স্টাফ রিপোর্টারঃ আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রেমিককে বেধেঁ রেখে প্রেমিকা (১৯) কে গণধর্ষণ এ ঘটনায় প্রেমিক রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন । এ ঘটনায় পুলিশ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে । গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের শগুনখোলা গ্রামের শরিয়ত হোসেনের ছেলে শাহিনুর ইসলাম (৩০) মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে আজিম (৩১) ফতেহপুর মাড়াস গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সাজেদুর ইসলাম (২০) আবু তাহেরের ছেলে শাহারুল ইসলাম (২১) এবং পলাতক রয়েছে শওগুন খোলা গ্রামের খলিলের ছেলে রেজওয়ান (২০) । ধর্ষণকারী গ্রেফতারকৃত আসামীদের (২৬ই অক্টোবর) মঙ্গলবার বেলা ১২টায় দিনাজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে । নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক কুমার চৌহান জানান, সাত মাস আগে একটি অনুষ্ঠানে পার্শ্ববর্তী বিরামপুর উপজেলার ঐ তরুণীর সাথে নবাবগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামের রিয়াজুল করিমের সাথে পরিচয় হয়, এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে । (২৫ই অক্টোবর) সোমবার বিকেলে ওই তরুণী রিয়াজুলের সঙ্গে নবাবগঞ্জের আশুড়ার বিলে দেখা করতে আসেন । এ সময় শাহিনুরের নেতৃত্বে পাঁচ যুবক রিয়াজুল এবং তার প্রেমিকাকে আটক করে মারধর করে ও টাকা মোবাইল কেড়ে নেয় এবং রিয়াজুলকে তাদের কাছে বিকাশের মাধ্যমে আরো টাকা দিতে বলেন । এ সময় আজিম, সাজেদুর, শাহারুল এবং রেজওয়ান বিলের সাথের শালবনের গভীরে নিয়ে রিয়াজুলকে গাছের সাথে বেধেঁ রেখে ঐ তরুণীকে বনের মধ্যে তুলে নিয়ে গিয়ে গণ ধর্ষণ করে । ধর্ষণ শেষে শাহিনুর তরুণীকে নবাবগঞ্জ বিরামপুর সড়কে রেখে আসে । এ সময় সুযোগ বুঝে রিয়াজুল দৌড়ে এসে আশুড়া বিল পরিচালনা কমিটিকে ঘটনাটি খুলে বললে, আশুড়া বিল পরিচালনা কমিটির লোকজন পুলিশকে অবহিত করেন । নবাবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামছুল ইসলাম জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ওসি অশোক কুমার চৌহানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে শাহিনুর, আজিম, সাজেদুর এবং শাহারুলকে গ্রেপ্তার করে ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
