শাহজাহান শিকদার,যশোর:মণিরামপুর সংলগ্ন কেশবপুর উপজেলার ৮ নং সুফলাকাটি ইউনিয়নের সাবেক এক ইউপি চেয়্যারমানের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের মৎস্য ঘেরের বেড়ি বাঁধ কেটে নিজের ঘেরে মাছ ঢুকিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার সুফলকাটি ইউনিয়নের বিল খুকশিয়ায় (পশ্চিম) কালীচরণপুরের সংখ্যালঘুদের মৎস্য ঘেরের ভেড়ী বাঁধ কেটে দিয়ে এগারটি মৎস্য ঘেরের মাছ নিজের ঘেরে ঢুকিয়ে নেয়। ভুক্তভোগি ঘের মালিকগন সকালে তাদের ঘেরে যেয়ে ভেড়ি কাটা দেখে তারা হতভম্ভ হয়ে পড়ে। এলাকার ছোট ঘের মালিক বাধা দিতে গেলে সাবেক ঐ ইউপি চেয়্যারমানের পেটুয়া বাহিনী বিভিন্ন সময় সংখ্যালঘুদের হুমকি ধামকি দেয়। বিল খুকশিয়ায় কোন ফসল না হওয়াতে দীর্ঘদিন যাবৎ বিল খুকসিয়া (পশ্চিম) এ আমরা ছোট ঘেরে মাছ চাষ করিয়া সংসার চালিয়ে আসছি। বিগত তিন বছর যাবৎ প্রভাবশালী সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর রহমান ৪০০/৫০০ বিঘা জমিতে ঘের করিয়া আমাদের উপর অত্যাচার করে আসছে। পরিকল্পিত ভাবে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছর ও তার পেটুয়া বাহিনী দ্বারা রাতের আধারে ঘেরের ভেড়ি বাঁধ কেটে দিয়ে ছোট ঘেরের মাছ তার ঘেরে ঢুকিয়ে নিয়েছে এবং এলাকার সংখ্যালঘু ঘের চাষীদের সর্বশান্ত করার পায়তারা করছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় কালিচরণপুর ও আড়–য়া গ্রামের ঘের মালিক গন যেমন ১। আঃ ওহাব সরদার, পিং-মৃঃ ফজর আলী সরদার, গ্রাম- আড়–য়া ২। সুভাষ চন্দ্র মন্ডল,পিঃ ধীরেন্দ্র নাথ মন্ডল, গ্রাম-কালীচরনপুর ৩। দীপক মন্ডল, পিঃ মঙ্গল মন্ডল, গ্রাম-কালীচরনপুর ৪। বিধান সরকার,পিঃ রাজকুমার সরকার ,গ্রাম-আড়–য়া ৫। শচীন মন্ডল ,পিঃ নিরোধ মন্ডল ,গ্রাম কালীচরনপুর ৬। কমলেশ বাইন , পিঃ সুকুমার বাইন ,গ্রাম-কালীচরনপুর ৭। ধলা বালা, পিঃ মনোবাসী বালা, গ্রাম-কালীচরনপুর,৮। বরুণ মন্ডল পিঃ পঞ্চানন মন্ডল ৯। হরিচাদ বাকচি পিঃ তারক বাকচি ১০। গোবিন্দ মন্ডল পিঃ পঞ্চানন মন্ডল ১১। আনন্দ সরকার পিঃ জিতেন সরকার ও আরো অনেকে। সরেজমিনে জানা যায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আঃ সামাদ বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। সাবেক ইউ পি চেয়ারম্যান মনজুর রহমানের সহিত মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বর সন্জিত মন্ডল বলেন অভিযোগ কারীদের অভিযোগ সঠিক আমি তদান্ত পূর্বক এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার কামনা করি। এ ঘটনার পরে এলাকার সংখ্যালঘুদের ভিতরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ দুষ্কৃতকারীদে হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য শনিবার প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ হয়েছে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
