এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ।
ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি
কৃষিই সমৃদ্ধি প্রতিপাদ্যেকে সামনে রেখে ঝালকাঠির রাজাপুরে সূর্যমুখীর বিভিন্ন জাতের ফলন তারতম্য প্রদর্শনীর ওপর এক কৃষক মাঠ দিবস ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার উপজেলা সদরের মুক্তিযোদ্দা মিলনকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। বারি (ওএফআরডি) আয়োজিত বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাদারীপুর, ও শরীয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সূর্যমুখী (জাত: সানরাইজ-২) সূর্যমুখী প্রদর্শনীর মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা রিয়াজুল্লাহ বাহাদুর। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ভোজ্য তেল হিসেবে সূর্যমুখী অনন্য। সে সাথে মনের খোরাকও যোগায়। শরীরের কোনো ক্ষতি নেই। বরং হিতকর। জাত হিসেবে বারি সূর্যমুখী-২ উৎকৃষ্ট। এর বীজ সংরক্ষণ করা যায়। তাই উৎপাদন খরচ কম। চাষে লাভজনক। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি প্রতি ইঞ্চি জমি চাষবাদের আওতায় এনে দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃ্দ্ধিতে অংশগ্রহনের জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান । আর বেশি বেশি সূর্যমুখী ফসল চাষ ও সূর্যমুখী তৈল ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে মাঠ দিবসে হাইব্রিড ও ইনব্রিড জাতের বীজ ব্যবহার, ফলনের পার্থক্য, উৎপাদন ব্যয়সহ বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আর বেশি বেশি সূর্যমুখী ফসল চাষ ও সূর্যমুখী তৈল ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করেন।
উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা মেহেদী হসোনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সিনিয়র শিক্ষক জনাব সাইদুর রহমান। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আসলাম হোসেন মৃধা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কর্মকর্তা এ্যানি আক্তার ও হালিমা আক্তার স্মৃতি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সূর্যমুখী উৎপাদন, বিস্তার এবং সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতাধীন ৪০ জন স্থানীয় কৃষক অংশগ্রহণ করেন। এসময় কৃষি বিভাগ তৈল ফসল সূর্যমুখী চাষ করতে উৎসাহিত করে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।
