তুহিন রানা (আব্রাহাম), খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ করোনা ভাইরাসের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবেলার জন্য এবং হঠাৎ করেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে আজ সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন পিএএ মহোদয়ের নির্দেশে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা জনাব মোঃ ইউসুপ আলী মহোদয়ের তত্ত্বাবধানে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন জনসমাগমপূর্ণ স্থানে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব প্রদান করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব দেবাশীষ বসাক।
কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাস্ক-বিহীন অসংখ্য মানুষকে চলাফেরা করতে দেখেন। এসব মানুষের কিছু সংখ্যক আর্থিকভাবে স্বচ্ছল অথচ অসচেতনভাবে মাস্ক পরিধান করেন না। কিছু মানুষ আছেন যারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধানের নিমিত্তে নিয়মিত মাস্ক ক্রয়ের ক্ষমতা রাখেন না। এরকম পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন, খুলনা এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে।
স্বচ্ছল অথচ মাস্ক পরার বিধান অমান্যকারী ব্যক্তিগণকে জরিমানা আরোপ না করে সেই অর্থে মাস্ক ক্রয় করে গরীব-দুঃখী মানুষকে বিতরণ করতে বলা হয়। আইন অমান্যকারী স্বচ্ছল ব্যক্তিরা নিজ অর্থে মাস্ক ক্রয় করে রিক্সাচালক, দিনমজুর, ভিক্ষুকসহ অসহায় গরীব মানুষকে মাস্ক বিতরণ করেন।
এছাড়াও অপ্রাপ্ত বয়স্ক আইন অমান্যকারীর অভিভাবকদের ফোন করে তার পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে এবং মাস্ক পরিধান ব্যতীত বাড়ির বাইরে বের না হওয়া নিশ্চিত করতে যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অপরদিকে কিছু দোকানে ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্রয়-বিক্রয় করায় দোকান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই মনিটরিং কার্যক্রমে সহায়তা করেন দৌলতপুর থানা পুলিশের সদস্যগণ।
