আসাদুজ্জামান শাওন :যশোরে ২৪ ঘন্টায় ৬০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ২৯১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ২ জন। এছাড়াও আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ২ জন।
এখন যশোরে শনাক্তের হার ৪৭ শতাংশ। এরই মধ্যে যশোর জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট পূর্ণ হয়ে গেছে। আইসোলেশন ওয়ার্ডের চিত্রও একই। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ঢাকার কেরানীগঞ্জের সাজেদা ফাউন্ডেশন। কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা না নিয়েই আগামী দুই মাসের জন্য যশোরের করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে কাজ করবেন তারা।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, 'আগামী দুই মাসের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে সাজেদা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। করোনা চিকিৎসা সেবা পরিচালনার জন্য ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ১০জন চিকিৎসক, ১০জন নার্স, প্যারামেডিকেল ডিপ্লোমাধারী ১২জন ব্রাদার এবং ১০জন ওয়ার্ড বয় ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী এ হাসপাতালে কাজ করবেন। এ ছাড়াও পাঁচটি হাই ফ্লো নাজাল যন্ত্রসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, অক্সিজেন, ঔষুধসহ বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামও সরবরাহ করা হবে।
এ বিষয়ে সাজেদা ফাউন্ডেশন পরিচালিত সাজেদা হাসপাতালের কোভিড ইউনিট প্রধান (ইনচার্জ) ইবনে নাকিব বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালের কোভিড ইউনিট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য জনবল এবং চিকিৎসার অত্যাধুনিক সরঞ্জাম নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে আমরা নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ২২ ও ঢাকার কেরানীগঞ্জে সাজেদা হাসপাতালের মাধ্যমে ১৩০ করোনা রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা করেছি। ঢাকায় এখন করোনা রোগী কম। এ জন্য আমরা সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে যশোরকে বেছে নিয়েছি। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দুই মাস যশোরে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।
