news

আত্রাইয়ে ঈদের শেষ হাটে  কোরবানির হাটে মানুষের ঢল,লাখ টাকার গরু ঘিরে জমজমাট বেচাকেনা


মোঃ ফিরোজ আহমেদ 
রাজশাহী ব্যুরো
Uploaded Image


 নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আহসানগন্জ ঈদের শেষ পশুর হাট এখন যেন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।কোরবানির শেষ সময় ঘনিয়ে আসতেই হাটজুড়ে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা গরু,ছাগল ও ভেড়ায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট এলাকা।বিশেষ করে মাঝারি আকারের দেশি গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।এই হাটে গরু আসা শুরু হয়। মঙ্গলবার  সকাল হতে না হতেই আহসানগন্জ  পশুর হাটে মানুষের ঢল নামে।মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ আহসানগন্জ হাটে সকাল হতে না হতেই মানুষের ঢল নামে
হাটের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত গবাদিপশু আর দরদামের  জমে ওঠে ঈদ বাজারের প্রাণচাঞ্চল্য। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকেও বিপুল সংখ্যক বিক্রেতা পশু নিয়ে হাটে আসেন। অন্যদিকে পরিবার-পরিজন নিয়ে পছন্দের পশু কিনতে আসেন অসংখ্য ক্রেতা। হাটে ঘুরে দেখা যায়,বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের দেশি গরুর প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি। তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের গরু পাওয়ায় এসব গরুর চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে মাঝারি গরুর দামও ছিল বেশ চড়া। তবুও দরদাম শেষে হাসিমুখে গরু কিনে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে অনেককে।গরু বিক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, আমি হাটে একটি গরু এনেছিলাম। আল্লাহর রহমতে ভালো দামে বিক্রি করতে পেরেছি। এবার বাজারে ক্রেতা অনেক বেশি,তাই বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। নাটোর থেকে গরু কিনতে আসা ব্যাপারী আব্দুল জলিল বলেন, আমার পরিকল্পনা ছিল ১০টি গরু কেনার। কিন্তু বাজারে দাম একটু বেশি হওয়ায় এখন পর্যন্ত ৫টি গরু কিনেছি। 

হাটের ইজারাদার জানান,আহসানগন্জ পশুর হাট  আত্রাইয়ের অন্যতম বৃহৎ ও নিরাপদ পশুর হাট হিসেবে পরিচিত। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপদ পরিবেশ ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকায় প্রতি বছরই এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। কোরবানির আগের হাট হওয়ায় এবার পশুর আমদানিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
এদিকে হাটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আত্রাই  থানা পুলিশের টহল টিম ছিল সার্বক্ষণিক তৎপর। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান,ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে পশু ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ