ফুটবল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফুটবল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মেসির দূর্দান্ত অভিষেক!

মেসির দূর্দান্ত অভিষেক!

লিওনেল মেসি

ক্রীড়া ডেস্কঃ  লিওনেল মেসির অভিষেককে ঘিরে কয়েক দিন ধরেই উত্তাপ বাড়ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলে। মেসির পায়ে বল দেখতে মুখিয়ে ছিলেন ভক্ত-সমর্থকেরা। সেই সঙ্গে কিছুটা শঙ্কাও কি ছিল না! আগের অভিষেকগুলোতে সেভাবে নিজেকে রাঙাতে পারেননি আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। এবারও তেমন কিছু হয় কি না, তাই নিয়ে ছিল যত শঙ্কা।

লিগস কাপে মেক্সিকান ক্লাব ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে মেসি মাঠে নামেন ম্যাচের ৫৪ মিনিটে। এরপর ৯৪ মিনিট পর্যন্ত একরকম সাদামাটা মেসিকেই দেখা গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, আরও একবার হতাশা নিয়েই অভিষেক ম্যাচ শেষ করবেন মেসি।কিন্তু কে জানত এবারের গল্পটা ভিন্নভাবে শেষ হবে! অন্তিম মুহূর্তে ২০ গজ দূর থেকে মেসি আবির্ভূত হলেন দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক নিয়ে। টপ কর্নার দিয়ে বল জালে জড়িয়ে নিজের অভিষেক রাঙানোর সঙ্গে দুই মাসের বেশি সময় পর জয়ও এনে দিলেন ইন্টার মায়ামিকে। দুর্দান্ত এ গোলে মেসি প্রলেপ দিয়েছেন আগের অভিষেক ম্যাচগুলোর ক্ষতেও। এখন মেসির দুর্দান্ত অভিষেকের দিনে দেখে নেওয়া যাক তাঁর আগের অভিষেকগুলো কেমন ছিল।

আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার কারণে দুই রাকাত নামাজ আদায়

আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠার কারণে দুই রাকাত নামাজ আদায়

আব্দুর রাজ্জাক, হরিরামপুর প্রতিনিধি:মানিকগঞ্জ জেলা হরিরামপুর উপজেলা চালা ইউনিয়ন উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মোঃ হাসমত খান এর ছেলে উজ্জল  খান আজকের খেলা আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়া আর্জেন্টিনা খেলায় জেতার কারণে আনন্দের সাথে মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়ে এসেছে,তুলনামূলক সে অবশ্য পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়ে না কিন্তু আজকের খেলা আর্জেন্টিনা জেতার কারণে সে মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে এসেছে।

তিনি একজন ব্যবসায়ী খেলাধুলা বিনোদন একটু বেশি পছন্দ করেন।আর্জেন্টিনার কঠিন ভক্ত।তার বিশ্বাস এবার আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ নেবে। এটাই তার আশা-প্রত্যাশা কামনা।

কে হাসবে ১১ তারিখে, নেইমার না মেসি?

কে হাসবে ১১ তারিখে, নেইমার না মেসি?

মিঠুন কুমার রাজ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
চাই নতুন কিছু হোক 
নয়তো তৃপ্তি আসবে না। একবিংশ শতাব্দীতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মোট বড় চারটি টূর্ণামেন্টে মুখোমুখি হয়েছে। চারটি টূর্ণামেন্টে ৩ বার ফাইনাল এবং ১ বার সেমি-ফাইনাল ম্যাচে পরস্পরের দেখা হয়েছে। 
৪ টি ম্যাচেই আর্জেন্টিনা লজ্জাজনক ভাবে 
পরাজিত হয়েছে।

কোপা আমেরিকা ফাইনাল/২০০৪
ব্রাজিল ৪ - ২ আর্জেন্টিনা (টাইব্রেকার)
কনফেডারেশন কাপ ফাইনাল/২০০৫
ব্রাজিল ৪ - ১ আর্জেন্টিনা
কোপা আমেরিকা ফাইনাল/২০০৭
ব্রাজিল ৩ - ০ আর্জেন্টিনা
কোপা আমেরিকা সেমি-ফাইনাল/২০১৯
ব্রাজিল ২ - ০ আর্জেন্টিনা
২০২১ সালের কোপা আমেরিকার ফিক্সচার অনুযায়ী আবারও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে।
আর্জেন্টিনা কি এই শতাব্দীতে ব্রাজিলের বিপক্ষে তাদের দুঃখ ঘোচাতে পারবে ?
সেটা দেখার অপেক্ষায় পুরো দুনিয়া।

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল
প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নেইমার 

নিউজ ডেস্কঃ দুই দলের ইতিহাস যাদের জানা, তাঁরা মোটামুটি নিশ্চিত ছিলেন, ফাইনালে উঠতে ব্রাজিলকে তেমন কাঠখড় পোড়াতে হবে না।সেটা করতেও হয়নি। প্রথম রাউন্ডেই মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল, সেখানে নেইমারের জাদুতে পেরুকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল ব্রাজিল। একই মাঠে দুই দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে আবারও ব্রাজিলের দাপটই দেখা গেল। আর তাতেই আরেকবার নেইমারের জাদুর ওপর ভর করে পেরুর বাধা পেরোলো ব্রাজিল। নেইমারের সহায়তায় মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতার গোলে পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠেছে স্বাগতিক ব্রাজিল

স্কোরলাইন হয়তো ব্রাজিলের কর্তৃত্বের ব্যাপারটা অতো বেশি বোঝাতে পারছে না। কিন্তু গোটা ম্যাচে পেরুর ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন নেইমাররাই। অন্তত প্রথমার্ধে।
৪-২-৩-১ ছকে খেলতে নেমে গোলকিপার এদেরসন মোরায়েসের সামনে দুই সেন্টারব্যাক হিসেবে ছিলেন পিএসজির সাবেক দুই সতীর্থ থিয়াগো সিলভা ও মার্কিনিওস। দুই ফুলব্যাক হিসেবে খেলেছেন জুভেন্টাসের দানিলো ও আতলেতিকো মাদ্রিদের রেনান লোদি। দুই হোল্ডিং মিডফিল্ডার ফ্রেড ও কাসেমিরোকে পেছনে রেখে আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডে খেলেছেন লুকাস পাকেতা, দুইপাশে রিচার্লিসন ও এভেরতন সোয়ারেস। সবার সামনে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেছেন নেইমার।

প্রথম থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের হাতে। তাও গোল আসতে তুলনামূলকভাবে দেরিই হয়েছে। ৩৫ মিনিটে পেরুর রক্ষণভাগের সঙ্গে একরকম ছেলেখেলা করেই ডিবক্সের বাঁদিকে বিপজ্জনকভাবে ঢুকে যান নেইমার। তিনজন ডিফেন্ডার চেষ্টা করেও উদ্যমী নেইমারের পা থেকে বল কেড়ে নিতে পারেননি। উলটো নেইমার কাটব্যাক করে বল পাঠিয়ে দেন মাঝখানে অপেক্ষা করতে থাকা মিডফিল্ডার পাকেতার দিকে।

নেইমারের দিকে এগিয়ে যাওয়া গোলকিপার পেদ্রো গালেসের ফাঁকা গোলপোস্টে বল ঠেলে দিতে সমস্যা হয়নি পাকেতার। বাঁ পায়ের দুর্দান্ত প্লেসিংয়ে স্কোরলাইন ১-০ করে ফেলেন তিনি।দ্বিতীয়ার্ধে রাজিয়েল গার্সিয়া মাঠে নেমে খেলার গতিপথ বদলে দেওয়ার চেষ্টা করেন পেরুর হয়ে। এই লেফট উইঙ্গারের কল্যাণে বেশ কিছু সম্ভাবনাময় আক্রমণ গড়ে তোলে পেরু। কিন্তু শেষমেশ ব্রাজিলের রক্ষণের কাছে প্রত্যেকবার হার মানতে হয় ব্রাজিলকে।


বিশেষ করে কাসেমিরোর কথা না বললেই নয়। রিয়াল মাদ্রিদের এই রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার দুর্দান্ত একটি ম্যাচ খেলেছেন আজকে। গোলকিপার হিসেবে ম্যানচেস্টার সিটির এদেরসনও অসাধারণ এক ম্যাচ খেলেছেন, দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে খেলায় রেখেছেন।

আক্রমণের দিক দিয়ে প্রথমার্ধের ব্রাজিলকে দেখা যায়নি দ্বিতীয়ার্ধে। ছোট ছোট পাসে বেশ কয়েকবার ব্রাজিল রক্ষণকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল পেরু। শেষমেশ ১-০ স্কোরলাইনেই ম্যাচ শেষ হয়।ব্রাজিলের হয়ে নেইমার যে কত গুরুত্বপূর্ণ, এই ম্যাচে আরেকবার বোঝা গেছে। এই নিয়ে সেলেসাওদের হয়ে ১১০ ম্যাচ খেলে ৬৮ গোল করার পাশাপাশি ৪৯ গোলে সহায়তা করা হয়ে গেল পিএসজির এই ফরোয়ার্ডের। অর্থাৎ ১১০ ম্যাচ খেলেই ১১৭ বার হয় গোল করেছেন, নয়তো সহায়তা করেছেন। ভাবা যায়!

ফাইনালে হয় আর্জেন্টিনা নয় কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল।

তথ্যের উৎসঃ প্রথম আলো