বিএনপি মনোনয়নে মেয়র প্রত্যাশী গাজী আবু তাহের এর সাংগঠনিক তৎপরতা



সেলিম  চৌধুরী, স্টাফ  রিপোর্টারঃ- চট্টগ্রামের প্রথম  শ্রেণীর পটিয়া  পৌর নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও পৌরসভার নির্বাচনে কে কে প্রার্থী হচ্ছেন এই নিয়ে চলছে নেতাদের দৌড়ঝাঁপ। দলীয় মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চলছে পুরোদমে। অলিখিতভাবেই শুরু হয়ে গেছে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা। এবার বিএনপি  মেয়র পদে  নির্বাচনে আগ্রহী পটিয়া  পৌর বিএনপি  সাবেক যুগ্ম আহবায়ক গাজী মোহাম্মদ  আবু তাহের। তিনি  পটিয়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের  মরহুম  আলহাজ্ব গাজী নুরুচ্ছফা পুএ। তিনি সফল একজন  ব্যাবসায়ি ও দানবীর  হিসেবে সমাদৃত। গাজী পরিবারের ঐতিহ্য রয়েছে সমগ্র পটিয়ায়।। তাছাড়া গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের  বিএনপি রাজনীতি ছাড়াও  অর্ধশত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত।  ব্যাক্তিগত জীবন তিনি শুরু থেকে ছাএদলের রাজনীতি  দিয়ে শুরু।চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়ের  একজন মেধাবী ছাএ ছিলেন। স্কুল  জীবন থেকে  ছাএদল এর পর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল সহ বিভিন্ন  সাংগঠনিক দায়িত্ব  পালন করেছেন। অত্যান্ত ভদ্রলোক  হিসেবে সবার কাছে  তিনি পরিচিত। 


মাস্টার্স শেষ করে পুরোদমে ব্যাবসা ও বিএনপি রাজনীতিতে তিনি  বিভিন্ন  আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যােক কর্মসূচিতে উপস্থিতি থেকে দলীয় নেতা কর্মীদের  গনতান্ত্রিক  আন্দোলন  সংগ্রামে উৎসাহ দিয়ে  আসছিল। অন্য দলের তুলনায় বিএনপি  আওয়ামীলীগ জাতীয়  পার্টি  প্রচারণা প্রার্ৎীরা সামাজিক যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন।আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠছে বিভিন্ন  দলের  নেতাকর্মীরা।তার পাশাপাশি মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে অনেকেই সম্ভাব্য প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নিয়ে শুরু করেছেন পৌর এলাকায় গণসংযোগ। চলমান পরিষদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। তফসিল ঘোষণার আগেই বিভিন্ন কৌশলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ জনমনে প্রশ্ন কে হচ্ছেন এবার ধানের শীষ প্রতীক অপেক্ষাই বিএনপি দলীয় অংগসংগঠনের নেতা কর্মীরা। নির্বাচন কমিশন থেকে যেসব পৌরসভার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ । এ মাসের মধ্যে অথবা ডিসেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নড়েচড়ে উঠছেন। শুরু করেছেন তৎপরতা।


ইতিমধ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। অনেকে গণসংযোগ, মতবিনিয়ম সভা শুরু করেছেন বিভিন্ন কমিটির নেতাদের সঙ্গে।নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জাতীয়  পার্টি   মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতারা বেশি তৎপর হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে মেয়র পদে দলের মনোনয়ন নিতে জেলা ও কেন্দ্রেীয় শীর্ষ নেতাদের আশীর্বাদ পেতে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন তারা।অনেকে ঢাকায় অবস্থান করে দলের নীতিনির্ধারক নেতাদের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন পেতে ঘরোয়া বৈঠকসহ সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়িয়েছেন। ফলে দলের মধ্যে নানামুখী গ্রুপিং-লবিং দেখা যাচ্ছে।বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা  পৌর বিএনপির সাবেক  যুগ্ম  আহবায়ক  গাজী  মোহাম্মদ  আবু তাহের এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে জানান, আগামী  পটিয়া  পৌরসভা নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র থেকে  ধানের  শীষ  প্রতীক  নিয়ে  নির্বাচন  করতে আগ্রহী। গাজী মোহাম্মদ  আবু তাহের জানান দলীয়  মনোনয়ন পেলে পৌরসভা মেয়র পদে নির্বাচনে  করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে তার।তিনি  আরোও বলেন, পটিয়ার জনগণ পরিবর্তনে আগ্রহী। নির্বাচন অবাধ সুষ্ট নিরপেক্ষ অংশ গ্রহণ মুলক হলে তিনি বিজয়ী হওয়ার আশাবাদী। পটিয়া পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে  বিজয়ী হলে পরিকল্পিত আধুনিক,উন্নত মানসন্মত পৌরসভা রুপান্তর করা ঘোষণা দিয়ে  বলেন, নগর পরিকল্পনাবিধ বিশেজ্ঞদের পরামর্শে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করে দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি মাদক  ও সন্রাস মুক্ত করবেন। এছাড়াও  তিনি  শিক্ষা ব্যাবস্তার উন্নয়ন ও শিক্ষার উন্নতি করা হবে বলে নিশ্চয়তা দেন।তাছাড়া  গাজী মোহাম্মদ  আবু তাহের  বর্ধিত  পৌরকর কমিয়ে আনা রাস্তার দুই পাশে সড়ক বাতি স্থাপন জলবদ্ধতার দূরীকরণ ড্রেনের্স, কালভার্ট, সেতু, নির্মাণ যানজট দূরীকরণ ও নিরাপদ সড়ক ব্যাবস্হা গ্রহণ পটিয়া পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিকায়ন, প্রযুক্তি নির্বর, পরিবেশ বান্ধব, জবাবদিহী বাসয়োগ্য পটিয়া  পৌরসভা গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। এ ক্ষেএে তিনি দল,মত জাতি ধর্ম  বর্ণ  নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা  কামনা  করেন।উচ্চ  শিক্ষিত এ বিএনপি  নেতা পৌর মেয়র পদে নির্বাচনে বিএনপি  দলীয়  মনোনয়ন  পেলে  বিজয়ী হওয়ার শতভাগ আশাবাদী  তিনি  এ ব্যাপারে তার অথিত বর্তমান  সামাজিক ব্যাবসা সব কিছু বিবেচনা এনে দলীয় মনোনয়নে( ধানের শীষ)  তাকে  একবার নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য  কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের সুদৃষ্টি কামনা করেন। 


শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট