কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।
News
রাসিক প্রশাসক : আলোচনায় সাবেক মেয়র বুলবুল
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে বুলবুল প্রথমবার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন। সে সময় তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সভাপতি ছিলেন। দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ ও সাধারণ মানুষের সমর্থনে তিনি প্রার্থী হলেও তৎকালীন প্রতিকূল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জয়ী হতে পারেননি। সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম সারির অনেক নেতা কারাবন্দি থাকায় এবং নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ফলাফল অনুকূলে আসেনি। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি নগরবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ অটুট রেখেছিলেন।
পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে ‘আনারস’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেন মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি আধুনিক রাজশাহীর রূপকার হিসেবে পরিচিত সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।তাঁর মেয়াদকালে নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে তাঁর গৃহীত পরিকল্পনাগুলো সে সময় নগর ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এনেছিল বলে মনে করেন অনেক নাগরিক।
বুলবুলের সমর্থকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তিনি পূর্ণ মেয়াদ দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাননি। তাঁর বিরুদ্ধে সে সময় অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৫ সালের ২ মার্চ তাঁর বাসভবনে পুলিশের অভিযান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।বুলবুলকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের দাবি জানিয়ে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও রাজপাড়া থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি শাহানুর ইসলাম মিঠু বলেন, “বুলবুল ভাই একজন পরীক্ষিত নেতা। দলের দুঃসময়ে তিনি সবসময় পাশে ছিলেন। তিনি মেয়র থাকাকালে রাজশাহীতে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে আমরা তাঁকেই প্রশাসক হিসেবে চাই। তাঁর ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, “আমি জনগণের রাজনীতি করি এবং নিজেকে জনগণের সেবক মনে করি। আমাদের নেতা তারেক রহমান যদি মনে করেন আমি যোগ্য, তবে তিনি যে দায়িত্ব দেবেন তা পালন করতে আমি সদা প্রস্তুত।”রাজনীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, রাজশাহীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ হিসেবে বুলবুলকে দায়িত্ব দেওয়া হলে নগরীর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আগামীর নেতৃত্ব। নগরবাসী এখন সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ঢালাই কাজের উদ্বোধন করলেন জামায়াত মনোনীত এমপি ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ
![]() |
| ইউএনও মহোদয়ের সাথে আলাপ চারিতায় এমপি মহোদয় |
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: রনী খাতুন বলেন, সরকার আমাদের নিদের্শনা দিয়েছে বদ্ধ এবং পুন:খননযোগ্য খালের তালিকা করতে। ঝিকরগাছা উপজেলায় এই তালিকার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সেগুলো খননের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। তিনি আরও বলেন, ঝিকরগাছা উপজেলায় এরকম পাঁচটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা দুর হবে। আবার জনগনের চলাচলে সুবিধা হবে। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। তত্ত্বাবধানে রয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস। এলাকার উন্নয়নকাজ তদারকি করায় স্থানীয় জনগন এমপি মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
রাসিকের প্রশাসক হিসেবে রিটনকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা: আলোচনায় নগরীর উন্নয়ন ও সুশাসন
রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদল থেকে তাঁর রাজনৈতিক পথচলার সূচনা। ছাত্রজীবনেই তিনি রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে কলেজ ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনকে সক্রিয় ও সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানের কারণে তিনি দ্রুতই নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন।এরপর ধারাবাহিক সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে সভাপতি নির্বাচিত হন। মহানগর পর্যায়ে দায়িত্ব পালনকালে তৃণমূলভিত্তিক কমিটি গঠন, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তিনি জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও সম্পৃক্ত হন, যা তাঁর নেতৃত্বের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করে।
ছাত্ররাজনীতি থেকে যুবরাজনীতিতে উত্তরণের পর তিনি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিটি পর্যায়ে সংগঠন পুনর্গঠন, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি এবং কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জোরদারে তিনি ভূমিকা রাখেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, যা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশ, দমন-পীড়ন ও বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও মাঠে সক্রিয় থেকে দলীয় কার্যক্রম সচল রাখার কারণে তিনি নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা ও মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে রাজশাহীর রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী মুখে পরিণত করেছে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)-এর প্রশাসক হিসেবে তাঁকে দেখার প্রত্যাশা। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একটি অংশ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সমর্থকদের দাবি, নগর রাজনীতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে প্রশাসনিক দায়িত্বে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।তাদের মতে, নগরীর অসমাপ্ত উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ের বাস্তব সমস্যা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন সমর্থকরা।
যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর নাম সম্ভাব্য প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। ছাত্রদল থেকে যুবদল হয়ে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক—এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় সংগ্রাম, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের সমন্বয়ে মাহফুজুর রহমান রিটন এখন রাজশাহীর রাজনীতিতে একটি প্রত্যাশিত ও আলোচিত নাম। আগামীর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর ভূমিকা কতটা বিস্তৃত হবে, তা সময়ই বলে দেবে; তবে নগর রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি যে ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে, তা স্পষ্ট।যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)-এর প্রশাসক হিসেবে তাঁর নাম ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে জোর আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।
মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন,“আমি সবসময় রাজনীতি করেছি জনগণের অধিকার, গণতন্ত্র ও সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে। ব্যক্তিগত পদ-পদবী কখনো আমার লক্ষ্য ছিল না। তবে দল এবং জনগণ যদি মনে করে আমি কোনো দায়িত্ব পালনে উপযুক্ত, তাহলে সেই দায়িত্ব সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”তিনি আরও বলেন,“রাজশাহী আমার প্রাণের শহর। এই নগরীর উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি। প্রশাসনিক দায়িত্ব পেলে সবার আগে নাগরিক ভোগান্তি কমানো, পরিচ্ছন্নতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গতি আনা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার দিকেই গুরুত্ব দেবো।”
রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ পথচলার প্রসঙ্গ টেনে রিটন বলেন, “ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমি মাঠে থেকেছি। প্রতিকূল সময়েও নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা—সবকিছুর মধ্যেও সংগঠনকে সচল রাখার চেষ্টা করেছি। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, দায়িত্বের বিষয়।”তিনি আরো বলেন, নগরবাসীর প্রত্যাশা এখন কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন। “রাজশাহীর মানুষ উন্নয়ন চায়, সেবা চায়, স্বচ্ছতা চায়। আমি বিশ্বাস করি—সমন্বিত পরিকল্পনা, সঠিক তদারকি এবং দল-মত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে নগর পরিচালনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।”সমর্থকদের পক্ষ থেকে তাঁকে রাসিকের প্রশাসক হিসেবে চাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন,“আমি কৃতজ্ঞ যে অনেকেই আমার ওপর আস্থা রাখছেন। তবে যে কোনো সিদ্ধান্ত দলের এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। আমি দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল।”
ইন্দুরকানীতে গভীর রাতে হিন্দু বাড়িতে আগুন দিয়ে হামলা-লুটপাট করেছে দূর্বৃত্তরা
স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ ‘আগুন আগুন’ বলে চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে আহত রনজিত দাসকে উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আত্রাইয়ে এমপি রেজাউল ইসলামের সঙ্গে বিএনপির দপ্তর প্রধানদের মতবিনিময়,ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধনা
মোঃ ফিরোজ আহমেদ রাজশাহী ব্যুরোঃন ওগাঁর আত্রাইয়ে বিএনপির সকল দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ-৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম।
