কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

News

News
আত্রাইয়ে খাদ্যবন্ধক কর্মসূচির আওতায় ভোক্তাদের মাঝে সুলভ মূল্যে চাল বিতরণ


মোঃ ফিরোজ আহমেদ
 রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় সরকারের খাদ্যবন্ধক কর্মসূচির আওতায় নিম্ন আয়ের ভোক্তাদের মাঝে সুলভ মূল্যে চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নে তিন দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে উপকারভোগীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

গত  মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার (২৮ ২৯ ও ৩০,এপ্রিল)২০২৬ সকাল ৮টা থেকে বেলা ৪টা পর্যন্ত ইউনিয়নের রাসাদ ইন্টারপ্রাইজ বিক্রয় কেন্দ্রে এ চাল বিতরণ করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদফতর কর্তৃক পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের ভোক্তাদের ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।

খাদ্যবন্ধক কর্মসূচির কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে বলে জানান উপকারভোগীরা। তারা বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। এখানে কম দামে চাল পাওয়ায় তাঁদের কিছুটা হলেও আর্থিক চাপ কমবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, সরকারের এই মানবিক উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর তদারকি করা হচ্ছে। যাতে কোনো অনিয়ম বা ভোক্তার ভোগান্তি না হয়।
ডিনার রাসাদ বলেন আমি মোবাইলে খবর দিয়ে এনে অনেক কে চাল দিতেছে আজ বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় বিশ বাইশ জনকে মোবাইলে ডেকে এনে কার্ডের মাধ্যমে চাউল দিয়েছি। 

সরকারের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
Uploaded Image Uploaded Image

News

News
নওগাঁর আত্রাইয়ে রাতে
Uploaded Image

ভ্যান ছিনতাই, চালক আহত


মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ 
রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বারো বিঘা এলাকার বাঁকা ডাবল ব্রিজ এলাকায় গত রাতে একটি ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ভ্যান চালককে মাথায় আঘাত করে দুর্বৃত্তরা ভ্যানটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহত ভ্যান চালকের বাড়ি কাঁশিয়াবাড়ি এলাকায়। ঘটনার পর তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, বাঁকা ডাবল ব্রিজ এলাকা দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও পুরাতন স্টেশন থেকে মহাদীঘি পর্যন্ত সড়ক এবং আমপুর কাঠের ব্রিজ থেকে বীরকুৎসা স্টেশন পর্যন্ত এলাকাগুলোতেও প্রায়ই ছিনতাই ও নিরাপত্তা ঝুঁকির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদারসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ ধরনের অপরাধ কমে আসবে।

মোঃ ফিরোজ আহমেদ 
০১৭১০৯৬৭৫২২

নওগাঁর আত্রাইয়ে পুষ্টি সপ্তাহে সচেতনতা সভা ও প্রদর্শনী

নওগাঁর আত্রাইয়ে পুষ্টি সপ্তাহে সচেতনতা সভা ও প্রদর্শনী

Uploaded Image
মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ ,রাজশাহী ব্যুরোঃ  পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে নওগাঁর আত্রাইয়ে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুষ্টি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খায়রুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মো. নূরে আলম সিদ্দিক। তিনি বলেন, সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা সম্ভব এবং শিশু ও গর্ভবতী নারীর পুষ্টিতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, শুধু পেট ভরে খাওয়া নয়, সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভ্যাস জরুরি। পুষ্টি সপ্তাহের লক্ষ্য হলো এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশীয় ফল, সবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী নিয়ে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।


কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলছে

 কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র  কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে  চলছে
মোল্যাআব্দুস সাত্তার, কেশবপুর (যশোর) বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে কেশবপুর উপজেলার ৩ নদী ও ১০ সংযোগ খাল পুনঃখননে পাউবো প্রায় ১৪০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৩ নদীর ৮২ কিলোমিটার ও পাউবো’র তত্ত্বাবধানে ১০ খালের ৩১ কিলোমিটার খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এরফলে অপূর্ণই রয়েগেছে, জনগণের দীর্ঘদিনের নদী অববাহিকায় টিআরএম বাস্তবায়ন ও পোল্ডারে আবদ্ধ নদ-নদী উন্মুক্তের দাবি। 
জানা গেছে, কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার বর্ষার অতিরিক্ত পানি হরিহর, বুড়িভদ্রা ও আপারভদ্রা নদী দিয়ে হরি নদীতে নিষ্কাশন হয়। এসব নদীর সংযোগ খালে পাউবোর ৯১টি স্লুইচ গেট ও অসংখ্য পোল্ডার রয়েছে। এসব পোল্ডারের দু‘পাশ পলিতে ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। এরফলে প্লাবনভূমির সঙ্গে নদীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বর্তমানে হরি, আপারভদ্রা ও হরিহর নদীতে জোয়ার-ভাটা উঠে না। নদীগুলো বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়ে বন্যায় রূপ নিচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব নদী খনন করা হলেও এক বছর না যেতেই নদীগুলো আবারও পলিতে ভরাট হয়ে যায়। একারণে নদী অববাহিকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে হরি নদীর বিল কপালিয়ায় টিআরএম বাস্তবায়ন ও পোল্ডারে আবদ্ধ নদ-নদী উন্মুক্তের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু জনগণের এদাবি উপেক্ষা করে আবারও পাউবো নদী খনন প্রকল্প গ্রহণ করে। 

Uploaded Image
 কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র  কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে  চলছে

পাউবো সূত্রে জানায়, চলতি বছর হরি নদীর খর্নিয়া ব্রিজ থেকে ভবদহের ২১ ভেন্ট স্লুইস গেট পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার, হরি নদীর শাখা আপারভদ্রার কাশিমপুর থেকে মঙ্গলকোট ব্রিজ পর্যন্ত ১৮.৫০ কিলোমিটার, বড়েঙ্গার তিন নদীর মোহনার জিরো পয়েন্ট থেকে কেশবপুর ও মনিরামপুর হয়ে রাজগঞ্জ রোর্ড পর্যন্ত হরিহর নদীর ৩৫ কিলোমিটার সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১০টি সংযোগ খালের মধ্যে নুরানিয়ার-৬.৫ কিলোমিটার, বাদুড়িয়ার-৩ কিলোমিটার, শাখা নদী বুড়িভদ্রার-৫ কিলোমিটার, গরালিয়ার-১.৩৫০ কিলোমিটার, কন্দর্পপুরের-১ কিলোমিটার, কাশিমপুরের-১ কিলোমিটার, ভায়নার-১.৫০ কিলোমিটার, বিল খুকশিয়ার-৭.৫০ কিলোমিটার, বুড়–লির-৩ কিলোমিটার ও পাথরার-১.৫০ কিলোমিটার খাল পাউবো’র অধীনে পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়ন করছে। নদীর সীমানা নির্ধারণসহ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এসব নদী-খাল খননে ১৩৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। 
তিন নদী মোহনার বাসিন্দা বড়েঙ্গা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লা  বলেন, প্রতি শুষ্ক মৌসুমের ১৫ মাঘ থেকে নদীতে পলি আসা শুরু হয়। এজন্যে ১৫ মাঘের আগেই আপারভদ্রার কাশিমপুরে সাময়িক ক্রসবাঁধ দেয়ার দাবি জানানো হয়। কিন্তু পাউবোর বিলম্বে বাঁধ দেয়ার কারণে পলিতে নদী ভরাট হয়ে যায়। বিল কপালিয়ায় টিআরএম ছাড়াই ২০১৯ সালে পাউবো ভবদহ প্রকল্পের আওতায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ নদী ও ১০ সংযোগ খাল খনন করেছিল। কিন্তু এক বছর না যেতেই নদী-খাল আবারও পলিতে ভরাট হয়ে পর পর ৪ বছর ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। 
হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি ও সাবেক বাপাউবো‘র সদস্য মহিরউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ১৯৮৪ সালের পর থেকে পাউবো নদী-খাল খননে ডজন খানেক নানাবিধ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। এরমধ্যে একমাত্র টিআরএম ছাড়া, আর কোন প্রকল্পই নদীর নাব্যতা সৃষ্টি বা ধরে রাখতে পারেনি। কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড উপসহকারী প্রকৌশলী ফিরোজ আহমেদ বলেন, নদী-খাল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে খনন চলছে। তারাই দেখভাল করছে। আমাদের বলার কিছুই নেই। 

বাংলার মাটি দুঃখে বলে -হাজী জয়নাল মুন্সি

বাংলার মাটি দুঃখে বলে -হাজী জয়নাল মুন্সি
 
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ। 
এমন একজন সোনার মানুষ দেওনা খুঁজিয়া 
সে আমাকে ভালোবেসে রাখবে ধরিয়া। 
সোনার বাংলা নামটি আমার ডাকে  সর্বদেশ 
রাজনীতির প্রতিহিংসায় করছে আমায় শেষ। 
  আমার ভিতর ঢুকছে কিছু বানর হনুমান 
খামছি মেরে লুটে নিয়ে করছে বলি দান।
  দুর্নীতিতে ভরে গেছে আমার অঙ্গখানি 
দেশের জন্য কেউ ভাবেনা হলাম কলস্ককিনি।
কত রংয়ের খুন কারাপি হচ্ছে আমার বুকে 
কিযে করি,কি করিবো, থাকি মনের দূখে।
ঈমান আমল ঠিক রাখিয়া, যদি করে কাজ 
বিশ্বের মাঝে বাংলার মাটি, হইবে মাথার তাঁজ।

শ্যামনগরে ২০০ জন নারী-পুরুষকে লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার, জিও ব্যাগ ও পানির ঝাঁঝরি বিতরণ

শ্যামনগরে ২০০ জন নারী-পুরুষকে লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার, জিও ব্যাগ ও পানির ঝাঁঝরি বিতরণ
Uploaded Imageপরিতোষ কুমার বৈদ্য,শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টি গ্রামে কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিনিউ এর আর্থিক সহযোগিতায় জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্প ২০১৫ টি পরিবার নিয়ে বাস্তবায়ন করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২ টায় ফেইথ ইন এ্যাকশনের মাধ্যমে ৭১নং বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে ২০০ জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারী ও পুরুষকে জলবায়ু অভিযোজন কৃষি চর্চা বাড়াতে প্রত্যেককে লবণ সহনশীল ১০ ধরণের বীজ, ৪০ কেজি জৈব সার, ৫টি জিও ব্যাগ ও ১টি পানির ঝাঁঝরি বিতরণ করা হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ওয়ালিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, প্রজেক্ট ম্যানেজার মিল্টন বাড়ৈ, মিল অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস, প্রজেক্ট অফিসার পরিতোষ কুমার বৈদ্য, জেন্ডার অফিসার নওমী বিশ্বাস ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটরবৃন্দ প্রমূখ।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “গাবুরায় অন্যান্য এলাকার তুলনায় লবণাক্ততা বেশি। এখানে অভিযোজন কৃষি চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ফেইথ ইন এ্যাকশন যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে গাবুরাতে অভিযোজন কৃষি চর্চা বাড়বে। এজন্য ফেইথ ইন এ্যাকশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, “গাবুরাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সেজন্য নতুন নতুন কলাকৌশল অবলম্বন করে চাষাবাদ করতে হবে। ফেইথ ইন এ্যাকশন যে বীজগুলো দিচ্ছে সেগুলো লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার মাটির প্রাণ, গাবুরাতে মাটির লবণাক্ততা কমাতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরার মানুষের পাশে থাকলে গাবুরার মানুষের জীবন-জীবিকার মান বৃদ্ধি পাবে।”প্রধান অতিথি বলেন, গাবুরা ইউনিয়নে ফেইথ ইন এ্যাকশন কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উপকরণ বিতরণ করছে সেগুলো বাড়িতে নিয়ে প্রত্যেককে কাজে লাগাতে হবে। এসব উপকরণ পেয়ে কৃষিতে অভিযোজন কৌশলগুলো চর্চা করে গাবুরাতে সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ফেইথ ইন এ্যাকশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  উল্লেখ্য, ফেইথ ইন এ্যাকশন সদস্যদের মাঝে মোট ২ কেজি ঢেড়স বীজ, ২ কেজি ডাটা শাক বীজ, ২ কেজি পুঁই শাক বীজ, ১ কেজি ঝিঁয়া বীজ, ১ কেজি ধন্দুল বীজ, ১ কেজি শসার বীজ, ১ কেজি চাল কুমড়ার বীজ, ১ কেজি মিষ্টি কুমড়ার বীজ, ২ কেজি কলমী শাক বীজ, ৮০০০ কেজি জৈব সার, ১০০০টি জিও ব্যাগ ও ২০০টি পানির ঝাঁঝরি বিতরণ করেছে।

Uploaded Image

কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ

কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ
মোঃ রবিউল সরদার, নিজস্ব প্রতিনিধি:  কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ আত্রাই থানা এলাকার আত্রাই নদীর তীরের এক বেদে পল্লীতে। রাতে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে একটি ইউক্লিপটাস গাছের নিচে চাপা পড়ে পলিথিনের টুকরি ঘরে বালিশে শোয়া অবস্থায় তিন মাসের এক প্রেগন্যান্ট মহিলা আরাফাতুন (২০)মৃত্যুবরণ করেন। ঝড়ের সময় গাছ ভেঙে পড়ে গুরুতর আহত হন, পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে তার করুন মৃত্যু হয়। 

খবর পেয়ে জেলা পুলিশের একটি দল বেদে পল্লীতে উপস্থিত হন এবং করুণ দৃশ্য অবলোকন করেন । পলিথিনের তৈরি ২৫ /৩০ টি টুকরি ঘরে ২৫/৩০ পরিবার বসবাস করে। তারা উপস্থিত হওয়ার পর তারা অনেকেই জেলা পুলিশের কাছে আসে, এবং তারা বলে তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা। বিভিন্ন সময় তারা স্থান পরিবর্তন করে, এভাবেই তাদের জীবন চলছে। এবং তাদের জীবন সম্পর্কে কিছু বর্ণনা করেন তাদের বেঁচে থাকা তাদের জীবন বেশ কিছু শিশু রয়েছে, এই শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। শিশুগুলো, স্কুলে যায় না পড়তে পারে না। জেলা পুলিশের দল তাদের সাথে কথা বলে। বাচ্চাদের সাথে গল্প করে। তাদের সাথে ছবি উঠায়। তাদেরকে স্কুলে যাওয়া আহবান জানায়। তারা তাদের পড়ালেখার জন্য একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করার কথা বলে, যা তাদের প্রাথমিক বিষয় শিক্ষাদান করবে । তাদের জন্য সামান্য নাস্তার নাস্তার ব্যবস্থা করেন। সকলের উদ্দেশ্য বলে ভাগ্যের পরিবর্তন আপনা আপনি কখনো হয় না। ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য নিজেকেই সর্বপ্রথম চেষ্টা চালাতে হবে। সেজন্য প্রথমত দরকার ভবিষ্যৎ বংশধরের পড়াশোনা। যেখানেই আপনারা থাকেন না কেন বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে হবে। তবেই ভবিষ্যতে আপনাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। শিক্ষা ছাড়া কখনই জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন হবে না।  
Uploaded Image 
বিষয়টি নিয়ে সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথেও শেয়ার করার কথা বলেন। বাচ্চাদের জন্য কিছু করা যায় কিনা? তিনি আনন্দ সহকারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। এসব সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি আমরা যেন সদয় হই। আমরা যেন তাদের বিপদে পাশে দাঁড়াই । কেননা আপনি একা ভালো থাকতে পারবেন না, সবাইকে নিয়েই ভালো থাকতে হবে সেখান থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। এলাকাবাসীর দাবি জেলা পুলিশ যেন সব সময় মানবতার পাশে থাকে।