নতুন চমক নিয়ে আসছে ডট ফিল্ম প্রোডাকশন

 নতুন চমক নিয়ে আসছে ডট ফিল্ম প্রোডাকশন

শিপন নাথ,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: খড়ি মাটি নির্মিত “ ব্যঞ্জনবর্ণ সিরিজ”- এ ৩৯টি ছোট গল্পের সিনেমা নিয়ে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছে  ডট ফিল্ম প্রোডাকশন। সিনেমাগুলোতে অভিনয়ের জন্য চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে আগ্রহী অভিনয়শিল্পীদের বাছাই পর্ব।


শুক্রবার(০২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের লাভ লেইনের আবেদিন কলোনীতে শুরু হয় এ বাছাই পর্ব।

এ প্রসঙ্গে নির্মাতা নাদিম হোসেন বলেন,"আমাদের সিনেমাগুলোতে অভিনয়ের জন্য চট্টগ্রামে শুরু করেছি আগ্রহী অভিনয়শিল্পীদের বাছাই পর্ব ছোট পরিসরে এবং তা ডিসেম্বরে বিশাল আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হবে। এখানে মোট গল্প থাকবে ৩৯ টি। প্রতিটি গল্পের নাম হবে ব্যঞ্জনবর্ণের একটি বর্ণ। গল্পগুলোর শুটিং হবে চট্টগ্রাম এবং ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে।"


ডট ফিল্ম প্রোডাকশন প্রথম ২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করে এবং সফলভাবেই তারা  কর্পোরেট ,প্রফেশনাল এবং ভিজ্যুয়াল কাজ করে যাচ্ছে। এবার ৩৯টি ছোট গল্পের সিনেমা তৈরির মাধ্যমে  হাজির হবে  সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানটি।

নীলফামারী ডিমলায় উপজেলায় শিক্ষক দিবসে শিক্ষক সম্মেলন

 নীলফামারী ডিমলায় উপজেলায় শিক্ষক দিবসে শিক্ষক সম্মেলন




মোঃ লাতিফুল আজম,কিশোরগঞ্জ নীলফামারী প্রতিনিধি:"শিক্ষক সংকটে নেতৃত্বদান, ভবিষ্যতে পুননির্মাণ” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ৫ অক্টোবর, বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপিত হয়েছে। সারা বিশ্বের মত দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রংপুর অনলাইন স্কুল, রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার এটুআই এর জেলা অ্যাম্বাসেডর, অভিজ্ঞ এবং বিভিন্ন ইভেন্টে পারদর্শী শিক্ষকদের নিয়ে, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডিমলা ইসলামীয়া ডিগ্রী কলেজ চত্বরে আফতাব উদ্দিন সরকার অডিটোরিয়াম হলে “শিক্ষক সম্মেলন ডিমলা /২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সৈয়দপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মো. লোকমান হাকিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নীলফামারী ১ আসনের সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হাসিম হায়দার অপু, উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার দাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হালিম প্রমুখ।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, শিক্ষক হলেন একজন প্রকৃত বন্ধু, একজন পথপ্রদর্শক ও জীবন গড়ার কারিগর। সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে আস্থার প্রতীক হিসেবে শিক্ষক সবার শ্রেষ্ঠ।


আট জেলা থেকে আগত সম্মানিত শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা শিক্ষকদের প্রতি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছে। শিক্ষকরাই জাতির বিবেক।

মাধবপুরে গরু চোর গনপিটুনিতে নিহত

 মাধবপুরে গরু চোর গনপিটুনিতে নিহত



লিটন পাঠান, মাধবপুর প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের মাধবপুরে গরু চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার সময় মাসুম মিয়া (২৭) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে গ্রামবাসী। সোমবার ভোর রাতে উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের পিয়াইম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে নিহত মাসুম মিয়া উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মোড়াপাড়া গ্রামের আবুল কাশেম বক্কর এর ছেলে।


মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন জানান সোমবার মধ্য রাতে ওই গ্রামের মতিউর রহমানের ঘর থেকে একদল চোর গরু চুরি করে। এ সময় তার স্ত্রী টের পেয়ে সুর চিৎকার শুরু করলে গ্রামবাসী ধাওয়া করে মাসুম মিয়াকে আটক করে গণ পিটুনি দিয়ে গুরুতর আহত করে।


খবর পেয়ে ছাতিয়াইন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। পরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে বিকাল ৪টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে এ ব্যাপারে মাধবপুর থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

যশোর শহরের ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয় মামলার অন্যতম দুই আসামিকে আটক

 যশোর শহরের ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয় মামলার অন্যতম দুই আসামিকে আটক




যশোর জেলা প্রতিনিধি,  সুমন হোসেনঃযশোর শহরের জেসটাওয়ারের বিপরীতে ইউসিবিএল ব্যাংকের সামনে বোমা ফাটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয় মামলার অন্যতম দুই আসামিকে আটক করেছে পুলিশ ও র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ছয় লাখ ৫১ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।আটক এ দুইজন হলেন- যশোর শহরের মোল্লাপাড়া আমতলার লিটন হোসেনের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত রাজু ও শহরতলীর ধর্মতলা খ্রিস্টান কবর স্থানের পাশের তবিবর রহমানের ছেলে সোহেল শেখ। দুইজনকে ছিনতাইয়ের পর ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ভিডিওচিত্র থেকে শনাক্ত করে পুলিশ।সোমবার দুপুর দুই টায় ঘটনাস্থলে পথসভা করে প্রেস ব্রিফিংয়ে যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন জানান, সোমবার ভোরে ঢাকার আদাবর শান্তির বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় মামলার প্রধান আসামি ইয়াসির আরাফাত রাজুকে।এ সময় তার কাছ থেকে লুণ্ঠিত ১ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাগুরার আড়পাড়ায় বরিশাল থেকে আসা যশোরের বেনাপোলগামী একটি বাস থেকে আরাফাতের মা মেহেরুনকে আটক করে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তার কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।এছাড়া র‌্যাব যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা রবিবার নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার কালনা ফেরি ঘাট বাসস্ট্যান্ড থেকে অপর আসামি সোহেল শেখকে আটক করে। তবে তার কাছ থেকে কোনো টাকা উদ্ধার হয়নি।গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রকাশ্যে যশোর শহরের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সামনে এনামুল হক নামে একজনকে ছুরিকাহত করে তার কাছে থাকা ১৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। চলে যাওয়ার সময় একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় ছিনতাইকারীরা। ঘটনার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত ছিনতাইয়ে জড়িত মোট সাতজনকে আটক ও ৯ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আটকদের মধ্যে সাঈদ ইসলাম শুভ ও টিপু নামে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান পুলিশ সুপার।সোমবার ঘটনাস্থলে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার আরও জানান, বাকি টাকা উদ্ধার ও জড়িত অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এড.আল মাহমুদ পলাশ শেখ হাসিনা সন্মাননা পদক পাওয়ায় সাতক্ষীরায় ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিনন্দিত

 এড.আল মাহমুদ পলাশ শেখ হাসিনা সন্মাননা পদক পাওয়ায় সাতক্ষীরায় ফুলেল শুভেচ্ছায় অভিনন্দিত




আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃঅনাবাদি জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষে বিশেষ অবদান রাখায়, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশকে, জননেত্রী শেখ হাসিনা সন্মাননা পদক-২০২০ প্রদান করায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। 


সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ টায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ সাতক্ষীরা পৌর শাখার, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড এর নেতৃবৃন্দ, সংগঠনের সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ে, অনুষ্ঠিত ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লাভলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, নির্বাহী সদস্য শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ও আবজাল হোসেন, পৌর ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি আনারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জহির রায়হান, সহ-সভাপতি আরিজুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল ইসলাম, মোঃ শফিউল ইসলাম ও নির্বাহী সদস্য মোঃ শাহিদুজ্জামান।

অনুরূপভাবে সাতক্ষীরা পৌর ৬নং ওয়ার্ড সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রবিন চন্দ্র সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন আর রশিদ, আনিছুর রহমান, রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।


ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়কালে পুষ্টিসম্মত ও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা প্রদানে, দেশের সকল অনাবাদি জমিতে ফসল চাষাবাদ করতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে, এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশ বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের নেতা কর্মিদেরকে, একযোগে মাঠ পর্যায়ে কাজ করার জন্য উদাত্ত আহবান জানান এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

নগরকান্দায় গ্রাম্য দলে না মেশায় প্রতিপক্ষকে মারপিট -বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট

 নগরকান্দায় গ্রাম্য দলে না মেশায় প্রতিপক্ষকে মারপিট -বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট

 



ফরিদপুর প্রতিনিধিঃফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের ছোট নাউডুবি গ্রামে ৫ অক্টোবর রবিবার সকালে বাড়িতে হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষ লোকজনকে মারপিট করাসহ বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের ছোট নাউডুবি গ্রামে গ্রাম্য দলে না যাওয়াতে প্রতিপক্ষ আমিনুর মাতুব্বর ও ফিরোজ মাতুব্বর এর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট চালায় নগরকান্দা উপজেলা কাইচাইল ইউনিয়নের বি এন পির সহসভাপতি  জয়নাল মেম্বার সমর্থকরা।অতর্কৃত হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট ও প্রতিপক্ষ লোকজন কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ১।আমিনুল মাতুব্বর (৩৫),২।আসমা (২০),৩।আলিমুন্সী (৬০)।আহতদের নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্যহ কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এবিষয় আহত ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা করবেন বলে জানায়।জয়নাল মেম্বারকে বাড়িতে না পাওয়ায় এবং  ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটি গঠনে অনিয়ম

 হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটি গঠনে অনিয়ম


.


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পশ্চিম জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে তেলেসমাতি কারবার ঘটেছে স্কুলের অর্থ আত্মসাতের সুবিধার জন্য প্রধান শিক্ষক খাদিজা খাতুন কমিটি গঠনে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন। এঘটনায় রোববার বাহুবল উপজেলা প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উল্লেখ্য, স্কুলটি উপজেলার পূর্ব জয়পুর গ্রামে অবস্থিত সংশ্লিষ্টর বলেছেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্কুলের পরবর্তী পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য নিজের পছন্দমত লোকদের নিয়ে সভা ডাকেন প্রধান শিক্ষক খাদিজা খাতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের জন্য সভায় সব অভিভাবক ও স্থানীয় বিশিষ্টজনদের।


উপস্থিতির বিধান থাকলেও তারা দাওয়াতই পাননি প্রধান শিক্ষকের ওই অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ওই দিন সভা থেকে বেরিয়ে যান সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি মকসুদ আলী মেম্বার ও দাতা সদস্য বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য্য। তারা বেরিয়ে যাওয়ার পর বিতর্কিত লোকজন নিয়ে দাতা সদস্যকে সাইজ করার পরিকল্পনা করেন প্রধান শিক্ষক সেই সাইজ করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এখন প্রতিদিন স্কুল ক্যাম্পাস ও এর আশেপাশে খাদিজা খাতুনের ভাড়াটে গুন্ডারা’ টহল দিচ্ছে প্রধান শিক্ষক খাদিজা খাতুনের অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা স্কুলের টাকা মেরে দেয়ার অভিযোগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর উপজেলা।


নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা তালুকদার বরাবরে অভিযোগ দেন পূর্ব জয়পুরের বাসিন্দা মকবুল হোসেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে আদেশ জারি করেন

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে জারি হওয়া আদেশে বলা হয়েছে, পূর্ব জয়পুর গ্রামে অবস্থিত পশ্চিম জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি গঠনে

প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও স্বেচ্ছা চারিতার অভিযোগ তদন্তে বাহুবল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার 


প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হল তদন্ত কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, বাহুবল উপজেলা সমবায় অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার যত দ্রুত সম্ভব কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে ওই আদেশে এ বিষয়ে খাদিজা খাতুনের সঙ্গে কয়েক দফা চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি তবে অভিযোগ এবং তদন্ত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য খাদিজা খাতুন আওয়ামী লীগের তৃতীয়সারির নেতাদের নিয়ে বাহুবল উপজেলা প্রশাসনে তদবির শুরু করেছে।

সমাজের কান্না মিজানুর রহমান তোতা

 সমাজের কান্না  মিজানুর রহমান তোতা




আমি বলছি না, ঘৃণায় বলতেও চাই না

এসব কী দেখছি, কী শুনছি?

লজ্জায় মাথা নত হয়,  

ঘৃণাভরে সমাজ উচ্চকন্ঠে বলছে

আর কাঁদছে, কেঁদেই চলেছে

সমাজের কান্না থামছে না।


শুনুন তাহলে--

চোখেমুখে সোনালী স্বপ্ন নিয়ে ঘর করছিল মাদুলি

গভীর রাতে তুলে নিয়ে 

পালাক্রমে নির্যাতন করলো

মাদুলি কখনো চিন্তাও করিনি এমন হবে

হায়েনার দল তাকে লন্ডভন্ড করবে

খাবলে খাবে, স্বপ্ন ভেঙে যাবে

জীবনভর চোখের সামনে ভেসে বেড়াবে ভয়েরস্মৃতি।


আমি বলছি না

বলছে সমাজ--

মাদুলি শুনেছিল হানাদারদের নির্যাতনের কথা

আদুলিকে তুলে নেওয়ার কাহিনী

বীরাঙ্গনা নাম নিয়ে দুঃখ-কষ্টে

তার কাটালো জীবন

হায়েনারা মাদুলির স্বপ্নসাধ ভেঙে করলো ধর্ষণ। 


আমি কিন্তু বলছি না

বলছে সমাজ--

হানাদার বিতাড়িত হয়েছে

রয়ে গেছে হায়েনার দল

আদুলি মাদুলিরা অত্যাচারিত  

কষ্ট ব্যাথা লাঘবের পথ খুঁজছে

সবাই নীরব দর্শকের মতো চেয়ে চেয়ে দেখছে। 


শুধু কী ধর্ষণ? 

সমাজে অত্যাচার অনাচার বেড়েই চলেছে

সমাজের কর্ণধাররা খেলা দেখছে

কোন প্রতিকার নেই

বাদ-প্রতিবাদ নেই

লক্ষীপ্যাচার আদরের দুলালরা 

অপকর্ম করলে পার পেয়ে যায়

গোবেচারারা হা-হুতাশ করে বেড়ায়।


আমি বলছি না, বলতে চাইনি

চারপাশের ঘটনা দেখে বলছে সমাজ--

যুগে যুগে একেক নামে একেকজন আবির্ভূত হয়

সমাজের যতো নষ্ট কারবার করে পার পেয়ে যায়

মোটা চিকন খাটো লম্বা কুলফি ঝুলফিরা 

সমাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে

প্রভাবশালীরা ছায়া দিচ্ছে।


সমাজ এসব দেখছে বিস্ময়ে

দায়বোধের তাড়া নেই,

সমাজপতিদের চোখ কালো কাপড়ে বাঁধা

দেখতে পারছে না, নেই অনুভূতিও। 


এসব দেখেশুনে সমাজ কেঁদেই চলেছে--

ইতিহাসের গড়াপেটায় হতভাগ্যরা জেগে উঠবে

একদিন আদুলি মাদুলিরা রুখবে 

পেশীশক্তির বাহুবল নামবে

হানাদারের মতো হায়েনারা ধরাশায়ী হবে

নপুংস সমাজপতিদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।

সর্বস্তরের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মৌন মিছিলে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

সর্বস্তরের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মৌন মিছিলে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

রিয়াজুল করিম রিজভী,চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃদেশব্যাপী হঠাৎ ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে এবং প্রতিকারের দাবিতে সর্বস্তরের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে আজ সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) এক মানববন্ধন ও মৌন মিছিল নগরীর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে শুরু হয়ে চেরাগী পাহাড় মোড় হয়ে পুনরায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।


মানববন্ধন ও মৌন মিছিলে বক্তারা ধর্ষণে যুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বক্তারা বলেন, সিলেট এম.সি কলেজ ও নোয়াখালীর ঘটনায় বুঝা যায় দেশে ধর্ষণ কোন পর্যায়ে রয়েছে। বক্তারা গ্রেফতারকৃতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশেষ ক্ষমতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।


মানববন্ধন পরবর্তী মৌন মিছিলে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য রাখেন-ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ্দিন, সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন, শিক্ষার্থী আতাউল গণি, মাহবুবুল আলম বাপ্পী, রিয়াজুল করিম রিজভী, জাহিদ হোসাইন, মো. ইমন, রবিউল হাসান, নাজমুল হুদা, মো. হাসিব, দিপ্ত, নুসরাত মিফতা, মিলন হোসেন, আবদুর রহমান, প্রলয় দাশ প্রমুখ।

পুলিশ-সন্ত্রাসী ভাই ভাই হওয়ায় ধর্ষণ বাড়ছে -মোমিন মেহেদী

পুলিশ-সন্ত্রাসী ভাই ভাই হওয়ায় ধর্ষণ বাড়ছে -মোমিন মেহেদী




প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিক এবং পুলিশ-সন্ত্রাসী ভাই ভাই হওয়ায় ধর্ষণ বাড়ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখনই এই পরিস্থিতি উত্তরণে পদক্ষেপ না নিলে আপনার মন্ত্রীদেরকে আবারো জনগন জুতাপেটা করা শুরু করবে। অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির পিতার মান রাখতে হলেও আইন-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অব্যহতি দিন। একই সাথে অনতিবিলম্বে প্রমাণিত ধর্ষকের ৩ মাসের মধ্যে ফাঁসি কার্যকরের বিল পাশ করুন।

মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রির সঞ্চালনায় ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ‘ধর্ষণ বিরোধী আমরা’ শীর্ষক এক ক্যাম্পেইনে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। এসময় তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারী নির্যাতনকারীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ারও দাবী জানান। সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, নিরঞ্জন মুখার্জী জাদু, হাসিবুর রহমান শাদাদ, কবির চৌধুরী প্রমুখ ক্যাম্পেইনে বক্তব্য রাখেন। 

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা আদায়

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা আদায়

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি  সাতক্ষীরা   প্রতিনিধিঃ আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে মাছ ওজন করার জন্য ডিজিটাল মিটার না থাকায় ও পুশকৃত বাগদা চিংড়ী পাওয়ায় তিন ব্যবসায়ীকে সর্বমোট ৩০০০ হাজার টাকা জরিমানা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে মহেশ্বরকাটি মৎস্য মাছ ওজন করার জন্য ডিজিটাল মিটার না থাকায় সেটের সাধারণ সম্পাদক অনঙ্গ কুমার দাসকে ২০০০ টাকা, পুশকৃত চিংড়ি মাছ পাওয়ায় চায়না ফিসের মালিক কালিপদ সানাকে ৫০০ টাকা ও বিধান সানাকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেন। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, অফিস সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার!

সিরাজগঞ্জে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬  ডাকাত গ্রেফতার!


মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ সিরাজগঞ্জে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পুলিশ)। আটককৃতরা হলো- সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার পাইকোশা গ্রামের সাইদুল শেখের পুত্র মো: আসলাম শেখ (২৩) , সলঙ্গা থানার ভেংরি গ্রামের মজিবর

মন্ডলের পুত্র মো: মোতালেব মন্ডল (২৫), উল্লাপাড়া উপজেলার হাওড়া উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল সরদারের পুত্র মো: নুর নবী সরদার (২৮), গয়হাট্টা গ্রামের রেজাউল করিমের পুত্র মো: আব্দুল খালেক (২৭), মৃত আব্দুস সাত্তারের পুত্র আব্দুল হান্নান (২২) ও একই গ্রামের শফিকুলের পুত্র মো: সাব্বির হোসেন (২৩)।

আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টার সময় এই তথ্য নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি পুলিশ ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশ সুপার হাসিবুর আলম বিপিএম এর দিকনিদের্শনায় এসআই মোঃ নাজমুল হক সহ সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্স এর সহায়তায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত দুই টার দিকে সলঙ্গা থানার বাদেকুশা গ্রামে হাটিকুমরুল হইতে রাজশাহী গামী মহাসড়কের উত্তর পাশে জনৈক আলম এর পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে হইতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তাদের নিকট থেকে ১টি দেশীয় তৈরি ওয়ান শাটার গান, ৩ রাউন্ড গুলি, ২টি রামদা, ১টি ছুরি, ১টি চাইনিজ কুড়াল ও ১টি কাটার সহ আসামিদের গ্রেফতার করা। পরে এই বিষয়ে সলঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পটিয়ার দক্ষিণ ভুর্ষি প্রতিপক্ষের হামলায় সেনাবাহিনীর (অবঃ) কর্মকর্তা সহ আহত-২

 পটিয়ার দক্ষিণ ভুর্ষি  প্রতিপক্ষের হামলায় সেনাবাহিনীর (অবঃ) কর্মকর্তা সহ আহত-২




আরিফুল ইসলাম পটিয়াঃ চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভুর্ষি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড খানমোহনা আহমদ ছফা চেয়ারম্যানের বাড়িতে    


পুর্বশক্রতার  জের ধরে প্রতিপক্ষরা বেআইনি জনতা গঠন করে দেশীয় অস্ত্রশস্র দিয়ে 


সেনাবাহিনীর (অবঃ) কর্পোরাল মোঃ নাজিমুল হক চৌধুরী(৪৮) ও তার মেয়ে  ফাহমিনা হক মমি (১২) কে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে- কুপিয়ে রক্তাক্তজখম করেছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।


আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা  দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ২ অক্টোবর শুক্রবার সকাল


 ১০টায় নাজিমুল হক চৌধুরী বসতঘরের উঠানে। এ ঘটনায় মৃত নুরুল হক এর ছেলে মোঃ নাজিমুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে একই বাড়ির মুদাচ্ছিল হক প্রকাশ মাসুম (২২) তার পিতা মোজ্জাম্মেল হক চৌধুরী (৫০) সুরাইয়া আকতার (১৮) পুতুল (৪২) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ে করেছে। থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায় দীর্ঘদিন যাবত নাজিমুল হক চৌধুরীী সাথে মোজাম্মেল গং এর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ২ অক্টোবর সকাল ১০ মাসুম এর নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষরা হটাৎ সেনাবাহিনীর (অবঃ) কর্পোরাল  নাজিমুল হক চৌধুরীকে এলোপাতাড়ি কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত  জখম করে। এতে তার চোখে কপালে গুরুত্বর জখম হয়। এসময় তার শিশু কন্যা পিতার উপর হামলা ঘটনা দেখে এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষরা ৬ষ্ট শ্রেণীর ছাএী ফাহমিনা হক মমিকে কিরিচ মাথায় কুপিয়ে জখম করে বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে প্রকাশ। ফাহমিনা হক মমির মাথায় ৪ টি সেলাই হয়েছে বলে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান।এছাড়াও প্রতিপক্ষরা নাজিম এর বসতঘরে   পল্লী বিদ্যুৎ  মিটার ভাংচুর ও ঘরের স্বর্ণ অলংকার লুটপাট তান্ডব   


চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে বলে থানায় অভিযোগে উল্লেখ করেন। বর্তমানে   সেনাবাহিনীর (অবঃ) কর্পোরাল নাজিমুল হক চৌধুরী প্রতিপক্ষদের নানান হুমকি ধামকি কারণে জীবনের চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে সে জানান। সে এব্যাপারে পটিয়া  পুলিশ প্রশাসনহ উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এ ব্যাপারে  অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মোরশেদ  জানান ওসি মোঃ বোরহান উদ্দীনের নির্দেশে তদন্ত চলছে দোষী ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।                                          

মহেন্দ্র লাল বর্মনের ৪৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

মহেন্দ্র লাল বর্মনের ৪৬ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ




মধুপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃস্বর্গীয় মহেন্দ্র লাল বর্মন সফল সংগঠক,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগি।   মধুপুর থানা আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তিনি সেখানকার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। 

তিনি ছোট বেলা থেকেই এই রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন,পাশাপাশি একজন মেধাবী ছাত্র। 

তিনি ৮ম শ্রেনিতে বৃত্তির পাশাপাশি মেট্রিক পরিক্ষায় লেটার গ্রেড পান এবং করটিয়া মহাবিদ্যালয় থেকে বি.এ কমপ্লিট করেন। 

ছাত্র জীবনে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন

যার কারনে তাকে কারা ভোগ করতে হয়েছে। 

তিনি মধুপুর রানী ভাবানী সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও মধুপুর সরকারী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।  এছাড়াও কর্মজীবনে তিনি কাস্টমসের অফিসার ও ধনবাড়ি নওয়াব ইন্সটিটিউট এর শিক্ষক হিসাবেও বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। 

১৯৭৩ সালে টাংগাইল-১ আসন হতে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে তিনি এমপি নির্বাচন করেছেন কিন্তু সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজয় বরণ করেন। 

১৯৭৪ সালের ৫ই অক্টোবর সন্ধ্যার কিছু পুর্বেই আততীর হাতে তিনি শহীদ হন- যা মধুপুরের ইতিহাসের এক জঘন্য ও নেক্কারজনক ঘটনা। 

তিনি শিক্ষার পাশাপাশি মধুপুরের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রেখে গেছেন যা মধুপুরবাসী সারাজীবন এই মহান মানুষটিকে সাদা মনের মানুষ হিসেবে স্বরনালী এলবামে ধরে রাখবে। আজ তার ৪৬ তম মৃত্যু বার্ষিকীতে  শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করছে গোটা মধুপুর বাসী

দেশব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন

দেশব্যাপী নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে নোবিপ্রবিতে মানববন্ধন




নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃনোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনসহ দেশব্যাপী চলমান ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতার বন্ধে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নোবিপ্রবি থিয়েটারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর  বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতন ও গণধর্ষন বেড়েই চলেছে। পথেঘাটে নারীরা সামাজিকভাবে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। দিনদিন নরপশুরা হিংস্র হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী নির্যাতন ও গণধর্ষনকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’


নোবিপ্রবি থিয়েটারের উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি  বিভাগের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ বলেন 'বাংলাদেশে নারী ক্ষমতায়ন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে কিন্তু তারপরও কিছু অমানুষ নারীকে দূর্বল মনে করছে। বেগমগঞ্জসহ সারা বাংলাদেশে সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে যেনো এসব পশুরা বের হয়ে না যেতে পারে। নারীকে সম্মান দিতে হবে এবং এধরনের পাশবিকতার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’


নোবিপ্রবি থিয়েটারের সভাপতি হাসিব আল আমিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মজনুর রহমান, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন পলাশসহ আরো অনেকে। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকসহ নীল দলের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব মল্লিক, অফিসার্স অ্যাসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসাইন রাজু, সহকারী রেজিস্ট্রার আবু জুবায়ের, নোবিপ্রবি থিয়েটারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখা আহবায়ক কমিটি আয়োজিত পরিচিতি সভা

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখা আহবায়ক কমিটি আয়োজিত পরিচিতি সভা




মোঃ লাতিফুল আজম,কিশোরগঞ্জ নীলফামারী প্রতিনিধি:আজ সোমবার বেলা ১২ ঘটিকায় নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের  আহবায়ক দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি মাইনুল হক। তিনি বলেন আগামী ১০ অক্টোবর ২০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কিশোরগঞ্জ উপজেলা শাখা পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিতে পারবো। আরও বক্তব্য রাখেন সাঃসম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সিনিয়র সহ সভাপতি রাজু আহমেদ,উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক নওরোজ,



দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ ও ডেইলি মর্নিং গ্লোরি প্রতিনিধি মোঃ লাতিফুল আজম,মেট্রো বাংলা টিভি উপজেলা প্রতিনিধি একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম,অপরাধ বিচিত্রা জেলা প্রতিনিধি আবু সুফিয়ান সহ আরও অনেকে।

মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু মায়ের অভিযোগ ধর্ষণের পর হত্যা

মাধবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু মায়ের অভিযোগ ধর্ষণের পর হত্যা


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নের মেরাশানি গ্রামের মনতলা ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী ইয়াছমিন (১৪) এর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে ইয়াছমিনের মা আয়েশা বেগমের অভিযোগ ইয়াছমিনকে হত্যা করা হয়েছে। ইয়াছমিনের মা আয়েশা বেগমের অভিযোগ গত শুক্রবার ৫টার দিকে তার ৩ বান্ধবী মনতলা ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী সাদিয়া, সুমাইয়া বেগম ও সুমাইয়া আক্তার তার মেয়ে ইয়াছমিনকে বেড়ানোর কথা বলে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় কিন্তু পরদিন সকাল ৭টার দিকে তার বাড়ির সামনে মেরাশানি এলাকায় একটি সিএনজি থেকে ইয়াছমিনকে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।


ওই সময় একই এলাকার নজরপুর গ্রামের অনু মিয়া নামে এক ফেরিওয়ালা ঘটনা দেখে চিৎকার শুরু করে পরে স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইয়াছমিন ৩ বান্ধবীর সঙ্গে গিয়ে রাতে পূর্ব মেরাশানি গ্রামের হুমায়ুন মিয়ার মেয়ে সুমাইয়ার বাড়িতে রাত্রিযাপন করেন বান্ধবী সুমাইয়া বলেন রাতে থেকে সকালে নাস্তা করে সুমাইয়া তার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় তারপর কি ঘটনা ঘটেছে তাদের জানা নেই।


অপর বান্ধবী সাদিয়া জানান নিহত ইয়াছমিন তাদের সঙ্গে আসার পর তার বান্ধবী সুমাইয়ার বাড়িতে রেখে সে তার নিজ বাড়িতে চলে যায়। কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তারা কিছুই জানে না। ইয়াছমিনের মা আয়েশা বেগম এর অভিযোগ তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে মারা হয়েছে তিনি সরকারের নিকট এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন ইয়াছমিনের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের আরএমও শামীমা আক্তার জানান মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না তা নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।


মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন জানান হাসপাতালে দুর্ঘটনা জনিত কারণে মৃত্যু লেখা হয়েছে ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে এটি হত্যা কি না নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে তদন্ত চলছে। সোমবার (০৫ অক্টোবর) দুপুরে মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন ও পরিদর্শক তদন্ত গোলাম দস্তগীর আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ও অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

নানকের সুস্থতা কামনায় মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া ও মিলাদ

নানকের সুস্থতা কামনায় মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া ও মিলাদ




নিউজ ডেস্কঃবাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের সুস্থতা কামনায় ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সোমবার (৫ অক্টোবর )ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও চেম্বার অফ কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমীনুল হক শামীম(সিআইপি) পক্ষ থেকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নওশেল আহমেদ অনির উদ্যোগে বাদ মাগরিব ময়মনসিংহ নগরীর নাহার রোড জামে মসজিদ,জিলাস্কুল জামে মসজিদ, নতুন বাজার মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


এছাড়াও নগরীর নতুনবাজার মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নওশেল আহমেদ অনির নিজস্ব কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।এরপর অসহায় এতিমদের মাঝে খাবার বিতরন করা হয়। 


এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা নওশেল আহমেদ অনি,শাহীন আলম,উবায়েদ উল্লাহ,মিশু, মোস্তফা কামাল, প্রিন্সসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা ।


এসময় ছাত্রলীগ নেতা অনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাই রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ্য ও আস্থাভাজন একজন ব্যক্তি। তিনি রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দলের দুঃসময়ে পাশে ছিলেন। শত ঘাত-প্রতিঘাত মোকাবেলা করেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জনগণের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে আজ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জাহাঙ্গীর কবির নানক ভাইয়ের সুস্থ্যতায় মহান রাব্বুল আল আমিনের কাছে দোয়া করছি।

মাগুরায় আলোকদিয়ায় গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

 মাগুরায় আলোকদিয়ায় গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন


মোঃআবু নাইম কাজী, স্টাফ রিপোর্টারঃমাগুরায় আলোকদিয়া অমরেশ বসু মহাবিদ্যালয় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গ্রাম ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ পুরুষ ও মহিলা ট্রেনিং ২০২০ ৪ঠা অক্টোবর শুরু হয়। মাগুরা আনসার ও ভিডিপির জেলা কম্যান্ডেন্ট শুভ্র চৌধুরী, অমরেশ বসু মহাবিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল মোঃ গোলাম ফারুক মোল্লা ৫ই অক্টোবর গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন। মাগুরা উপজেলা আনসার ভিডিপি  অফিসার মোঃ টিপু সুলতান গাজী, উপজেলা প্রশিক্ষিকা ষষ্ঠী রাণী মজুমদার টি আই, উপজেলা প্রশিক্ষক টি আই মোঃ টিপু বিশ্বাস, মোঃ আব্দুল আওয়াল এবং আনসার ও ভিডিপির দলপতি ও কমান্ডারগণ উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ৪ঠা অক্টোবর শুরু হয়ে ১৫ই অক্টোবর পর্যন্ত ১০ কর্মদিবসে সমাপ্তি হবে। প্রশিক্ষণের আয়োজন করে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় মাগুরা সদর মাগুরা। জেলা কম্যান্ডেন্ট শুভ্র চৌধুরী বলেন ভিডিপির সদস্য ও সদস্যারা প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাথে ডিউটি, ইভটিজিং, নারী নির্যাতন, মাদক, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কাজের নির্মূলের জন্য প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে সাহায্য সহযোগিতা করবে।

আশাশুনিতে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিম

 আশাশুনিতে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তাকিম




আহসান উল্লাহ বাবলু , আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ   আশাশুনিতে খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। সোমবার সকালে নিজস্ব কার্যালয় থেকে তিনি শিশু-কিশোরদের মাঝে এ খেলার সামগ্রী বিতরণ করেন। বিতরণ কালে তিনি বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ এজন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীর ও মন ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিশেষ প্রয়োজন। তোমাদেরকে মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং মাদক মুক্ত সমাজ গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আও বলেন, উপজেলার প্রতিটি শিশু কিশোর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মাদকের ছোবল থেকে মুক্ত হয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা করে সুস্থ সুন্দর জীবন গড়তে পারে সে ব্যাপারে আমি সার্বিক সহযোগিতা করব। এসময় উপস্থিত ছিলেন শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রভাষক মোনায়েম হোসেন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, দপ্তর সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র সানা প্রমুখ।

সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ আনোয়ার হোসেন হেলাল

 সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ                                            আনোয়ার হোসেন হেলাল


মোঃ ফিরোজ হোসাইন, রাজশাহী ব্যুরোঃসাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের লেখনীর মাধ্যমে সমাজের ত্রুটিগুলো জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়। তাই নির্ভীক সাংবাদিকতার মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান আসন্ন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের পার্থী ও রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল।


রবিবার (০৪ অক্টোবর ) সন্ধ্যায় আত্রাই প্রেসকাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। 


আত্রাই-রাণীনগরের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভ’মিকা প্রত্যাশা করে আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন অবাধ তথ্য প্রবাহের সুবর্ণ সময় অতিবাহিত করছে। স্বাধীনতার স্বপে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া গণমাধ্যমের অন্যতম দায়িত্ব। সমাজের বিভিন্ন বিষয়ে আগাম তথ্য দিয়ে অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সুন্দর সমাজ গঠনে অবদান রাখছেন সাংবাদিকরা।


আত্রাই প্রেসকাবের সভাপতি রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে মতবিনিময়  সভায় উপস্থিত ছিলেন,  উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এবাদুর রহমান এবাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, নওগাঁ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিমান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুল ইসলাম, আত্রাই প্রেস কাবের সহ-সভাপতি ছাবেদ আলী, তপন কুমাার সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন সেন্টু, যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক নাহিদ, কোষাধ্য আল আমিন মিলন, সদস্য আবুহেনা মোস্তফা কামাল প্রমূখ।

স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা হরণের অপচেষ্টা

স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা  হরণের অপচেষ্টা





রহমতউল্লাহ বদলগাছী নওগাঁঃআমি, রহমতউল্লাহ আশিকুজ্জামান নূর ক্ষুদ্র একজন সচেতন নাগরিক ।যদিওবা আমার দায়িত্বে আমি উন্মোচিত হতে পেরেছি কিনা । তবুও জাতির উন্মোচিত বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখছি স্বাধীন দেশের স্বাধীনতাকে হরণ এর অপচেষ্টা যে চলছে আজ   বিবেকহীনা কিছু নয় পশুর প্রকোপে দেশ ও জাতি আজ বিপন্ন । তবু  কষ্ট বেদনা উন্মোচিত জাতিসত্তার  আঙ্গিনায়।


যে দেশ ৩০লক্ষ শহীদের প্রান বিপন্নতায় সাত লক্ষ অধিক মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলার ছেলেদের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে হাজার মায়ের বিরহের বেদনার অঙ্গনে  এই স্বাধীনতা ।   


তা আজ সত্যিই বিপন্ন কেন এই জবাব দিহিতা কার ।আজ এসুশীল সমাজের উন্মোচিত মুখ্য দেশ স্বাধীনতার অস্তিত্ব হারিয়েছে কেন বিপন্নতা  জবাব দিহিতা পাবকি মোরা ধর্ষণ গুম ঘুষ নানা প্রকপে জাতি তার অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলতে  চলেছে -


আজ রঙিন পর্দাটি উন্মোচিত হলে।  মিডিয়া টিভি পেপার প্রটোকল খুললে স্বচক্ষে আসছে আজ ধর্ষণ অপহরণ ঘুষ আরো কত কি। কেন এ বিপন্নতা ?

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের গত অর্থবছর ও চলমান অর্থবছরে ২০১৮ সালের এক পরিসংখ্যানে ধর্ষণের সংখ্যা ৭৩২ জন ,২০১৯ সালে ১৪১৩ জন ,যা ২০২০ সালে এসে মাত্র নয় মাসে ১০৮৩ জন । যা একন এসে দাঁড়িয়েছে মাত্রার অধিক 'এর মাঝে রয়েছে নানান অজানা ঘটনা যা প্রশাসনের হাতে হয় তো আসেই নাই ।

আজ দেশের শিশু-কিশোর-কিশোরী নানান ভাবে ধর্ষণ -গুম এ শিকার ।

আজ বাসার বাইরে আসতে ভয় পাচ্ছে , এ যেন  দেশের কলঙ্কময় কাব্য 

এ যেন স্বাধীন দেশের ও স্বাধীনতার অবকাশে যাতে উন্মোচিত আজ আমরা 

আজ হাজারো কলম হাজারো বিবেকবান মানুষ তবু কেন আজ বিপন্ন তা আজও আমার দেশের কেন লাঞ্চনা এর জন্য কি দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করেছিল  


যা বিবেক কে প্রশ্ন করলে জাতি উত্তরে কি বলবে? আদর্শ  আজ কোথায় ।


চারিদিকে কাল মেঘাচ্ছন্ন দেশের আইন আদালত প্রশাসন সর্বাপরি বিবেকবান জনতার কাছে এ যেন এক মহা বিপর্যয় ।

নওগাঁর আত্রাই বান্দাইখাড়াতে বয়তুল্যাহ সেতুর সংযোগ স্থলে ধস

 নওগাঁর আত্রাই বান্দাইখাড়াতে বয়তুল্যাহ সেতুর সংযোগ স্থলে ধস



মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

 রাজশাহী ব্যুরো


বহুল প্রতিক্ষিত লক্ষ লক্ষ মানুষের অখাংক্ষীত বায়তুল্যাহ সেতু নওগাঁর বান্দাইখাড়া বুক চিরে বয়ে চলে গেছে  আত্রাই নদী, এই আত্রাই নদীর উপর বান্দাইখাড়াতে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে গড়ে তোলা হয়েছে স্বপ্নের বয়তুল্যাহ সেঁতু, যেই সেঁতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন পারাপার হয় হাজার হাজার লোক, লাগাত রাজশাহী হতে ভবানীগঞ্জ দিয়ে নওগাঁ, ফেরিঘাট থেকে মান্দা এর পর বান্দাইখাড়া হয়ে নওগাঁ, অত্র অঞ্চলের সকল জনগণ এই সেঁতু দিয়ে পারাপর হয়। দুঃখের বিষয় সামান্ন বৃষ্টির কারনে উক্ত সেঁতুর সংযোগ স্থল ধসে গেছে এবং পাকা রাস্তা ভেঙ্গে গেছে যা দেখার কেউ নাই,আর সামান্ন ধসে গেলে গাড়ি পারা পার একদম বন্দ হয়ে যাবে। এলাকাবাসীর দাবি যাতে কোন ভাবেই সেঁতুর যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট না হয় সেঁতু মন্ত্রনালয় যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করেন। এবং দ্রুত তা সমপ্রসারন করেন এটাই এলাকাবাসীর আকুল দাবি ।

ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে সরকারি সা'দত কলেজ ছাত্রবৃন্দ

 ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে সরকারি সা'দত কলেজ ছাত্রবৃন্দ

 

আশরাফুল,সরকারি সা'দত কলেজ (টাংগাইল) প্রতিনিধি: আজ রোজ সোমবার(১০ অক্টোবর) দুপুর ১২:৩০ মিনিটে সারাদেশে অব্যাহত ধর্ষন,নারীর প্রতি নিপিড়ন বন্ধ ও দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের আওতায় ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে সরকারি সা'দত কলেজের ছাত্ররা ব্যানার নিয়ে কলেজ গেট ও করটিয়া শহীদ মিনারের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেনঃ- ফারুক,মাইদুল,শওকত,পনির,শাকিল।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ঘরে ঢুকে এক গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করেছে একদল যুবক ও কিশোর। ছেলের বয়সী ওইসব কিশোর-যুবকের পায়ে ধরেও রেহাই পাননি ৩৭ বছর বয়সী ওই নারী। ভয়ে ৩২ দিন আগের ঘটনাটি কাউকে জানাতেও পারেননি নির্যাতিতা কিংবা তার স্বজনরা। ২ সেপ্টেম্বর রাতের ঘটনার একটি ভিডিওচিত্র গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হলে তা জানাজানি হয়।

নির্যাতনের শিকার নারী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় গতকাল রাত পৌনে ১২টার দিকে পৃথক দুটি মামলা করেন। একটি মামলা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে। অন্যটি পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে।

মামলার এজাহারের নারী উল্লেখ করেন, তার স্বামীকে বেঁধে রেখে আসামিরা তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তারা এ ঘটনার ভিডিওচিত্র ধারণা করেন। গত এক মাস ধরে তারা এই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার কথা বলে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা এই ভিডিও ছেড়ে দেন।

আসামিরা হলেন- বাদল, মো. রহিম, আবুল কালাম, ইস্রাফিল হোসেন, সাজু, সামছুদ্দিন সুমন, আবদুর রব, আরিফ ও রহমত উল্যা। তাদের সবার বাড়ি বেগমগঞ্জে।

ওই মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব; নোয়াখালীর পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জেলার পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশীদ জানান, নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে রোববার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। সেখানে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক নববধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত মামলার ছয়জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৮ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুভূতি

 অনলাইন ক্লাস নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনুভূতি


নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনাভাইরাসের প্রভাবে পুরো বিশ্বজুড়ে যে স্থবিরতা নেমে এসেছে, তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে শিক্ষাঙ্গনে। উন্নত দেশগুলো অনলাইন মাধ্যমকে শিক্ষাক্ষেত্রে কাজে লাগাতে অভ্যস্ত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম চলছে বেশ ভালোভাবেই। নানা প্রতিকুলতা পেরিয়ে বাংলাদেশেও চালছে অনলাইন ক্লাস। কেমন চলছে অনলাইন ক্লাস? অনলাইন ক্লাস নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অনুভুতি জানার চেষ্টা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক মোঃ সুমন।

 


ফাতেমা আফরোজ মিলি 

৩য় বর্ষ, অর্থনীতি বিভাগ


বর্তমান প্যানডামিক অবস্থাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ না বাড়িয়ে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতাভুক্ত অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেই বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে। স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায় পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে কার্যক্রম চালু আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদেরও অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস করাটা আমাদের সবারই একটি নতুন অভিজ্ঞতা, যেহেতু এর আগে এটি কখনো করা হয়নি। আমার কাছে অনলাইন ক্লাসের অনুভূতি বলতে গেলে একদিক থেকে ইতিবাচক অন্য দিক থেকে নেতিবাচক দিকও রয়েছে। প্রথমে ইতিবাচক টা দিয়েই শুরু করি। অনলাইন ক্লাসের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে ক্লাস করা যায়। বাসার মধ্যে একটি নিরিবিলি পরিবেশ পাওয়া যায় ক্লাস করার ক্ষেত্রে, যেটা আমরা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস রুমে পেয়ে থাকি না। আরেকটা ইতিবাচক দিক হলো অনেক সময় বাঁচানো যায়। ভার্সিটিতে আসা যাওয়ায় যে সময়টা, আমাদের রাস্তাঘাটের প্রচুর জ্যামের মুখোমুখি হতে হয় সেটা থেকে আমরা মুক্তি পাচ্ছি। বাসায় যেখানে ইচ্ছা সেখানে বসে ক্লাস করতে পারি। ক্লাস রুমের যে হৈচৈ বা সাইড টকিং ব্যাপারটা অনলাইন ক্লাসে থাকে না বিধায় বেশি মনোযোগ দেয়া সম্ভব হয়। এতোকিছুর পরেও কিন্তু কিছু নেতিবাচক দিক থেকে যায়। অনলাইন ক্লাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক সিস্টেম। অনেক সময় দেখা গেল নেট অথবা ওয়াইফাই স্লো হয়ে যাচ্ছে, আবার দেখা গেল কারেন্ট নাই ওয়াইফাই অফ থাকে। মোবাইলের ক্ষেত্রে চার্জ নিয়ে সমস্যা হয়। মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেতো কথাই নেই। বিদ্যুৎ এর সাথে সাথে নেটও পাওয়া যায়না। আরেকটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে অনেকক্ষণ ধরে মোবাইলে বা কম্পিউটারে ক্লাস করার ফলে চোখে প্রচুর সমস্যা হচ্ছে, যেমন চোখে ব্যাথা ও জ্বালা পোড়া হচ্ছে। শিক্ষকরা যে শিক্ষা উপকরণ (পিডিএফ, স্লাইড) গুলো ক্লাসে সরবরাহ করছে সেগুলো স্ক্রিনে পড়তে গেলে এই শারীরিক সমস্যাটা হচ্ছে। এখানে কিন্তু আমরা আমাদের বন্ধু বান্ধবদের সাথে আড্ডা দিতে পারছিনা, মজা করতে পারছিনা। এটা দীর্ঘ মেয়াদি হলে আসলে আমরা নিজেরা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যেতে পারি যা আসলে কারো জন্যই ভালো হবে না। সবশেষ বলতে পারি, একটা পাঁচমেশালি অনুভূতি হচ্ছে। একদিক থেকে ভালো তো অন্য দিক থেকে খারাপ। 




রুবাইয়া রায়হান 

২য় বর্ষ, সমাজকর্ম বিভাগ


করোনা প্রকোপে সাধারণ জীবন যাত্রা কতোটা বিপর্যস্ত সেটা কারো অজানা নয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। ঠিক তেমনি পরিবর্তন এসেছে প্রাইমারি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত, পাল্টে গেছে পাঠদানের ধরন, এসেছে নতুনত্ব। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস। সেই সম্পর্কে বলতে গেলে আমাকে বলতে হয় অনলাইন ক্লাস শুরু করা ভালো সিদ্ধান্ত ও যূগ উপযোগী সিদ্ধান্ত। এতে করে শিক্ষা অর্জনের স্পর্শে থাকা যায়। যদিও প্রথমে টেকনিক্যাল কিছু কারনে আর অনলাইন ক্লাস সম্পর্কে অনভিজ্ঞ হওয়ায় আমাকে সমস্যার মুখোমুখি পরতে হয়েছে। এক পর্যায়ে শিক্ষকদের সহায়তা আর রুটিন মাফিক ক্লাস এর মাধ্যমে সমস্যা গুলো কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এক সেমিস্টার থেকে পরবর্তী  সেমিস্টারের উঠতে পেরেছি। যদিও পরীক্ষা পরে নেওয়া হবে। ফিল্ড ওয়ার্ক করা, লাইব্রেরি গিয়ে বই সংগ্রহ এগুলো অনলাইন ক্লাসে সম্ভবপর না হলেও কিছুটা হলেও সেশনজট কমানো যাবে বলে আমি মনে করি, সেশন জট এড়াতে অনলাইন ক্লাস অন্যতম সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।



রিয়াদ হোসেন

২য় বর্ষ, সমাজকর্ম বিভাগ


করনাকালীন সংকটে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাতিল করে দেয়া হয়েছে কয়েকটি পাবলিক পরিক্ষা | আটকে আছে উচ্চ মাধ্যমিক সারটিফিকেট পরিক্ষা | দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে। এমতাবস্তায় আমাদের মাঝে দেখা দিচ্ছিল সেশনজটে পরার আশংকা, পাশাপাশি দীর্ঘ  দিন ক্লাস রুমের বাইরে থাকায় পড়াশুনায় অনিয়মিত হয়ে পরছিলাম। তবে আমাদের অনলাইনে জুম অ্যাপ এর মাধ্যমে পাঠদান শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। পূনরায় শিক্ষকদের সান্যিদ্ধে আসতে পারায় পড়াশুনায় নিয়মিত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও উৎসাহে মানসিক মনোবল অনেকটাই বেড়েছে। জুম অ্যাপ এ প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাসের মতই একইসাথে মতবিনিময় করতে পারায় জ্ঞ্যানের আদন-প্রদান অব্যহত রাখা সম্ভম হচ্ছে। ক্লাস নিয়মিতকরন হওয়ায় এক সেমিস্টারের ক্লাস সম্পন্ন করে শিক্ষকরা অন্য সেমিস্টারের ক্লাস শুরু করে দিয়েছেন | তবে ক্লাস নিয়মিত অনুষ্ঠিত হলেও পরিক্ষা না দিতে পারায় আমাদের একত্রে দুইটি সেমিস্টার এর পরিক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রশাসন যা শিক্ষার্থীদের বাড়তি চাপে ফেলে দিচ্ছে |অনালাইন ক্লাস কল্যানকর হলেও শতভাগ শিক্ষার্থী এর সুবিধা পাচ্ছে না | অনেকের ক্লাস করার জন্য উপযুক্ত ডিজিটাল ডিভাইস না থাকায় সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছে | পাশাপাশি মেগাবাইটের উচ্চ মুল্য, স্বল্প মেয়াদ এবং দূর্বল নেটোয়ার্ক অনেকের জন্য বাধা হয়ে দারিয়েছে তাই সকলের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা সম্ভবপর হচ্ছে না। ইউজিসি এবং টেলিটক চুক্তিতে আসলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর এ সিম না থাকায় এবং সিমের নেটওয়ার্ক সবজায়গায় সমান না হওয়ায় অনেকেই সেবা পাচ্ছে না ফলে ক্লাস করতে ব্যার্থ হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীদের একাংশ পিছিয়ে পরছে। এর দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

দিনাজপুরে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২০ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

 দিনাজপুরে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২০ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

 



মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ ৫ অক্টোবর সোমবার “শিশুর সাথে শিশু তরে, বিশ্ব গড়ি নতুন করে” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে দিনাজপুরে সপ্তাহ ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, দিনাজপুর ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি দিনাজপুর জেলা শাখার উদ্যোগে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল সাড়ে ১০টায় বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে সপ্তাহ ব্যাপী সকল কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম। উদ্বোধনী উনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সানিউল ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ এমদাদুল হক শরিফ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল আলম প্রমূখ। আরোও উপস্থিত ছিলেন ভিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহের নের্তৃবৃন্দ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সপ্তাহ ব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ৬ অক্টোবর কন্যা শিশু দিবস-২০২০ উপলক্ষে কন্যা শিশুদের নিয়ে চিত্রাংন প্রতিযোগিতা ৮ অক্টোবর বিশেষ সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং ১১ অক্টোবর বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২০ এর সপ্তাহ ব্যাপী সকল কর্মসূচীর সমাপনী অনুষ্ঠান।

সংবাদ সম্মেলনে মেয়ের মা বলেন অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নিয়েছে

 সংবাদ সম্মেলনে মেয়ের মা  বলেন  অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নিয়েছে




মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জে ঘর-সংসার করার প্রলোভন দিয়ে অবুঝ অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক মেয়েকে জোরপূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছেন মেয়ের মা আফরোজা পারভীন। 


সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংসাদ সম্মেলন এ অভিযোগ করেন জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা (শাহাপাড়া) গ্রামের মোঃ জাহেদ’র স্ত্রী মেয়ে মা মোছাঃ আফরোজ পারভীন। 


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার মেয়ে মোছাঃ ইসমেত জেরিন বয়স ১৭ বছর। সে চলতি ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। আমার মেয়েকে রাস্তা-ঘাটে উত্তক্ত করতো ও তাকে ফুসলিয়ে এবং ভুল বুঝিয়ে ঘর-সংসার করার প্রলোভন দিয়ে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে আসছিল বোচাগঞ্জ উপজেলার আটগাঁও গ্রামের মোঃ মজিবর রহমানের ছেলে বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক নাজমুল ইসলাম (৩৫)। এ বিষয়টি আমি জানতে পেরে নাজমুল ইসলামের পরিবারের লোকজনকে জানাই এবং আমার মেয়ের সাথে যোগাযোগ না করতে ও তাকে উত্তক্ত না করতে নিষেধ করি। কিন্তু নাজমুল ইসলাম আমার বাধা নিষেধ অমান্য করে আমার  মেয়ের সাথে সম্পর্ক করার চেষ্টা অব্যাহত রাখে।


গত ১০-০৯-২০২০ তারিখ সকাল আনুমানিক ১০টায় আমার সেতাবগঞ্জ শহরে অবস্থিত স্কয়ার কোচিং সেন্টারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ী হতে বের হলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা নাজমুল ইসলাম ও তার সহযোগিরা আমার মেয়েকে রাস্তায় একা পেয়ে জোরপূর্বক অটোভ্যানে তুলে দিনাজপুরের দিকে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীর নিকট এ খবর জানতে পেরে মেহেদী হাসান, ২নং ইশানিয়া ইউপি সদস্য রিয়াজুল ইসলাম, আটগাঁও ইউপি সদস্য মোঃ আহসান ও বরুয়া গ্রামের শুভকে সাথে নিয়ে আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে নাজমুলের বাড়ীতে গেলে নাজমুল ও তার পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে আমাদের হাতে না দিয়ে উল্টো আমাদেরকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তাদের বাড়ী হতে বের করে দেয়। আমার মেয়েকে আনতে পরবর্তিতে তাদের বাড়ীতে গেলে প্রাণনাশের ভয়ভীতি, শারিরিকভাবে লাঞ্চিত ও মামলা দিয়ে জেলে পাঠাবে বলে হুমকিও দেয়।


সংবাদ সম্মেলনে আফরোজা পারভীন আরো বলেন, এ বিষয়টি বোচাগঞ্জ থানা কর্তৃপক্ষকে জানালে থানা কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে মামলা করতে বলে। থানা পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী গত ১২-০৯-২০২০ তারিখ নাজমুল ইসলাম (৩৫) তার ভাই মোঃ রুবেল মিয়া (৩০), পিতা মোঃ মজিবর রহমান (৫৫), নাজমুলের মাতা মোছাঃ লায়লা বেগম (৫০) ও নাজমুলের দাদী মৃত ইয়াকুব আলীর স্ত্রী মোছা ঃ মর্জিনা বেগম (৭০) এই ৫ জনকে আসামী করে আমি বোচাগঞ্জ থানায় একটি মামলা করি। মামলা নং-০৩, তারিখ-১২-০৯-২০২০ ইং, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত/০৩) এর ৭/৩০। মামলা করার পর আসামী রুবেলকে (৩০) পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সে আদালত থেকে জামিনে রেবিয়ে আসে।


তিনি আরো বলেন, আসামী রুবেল জামিনে মুক্ত হয়ে আমার বাড়ীতে গিয়ে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেয়। মামলা তুলে না নিলে তোমার মেয়েকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিবো। তোমরা কি করতে পারো দেখে নিবো। এ ঘটনার পর বিষয়টি অবহিত করে বোচাগঞ্জ থানায় আমি একটি জিডি করি। জিডি নং-৬৪৫, তারিখ-১৭-০৯-২০২০। 


তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত বোচাগঞ্জ থানা পুলিশ আমার মেয়েকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারেনি। বর্তমানে আমার মেয়ে কোথায় ও কিভাবে আছে তা জানি না। আসামীরা আমার মেয়েকে জোরপূর্বক আটকিয়ে রেখেছে। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মাধ্যমে নাজমুল ও তার পরিবারের লোকজনের হাত থেকে মেয়েকে উদ্ধারে আইন শঙ্খলাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মেয়ের মা আফরোজা পারভীন।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

 বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণের  দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত




মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি : বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২০ উপলক্ষে শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণের একদফা বাস্তবায়নের দাবীতে দিনাজপুরে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি দিনাজপুরের নেতাকর্মীরা।


আজ সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সন্মুখ সড়কে বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি(বাকশিস) দিনাজপুরের আয়োজনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন,এমপিও ভুক্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণের আওতাভুক্ত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমাদের রক্ষা করুন। আমরা অসহায় শিক্ষকরা আপনার উন্নয়নের ছোয়ায় শানিত হয়ে জীবিকার অবলম্বনকে উন্নয়ন ঘটাতে চাই। 


মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাকশিস দিনাজপুরের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ সাইফুদ্দীন আখতার,অধ্যাপক কামরুজ্জামান লাইজু,অধ্যক্ষ মো: জালাল উদ্দীন মজুমদার, সহ-সভাপতি যথাক্রমে সুলতান সালাহউদ্দীন, মোছা: আঞ্জুমান আরা বেগম, সা: সম্পাদক আতিকুর রহমান নিউ,যুগ্ম সা:সম্পাদক মো: রোস্তম আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

খুলনা মহানগরীতে লাইসেন্স ছাড়া চলবে না কোন ইজিবাইক

 খুলনা মহানগরীতে লাইসেন্স ছাড়া চলবে না কোন ইজিবাইক




তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ


আনুষ্ঠানিকভাবে লাইসেন্স প্রদান শুরু কেসিসি’র

বাহির থেকে শহরে ইজিবাইক ঢুকতে পারবে না

ইজিবাইক চালকদেরও লাইসেন্স নিতে হবে

জয়নাল ফরাজী

খুলনা মহানগরীতে ইজিবাইক চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে লাইসেন্স প্রদান শুরু করেছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি)। রবিবার সকালে খালিশপুর প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্ত্বরে এর উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। প্রথম দিন ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের এক থেকে তিনশত ৭২ নম্বর পর্যন্ত ইজিবাইক চালকদের মাঝে লাইসেন্স বিতরণ করা হয়। মোট ২২ দিন ধরে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের চালকদের মাঝে পর্যায়ক্রমে লাইসেন্সগুলো বিতরণ করা হবে।

এসময় ইজিবাইকের ডান পার্শ্বে দুইটি রড দ্বারা বন্ধ, ইজিবাইকের ফিটনেস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছাই করা হবে। লাইসেন্স প্রদানের ফলে নগরীর ইজিবাইক সীমিত পরিমাণ হয়ে যাবে। এর ফলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং অবৈধ ইজিবাইক চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।


এদিকে লাইসেন্স প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইজিবাইক চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলাচলের অনুমতি সংক্রান্ত লাইসেন্স প্রদান করা হচ্ছে। ফলে যানজট নিরসনসহ দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে এবং নগরীর সড়কসমূহে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লাইসেন্স ছাড়া কোন ইজিবাইক নগরীতে চলতে দেওয়া হবে না। বাহির থেকে কোন ইজিবাইক শহরে ঢুকতে না পারে সে বিষয়ে নিদের্শনাও দেওয়া হয়েছে। সকল ইজিবাইক ড্রাইভারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। যারা নিবন্ধন করেছেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে। করোনা ভাইরাসের মহামারী থেকে রক্ষা পেতে যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য চালক ও যাত্রী সাধারণের প্রতি আহবান জানান তিনি।’


কেসিসি সূত্র জানায়, খুলনা মহানগরীতে চলাচলের জন্য ৭ হাজার ৮৯৩টি ইজিবাইককে দেওয়া হচ্ছে লাইসেন্স। এর মধ্যে ৪ অক্টোবর ১ ও ২নং ওয়ার্ড, ৫ অক্টোবর ৩নং ওয়ার্ড, ৬ অক্টোবর ৪ ও ৫নং ওয়ার্ড, ৭ অক্টোবর ৬, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ড, ৮ অক্টোবর ৯নং ওয়ার্ড, ১১ অক্টোবর ১০নং ওয়ার্ড, ১২ অক্টোবর ১১ ও ১২নং ওয়ার্ড, ১৩ অক্টোবর ১৩ ও ১৪নং ওয়ার্ড, ১৪ অক্টোবর ১৫ ও ১৬নং ওয়ার্ডের লাইসেন্স খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে দেয়া হবে। এছাড়াও ১৮ অক্টোবর ১৭নং ওয়ার্ড, ১৯ অক্টোবর ১৮নং ওয়ার্ড, ২০ অক্টোবর ১৯ ও ২০নং ওয়ার্ড, ২১ অক্টোবর ২১নং ওয়ার্ড, ২২ অক্টোবর ২২ ও ২৩নং ওয়ার্ড, ২৫ অক্টোবর ২৪নং ওয়ার্ড, ২৭ অক্টোবর ২৫নং ওয়ার্ড, ২৮ অক্টোবর ২৬নং ওয়ার্ড, ২৯ অক্টোবর ২৭ ও ২৮নং ওয়ার্ড, ১ নভেম্বর ২৯নং ওয়ার্ড, ২ নভেম্বর ৩০নং ওয়ার্ড, ৩ নভেম্বর ৩১নং ওয়ার্ড এবং ৪ নভেম্বর জিডি জমাকৃতগুলো লাইসেন্স বয়রার বিভাগীয় কমিশনার মাঠে দেয়া হবে।


প্রসঙ্গত, নগরীতে যানজট নিরসন এবং ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণের জন্য লাইসেন্স প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় কেসিসি। ২০১৯ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইজিবাইকের লাইসেন্স ফরম বিক্রি ও আবেদন জমা নেওয়া হয়। এসময় লাইসেন্স ফি বাবদ ১০ হাজার টাকা এবং প্রতি বছর নবায়ন ফি ১ হাজার ৭’শ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই নিয়মে নগরীর ৮ হাজার ২২২টি ফরম বিক্রি হয় ইজিবাইক লাইসেন্সে নেওয়ার জন্য। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে ৭ হাজার ৮৯৩টি ইজিবাইকের লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।।

শ্যামনগরের গাবুরায় সিডিও ইয়ুথ টিম ইউনিট মানবতার পাঠশালার শুভ উদ্বোধন

 শ্যামনগরের গাবুরায় সিডিও ইয়ুথ টিম ইউনিট মানবতার পাঠশালার শুভ উদ্বোধন

 



আজহারুল ইসলাম সাদীঃ "শিশুর দুটি ছোট্ট হাত, বই খাতাতেই পড়ে থাক"

এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায়, সিডিও ইয়ুথ টিম  গাবুরা ইউনিট মানবতার পাঠশালা কার্যক্রমের,উদ্বোধন করা হয়েছে। 

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় উক্ত পাঠশালার শুভ উদ্বোধন করেন, সিডিও ইয়ুথ টিম গাবুরা ইউনিটের সভাপতি কবিরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দিন রনি, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাদশা ও অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।


শিশু অধিকার দিবসে সকল শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, শিশুদের মাঝে সিডিও ইয়ুথ টিম গাবুরা ইউনিটের পক্ষ থেকে ব্রাশ টুট-পেস্ট ও সাবান বিতরণ করা হয়।

হাজিরবাগ গ্রামের দাস পাড়ায় অসহায় পরিবারের মাঝে ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার

 হাজিরবাগ গ্রামের দাস পাড়ায় অসহায় পরিবারের মাঝে ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার

মোঃ ইকরামুল করিম সৈকত, ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধিঃ ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের দাস পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বলাই দাস, তারপিতা অকাল মৃত্যুবরন করেন, তার পরিবারের উপার্জনের উৎস ছিলেন তিনি,বাবার মৃত্যুর পর পরিবারের হাল ধরেন বলাই দাস৷ বাবার মৃত্যুর যন্ত্রনা সইতে না পেরে তার মাও খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে ও পরিবারের উপার্জনের উৎস হারিয়ে অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন জেনে হাজিরবাগ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার তার পরিবারের জন্য ভালোবাসার উপহার নিয়ে যান। 

দাসপাড়া গ্রামের মোড়ল আওয়ামীলীগ নেতা কার্তীক দাস বলেন, ইমনের ছোট উপহার ও এই অসহয় পরিবারের প্রতি সুনজর দিয়েছে এতে গ্রামবাসী খুব খুশি ও তার পরিবার ভাবতে ও পারে নি তাদের জন্য হঠাৎ কেউ কিছু করবে। আমার পাড়ায় প্রায় ১৬৭ টি ভোটার আছেন যারা আজীবন আওয়ামী প্রেমী, নৌকা প্রেমী, জননেত্রীর কর্মী,ছাত্রলীগ নেতা হিসাবে তার উপহার অসহায় মানুষদের প্রতি আর্শীবাদ।  

বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও ব্যংকার ফারুক হোসেন বলেন, আমরা চাই আমাদের ছোট ভাইয়েরা সব সময় ভালো কাজের সাথে থাক, মানুষের কল্যানে কাজ করুক আমাদের সমার্থন সব সময় থাকবে৷

 ছাত্রলীগ নেতা ইমন সরদার বলেন,  সমাজের বৃত্তমান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে গ্রামে কোন অসহয় মানুষ থাকবে নান,মানুষ মানুষের জন্য।আমি নিজে অসুস্থ সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা সহ উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতা কার্তীক দাস,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যংকার ফারুক হোসেন, বিশ্বনাথ দাস ছাত্রলীগ নেতা ইমন  সরদার,মামুন হোসেন, সোহান হোসেন সহ স্থানীয় বাসিন্দা।

রুদ্ধশ্বাসের দুইমাস ও চীনা প্রশাসনের করোনা মোকাবেলা

রুদ্ধশ্বাসের দুইমাস ও চীনা প্রশাসনের করোনা মোকাবেলা
চীনের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘Chinese New Year’ বা ‘চীনা নববর্ষ’। জানুয়ারী মাসে শুরু হয়ে প্রায় একমাসের ও বেশি সময় জুড়ে চলে এই উৎসবের তোড়জোড়। শেষ হয় ফেব্রুয়ারী মাসের ‘Lantern Festival’ লণ্ঠন উৎসব বা ‘Spring Festival’ বসন্ত উৎসবের মাধ্যমে। এই একমাস ধরে আকাশে চলে আতশ বাজির ফোয়ারা। এই সময়টাতে এত বাজি পুড়ানো হয় নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মত না। বিগত বছরগুলোর ন্যায় এবার ও সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলো নববর্ষ উদযাপনের জন্য শীতের ছুটি ঘোষনা করেছিল ১১ ই জানুয়ারি। সাধারনত ছুটির সপ্তাহ খানিক আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গুলো খালি হতে শুরু হয় এবং ছুটি শুরুর মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাস খুব দ্রুত খালি হয়ে যায়। সব ছাত্রছাত্রীরা একটা করে চাকা ওয়ালা লাগেজ নিয়ে ঠেলতে ঠেলতে বের হয়ে পড়ে পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর উদ্দেশ্যে। ডরমেটরি থেকে দলে দলে বাড়ীর উদ্দেশ্যে বের হওয়া চীনা ছাত্রছাত্রীদের এটা খুবই চিরচেনা দৃশ্য। কয়েক দিন ধরে চলে শুধু যাওয়া আর যাওয়া, ছুটি শেষ হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে চোখে পড়ে ফেরার দৃশ্য। 
তাদের চোখমুখে বাড়ী ফেরা বা ফিরে আসা নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ছাপ দেখা যায়না। পরিবহন টিকিট নিয়ে নেই কোন কালোবাজারি বা জালিয়াতির সুযোগ বরং সবার যাতায়াত কে নির্বিঘ্ন এবং সাশ্রয়ী করতে ছুটির সময়ে বিভিন্ন বিমান কোম্পানি, ভ্রমণ সংস্থা, পরিবহন কোম্পানি গুলো টিকিটের সাধারন মূল্যের উপর উপরন্তু ছাড় দিয়ে থাকে। সেজন্য বিশেষ দিনগুলোতে পরিবারের সবাই একসাথে ছুটি কাটাতে বা দূরে কোথাও ভ্রমণ করতে তেমন কোন সমস্যায় পড়েননা চীনারা।
দুর্ভাগ্য হলেও সত্য এবছরের ছাত্রছাত্রীদের সেই ফেরার দৃশ্য চোখে পড়তে অনেক সময় লেগেছে। শীতের ছুটি শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই শুরু হয় চীনে মহামারী করোনার তান্ডব এবং তা চলতে থাকে প্রায় ৪ মাসের ও অধিক সময় ধরে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। করোনা ভাইরাসের থাবায় চীন সহ পুরো বিশ্ব থমকে গিয়েছিল। করোনা ভাইরাসের উৎসস্থল চীন হলেও আশার বাণী হল চীন এখন আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। সমস্ত রাস্তা ঘাট, শপিং মল, দর্শনীয় স্থানগুলো ফিরে পেয়েছে আগের সেই চির চেনা রূপ। সকল অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ সবখানেই এখন স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে। প্রশ্ন জাগাটায় স্বাভাবিক এত দ্রুতই কিভাবে করোনা ভাইরাস কে মোকাবেলা করেছে চীনা সরকার? করোনা মহামারিকে মকাবেলা করতে যে পদক্ষেপ গুলো চীনা প্রশাসনকে নিতে দেখেছিলাম তারই কিছু নমুনা আজ ভাগাভাগি করলাম। 
সেদিন (গত ২৪ শে জানুয়ারি) আমরা গিয়েছিলাম ‘New Year’ এর নৈশ ভোজে। বছরের ওই দিনটাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নৈশ ভোজের আয়োজন করে থাকে এবং সেখানে ইন্টারন্যাশনাল ছাত্র ছাত্রীরা তাদের ফ্যামিলি মেম্বর সহ নিমন্ত্রিত হয়। আমরা ও এর ব্যত্যয় হইনি। আমার স্ত্রী এবং মেয়ে অন্তুর ভিতরে কিছুদিন আগে থেকেই ওই নৈশ ভোজে যাওয়া নিয়ে একটু বেশী তোড়জোড় লক্ষ্য করেছিলাম। বলতে গেলে ওদের চীনে আসার পরে ওইটায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজিত কোন ফরমাল অনুষ্ঠান তাই একটু বেশিই আনন্দিত ছিল ওরা। আমি গেল ২০১৯ সালের নৈশ ভোজে বিদেশী বন্ধুদের সাথে ভালোই মজা করেছিলাম। ছিল বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রী বা তাঁদের পারিবারিক সদস্যদের উপস্থতিতে একটা ছোট্ট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। টেবিলে সজ্জিত হরেক রকমের খাবার দাবার খেতে খেতে ওই অনুষ্ঠান উপভোগ, বন্ধুদের সাথে খোশ গল্প, সাথে ক্ষনে ক্ষনে খুব কাছ থেকে আতশ বাজির ঝলকানি দেখা সত্যিই খুব উপভোগ্য ছিল। তারই ধারাবাহিকতা এবং এবারই প্রথম পরিবার নিয়ে নৈশ ভোজে অংশ গ্রহন নিঃসন্দেহে একটু হলেও ভাল লাগা অনুভূতি কাজ করছিল। তাই কনকনে শীতের মধ্যেও আমরা ভারি শীতের পোশাক পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্ধারিত সময়ের আগেই ক্যাম্পাসে হাজির হয়েছিলাম।

 উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া দেশীয় কিছু মানুষের সাথে দেখা করে নৈশ ভোজের আগের সময়টা পার করব। সেই উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে আগেভাগেই পৌঁছে একের পর এক কল দিলাম তুর্য, হাবিবা এবং নীলিমা কে। ওরা সবাই এখানে পিএইচডি করছে। ফোন দেওয়ার পরে বুঝলাম তারা নৈশ ভোজে অংশগ্রহনে অতটা আগ্রহী না সেজন্য ডরমেটরি থেকে বাইরে আসতেও চাইল না। আমি জোরাজুরি করলাম না। প্রথম কলে তুর্য এবং হাবিবা আসতে তেমনটা আগ্রহ প্রকাশ না করায় অন্তুর মন এর মধ্যে অনেক খারাপ হয়ে গেছে। কেননা তুর্য আঙ্কেল আর হাবিবা আন্টির সাথেও অন্তুর কম যায়না। কিছুদিন আগে অন্তুর জন্মদিনে গিয়েছিলেন এই আঙ্কেল আন্টি পরিবার, নীলিমা আন্টি সহ আরও অনেকে। নীলিমার সাথে অন্তুর খুবই ভালো বোঝাপড়া। সেই দেশ থেকে আসার সময় অন্তুর সাথে নীলিমার প্রথম পরিচয় বিমান বন্দরে। তারপর থেকে তারা দুজনে খুবই ভালো বন্ধুত্ব বনে গেছে। তাই নীলিমা আন্টির কথা শুনলেই অন্তুর মনে খুশির জায়গা ধরেনা। 
তুর্য এবং হাবিবা না করার পরে এবার নীলিমা কে কল দিলাম। নীলিমা কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসল। আমরা যেখানে নৈশ ভোজের আয়োজন করেছে সেখানে গেলাম। এবারের পরিবেশ গতবারের চেয়ে অনেক ভিন্ন ছিল। কেউ কারো ধারে কাছে ভিড়তে চাইছে না। সবার মুখে কেমন একটা মলিনতা, একটা ত্রাস, অজানা আতংক। কেউ কেউ মুখে মাস্ক পরেছেন। কারন ইতোমধ্যে হুবেই প্রদেশের উহান শহরে শুরু হয়ে গেছে করোনার আক্রান্তের তান্ডব, মৃত্যুর মিছিল। নৈশ ভোজের অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তেমন কারও উপস্থিতি দেখলাম না। নেই কোন আতশ বাজির কারসাজি এবং কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। খাবারের আয়োজন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ ক্যান্টিনে। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও খুবই কম। গতবারের তিন ভাগের এক ভাগ হবে সব মিলিয়ে। 
আমরা নীলিমা এবং মায়ানমারের মিয়াথ সবাই একটা টেবিলে বসে রাতের খাবার শেষ করলাম। যেহেতু বিভিন্ন দেশের মানুষের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠানটা হয় তাই আয়োজকরা আগে থেকেই সব ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে মতামত নিয়ে কি পছন্দ বা অপছন্দ করে সেটার একটা তালিকা তৈরি করেন। সব দেশের মানুষ যেন তৃপ্তি সহকারে খেতে পারেন সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আয়োজকরা ২৫-৩০ রকমের খাবারের মেন্যু তৈরি করেন। খাবার পরিবেশনে থাকে বুফে ব্যবস্থা। আমরা সবাই ভালোই পেটপুরে খেয়ে বাসায় চলে আসলাম। অবশ্য আসার আগে অন্তু তার নীলিমা আন্টি এবং মিয়াথ আন্টির সাথে বেশ কিছুক্ষণ খেলে নিয়েছিল।  
সেইদিনের বাসায় ফেরার পর থেকেই শুরু হল একের পর এক নিষেধাজ্ঞা। পরিবার নিয়ে আমাদের ওইটায় ছিল শেষ বাইরে যাওয়া। এর পরে পরিবার নিয়ে বাইরে গিয়েছি প্রায় দুই  মাসের ও অধিক পরে। খুব আতঙ্ক আর রুদ্ধশ্বাসের ভিতর দিয়ে পার করেছি আমরা ভয়াবহ সেই দুই মাসের প্রতিটা মুহূর্ত। ২৬ শে জানুয়ারি জানতে পারলাম আমাদের শহরে ‘কোভিড-১৯’ পজেটিভ রুগি পাওয়া গেছে। বুঝতে বাকি রইল না বিপদ বেশি দূরে নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উইচ্যাট (চীনাদের ব্যবহৃত সর্বাধিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম) গ্রুপের সতর্কবার্তা আরো ভয় ধরিয়ে দিল। বারবার আমাদের জানাতে লাগলেন বাইরে না যাওয়ার জন্য এবং একসাথে বেশি বেশি করে খাবার কিনে জমিয়ে রাখার জন্য। কারন যেকোন মুহূর্তে আমাদের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে। 
তার ঠিক দুইদিন (২৮ শে জানুয়ারি) পর থেকে চলাচলের উপর খুব কড়াকড়ি শুরু হল। আমাদের কমিউনিটির গেটে বসানো হল আলাদা পোশাক পরা অনেক সিকিউরিটি গার্ড। তাদেরকে বুঝিয়ে অনুমতি নিয়ে বাইরে যাওয়াটা ছিল অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। বেশীরভাগ চীনাদের ইংরেজি বোঝানো অনেক কষ্টকর তাই নিতান্ত প্রয়োজনে পথে বের হয়ে নিরাপত্তা বাহিনীদের নিজের প্রয়োজনীয়তা না বোঝাতে পেরে অনেকবার বিমুখ হয়ে ফিরে এসেছি। তাই পরে বাইরে যাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দিই। আমাদের বাসার গ্রাউন্ড ফ্লোরে একটা সুপার সপ আছে সেখান থেকে নিত্যপ্রয়োজন মিটিয়েছি সেটাও সপ্তাহে একবার। ওই একবার গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বেশী করে কিনে জমিয়ে রাখতাম। তখন আমাদের ভিতরে খাবারের ব্যবহারেও যথেষ্ট মিতব্যায়িতার লক্ষন প্রকাশ পেত। বেশীরভাগ জিনিস অনলাইনে অর্ডার করতাম কিন্তু আগে যেটা ১/২ দিনে পৌছাত সেটা এসেছে এক সপ্তাহের বেশি সময় নিয়ে। 
অজানা ভয় পিছু ছাড়েনি। পরিবারের কেউ যদি একবার হাঁচি দিতাম তখনই হিসাব করতাম শেষ কবে আমি বাইরে গিয়েছিলাম। আঙ্গুল টিপে টিপে গুনে দেখতাম চৌদ্দ দিন পুরতে এখনো কতদিন বাকি। শুধু এটাই ভাবতাম একবার যদি আক্রান্ত হই তাহলে কি পরিস্থিতিতেই না পড়ব আমরা। না জানি এদের ভাষা না জানি কিছু। কে দেখবে বাচ্চাটার, এসব নানান চিন্তায় প্রতিটাক্ষন পার করেছি। প্রতিদিন আক্রান্ত, মৃত্যু বেড়েই চলেছিল। ভাবতাম কবে এই দুর্বিষহ জীবন থেকে পরিত্রাণ মিলবে? আবার কি আমরা আগের সেই দিনগুলি ফিরে পাব নাকি এভাবেই গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হবে মাসের পর মাস? 
কিছুদিন পর থেকে পরিস্থিতির একটু উন্নতি দেখতে পেলাম। আমি দেখেছিলাম চীন সরকারের নজর কাড়ার মত কিছু নিয়ম নীতি। যেটা ছিল নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এমনিতেই চীনারা অনেক শৃংখলিত তাতে আবার সরকারের নজরদারি। সবমিলিয়ে তাদের প্রতি স্যালুট জানানোটায় শ্রেয়। প্রশাসন প্রতিটা কমিউনিটিতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ করেছিলেন। কমিউনিটিতে বসবাসকারী সবাইকে দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ী আইডি কার্ড। আমরা যে এই কমিউনিটিতে থাকি তার প্রমান সরূপ আমাদের বাসার মালিক সেটা ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন অনেক কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রেক্ষিতে। সেটা নিয়ে মাঝেমধ্যে বাইরে বাজার করার জন্য বের হওয়ার চেষ্টা করতাম। কিন্তু কমিউনিটির গেট থেকে বের হওয়া আর ঢোকা ছিল অনেক কষ্টের। কারন নিরাপত্তা বাহিনী কে যদি আমার প্রয়োজনীয়তা সুস্পষ্ট বোঝাতে না পারতাম তাহলে তারা যেতে দিতেন না।
একদিন বের হয়ে দেখলাম পুরো রাস্তা জন মানবহীন। যে রাস্তায় মিনিটে শত শত গাড়ী চোখে পড়ে সেখানে ৫ মিনিটে ও একটি গাড়ী দেখতে পেলাম না। অল্প দূরত্ব পরপর শুধু পুলিশ আর পুলিশ। ৫ কিমি রাস্তা পার হতেই অন্তত ৫ বার গায়ের তাপমাত্রা মেপে দেখছেন তাঁরা। সব খোলা মার্কেট বন্ধ। সুপার মলে প্রবেশের সময় স্বয়ংক্রিয় থার্মাল স্ক্যানারে তাপমাত্রা মাপছে। দেখেছিলাম নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে কিছু নার্স করোনা ভাইরাসের টেস্ট কিট এবং মেডিকেল সরঞ্জামাদি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। যদি কারো শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি দেখছেন তখন সাথে সাথে নমুনা নিয়ে সেখানেই মেডিকেল টিম পরীক্ষার ব্যবস্থা করছেন। যেটা ছিল সত্যিই নজর কাড়ার মত।
করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত প্রতিদিনের খবরাখবর পেতাম মোবাইলের একটা অ্যাপের মাধ্যমে। সেখানে পয়েন্ট টু পয়েন্ট আপডেট দেওয়া হত। গত ২৪ ঘন্টায় কতজন আক্রান্ত, কতজন সুস্থ, কতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং সেটা গতকালের চেয়ে আজ কতজন বেশি বা কম। যদি দেখতাম গতকালের চেয়ে আজ একটু কমেছে তখন মনে অনেক আশার সঞ্চার হত। অনেকে দেশে যেতে বলেছিল কারন এখানকার প্রায় সব বাংলাদেশীরা এখন দেশে। কয়েকটা জিনিস ভেবে দেশে যাওয়ার কতা চিন্তা করিনি। এক. দেশে গেলেই কি বেঁচে যাব? নাকি সাথে করে দেশকে আরো বিপদে ফেলব? দুই. পরিবার নিয়ে দেশে যেতে গিয়ে যদি পথে কোন পরিবহন থেকে নিজেরা আক্রান্ত হই?
আমাদের দেশ বা পার্শ্ববর্তী অনেকে দেশের জনগণের চীন আর চীনাদের সম্পর্কে অনেক খারাপ ধারনা আছে। কিন্তু আমি বলব এদের থেকে আমাদের অনেক কিছু শিক্ষণীয় আছে। আমি যতটুকু দেখেছি এরা অনেক সাহায্য পরায়ণ এবং সুশৃংখল হয়। আমার কিছু বন্ধু আছে যারা এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁরা করোনার ভয়াবহ দিনগুলোতে আমাদের সার্বক্ষণিক খোঁজ নিয়েছেন। বারবার বলেছেন কোন সাহায্য লাগলে তাঁদেরকে যেন বিনা সঙ্কোচে জানাই। আমার পিএইচডি সুপারভাইজার সবসময় আমার সাথে দেখা করেছেন, খোঁজ খবর নিয়েছেন এবং নানাভাবে সাহায্য করেছেন। মহামারীর সময়ে আমারা বাইরে বের হতে পারিনি ঠিকই কিন্তু আমাদের ইন্টারন্যাশনাল কলেজ সার্বক্ষণিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন। তাঁরা আমাদের কমিউনিটির গেটে এসে ফ্রি তে মাস্ক, থার্মোমিটার সহ আরও কিছু দরকারি জিনিস পৌছে দিয়ে গেছেন। আমরা সুস্থ আছি সেটা প্রতিদিন উইচ্যাট গ্রুপে আপডেট দিতে হত। প্রতিদিন শরীররে তাপমাত্রা মেপে তাঁদেরকে জানাতে হত। 
আজ প্রায় পাঁচ মাস হল আমাদের প্রদেশে (ফুজিয়ান) নতুন কারো করোনা আক্রান্তর খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু আজ ও এনারা হাল ছাড়েননি। আমরা প্রতিদিন গ্রুপে আপডেট দিচ্ছি, বাইরে গেলেও কতটুকু সময় কোথায় কি কাজে গিয়েছিলাম সেটা জানাচ্ছি। সুপার মার্কেট গুলো এখনো তাপমাত্রা দেখেই প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে। এখনো পর্যন্ত কোন পাব্লিক প্লেসে মাস্ক ছাড়া কর্তৃপক্ষ যেতে দেয়না। মাস্ক আনতে ভুলে গেলে বা না থাকলে সেখানেই কেনার ব্যবস্থা আছে। বাস, ট্রেন, মেট্রোরেল, সুপার মল, পার্ক সব ভ্রমণে মাস্ক পরা ব্যতীত কাউকে প্রবেশের অনুমতি নেই। সম্প্রতি চীনের রাজধানী বেইজিং সহ কিছু প্রদেশে বিদেশ থেকে আসা কিছু ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষায় উপসর্গ বিহীন কিছু করোনা ভাইরাস পজেটিভের খবর পাওয়া গেছে। তখনই কর্তৃপক্ষ তড়িৎ গতিতে সেসব ব্যক্তিকে আইসোলেশন করা সহ তার মোবাইল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে ঐ ব্যক্তির উপস্থিতির সর্বত্র এলাকা জীবাণুনাশক স্প্রে, তার সংস্পর্শে আসা বাকী অন্য সবার নমুনা পরীক্ষা সহ এটা নিয়ন্ত্রণে যত পদক্ষেপ নেওয়ার আছে কর্তৃপক্ষ নিয়েছেন। ফলে ভাইরাস আর বিস্তার লাভ করতে পারিনি। ভাইরাসের উৎসস্থল চীনে হলেও চীনারা ভাইরাস মোকাবেলায় সবচেয়ে সফলতা দেখিয়েছেন। তাঁরা বুঝেছিলেন প্রতিরোধ বা ভাইরাসের বিস্তার রোধ ছাড়া এটা থেকে পরিত্রান মিলানো খুবই কষ্টকর সেজন্য তার ফল ও তাঁরা হাতেনাতে পেয়েছেন। 
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় সবখানেই এই ভাইরাসের রাজত্ব ছড়িয়ে গেছে। যে দেশ এটাকে হাল্কা ভাবে নিয়েছে সে দেশই দিয়েছে অনেক বড় ভুলের খেসারত। বন্ধুপ্রতিম পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতই তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের স্বদিচ্ছা সবচেয়ে বেশী দরকার। করোনা ভাইরাসকে সমূলে নির্মূল করতে জনসচেতনতার কোন জুড়ি নেই। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু করলে এটা থেকে পরিত্রান মিলবে, না হলে আগামী কিছুদিনের ভিতর শীত শুরু হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সহ বিশেষজ্ঞরা সবাই আশংকা করছেন শীতে আবার ভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে পারে। 
এখনকার হিসাব অনুযায়ী দেশে প্রতিদিন হাজারের উপরে ব্যক্তি সনাক্ত হচ্ছে। পুরো দেশে এখন এটা ছড়িয়ে গেছে। জনগণের কাছে অনুরোধ একটু ভেবে দেখবেন, সতর্কতা অবলম্বন করেও একজন থেকে কয়েক কোটি হতে সময় লাগেনি আর এক হাজার থেকে পুরো বাংলাদেশ হতে কয়েকদিনের ব্যাপার মাত্র। পত্রিকাতে দেখেছি চীনের উহান শহর অবরুদ্ধ করতে সেখানকার মেয়র নাকি আট ঘন্টা অপেক্ষা করেছিলেন আর সেই আট ঘন্টায় পুরো চীন সহ বিশ্বের কয়েকটা দেশে এটা ছড়িয়ে পড়েছিল। 
আমরা স্বপ্ন দেখি করোনা মুক্ত সুস্থ সবল সুন্দর পৃথিবীর। যেখানে থাকবেনা কোন আতঙ্ক, কোন অনিশ্চয়তা, আর মানুষের বেঁচে থাকার আকুতি। থাকবে শুধু বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার স্বাধীনতা, বাঁচার স্বাধীনতা। ফিরে যাব আগের সেই সুন্দর দিনগুলোতে। যে দিন বেশী দূরে নয়। সবাই সেই আশায় বুক বেঁধে, নিজের অবস্থান হতে সচেতন হয়ে এই আশাটুকু করতেই পারি।  
 
লেখকঃ অজয় কান্তি মন্ডল
গবেষক
ফুজিয়ান এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্ট্রি ইউনিভার্সিটি 
ফুজো, ফুজিয়ান, চায়না।
ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ 
ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫, বাংলাদেশ।  

নওগাঁর আত্রাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে ডিএসকে ক্রিড়া ও সংস্কৃতি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ

 নওগাঁর আত্রাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে ডিএসকে ক্রিড়া ও সংস্কৃতি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ


মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁ  আত্রায়ের দীঘা-শুটকিগাছা-কাশোপাড়ায় বন্যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়, দিনমজুর, খেটে-খাওয়া ও হতদরিদ্রদের মাঝে এান সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। ডিএসকে সংগঠনটির নিজস্ব অফিস চত্বরে  ২০০ পরিবারের মাঝে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল,৫০০ গ্রাম মুড়ি,৫০০ গ্রাম সয়াবিন তৈল, এস, এম,সি ওরস্যালাইন নাপা টাবলেট   বিতরণ করেন । গতকাল রবিবার শুটকিগাছা বাজারের ডিএসকে ক্লাব প্রাঙ্গনে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সানরাইজ গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লি: এন্ড সানরাইজ ইউনিভার্সাল প্রাইভেট লি: এর মালিক ওহিদুর রহমান রহিতের অর্থায়নে ও ডিএসকে ক্লাবের আয়োজনে এই এান সামগ্রীগুলো বিতরন করা হয়। এ সময় ডিএসকে ক্লাবের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা, সাধারন সম্পাদক রবিউল ইসলাম চঞ্চল, মোঃ নান্টু রহমান, মোস্তাক আহম্মেদ ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন । এলাকার ২ শত পরিবারের মাঝে এই সামগ্রীগুলো বিতরন করা হয়। আয়োজক রবিউল ইসলাম চঞ্চল জানান রহিত এইয় এলাকারি কৃতিসন্তান। তিনি সিঙ্গাপুরে অবস্থান করেও এলাকার অসহায়, হতদরিদ্র,  দিনমজুর, খেটে-খাওয়া ও হতদরিদ্রদের সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন। বর্তমানে সারাবিশ্ব করোনা ভাইরাসের মরণ থাবায় স্থবির হয়ে পড়েছে এ সময় আবার বন্যা এমন সংকটময় সময়ে রহিত তার এলাকার কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের বণ্যাতদের সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে এই সামগ্রীগুলো বিতরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাই আমরা স্থানীয়রা তারই অর্থায়নে এই এান সামগ্রীগুলো বিতরন করছি। রহিতের পক্ষ থেকে আগামীতেও এই সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আমাদের কে জানান।

প্রতারণা মমলায় মুক্তাগাছার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জেলহাজতে

 প্রতারণা মমলায় মুক্তাগাছার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জেলহাজতে


মাফিন হাসান,ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃমুক্তাগাছা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পীকে চেক প্রতারণা মামলায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। 


আজ রোববার ময়মনসিংহ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 


জানা যায়, দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মুক্তাগাছা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।  ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন ২০১৪ সালে উপজেলার সৈয়দগ্রাম গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের পুত্র রফিকুল ইসলামের (৫৪) কাছ থেকে তার পুত্র সুজন মিয়াকে রাজউকে নিরাপত্তা প্রহরীর চাকরি দেয়ার কথা বলে সাত লাখ টাকা সাবস্থ্য করে তিন লাখ টাকা নেন। 


পরবর্তীতে চাকরি না দিয়ে টালবাহানা করতে থাকেন বাপ্পী। এ বিষয়ে একাধিকবার শালিসও হয়। শালিসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৫/১০/২০১৯ তারিখ বাদী রফিকুলকে দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পি অগ্রণী ব্যাংক মুক্তাগাছা শাখায় তার নিজ নামের সঞ্চয় হিসাব নং- ০২০০০০৪৪৭৭০৫৬ এর অনুকূলে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন। 


উক্ত চেক নিয়ে ব্যাংকে গেলে ব্যাংক হিসাবে কোনো টাকা না থাকায় চেক ডিজওনার হয়। পরবর্তীতে রফিকুল দেবাশীষের কাছে টাকা চাইলে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্নভাবে  হুমকি-ধামকি অব্যাহত রাখে। 


অবশেষে গত শনিবার রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পিকে একমাত্র আসামি করে মুক্তাগাছা থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আজ রোববার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 


উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয়সূত্র পালাবদল ডটনেটকে জানান, বিগত পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেয়ায় দেবাশীষ ঘোষ বাপ্পিকে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

শিক্ষকদের ভাবনায় জবি শিক্ষার্থীরা

 শিক্ষকদের ভাবনায় জবি শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্কঃ  শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষকরা হচ্ছেন সেই মেরুদণ্ড তৈরির কারিগর। জাতির চালিকা শক্তি ঠিক রাখার জন্য শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। একজন শিক্ষার্থীকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে একজন শিক্ষক মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকেন। ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিসরূপ প্রতিবছর এই দিনটিকে পালন করা হয় 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' হিসেবে। পৃথিবীর সকল দেশের শিক্ষকসমাজের নিকট এই দিনটি অত্যন্ত গৌরব ও মর্যাদার।

১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কোর ২৬ তম অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ৫ অক্টোবরকে 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। তারপর থেকেই শিক্ষকদের অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কিত সাফল্যকে সমুন্নত রাখা এবং সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫ অক্টোবর কে 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভাবনা তুলে ধরেছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিথিলা দেবনাথ ঝিলিক।

শিক্ষা শিক্ষা শিক্ষা চাই,শিক্ষা ছাড়া উপায় নাই।

শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালো। শিক্ষা ও শিক্ষক শব্দ দুটি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। বলা হয়ে থাকে, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এই মেরুদণ্ড গঠনের কারিগরই হলেন শিক্ষক। আর শিক্ষকদের সম্মানার্থে যেই দিবস পালিত হয় তাই শিক্ষক দিবস। শিক্ষক শুধুমাত্র ছাত্রদের পড়াশোনায় সাহায্য করেন না, বরং শিক্ষার্থীদের সৎচরিত্র গঠন করে তাদেরকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে উঠতে এবং তাদের লক্ষে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। একজন মানব শিশুকে জন্ম দেন তার পিতামাতা। আর সেই সন্তানকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন শিক্ষক। এজন্যই বলা হয়ে থাকে শিক্ষক জাতি গঠনের কারিগর। শিক্ষককে বলা হয় মানসপিতা। জন্মিলেই কেউ মানুষ নয়। মানুষ হতে হলে তাকে মনুষ্যত্ব অর্জন করতে হয়। একজন শিক্ষকই পারেন একটি জাতিকে উন্নতির সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে দিতে। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়,বাস্তবিক শিক্ষা দানের মাধ্যমে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। আজকের এই শিক্ষক দিবসে জাতি গঠনের কারিগর শিক্ষকদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা, সম্মান ও সালাম।

রুপা আক্তার

 

বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষকদের সম্মানার্থে পালিত একটি দিন যা বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পালিত হয়ে থাকে। শিক্ষক দিবস একজন শিক্ষকের জন্য অহংকার ও গৌরবের বিষয়। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। এই শিক্ষার মেরুদণ্ড হলেন আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক।শিক্ষক আমাদের আলোকবর্তিকাবাহী ও আমাদের ভবিষ্যৎ জাতির রুপকার। একজন শিক্ষক হলেন জাতির মূলচালিকা শক্তির পরিচালক। তিনি তার শিক্ষার্থীদের শুধু শিক্ষা দেন না, তিনি তার শিক্ষার্থীদের দেন নৈতিক শিক্ষা,অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা। মা-বাবা তার সন্তানদের মায়া-মমতা, স্নেহ-ভালোবাসা, দিয়ে বড় করে তোলেন কিন্তু একজন শিক্ষক তার শ্রম ও শিক্ষার আলো দিয়ে নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে তার শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমী, সৎ ও সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তোলেন। একজন শিক্ষক শুধু শিক্ষক নন৷ তিনি আমাদের বন্ধু, পথপ্রদর্শক ও একজন দার্শনিক ও বটে। একসময় আমরা আমাদের শিক্ষকদের শিক্ষক দিবসে গ্রেটিংস কার্ড, উপহার, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতাম। কিন্তু বর্তমান এই ডিজিটাল যুগে আমরা অধিকাংশই শিক্ষকদের সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকি। শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

আফসানা নওশিন দীপ্তি

 

'শিক্ষা' শব্দটি আমাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে ওতোপ্রোতো ভাবে। আর যারা আমাদের শিক্ষা  প্রদান করেন তারাই আমাদের শিক্ষক বা পথপ্রদর্শক। আমাদের প্রথম বর্ণমালা শিখা থেকে শুরু থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে থাকি শিক্ষকদের থেকে। বইয়ের বাহিরের ছাড়াও তারা আমাদের শেখায় একজন ভালো মানুষ হতে, ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য। আমাদের সেই পথপ্রদর্শকদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের স্বীকৃতিস্বরূপ পালিত হয় শিক্ষক দিবস। আমাদেরকে আর্দশ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার মহান কারিগরদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা এবং সালাম। শিক্ষা জীবনের সকল স্তরের শিক্ষকরা যেন তাঁদের প্রাপ্য মর্যাদা এবং সম্মান পায়, এই প্রত্যাশা করি। 

ছোঁয়া তালুকদার


শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয় তবে শিক্ষকরা সেই মেরুদণ্ড তৈরির শ্রম শিল্পী। গোটা মানুষ্য সমাজের মধ্যে নৈতিকতার বিচারে শিক্ষক  একটি মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। শিক্ষক তাঁর সুচিন্তিত জ্ঞানের মাধ্যমে অপশিক্ষা, কুশিক্ষা, অন্ধত্ববাদ থেকে বের করে এনে জাতিকে আলোর পথ দেখায়। বিশ্বকে নতুনভাবে চিনতে শেখায়। একটি শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে যেমন স্নেহ-ভালোবাসা পেয়ে বড় হয়, তেমনি শিশুর ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে পৌঁছাতে শিক্ষকেরা আলোর দিশারি হয়ে কাজ করেন। দক্ষ কাঠমিস্ত্রি ব্যাতিত যেমন একটি ঘর তৈরি করা যায়না, তেমনি দক্ষ শিক্ষক ছাড়া একটি দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে  তুলা যায়না। জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল তত্ব আবিষ্কারের পিছনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দান করেন একমাত্র শিক্ষক। তাঁদের স্নেহ-ভালোবাসা, শাসনের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী প্রকৃত,  সৎ, সাহসী ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে, বিশ্বের সকল শিক্ষকের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। 

ইশরাত জাহান

 

আরো পড়ুনঃ  জবি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিমার আওতায় চান শিক্ষক-ছাত্রনেতারা