আশাশুনির বড়দলে ভেড়া চোরকে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা ক্ষতিগ্রস্তরা পেল ৭০০০ টাকা

আহসান উল্লাহ বাবলু আশা শুনি  সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ  উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে ভেড়া জবাই করে চুরি করে বিক্রয়ের সময় চোর আটক হয়েছে। পরে শালিসে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করে চোর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভেড়ার মালিক পেল মাত্র ৭ হাজার টাকা।

খাজরা ইউনিয়নের গজুয়াকাটি থেকে বুধবার রাতে ২টি ভেড়া চুরি করে চেউটিয়া গ্রামের বর্বমান ফটিকখালী গ্রামের মোস্তফা ওরফে মুক্তাজুল সরদারের পুত্র শীষ সরদার (২২), বড়দল মাঝেরডাঙ্গা গ্রামের দুর্গাপদ ঢালীর পুত্র দিপংকর ঢালী ওরফে ছোট ও বাইনতলা (গাতিরমহল) গ্রামের মোস্তফা মোল্যার পুত্র মন্টু (১৮)। মদ-গাাঁজাসহ নানা অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ত। চোরেরা ভেড়া দু'টি জবেহ করে বস্তায় ভরে মোটর সাইকেলে বড়দলে পৌছে বাচ্চু ডাক্তারের বাড়ির সামনে পৌছে মটর সাইকেল রেখে বস্তা মাথায় নিয়ে কসাই হাসানের বাড়িতে যায়। স্থানীয়দের সন্দেহ হলে সেখানে অভিযান চালায় কারা। চোর মন্টু পালাতে সক্ষম হলেও অন্য দু'জন ভেড়াসহ আটক হয়। গ্রাম পুলিশ হারুন তাদেরকে পরিষদে আনার পর স্থানীয় ভাবে শালিসে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করে চোরদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা থেকে মাত্র ৭ হাজার টাকা ভেড়া মালিকদের দেওয়া হয় বলে জানাগেছে। 

বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আঃ আলিম জানান, যারা চোর ধরতে গিয়েছিল তাদের একটি মোবাইল হারিয়ে যায়, যার মূল্য ২০ হাজার টাকা, ভেড়ার দাম ৭০০০ টাকা। দু'টো মিলিয়ে ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিকে এলাকার লোকের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চেয়ারম্যান তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান সুমন ও তার অনুসারীদেরকে দিয়েছে ২০ হাজার টাকা অথচ ক্ষতিগ্রস্ত ভেড়ার মালিক পেল মাত্র ৭ হাজার টাকা। চেয়ারম্যান পিতা ও তার পুত্র ছাত্রলীগ নেতা আশিকুজ্জামান সুমনের বিচারের নামে প্রহসনের এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা এলাকার শিক্ষিত ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী সংবাদ
পরবর্তী সংবাদ