![]() |
| বিরামহীন বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত |
এ বৃষ্টি বৃহস্পতিবার থেকে চলছে। মুষলধারে বৃষ্টি ফলে বেড়ে গেছে খাল,বিল,, মাঠ-ঘাটে,নদ-নদীতে পানি। এভাবে যদি আরো কিছুদিন এভাবে টানা বৃষ্টি হয়। তাহলে আমন ধান ও শাকসবজি ক্ষতির সম্মুখীন পড়বে এটাই ধারণা করেন সংশ্লিষ্ট স্হানীয় কৃষকরা। টানা বৃষ্টির ফলে নিত্যদিন শ্রমজীবিরা কর্মহীন হয়ে পড়ছে। এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি, কর্মীরা তাদের গন্তব্য স্হানে যতাসময়ে পোঁছাতে কষ্ট হচ্ছে।
অন্যদিকে,কুমিল্লা- নোয়াখালী আঞ্চলিক রোডের কাজ চলাতে গাড়ি চালাকগন পড়েছে বিপাকে। আর রাস্তায় উঁচু-নিচু খাদ-খনন হওয়ার কারণে এ যেনো মরণ ফাঁদ।
ঢাকা টু নোয়াখালী হিমাচল এক্সপ্রেসের বাস চালক জানান, আমরা গাড়ি নিয়ে খুব বিপদজনক ভাবে গাড়ী চালাচ্ছি। সামান্য কিছু হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লাকসামতে আকাশ মেঘে ঢাকা রয়েছে। হালকা বা ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আকাশ থেকে কখনো কখনো গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আবার কখনো কখনো ভারি বৃষ্টি বর্ষণ হচ্ছে। মাঝে মাঝে দমকা হাওয়া সেই সাথে হালকা ঠান্ডা লাগছে। পরিবেশটা যেন জনজীর্ণ হয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্ন চাপের কারনে একাধারে বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এটা জানানো হয়েছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্ন চাপের কারনে হালকা বা ভারি বৃষ্টি হচ্ছে এবং আরে কিছুদিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সেই সাথে সকল সমুদ্র বন্দর সমূহকে ৪ নম্বর স্হানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যতে বলা হয়েছে। মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের সকল নৌযানচল, জাহাজ, লঞ্চ টার্মিনালকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকুলের নিরাপদ স্হানে অবস্হান করার জন্য বলা হয়েছে।
