![]() |
| মোহনগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন মাসুদ রানা |
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝিমটি বাজারে শরীফের রেস্টুরেন্টে ব্যবসা রয়েছে। রাতে বাজারে লোকজন নিয়ে নেশাদ্রব্য সেবন করেন শরীফ। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলাল মিয়া তাকে বাজারে নেশা করার বিষয়ে সতর্ক করেন। এসময় মাসুদ রানা তার সঙ্গে ছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হন শরীফ। পরে রাত ১০টার দিকে মাসুদ রানাকে বাজারে একা পেয়ে শরীফ, আব্দুল ও আশরাফুলসহ বেশ কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। এসময় লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পেটানোর পর মাসুদ রানার বাম কানের পাশে ছুরিকাঘাত করে হামলাকারীরা। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।ভুক্তভোগী মাসুদ রানা বলেন, চারদিক থেকে ঘিরে আমাকে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে কানের নিচে আঘাত করেছে। থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আশা করছি যথাযথ বিচার পাব।
এ বিষয়ে উপজেলার বড়তলী-বানিয়াহারী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ঝিমটি বাজার কমিটির সভাপতি দুলাল মিয়া বলেন, প্রতিনিয়নত বাজারে লোকজন নিয়ে নেশাদ্রব্য সেবন করে শরীফ। গতকাল সন্ধ্যায় তাকে সতর্ক করেছি। এসময় মাসুদ রানা আমার সঙ্গে ছিলো। পরে রাতে একা পেয়ে মাসুদ রানার ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় যথাযথ বিচার দাবি করছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আর কেউ মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাবে না। আর এদিকে মাদকে এলাকা সয়লাব হয়ে যাবে।অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল নাম্বারে কল করেও পাওয়া যায়নি। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
