বক্তব্যে আরও বলা হয়, হামলায় জামায়াতের একাধিক নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন এবং তাদের উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে নারীকর্মীদের প্রচারণায় বাধা প্রদান ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও তোলা হয়, যা মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।জামায়াত নেতারা দাবি করেন, কিছু রাজনৈতিক পক্ষ নিজেরাই হামলা চালিয়ে নাটক সাজিয়ে দোষ চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ পর্যন্ত অন্তত ৫০ জনের বেশি জামায়াত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। অবিলম্বে ভোলা-২ আসনে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতের আমির মোঃ মাকসুদুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি আবুল কালাম, বোরহানউদ্দিন পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা আমানুল্লাহসহ দলটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
