গোপালগঞ্জে ওয়ান টাইম মাক্স ব্যবহার করে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

শান্তনু রায়,জেলা প্রতিনিধি,গোপালগঞ্জঃ করোনা (কোবিড-১৯) প্রতিরোধে ওয়ান টাইম মাক্স ব্যবহার করে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে একটি ওয়ান টাইম মাক্স ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যবহার করার পর এটি নির্দিষ্ট একটি স্থানে ফেলে দেওয়া উচিত কিন্তু গোপালগঞ্জে তার বিপরীত চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

(১০ জুন ) বৃহস্পতিবার সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের ভেড়ার বাজারের বিভিন্ন জায়গায় বিট পুলিশ অফিসার ও ডিউটি অফিসারের মোবাইল নম্বর লিফলেট বিতরন করতে গিয়ে ওয়ান টাইম মাক্স পরিধানের এই সচেতনতা চোখে পড়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলামের। 

তিনি অসচেতন সকল জনসাধারণকে সচেতন করে বলেন, করোণা থেকে বাঁচতে ওয়ান টাইম সার্জিক্যাল মাক্স একাধিকবার ব্যবহার করার ফলে করোনার চেয়ে বেশি ক্ষতিকারক ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি রয়েছে। আর বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায় বহুগুনে। তাছাড়া গোপালগঞ্জে ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্তের হার ইদানিং সকলকে অনেকাংশে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। তিনি স্বল্পমূল্যে বাজার থেকে ৩ লেয়ারের ওয়াশ অ্যাবল "সহজে পরিষ্কার ও একাধিকবার ব্যবহার যোগ্য" মাক্স ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়। 

এছাড়াও তিনি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলকে ঘরে থাকতে এবং জরুরি মাক্স পরিধান করে চলাফেরা করার অনুরোধ জানান।পরে তিনি অসচেতন বয়স্ক মানুষ কে নিজ হাতে মাক্স পরিয়ে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ ঘোষ, অন্যান্য পুলিশের সদস্য বৃন্দ সহ জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশের সদস্য গণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশকঃ

অফিসঃ হাজী সিরাজুল ইসলাম সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর মোড়, ছুটিপুর রোড, ঝিকরগাছা, যশোর।

পূর্ববর্তী প্রকাশনা
পরবর্তী প্রকাশনা