে প্রচার ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক সাহেব কে বলেছে আর আমার প্রোফাইল স্ক্রিনশট দিয়ে উনি কি বুঝাতে চায়??

আমি কি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক না জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী না??

আমি কি রাজাকার কি বুঝাতে চায় মোজাম্মেল হক সাহেব আমি বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মহোদয়ের কাছে বিচার চাই মোজাম্মেল হক সাহেবের এই কাজগুলা কেনো করছে। বিনা নোটিশে বিনা কারণে আমাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে মোজাম্মেল হক সাহেব যে স্ট্যাটাস পোস্টগুলো দিচ্ছেন তার বিরুদ্ধে আমি তীব্র নিন্দা জানাই এই সকল কর্মকাণ্ডের জন্য বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মহোদয় সাহেবের কাছে বিচার চাই। 


নওরিন রাদ্রিকা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর কেউ নন সে উস্কানিমূলক কথা বলার কে এর জবাব চাই নওরীনের কথামতো কিসের জন্য মোজাম্মেল হক সাহেব চলবে তাহলে কি বুঝবেন এখানে?? 

ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ সকলকে।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু 

জয় বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।মোজাম্মেল হক সাহেব 

((দাইয়ানুর রহমান মিষ্টারনুর))

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, কুয়েত শাখা।


সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ