---------- Forwarded message ---------
From: Molla Abdus Sattar <mollaabdussattar44@gmail.com>
Date: Sun, Apr 12, 2026, 3:51 PM
Subject: কেশবপুর যশোর সংবাদ
To: <dsangram@gmail.com>, <mohsinlectu@gmail.com>
From: Molla Abdus Sattar <mollaabdussattar44@gmail.com>
Date: Sun, Apr 12, 2026, 3:51 PM
Subject: কেশবপুর যশোর সংবাদ
To: <dsangram@gmail.com>, <mohsinlectu@gmail.com>
কেশবপুরে অস্তিত্ব সংকটে মথুরা রায় সান্ডুলির ৮০০ বছরের জমিদার বাড়ি কালের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
মোল্লা আব্দুস সাত্তার, কেশবপুর (যশোর)
ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ৮‘শ বছরের পুরনো কেশবপুরের কপোতাক্ষের তীরে সরসকাটি গ্রামের মথুরা রায় সান্ডুলির জমিদার বাড়ির খবর রাখে না কেউ। ইংরেজ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত লাল রঙের এ জমিদার বাড়িটি ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজও সাক্ষ্যবহন করেছেতারা । বাড়িটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় অযত্নে অবহেলায় অস্তিত্ব সংকটে এর ঐতিহ্য হারাচ্ছে। বাড়িটি পূরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষণের দাবী স্নানীয়দের।
এলাকাবাসি জানায়, ১৭৫৭ সালের পর ইংরেজ শাসনামলে জমিদারী প্রথা চালু হলে কেশবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী সরসকাটি এলাকার জমিদার মথুরা রায় সান্ডুলি তার কাছারী বাড়ি হিসেবে ৮ কক্ষের ভবনটি নির্মাণ করেন। সেসময় এখান বসে বিভিন্ন অঞ্চলের প্রজাদের কাছ থেকে কর-খাজনা আদায় করা হতো। যেসব জমিদাররা খাজনা আদায় করতেন তাদের মধ্যে মধ্যে সরসকাটির মথুরা রায় সান্ডুলির জমিদার বাড়িটি অন্যতম। তবে কত সালে বাড়িটি তৈরি হয় তা জানা যায়নি। চুন-শুরকির নির্মিত বাড়িটির নির্মাণ শৈলী মুঘল সম্রাজ্যে স্মৃতি বহন করে বলে প্রততত্ত্ব বিধগণের ধারণা। বাড়িটির সামনের বারান্দার দুই পাশ দিয়ে ওঠা-নামার সীঁড়ি আজও বিদ্যমান। বাড়িটির বারান্দায় এক মিটার পুরু ১২টি পিলারের উপরে মিনার আকৃতির। যা খোলা প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দীর্ঘ দিনেও এ পুরাকীর্তি পুণঃসংস্কার না হওয়ায় জরাজীর্ণ হয়ে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে।
স্নানীয়দের ভাষ্যমতে, জমিদার মথুরা রায় সান্ডুলির শেষ বংশধরের ৩ একর সম্পত্তিসহ দুই সহদর ছিল। তারা হলেন, সতিস রায় সান্ডুলি ও মতি রায় সান্ডুলি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের সময় এ বাড়িসহ সকল সম্পত্তি অন্যের দখলে চলে যায়। এরমধ্যে সতিস রায় সান্ডুলির জমি সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদেরের ও মতি রায় সান্ডুলির জমি এলাকার রাজ আলী গাজী, আহাদ গাজী, এরশাদ গাজী, আকছেদ গাজী ও আকবর আলী গাজীর দখলে চলে যায়। তবে জমিদার মথুরা রায় সান্ডুলির ওয়ারেশ দাবি করে যশোরের বাসিন্দা বাসু রায় সান্ডুলি যশোর আমলী আদালতে একটি মামলা করেছেন। যা আদালতে বিচারাধীন থাকায় জমিদার বাড়িটির ভগ্নাবশেষ আজও অখ্যাত রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পূরাকীর্তির একতলা ভবনটি ৮কক্ষ বিশিষ্ট। যার ছাদে উঠতে মাঝখান দিয়ে সীঁড়ি ঘর ব্যবহার করা হতো। এর ছাদ লোহার কড়ে-বর্গায় নির্মিত। আবর্জনায় ভরা পুরাকীর্তিটি রক্ষনাবেক্ষণের অভাবে জ¦রাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। চুন শুরকির গাথুনির ভবনটি ভিন্ন রঙ ধারণ করে আজও দন্ডায়মান। বাংলাদেশ প্রততত্ত্ব অধিদপ্তর পুরাকীর্তি হিসেবে জমিদার বাড়িটি সংরক্ষণ করে এর পুণঃসংস্কার করলে এ বাড়িটি হতে পারে অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।
মোল্লা আব্দুস সাত্তার।
কেশবপুর, যশোর।
মোবা-০১৭১২৭৪৮৪১৩
তাং- ১২৮.০৪.২০২৬
Oil Company