সবজি ও তৈলের দামে দিশেহারা নিম্ন আয়ের মানুষ


রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁর আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া বাজারে সবজির শরিষার তৈল লাগামহীন দামে বিক্রি দিশেহারা হয়ে পড়েছে সাধারন মানুষেরা।  মধ্যবিত্ত, খেটে-খাওয়া মানুষরা চরম বিপাকে পড়েছে।

মাঠ পর্যায় প্রশাসনের নজরদারির অভাবে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা সরকারের বেধে দেওয়া মূল্য অমান্য করে চড়া দামে সবজি ও তৈল বিক্রি করায় এখন আরো চরমে পোচেছে। স্থানীয় পাইকাররা বলেতেছেন, প্রতি বছর এই সময়ে প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি কৃষকরা গ্রাম থেকে বাজারে আনলেও বন্যা আর দফায় দফায় অতিবৃষ্টির কারণে আগাম জাতের সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই বাজারে সবজির আমদানী কম হওয়াতে চৌড়া দামে  কিনতে বাধ্য হচ্ছে ক্রেতাররা।মোকামে তৈলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় দোকানিরা দাম বৃদ্ধি করিয়াছে এতে সাধারণ মানুষেরা বিপাকে পরিয়াছে৷ 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,আজ সকালে  উপজেলার বান্দাইখাড়া  বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মোঃ আঃ কাদের  জানান, চলতি মৌসুমিতে সবজি চাষীরা বৃষ্টির কারণে আশানূরুপ সবজি চাষ করতে না পড়ায়। তাই বাজারে আমদানী কম হওয়ায় পাইকারীরা কেনা দরের চেয়ে সামান্য কিছু লাভ হাতে রেখে সবজি বেচা-কেনা করছে। প্রতি দিনই সবজির দর বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে বেচাকেনা করতে গিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে ঝগড়াঝাটির মতো ঘটনা ঘটছে। তার পারও গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে সবজির বাজার সামান্য  কিছুটা কমেছে।সবজি ব্যবসায়ী হুরমুত আলী বলেন সরকারি বেধে দেওয়া আলুর প্রতি কেজির দর ৩৫টাকা হলেও আমরা খুচরা বিক্রি করছি ৪৫টাকা। পটল, করলা ও বেগুন ৬০ টাকা দরে, পেঁয়াজ ৮০, কপি ১১০, শিম ১৩০, কাঁচা মরিচ ১৭০টাকা কেজি শরিষার তৈল ১৪০টাকা কেজি, সুয়াবিন ১১০কেজি,পাম ৯০ কেজি  বিক্রি করছি। কারণ আমরা কিনেছি বেশি দামে তাই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। তবে স্বাভাবিক পর্যায় আসতে আরো কিছু দিন দেরি হবে।জামাল উদ্দিন,  কান্দুর প্রাঃ ও জাইদুল ইসলাম জানান, করোনাকালীন সময়ে এমনিতে আমাদের হাতে কাজ কর্ম নেই। তারপর বাজারে নিত্যপন্য দ্রব্যের মূল্য উর্ধ্বগতি হওয়াতে আমরা পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। সরকারি ভাবে যদি খোলা বাজারে আলুসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যগুলো বিক্রয় করা হতো তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছানাউল ইসলাম জানান, বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন হাট ও বাজারে অভিযান চলমান আছে। সরকারি বেধে দেওয়া মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রয়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট