লোহাগড়াতে নবগঙ্গা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটারের নামে মানুষের সাথে প্রতারণা

মো:আজিজুর বিশ্বাস,স্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃনড়াইল জেলার লোহাগড়া পৌরসভা এলাকার মশাঘুনী গ্রামে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই  নবগঙ্গা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটারের কারখানায়  অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বোতলে করে পানি বিক্রি করে মানুষকে ঠকানো হচ্ছে বলে দেখা যায়।

২৯ শে এপ্রিল ২০২১বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিরিবিলি পিকনিক কর্নারের মেইন গেটের দক্ষিণ পাশে ফাঁকা জায়গাতে একটা ফ্লাট বাড়ি করে সেখানে কিছু মেশিন লাগিয়ে বানানো হয়েছে নবগঙ্গা পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার কারখানা, এই ফ্লাটের এক পাশে রয়েছে ফ্যামিলি বাসা, ও অপর পাশে এই পানির কারখানা, কারখানার ভিতরে রয়েছে কর্মচারীদের এটাস্ট বাথরুম, ওই বাথরুমের ভিতরে গিয়ে দেখা যায়,অনুমান১০০শত পানির বোতল, এবং একজন কর্মচারী কে প্রেশাব করতে বাথরুমে।




 এ সময় সেখানে সাংবাদিকদের দেখে হাজির হয় কারখানার মালিক শেখ শাহ্ আলম,এর ছেলে,শেখ তৈমুর রহমান, তখন তৈমুর এর সাথে কারখানার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নতুন কারখানা করেছি এবং কর্মচারীদের জন্য বাথরুম বানানো হয়েছে, এসময় ওই কারখানা তৈরীর সরকারি অনুমোদনের বিষয়ে কথা হলে তৈমুর রহমান বলেন সরকারি সব কাগজ আছে,তখন কাগজ চাইলে বলেন কাগজ তার পিতা: শেখ শাহ্ আলমের কাছে আছেন, এবং তাদের কারখানায়   তৈরি এই পানি ১০০% পিওর বলে দাবি করেন। এবং বাথরুমের ভিতরে থাকা বোতলের কথা বলেন ওটা পরিস্কারের জন্য ওখানে রাখা হয়েছে। 


এরপরে মুঠোফোনে শেখ শাহ্ আলম এর সাথে কথা হলে প্রথমে তিনি সাংবাদিকদের বলেন,সরকারি সব কাগজ আছে,সেটা দেখানোর জন্য বলা হলে পরে শেখ শাহ্ আলম বলেন  কাগজপত্রের প্রসেসিং এর কাজ চলতেছে, তখন তিনি আরে জানায় তিনি নিজে  সাংবাদিক,এই বলে পরিচয় দিতে থাকে ও বলেন, আপনার সাথে সাক্ষাতে কথা হবে,এত কিছু জিজ্ঞেস করার দরকার নাই।
এ সময় শেখ শাহ্ আলমের কথাতে বুঝাই যে সরকারি কোনো অনুমতি ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে  তৈরি করা হচ্ছে নবগঙ্গা পিওর  ড্রিংকিং ওয়াটার। 


এ সময় কয়েকজন নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক পথচারীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, অনেক দিন যাবত দেখেছি,দিঘলিয়ার কুমড়ি গ্রাম থেকে এসে তারা এই ফাঁকা যাইগায় বাড়ি করে এই পানির কারখানা করেছেন ও ব্যবসা করছেন।তখন তারা আরো বলেন, এখানে যে ভাবে পানি বোতলে ভরা হয় তাতে মনে হয় না স্বাস্থ্যকর পরিবেশেই কারখানা হয়েছে।

 তখন পথচারী নান্নু শেখ নামে এক যুবকের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এটা প্রশাসনের নজরে আনা উচিৎ, টাকা দিয়ে মানুষ কেনো এই পানি কিনে খাবে বলে জানান। 

শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট