কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রায় মিথ্যা মামলায় হয়রানীর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার ৫নং কয়রা গ্রামের মজিবার হাওলাদারের পুত্র আবু সাঈদ হওলাদার। গতকাল ৩ ফেব্রয়ারী বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি জানান, একই এলাকার মৃত আক্কাছ ঢালীর পুত্র সাইফুল ঢালী গত ১৭ জানুয়ারী কয়রা উপজেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার পিতা মজিবার রহমান হাওলাদার সহ ৪ জনকে আসামী করে ১টি মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলাটি একটি কল্প কাহিনী তৈরী করে আমার পিতা সহ অন্যদেরকে হয়রানী করার উদ্দেশ্য করা হয়েছে। যা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত ঘটনাটি হচ্ছে যে, ৫নং কয়রা গ্রামের সামাদ পাড়ের বাড়ি হইতে নরিম সরদারের বাড়ি অভিমুখে রাস্তাটিতে প্রায় ৩ শ থেকে ৪শ লোকের বসবাস। উক্ত রাস্তাটিতে মানুষের চলাচলের সুবিধার্তে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি কর্মসৃজন কর্মসুচী প্রকল্পের মাধ্যমে মাটি দিয়ে সংস্কার করা হয়। ঐ কাজ শেষ হওয়ার পর মামলার বাদী সাইফুল ঢালী তার বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার হাফ অংশ জুড়ে ঘেরা দিয়ে রাখার পাশাপাশি রাস্তার মাটি কেটে নেয়। এটি স্থানীয় এলাকাবাসি বাঁধা সৃষ্টি করে। এতে বাধ সাজে সাইফুল। এক পর্যায় রাস্তা ঘেরা ও মাটি কেটে নেওয়ার ব্যাপারে নিষেধ করলে সে সহ তার পরিবারের সদস্যরা তা আমলে না নিয়ে তার কাজ চালিয়ে যায়। এমনকি ঐ বিষয়টি নিয়ে এক পর্যায় বাক বিতন্ড সৃষ্টি হলে মামলার আসামী সহ উপস্থিত লোকজনদের উপর সাইফুল গংরা হামলা চালায়। এতে আমার পিতা মজিবার রহমান হাওলাদার সহ ইমদাদুল হক সরদার আহত হয়। ঐ ঘটনায় আসামী পক্ষ যাতে মামলা না করে সে ব্যাপারে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের মাধ্যমে বিষয়টি সুরহার জন্য সাইফুলের পক্ষ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এলাকার শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার জন্য আসামীদের পক্ষ থেকে স্থানীয় এলাকাবাসির দাবির প্রেরিক্ষেতে মিমাংসার স্বার্থে তাতে সম্মত প্রদান করেন। মিমাংশার কথা বলে কালক্ষেপন করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাইফুল ঢালী হঠাৎ ইমদাদুল হক, আমার পিতা সহ ৪ জনকে আসামী করে মিথ্যা কাহিনী সাজিয়ে উক্ত মামলাটি দায়ের করেছেন। ঐ মামলায় বর্তমানে ইমদাদুল সরদার জেল হাজতে রয়েছে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি এলাকাবাসি অবহিত আছে। প্রকৃত ঘটনাটি তদন্ত করলে সকল রহস্য উৎঘাটন করা সম্ভব হবে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। এ ব্যাপারে সাইফুলের নিকট জানতে চাইলে মিথ্যা মামলায় তাদেরকে হয়রানী করা হয়নি বলে

শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট