অভিনেতা এ.টি.এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ

আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ আজ (২০ই ফেব্রুয়ারি-২০২১) আনুমানিক সকাল ০৯:৪৭ মিনিটে রাজধানীর সূত্রাপুরে নিজ বাস ভবনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন, দেশের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে অবদান রাখা খ্যাতিমান সুনামধন্য সকলের প্রিয় অভিনেতা এ.টি.এম শামসুজ্জামান । শনিবার জোহর বাদ তার জানাজা শেষে জুরাইন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে । উল্লেখ্য গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অ্যাজমাজনিত শ্বাসকষ্টের কারণে আজগর আলী হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয় । 

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতি মন্ত্রী, সাবেক পাঁচ বার নির্বাচিত এম.পি হ মরণোত্তের একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাষা সৈনিক মরহুম এম শামছুল হক সাহেবের সুযোগ্য পুত্র জনাব শরীফ আহমেদ । এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, দেশ বরেণ্য অভিনেতা এ.টি.এম শামসুজ্জামানে মৃত্যুতে বিনোদন কেন্দ্র চলচ্চিত্র সহ সারা দেশে এক শোকের ছায়া বিরাজ করেছে । মহান আল্লাহ্ পাক তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক এবং আমি শোকাহত পরিবারের সকলের প্রতি সমবেদনা জানাই । 

এ.টি.এম শামসুজ্জামান (১৯৪১ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী লক্ষীপুর উপজেলার জেলার ৯নং ভোলাকোট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর 'বিষকন্যা' সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে প্রথম কাজ শুরু করেন । তিনি প্রথম কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছিলেন 'জলছবি' সিনেমার জন্য । অভিনেতা হিসেবে এ.টি.এম শামসুজ্জামানের অভিষেক ১৯৬৫ সালে। এরপর ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত 'নয়নমণি' চলচ্চিত্রে খলনায়ক হিসেবে তিনি আলোচনা আসেন । ২০০৯ সালে 'এবাদত' নামের প্রথম সিনেমা পরিচালনা করেন এ.টি.এম শামসুজ্জামান । ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত 'দায়ী কে' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি । এরপর ২০১২ সালে রেদওয়ান রনি পরিচালিত 'চোরাবালি' ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্যে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এ.টি.এম শামসুজ্জামান । এছাড়াও ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এই অভিনেতা ।

শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট