আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধিঃ প্রতাপনগরের মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিনিয়ত ছিনিমিনি খেলছে। বানভাসি মানুষের কষ্ট শেষ হয়েও যেনো হচ্ছেনা শেষ। প্রবাদ বচনে আছে অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকিয়ে যায়। তেমনি যেনো শত চেষ্টা করে ও বিফল হচ্ছে প্রতাপনগরের প্লাবিত মানুষ। বিগত ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান থেকে লবণপানি ও সকল প্রতিকূলতার সাথে সংগ্রাম করে জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের। এরই মধ্যে মড়ার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দেয় বিগত ২০ আগস্টের জোয়ারের উচ্চতা এবং তিব্র স্রোতেসকল কিছু পানির নিচে তলিয়ে উপকূলীয় প্রতাপনগর ইউনিয়নের প্রধান কার্পেটিং সড়ক ভেঙে, উপজেলা, জেলা শহরে যাতায়াতের ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য পৌঁছাতে ও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। যাতায়াতের একটি মাত্র ব্যবস্থা নৌকা, প্রবল স্রোতে নৌকাডুবির ঘটনা ও ঘটেছে নিয়মিত। নোংরা, পঁচা পানিতে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। আমাবস্যার জোয়ার কিছুটা ছোট হলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ডাকে সাড়া দিয়ে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমেরভিত্তিতে প্রধান কার্পেটিং সড়ক আটকাতে চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়। তারপর ও সকল প্রতিকূল অবস্থা উপেক্ষা করে বিগত ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল থেকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব শেখ জাকির হোসেন উপজেলা পরিষদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতার মাধ্যমে সকল স্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে, এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে, বেশ কয়েকদিন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে প্রধান কার্পেটিং সড়কের কালভার্টের পাশদিয়ে রিংবাঁধ দিতে সমর্থ হয়। কিন্তুু সোমবার সকালে জোয়ারে পানি বৃদ্ধি হয়ে সকল পরিশ্রম প- করে দিয়ে প্রধান কার্পেটিং সড়কের রিংবাঁধ দুই জায়গা থেকে ভেঙে যায়। সারাদিন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেনের নিজস্ব অর্থায়ন এবং এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতা নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্টটি আটকাতে সক্ষম হয়।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
