লাকসামে সুদি ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে বেড়াজালে নিঃস্ব হাজারো পরিবার

মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজঃকুমিল্লা লাকসাম উপজেলায় রমরমা চলছে সুদের ব্যবসা। সুদ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্যে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে হাজারো পরিবার। বর্তমানে এসব পরিবার সহায়-সম্বলহীন হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সুদের বেড়াজাল থেকে বের হতে না পেরে ভিটেমাটি ছেড়ে এমনকি নিজের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভোগীরা। এমন কি কিছু সুদি ব্যবসায়ী আছে অনেক এর শেষ আশ্রয়স্থল ভিটেমাটিও দখল করে নেন।  প্রশাসন এসব সুদী কারবার এদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় এদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শতাধিক ব্যক্তি প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা নিয়ে রমরমা চালাচ্ছেন এই সুদের ব্যবসা। তাদের দালাল রয়েছে কয়েক শতাধিক। সুদি ব্যবসায়ীদের মধ্যে কিছু ক্ষমতাসীন লোক রয়েছেন। এই কারণে এলাকার কেউ সুদ খোর দের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ করতে পারছেন না বলে জানা যায়।
সুদি ব্যবসায়ীরা হাট-বাজার কেন্দ্রিক ব্যবসা গড়ে তুলছেন। হাট-বাজারের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা এই ব্যবসার বেড়াজালে আটকে রয়েছে। উপজেলার দৌলতগঞ্জ  বাজার থেকে শুরু করে বড়ছোট সকল ধরনের দোকানসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় এবং বাসাবাড়িতে  চলছে সুদের রমরমা ব্যবসা। এছাড়া, উপজেলার প্রায় প্রতিটি স্বর্ণের দোকানে সোনা বন্ধক রেখে প্রকাশ্য সুদের ব্যবসা করা হচ্ছে। 

সঠিক সময়ে টাকা ফেরত না দিতে পারলে সোনা ফেরত দেন না দোকানদাররা। এসব সুদি ব্যবসায়ীরা কৃষক শ্রমিক দিনমজুর ও অসহায় পরিবারের কাছে এসব সুদের টাকা দিয়ে থাকেন। এদের  থেকে সুদের টাকা উঠানো খুব সহজ। ব্যবসায়ীরা এক মাসে ১লক্ষ্য  টাকা থেকে ২০থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় লাভ করে। 

ক্ষেত্রবিশেষ সুদের হার বৃদ্ধি পেয়ে থাকে বলেও জানা গেছে।সময় মত টাকা পরিশোধ করতে না পারলে ভুক্তভোগীর উপর হামলা চালায় সুদ ব্যবসায়ির দালাল বাহিনী। এই কারণে ভিটেমাটি বিক্রি করে দেশান্তরী হয়েছে কয়েকশো পরিবার। এছাড়াও সুদের বেড়াজালে আটকে রয়েছে হাজারো পরিবার।

শেয়ার করুন

প্রকাশকঃ

অফিসঃ হাজী সিরাজুল ইসলাম সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর মোড়, ছুটিপুর রোড, ঝিকরগাছা, যশোর।

পূর্ববর্তী প্রকাশনা
পরবর্তী প্রকাশনা