সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা জেলার ট্রেজারী শাখা হইতে দুই ষ্ট্যাস্প ভেন্ডার সহকারী, ট্রাজারী চালানের মাধ্যমে, সরকারি নন- জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় নাম না প্রকাশ করা জৈনিক ব্যাক্তি ডিবি পরিচয়ে কোর্ট চত্বর হইতে দুই ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার সহকারীর পিছু নেয়। দুই ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার সহকারী, পলাশপোল এর মধ্য দিয়ে রেজিষ্ট্রি অফিসে যাওয়ার পথে,
দু'জন কে স্টেডিয়াম এর পাশ্ব হইতে মটর সাইকেল সহ দাঁড় করিয়ে বলে জ্বাল জ্বাল ষ্ট্যাম্প নিয়ে কোথায় যাচ্ছিস এবং কোন জায়গা থেকে ছাপিয়ে আনছিস। ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার সহকারীহণ জানান আমরা ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে ষ্ট্যাম্প নিয়ে আসছি।
তার পরেও ডিবি অফিসে কর্মরত বলে পরিচয় দানকারী ব্যাক্তি সেখানে দেড় ঘন্টা দাঁড়িয়ে রাখার মধ্যে তাদের ক্রেতারা তাদের কাছে কল দিলে ও ভেন্ডারদের সহকারীকে, তিনি কথা না বলতে দিয়ে দু'জনের মোবাইল কেড়ে নেন।
এদিকে দু'জনকে না পেয়ে তাদের ক্রেতা আত্নীয় দের মধ্যে নানা টেনশন চিন্তা ভাবনার উদ্যেগ দেখা দেখা দেয়।
দু'জন ভেন্ডার ১৬ +৭= ২৩০০০ টাকার ষ্ট্যাম্প তোলায় তিনি বিষ্ময় প্রকাশ করে বলেন এতো টাকার ষ্ট্যাম্প কোথায় পাইলি!
তোদের খবর আছে?
দেড় ঘন্টা পর তিনি তার স্যারকে ডাকেন তার স্যার একটি প্রাইভেটকার যোগে এসে দু'জনকে নিয়ে যেতে বলেন যেখান হতে ষ্ট্যাম্প নিয়ে এসেছে সেখানে।
সেই সাথে দু'জনের ভিডিও ছবি তুলে রাখেন।
ট্রেজারী শাখায় খোঁজ নিয়ে ষ্ট্যাম্প মিল করে জানতে পারেন ষ্ট্য্যাম্প সব সরকারি ভাবে চালানের মাধ্যমে তোলা।
তার পরেও দু'জনের ভিডিও ধারণ করে স্বীকারোক্তি আদায় করে নেয়, তাদের কোন হয়রানি করা হয়নি মর্মে।
অথচ দেড় থেকে দুই ঘন্টা তাদের হয়রানি করা হয় বলে ভুক্তভোগী দুই ষ্ট্যাম্প ভেন্ডার সহকারী জানান। তাদের মোবাইল কেড়ে নেয়ার ফলে তাদের ক্রেতা ও স্বজনরা তাদের নিখোঁজ এর কারনে বিভ্রান্তিতে পড়েন। তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্যারের অডারে আমি এটা করেছি তবে স্যারের নাম জানতে চাইলে তিনি জানাননি?
প্রকৃত ষ্ট্যাম্প কে জ্বালিয়াতি ষ্ট্যাস্প ভেবে এই হয়রানি করার কারণে সাতক্ষীরা জেলা ষ্ট্যাম্প ভেন্ডারদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
