আব্দুল আহাদ, নন্দীগ্রাম : বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন মোড় তৈরি হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিনসহ ৬ জন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বগুড়া জেলা ছাত্রদল।মঙ্গলবার (১২ মে) জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান এবং সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশ এ সিদ্ধান্তে অনুমোদন করেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার পাওয়া নেতারা হলেন, নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান পলিন, দপ্তর সম্পাদক সাজু আহমেদ, প্রচার সম্পাদক সুজন মাহমুদ, সদস্য শাকিল আহম্মেদ, মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আফিফ হোসেন এবং ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম। এর আগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সংগঠনের অভ্যন্তরে বিষয়টি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা-পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের আবেদন এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা হয়। শেষ পর্যন্ত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের স্ব-স্ব পদে পুনর্বহাল করা হয়।দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে সকল নেতাকর্মীকে দলীয় নিয়ম-নীতি মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর প্রতিক্রিয়ায় রাকিবুল হাসান পলিন বলেন,দলের সিদ্ধান্তই আমার কাছে সর্বোচ্চ। আমি সবসময় দলের নির্দেশনা মেনে চলেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবো। সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও আদর্শ রক্ষায় আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
