প্রকল্পগুলোতেও মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারার কারণ অনুসন্ধান

 প্রকল্পগুলোতেও মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারার কারণ অনুসন্ধান


নিউজ ডেস্ক    ছোট প্রকল্পগুলোতেও মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারার কারণ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সংশোধনের জন্য উপস্থাপিত একটি প্রকল্প নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন বলে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক শামসুল আলম জানান।গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠকে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাধারণত পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান একনেক সভার পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ায় পরিকল্পনা সচিব মো. আসাদুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে আসতেন। তিনিও অসুস্থ হওয়ায় মঙ্গলবার ব্রিফিংয়ে আসেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।তিনি বলেন, ‘কৃষি তথ্য সার্ভিস আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ শক্তিশালীকরণ’ প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি করে সংশোধনের জন্য এদিন একটি প্রস্তাব বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

“এর ওপর আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, সব প্রকল্পে দেরি হচ্ছে কেন?”

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্প ২০২০ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তখন প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা।এখন নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পটি শেষ করতে না পারায় ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয় বাড়িয়ে ১০৯ কোটি ৯০ লাখ টাকার সংশোধিত প্রস্তাব একনেকে তোলা হয়।বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শামসুল আলম বলেন, “প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনার সময় সরাসরি প্রকল্প পরিচালকের কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন- প্রকল্প শেষ করতে না পারার কারণ কী?”

কিন্তু প্রকল্প পরিচালক বৈঠকে উপস্থিত না থাকায় অন্য কেউ আর বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীরর প্রশ্নের উত্তর দেননি।

“তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেন। সব প্রকল্পে দেরি হওয়ার কারণ কী। এটা একটা ছোট টাকার প্রকল্প। এইটাতো এতদিন লাগার কথা না।’“প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘প্রকল্পতো শেষ হওয়ার পথে, সময় আরও দুই বছর বাড়াচ্ছেন কেন? ৬৮ কোটি টাকাকে ১০৯ কোটি টাকা করা হচ্ছে সময় বাড়ানোর জন্য’।”শামসুল আলম জানান, প্রকল্প পরিচালককে ডেকে ওই প্রস্তাব পর্যালোচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।“তিনি বলেন, ‘সকল প্রকল্প যেন যথাসময়ে শেষ হয় সেই ব্যবস্থা নিন। এবং কেন দেরি হচ্ছে, সেই কারণ অনুসন্ধান করুন।”বৈঠকে সংশোধনের জন্য তোলা ‘চরখালী-তুষখালী-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা সড়ক উন্নয়ন ও প্রশস্তকরণ’ প্রকল্প নিয়েও প্রধানমন্ত্রী ‘অসন্তোষ’ প্রকাশ করেছেন বলে জানান শামসুল আলম।

২০১৭ সালে পিরোজপুর জেলার ভা ারিয়া ও মঠবাড়িয়া উপজেলা এবং বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার সড়ক প্রশস্ত করতে ১০৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল।


এখন প্রকল্পের ব্যয় ১৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকায় উন্নীত করে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।ড. আলম বলেন, “প্রকল্পটি সংশোধনের জন্য উপস্থাপনের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘২০১৭ সালে এক বছরের জন্য এই প্রকল্প নিলেন। এই প্রকল্পতো এতদিন লাগা উচিত হয়নি।’

“স্যার (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, ‘এটাতো পুরনো সড়ক ছিল। চাইলেইতো এটা আপনারা করে ফেলতে পারতেন। এতদিন সময় কেন লাগল? আবার রিভাইজ (সংশোধন), আবার টাকা বাড়ানোৃ এগুলো বন্ধ করেন। এ ধরনের যে খাত, এটা আপনারা বন্ধ করেন। প্রকল্পের জন্য যে সময় নেবেন, সে সময় শেষ করা উচিত। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে নিয়ে আসেন আর ব্যয় বাড়িয়ে নিয়ে আসেন, এটা আর হতে পারে না’।”এরপর আর এ ধরনের প্রকল্পের মেয়াদ এভাবে বাড়ানো হবে না বলেও বৈঠকে জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।“যখন যে প্রকল্প নেওয়া হবে, সেই মেয়াদের মধ্যেই প্রকল্প শেষ করতে হবে, এটা তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বেশ জোরের সঙ্গেই বলেছেন,” বলেন ড. আলম।

লালমনিরহাট সদর, ঢেপঢেপীরহাটে ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

লালমনিরহাট সদর, ঢেপঢেপীরহাটে ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

মোঃ রশিদুল ইসলাম রিপন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃআজ (৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ ঘটিকায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কেডি বুড়িকুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কিশাসত ঢঢ গাছ ঢেপঢেপীরহাট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২০ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এই খেলায় সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায়ি জনাব মোঃ  আমিনুল ইসলাম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সাখওয়াত হোসেন সুমন খান, আমন্ত্রীত্ব অতিথি ছিলেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদের সদস্য তাহমিদুল ইসলাম বিপ্লব, বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজ সেবক ওবাইদুল হক, সমাজ সেবক রশিদুল হক, সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হেলাল হোসেন কবির, কাশিপুর দ্বীমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমন সওদাগর, ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের ব্রাদাস ফরিদুল ইসলাম, স্বাধীন ডেকোরেটরের প্রোঃ নূরনবী,আ’লীগ নেতা এমতাদুল পাটোয়ারী, ব্যবসায়ী গণেশ চন্দ্র সরকার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি পুনিল চন্দ্র রায়, লালমনিরহাট সদর ছাত্রলীগের সভাপতি এনামুল হক, মহেন্দ্রনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাকিল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম বাবু, ৫ নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি রমেশ চন্দ্র বর্মন,পল্লী চিকিৎসক মিন্টু, সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন রুবেল ইসলাম ও হামিদুর রহমান।

এই ফুটবল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয় নূরানী বাজার স্পোর্টিং ক্লাব এবং রানার্সআপ হয় ঢেপঢেপীরহাট স্পোর্টিং ক্লাব।

মানবতার প্রতিধ্বনি "স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ২ টাকায় কম্বল

মানবতার প্রতিধ্বনি "স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ২ টাকায় কম্বল


মোঃ লাতিফুল আজম,নীলফামারী প্রতিনিধি:

 মানবতার জয় হোক 
                     হাত রেখে হাত
শীতার্তরা উষ্ণ থাকুক 
                      প্রতিটা রাত। 
এই নৈতিক শ্লোগানে মানবতার প্রতিধ্বনি নামে এক দোকানের উদ্বোধন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর)  নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার শিশু নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজে এ দোকানের শুভ উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোকসানা বেগম। শিশু নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে মানবতার প্রতিধ্বনি স্বেচ্ছাসেবী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান পিয়াল এসময় সেখানে উপস্থিত থেকে সাংবাদিদের বলেন, প্রথমে আমরা কয়েকজন ফেসবুক গ্রুপ পেজের মাধ্যমে নিজেরাই  প্রতিদিনের পরিশ্রমের ২ টাকা করে জমানো অর্থ দিয়ে মানবতার প্রতিধ্বনি  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করি । পরবর্তীতে  অনেক সমাজসেবা মুলক কাজ আমরা করি। ২০১৭ সালে এটি প্রথমে  কিশোরগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত করি। এখন ১৪ টি শাখায় প্রায় ৪'শর অধিক সদস্য রয়েছে। সকল সদস্যরা প্রতিদিনের ২ টাকা করে জমানো অর্থ দিয়ে,"২টাকার বিনিময়ে উষ্ণতার ছোঁয়া" অর্থাৎ অসহায় পথশিশুরা ২টাকা দিয়ে মানবতার প্রতিধ্বনির দোকান থেকে কম্বল কিনে তাদের শীত নিবারণ করবে।
তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে রংপুর সদর উপজেলা শাখা ও সৈয়দপুর উপজেলা শাখার মাধ্যমে প্রায় ৪৫০ জনের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন করেছে আজ কেন্দ্রীয় শাখা কিশোরগঞ্জ এ হল,এর পর ধাপে ধাপে কিশোরগঞ্জ এর প্রতিটি ইউনিয়নে এই দোকান তৈরি করে ২টাকার বিনিময়ে কম্বল প্রদান করা হবে।"সেই সাথে শীতের ইভেন্ট শেষ হলে দ্রুত সকল শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রদান করা হবে। 
সকলের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

গুলবাগপুর গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির আলোচনা সভা

 গুলবাগপুর গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির আলোচনা সভা


 গুলবাগপুর গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির আলোচনা সভা
স্টাফ রিপোর্টারঃ গুলবাগপুর গ্রাম সামাজিক শক্তি কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। আজ ৮ ই ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৪ টার সময় যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গুলবাগপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়ার আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম ( মাস্টার) এর দহলিজে অনুষ্ঠিত হয় এ-ই আলোচনা সভা।


উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য সাবেক ইউপি সদস্য সামসুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছুটিপুর ব্র্যাক ইউ. পি. জি কর্মসূচীর শাখা ব্যবস্থাপক মোক্তার আলী,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম ।উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন  কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক মহসীন আলী, সহ সভাপতি তাছলিমা বেগম, সদস্য সামসুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছুটিপুর ব্র্যাক ইউ. পি. জি কর্মসূচীর সংগঠক মাসুদুর রহমান, আলিফুল ইসলাম, সহ উপকার ভোগী  সদস্য বৃন্দ। অনুষ্ঠানে গ্রামের সার্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সবার মাঝে মিষ্টান্ন বিতরণ করা হয়।

লোহাগড়ায় মর্ডান আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় শিক্ষার্থী ছেলে, মেয়ে আটক

লোহাগড়ায় মর্ডান আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকায় শিক্ষার্থী ছেলে, মেয়ে আটক

মো: আজিজুর বিশ্বাস, ষ্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মর্ডান আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে এক স্কুলছাত্রীসহ কলেজ ছাত্রকে আটক করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সাড়ে ১২ দিকে মর্ডান আবাসিক হোটেলের রুম থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের মাধবহাটি গ্রামের সৈয়দ ইলু মিয়ার ছেলে আরিফুজ্জামান এবং নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের দেবী গ্রামের  মেয়ে খানম। খানম বলেন, আরিফুজ্জামানের সাথে তার দুই মাসের প্রেম।

আজ সে স্কুলের রেজিস্ট্রেশন এর কাজের জন্য বাড়ি থেকে আসার পর আরিফুজ্জামান ঘোরার কথা বলে মডার্ন আবাসিকে নিয়ে আসে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, আসামিদের টু নাইনটি মামলায় জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা ৪৩তম বিসিএসে অংশ নিতে পারবেন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা ৪৩তম বিসিএসে অংশ নিতে পারবেন

 

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা অ্যাপিয়ার্ড হিসেবে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের অনার্স শেষ বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় যেসব পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন কিন্তু এখনো করোনা মহামারীর কারণে সব পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হয়নি, সেসব পরীক্ষার্থীরা অ্যাপিয়ার্ড হিসেবে ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  তবে যেসকল শিক্ষার্থীরা অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষায় অংশ নিলেও ১ম বর্ষ, ২য় বর্ষ, তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় এক বা একাধিক কোর্সে অকৃতকার্য হয়েছেন।  এখনো উত্তীর্ণ হননি, তারা এই সুযোগের বাইরে থাকবেন। 

এছাড়া প্রফেশনাল কোর্স (বিবিএ, সিইসি, বিএড অনার্স এবং ইসিই) এ যেসব শিক্ষার্থীরা ১ম সেমিস্টার থেকে ৭ম সেমিস্টারের সকল কোর্সে উত্তীর্ণ হয়ে ৮ম সেমিস্টারের চূড়ান্তপরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন কেবল তারাই ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।


তথ্যসূত্রঃ জাবি নোটিশ বোর্ড।

নড়াইলে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা হত্যা মামলার প্রতিবাদে লোহাগড়া ও নড়াইলে মানববন্ধন

 নড়াইলে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা হত্যা মামলার প্রতিবাদে লোহাগড়া ও নড়াইলে মানববন্ধন

মো: আজিজুর বিশ্বাস ষ্টাফ রিপোর্টার নড়াইলঃ নড়াইল জেলার সাংবাদিকদের আয়োজনে সাংবাদিক শাহজাহান খান শাজুর নামে ষড়যন্ত্র মুলক মিথ্যা হত্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়।

লোহাগড়া উপজেলার সামনে ও নড়াইল আদালত চত্ত্বরে ৮ই ডিসেম্বার মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় ও ১০টায় এ মানব বন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

 এ সময় বক্তব্য রাখেন সময় টিভির প্রতিনিধি খায়রুল আরেফিন রানা, আর টিভির কামাল, বিজয় টিভির প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জামি,এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি রিন্টু, চ্যানেল এস জেলা প্রতিনিধি ওবায়দুর রহমান, মাইটিভির প্রতিনিধি খাইরুল ইসলাম. প্রথম আলোর প্রতিনিধি মারুফ ছামদানি, দুই বাংলা ডটকমের সম্পাদক সৈয়দ খাইরুল, যুগান্তরের প্রতিনিধি বিপ্লব রহমান, সহ আইনজিবি ও সাধারন জনগন এ মানব বন্ধনে অংশ নেন।                               

 সকলের বক্তব্যে মানব জমিন ও গ্রামের কাগজের  সাংবাদিক শাহাজান খান সাজুর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানি মুলক হত্যা মামলা থেকে অব্যহতি দাবি জানান।          সব শেষে শাজুর মুক্তির দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় শ্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

ভাস্কর্য বিতর্ক নিয়ে আমার কিছু কথা

ভাস্কর্য বিতর্ক নিয়ে আমার কিছু কথা

ডেস্ক নিউজ:- বর্তমানে দেশে ভাস্কর্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে ।দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ এবং ইসলামী ভিত্তিক দল গুলো প্রতিনিয়ত পাল্টা পাস্টি কর্মসূচি করছে।এরি মধ্যে কুষ্টিয়া বঙ্গবন্ধুর নব নির্মিত ভাস্কর্য ভাঙচুর এবং  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভাস্কর্য ভাঙচুর এর ঘটনা ঘটেছে আবার এদিকে হেফাজতের আমির বাবু নগরী এবং যুগ্ম-সম্পাদক মামুনুল ও আরাকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমির ফজলুল করীম এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দৌহিত্রার মামলা হয়েছে।

এই নিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতার নানা মন্তব্য করছে পাশাপাশি আলেম ওলামারাও নানা রকমের আলোচনা সমালোচনা করছে ।

এই নিয়ে আজ বিকালে  বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, মোহনপুর উপজেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক এবং সাংবাদিক ব্যাক্তিত্ব মো আনাস মোল্লা তার নিজস্ব ফেসবুক প্রোফাইল একটি পোস্ট করেছেন। তিনি তার পোস্টে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছে। তার আলোচনার বিষয় ছিলো " ভাস্কর্য বিতর্ক নিয়ে আমার কিছু কথা।

নিচে পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার পোস্টটি সরাসরি তুলে ধরা হলো :-

দেশের যা অবস্থা দেখছি তাতে না লিখে পারলাম না।

আমি প্রথমেই প্রশ্ন রাখতে চাই আমেল ওলামাদের কাছে :- বাংলাদেশ কি সংবিধান অনুযায়ী ইসলামী শরিয়ার দেশ ? 

দ্বিতীয় প্রশ্ন রাখতে চাই কিছু বুদ্ধিজীবীদের কাছে :- ইসলাম মানে কি সৌদী আরব , ইরাক , ইরান বা তুরস্ক , পাকিস্তান?


             এবার আসি মূল আলোচনায় :- 


আপনারা আলেম ওলামারা বলছেন যে  ভাস্কর্য/মূর্তি/প্রতিমা তৈরী করা ইসলাম অবৈধ এবং হারাম। আরো বলছেন এটা পবিত্র কোরআন বা হাদিসে আছে , এটা আমি মানি এবং আমি আপনাদের যুক্তির সাথে একমত যে এই কথাটা পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আছে তবে আমি বলতে চাই বাংলাদেশে কি কোরআন এবং হাদিসের আইন বা ইসলামী শরীয়া আইন দ্বারা চলে ? 


প্রশ্নটির উত্তর হলো না।কারণ আমাদের দেশ চলে সংবিধান ও পেনাল কোডের মাধ্যমে। যেখানে মূর্তি বা ভাস্কর্য কোনোটা তৈরি করতে কোন বাঁধা নেই।


বাংলাদেশ যদি ইসলামী শরিয়ার আইন দ্বারা চলতো তবে তাহলে চুরি করলে হাত কাটা হতো, মদ খেলে দোর্রা মারা হতো ইত্যাদি আইন কোরআনে আলোকে হতো।


তবে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ধর্ম যেহেতু ইসলাম এবং এই দেশের ৮৮.২%  মানুষ মুসলিম তাই আপনারা আলেম ওলামারা এই ভাস্কর্যের বিষয় টা নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় বা সরকারের সাথে শান্তিপূর্ণ আলোচনা করতে পারতেন কিন্তু আপনার তা না করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছেন, সরকার বিরোধী আন্দোলন করছেন এবং সরকার পতনের চেষ্টা করছেন ধর্ম কে পূজী করে !!!!


এটা কখনোয় মনে নেওয়ার মতো না ....!!!!


আপনারা কেনো বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতার ভাস্কর্য ভাঙ্গতে গেলেন ? যার জন্য এই দেশ স্বাধীন হয়েছে তার সম্মানে আপনার কেনো আঘাত করলেন ? এটি কি আপনাদের ভুল ছিলো না ?


আমি আলেম ওলামারাদের পরামর্শ দিতে চাই আপনারা আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা হতে বেরিয়ে আসুন এবং ভাস্কর্য ইস্যু নিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় এর সাথে আলোচনা করুন।


আর আমি সেই সকল বৃদ্ধিজীবি দের বলতে চাই :- ইসলাম কে কোন দেশ , জাতী বা রাষ্ট্রের সাথে তুলনা করবেন না কারণ ইসলাম মানে হলো পবিত্র কোরআন এবং হাদিস।

পরিশেষে বলতে চাই :- এই বিষয় টা নিয়ে নোংরা রাজনীতি না করে  সরকারের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করুন এর সমাধান আসবেই ইনশাআল্লাহ ।


মনে রাখবেন একটি কথা বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। তাই তার অস্তিত্ব বা সম্মানে আঘাত করলে তা কখনো মনে নেবে না এই দেশের জনগণ। তারপরও যদি আপনার ভুল করতে চান তাহলে আপনার রাজপথে প্রতিহত করা হবে। আপনাদের প্রতিহত করতে ছাত্রলীগ একাই যথেষ্ট বলে মনে করি।


মো আনাস মোল্লা 

সাধারণ সম্পাদক

বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, মোহনপুর উপজেলা শাখা।


তথ্যসূত্র:- উইকিপিডিয়া , বাংলাদেশের সংবিধান, বিভিন্ন গনমাধ্যম এবং ইসলামী স্কলারদের বিভিন্ন বক্তব্য।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় র‍্যালি মাস্ক বিতরণ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় র‍্যালি মাস্ক বিতরণ

এনামুল হক, ময়মনসিংহঃ  আজ সকালে (৮ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ চত্বর করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় যুগান্তর স্বজন সমাবেশ ও পাওয়ার আইটি অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে জনসচেতনতায় র‌্যালি ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেন।

উক্ত র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ,ত্রিশাল বার্তা সম্পাদক শামীম আজাদ আনোয়ার, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি পাওয়ার আইটি অর্গানাইজেশানের চেয়ারম্যান খোরশিদুল আলম মজিব, ত্রিশাল নিউজ ক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম,

ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মনিরুল হক খান, ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জুর রহমান ফরহাদ, আমার সংবাদ পত্রিকার ত্রিশাল উপজেলা প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ প্রমুখ। 

নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্মপ্রকাশ; সভাপতি জসিম, সেক্রেটারি জয়

নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্মপ্রকাশ; সভাপতি জসিম, সেক্রেটারি জয়


নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্মপ্রকাশ; সভাপতি জসিম, সেক্রেটারি জয়

এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নবীনগর থানা প্রেসক্লাব নামে নতুন একটি সাংবাদিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৮/১২) দুপুরে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে নতুন এই সাংবাদিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়।

"আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী" এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে এক ঝাকঁ তরুণ মেধাবী বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকের সমন্বয়ে নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্মপ্রকাশ হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাসদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম, নবীনগর লেখক ফোরাম সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তি, মাদকমুক্ত নবীনগর চাই  সংগঠনের সভাপতি আবু কাউছার, নবীনগর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি আব্বাস উদ্দিন হেলাল, নবীনগর উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি রেজাউল করিম সবুজ সহ আরো অনেকে।

নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্নপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের সিদ্ধান্তক্রমে দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি এমকে জসিম উদ্দিন কে সভাপতি, দৈনিক প্রতিদিনের খবর পত্রিকার প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ জয়কে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়। 

এছাড়াও কমিটির অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দরা হলেন সহ সভাপতি পরে ডেইলী মর্নিং অবজারবার পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ মাহফুজ ও দৈনিক আমার কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি হেয়াদেত উল্লাহ ও দৈনিক অন্য দিগন্ত পত্রিকার প্রতিনিধি বিল্পব নিয়োগী তন্ময়। যুগ্ন সাধারণ সাম্পাদক পদে দৈনিক বার্তা বাজার ও জাগরণ পত্রিকার প্রতিনিধি আক্তারুজ্জামান ও ডেইলী অবজারভার পত্রিকার প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন। সাংগঠনিক সাম্পাদক পদে দৈনিক জবাবদিহি পত্রিকার প্রতিনিধি কাউছার আলম ও দৈনিক আমার বার্তা পত্রিকার প্রতিনিধি আবুল হাসান জাহিদ। অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক মাতৃভূমির খবর পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ কামরুজ্জামান, প্রচার সম্পাদক পদে দৈনিক আমার সংগ্রাম পত্রিকার প্রতিনিধি জাবেদ আহম্মেদ জীবন, সহ প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে দৈনিক সবার খবর পত্রিকার প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, আপ্যায়ন ও বিনোদন সম্পাদক পদে দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার প্রতিনিধি মাসুম মির্জা, তথ্য ও প্রযুক্তি সাম্পাদক পদে দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ পত্রিকার প্রতিনিধি সোহেল মিয়া, ক্রীয়া ও সাংস্কৃতিক সাম্পাদক পদে দৈনিক আলোকিত দেশ পত্রিকার প্রতিনিধি মমিনুল হক রুবেল সহ অন্যান্য পত্রিকার প্রতিনিধি ৫ জনকে কার্যকরী সদস্য ও ৪ জনকে সদস্য পদে নির্বাচিত করে আগামী ২ বছরের জন্য ২৪ সদস্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবীনগর থানা প্রেস ক্লাবের আত্নপ্রকাশ ও কমিটি ঘোষণার পর নবনির্বাচিত কমিটিকে উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনূর রশিদ সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পটিয়ায় মৃত্যুর দাবি নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান

পটিয়ায় মৃত্যুর  দাবি নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান

সেলিম  চৌধুরী  স্টাফ  রিপোর্টারঃ-- চট্টগ্রামে পটিয়া অটো, টেম্পো, টেক্সি, সিএনজি, রাভী, টাটা, এইচ, মাহিন্দ্র পরিবহন শ্রমিক কল্যাণ সমবায় সমিতির রেজিঃ নং ৭৩৫০/৩১০ এর  উদ্যেগে ৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার   সকালে সংগঠনের কার্যলয়ে  সমিতির ৩৫২ কার্ড সদস্য এবং ধলঘাট রোড়ে চালক ও সমুরা গ্রামের নিবাসী  মোঃ আবুল হোসেন এর অকাল মৃত্যুতে তার নমিনীর মৃত্যুর দাবি তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম এর  হাতে নগদ ২৫ হাজার  টাকা তুলে দেন সমিতির সভাপতি বদিউল   আলম,সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম( হিরু)।  এসময় উপস্থিত ছিলেন   দৈনিক জনতা'র সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী, ধলঘাট ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম , এনজিও কর্মকর্তা খোরশেদ আলম,  সংগঠনের  সহ সভাপতি লোক মান বাছা , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশিদ,প্রচার সম্পাদক  বেলাল, সদস্য যথাক্রমে মোঃ জামাল উদ্দীন, আলী আকবর, বদিউল আলম,আবুল হোসেন, বেলাল,মোঃ রফিক,হিসাবরক্ষক কে এম আমজাদ হোসেন প্রমুখ। 

সমিতির  সভাপতি বদিউল আলম ও সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম হিরু জানান, ১৯৯০ সালে টেম্পো সমিতির সদস্যদের কল্যানে অএ সংগঠন প্রতিষ্টা করা হয়েছে। সমিতির নেতৃবৃন্দ সমিতির সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ কাজ করে যাচ্ছে বিগত ৩০ বছর যাবত। ফলে সমিতির সদস্যদের সকল কাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

ব্যাডমিন্টন খেলার ফাইনালে এমপি হেলাল

ব্যাডমিন্টন খেলার ফাইনালে এমপি হেলাল
ব্যাডমিন্টন খেলার ফাইনালে এমপি হেলাল
 
 রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁ রাণীরনগরে প্রভাতী যুব সমাজের উদ্যোগে মোঃ যেল হোসেন এর সভাপতিত্বে মোঃ রুহুল আমিনের পরিচালনায় মিরাট ইউনিয়নের মিরাট উত্তর পাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চত্বরে আজ বৈকাল ৪.৩০ মিনিটে আতাইকুলা বনাম মিরাট ব্যাডমিন্টন ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত খেলায় মিরাট জয়লাভ করে, এবং প্রথম পুরস্কার হাতিয়ে নেন।

খেলায় প্রাধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-০৬ আত্রাই-রাণীনগরের স্থানীয় সংসদ সদস্য,শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাণীনগর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছাঃ ফরিদা পারভীন,রাণীনগর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন জয়, মিরাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী রণজিৎ সাহা,সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হাফেজ মোঃ জিয়াউর জিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা,মোঃ আব্দুস ছালাম, মোঃ হালিম ও রণি সহ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।


বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে চিকিৎসকদের মানববন্ধন
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে চিকিৎসকদের মানববন্ধন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)। এতে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীসহ জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা অংশ নেয়। এসময় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা: মুন্সী রেজা সেকেন্দার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা: রাশেদ আল মামুন, ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা: সেলিনা বেগম, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা: জাহিদ আহম্মেদ, সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা: হারুন-অর রশীদ, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: শামীম কবির, সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা: জাকির হোসেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনী ও অবস) ডা: আলাউদ্দিন, ডা: প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ, ডা: সাজ্জাদ রহিমী, ডা: কনক হোসেন, ডা: মিথিলা পারভীন, ডা: লিমন পারভেজসহ অন্যান্যরা।
স্বাপিচ জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা: রাশেদ আল মামুন তার বক্তব্যে, কুষ্টিয়ায় নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাংচুরের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান। সেই সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ভাস্কর্যের নিরাপত্তা দিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মোংলায় কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মোংলায় কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃ  
মোংলায় কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জৈব সার উৎপাদন, সংরক্ষণ ও ব্যবহার প্রযুক্তি এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রযুক্তি বালাই ব্যবস্থাপনা নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীদের এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে মোংলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের শেষ দিন মঙ্গলবারও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার অনিমেষ বালা। কৃষিই সমৃদ্ধি শ্লোগানে গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সোমবার মোংলায় শুরু হয় দুই দিনব্যাপী এই কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণ। এতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকতার্রাও উপস্থিত ছিলেন। 

আত্রাইয়ে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিলসহ আটক ১

আত্রাইয়ে বিপুল পরিমাণ  ফেনসিডিলসহ আটক ১

রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁ আত্রাইয়ে ২৭০ বোতল ফেনসিডিলসহ মিল্টন ২৮ নামে একজনকে আটক করেছে আত্রাই থানা পুলিশ। মিল্টন চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ইকবালপুর গ্রামের 
নাইরুল ইসলাম এর ছেলে।
আত্রাই থানা সূত্রে জানা যায়, সন্ধার সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই সালাউদ্দিন ও এ এস আই শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলার বিশা ইউনিয়নের পারমোহনঘোষ এলাকায় একটি সিএনজি আটকানো হয়। এসময় সিএনজি ভেতর থেকে ২৭০ বোতল ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ওই ফেনসিডিলসহ সিএনজি জব্দ করা হয়। পুলিশের উপস্থিত টের সিএনজি চালক পালিয়ে যায়।
এব্যাপারে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোসলেম উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যায় ২৭০ বোতল ফেনসিডিল 
মিল্টনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানান।

অযত্নে, অবহেলায় পড়ে আছে কুলাউড়ার স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ

অযত্নে, অবহেলায় পড়ে আছে কুলাউড়ার স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ



মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই বিজয়ের মাস, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে কুলাউড়ায় তৈরি করা হয়েছিলো স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ।

সরেজমিনে দেখা যায় বঙ্গবন্ধু উদ্যানের স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ যেনো ময়লার স্তুপ।  আশে পাশে এলোমেলোভাবে অটো রিক্সা, সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ী পার্কিং, অস্থায়ীভাবে ফার্নিচারের দোকান, স্তম্ভের পাশেই ঝুপ-ঝাড়, মূল স্তম্ভে সিগারেটের খোসা, খাবারের প্যাকেট এগুলো দেখা যায়।

মূল গেইটের সামনে অস্থায়ী দোকানসহ গাড়ীর স্ট্যান্ড। এভাবেই আছে শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরি করা স্বাধীনতা স্মৃতি স্তম্ভ।

সচেতন মহলের দাবী, শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত এই স্মৃতি স্তম্ভ দিবস ভিত্তিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা না করে স্থায়ীভাবে রক্ষনাবেক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

দিনাজপুরে ৩দফা দাবীতে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে ৩দফা দাবীতে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত




মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি  : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের উত্তোলিত টাইমস্কেল, অর্থ মন্ত্রনালয় কর্তৃক ফেরত প্রদানের নির্দেশপত্র বাতিলসহ ৩দফা দাবীতে শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
আজ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ঘন্টাব্যাপী উক্ত মানববন্ধনের আয়োজন করে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট। অধিগ্রহণকৃত সহকারী শিক্ষকদের গেজেট অনুসারে কার্যকর চাকুরীকাল গণনা করে জেষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি প্রদান, এস.এম.সি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত গেজেট থেকে বাদপড়া প্রধান শিক্ষকদের নামের গেজেট দ্রুত প্রকাশসহ তিনদফা দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, প্রধান সমন্বয়ক আব্দুর রহমান বাচ্চু, সমন্বয়ক  মাহবুবুল আলম প্রমূখ।




ঝাড়বাড়ীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

ঝাড়বাড়ীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল



খাদেমুল ইসলাম রাজ, বীরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃঝাড়বাড়ী-জয়গঞ্জ খেয়াঘাট পয়েন্টে বালু  গাড়ির ধাক্কায় ফারজানা আক্তারের মৃত্যুর প্রতিবাদ,বেপরোয়া গতিতে বালু গাড়ির  যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং ১০ চাকা ড্রাম ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবিতে আজ সন্ধ্যায়  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে ঝাড়বাড়ীতে। 

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আতাউর রহমান, ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাঃ এবি সিদ্দিক,শতগ্রাম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি হেলাল ফকির, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ দেবনাথ,ঝাড়বাড়ী কলেজের প্রভাষক রাব্বানী, ঝাড়বাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ মতিউল ইসলাম, ঝাড়বাড়ী পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের আহবায়ক শেখ মোঃ জাকির হোসেন ও অতঃপর ঝাড়বাড়ীর সভাপতি মেহেদী হাসান মুন,ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আশরাফুল ইসলাম,মোঃ সাজু ইসলাম  সহ আরও অনেকেই।

আমিনুল ইসলাম আমিন এর রোগ মুক্তি কামনা

আমিনুল ইসলাম আমিন এর রোগ মুক্তি কামনা

বেলাল উদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জননেতা আমিনুল ইসলাম আমিন এর রোগ মুক্তি কামনায় বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।কেন্দ্রীয় কমিটির  উদ্যোগে ঢাকা উত্তর বাড্ডা খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মুফতি আল্লামা খলিলুর রহমান জিহাদী উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাইখ আলমগীর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা রবিউল আলম সিদ্দিকী সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আইনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আখতার হোসাইন ফারুকী, মাওলানা রুহুল ইসলাম সুজা মাওলানা জাকির হোসেন মাওলানা মাওলানা হাফিজুর রহমান  শফিকুল ইসলাম।

নড়াইলে এক ভূয়া ক্যাপ্টেন পরিচয় কারী কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

নড়াইলে এক ভূয়া ক্যাপ্টেন পরিচয় কারী কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মো: আজিজুর বিশ্বাস ষ্টাফ রিপোর্টার নড়াইল।।নড়াইলের লোহাগড়ায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিয়ে লোহাগড়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কাউট শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বৃত্তি দেয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক ভূয়া ক্যাপ্টেনকে গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ।

 গ্রেফতারকৃত ভূয়া ক্যাপ্টেন হাসিবুল ইসলাম হৃদয়(২৯) নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের ইউনুস শেখের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,  ভূয়া ক্যাপ্টেন হাসিবুল ইসলাম হৃদয় গত কয়েকদিন ধরে লোহাগড়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হায়াতুজ্জামানের কাছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন পরিচয় দিয়ে ঐ বিদ্যালয়ের স্কাউট শিক্ষার্থীদের বিএনসিসি'র বৃত্তি দেবে বলে জানায়। 

সে গত বুধবার ( ২ ডিসেম্বর) বিদ্যালয়ে আসলে শিক্ষক ও স্কাউট শিক্ষার্থীরা তাকে  যথারীতি গার্ড অব অনার প্রদান করেন। 

সোমবার সকালে ওই ভূয়া ক্যাপ্টেন বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের কাছে বৃত্তির টাকা, পোষাক সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথা বলে কিছু টাকা দাবি করে। বিষয়টি প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীদের সন্দেহ হলে তারা স্থানীয় লোহাগড়া থানা পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করলে লোহাগড়া থানার এসআই কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। 

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আশাশুনি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আশাশুনি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
আহসান উল্লাহ বাবলু,আশাশুনি,  সাতক্ষীরা   প্রতিনিধিঃআশাশুনিতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনের সড়কে আশাশুনি মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল হান্নানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক, সাবেক চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা সেলিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম, আকবর মাষ্টার, নূরুল হুদা, শহীদ মোল্যা সহ বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ। মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরের নিন্দা জানান এবং দোষীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। 

জমি জবর দখলের চেষ্টায়প্রতিপক্ষের হামলা, ভাংচুর, মারপিটে স্বামী স্ত্রী আহত

জমি জবর দখলের চেষ্টায়প্রতিপক্ষের হামলা, ভাংচুর, মারপিটে স্বামী স্ত্রী আহত

আহসান উল্লাহ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে এক ভূমিহীনের ডিসিআরকৃত জমি জবর দখলের চেষ্টায় বঁাধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের হামলা, ভাংচুর, মারপিটে স্বামী স্ত্রী আহত হয়েছে। গুরুতর আহ দের মধ্যে স্বামী মজিদ সরদারের অবস্থা আশংকাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সকাল  ১১টায় আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে কলিমাখালী গ্রামে। থানায় লিখিত এজাহারে জানগেছে  কলিমাখালী গ্রামের মৃত আনছার সরদারের পুত্র ভূমিহীন আব্দুল মজিদ সরদার কলিমাখালী মৌজায় নদীর চরভরাটে ৫০ শতক খাসজমি ডিসিআর নিয়ে ঘরবাড়ী নির্মান করে দীর্ঘ দিন শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিল। কিন্ত উক্ত জমি জবর দখল নেওয়ার জন্য একই গ্রামের পরসম্পদ লোভী ভূমিদুস্য এলাকার ত্রাস মৃত আবুল কাশেস সরদারের পুত্র মোতালেব হোসেন তার দলবল নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে। ষড়যন্ত্র মোতাবেক উক্ত জমি ছেড়ে দিতে অসহায় ভূমিহীন পরিবারকে খুন জখমের হুমকি দিয়ে আসছিল। এতে কাজ না হওয়ায় ঘটনার দিন সকালে ভূমিদুস্য মোতালেব হোসেনের নেতৃত্বে তার দলবল মৃত ফজর আলী সরদারের পুত্র আমিরুল ইসলাম, মৃত কাশেম সরদারের পুত্র মনিরুল ইসলাম ও স্ত্রী তাছলিমা খাতুনসহ অজ্ঞাতনামা ২ ও ৩জন ধারালো অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত ডিসিআরকৃত সম্পত্তিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে জবর দখল নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে বঁাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা বলে তোদের আজকে জীবনে শেষ করে দিব বলে অসহায় ভূমিহীন মজিদ সরদারকে এলোপাতাড়ীভাবে পিটাতে থাকলে  তার স্ত্রী সুমনা ঠেকাতে আসলে তাকে জাপটে ধরে কাপড় চোপড় ছিড়ে ছুটে শ্লীলতাহানী করাসহ বেপোরোয়া মারপিট করে গুরুতর আহত করে। আহতরা অজ্ঞান অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে। এমতাবস্থায় পরবর্তিতে তারা বসত বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে ২০হাজার টাকার মত ক্ষয়ক্ষতি করে। তাছাড়া আহত স্ত্রী সুমনা ইয়াসমিনের গলায় থাকা ৮আনা ওজনের ৩৫হাজার টাকা মূল্যের স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আশপাশের লোকজন টের পেয়ে আহত স্বামী স্ত্রীকে উদ্ধার করে আশাংকাজনক অবস্থায় স্বামী মজিদকে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে ও তার স্ত্রী সুমনা ইয়াসমিনকে স্থানীয় ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করে। এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবিরের সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদকে জানান ভূমিহীন পরিবারের লিখিত এজাহার পেয়েছি ঘটনার তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন উপজেলা ভূমিহীন সমিতি ও এলাকাবাসী। 

খুলনায় করোনা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরনে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যহত

খুলনায় করোনা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরনে মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যহত

তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ আজ নগরীর খালিশপুরে ৩৩ মামলায় ৩৫ জনকে ১৫১০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে অদ্য ০৭ ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে সুযোগ্য জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা জনাব মোহাম্মদ হেলাল হোসেন পিএএ মহোদয়ের নির্দেশে নগরীর খালিশপুর এলাকায় মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্টের অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জনাব দেবাশীষ বসাক এবং জনাব তাহমিনা সুলতানা নীলা। উপজেলাসমূহে স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-গণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। 

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে মাস্ক সাথে না থাকায় এবং যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান না করায় নগরীতে ১১টি মামলায় ১১ (এগারো) জনকে মোট ৯,২০০/- (নয় হাজার দুইশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এবং উপজেলায় মোট ২২টি মামলায় ২৪ (চব্বিশ) জনকে মোট ৫,৯০০/- (পাঁচ হাজার নয়শত) টাকা জরিমানা করা হয়। 'সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮' এবং 'দণ্ডবিধি, ১৮৬০' এর সংশ্লিষ্ট ধারার বিধান মোতাবেক এসব জরিমানা করা হয়। 

সম্প্রতি করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় গত ০৮ নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখের জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ০৯ নভেম্বর, ২০২০ তারিখ থেকে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থা গ্রহণ করে।মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন এপিবিএন এর সদস্যগণ এবং উপজেলা সমূহে স্ব-স্ব থানা পুলিশের সদস্যগণ। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে এবং মাদক সংক্রান্ত অপরাধ নির্মূলে জেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি  সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: আশাশুনিতে সরকারী জায়গা থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ও মাস্ক পরিধান না করায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে শোভনালী ইউনিয়নের বাঁকড়া গ্রামের আলহাজ্ব জিয়াদ আলীর ছেলে আব্দুর রউফকে সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অপরাধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ৫ হাজার টাকা এবং মাক্স পরিধান না করায় আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা থেকে সদর উপজেলার হাবাসপুর গ্রামের মৃত মইনউদ্দীন সরদারের ছেলে মহিদুল ইসলাম ও সাতক্ষীরা সদরের মোজাফফর আলীর ছেলে আসাদুল ইসলামকে সর্বমোট ৩৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় অফিস সহকারি মোস্তাফিজুর রহমান ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনি মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: ৭ ডিসেম্বর আশাশুনি মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আয়োজনে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নানের সঞ্চালনায় এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস মোল্যা, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার নাজিমউদ্দীন, গাওছুল হক সানা, আব্দুল করিম, আশাশুনি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আহসান হাবীবসহ বীরমুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অবমাননা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর বিভাগে অক্টোবর মাসের অপরাধ সভা

চট্টগ্রাম বন্দর বিভাগে  অক্টোবর মাসের অপরাধ সভা
চট্টগ্রাম বন্দর বিভাগে  অক্টোবর মাসের অপরাধ সভা
হাসান রিফাত, চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ ০৭/১২/২০২০ ইং তারিখে বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ মিলন মাহমুদ, (বিপিএম-বার) মহোদয়ের সভাপত্বিতে অক্টোবর মাসের অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অপরাধ সভায় উপস্থিত ছিলেন্ অতিঃরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) অলক বিশ্বাস,  কর্ণফুলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ ইয়াসিন আরাফাত এবং বন্দর জোনের সকল থানার অফিসার ইনর্চাজ ও পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সহ সকল ফাড়িঁর ইনর্চাজবৃন্দ। উক্ত আলোচনা সভায় সকল থানা ও ফাড়িঁ মাসিক পারফরম্যান্স ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মহোদয় সকল থানা ও ফাড়িঁ অফিসার ইনর্চাজদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

কিশোরগঞ্জে লক্ষিত সুফল ভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ

কিশোরগঞ্জে লক্ষিত সুফল ভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ
কিশোরগঞ্জে লক্ষিত সুফল ভোগীদের মাঝে গরু বিতরণ
মোঃ লাতিফুল আজম,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইন্টিগ্রেটেড লাইভলিহুড  টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত উপজেলার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো তাদের কর্ম এলাকার ৫টি ইউনিয়নের ২২৫টি হতদরিদ্র শিশু পরিবারের মাঝে সপ্তাহব্যাপী ৬০ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বকনা গরু বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়। সোমবার সকালে  উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত  সংস্থাটির এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিকিং চাম্বুগং এর সভাপতিত্বে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ রোকসানা বেগমের প্রধান অতিথির  উপস্থিতিতে প্রথম পর্যায়ে ৫০টি  হতদরিদ্র পরিবারের  মাঝে বকনা গরু বিতরণ করা হয়। এময় আরও উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মাহফুজুর রহমান,নীলফামারী এপিসির ক্লাস্টার ম্যানেজার স্বপন মন্ডল,ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম অফিসার আমজাদ হোসেন,মিন্টু বিশ্বাস, শ্যামল মন্ডল, সানজিদা আনছারী,চাদঁখানা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান হাপি,এমপি প্রতিনিধি রেজাউল আলম স্বপন প্রমুখ।

পটিয়ায় মৃত্যুর দাবি চেক হস্তান্তর

পটিয়ায় মৃত্যুর দাবি চেক হস্তান্তর
পটিয়ায় মৃত্যুর দাবি চেক হস্তান্তর
সেলিম  চৌধুরী  স্টাফ  রিপোর্টারঃ পটিয়া পপুলার লাইফ ইনসুরেন্সের কোঃ লিঃ  সার্কুলার রোড় কার্যলয়ে  ৭ ডিসেম্বর সোমবার  দুপুরে মোঃ বাদশা মিয়া মৃত্যুর দাবি চেক হস্তান্তর করেন  পপলুার লাইফ ইনসুরেন্সের কোঃ লিঃ পটিয়া সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ নজরুল ইসলাম। মৃত্যুর দাবি বাদশার মিয়ার স্ত্রী নমনী  ফিরোজা বেগম এর পক্ষে তার   ছেলে ৫৬ হাজার টাকার চেক গ্রহণ করেন। এসময়  উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক হারুনর রশীদ সিদ্দিকী, যুবনেতা  ইদ্রিস পানু, পটিয়া পপুলার লাইফ ইনসুরেন্স  অফিসের জিএম নুর মোহাম্মদ, ডিজিএম  রাখাল চন্দ্র বড়ুয়া, বিএম নয়ন দে প্রমুখ। 

জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার -২

জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার -২


তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ গত ০৫/১২/২০১৯ খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ফুলতলা থানা এলাকা হতে ২০ (বিশ) বোতল মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, ১০ (দশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০ (একশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০২ (দুই) জন গ্রেফতার।

গত ৫ ই ডিসেম্বর খুলনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জনাব সেখ কনি মিয়া এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/ রাজিউল আমিন সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ফুলতলা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার সহ বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলতলা থানাধীন ফুলতলা সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের  বিপরীত পার্শ্বে আলকা সাকিনস্থ জনৈক সিরাজ এর চায়ের দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে আসামি ১। পার্থ কুন্ডু (২৩), পিতা- মৃত গৌর কুন্ডু, মাতা- সনেকা কুন্ডু, সাং- তাজপুর, থানা- ফুলতলা, জেলা- খুলনাকে ধৃত পূর্বক তার হেফাজত হতে ক) ০১ (এক) টি সাদা স্বচ্ছ পলিপ্যাকে মোড়ানো ১০(দশ) পিচ গোলাপী রংয়ের কথিত মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০১ (এক) টি সবুজ পলিথিনের ভিতর বাশপাতা কাগজে মোড়ানো ১০০(একশত) গ্রাম গাঁজা উদ্ধার পূর্বক ০৫/১২/২০২০ খ্রিঃ তারিখ রাত ১১:২৫ ঘটিকার সময় জব্দতালিকা মূলে  জব্দ করেন এবং এসআই (নিঃ)/ ইন্দ্রজিৎ মল্লিক সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ ফুলতলা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলতলা থানাধীন আলকা গ্রামস্থ চৌদ্দমাইল মোড়ে জনৈক হাসান মোড়লের মার্কেটের পূর্ব পার্শ্বে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে আসামি ১। মোঃ বোরহান শেখ(২৮), পিতা- মোঃ মহিউদ্দিন শেখ, সাং- পয়গ্রাম, থানা- ফুলতলা, জেলা- খুলনাকে ধৃত পূর্বক তার হেফাজত হতে ১। একটি প্লাস্টিকের তৈরি সাদা রংয়ের বাজার করা ব্যাগের মধ্যে ২০ (বিশ) বোতল ভারতীয় তৈরী কথিত মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধার পূর্বক ০৫/১২/২০২০ তারিখ রাত্র ১১:৪৫ ঘটিকার সময় জব্দতালিকা মূলে জব্দ করেন ।

এই পৃথক ঘটনায় উপরোক্ত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন।

আদমজী ৮৯ ব্যাচের সহায়তায় কয়রায় সেলাই মেশিন বিতরণ

আদমজী ৮৯ ব্যাচের সহায়তায় কয়রায় সেলাই মেশিন বিতরণ

মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা ((খুলনা)) প্রতিনিধিঃ আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা'র ১৯৮৯ সালের এইচএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় উপকূলবর্তী এলাকা কয়রা উপজেলায় দুস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন  বিতরণ করা হয়েছে। 
সোমবার বেলা ১১ টায় কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত  সেলাই মেশিন বিতরণ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব  অনিমেষ বিশ্বাস, 
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ.এম হুমায়ুন কবির , কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জনাব অদ্রীশ আদিত্য  মন্ডল, কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জনাব সাগর হোসেন সৈকত,  কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক জনাব  বিদেশ রঞ্জন মৃধা, আইসিডি'র উপদেষ্টা মোস্তাফিজুর রহমান,  আইসিডি'র প্রতিষ্ঠাতা জনাব আশিকুজ্জামান। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার  জনাব অনিমেষ বিশ্বাস বলেন,  আইসিডি'র এই অনন্য উদ্যোগ কয়রা উপজেলায় টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে৷ আদমজী ৮৯ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীকে ধন্যবাদ জানাই তাঁরা উপকূল এলাকা কয়রায় উন্নয়ন কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে৷ 

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইসিডির সদস্য, মুজাহিদুল ইসলাম,   আশিকুজ্জামান, ফরহাদ হোসেন, আমিরুল, মিরাজ, আব্দুল্লাহ, বাদশা, আহসান, নুরুল্লাহ, বাদশা, গোবিন্দ মুন্ডা, শফিউল্লাহ,পলাশ প্রমুখ।

কৃষকের নামে বরাদ্দ নিয়ে ২০ বস্তা গম বীজ বিক্রির চেষ্টা

 কৃষকের নামে বরাদ্দ নিয়ে ২০ বস্তা গম বীজ বিক্রির চেষ্টা


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কু‌ড়িগ্রা‌মের রৌমারী উপ‌জেলায় বন‌্যায় ক্ষ‌তিগ্রস্ত কৃষক‌দের জন‌্য বরাদ্দকৃত সরকা‌রি প্রণোদনার ২০ বস্তা (৪০০ কে‌জি) গম বীজ আটক ক‌রেছে স্থানীয়রা। উপ‌জেলা কৃ‌ষি অ‌ফি‌সের গুদাম থে‌কে ভ‌্যানে ক‌রে বীজ নি‌য়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা এসব বীজ আটক করা হয়। র‌বিবার (‌৬ ডি‌সেম্বর) বিকা‌লে এ ঘটনা ঘ‌টে। রৌমারী উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল ইমরান এ তথ‌্য জানিয়েছেন।

বীজ আটককারী‌দের একজন শেখ শা‌হীন আলম জানান, র‌বিবার বিকাল ৪টার দি‌কে উপ‌জেলা কৃ‌ষি অফিসের স্টোর থে‌কে ভ‌্যা‌নে ক‌রে ২০ বস্তা গম বীজ


নি‌য়ে যাওয়ার সময় তি‌নি ভ‌্যান‌টি আটক ক‌রেন। ভ্যানের সঙ্গে কোনও কৃষক ছিল না। ভ্যানচালক আব্দুল খা‌লেক জানান, যে এসব বীজ উপ-সহকারী কৃ‌ষি কর্মকর্তা জিয়াউর রহমা‌নের। প‌রে ভ‌্যান চাল‌কের ফোন পে‌য়ে জিয়াউর রহমান ঘটনাস্থ‌লে আসেন।

তিনি ব‌লেন, ‘জিয়াউর এসে আমা‌কে পাঁচ হাজার টাকার বি‌নিম‌য়ে ভ‌্যান ছে‌ড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দি‌লে আমি তা প্রত‌্যাখ‌্যান ক‌রি এবং ইউএনও স‌্যার‌কে ফো‌নে বিষয়‌টি অব‌হিত ক‌রি। প‌রে ইউএনও স‌্যা‌রের নি‌র্দেশে উপ‌জেলা কৃ‌ষি কর্মকর্তা এসে বীজগু‌লো জব্দ ক‌রে নিয়ে যান।’

তি‌নি আরও ব‌লেন, উপ-সহকারী কৃ‌ষি কর্মকর্তা জিয়াউ‌র অনিয়‌মের মাধ‌্যমে কৃষকদের জন‌্য বরাদ্দকৃত এসব বীজ স্টোর থে‌কে বের ক‌রে তার ভাই‌ র‌বিউল ইসলাম বাবুর দোকানে নি‌য়ে যা‌চ্ছিল। সে তার ব্ল‌কের (চু‌লিয়ারপার ব্লক) কৃষক‌দের না‌মে বরাদ্দ নি‌য়ে এসব বীজ বাজা‌রে বি‌ক্রির চেষ্টা কর‌ছিল।

অভিযোগ অস্বীকার করে জিয়াউর রহমান ব‌লেন, ‘ভ‌্যানচাল‌কের ফোন পে‌য়ে ঘটনাস্থ‌লে গে‌লেও বীজগু‌লো পাচা‌রের বিষ‌য়ে আমি জানি না। আটককারীকে আমি কোনও টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দেইনি।’ ত‌বে বীজগু‌লো উপ‌জেলা কৃ‌ষি অ‌ফি‌সের স্টোর থে‌কে বের করা হ‌য়ে‌ছিল এবং তার ভাই বীজ ব‌্যবসা ক‌রেন ব‌লে স্বীকার ক‌রেছেন।

উপ‌জেলা কৃ‌ষি কর্মকর্তা শাহ‌রিয়ার হো‌সেন জানান, আটককৃত বীজগু‌লো জব্দ ক‌রে উপ‌জেলা প্রশাস‌নে নেওয়া হ‌য়ে‌ছে। তদন্ত ক‌রে আইনানুগ ব‌্যবস্থা নেওয়া হ‌বে।

ইউএনও আল ইমরান ব‌লেন, কৃষক‌দের জন‌্য বরাদ্দকৃত বীজ কীভা‌বে বাইরে এলো তা তদন্ত ক‌রে বের করা হ‌বে। এর সঙ্গে জ‌ড়িত সবার বিরু‌দ্ধে শক্ত ব‌্যবস্থা নেওয়া হ‌বে। বিষয়‌টি গুরু‌ত্বের সঙ্গে দেখ‌ছি। 

প্রসঙ্গত, এবছর রৌমারী উপ‌জেলায় মোট ৮ হাজার ৩৫০ জন ক্ষ‌তিগ্রস্ত কৃষ‌কের জন‌্য পুনর্বাসন প্রণোদনা বরাদ্দ দি‌য়ে‌ছে সরকার।

নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত

নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত


নিউজ ডেস্কঃ  নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এমপিও নীতিমালা সংশোধনের কাজ শেষ হয়েছে। চলতি মাসের শেষে অথবা আগামী জানুয়ারির প্রথম দিকে এমপিওভুক্তির অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে।

তবে ভাড়া বাসা-বাড়িতে গড়ে ওঠা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এ বছর এমপিওভুক্তির নীতিমালায় বেশ কয়েকটি খাতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তিন এলাকায় বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে- সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও মফস্বল এলাকা।

সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, নিম্ন মাধ্যমিক স্তরের (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম) প্রতিটি শ্রেণিতে ৪০ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হবে। একটি শ্রেণিতে ৮০ জন শিক্ষার্থী হলে নতুন শাখা খুলতে পারবে। মাধ্যমিক স্তরে প্রতি শ্রেণিতে ৪০ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হবে।
সিটি করপোরেশন এলাকার উচ্চমাধ্যমিক স্তরে তথা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার প্রতি বিভাগে ৫০ জন করে মোট ১০০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। একই স্তরের মফস্বল এলাকায় প্রতি শ্রেণিতে ৪০ জন করে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। তাদের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করতে হবে। মফস্বল এলাকার বিজ্ঞান বিভাগে প্রতি শ্রেণিতে ৩০ জন করে শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

এই নীতিমালায় বলা হয়েছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশ, পৌর এলাকায় ৬০ ও মফস্বল এলাকার প্রতিষ্ঠানে ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করতে হবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের ৬৫ শতাংশ, পৌর এলাকায় ৬০ ও মফস্বল এলাকার প্রতিষ্ঠানে ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করতে হবে। আর স্নাতক স্তরে সিটি করপোরেশেন এলকায় ৫৫ শতাংশ, পৌর এলাকায় ৫০ শতাংশ ও মফস্বল এলাকায় ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করতে হবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, ভাড়া বাসা-বাড়িতে পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে না। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন করে বেশ কয়েকটি শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃজন করা হয়েছে। আগের নীতিমালা অনুসরণ করে ২০১৯ সালে ২ হাজার ৭৩৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলেও এবার তা পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এমপিও নীতিমালায় আগের চেয়ে কাম্য যোগ্যতা কম-বেশি করা হয়েছে। বিভিন্ন খাতে অর্জিত নম্বর হ্রাস ও বৃদ্ধি করে তা খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এটি সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদনের পর তা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে আদেশ জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা প্রকাশের পর পরই নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। চলতি মাসের (ডিসেম্বর) শেষের দিকে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতে আবেদন কার্যক্রম শুরু করা হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও এমপিও নীতিমালা সংশোধন কমিটির আহ্বায়ক মমিনুর রশিদ আলম বলেন, ‘নীতিমালা সংশোধন কাজ শেষ, এখন এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। অনুমোদন দেয়া হলে নতুন করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন সংগ্রহ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
তথ্যের উৎসঃ সাম্প্রতিক দেশকাল 

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের আজ সোমবার গনমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

আবুল খায়ের জানান, গতকাল রোববার রাতে পরীক্ষার প্রতিবেদনে শিক্ষামন্ত্রীর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। বর্তমানে তিনি বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। শারীরিক কোনো জটিলতা নেই।

৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় মোংলা সুন্দরবন

 ৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় মোংলা সুন্দরবন
৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় মোংলা সুন্দরবন

মোংলা প্রতিনিধিঃ ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা হানাদার মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাক হানাদারদের হটিয়ে দিয়ে এই এলাকা মুক্ত করেছেন এ অঞ্চলের বীর মুক্তিসেনারা। পাক সেনাদের তাড়িয়ে উড়ানো হয়েছিল বাংলার লাল সবুজের পতাকা।

মোংলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ফকির আবুল কালাম আজাদ বলেন, ৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর (অবঃ) জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে এখানকার মুক্তিযোদ্ধারা সুন্দরবনে ৫ টি ক্যাম্প স্থাপন করে। এসময় সুন্দরবন ইউনিয়নের দামেরখন্ড এলাকায় চলেছিল পাক হানাদারদের নেতৃত্বে নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার, নারী নির্যাতন ও গণহত্যা। কোন কিছু না বুঝে ওঠার আগেই ওই এলাকার কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার রজ্জব আলী ফকিরসহ তার সহযোগীদের নির্দেশে অনেক যুবতী ও গৃহবধূকে তুলে নিয়ে যায় হানাদার বাহিনী। তার মধ্যে এলাকার গৃহবধূ তরুলতা শীল নামের একজনকে ধরে নিয়ে আটকে রাখে প্রায় সাড়ে ৩ মাস। এসময়কালে প্রতি দিন রাত তার উপর চলে পাষবিক ও শারীরিক নির্যাতন। পরে স্থানীয় এক লোকের সহায়তায় ফিরে পায় তার আপনজনদের। এমন দুঃসহ স্মৃতির কথা এ প্রতিবেদকের কাছে তুলে ধরেন অজিৎ কুমার প্রামানিকের স্ত্রী তরুলতা শীল।সেই স্মৃতি আর কষ্টের কথা বুকে নিয়ে আজও বেঁচে আছে সেই বীরঙ্গনা নারী। মুক্তিযোদ্ধাদের গঠন করা ওই ৫টি ক্যাম্প থেকে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে শুরু করে সম্মুখ যুদ্ধ। মুক্তিসেনারা ৪ ডিসেম্বর মোংলায় প্রবেশ করলে পাক সেনাদের সাথে পর্যাক্রমে খন্ড খন্ড সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হয়। সেনা কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে সুন্দরবনের ক্যাম্পগুলোতে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো। আর সুবিধা বুঝে আক্রমন করা হতো। ৭ ডিসেম্বর মোংলা ও সুন্দরবনের সর্বত্র মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে। হানাদার মুক্ত হয় মোংলাসহ সুন্দরবনের আশপাশ এলাকা।

মোংলা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান বলেন, ডিসেম্বর মাসের শুরুর দিকে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী মোংলায় প্রবেশ করে। বিভিন্ন সূত্র থেকে হানাদার বাহিনীর তৎপরতার খবর জানতে পেরে কৌশল অবলম্বন করি আমরা।  হানাদার বাহিনীর অবস্থান শনাক্ত করে সেখানে সম্মুখ যুদ্ধ করি। এক পর্যায়ে মোংলা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় পাকিস্থানী রাজাকাররা।
মুক্তিযুদ্ধের দুঃসহ স্মৃতির কথা স্মরণ করতে গিয়ে রণাঙ্গনের এই বীরযোদ্ধা বলেন, সুন্দরবন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের আলাদা আলাদা ইউনিট রাজাকারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সেখানেও টিকতে পারেনি হানাদার বাহিনী। এভাবেই ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের মোড়ে  বিক্ষোভ মিছিল
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের মোড়ে  বিক্ষোভ মিছিল
বেলাল উদ্দিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাংচুর ও অবমাননার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানা  আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদ আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে  আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ সদস্যবৃন্দ  ।

মৈত্রি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মৈত্রি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মৈত্রি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টার
"মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু বন্ধন অটুট থাকুন" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৈত্রী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি আয়োজিত এক আলোচনা সভা,

রোববার (৬ ডিসেম্বর-২০২০) বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা জেলা পুরাতন আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি সাতক্ষীরা জেলা শাখার আহবায়ক বাবু বিশ্বজিৎ সাধু'র সভাপতিত্বে সদস্য সচিব এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সভায় বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক আইন সম্পাদক এড. ওসমান গনি, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মনজুর হোসেন, জেলা জাসদের  সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এড. প্রবীর মুখার্জি, আইনজীবী প্রাতিষ্ঠানিক শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এড. পঙ্কজ সরকার, জেলা কৃষকলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শেখ হেদায়তুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন বন্ধোপধ্যায়, লুৎফর রহমান টুকু,
আব্দুর রহমান, আসাদুজ্জামান লাবলু, হামিদুজ্জামান সুজন, আজহারুল ইসলাম সাদী, আরিফুর রহমান জেমস,
এড. সুনিল ঘোষ,আফছার আলী, আশরাফুল ইসলাম,
আবু রায়হান, আবুল বাশার, গাজি আব্দুর রশিদ, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মন্টু কুমার দাশ প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেতো না যদি ভারত সহযোগিতা না করতো।
মুক্তিযুদ্ধে ভারত সার্বিক সহযোগিতা করে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্টায় সহযোগিতা করায় বক্তারা তৎকালীন ভারতের রাষ্ট্র প্রধান ইন্দ্রিরা গান্ধীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

সভায় বক্তারা আরো বলেন, সম্প্রতি একটি চক্র বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে যে, অন্যায় করেছে সেটা ক্ষমার অযোগ্য। 

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনিয়ে, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানতে বুঝতে আগ্রহী করে তুলতে হবে।

স্বপ্নের টেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা কুলাউড়া শাখার পরিচিত সভা সম্পন্ন

স্বপ্নের টেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা কুলাউড়া শাখার পরিচিত সভা সম্পন্ন
স্বপ্নের টেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা কুলাউড়া শাখার পরিচিত সভা সম্পন্ন
 
মোঃরেজাউল ইসলাম শাফি,কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃস্বপ্নের ঢেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা  কুলাউড়া উপজেলা শাখার নবগঠিত(২০২০-২১) কমিটির পরিচিতি সভা সম্পন্ন।

 সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে  সপ্নের ঢেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা। 

৬ ডিসেম্বর রবিবার কুলাউড়ার একটি অভিজাত  রেস্টুরেন্টে সংগঠনের সভাপতি মোঃ জাবের হুসাইনের সভাপতিত্বে এবং  সাধারণ সম্পাদক সাঈদ আহমেদ ও যুগ্মসাধারণ সাম্পাদক বুরহান উদ্দিন এর যৌথ পরিচালনায়  পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

উক্ত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, মুমিনুল ইসলাম সাব্বির, 
সহ-সম্পাদক, জাহেদ আহমেদ , আব্দুল মুমিন।

সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ চৌঃ, প্রচার সম্পাদক রায়হান আহমেদ, 
সহ-প্রচার সম্পাদক আকাশ আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক তানিম আহমেদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক সাইফুর রহমান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক, কাউসার আমীর,  সহ-সমাজ সম্পাদক, বদরুল ইসলাম পংকি ,  তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক, হাবিবুর রহমান হোসাইন,  ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, হাফিজ শাকিল আহমেদ,  সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, মাহবুবুর রহমান টিটু, যুব ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক, আরিফুল ইসলাম, 

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, তুহিন আহমেদ, সুমাইয়া, পিয়া আক্তার, সাদিক প্রমুখ।

উক্ত সভায় সভাপতি জাবের হুসাইন বলেন, সামজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে স্বপ্নের ঢেউ সমাজকল্যাণ সংস্থা কুলাউড়া উপজেলা শাখা, সংগঠনের প্রতিটি কাজ হবে অসহায় মানুষের কল্যাণে, সমাজের ও দেশের কল্যাণে।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হকের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হকের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ



এস.এম অলিউল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি'

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে বীর দর্পে লড়াইরত অবস্থায় দেশ মাতৃকার জন্য
জীবন উৎসর্গ করে শহীদ হন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কালিসীমা গ্রামের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক আজকের এই দিনে পয়াগ গ্রামে যুদ্ধরত অবস্থায় শহীদ হন।  
তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ ৬ ই ডিসেম্বর শালগাও কালিসীমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি-ও বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি হাজী মোঃ বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে ও মাদক মুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাই'র সহ সভাপতি- মাওলানা মোঃ ফরহাদ হোসেন এর তত্বাবধানে ঐক্য পরিষদের নেতৃদ্বয় বিরামপুর কবরস্থানে শায়িত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হকের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ও তার রুহের মাগফেরাত কামনায়  দোয়া করেন ।  
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- ৯ নং নাটাই দঃ ইউনিয়ন এর  সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম মিয়া, শালগাও কালিসীমা ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ শাহ আলম, যুগ্ম সম্পাদক
মোঃ শফিকুল ইসলাম, হাজী রায়হান উদ্দিন রেনু মিয়া, মাজু মেম্বার, তাজু মিয়া,  হাদিস মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিলদার আব্দুর রাজ্জাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা -শামছুল হল শওকত, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ দারু মিয়া, যুবলীগ নেতা মোঃ মনিরুল ইসলাম, এডঃ মইনুল হক, মোঃ শরীফ আহমেদ, মোঃ ইমন,  রুস্তম ইউনুছ,  ও মুখলেস মিয়া প্রমুখ,  
নেতৃবৃন্দ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হকের  প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করে কবর বাসীর জন্য মহান  আল্লাহ পাকের রহমত কামনা করা হয়।
উক্ত মোনাজাত পরিচালনায় ছিলেন মাওলানা মোঃ ফরহাদ হোসাইন,

রক্তদান কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন ও দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

রক্তদান কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন ও দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

মোঃ রশিদুল ইসলাম রিপন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ
৬ ডিসেম্বর লালমনিহাট মুক্ত দিবস উপলক্ষে আদর্শ যুব সংগঠন কাজী কলোনি লালমনিরহাটের আয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি শুভ উদ্বোধন ও দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়।

সহযোগিতায় বিউটিফুল লালমনিরহাট 
সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
বিউটিফুল লালমনিরহাট সংগঠনের সকল কর্মীদের একনিষ্ঠ পরিশ্রম ও সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আজকে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি।
এতে সারাদিন ব্যাপী ২৫০ জন মানুষের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়েছে।

যশোর আরবপুর ইউনিয়ন যুবমহিলালীগের কমিটি গঠন

যশোর আরবপুর ইউনিয়ন যুবমহিলালীগের কমিটি গঠন

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ যুবমহিলালীগ যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন কমিটির সম্মেলন রোববার অনুষ্ঠিত হয়। এতে নাসিমা আক্তারকে সভাপতি এবং রাপালী আক্তার রুপাকে সাধারণ সম্পাদক  করে ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ধর্মতলা মোড়ে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু এবং প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা যুবমহিলালীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালী। নাসিমা আক্তারের সভাপতিত্বে এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বাবলু, জেলা যুবমহিলালীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আকলিমা টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক রিনি খাঁন, সদর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুজ্জামান, মাজহার হোসেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ সরদার। বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা সাইদ সর্দর, ইমরান হোসেন প্রমুখ।

ত্রিশাল হেল্পলাইন এর উদ্যোগে মাস্ক ক্যাম্পেইন ও বিতরণ অনুষ্ঠিত

ত্রিশাল হেল্পলাইন এর উদ্যোগে মাস্ক ক্যাম্পেইন ও বিতরণ অনুষ্ঠিত

এনামুল হক, ময়মনসিংহ:-  আজ রবিবার (৬ই ডিসেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর ২য় পর্যায়ের সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য সামাজিক সচেতনতার অংশ হিসেবে ত্রিশাল হেল্পলাইন এর উদ্যোগে মাস্ক ক্যাম্পেইন ও বিতরণ অনুষ্টিত হয় ।

ত্রিশাল হেল্পলাইনের মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ¦ আব্দুল মতিন সরকার, চেয়ারম্যান ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ। মাস্ক ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন এবিএম আনিছুজ্জামানান, মেয়র ত্রিশাল পৌরসভা,ময়মনসিংহ। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব তরিকুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি), ত্রিশাল, ময়মনসিংহ। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ত্রিশাল হেল্পলাইন সবার আগে,সবার পাশে।

 

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে নগর যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে নগর যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

তুহিন রানা (আব্রাহাম) ; খুলনা নগর প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরাশক্তি, সাম্প্রদায়িক, উগ্র মৌলবাদী গোষ্টী কর্তৃক কুষ্টিয়ায় রাতের অন্ধকারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙ্গার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খুলনা মহানগর যুবলীগ। গতকাল বিকাল ৫ ঘটিকায় দলীয় কার্যালয় হতে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় কার্যালয়ে এসে সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ মিছিল টি শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ ও যুগ্ম আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন। সমাবেশে বক্তরা বলেন " বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একই সূত্রে গাঁথা, বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের উপর আঘাত করা মানে বাংলাদেশের উপর আঘাত করা। জাতির পিতার ভাস্কর্যকে ভেঙ্গে এই বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যাবে না। জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙ্গে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী গোষ্ঠী এই বাংলাদেশকে আবার পাকিস্থান বানাতে চায় কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের একটি মাত্র কর্মীও বেঁচে থাকতে তাদের উদ্দেশ্য সফল হতে দেবে না। জাতির পিতার প্রশ্নে আর কোন ছাড় নয়।

যুবলীগ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন এই স্বাধীন বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের কোন স্থান হবে না জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাদের কে প্রতিহত করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ নির্মাণে এগিয়ে যাবে এই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেতা এসএম হাফিজুর রহমান হাফিজ, কামরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের শেখ, আবুল হোসেন, কাজী কামাল হোসেন, শওকাত হোসেন, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, কবীর পাাঠান, মহিদুল ইসলাম মিলন, মশিউর রহমান সুমন, কেএম শাহীন হাসান, মোঃ রাশেদুল ইসলাম, অলিউর রহমান রাজু, আব্দুল মালেক, সাবেক ছাত্রনেতা বাচ্চু মোড়ল, মশিউর রহমান, বিপুল মুজমদার, যুবলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন লাবু, আরিফুর রহমান আরিফ, রবিউল ইসলাম লিটন, মুস্তাইন বিন চঞ্চল, হাসান শেখ, মুক্তা সরদার, ইমরুল ইসলাম রিপন, সোহাগ দেওয়ান, মাসুম উর রশিদ, ইব্রাহীম আহমে তপু, মাসুমউর রহমান ডলার, জামাল শেখ, বাদল সিপাহী, মনিরুল ইসলাম মন্টু, কার্তিক বিশ্বাস, লাবু আহমেদ, আনিসুর রহমান, রকিবুল ইসলাম, জনি মিয়া, সাকিব হাওলাদার, জামিল আহমেদ সোহাগ, মহিদুল হক শান্ত, ফাত্তাউল ইসলাম ফাইদ, মোশাররফ হোসেন, ফরিদুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম মুন প্রমুখ।

স্মৃতির মনিকোঠায় শৈশবের সোনালী অতীত

স্মৃতির মনিকোঠায় শৈশবের সোনালী অতীত

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার প্রত্যন্ত অজপাড়াগায়ের নাটানা গ্রামে জন্ম আমার। গ্রামের অপরূপ সৌন্দর্য্য সবারই মনে টানে আর যখন গ্রাম ছেড়ে, স্বদেশ ছেড়ে, প্রবাসে পাড়ি দেওয়া তখন মনে হয় গ্রামের প্রতি, গ্রামের মানুষের গায়ে মাটির গন্ধের প্রতি মোহতা আরও বেড়ে যায়। ছোট থেকেই দেখে এসেছি গ্রামের সবুজে শ্যামলে ঘেরা, সুজলা সুফলা মনোমুগ্ধকর প্রকৃতি। সেই সময়ে ধানের ক্ষেতের ভিতর দিয় এঁকেবেঁকে চলা মেঠো পথ, বন্ধুদের সাথে দলবদ্ধ ভাবে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া থেকে শুরু বাবা মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুপুরের রোদে মাঠে গিয়ে ঘুড়ি উড়ানো, বাড়ির কাজের লোকের সাথে মহিষ চরানোর স্মৃতি এখনো সুস্পষ্ট ভাবে মনের মনিকোঠায় ভেসে ওঠে।

ছবিঃ শিল্পির তুলিতে আঁকা গ্রামের চিত্র (উৎসঃ ফেসবুক পেজ)
 
ছবিঃ ধানের গাদা সহ গ্রাম্য পরিবেশের চিরাচরিত ছবি (উৎসঃ গুগল)

ছবিঃ মহিষের সাহায্যে ধান মাড়ায়ের চিত্র (উৎসঃ গুগল)

ছবিঃ গ্রামের বধুদের বাতাসে চিটা ধান উড়িয়ে ধানের ভুসি ঝাড়ার ছবি (উৎসঃ উইকিপিডিয়া)

ছোট থাকতে দেখেছি অনেক ধান উঠত আমাদের বাড়িতে। ঠেলা গাড়িতে করে ধান কেটে বাড়ি তুলত, তারপরে সেগুলোর গাদা (এক জায়গায় জমিয়ে উঁচু করে রাখা) দিয়ে রাখত কয়েকদিনসময় সুযোগ এবং আবহাওয়া বুঝে সেগুলো নিজেদের মহিষ দিয়ে মলন (মাড়াই) দিত। অনেক ধুমধাম চলত এই সময়, ধান মাড়াই করে গোলায় (ধান রাখার ঘর) তুলতে পারাটা ছিল যেন বাড়ির সবারই সবচেয়ে বড় একটা স্বস্তির কাজ। মা-কাকিমা, ঠাকুরমা-ঠাকুরদাদা, বাবা-কাকা কারো যেন দম ফেলার সময় থাকত নাচারিদিকে পাকা ধানের গন্ধে মুখরিত থাকতধান মাড়াইয়ের পরে সেগুলো থেকে ভুসি (ধানের চিটা/অপরিপক্ক ধান) ঝেড়ে ওইদিনের ভিতরে গোলায় তোলা হত। সবকিছু নির্দিষ্ট সময়ের ভিতর শেষ করতে হবে সেই অনুযায়ী কাজের লোক নেওয়া হত। যেদিন ধান মলনের কাজ চলত সেদিন সকাল থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সবাই ব্যস্ত থাকতকোন কোন সময় ধান মাড়াইয়ের রাতে বাবাকে হ্যাঁচাকের (আগেকার দিনে ব্যবহৃত কেরোসিনের সাহায্যে জ্বালানো বিশেষ আলো) ব্যবস্থা করতেও দেখেছি। আমরা ছোট থাকলেও মনের ভিতর ওইদিন একটা উৎসব মুখর পরিবেশ কাজ করত। তাই ওইদিন পড়ালেখা, স্কুল যাওয়া থেকে অঘোষিত ছুটি ভোগ করতাম। 

ছবিঃ শীতের সময় তৈরি গ্রাম্য বিভিন্ন সুস্বাদু পিঠা (উৎসঃ গুগল)

 
ছবিঃ সারারাত রসে ভিজানো চিতই পিঠা (উৎসঃ ফেসবুক পেজ)

ছবিঃ শীতের সকালের আগুন পোহানোর চিত্র (উৎসঃ গুগল)

ছবিঃ গ্রামের বঁধুদের ঢেঁকিতে ধান ভানার দৃশ্য (উৎসঃ গুগল)

ধানের ভুসি ঝেড়ে ফেলে দেওয়ার পরে সেগুলো ঠাকুরমা জমিয়ে রাখত এবং সুবিধামত সময়ে রাস্তার পাশে যেখানে বেশি বাতাস বয়ে যাচ্ছে সেখানে পাটি (ধান বিছানোর মাদুর) বিছিয়ে ওই ভুসি থেকে দ্বিতীয় বারের মত আরও কিছু ধান সংগ্রহ করত। নিজেদের চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি ধান হত আমাদের তাই ধানের গলা ভরার পরে উদ্বৃত্ত ধান বিক্রি করে দেওয়া হত। নৌকায় করে অনেক পাটের বস্তা সহ ধান কিনতে ব্যাপারী আসতবেতের ঝুড়ির তৈরি পাঁচ সেরের পাল্লা ছিলধান বিক্রির সময় বাবা ধান মাপত, ধান মাপার সময় বাবার বাম হাতে পাল্লার মোটা দড়িটা ধরে ডান হাতে পাল্লায় ধান কাটাতে কাটাতে ১/২/৩ গোনার সুরটা এখনো মনে পড়ে। নতুন ধান ওঠার পরপরই শুরু হয়ে যেত পিঠা পুলি তৈরির ধুম। আমাদের এলাকায় বেশি প্রচলিত ছিল চিতই পিঠা, তেলের পিঠা, পুলি পিঠা, রসের পিঠা এবং পাটিসাপটা পিঠাএগুলোর ভিতর আমার খুবই প্রিয় ছিল চিতই পিঠা। সাথে থাকত চালের গুড়ো, দুধ এবং খেজুরের গুড় দিয়ে বানানো খির। সারারাত খেজুরের রসে ভেজার পরে সকালে উঠে টসটসে পিঠা গুলো থালায় করে খেতে দিতেন মা। অনেক তৃপ্তি নিয়ে আমরা ভাইবোনেরা একসাথে শীতের সকালে রোদে গিয়ে সারিবদ্ধ ভাবে বসতাম পিঠা খেতে

বাড়িতে ঢেঁকি ছিল, তালে তালে পা ফেলিয়ে ঢেঁকিতে ধান ভানা চলত, চলত পিঠা বানানো চাল গুড়ো করার কাজও। শীতের সকালে ফ্যানে ভাত (জাও ভাত) রান্না করত মা। আগে থেকে তৈরি করে জমিয়ে রাখা তালের গুড় দিয়ে বাড়ির সবাই মিলে সেই ভাত খেতামসন্ধ্যায় পাড়ায় আলাদা করে বসানো হতো চিড়ে বানানোর ঢেঁকি। ঢেঁকির পাশেই রাখা চুলোয় ধান অল্প সিদ্ধ করে ঢেঁকির নির্দিষ্ট স্থানে দিয়ে ঢেঁকিতে চার পাঁচ বার পাড়া দিতেই তৈরি হয়ে যেত চিড়া। আমরা গোল হয়ে অধীর আগ্রহে বসে থাকতাম কখন সেটা খাওয়ার উপযোগী হবে তার জন্য। চিড়া তৈরি হওয়ার পরে সেগুলোকে কুলোয় ঝেড়ে গরম গরম খাওয়ার যে মজা সেটা এখনো ভুলতে পারি নাই। শীতের ভোরে গায়ে চাদর জড়িয়ে সব বন্ধু বান্ধবরা একসাথে বের হতাম আগুন পোহাতে। সবাই মিলে আগের দিন জমিয়ে রাখা খড়, লতাপাতা, কাগজের টুকরো দিয়ে সাজাল (আগুন পোহানোর জন্য সবাই গোল হয়ে আগুনের চারপাশে বসা) পোহানোর কাজ চলত সূর্যের আলো দেখার আগ পর্যন্ত  

ছোট থাকতে দেখেছি তখনও আমাদের ১৫ টা মত মহিষ ছিল। এসবের বেশীরভাগই ধান বপনের জন্য জমি চাষ এবং দুধ উৎপাদনের জন্য পালা হত। সারাবছরই তিন থেকে চারটা মহিষ দুধ দেওয়ার উপযোগী থাকত সেজন্য প্রচুর দুধ হতে দেখেছি। সকালে গোয়ালা আসত দুধ কিনতে, আর বাড়িতে খাওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হত ছোট্ট একটা কলসের (প্রায় ৪ লিটার) এক কলস মত দুধ। কোন কোন দিন গোয়ালা আসত না সেদিন বাড়িতে ঘি, মাখন বানানোর জন্য দুধের ঘোল টানা হতএকটা হাঁড়ির ভিতর দুধ রেখে সেটাতে বাঁশের একটা লাঠির মাথায় বিশেষ ব্যবস্থা করে কপি কল তৈরি করে দড়ি দিয়ে দুধের ভিতর কিছুক্ষণ ঘোরাতেই দুধ থেকে মাখন ভেসে উঠত। পরে সেই মাখন আগুনে জালিয়ে ঘি বানানো হত। ঘি বানানোর পরে যে ছিটেটা (মাখনের ভাজা অবশিষ্ট অংশ) থাকত ওটা আমার খুব প্রিয় ছিল, তাই কেউ জানার আগেই লুকিয়ে ওটাকে কুড়মুড় করে সবার আগেই খেয়ে নিতামমাখন ওঠানোর পরে হালকা লবন মিশিয়ে ঘোলের স্বাদ ও মুখে লেগে থাকার মত ছিল 

 

ছবিঃ তাল গাছ থেকে রস বের করার চিত্র (উৎসঃ গুগল)

গরমের দিনে আমাদের অনেক তালের রস হতে দেখেছি
দিনে প্রায় ৭-৮ কেজি মত গুড় হত। মেজো কাকা ছিল রস থেকে গুড় তৈরিতে সবথেকে বেশি পারদর্শী ছিলআমরা বাচ্চারা সবাই বসে থাকতাম রস জ্বালিয়ে কখন গুড় হবে সে প্রতীক্ষায় কারণ গুড় ঢালার পরে পাত্রের অবশিষ্ট গুড় চেটেপুটে খাওয়ার জন্য তখন জড় হয়ে যেত সমবয়সী পাড়ার অনেকেইঠাকুরমা বিকেলে ব্যস্ত হয়ে পড়ত লবন বানানোর কাজে। মাঠের উপরে জমা হওয়া লবন যুক্ত মাটির আস্তরণ ঠাকুরমা আগে থেকে জড় করে রাখত। এরপর আমি সেগুলো বস্তা ভরে সাইকেলে করে বাড়ী পর্যন্ত পৌঁছে দিতাম। এরপর সেগুলো থেকে ছাঁকন প্রক্রিয়ায় বিশেষ কায়দায় লবন জল বের করে নিয়ে বাড়িতেই লবন বানাতো আমাদের। এইসব প্রক্রিয়াগুলো ছিল যেন অশিক্ষিত মানুষের বিজ্ঞানের যথাযথ ব্যবহারের বাস্তব উদাহরণউঠানে বড় বড় চুলা তৈরি হত, তালের রস আর লবনের জল জালানোর জন্য। আমরা ক্ষেত থেকে নতুন লাগানো গাছের গোড়া থেকে মাটি খুঁড়ে ছোট ছোট নতুন আলু বের করে সেই লবন জলের ভিতর দিতাম, পরে সিদ্ধ হলে সেই লবনের স্বাদ যুক্ত আলু খুবই তৃপ্তি সহকারে খেতাম। খড় দিয়ে জ্বালানো হত ওই বড় বড় চুলাগুলো

 

ছবিঃ বড়দের চোখ ফাঁকি দিয়ে দুপুরের রোদে ঘুড়ি ওড়ানোর দৃশ্য (উৎসঃ গুগল)

 

ছবিঃ শৈশবে মার্বেল খেলার চিত্র (উৎসঃ গুগল)

ছবিঃ পরিত্যাক্ত কলাগাছ দিয়ে বানানো ভেলায় পুকুরে ভেসে বেড়ানো (উৎসঃ গুগল)

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই বড়দের চোখ ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে পড়তাম মাঠে ঘুড়ি উড়াতে। মেজ কাকা অনেক বড় বড় ঘুড়ি বানিয়ে দিত আমাকে। বড় ঘুড়ির টানে শক্ত নাইলনের সূতা নাটাই সহ নিজ হাতে ধরে রাখাটা মাঝে মাঝে দুস্কর হয়ে পড়ত। প্রায়ই ছেলেমেয়ে সবাই একসাথে খেলতে বের হতাম লুকোচুরি, বউচি, কানামাছি, বেগুন ঢিবঢিবি, ডাংগুলি সহ আরও হরেক রকমের আঞ্চলিক খেলা প্রচলিত ছিল আমাদের ওখানে এছাড়া মার্বেল খেলায় ও বেশ মেতে উঠতাম আমরা সবাই। মাঝেমধ্যেই  সব বন্ধুরা মিলে চড়ুই ভাতি খেলার ফন্দি আটতাম, সবার বাড়ী থেকে নির্দিষ্ট পরিমান চাল, ডিম, তরকারী সহ হাজির হতাম সাথে মাথাপিছু ৩/৪ টাকা করে উঠাতাম রান্নার বাকি মসলা পাতি কেনার জন্য। সবাই সামনে কলাপাতা বিছিয়ে অধীর আগ্রহ নিয়ে বসে থাকতাম কখন রান্না শেষ হয়ে সেই লোভনীয় অর্ধ সিদ্ধ খাবার পাতে আসবে তার জন্য।

 

ছবিঃ শৈশবে দুরন্তপনার চড়ুই ভাতি খেলার চিত্র (উৎসঃ গুগল)

বর্ষার সময় সকালে বাড়ীর সবাই পান্তা খেতামসারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখা ভাত সকালে পান্তা হয়ে যেত সেটা ঘোল বা দুধ দিয়ে খাওয়ার স্বাদটা ছিল অসাধারণ। বাড়ীর সবাই তালের গুড় দিয়ে পান্তা খেলেও আমার খুব প্রিয় ছিল নারকেল কোরানো দিয়ে পান্তা খাওয়া। এজন্য বাড়ীর গাছ থেকে নারকেল পেড়ে আগে থেকে জমিয়ে রাখতাম সেগুলো পান্তা ভাতের সাথে খাব বলে। আমাদের অনেক বড় কলা গাছের বাগান ছিল এবং ঠাকুরদাদা এই বাগানের দেখাশুনো করতঅপেক্ষায় থাকতাম কখন ঠাকুরদাদা গাছ থেকে কলা কেটে নেওয়ার পরে গাছ গুলো ফেলে দেবে। ফেলে দিলে সেই কলাগাছ দিয়ে ভেলা বানিয়ে পুকুরে নৌকার মত ভেসে ভেসে সারা দুপুর মাতিয়ে বেড়াতাম। বিকালে ঠাকুরমার সাথে বের হতাম ছিপ নিয়ে খালে বিলে কই, শোল, পুটি সহ টেংরা মাছ ধরতে। এছাড়াও দীঘি, বড় জলাশয়, খাল বিল থেকে গলা জলে নেমে নিজেদের বহনযোগ্য শাপলা, ঢ্যাপ, শালুক তুলে আনতাম শাপলা ফুলের গাছের লম্বা ডাটা দিয়ে মালা করে সেগুলো গলায় পরে সবাই ঘুরে বেড়াতাম।