দূর্বার তারুণ্য থেকে মানিকগঞ্জে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন

দূর্বার তারুণ্য থেকে মানিকগঞ্জে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন



কাজী মোঃ সাজ্জাদ হাসানঃ দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় আজ সকালে মানিকগঞ্জ শহরের প্রান-কেন্দ্র সরকারী দেবেন্দ্র কলেজে ও শহরের গংগাধরপট্টি এলাকায় এলাকায় দূর্বার তারুণ্যের মানিকগঞ্জের সদস্যদের আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী ও মাস্ক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।


দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় সদস্য তামিম শিকদারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দূর্বার তারুণ্যের কেন্দ্রীয় কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক রাসেল রানা রাব্বী। উদ্ভোদনকালে বক্তব্য দেয়ার সময় রাসেল রানা রাব্বী বলেন, গতকাল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মহোদয় মুহাম্মদ আবু আবিদ আমাদের নির্দেশনা প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকলে মিলে আমরা এ আয়োজন করেছি। গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। যে সবাইকে নিস্তব্ধতার মধ্য দিয়ে সাহায্য করে যাচ্ছে।এই বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে আমরাও সকলকে বোঝাতে চাই দূর্বার তারুণ্যও নিঃশব্দে মানুষের পাশে দাড়াচ্ছে। আমরা দূর্বার তারুণ্যের মাধ্যমে মানিকগঞ্জকে আমরা সকলে মিলে স্বপ্নের শহরের পরিনত করতে চাই।


এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্বার তারুন্য মানিকগঞ্জ জেলা শাখার শুভাকাঙ্ক্ষী স্যামসন জামান সুপ্রিয়, মোঃসাব্বির হাসান,মোঃরিদয়,বাপ্পী রায়হান,মোঃশুভ ইসলাম,মোঃহাসান শিকদারসহ আরো অনেকে।

ঘাটাইলে এক মাথা দুই মুখ চার চোখ বিশিষ্ট শিশুর জন্ম

ঘাটাইলে এক মাথা দুই মুখ চার চোখ বিশিষ্ট শিশুর জন্ম




মো: আ: হামিদ টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক মাথা ও দুই মুখ ও চার চোখ বিশিষ্ট এক কন্যা শিশুর জন্ম দিয়েছে স্বপ্না নামে এক গৃহবধূ। ঘাটাইল সদরের ডিজিটাল ক্লিনিক এন্ড নাসিং হোমে  রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টর দিকে শিশুটি জন্ম গ্রহন করে।

 জানা যায়, টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মাদারজানি গ্রামের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী স্বপ্না বেগম। স্বপ্নার বাবার বাড়ি ভূযাপুর উপজেলার পাচ তেইল্লা গ্রামে। তাদের দেড় বছর আগে বিয়ে হয়।  রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সিজারিয়ান অপরাশেন করানোর জন্য উপজেলা সদরের ডিজিটাল ক্লিনিক এন্ড নাসিং হোমে ভর্তি করান। বিকাল ৫টার দিকে তার অপারেশন করানো হয়। অপারেশন করান ডাঃ মোঃ ইসহাক আলী। এ সময় এক মাথা দুই মুখ চার চোখ বিশিষ্ট এক কন্যা শিশুর জন্ম দেয় গৃহবধূ। জন্ম দেয়ার এক ঘন্টা পর শিশুটি মারা যায়। খবর পেয়ে মুহুর্তের মধ্যে শিশুটিকে দেখতে ভিড় জমে যায় ক্লিনিকটিতে। পরে গৃহবধূর পরিবার শিশুটিকে দাফন করানোর জন্য বাড়িতে নিয়ে যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অভিপ্রায় প্রতিষ্ঠিত দারুল এবতেদায়ী মাদ্রাসা

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অভিপ্রায় প্রতিষ্ঠিত দারুল এবতেদায়ী মাদ্রাসা

আব্দুর রাজ্জাক: বাংলাদেশে ইসলামিক ও জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে সরকারের পরিকল্পনায় ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে প্রতিষ্ঠিত হয় দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা।


ইসলামের ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ইসলামিক শিক্ষা-সংস্কৃতিকে লালন করে দেশের জনশক্তিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্মানজনক কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিশ্বব্যাপী ইমাম-খতীব, ইসলামিক স্কলার, বক্তা, দাঈসহ ধর্মীয় সম্মানিত খাতসমূহে বহির্বিশ্বে প্রশিক্ষিত জনশক্তি রপ্তানি করে দেশের সুনাম ও আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে পৃথিবীতে ইসলামী শিক্ষার প্রসার ও পরকালে মুক্তির সুদূর প্রসারী পরিকল্পনায় সারাদেশে একযোগে ১০১০ টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়।


সরকারের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে কামিল সমমান মাদ্রাসা রূপে উন্নতিকরণ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা সুনিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছিলেন তৎকালীন দায়িত্বশীলগণ।


২০১৯ শিক্ষাবর্ষ শেষে চলতি (ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম) প্রকল্প এর মেয়াদ শেষ হলে মাদ্রাসা সমূহকে "দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রকল্প" নামে নতুন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর হেড অফিস থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পেশ করা হয় বলে জানা যায়।


ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ রহঃ ইন্তেকালের পর দীর্ঘদিন অগ্রগতি না হলেও আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয়ের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগন উক্ত পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন, ক্ষমতাসীন ১৪দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল "তরীকত ফেডারেশন" এর সম্মানিত চেয়ারম্যান জননেতা আলহাজ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী এমপি মহোদয়।

তিনি গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ একাদশ জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষকদের গত জানুয়ারি ২০২০ থেকে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধসহ সকল সমস্যা সমাধান করে দ্রুত প্রকল্পটি পাস করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মহোদয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মহোদয় এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন বলে জানান।


দারুল আরকাম শিক্ষক কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মহোদয়, সম্মানিত পরিচালক মহোদয়গণ, শ্রদ্ধাভাজন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সংসদ সদস্যগণ, সম্মানিত 

মন্ত্রীমহোদয়গণসহ মাননীয় সচিব মহোদয়গণ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের দায়িত্বশীলগণের সহিত দারুল আরকাম মাদ্রাসা প্রকল্প বিষয়ে আলোচনা করলে, সকলেই প্রকল্পটি দ্রুত পাশের ক্ষেত্রে সৎইচ্ছা পোষণ করেন।


দুই লক্ষাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের শিক্ষালাভের সুযোগ-সুবিধা সুনিশ্চিত করে ২০২০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার বিগত ৮ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ ও নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বহাল রেখে, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে মেয়াদের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে জানুয়ারি ২০২০ থেকে প্রকল্পটি দ্রুত পাস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠানটিকে ধারাবাহিক সফলতা অব্যাহত রাখার সুযোগ দান করার জন্য সংশ্লিষ্ট সম্মানিত সকল কর্তৃপক্ষের নিকট সবিনয় অনুরোধ করছি।

দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সংশ্লিষ্ট সকল দ্বীনী শিক্ষা কার্যক্রম সমূহকে আল্লাহ তাআলা আপনাদের সকলের জন্য সদকায়ে জারিয়া হিসেবে কবুল করুন, আমীন।

ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার কুষ্টিয়ার জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির মূলহোতা, মহিবুল

ডিবি পুলিশের হাতে  গ্রেফতার  কুষ্টিয়ার  জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির মূলহোতা, মহিবুল

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

কুষ্টিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে জমি রেজিষ্ট্রেশনের ঘটনায় মূলহোতা এবং জমি ক্রয়ের বিনিয়োগকারী মহিবুল ইসলামকে আজ বিকেল ৪ ঘটিকার সময় আটক করেছে পুলিশ। এতথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত। 

আটককৃত মহিবুল ইসলাম কুষ্টিয়া হরিপুর ইউনিয়নের গোয়ালদহ গ্রামের হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও বড়বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসসায়ী। জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি করে জমি রেজিষ্ট্রেশনের ঘটনায় মিডিয়াতে প্রচার হয়। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে এই চক্রের বিনিয়োগকারী কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল ইসলাম। সংবাদ প্রচারের পর পলতাক এই প্রতারককে ধরতে মাঠে নামে পুলিশের একাধিক দল।

এর আগে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে জড়িত ও জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির ঘটনায় ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। শহরের এন এস রোডের বাসিন্দা এম এম এ ওয়াদুদের প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করে প্রতারক চক্র। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ ১০/১২ অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ গ্রেফতার

 সিদ্ধিরগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ গ্রেফতার




সিপন,নারায়ণগঞ্জ:নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব- ১১ এর একটি অভিযানিক দল।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ সি পি এস সির মাদক বিরোধী অভিযানে, নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আদমজী নতুন বাজার এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের সময় ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

 নাহিদ হাসান(২৭),মোহাম্মদ রহিম শাহরুখ(২৪),সোহেল(২০)।

প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ও জানা যায়, মোঃ নাহিদ হাসান ও মোঃ রহিম শাহরুখ এর বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আদমজী নতুন বাজার ও ৩নং বালুরমাঠ বিহারী পট্টি এলাকায় এবং অপর আসামি মোঃ সোহেল এর বাড়ি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার ঝামলা এলাকায়।অনেক দিন ধরে নারায়ণগঞ্জ ঢাকা ও আশপাশ এলাকায় অভিনব পন্থায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ক্রয় বিক্রয় সরবরাহ করে আসছিল তারা।গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আশাশুনিতে সাবেক মেম্বরের বিরুদ্ধেশিশু ধর্ষনের অভিযোগ \ এলাকায় ধ্রুম্যজালের সৃষ্টি

 আশাশুনিতে সাবেক মেম্বরের বিরুদ্ধেশিশু ধর্ষনের অভিযোগ \ এলাকায় ধ্রুম্যজালের সৃষ্টি

আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা  প্রতিনিধি  : ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়ে আশাশুনির সাবেক মেম্বরের বিরুদ্ধে শিশু (১২) ধর্ষনের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে থানাপুলিশ ভিকটিম ও ঘটনাটি দেখেছেন দাবি করা এমন একজন শিশু (১২) স্বাক্ষীকেও থানা হেফাজতে নিয়েছে থানাপুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্রতেঁতুলিয়া গ্রামে। সাবেক মেম্বর শাহনগর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা শাহ ইদ্রিস আলীর ছেলে মিজানুর রহমান মন্টুর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানাগেছে। তিনি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিযোগিতাও করেছিলেন। শনিবার দুপুরে মিত্রতেঁতুলিয়া গ্রামের জনৈক আম্বিয়ার ঘরে তিনি এক মাদুর ব্যবসায়ীর শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন বলে ট্রিপল নাইনে অভিযোগটি করা হয়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক মেম্বর জানান- ঘটনাটি দুপুরে এক সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সঠিক তদন্ত হলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। ঘটনাস্থলে গেলে ওই মাদুর ব্যবসায়ীর ঘরের সামনের দোকানী জোসনা খাতুন বলেন রবিবার দুপুরে পুলিশ এলে জানতে পারি এ ঘটনাটি শনিবার ঘটেছে। মাদুর ব্যবসায়ীর চাচা গহর গাজী, লুৎফর গাজী, তাসলিমা, ঝারু বিবি, ফাতেমাসহ পার্শ্ববর্তী  প্রতিবেশিরা বলেন এতবড় ঘটনা ঘটলো অথচ পুলিশ না এলে আমরা জানতেই পারতাম না। মেম্বরের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার প্রতিপক্ষরা এসব রটাচ্ছে। সঠিক তদন্ত হলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশাবাদি। উল্লেখিত ঘটনাস্থলের পাশে মৎস্য ঘেরের মালিক কাদাকাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়ুব আলী জানান- উল্লেখিত ঘটনার দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমি ঘেরের বাসায় ছিলাম। কোথাও কোন চিৎকার চেঁচামেচির খবর পাইনি। রবিবার দুপুরে এ খবর শুনে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টির সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম কবির জানান- ট্রিপল নাইনে স্পর্শকাতর এ ঘটনা শুনে আমরা তাকে হেফাজতে নিয়েছি। তারা আমাদের কাছে এখনও কোন অভিযোগ করেননি। সোমবার (আজ) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা সঠিক তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই : রেজাউল করিম চৌধুরী

 ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই : রেজাউল করিম চৌধুরী

 


কাজী মোঃ সাজ্জাদ হাসানঃ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম.রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রকারীদের রুখতে ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক ভিত্তি দেশ ও জাতিকে সম্মুখ দিকে নিয়ে যাওয়ার একটি আদর্শিক শক্তি ও ভিত্তি। এই সুসংহত  শক্তি সংগঠনকে আরো গতিশীলতা দেবে। আমিও চাইছি আপনারাও সাংগঠনিকভাবে সেই পথে প্রাণিত হবেন। তিনি আরো বলেন, মতের ব্যক্তিক ভিন্নতা যা-ই থাকুক আমাদের কিন্তু দলীয় সংহতির রক্ষার্থে সকলকে আপন করে নিতে হবে। এই আপন শক্তি দেশ, জাতি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তি। এই আপন শক্তিই পারে সুন্দর একটি নির্বাচন করে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে। আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তাদেরকে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে দলের স্বার্থে কাজ করার আহবান জানান তিনি। 


শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর রাতে আয়োজিত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সাথে মত বিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম.রেজাউল করিম চৌধুরী। 


চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী।


সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের সকল সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। ক্ষমতাসীন সরকারের সকল শুভ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সোনার বাংলা বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীদের যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সুন্দর একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এবং আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের জিতাতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা প্রকৃত সংগঠন করেন তারা কখনো দলীয় সিদ্ধান্তে বাহিরে যেতে পারেন না। আমি চাইবো আপনারা আপনাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিবেন। অন্যথায় দলের স্বার্থে আমরা কঠোর হতে বাধ্য হবো। তখন কিন্তু অন্য কোন সুযোগ থাকবে না। 


নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, নির্বাচন এত সহজ জিনিস নয়, যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমি চাইবো এখনো সময় আছে, যারা দলীয় সিদ্ধান্তে বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিবেন।


চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আত্মঘাতি কর্মকান্ড থেকে নিজেদের বিরত থাকতে হবে। পরস্পর পরস্পরকে হেয় করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। যদি তা করতে না পারি তাহলে দিন শেষে ক্ষতি হবে মাননীয় প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের। একথা সকলকে মনে রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী ছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন থেকে সরে না এসে যদি কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাবে আওয়ামী লীগ। তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ তারাই নির্ধারণ করেন। প্রয়োজনে এই ব্যাপারে হাই-কমান্ডের সাথে আলোচনা করা হবে। 


মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এড. সুনীল কুমার সরকার, সিডিএ’র চেয়ারম্যান এম. জহিরুল আলম দোভাষ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব বদিউল আলম, আলহাজ্ব এম.এ রশীদ, সাবেক সিডিএ চেয়ারম্যান ও কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ শমসের, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. শেখ ইফতেখার সায়মুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও গবেষণা মশিউর রহমান চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জোবায়েরা নার্গিস খান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরী, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল আহাদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো: শহীদুল আলম, জহর লাল হাজারী, সদস্য  আলহাজ্ব এম.এ.জাফর, নুরুল আবছার মিয়া, সৈয়দ আমিনুর রহমান, আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, গাজী শফিউল আজম, কামরুল হাসান ভুলু, বখতিয়ার উদ্দিন খান, গোলাম মাহমুদ চৌধুরী, সাইফু উদ্দিন খালেদ বাহার, আহম্মেদ ইলিয়াছ, ইঞ্জিনিয়ার বিজয় কৃষাণ চৌধুরী, জাফর আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব মহব্বত আলী, হাজ্বী মো: ইলিয়াছ, ড.নিছার উদ্দিন আহম্মেদ মঞ্জু, হাজী বেলাল আহম্মেদ, মো: মোরশেদ আকতার চৌধুরী সহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ।


সভাশেষে মেয়রপ্রার্থী এম. রেজাউল করিম চৌধুরীর বাহারি খাবারের আয়োজনে নৈশভোজে অংশ নেন নেতারা।

নওগাঁর আত্রাই-রাণীনগরে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম

নওগাঁর আত্রাই-রাণীনগরে ধানের শীষের প্রার্থী শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম

মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরোঃনওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। 

রোববার দলের

 চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

শায়রুল বলেন, নওগাঁ-৬ আসনে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন৷ 

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকারসহ সব উপনির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানায় বিএনপি।

উল্লেখ্য, নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম মারা যাওয়ায় আসনটি শূন্য হয়।

প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় ঝিনাইদহের বিনোদকেন্দ্র গুলো

 প্রশাসনের অনুমতির অপেক্ষায় ঝিনাইদহের বিনোদকেন্দ্র গুলো



সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃসরকারি দেওয়া শর্ত মেনে পার্ক খুলতে প্রস্তুত ঝিনাইদহের বিনোদনকেন্দ্রগুলোর মালিকরা। ইতিমধ্যে পার্কে হাত ধোয়া, স্যানিটাইজার স্প্রে করা ও মাস্ক পড়া নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন তারা। শুধু অপেক্ষায় রয়েছেন জেলা প্রশাসনের অনুমতির।

জানা যায়, মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গত ৫ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে ঝিনাইদহের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। এই সময়ে লোকসান হয়েছে প্রায় কোটি টাকা। আর মানবেতর জীবন যাপন করছেন পার্কের স্থায়ী ও মৌসুমি ৩০০ কর্মী।

শহরের জোহান ড্রিম ভ্যালি পার্কের সত্ত্বাধিকারী মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, করোনার কারণে ৫ মাস পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে পার্ক খুলে দিলেও ঝিনাইদহে এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে পার্কের কর্মচারীরা চরম কষ্টে দিন যাপন করছে।

তিনি বলেন, পার্ক খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকার যা নির্দেশনা দিয়েছে। তার সবগুলো মেনেই আমরা পার্ক চালু করবো। ইতিমধ্যে আমরা তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পার্কে প্রবেশের সময় দর্শনার্থীরা যেন হাত ধুয়ে ভিতরে ঢুকতে পারে এ জন্য সাবান ও পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও স্যানিটাইজার স্প্রে করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ৪ মাস পার্কের যত দর্শনার্থী আসবে প্রত্যেককে টিকিটের সাথে একটি মাস্ক বিনামুল্যে দেওয়া হবে।

পার্ক দ্রুত খুলে দেওয়ার জন্য ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথকে অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, পার্কের মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পার্ক চালুর ব্যবস্থা করলে দ্রুতই পার্ক চালুর অনুমতি দেওয়া হবে।

চট্টগ্রামে কসাই লেদুর খুঁটির জোর কোথায়?

চট্টগ্রামে কসাই লেদুর খুঁটির জোর কোথায়?




নিজস্ব প্রতিনিধিঃকসাই লেদু, একটি ভয়ংকরী নাম। জাতীয় পার্টীকে জলাঞ্জলি দিয়ে খোলস বদল করে আওয়ামীলীগে যোগদানের মাধ্যমে মুবিজকোর্ট পরিধান করে মহারাষ্ট্রের মহারাজ সেজেছে রৌফাবাদের কসাই লেদু।

জানা গেছে লেদুর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানা আদালতে ধর্ষণ মামলা সহ চুরি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং ভূমিদস্যুতার অভিযোগ এনে মামলা করে ভুক্তভোগীরা। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনা সত্য বলে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন আদালতে।  এতে কসাই লেদুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। 

কিন্ত আইন আদালত পু্লিশ প্রশাসন কিছুই তোয়াক্কা না করে পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এই কসাই। অবলা নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা, মাদককারবারিদের সাথে ওলামেলা, ছিনতাইকারীদের রক্ষণাবেক্ষণ, ভূমি দস্যুতা, ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চাঁদাবাজি সহ কয়েক ডজন জঘন্যতম অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত থাকলেও রহস্যজনক কারণে কর্তৃপক্ষের যেন টনক নড়ছে না।

চট্টগ্রাম মহানগর বায়েজিদ এলাকা জুড়ে  বাণিজ্যিক বা শিল্পনগরী হিসাবে প্রাচীন কাল থেকেই বেশ খ্যাতি রয়েছে এর। যে কারণে এখানে নগরীর অন্যান্য এলাকার চেয়ে ঘনবসতি প্রায় দিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানা গেছে মানুষের চাহিদা এবং অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের  বিরুদ্ধে খুব সহজেই ফাঁদপাতা সম্ভব হয়েছে কসাই লেদুর।

সরেজমিনে দেখা গেছে যে, অক্সিজেন এলাকার কে,ডি,এস গার্মেন্টসের পিছনে সরকারি জমি দখল করে পাখি (ছদ্মনাম) নামের এক মাদক সম্রাজ্ঞীর হাতে তুলি দিয়েছে মাদক এবং নারী। 

অক্সিজেন এলাকায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যায় ইয়াবা সহ ফেন্সিডিল, গাঁজ, মদ এবং হরেক রকম মাদক। 

লেদুর নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসাবে প্রশাসনের নজরে আসেনা বায়েজিদের বিশেষ বিশেষ এলাকা। জানা যায় অক্সিজেন এলাকায় অবৈধ আয়ের টাকা দিয়ে সরকারি শীতলঝর্ণা খালটি দখল এবং ভরাট করে ৭তলা বিশিষ্ট একটি গগনচুম্বী ভবন নির্মাণ করেছে লেদু। এতে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যায় করেন লেদু। এছাড়া ভবনের ২য় তলায় অনুমোদনহীন হাসপাতাল নির্মাণে করে কসাই পদ্ধতিতে রোগীদের গলাকেটে মাসে প্রায় কোটি টাকা অবৈধ ভাবে আয় করছে। কসাই লেদুর অবৈধ আয়ের হাজার কোটি টাকার হিসাব থেকে সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। 

এছাড়া অবৈধ ভবন নির্মাণে ওই এলাকায় স্থায়িভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেও সময়মত পানি নিষ্কাসিত না হওয়ায় পানির নিচে তলিয়ে যায় ওই এলাকার নিন্মাঞ্চল।

জানা যায় আয়কর অফিসের দুর্নীতিবাজ অফিসারদের সাথে গোপনে সখ্যতা গড়ে তুলে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাকি দিচ্ছে লেদু।

কৃষি প্রণোদনা হিসাবে বীজ ও সার পেলেন নাগরপুরের ১৪শ কৃষক

 কৃষি প্রণোদনা হিসাবে বীজ ও সার পেলেন নাগরপুরের ১৪শ কৃষক




ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:টাংগাইলের নাগরপুরে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রনোদনা কর্মসূচীর আওতায় ক্ষতিগ্রস্থ ক্ষুদ্র ও প্রন্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বীজ, মাসকলাই বীজ ও সার বিতরন করা হয়েছে।


আজ রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রি. সকালে নাগরপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা হল রুমে ১৪ শত কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।


কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ পেয়েছেন নাগরপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ১হাজার ৪শ কৃষক। এদের মধ্যে ৭শ জন কৃষক বিভিন্ন প্রকার সবজি বীজ এবং অন্য ৭শ জন কৃষক মাসকালাই বীজ ও সার পেয়েছেন । এবার করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব মেনে বিতরণ করা হয়েছে প্রণোদনার সার ও বীজ। 


টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য জ্বনাব মো.আহসানুল ইসলাম টিটুর দিক নির্দেশনায় নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নাগরপুর কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মো.ইমরান হোসেন শাকিলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং খামারবাড়ী টাঙ্গাইল বি এম রাশেদুল আলম।


সার ও বীজ বিতরণের সময় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর, ইউপি চেয়ারম্যান,ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, মো.ছিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, মো. আনোয়ার হোসেন, এড.দাউদুল ইসলাম দাউদ প্রমুখ।

পটিয়া পৌর সদরে হাজী মাহবুব আলী সঃ এর মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক

পটিয়া পৌর সদরে হাজী মাহবুব আলী সঃ এর মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক


সেলিম চৌধুরী পটিয়া প্রতিনিধিঃ পটিয়া আদালত জামে মসজিদের সর্বোচ্চ ভুমি দাতা ও  পটিয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড গাউছিয়া রহমানিয়া জামে মসজিদের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক এবং পটিয়া- কর্ণফুলী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আসহাব উদ্দিন এর পিতাব    হাজী মোঃ মাহবুব আলী সঃ (৮০) ১২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১ টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতাল (চমেক)  ইন্তেকাল করেন। ইন্না-লিল্লাহ ওয়ান্নাহ-লিল্লাহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি ৬ ছেলে ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার  হাজী মাহবুব আলী সঃ এর নামাজে জানাজা বাদে যোহর আবদু সোবাহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।এর পর থাকে আদু তালুকদার বাড়ির   পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। তার জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাবসায়ি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। হাজী মাহবুব আলী সঃ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন পটিয়া পৌরসভার  মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, সাবেক মেয়ের শামসুল আলম মাষ্টার, সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম,  চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ.ম.ম টিপু সুলতান চৌধুরী,  সাবেক কমিশনার নুরুল ইসলাম, কাউন্সিলর খোরশেদ গনী, সাবেক কাউন্সিলর আমির হোসেন, পৌর জাপার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ শাহজাহান চৌধুরী, সাবেক পৌর যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ইদ্রিস পানু,  সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম আজিজ         জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও   দৈনিক জনতা সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী,  বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি মোঃ নাছির উদ্দীন, তৌহিদুল ইসলাম,  আলমগী, জসিম উদ্দিন, রাসেল তালুকদার,  পটিয়া- কর্ণফুলী ডেকোরেটার্স মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ ইছাক, সহ সভাপতি নুরুল আবছার, অর্থ সম্পাদক মোঃ বখতিয়ার প্রমুখ। এছাড়াও অর্ধশতাধিক সামাজিক সংগঠনের  নেতৃবৃন্দ মরহুম হাজী মাহবুব আলী সঃ কবরস্থান সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।        

মাধবপুরে মূলা চাষে সাবলম্বী কৃষকরা

 মাধবপুরে মূলা চাষে সাবলম্বী  কৃষকরা




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের মাধবপুরে মূলা শীতকালের অন্যতম প্রধান সবজি মূলা সকল শ্রেণীর মানুষের পছন্দের সবজি মূলা সালাদ, ভাজি ও অন্যান্য তরকারির সাথে ব্যবহার করে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে আমাদের সমাজে মুলার পাতা অনেকেই শাক হিসেবে খেতে বেশি পছন্দ করে থাকেন। মূলার পাতার শাক বেশ পুষ্টিকর শাকে প্রচুর পরিমানে ক্যারোটিন ভিটামিন সি ক্যালসিয়াম ও লৌহ রয়েছে। এখন চাষিরা অমৌসুমে মূলা আবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। ইতোমধ্যে বৃষ্টি পানি জমি থেকে নেমে গেছে বা নেমে যেতে শুরু করেছে। এসব জমিতে আগাম মূলার চাষ করা যেতে পারে। আগাম সবজি হিসেবে মূলার যথেষ্ট বাজার রয়েছে তাছাড়াও বাজারে পেঁয়াজ ও শসার দাম বেশি থাকালে এদের বিকল্প সবজি হিসেবে মূলার ব্যবহার বেড়ে যায়।


খরিপ মৌসুম শেষে এবং রবি মৌসুমের শুরুতে বাজারে তেমন কোন সবজি পাওয়া যায় না এই সময়ে আগাম জাতের সবজির মধ্যে মূলা উন্নতম এখন আগাম মুলা চাষের মাধ্যমে আমরা আর্থিক লাভবান হতে পারি। একসময় জাপানের বিখ্যাত তাসাকি সান জাতের মূলার মাধ্যমে এ দেশে উচ্চফলনশীল মূলার আবাদ শুরু হলেও এখন মূলার বেশ কিছু জাত চাষ হচ্ছে। আসছে নিত্য নতুন স্বল্প জীবনকালের অধিক ফলনশীল হাইব্রিড জাত। উল্লেখযোগ্য জাত সমূহ হল বারি মূলা ১ বারি মূলা ২ বারি মূলা ৩ এভারেষ্ট হোয়াইট প্রিন্স বিপ্লব ৯৪ হিমালয় এফ১ সুপার ৪০ মুক্তি এফ১ তাসাকী কুইক ৪০ রকি ৪৫ হোয়াইট। 


রকেট হোয়াইট ৪০ জি চেটকি সুফলা ৪০ বিএসবিডি ২১০১ এফ১ আনারকলি দুর্বার রকেট এফ১ সামার বেষ্ট এফ১ বরকতি ৪০ এফ১ পাইলট এফ১ সিগমা ৪০ ইত্যাদি মূলার কয়েক টি জাতের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি। বারিমূলা ১ (তাসাকিসান)- ভাদ্র থেকে কার্তিক মাসে বীজ বুনতে হয় বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায়।

মূলার রঙ ধবধবে সাদা বেলুনাকৃতি লম্বা ও বড় দৈর্ঘ্যে প্রায় ৩৫ সেন্টিমিটার প্রতিটি মূলার গড় ওজন ১ কেজি দেশী মূলার মত অত ঝাঁঝ নেই প্রতি বিঘায় ফলন ৭-৮ টন বারিমূলা ২ (পিংকী) ভাদ্র থেকে কার্তিক মাসে বীজ বুনতে হয়। 


বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায় মূলার রঙ লালচে নলাকৃতি দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৫-৩০ সেন্টিমিটার মধ্যমাকার প্রতিটি মূলার গড় ওজন ৯০০ প্রাম। শাক খাওয়ার উপযুক্ত প্রতি বিঘায় ফলন ৭-৮ টন বারিমূলা ৩ (দ্রুতি) ভাদ্র থেকে কার্তিক মাসে বীজ বুনতে হয় বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায়। মূলার রঙ সাদা নলাকৃতি পাতার কিনারা ঢেউ খেলানো মূলার অর্ধেক অংশ মাটির উপরে থাকে প্রতিটি মূলার গড় ওজন ৪০০-৬০০ গ্রাম প্রতি বিঘায় ফলন ৫-৬ টন রোগ পোকার আক্রমণ প্রতিরোধী বিঘায় ফলন ৫-৬ টন রোগ পোকার আক্রমণ প্রতিরোধী।


এ দেশের আবহাওয়ায় এ জাতের মূলার ভাল বীজ উৎপাদন করা যায় এভারেষ্ট এফ১- সারা বছর চাষ করা যায় একই জমিতে একই মৌসুমে ৩ বার চাষ করা যায় সহজে ফুল আসেনা বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায়। মূলার রঙ সাদা নলাকৃতি ছোট আকারের প্রতিটি মূলার গড় ওজন ৪০০-৫০০ গ্রাম শাক খাওয়ার উপযুক্ত প্রতি বিঘায় ফলন ৭-৮ টন। হোয়াইট প্রিন্স এফ১- মধ্য শ্রাবণ থেকে ভাদ্র মাসে বীজ বুনতে হয়। বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায় আগাম দ্রুত বর্ধনশীল ঝাঁঝহীন ও সুস্বাদু প্রতিটি মূলার গড় ওজন ৩০০-৪০০ গ্রাম শাক খাওয়ার উপযুক্ত।


প্রতি বিঘায় ফলন ৭-৮ টন মিনো আর্লি লং হোয়াইট আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ মাসে বীজ বুনতে হয় ও পৌষ ফাল্গুনে মূলা ওঠে বীজ বোনার ৪০-৪৫ দিন পর থেকেই মূলা তোলা যায়। মূলা লম্বা সাদা গ্রীস্মকালে ভাল হয় প্রতিটি মূলার গড় ওজন ২৫০-৪০০ গ্রাম হয়ে থাকে প্রতি বিঘায় ফলন ৬-৭ টন। উঁচু মাঝারি উঁচু ও মাঝারি নিচু জমিতে মূলা চাষ করা যায়। সুনিস্কাশিত বেলে দোয়াশ মাটি মূলা চাষের জন্য ভাল। এটেল মাটিতে মূলার বাড় বাড়তি কম হয়। মূলা চাষের জন্য জমি গভীরভাবে ধুলো ধুলো করে চাষ করতে হয়। ছাই ও জৈব সার বেশী ব্যবহারে মূলার বাড় বাড়তি ভালো হয়। 


আগাম চাষে মূলার অধিক ফলনের জন্য বিঘা প্রতি গোবর বা আবর্জনা পচা সার ১.৫ থেকে ২ টন জমি তৈরির সময় সবটুকু জৈব সার দিতে হবে। ট্টিপুল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার ২০ কেজি ইউরিয়া সার ৪০-৪৫ কেজি ও মিউরেট অব পটাশে (এমওপি) ২৫-৩০ কেজি ব্যবহার করতে হবে।


টিএসপি সব ও এমওপি সারের অর্ধেক মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়া ও বাকি অর্ধেক এমওপি সার সমান ২ কিস্তিতে ভাগে ভাগ করে বীজ বপনের পর তৃতীয় ও পঞ্চম সপ্তাহে ছিটিয়ে সেচ দিতে হবে। মূলার বীজ উৎপাদন করতে হলে জমিতে অবশ্যই বোরন সার হিসেবে বোরিক পাউডার/বোরক্স ব্যবহার করতে হবে। প্রতি বিঘায় ২ কেজি বোরিক এসিড/বোরাক্স দেওয়া প্রয়োজ্য বিঘা প্রতি ৩৫০-৪০০ গ্রাম বীজ লাগে। সাধারণতঃ কৃষকগন মূলার বীজ ছিটিয়ে বপন করে থাকেন।


তবে মূলার ভাল ফলন ও যত্ন পরিচর্যার সুবিধার্থে এবং বীজের পরিমাণ কম লাগার জন্য বীজ লাইন করে বুনা ভাল। লাইন করে বুনার ক্ষেত্রে বেড তৈরি করে তারপর বীজ বুনতে হবে। বেড তৈরি সময় প্রস্থ ৩ ফুট এবং জমির আকৃতির উপর নির্ভর করে দৈর্ঘ্য ঠিক করে নিতে হবে প্রতি বেডের চারি ধারে দেড় ফুট নালা রাখতে হবে। সারি থেকে সারির দুরত্ব হবে এক থেকে দেড় ফুট এবং বীজ থেকে বীজের দূরত্ব হবে ৮ ইঞ্চি।


বীজ বপনের সময় সূস্থ সবল ও সতেজ বীজ আধা ইঞ্চি মাটির নিচে দিতে হবে। বীজ বপনের ৭-১০ দিন পর অতিরিক্ত চারা তুলে পাতলা করে দিতে হবে। গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে বেশি জায়গার দরকার হয়। তাই চারা অবস্থায় চারার ঘনত্ব বেশি হলে কয়েক দফায় চারা তুলে পাতলা করে দিতে হবে। তুলে নেওয়া চারাগুলো বাজারে বিক্রি করা যেতে পারে। মাটিতে রস কম থাকলে সেচ দিতে হবে প্রতি কিস্তির সার উপরি প্রয়োগের পর পরই সেচ দিতে হবে।


গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য মাঝে মাঝে নিড়ানী দিয়ে আগাছা পরিস্কার করে দিতে হবে। মূলা ৪/৫ পাতা হলে (৩য় সপ্তাহ) বিঘা প্রতি ইউরিয়া ৫-৭ কেজি এবং মিউরেট অব পটাশ ৮-১০ কেজি একত্রে মিশিয়ে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। আবার মূলার যখন ৮/৯ পাতা হবে (৫ম সপ্তাহ) তখন ইউরিয়া ও মিউরেট অব পটাশ সার একই মাত্রায় উপরি প্রয়োগ করা যেতে পারে তবে খেয়াল রাখতে হবে কুয়াশা বা বৃষ্টি ভেজা পাতা শুকানোর পর সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।


মাটিতে রস না থাকলে প্রয়োজনে হালকাভাবে দু‘একবার পানি সেচ দেয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। মূলার জমিতে পানি জমে থাকেলে মূলা পচে যেতে পারে এজন্য মূলার জমিতে ভাসান সেচ বা প্লাবন সেচ দেয়ার প্রয়োজন নেই। সেচ দেয়ার পর মাটিতে জো এলে চটা ভেঙ্গে দিতে হবে এতে মূলার বৃদ্ধিও ভাল হবে। মাধবপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, মুলা একটি শীতকালীন সবজি শীতকালে এর স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়। মূলা বারোমাসিক পাওয়া গেলেও শীতকালে এর স্বাদ বেশি পাওয়া যায়। এছাড়াও উপজেলায় মূলা চাষিদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

খুলনায় কমেছে মামলার সংখ্যা

 খুলনায় কমেছে মামলার সংখ্যা

 



তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃখুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সেপ্টেম্বর মাসের সভা আজ (রবিবার) সকালে জুম প্রযুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, জেলা-উপজেলার অপরাধপ্রবণ ও সংবেদনশীল বাজারগুলোর সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির মাধ্যমে সিসি টিভি স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। মাদকের অপব্যবহার ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। জেলার গ্রামীণ এলাকায় শালিস বৈঠকে মুচলেকার মাধ্যমে অর্থ আদায় করে প্রাপ্যব্যক্তিকে না দিয়ে শালিসকারীরা আত্মসাত করছে এমন বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা একটি ফৌজদারি অপরাধ। এছাড়া জেলা প্রশাসক সরকারি শিশু পরিবারের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও শিশুদের বিকাশে সঠিক পরিবেশ রক্ষা করতে সংশ্লিষ্টদের নিদের্শ দেন।


সভায় পুলিশ বিভাগের পক্ষ হতে সাইবার অপরাধ ও প্রতারণা বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকতে অনুরোধ করা হয়।



 

সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহম্মেদ, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার এমএম শাকিলুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) জিএম আবুল কালাম আজাদ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, খুলনার বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।


সভায় জানান হয়, বিগত জুলাই মাসের চেয়ে আগস্ট মাসে খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় দায়েরকৃত মামলার সংখ্যা ৩১টি হ্রাস পেয়েছে ও জেলা অধিক্ষেত্রে মামলার সংখ্যা ৬৪টি হ্রাস পেয়েছে। বিগতমাসে খুলনা জেলায় ৮৮টি মোবাইলকোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে দুইশত ৭৬টি মামলা দায়ের ও দুইশ ৮৬ জনকে দন্ড প্রদান করা হয়। এসময় তিন লাখ ৪৫ হাজার নয়শত টাকা জরিমানা করা হয়।

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইদিনে তিনজনের মৃত্যু

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইদিনে তিনজনের মৃত্যু




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

কুষ্টিয়া টু রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে কুমারখালী বাটিকামারা শিপলু ফিলিং স্টেশনের সামনে গত দুইদিনে তিনজন নিহত হবার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার মোটরসাইকেলের সাথে ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন এবং রোববার একই স্থানে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে মাইক্রোবাসের চাপায় অপরএকজন মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার বিকেলে মাদারীপুর শিবচরের ফয়জুল খাঁর ছেলে ইনছান (৩০) ও রমজান (৩৫) পিতা অজ্ঞাত কুষ্টিয়া যাওয়ার পথে শিপলু ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে ভ্যানের সাথে সংঘর্ষে রোডের উপর পরে যায়। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি পালসার মোটরসাইকেল চালকের মুখের উপর দিয়ে চলে যায় এবং আরোহীর মাথায় হেলমেট না থাকার কারনে তার মাথা রোডের উপর পরে মারাত্মক আহত হয়। পরবর্তীতে দুজনকেই কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭ টার দিকে দুজনেই মারা যায়। অপরদিকে আজ রোববার সকাল ৭ টার দিকে কুমারখালী বাটিকামারা মধ্যেপাড়া গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে ফিরোজ (৩৫) প্রাতঃভ্রমণে বের হলে একই স্থান থেকে দ্রুতগতিতে আসা মাইক্রোবাস পিছন থেকে ধাক্কা দিলে রোডের উপর পরে গিয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এতথ্য নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, শনিবার বিকেলে শিপলু ফিলিং স্টেশনের সামনে পাখি ভ্যান ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত দুজন মারা গেছেন এবং রোববার একই এলাকায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে স্থানীয় একজনকে মাইক্রোবাস চাপা দিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায় এবং তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।

কুড়িগ্রামে নদীভাঙ্গনের গ্রাসে জনজীবন বিপাকে

 কুড়িগ্রামে নদীভাঙ্গনের গ্রাসে জনজীবন বিপাকে




মোঃইয়ামিন সরকার আকাশ।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

ভারীপাত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি  ঢলে কুড়িগ্রামের তিস্তা ও  ধরলা নদীর পানি আবার বাড়তে শুরু করেছে।যার ফলে নিচু এলাকার বেশ কিছু আমন ও সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে  নদ-নদীর  তীব্র ভাঙন।

গত এক সপ্তাহের মধ্যে  জেলার প্রায় দুই শতাধিক বসতভিটা, আবাদি জমি ও দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।যার মধ্যে তিস্তার প্রবল ভাঙনে বিলীন হয়েছে জেলার উলিপুর উপজেলার চর বজরা এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়াও বিলীন হয়েছে পাকা রাস্তা ও শতাধিক বাড়িঘর।

এদিকে সদর উপজেলায়  বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় একশ মিটার অংশ বিলীন হয়ে গেছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ড এর বরাত দিয়ে জানা গেছে যে ধরলা নদীর পানি দ্রুতগতিতে বাড়ছে এবং যা বিপৎসীমার  ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পটিয়ায় ডিএনসির হাতে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের ইয়াবা কারবারি আটক

 পটিয়ায় ডিএনসির হাতে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ টেকনাফের ইয়াবা কারবারি আটক


সেলিম চৌধুরী পটিয়া প্রতিনিধিঃ পটিয়া ডিএনসির হাতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার এক হাজার পিস   ইয়াবাসহ আবদুল হক কে আটক করেছে। ১৩ সেপ্টেম্বর    উপপরিচালক জনাব হুমায়ুন কবির খন্দকার এর তত্ত্বাবধানে এবং পরিদর্শক  সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম খ-সার্কেল(পটিয়া) এর একটি টিম  ১০০০ (এক হাজার) পিস ইয়াবা সহ আসামী- আব্দুল হক (৫০), পিতা- মৃত আহাম্মদ মিয়া, মাতা- ফাতেমা খাতুন, সাং-উত্তর নেঙ্গুর বিল(আব্দুল হকের বাড়ী), পোঃ মিঠা পানির ছড়া-৪৭৬০, ওয়ার্ড-০২, থানা- টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার কে চট্টগ্রাম - কক্সবাজার  মহাসড়কের পটিয়া থানাধীন মোজাফফরাবাদ এন জে উচ্চ বিদ্যালয়ের এর বিপরীত পার্শ্বে চট্ট মেট্রো-ব-১১-১৩৪৭ হানিফ যাত্রীবাহী বাসে দেহ তল্লাশীপূর্বক সংরক্ষণ ও বহনের অপরাধে সকাল প্রায় সাড়ে ৯  ঘটিকার সময়   তল্লাশিপূর্বক আটক করে। তার বিরুদ্ধে  পটিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন - ২০১৮ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

প্রাইভেট কোম্পানির ড্রেস কোড থাকতে হবে!

 প্রাইভেট কোম্পানির ড্রেস কোড থাকতে হবে!

স্টাফ রিপোর্টারঃসৌদি আরবের সকল প্রাইভেট কোম্পানিকে পুরুষ এবং নারী – সকল কর্মচারীর জন্য ড্রেস কোড জারি করার নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি আরবের শ্রম মন্ত্রণালয়। সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ম মন্ত্রণালয় এর মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার আল-রাজি সকল কোম্পানিকে রেগুলেশন অনুযায়ী ড্রেস কোড মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছেন।

সৌদি আরবের লেবার ল এর ৩৮ নম্বর আর্টিকেল এর প্রথম প্যারাগ্রাফ এর ব্যাপার এউল্লেখ করেন। এই প্যারাগ্রাফে বলা আছে, প্রত্যেক প্রাইভেট কোম্পানির একটি ড্রেসকোড থাকতে হবে, এবং লিখিত একটি নীতিমালা থাকতে হবে যা সকল কর্মচারীকে মেনে চলতে হবে। এছাড়াও এই নীতিমালায় ড্রেসকোড না মেনে চললে জরিমানার ব্যাপারেও উল্লেখ থাকতে হবে।


সকল প্রাইভেট কোম্পানিকে এই ড্রেসকোড সম্বলিত নির্দেশনা সহজেই চোখে পড়ে এমন কোন জায়গায় বা নোটিশবোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে, যাতে করে সকল কর্মচারী সহজেই এই ড্রেসকোড এবং ড্রেসকোড এর নির্দেশনা সম্পর্কে জানতে পারে। যেসকল কোম্পানি লেবার ল অনুযায়ী এবং মন্ত্রণালয় এর নির্দেশনা অনুযায়ী ড্রেস কোড বাস্তবায়ন করবে না, তারা জরিমানার সম্মুখীন হবে।

মন্ত্রনালয় থেকে জানানো হয়, এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে সৌদি আরবের শ্রম বাজার উন্নয়ন করার জন্য। একই সাথে প্রাইভেট চাকুরিতে কাজের জন্য ভালো প্রতিবেশ নিশ্চিত করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর)আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত এমপি পদপ্রার্থীর দ্বিতীয় দফা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন

 নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর)আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত এমপি পদপ্রার্থীর দ্বিতীয় দফা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন




 

মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো


আর কোন দাবি নাই, এ্যাডঃ সুমনের নৌকা চাই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নওগাঁর আত্রাইয়ে নওগাঁ -৬(আত্রাই-রাণীনগর) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত এমপি পদপ্রার্থী এ্যাডঃ ওমর ফারুক সুমনের সমর্থকেরা দ্বিতীয় দফা

বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

রবিবার(১৩সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার সময় দলের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার জন্য উপজেলা মোল্লা আজাদ সরকারি কলেজ মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল এবং পরে আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে সমাবেশ ও মানববন্ধন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আ’লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাড.ওমর ফারুক সুমনের সমার্থক,আব্দুলাহ আল মামুন, মোঃ খাইরুল ইসলাম,আব্দুল কুদ্দুসসহ দুই হাজার নেতাকর্মী। মানববন্ধনকালে সমাবেশে বক্তারা বলেন,এ্যাড.সুমন মাঠে ছিল মাঠে থাকবে। মাঠ জরিপ ও জনপ্রিয়তার দিক বিবেচনা করলে এ্যাড.ওমর ফারুক সুমনের দলীয় মনোনয়নের যোগ্য ও সবার চাইতে এগিয়ে ।জনসাধারণের দাবি একমাত্র সুমনই এলাকার দূর্যোগপূর্ণ যে কোন সময়ে মাটি ও মানুষের পাশে ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সিদ্ধান্ত পূর্নবিবেচনা করবেন এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগনের ।


উল্লেখ্য,নওগাঁ-৬(আত্রাই-রাণীনগর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন রাণীনগর উপজেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।


গত ২৭ জুলাই এমপি ইসরাফিল আলম মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়।এদিকে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণের লক্ষে ১৭ অক্টোবর নির্বাচনের দিন ধার্য করে তপসিল ঘোষণা হয়েছে।

আনোয়ারার রায়পুরে নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা

 আনোয়ারার রায়পুরে নৈশ প্রহরীকে  পিটিয়ে হত্যা

মোঃ হাসান রিফাত / মোঃ আরিফুল ইসলাম চট্টগ্রামঃ   


চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের চুন্নাপাড়া বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ এয়াকুব (৫২) নামে এক নৈশ প্রহরী খুন হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চুন্নাপাড়া দোকানের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত এয়াকুব চুন্নাপাড়া বাজারের নৈশ প্রহরী ছিলেন এবং চুন্নাপাড়া গ্রামের কালাগাজী বাড়ীর মরহুম মাওলানা আবদুচ ছামাদের ছেলে।

জানা গেছে, এক বছর ধরে এয়াকুব চুন্নাপাড়া দোকানের মোড় সংলগ্ন বাজারের ব্যবসায়ী সমিতির অধীনে নৈশ প্রহরির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। অন্যান্য দিনের মত শনিবার রাতেও তিনি ওই বাজারে প্রহরির দায়িত্ব পালন করতে যান। দায়িত্বপালনকালে রাত ৩টার দিকে মোঃ এয়াকুবকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। 



এয়াকুবকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ইতিমধ্যে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এখানে কোন চুরি ডাকাতির চিহ্ন পাওয়া যায়নি।প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শক্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। কী কারণে কারা এয়াকুবকে হত্যা করেছে তা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

রায়পুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানে আলম জানান, মধ্যরাতে দুইজন অজ্ঞাত ব্যক্তি এয়াকুবকে খুন করে পালিয়ে যায়।

মোংলা বন্দরে লুব অয়েলসহ তিন চোরাকারবারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড

মোংলা বন্দরে লুব অয়েলসহ তিন চোরাকারবারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড

মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা:মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের জয়মনি এলাকা থেকে প্রায় ২ হাজার লিটার লুব অয়েল, ৩৯টি ড্রাম ও ১টি ট্রলারসহ ৩ চোরাকারবারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনএর গোয়েন্দা কর্মকতা লে : কমান্ডার শাহরিয়ার পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার ভোর রাতে পশুর নদীর জয়মনির সাইলো সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। এ সময় অভিযানকারীরা ওই এলাকায় একটি ট্রলার আটক করে। পরবর্তীতে  ট্রলারটি তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ৯শ ৫০ লিটার লুব অয়েল ও তেল পাচার কাজে ব্যবহৃত ৩৯টি ড্রাম উদ্ধার করে। এছাড়াও জব্দ করা হয়েছে চোরাকারবারীদের ট্রলারে থাকা সোলার প্যানেল, গ্যাস ও গ্যাসের চুলাসহ অন্যান্য মালামাল। বন্দরের পশুর চ্যানেলে অবস্থানরত বিদেশী জাহাজ থেকে লুব অয়েল পাচারের অভিযোগ আটক করা হয় ট্রলারে থাকা চোরাকারবারী নিয়ামুল (২২), রফিকুল (২৫) ও হারুন (৩৫) কে। তাদের বাড়ী মোংলার কানাইনগর ও জয়বাংলা এলাকায়। মালামালসহ আটককৃতদেরকে রবিবার দুপুরে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 


কোস্ট গার্ডএর  কর্মকতা আরো বলেন, মোংলা বন্দরসহ সাগর ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চোরাচালানেও কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। 

শার্শা-বেনাপোল সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানীতে সক্রিয় হয়ে উঠছে নারীরা

শার্শা-বেনাপোল সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানীতে সক্রিয় হয়ে উঠছে নারীরা


মোরশেদ আলম

যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি 


যশোরের শার্শা-বেনাপোল সীমান্তে মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানীতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে নারী ব্যাবসায়ীরা। আর গত কয়েকদিনে মাদক পাচার ও চোরাচালানীর সাথে সরাসরি জড়িত থাকায় ৯ নারী ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।


এসব মাদক ও স্বর্ণ পরিবহনে, অল্প সময়ে অধিক অর্থের লোভে পাচারকারী খাতায় নাম লেখাচ্ছে তারা। সেই সাথে অনেক নারী গড ফাদারদের খপ্পরে পা দিয়ে, অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার আশায় জড়িয়ে পড়ছে পাচার কাজে। আর শার্শা-বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এপথে পুরুষের পাশাপাশি নারী পাচারকারীর সংখ্যাও দিন-দিন বেড়ে চলেছে। 


জানা যায়, শার্শা-বেনাপোল সীমান্তের কায়বা, রুদ্রপুর, গোগা, অগ্রভুলাট, পাঁচভুলাট, শালকোনা, পাকশি, ডিহি, গোড়পাড়া এবং বেনাপোলের পুটখালী, দৌলতপুর, গাতিপাড়া, সাদিপুর, রঘুনাথপুর, ঘিবা ও ধান্যখোলা সীমান্তে পাচারকারীরা অনেক বেশি সক্রিয়। আর এসব এলাকা সীমান্তবর্তী হাওয়ায় পাচারকারীরা পাচারের উদ্দেশ্যে এসব রুটকে বেছে নিচ্ছে।


পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ২৮ আগষ্ট (শুক্রবার) রাতে বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদিপুর গ্রামের দুখে মিয়ার স্ত্রী বানেছাকে (৪৫) ৫৭ পিস (৯ কেজি ২শ’) গ্রাম ওজনের স্বর্ণেরবার সহ আটক করে বিজিবি সদস্যরা।


গত ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) রাতে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল এলাকার আমতলা থেকে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ একাধিক মামলার আসামি রিজিয়া বেগম ওরফে তানিয়া (৪২) কে ৭ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক করে।


গত ৬ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকালে বেনাপোল পৌর এলাকার ভবেরবেড় গ্রাম থেকে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ যশোরের কোতয়ালী থানার নরেন্দ্রপুর (আমড়াতলা) এলাকার আঃ আজিজের মেয়ে মনি (৩৭) ও বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর গ্রামের আইয়ুব আলী শেখের মেয়ে ফাতেমা খাতুনকে (২৫) ৩ কেজি গাঁজা সহ আটক করে।


গত ৮ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) রাতে শার্শার

সাতক্ষীরা-নাভারণ সড়কের আমতলা এলাকা থেকে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার সাতপুর গ্রামের শুভ আহমেদের স্ত্রী জুলেখা বেগম (২৫) ও একই গ্রামের আব্দুল্লাহর স্ত্রী আকলিমা খাতুন খাদিজাকে (২৬) ১১০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক করে। জানা যায়, বর্তমানে তারা বেনাপোল পোর্ট থানার তালসারী গ্রামে বসবাস করছেন।


গত ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকালে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ শার্শার রাড়িপুকুর গ্রাম থেকে পানি ভর্তি কলসীতে করে ফেনসিডিল বহনের সময় রিপন হোসেনের স্ত্রী কাকলী বেগমকে (২৬) ১৩ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক করে।


গত ১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকালে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন গয়ড়া গ্রাম থেকে যশোরের অভয়নগর থানার গুয়াখোলা এলাকার ইকবালের স্ত্রী পারভীন বেগম বুলু (৩০) ও কোতয়ালী থানার নরেন্দ্রপুর (রুপদিয়া) গ্রামের আঃ আজিজ খানের মেয়ে রোকেয়া খাতুনকে (২০) ২ কেজি গাঁজা সহ আটক করে পোর্ট থানা পুলিশ।


শার্শার বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ উত্তম কুমার বিশ্বাস বলেন, আমি এই ফাঁড়িতে যোগদান করার পর থেকে যত মাদকদ্রব্য এবং তার সাথে বহনকারী যানবাহন আটক হয়েছে তা অন্য সময় হয়নি। আমি দেশে মাদকদ্রব্য যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।


শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল আলম খান বলেন, আমরা মাদক উদ্ধারের পাশাপাশি, যারা এব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে তাদের চিহিৃত করে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। কোন মাদক ব্যবসায়ী এবং তাদের মদদদাতাদের ছাড় দেওয়া হবে না।


বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন খান বলেন, আমি বেনাপোল পোর্ট থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক বিরোধী অভিযান ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে এ থানায় মাদক উদ্ধারের এত রেকর্ড নেই। আমি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে কোন গডফাদার বলে কেউ জড়িত থাকে তাদের সাথে কোন আপস নয়। মাদক ব্যবসায়ীদের পক্ষ্যে যে সুপারিশ করবে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

কলাপাড়ায় পল্লি বিদ্যুৎ নতুন সংযোগের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়

কলাপাড়ায় পল্লি বিদ্যুৎ নতুন সংযোগের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়





নাঈমুর রহমান কুয়াকাটা প্রতিনিতি

তারিখ  ১৩/০৯/২০২০


পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার চাকামাইয়া গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি ইতিমধ্যেই অর্ধ লক্ষ লাখ টাকা আদায় করেছে বলে জানা গেছে। 

জানা গেছে, চাকামাইয় মুন্সি বাড়ি গ্রাম থেকে পূর্ব চাকামাইয়া দিত্যা স্টান প্রযন্ত  ২ কিলোমিটার, দিত্যা স্টান ১৫০ জন গ্রাহককে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দিতে কাজ চলছে। কাজের শুরুতেই তাদের কাছ থেকে সাইদুর রহমান সানু এর নেতৃত্বে তার ছেলে শওকত, আরো স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি মিলে বিদ্যুতের সংযোগ পেতে টাকা দাবী করে। গ্রাহকপ্রতি প্রথমে ৫০০/১৫০০ টাকা দাবী করলেও পরবর্তীতে ৫০০/১০০ হাজার এবং শেষ পর্যন্ত ৩০০০ হাজার থেকে  ৩৮০০শ করে টাকা দাবী করা হয়। 

দাবীর প্রেক্ষিতে স্থানীয় ৬০ জন গ্রাহকের মধ্যে অনেকেই ৩ থেকে ৪ হাজার করে টাকা ইতিমধ্যেই এ চক্রটির হাতে তোলে দিয়েছেন। অনেকের কাছ থেকে আবার ১০০০- ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। এমনকি খুঁটির জন্যও ৫০০-১০০০ হাজার করে টাকা দাবী করেছে চক্রটি। সূত্রমতে, গ্রাহক হওয়ার জন্য আবেদন ফি ১শ টাকা, ভ্যাট ১১৫ টাকা ও মিটারের নিরাপত্তা বাবদ ৪৫০ টাকা মিলে সংযোগ ফি সর্বমোট ৬৬৫ টাকা। বিদ্যুত সংযোগের পাশাপাশি এক পয়েন্টের ওয়্যারিং করে দেওয়া হয়। 



ওই গ্রামের গ্রাহক ইউনুস হাং (৪০) জানান, স্থানীয় শওকত ৫০০  ও ১টি মিটার ওয়্যারিংসহ ২৫০০ টাকা মিলে মোট ৩০০০/৩৭০০ টাকা তার কাছ থেকে নিয়েছে। একই গ্রামের গ্রাহক জাহাঙ্গির  (৩৫) জানান, স্থানীয় সাইদুর রহমান শানুর ছেলে, শওকত  তার কাছ থেকে ৪০০০ হাজার টাকা নিয়েছে, আরও ১০০০ হাজার টাকা দাবী করেছে। অপর গ্রাহক ফিরোজ হাং (২৬) জানান, আমার কাছ থেকে ৩৭০০  টাকা দাবী করে বলা হয় ‘ টাকা দিলে  খুঁটি ও সার্ভিস তার মিটার  দেওয়া হবে। আর যারা টাকা দিয়েছে তাদের সার্ভিস তার  দেওয়া হয়েছে। 

এদিকে স্থানীয় এক বৃদ্ধ  অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে প্রতিবাদ করলে উল্লেখিত টাকা আদায়কারীরা বিদ্যুৎ সংযোগে না দেওয়ার অভিযোগ আসে। এবং ভয়-ভীতি দেখানো হয়। 


টাকা আদায়কারী শওকত  (২৫) ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে নিজেকে একজন ইলেকট্রিশিয়ান পরিচয় দেয়। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে দেখা করে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ দেন । 

টাকা আদায়কারী শওকত এর সাক্ষাৎকারে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এলাকায় অনেকেই চেষ্টা করেছে কিন্তু বিদ্যুত আনতে পারে নাই। তাই আমি একটু এলাকার জন্য চেষ্টা করেছিলাম। এসময় তিনি প্রথমদিকে তার জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করলেও নিজে খুটি বাবদ বা অতিরিক্ত   কোন টাকা আদায় করেননি বলে দাবী করেন। 


 এ ব্যাপারে কলাপাড়া জেনাল পল্লী বিদ্যুৎ  সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শহিদুল হক জানান, বিদ্যুতের সংযোগ পেতে বর্তমানে ৫১৫ টাকা খরচ হয়। আর ওয়্যারিং এর বিষয়টি গ্রাহকদের নিজস্ব ব্যাপার। এসময় তিনি কেউ অতিরিক্ত টাকা নিয়ে থাকলে থানা পুলিশে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মীরাই কমিটিতে স্থান পাবে : সিটি মেয়র

 তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মীরাই কমিটিতে স্থান পাবে : সিটি মেয়র




তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃখুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্লান করার ষড়যন্ত্র চলছে। শেখ হাসিনার অর্জনকে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছে দিতে হবে। সেজন্যে ওই সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও অনুপ্রবেশকারীদের কোন কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না।

তিনি আরো বলেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মীরাই কমিটিতে স্থান পাবে। ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্র্মীরাই আওয়ামী লীগ করবে; কোন অনুপ্রবেশকারী নয়। তিনি সম্প্রতি খালিশপুর সহ নগরীর কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, হত্যা সহ কোন অপকর্মের দায়ভার আওয়ামী লীগ বহন করবে না। খালিশপুরের ঘটনা মাদক সংক্রান্ত উল্লেখ করে বলেন, উভয় পক্ষই মাদকের সাথে জড়িত। আর এর জন্য কোন তদ্বির করা হবে না। যারা তদ্বির করবে তাদেরকে চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি নেতাকর্মী ও শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শেখ হাসিনা একজন শ্রমিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী। শ্রমিকরা বঞ্চিত হোক এমন কাজ শেখ হাসিনা করবে না। খালিশপুরের সকল মিল দেখে হেফাজতে রাখা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। যারাই মিলের যন্ত্রাংশ চুরি করে বিক্রি করবে তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করুন। এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলকে সুুসংগঠিত করতে হবে। সেজন্যে ত্যাগী পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের অর্ন্তভূক্ত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সোনার বাংলা বিনির্মানে সহযোগিতা করতে হবে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৮নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা।

খালিশপুর থানার সভাপতি একেএম সানাউল্লাহ নান্নু’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাশারের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম বন্দ, মো. আশরাফুল ইসলাম, মো. মুন্সি মাহবুুব আলম সোহাগ, মো. শহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর শেখ মোশারাফ হোসেন, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, সাফায়াত হোসেন প্যারেট, মো. খসরুল আলম, মোর্শেদ আহমেদ মনি, আব্দুস সাত্তার লিটন, কাজী এনায়েত আলী আলো, সেলিম আহমেদ, মো. শফিউল্লাহ, জিয়াউল আলম খান খোকন, মো. শাজাহান জমাদ্দার, মোল্লা হায়দার আলী, আলী আহমেদ, ইমরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, শেখ আসলাম আলী, কাউন্সিলর তালাত হোসেন কাউট, মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান, কাউন্সিলর ডালিম, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, কাউন্সিলর হেনা বেগম, হুমায়ূন কবীর, মুক্তিযোদ্ধা শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, তাজুল ইসলাম, শারমিন রহমান শিখা, রিপন খান, গোলাম নবী সহ থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্র্মীরা।

সভায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রত্যেক ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

কুষ্টিয়ার হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল গ্রেপ্তার হলেই বেরিয়ে আসবে চাঞ্চল্যকর তথ্য

 কুষ্টিয়ার হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল গ্রেপ্তার হলেই বেরিয়ে আসবে চাঞ্চল্যকর তথ্য


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট এলাকার প্রায় ১৭ কাঠা দামি সম্পত্তি হাতিয়ে নেয়ার অন্যতম নায়ক হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল ইসলাম গ্রেপ্তার হলেই খুলবে নানা জট। ইতিমধ্যে যুবলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান সুজনসহ এ চক্রের ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ। জমির আসল মালিক ও তাদের বোনদের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি কোটি কোটি টাকার এ সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়ার ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় মহিবুল ইসলামসহ ১৮জনকে আসামী করা হয়েছে। সুজনসহ অন্যরা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে।

জানা গেছে, দামি এ জমি হাতিয়ে নিতে প্রায় দুই বছর ধরে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। আর আড়ালে থেকে পুরো প্রক্রিয়ার আয়োজন করেন মহিবুল ইসলাম। মহিবুল এ জমি নিজের কজ্বায় নিতে তিন পক্ষকে কাজে লাগান। এর মধ্যে তার পক্ষে নকল ক্রেতা তৈরি, জমির ভূয়া মালিক সাজানো থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতা ও এমনকি থানা পুলিশকে ম্যানেজের মত কাজ করেন। যাতে জমি পেতে কোন সমস্যা না হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি ফেঁসে গেছেন। কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসছে।

কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর মৌজায় এম এম এ ওয়াদুদের পৈত্রিক জমি রয়েছে। জমির পরিমান প্রায় ১৭ কাঠা। কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকার বাসিন্দা এমএম এ ওয়াদুদের বাবা  এম এ হাকিমের মৃত্যুর পর কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন কালিশংকরপুর মৌজার ১১০নং এন এস রোডস্থ সম্পত্তির পৈত্রিক  সূত্রে মালিক হন তিনি ও তার মা মোকসুদা খাতুন এবং তার বোন রিজিয়া খাতুন, বাসেরা খাতুন, সেলিমা কবির ও শামীমা খাতুন।

শহরের মূল কেন্দ্রে এ অবস্থিত হওয়ায় এ জমির দাম প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি হবে। এ জমির ওপরে শহরের অনেকের নজর রয়েছে। এমএম এ ওয়াদুদ দুর্বল লোক হওয়ায় ভূমিদস্যু একটি চক্র জমি হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করে কয়েক বছর আগে।

এই চক্রের মাথা হিসেবে নাম উঠে আসে যুবলীগ নেতা সুজনের। সুজন এখানেই থেমে থাকেনি, তিনি শহরের এনএস রোডে এমএম এ ওয়াদুদের দোতলা বাড়িসহ কয়েক কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তিও একই কৌশলে বিক্রির চেষ্টা করছিল। এছাড়া তিনি শহরের মজমপুর, চৌড়হাস ও বাহাদুরখালী মৌজার জমি জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া দলিল তৈরী করে আত্মসাতের চেষ্টা করে।

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বড় বাজার এলাকার হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী ও হরিপুর এলাকায় বাড়ি মহিবুল ইসলাম জমি হাতিয়ে নিতে সুদুর প্রসারি পরিকল্পনা করেন। এমএম এ ওয়াদুদরা ৬ ভাই বোন। মহিবুল কুমারখালী উপজেলার সালঘর মধুয়ার আতিয়ারের ছেলে মিলন হোসেন ও তার দুই বোন ছোনোয়ারা খাতুন ও জাহানারা খাতুনসহ ৬জনকে জমির মালিক সাজান। এদের নামে এনআইডি কার্ড তৈরি করা হয়। এ জন্য মিলন মেম্বরাকে কয়েক লাখ টাকা দেন মহিবুল। আন্টু তার আপন বোনসহ ৬জনকে ক্রেতা সাজান। তাদের প্রত্যেকের ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করা হয়। এরপর গত বছর এ জমি রেজিষ্ট্রি করা হয় ৭৭ লাখ টাকায়। এর আগে মহিবুল ইসলাম তারই দোকানের কর্মচারী মহিবুল হককে ক্রেতা সাজান। নামের সাথে মিল হওয়ায় তাকে বেছে নেন।

জমি কেনার পর দখল নিতে যাতে কোন সমস্যায় পড়তে না হয় সে জন্য আগে থেকে শহরের প্রভাবশালী একাধিক রাজনৈতিক নেতাদের সাথে কথা বলেন। যেহেতু পানির দরে দাবি এ সম্পত্তি মহিবুল বাগিয়ে নেন এ জন্য তিনি নেতাদের পেছনে কয়েক কোটি টাকা খরচ করেন। এর মধ্যে যুবলীগ নেতা সুজনসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকে ম্যানেজ করেন।

এদিকে আদালতে নকল ক্রেতা মিরপুরের মহিবুল স্বীকার করেছেন তার মালিক আসল মহিবুল তাকে ৭৭ লাখ টাকা দেন জমি ক্রয় করার জন্য। আমি সরল বিশ্বাসে আমার নামে জমি ক্রয় করি। এর মধ্যে এত ঝামেলা আছে সে জানতো না বলে জানিয়েছে। তবে নকল মালিকসহ ক্রেতা সাজার জন্য তাদের প্রত্যেকের নগদ টাকা দেন মহিবুল ইসলাম।

এদিকে থানায় মামলার পর থেকেই বেঙ্গল হার্ডওয়্যারের মালিক মহিবুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। পুলিশের একটি সুত্র জানায়, জমি হাতিয়ে নিতে মহিবুল তিন পক্ষকে কাজে লাগায়। ক্রেতা ও জমির মালিক সাজানো এবং মাস্তান ও বা নেতাদের মাধ্যমে চাপ তৈরির প্রক্রিয়া করে রাখেন। এমনকি পুলিশকেও ব্যবহারের চেষ্টা করেন জমি দখল নিতে। সুজন ছাড়াও সহযোগী সংগঠনের নেতারা জমি দখল নিতে মূল মালিক ওয়াদুদকে চাপ দিলে স্থানীয়রা বাঁধাও সৃষ্টি করেন।

এদিকে ১৮জনের নাম আসায় তাদের নামে মামলা হয়েছে। এর পেছনে আরো অনেকের হাত রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

জমির মালিক এম এম এ ওয়াদুদ বলেন,‘ এক বছর আগে ভূমি অফিসে গিয়ে বিষয়টি আমি জানতে পারি আমার সম্পত্তি বিক্রি হয়ে গেছে। এরপর আমি লিখিত অভিযোগ করি নির্বাচন কমিশনে। তারা ভূয়া আইডি কার্ডগুলো সার্ভার থেকে বন্ধ করে দেয়। এ বিষয়ে নির্বাচন অফিস থেকে বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা মেলে। তবে জেলা প্রশাসককে একটি তদন্ত করার নির্দেশনা দিলে তিনি কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। তবে বিষয়টি তদন্ত না করে তারা ফেলে রাখেন। এখন তারা সরব হয়েছেন।’ পাঁচ রাস্তার মোড়ের এক ব্যবসায়ী বলেন,‘ জমি দখল নিতে আসলে আমরা বাঁধা সৃষ্টি করি। এতে অনেকেই আমাদের ক্ষুব্ধ হন।’

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন,‘ পুলিশ আন্তারিকভাবে কাজ করছে। মামলা হওয়ার আগেই ৪ জনকে আটক করে। মামলার পর আরো ২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন অর্থদাতা মহিবুল গ্রেপ্তার হলেই অনেক রহস্য বেরিয়ে আসবে। আশা করছি দ্রুত সময়ে মহিবুল গ্রেপ্তার হবে। আমরা অনেক বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করছি। যাদের নাম আসবে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

এদিকে নকল আইডি কার্ড দেয়ার কারনে ফেঁসে যাচ্ছেন দুই কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সাথে কুমারখালীর বাসিন্দা হয়েও মিলনসহ তার বোনেরা কি করে সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি থেকে জন্ম নিবন্ধন পেল সেটিও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় তালুকদার আব্দুল খালেক

খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় তালুকদার আব্দুল খালেক

তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃনগর আ’লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্লান করার ষড়যন্ত্র চলছে। শেখ হাসিনার অর্জনকে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। সেজন্যে ওই সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও অনুপ্রবেশকারীদের কোন কমিটিতে স্থান দেয়া হবে না। তিনি আরো বলেন, তৃণমূল থেকে উঠে আসা কর্মীরাই কমিটিতে স্থান পাবে। ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্র্মীরাই আওয়ামী লীগ করবে ; কোন অনুপ্রবেশকারী  নয়। তিনি সম্প্রতি খালিশপুরসহ নগরীর কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, হত্যাসহ কোন অপকর্মের দায়ভার আওয়ামী লীগ বহন করবে না। খালিশপুরের ঘটনা মাদক সংক্রান্ত উল্লেখ করে বলেন, উভয়পক্ষই মাদকের সাথে জড়িত। আর এর জন্য কোন তদ্বির করা হবে না। যারা তদ্বির করবে তাদেরকে চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি  নেতা-কর্মী ও শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন শ্রমিক বান্ধব প্রধানমন্ত্রী। শ্রমিকরা বঞ্চিত হোক এমন কাজ শেখ হাসিনা করবে না। খালিশপুরের সকল মিল দেখে হেফাজতে রাখা আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। যারাই মিলের যন্ত্রাংশ চুরি করে বিক্রি করবে তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করুন। এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দলকে সুুসংগঠিত করতে হবে। সেজন্যে ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সোনার বাংলা বিনির্মানে সহযোগিতা করতে হবে।

গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ৮নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা। খালিশপুর থানার সভাপতি একেএম সানাউল্লাহ নান্নু’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাশারের পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা নুর ইসলাম বন্দ, মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মোঃ মুন্সি মাহবুুব আলম সোহাগ, মোঃ শহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর শেখ মোশারাফ হোসেন, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, সাফায়াত হোসেন প্যারেট, মোঃ খসরুল আলম, মোর্শেদ আহমেদ মনি, আব্দুস সাত্তার লিটন, কাজী এনায়েত আলী আলো, সেলিম আহমেদ, মোঃ শফিউল্লাহ, জিয়াউল আলম খান খোকন, মোঃ শাজাহান জমাদ্দার, মোল্লা হায়দার আলী, আলী আহমেদ, ইমরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, শেখ আসলাম আলী, কাউন্সিলর তালাত হোসেন কাউট, মাহফুজুর রহমান লিটন, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান, কাউন্সিলর ডালিম, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, কাউন্সিলর হেনা বেগম, হুমায়ূন কবীর, মুক্তিযোদ্ধা শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, তাজুল ইসলাম, শারমিন রহমান শিখা, রিপন খান, গোলাম নবীসহ থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।


সভায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রত্যেক ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনের জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা সাবেক এমপি শংকর চৌধুরীর ২৫তম প্রয়ান দিবস

বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা সাবেক এমপি শংকর চৌধুরীর ২৫তম প্রয়ান দিবস


 রাজশাহী ব্যুরো

১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার নাটোরের প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা সংকর গোবিন্দ চোৗধুরীর ২৫ তম প্রয়ান দিবস । রবিবার সকাল ৭ টায় প্রয়াতের পারিবারিকভাবে মরহুমের  নিচাবাজারস্থ বাসভবনের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, সকাল ৮টায় সদর উপজেলার ছাতনী শ্মশান বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ অপর্ণ শেষে ছাতনী ও ভাবনী গ্রামে প্রসাদ বিতরন করা হয়। দিনের শুরুতে প্রয়াত নেতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ নিবেদন করা হয় তার পরিবারের পক্ষ থেকে। নিচাবাজারস্থ বাসভবনে তার মেয়ে পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি পুস্পার্ঘ নিবেদন সহ প্রয়াত নেতার আত্মার শান্তি কামনা করে প্রার্থনা করেন। এসময় পরিবারের অন্য সদস্য সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতা কমীরা ও পৌরসভার কর্মকতা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা সকলেই  সদর উপজেলার ছাতনী শ্মশানে গিয়ে প্রয়াত নেতার বেদীতে যান। সেখানে পুস্পার্ঘ অর্পন  ও  প্রার্থনা  শেষে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে বেলা ১১ টায় নিচাবাজার মহাপ্রভুর আখড়ায় জেলা হিন্দু,বৌদ্ধ ,খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ প্রয়াত নেতার স্মৃতি চারনের উদ্দেশ্যে স্মরন সভার আয়োজন করেছে। স্মৃতি চারন ও প্রার্থনা শেষে প্রসাদ বিতরন করা হবে। সংগঠনের সভাপতি চিত্ত রঞ্জন সাহা বলেন,এই অনুষ্ঠানে প্রয়াত নেতার মেয়ে নাটোরের পৌর মেয়র  ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি উমা চৌধুরী জলি সহ জেলা আওয়ামীলীগ  ও পুজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। 

প্রয়াত শংকর গোবিন্দ চৌধুরী ১৯৭০-এর নিবার্চনে এমসিএ নিবার্চিত সহ ৭ম জাতীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি নাটোর পৌরসভার দু’বার চেয়ারম্যান নিবার্চিত হন। তিনি বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় নাটোরের গর্ভনর হন। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত থেকে ১৯৯৬ সালের  ১৩  সেপ্টেম্বর তিনি পরলোকগমন করেন।

পটিয়ার দক্ষিণ ভুর্ষি এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, লুটপাট থানায় অভিযোগ

 পটিয়ার দক্ষিণ ভুর্ষি এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, লুটপাট থানায় অভিযোগ


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়ন পুর্ব ডেঙ্গা পাড়া এলাকায় এক বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে পুর্ব ডেঙ্গা পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ চোরের দল আবুল বশরের ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা স্বর্ণলংকারসহ ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র মালামাল লুটপাট করে চুরি করে নিয়ে যায়।এ ব্যাপারে আবুল বশর বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগ সুএে জানাযায় শুক্রবার দুপুরে    আবুল বশর পরিবারের লোকজন নিয়ে পাশ্ববর্তী একটি  অনুষ্ঠানে যায়। এই সুযোগে সংঘবদ্ধ চুরের দল ঘরে প্রবেশ করে ৭ ভরি স্বর্ণ নগদ ৮৫ হাজার টাকা, একটি মোবাইল ফোনসহ ঘরের মালামাল দলিল লুট করে নিয়ে যায়।আবুল বশর জানিয়েছেন,তাদের বাড়ি এলাকায় এক ভাতিজির ফিরাফিরি অনুষ্ঠানে পরিবারের সবাই যোগদান করে। ঘরে বাহিরে তালা লাগিয়ে পরিবারের সকল সদস্যরা চলে যান।দুপুর ১ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে ছিল।  পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দীন জানিয়েছেন,চুরির ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ে হয়েছে। তবে ঘরে বাইরে তালা অবস্থায় কিভাবে চুরির ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখে ব্যাবস্তা নেওয়া হবে বলে জানান। 

মোংলায় সুজন’র মানববন্ধনে বক্তারা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন দিন

মোংলায় সুজন’র মানববন্ধনে বক্তারা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন দিন





মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা    

 সুশাসন নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দ্রুততম  সময়ে মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচনের দাবীতে ১৩ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে মোংলার চৌধুরীর মোড়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এবং মোংলা নাগরিক সমাজের আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন মোংলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক শেখ নজরুল ইসলাম। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সুজন’র সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মহসিন হোসেন, মোংলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসান গাজী, নাগরিক সমাজের নেতা মোঃ নাজমুল হক, মোঃ মনির হোসেন, কমলা সরকার, শ্রমিক নেতা আব্দুস সালাম ব্যাপারী প্রমূখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার কোন নির্বাচন হচ্ছে না। বর্তমান পৌর মেয়রের নেতৃত্বে কতিপয় ব্যক্তি ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। নেতৃত্ব’র বিকাশ, সুশাসন নিশ্চিত এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় সব জটিলতা নিরসন করে দ্রæততম সময়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন দিতে হবে। বক্তারা বর্তমান পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন মেকানিজম করে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে জনগনের রায় ছাড়া জগদ্দল পাথরের মতো চেয়ার আকড়ে থাকা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা এই মুহুর্তে পৌর মেয়রের পদত্যাগ দাবী করে দ্রæততম সময়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন দাবী করেন। সমাবেশের এবং সুজন মোংলার সভাপতি ফ্রান্সিস সুদান হালদার সমাপনী বক্তব্যে বলেন মোংলা পোর্ট পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন বিকল্প নেই। তা না হলে মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে উৎসাহে ভাটা পড়বে, সেই সাথে দেখা দিবে হতাশা। তিনি সব জটিলতা নিরসন করে অবিলম্বে পৌর নির্বাচন দাবী করেন। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কয়েকশো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি মোংলা পোর্ট পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়। দশ বছর অতিক্রান্ত হলেও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার কারনে সময় মতো পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বর্তমানে হাইকোর্ট সকল মামলা খারিজ করে নির্বাচন কমিশনকে পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে নির্দেশনা প্রদান করেছে। কিন্তু পুনরায় ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আশংকায় নাগরিক সমাজ উদ্বিগ্ন বলে মানববন্ধনে অভিমত ব্যক্ত করেন।

পিরোজপুরের রুবেল রানার পরিচালনায় টেলিফিল্ম জল কাদায়

 পিরোজপুরের রুবেল রানার পরিচালনায় টেলিফিল্ম জল কাদায়





মিঠুন কুমার রাজ, 

স্টাফ রিপোর্টার। 


বরিশালের মনোরম গ্রামীন পটভূমিতে চিত্রধারন শেষ হয়েছে টেলিফিল্ম “জল কাদায়”।


একটা সময় প্রেমকে সমাজ বড় অপরাধ হিসাবে দেখতো, সময়ের সাথে সাথে মানুষের মনের পরিবর্তন হয়ে পরিবর্তন হয়েছে সমাজেরও। এখন প্রেম ভালোবাসাকে স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নেওয়া হয়, তারপরও সমাজ থেকে এখনও বৈষম্য এখনও দূর হয়নি।


অর্থ বিত্তের মানুষেরা ক্ষমতাশালী হয় আর এই ক্ষমতাশালীরা অনেকাংশেই দাম্ভিক হয়, তারা অর্থহীন মানুষদের উপর হুকুম চালাতে চায়। সেখানে যদি ধনী গরিবের প্রেম হয়ে যায় তাহলে সেটাকে সহজে ধনীরা মেনে নিতে পারে না। কিন্তু জল থাকলেতো সেখানে কাঁদা হবেই ঠিক, তেমনি বাধা যেখানে যত বেশী প্রেম সেখানে অবিচল।


কোনো বাঁধায় সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে না। আবার যার শুরু আছে তার শেষও আছে। জন্মের পরই মৃত্যু, যেমন নিশ্চিত হয়ে যায় ঠিক তেমনি অর্থ ও ক্ষমতারও পালাবদল হয়।


ক্ষমতাশালীদের এক সময় ক্ষমতার অপব্যাবহরের একটা সময় কঠিন পরিনতির মুখমুখি দাঁড়াতে হয়। জয় হয় প্রেম ভালোবাসার। ঠিক যেমন জলের সাথে কাদায় যেমন মিলন হয়।


বরিশালে স্যুটিং প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, আসলে “জল কাদায়” টেলিফিল্মের গল্প যে ভাবে আমি বলতে চেয়েছি সেটির সঠিক রুপ দিতে বরিশালের লোকেশনটিই আমার প্রয়োজন ছিল। গল্পের প্রয়োজনেই বরিশালে চিত্রধারন করা।


“জল কাদায়” টেলিফিল্মটিতে অভিনয় করেছেন শিশির আহমেদ, ইমু শিকদার, চাষী আরিফুল ইসলাম, তমাল মাহবুব, নিলা ইসলাম সহ আরো অনেকে।

বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন চট্টগ্রাম জেলার কমিটির সম্মানে চা-চক্র সভা

 বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন চট্টগ্রাম জেলার কমিটির  সম্মানে চা-চক্র সভা





সেলিম চৌধুরী পটিয়া প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন চট্টগ্রাম জেলার আহবায়ক কমিটির সম্মানে চট্টগ্রাম কাজীর দেউরী  মিনি  চাইনিজ রেস্টুরেন্ট লেক ডাউন এ  এশিয়ান টিভির সিনিয়র সাংবাদিক নিজাম উদ্দীন খাঁন এ-চা-চক্রের আয়োজন করেন এতে  বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন চট্টগ্রাম জেলার আহবায়ক সাংবাদিক মোঃ আজম খাঁন সহ কমিটির অন্যান্য সদস্যগনে মধ্যে জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম জেলার ব্যুরো প্রধান মোঃ নুরুদ্দীন,দৈনিক আজকের দু,র্নীতি পত্রিকার চট্টগ্রামের বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান এম,আর,তাওহীদ, মোঃ জুয়েল গণি, দৈনিক অগ্নি শিখা'র ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি এম, মাসুদ পারভেজ, একে অপরে সাথে পরিচয় এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপুর্ন আলোচনা হয়।


#পরিশেষে বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন  চট্টগ্রাম জেলা আহবায়ক মোঃ আজম খাঁন বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্রাইম সংগঠন চট্টগ্রাম জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এশিয়ান টিভির সাংবাদিক নিজাম উদ্দীন খাঁন সহ সকল সিনিয়র সাংবাদিক নেতৃবৃন্দর প্রতি  ধন্যবাদ জানান। এদিকে দৈনিক জনতা পাঠক ফোরাম পটিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ উক্ত সংগঠনের সফলতা কামনা করেন।

ইয়েমেনে আহতদের জন্য ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার দিচ্ছে সৌদি আরব!

 ইয়েমেনে আহতদের জন্য ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার দিচ্ছে সৌদি আরব!




মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার :সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানাটারিয়ান এইড এন্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) ইয়েমেনে য়াহত হওয়া ব্যক্তিদের মাঝে ইলেকট্রনিক হুইলচেয়ার বিতরণ করেছে। প্রথম দফায় এডেন, লুহাজ, আবিন এবং আল ধালিয়া এলাকাগুলোতে আহত হওয়া ব্যক্তিদের মাঝে ইলেকট্রিক বিতরণ করা হয়েছে।


কেএসরিলিফ এর এই মানবিক সাহায্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আদেন প্রদেশ এর শহীদ এবং আহত বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর আন্ডার সেক্রেটারি আলাওয়ি আল নুবাহ। তিনি জানান, ইয়েমেনে আহত ও ক্ষতির শিকার হওয়া সকলের পুনর্বাসনে কেএসরিলিফ এর সাহায্য খুবই উপকারি। একটি প্রেস রিলিজে কেএসরিলিফ জানায়, এই ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার থেকে উপকৃত হয়েছেন ১ হাজার ৯৩২ জন ব্যক্তি


এছাড়াও কেএসরিলিফ ইয়েমেন এর মারিব প্রদেশেও ২৩ হাজার ৮২৮ কেজি খাদ্যসামগ্রী বিতরন করে সাদা থেকে আল-ওয়াদি প্রদেশ থেকে বিতরিত হওয়া সকলের মাঝে।

আনোয়ারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 আনোয়ারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

মোঃ আরিফুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’র প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টলার কীর্তিমান পুরুষ জননেতা মরহুম আলহাজ্জ্ব আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু’র কবর জেয়ারত এবং জেয়ারতোত্তর পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক কর্মকান্ডের সূচনা করলেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আনোয়ারা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শওকত আলী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক দীপু দত্ত। 

পুষ্পমাল্য অর্পনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন উপজেলা সহ-সভাপতি ইলিয়াস আসাদ রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক খান মোঃ ইয়াছিন মাসুদ, প্রচার সম্পাদক মোঃ ফারুক ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সেলিম রিয়াদ, সহ সম্পাদক সুজন রাজ, সদস্য রফিক উল্যাহ, নাঈম উদ্দিন সহ প্রমুখ। 

পুষ্পমাল্য অর্পন এবং জেয়ারত শেষে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংগঠনের চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা শাখার সহ সভাপতি, আনোয়ারা উপজেলা শাখার পরিচালক সাবেক ছাত্রনেতা মাউসুফ উদ্দিন মাসুমের সাথে। ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি নবনিযুক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন সংগঠনের কর্মকান্ডকে গতীশীল করতে, আনোয়ারার শিশু কিশোরদের সুপ্ত মনে বঙ্গবন্ধুকে আর তাঁর আদর্শের বীজ বুনন এবং মাননীয় ভূমিমন্ত্রী আলহাজ্জ্ব সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এম.পি মহোদয়ের হাতকে শক্তিশালী করাই যেনো তাদের অভিন্ন ও একমাত্র লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হয়।

মাগুরায় গৃহবধূ শিলার জীবন নাটকীয় ভাবে কেড়ে নিল, ডাক্তার অপূর্ব কুমার বিশ্বাস

 মাগুরায় গৃহবধূ শিলার জীবন নাটকীয় ভাবে কেড়ে নিল, ডাক্তার অপূর্ব কুমার বিশ্বাস



মাগুরা প্রতিনিধি।।


গত ১০ সেপ্টেম্বর মাগুরায় ডা: অপূর্বর নজিরবিহীন অপচিকিৎসা কাণ্ড ঘটে গেল স্থানীয়  এহসান ক্লিনিকে।‌ উক্ত ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশন করাতে এসেছিলেন শিলা (২৭) নামের এক গৃহবধু, সে মাগুরা সদরের বেলনগর গ্রামের লাভলু মোল্লার ছেলে, নয়ন মোল্লার স্ত্রী।নয়ন মোল্লার স্ত্রী শিলা বেগম আনুমানিক দুপুর ১.৩০ সময় সিজারিয়ান অপারেশন করার জন্য মাগুরা এহসান ক্লিনিকে ভর্তি হয় । শিলা বেগমের অপারেশন করার জন্য ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অটোচালক নয়ন মোল্লার সাথে ১২০০০ টাকায় চুক্তি করেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অপারেশন করানোর জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের গাইনী বিশেষজ্ঞ অপূর্ব কুমার বিশ্বাসকে ঠিক করেন। ডাক্তার অপূর্ব কুমার বিশ্বাস সিজার সম্পন্ন করেন এবং শিলা বেগম একটি কন্যা সন্তান প্রসব করেন । ঠিক ওই সময় ডাক্তার অপূর্ব কুমার বিশ্বাস ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিলা বেগমের স্বামী মোঃ নয়ন মোল্লাকে জানান তার স্ত্রীর পাকস্থলীতে এপান্ডাডিস রয়েছে। এখন যদি এপেন্ডিসাইট অপারেশন করতে চান তাহলে স্বল্প খরচে করা সম্ভব হবে।ভবিষ্যতে করতে গেলে অনেক টাকা পয়সা ব্যয় হবে এবং রোগীর জন্য এটা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এইভাবে ভীতিকর তথ্য দিতে থাকেন, এবং এক পর্যায়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। আর বলেন, এখন আপনারা কি করবেন? একথা শোনার পর মৃত শিলার স্বামী অতিরিক্ত টাকা দিতে রাজি হলে, তার স্ত্রী শিলা বেগমকে পুনরায় অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায় ,এবং এপেন্ডিসাইড অপারেশন এর নামে পুনরায় ভূল অস্ত্রোপচার করলে, শিলার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এভাবে রক্তক্ষরণ হয়ে শিলা অপারেশন থিয়েটারেই মারা যায়। মৃত অবস্থায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ শুধু কালক্ষেপণ করিতে থাকে। মৃত অবস্থায় রাত দশটা পর্যন্ত অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে রেখে নানা ধরনের নাটক করতে থাকে। এক পর্যায় মৃত্যু রোগীকে আইসিইউতে পাঠাতে হবে, বলে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন। পরে রোগীর আত্মীয় স্বজনের সন্দেহ হলে ডাক্তারকে ক্লিনিকের মধ্যে আটক করে। ডাক্তার বিভিন্ন তালবাহানা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও জনতার রোষানলে পড়ে। পরে মাগুরা সদর থানা থেকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ঘটনার গভীরে যেয়ে জানা যায় বেলনগর গ্রামের জনৈক কমিশনারের অর্থাৎ তথাকথিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়। 


এখানে স্বাভাবিকভাবেই একটা প্রশ্ন আসছে এভাবে আর কত মৃত্যু ধামাচাপা দেয়া হবে? আর কতজন বাচ্চা মা হারা হলে এই অপূর্বর মতো ডাক্তারদের অপচিকিৎসা বন্ধ হবে? আর কত কোটি টাকা অর্জন করলে এই অপূর্বর মত ডাক্তারদের রোগীদের রক্তচোষা বন্দ হবে? 


আরো জানা যায় সম্প্রতিকালে এই ডা: অপূর্ব কুমার বিশ্বাস মাগুরা মেডিকেল কলেজে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। যিনি নিজেই একজন অপচিকিৎসক এবং চিকিৎসার নামে রীতিমতো রোগীদের সাথে প্রতারণা করছেন, তার কাছ থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা কি শিখবে? মানবিক মূল্যবোধহীন এইসব শিক্ষক আরেকজন মূল্যবোধেহীন শিক্ষার্থীর জন্মদিন এটাই তো স্বাভাবিক। এই অপূর্বদের কাছেই কি আমাদের চিকিৎসাব্যবস্থা চিরকাল জিম্মি হয়ে থাকবে?


এদিকে সাধারন মানুষ মনে করে ডা: অপূর্ব শুধু একটা রোগীকে মেরেই ফেলেননি বরং তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজের দোষ ঢাকার অপকৌশল অবলম্বন করেছেন যা কোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে করা অসম্ভব। এজন্য তার কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত।