সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ গ্রামভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ -২০২০ অনুষ্ঠিত দশতম কর্মদিবসের আজ নবম দিন। আজ ৯ম কর্মদিবসে ৬৪ জন সদস্য নিয়ে গঠিত আনসার ভিডিপি ট্রেনিং সেন্টারে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আমজাদ হোসেন, জেলা কমান্ডার, যশোর। পরিদর্শন করতে এসে জেলা কমান্ডার আমজাদ হোসেন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সদস্যদের উদ্দেশ্য করে আনুষ্ঠানিক ভাষন ও মৌলিক প্রশিক্ষণের বিষয়াবলি তুলে ধরেন। তাছাড়া ৯ দিন পর্যন্ত প্রশিক্ষণরত সদস্যরা কি জানতে বা শিখতে পারলেন তা সদস্যদের ভেতর থেকে উপস্থিত বক্তব্যের মাধ্যমে উত্তরে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা।
শিহ্মারত পাপিয়া সুলতানা বলেন, আনসার ভিডিপি ট্রেনিং পেয়ে নিজেকে গর্ববোধ মনে করছি। আমি এখন একজন সচেতন নাগরিকের মতো যে কোনো জায়গায় ভূমিকা পালন করে দেশের আইন শৃঙ্খলায় নিয়োজিত সকল উন্নয়ন মূলক কাজ সহ নারী ও শিশু উন্নয়ে কাজ করা , মাছ চাষ, আনুষ্ঠানিক বিভিন্ন বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে সাহস যোগাবে এই ট্রেনিং।
মাসুদ রানা বলেন, এই ট্রেনিং সেন্টার জড়িত থাকতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি সাধারন ছাত্রছাত্রীদের থেকে অনেক আলাদা হয়ে গেলাম। আমি আইন শৃঙ্খলা কিছুটা হলেও মানুষকে সচেতন করতে পারবো যা আগে পারতাম না।
ইয়াসমিন, এম এম কলেজ, মাস্টার্স বলেন, আমার হাইট কম হওয়াতে আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীতে যোগ দিতে পারি নি কিন্তু আমি আনসার ভিডিপি ট্রেনিং পেয়ে নিজেকে গর্ববোধ মনে করছি। আমি এখন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সদস্য। আমি সাধারন ছাত্রছাত্রীদের থেকে অনেক আলাদা হয়ে গেলাম। আমি ভবিষ্যতে ভালো পজিশনে নিজেকে জহির করাতে চেষ্টা করব।
আনসার ভিডিপি কমান্ডার আমজাদ হোসেন আরো বলেন, আমাদের সদস্যদের দৈনিক ১৫০ টাকা চাঁদা প্রদান করি। কিন্তু ৫০ টাকা ব্যাংকে জমা রেখে সদস্যদের সার্টিফিকেটের সাথে তাদের একটা লোন সেকশনের বই দেওয়া হবে সেখানে ১০ দিন কর্ম দিবসের ৫০ টাকা করে ৫০০ টাকা জমা থাকবে। আনসার ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সদস্যরা তার সার্টিফিকেট দেখিয়ে লোন নিতে পারবে। তাছাড়া দশ দিনে ১০০ টাকা করে মোট ১০০০৳ প্রদান করা হবে।
আনসার ভিডিপি ট্রেনিং সেন্টারে সদস্যরা দিনে ৮ ঘন্টা প্রশিক্ষণ নিয়ে নিয়ে দশ দিন প্রশিক্ষণ গ্রহন করছেন। আনসার উপজেলা প্রশিক্ষক বলেন, আমাদের ট্রেনিংয়ের সময় আরো দীর্ঘায়িত করলে আমরা ছেলেমেয়েদের ভালো প্রশিক্ষণ দিতে পারবো।
