তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা প্রতিনিধিঃ
আগামী এক মাসের মধ্যে খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সম্মেলন শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সোমবারের সভায় পদত্যাগ করার ফলে পূর্বে গঠিত সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে সম্মেলন করে নতুন কমিটি পেশ করবে। একই সাথে মহানগর ছাত্রলীগ কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে আগামী এক মাসের মধ্যে কলেজ কমিটিসহ নগর কমিটি সম্পন্ন করবে। কৃষক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ব্যর্থতার কারনে এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেনি। তাদের ব্যর্থতার দায়ভার আওয়ামী লীগ বা সংগঠন বহন করতে পারে না। সেকারণে ব্যর্থ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বাদ দিয়ে নতুন করে আহবায়ক কমিটি গঠন করার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানানো হয়। অন্যান্য সকল সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরো বাড়ানোর জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।
সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, কোন মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং অনুপ্রবেশকারীদের কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না। প্রত্যেকটি কমিটি যাচাই বাছাই করে অনুমোদন দেয়া হবে। জাতির পিতা আর্দশিত সংগঠনকে কোন অবস্থাতে বির্তকিত হতে দেয়া হবেনা।
তিনি আরও বলেন, কোন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোন ধরনের জমি দখলসহ অসংগঠনিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অভিযোগ আসলে ওই কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। অগঠনতান্ত্রিক সংগঠনের নামে কেউ দলীয় কার্যালয় ব্যবহার এবং কোথাও কোন অফিস বানাতে পারবেনা। যদি কেউ এ ধরনের সংগঠনের সাথে জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে আইনী ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই খসড়া কমিটি গঠন করে থানা আওয়ামী লীগের কাছে জমা দেয়ার জন্য সকল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রতি আহবান জানানো হয়। তিনি ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোন মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং অনুপ্রবেশকারী এবং সহযোগী সংগঠনের পদধারী নেতারা যাতে স্থান না পায় সেদিকে সর্তক দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ৪১ বাস্তবায়ন করতে বঙ্গবন্ধু’র আদর্শিক নেতাকর্মীদের নিয়েই কমিটি করার আহবান জানান।
সভায় বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, কাজী এনায়েত হোসেন, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, মো. আশরাফুল ইসলাম, শ্যামল সিংহ রায়, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, অধ্যাপক আলমগীর কবির, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, কামরুল ইসলাম বাবলু, মো. ইউনুস আলী, ফেরদৌস আলম চাঁন ফরাজী, হাফেজ মো. শামীম, নুর মোহাম্মদ, আলী আজগর মিন্টু, বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ, মো. শহিদুল ইসলাম, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, শেখ আবিদ হোসেন, নাজমুল আহমেদ স্বপন, শেখ মোশারফ হোসেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক রুনু ইকবাল, কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন, স. ম. রেজওয়ান, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, মো. শহিদুল ইসলাম বন্দ, মনিরুল ইসলাম বাশার, শেখ সৈয়দ আলী, আনোয়ার হোসেন, লুৎফুন্নেসা লুৎফা, হাজী মো. নুরুজ্জামান, রনজিত কুমার ঘোষ, শফিকুর রহমান পলাশ, শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন, এসএম আসাদুজ্জামান রাসেল, আব্দুল হামিদ সরদার, জিয়াউল ইসলাম মন্টু, এ এন এম মঈনুর ইসলাম নাসির, ইউসুফ আলী খান, চ ম মজিবর রহমান, মো. জাহিদুল হক, শেখ ইকবাল হোসেন, খান হাফিজুর রহমান, বাবলু মোল্যা, আব্দুল হাই পলাশ, নাজমুল আহমেদ স্বপন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শেখ সেলিম আহমেদ, মো. শফিউল্লাহ, মো. জাকির হোসেন, শেখ শাহাদৎ মিনা, শেখ আবিদউল্লাহ, মো. নুর ইসলাম, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মো. হারুন অর রশিদ, মো. এমরানুল হক বাবু, সরদার আব্দুল হালিম, মো. ফয়জুর ইসলাম টিটু, সৈয়দ কিসমত আলী, খ ম লিয়াকত আলী, শেখ মো. রুহুল আমিন, জাকির হোসেন, মো. অহিদুল ইসলাম পলাশ, এস এম মনিরুজ্জামান মুকুল, এ্যাড. শামীম মোশারফ, মীর মো. লিটন, শেখ শিহাব উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, জিয়াউল আলম খান খোকন, শেখ আসলাম আলী, শেখ হাসান ইফতেখার চালু, মো. ইউসুফ আলী খান, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম সহ প্রমুখ।
