ঝিনাইদহে পূর্বশত্রুতার জের ধরে বাঁশঝাড়ের ২০০ টি বাঁশ কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষরা!

ঝিনাইদহে পূর্বশত্রুতার জের ধরে বাঁশঝাড়ের ২০০ টি বাঁশ কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষরা!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃপূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ঝিনাইদহে এবার বাঁশের সাথে শত্রুতা করেছে প্রতিপক্ষরা। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়নের বয়ড়াতলা গ্রামে। ভুক্তভোগি সোহরাব হোসেন অভিযোগ করেন, একই গ্রামের প্রতিবেশীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে মঙ্গলবার সকালে অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন লোক জোট বেধে দেশীয় অস্ত্রসহ আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করে। এ সময় উল্লিখিত ব্যাক্তিরা আমাদেরকে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। সেসময় তাদেরকে নিষেধ করলে তারা লাঠিসোটা দিয়ে আমাকে ও আমার স্ত্রী সালেহা বেগম, ভাই বউ আসমা খাতুন, ভাই আবুল কাশেম, ফারুক হোসেন, জিল্লুর রহমানসহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের পিটিয়ে জখম করে। এ সময় তারা আমার স্ত্রী ও ভাইয়ের বউয়ের গলাই থাকা দুটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয় এবং ঘরে ঢুকে তারা বাক্সভেঙ্গে নগদ টাকা লুট করে। পরে তারা বাঁশঝাড়ে গিয়ে প্রায় ২০০ টি বাঁশ কেঁটে নেয়। এ সময় আমাদের আত্ম-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যায়। এ ঘটনায় সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। ঝিনাইদহ সদর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ না পেলেও ঘটনাটি আমি শুনেছি। তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। দু'পক্ষের ৫ জনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। এটি জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের সমর্থন দিলেন ২ জন বিদ্রোহী স্বতস্ত্র প্রার্থী

লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের সমর্থন দিলেন ২ জন বিদ্রোহী স্বতস্ত্র প্রার্থী

রশিদুল ইসলাম রিপন,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধিঃলালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে সমর্থন দিলেন ২ জন বিদ্রোহী স্বতস্ত্র প্রার্থী। আসছে ১৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনকে ঘিরে ৪জন প্রার্থী দলীয় প্রতীক নৌকার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কাছে প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু আসন্ন লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রাথী হিসেবে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেনকে নৌকা প্রতীক দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ।

ফলে দলীয় প্রতীক নৌকা না পেয়ে বাকী ৩জন বিদ্রোহী স্বতস্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এরা হলেন, বর্তমান মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম তপন ও যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম স্বপন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মাধ্যমে বর্তমান মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম তপন তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের ঘোষনা দেন।

ওই সময় আওয়ামীলীগ মনোনিত টানা দুই বারের নির্বাচিত লালমনিরহাট পৌরসভার মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টুকে জেলা আওয়ামীলীগের ১নং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনিত করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. মতিয়ার রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হক পাটোয়ারী ভোলা, সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বপন, যুবলীগের সভাপতি মোড়ল হুমায়ন কবির, সাবেক প্রচার সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন খানসহ জেলা আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতাকর্মী প্রমূখ।

উল্লেখ্য, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ওই অনুষ্ঠানে মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু ও কাজী নজরুল ইসলাম তপন তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেও যুবলীগ নেতা রেজাউল করিম স্বপন তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও জাল বিনষ্ট

আশাশুনিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা ও জাল বিনষ্ট

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি  সাতক্ষীরা   প্রতিনিধিঃ আশাশুনিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরী করায় ২টি মিষ্টির দোকান মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও একই দিনে খোলপেটুয়া নদীতে রেণু পোনা নিধনের অপরাধে ৪টি অবৈধ জাল বিনষ্ট করা হয়। মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারের দুটি মিষ্টির দোকানের মালিককে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরী করায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে, বিকালে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীতে রেণু পোনা ধরার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪টি অবৈধ জাল জব্দ করে বিনষ্ট করা হয়েছে। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পটিয়ার ইমাম হোসেন অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার,রিমান্ড মন্জুর

পটিয়ার ইমাম হোসেন অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার,রিমান্ড মন্জুর

পটিয়া (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ- অর্থ আত্নসাত ও প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত পটিয়া নওজোয়ানে প্রধান নির্বাহী ইমাম হোসেনকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। ২৪ জানুয়ারী রবিবার পাঁচলাইশ থানা পুলিশের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানী শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট সরওয়ার জাহান ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানাযায়, অর্থ আত্নসাত ও প্রতারণা মামলায় মো: ইমাম হোসেনকে (৪৫) গত ২০ জানুয়ারী বুধবার গভীর রাতে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পাচঁলাইশ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত ইমাম হোসেন পটিয়া নওজোয়ানে প্রধান নিবার্হী ও দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের পশ্চিম ডেঙ্গাপাড়া গ্রামের মরহুম আলী আব্বাস চৌধুরী'র পুত্র। পরদিন আদালত শুনানী শেষে তাকে জেল হাজাতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। মামলা বাদী রেলওয়ে ঠিকাদার শাহাদাত হোসেন তানিম জানান, পটিয়া উপজেলার কচুয়াই এলাকার এক কানি সাত গন্ড জমি ক্রয়ের জন্য ইমাম হোসেনের সাথে ৬৫ লাখ টাকা বায়নানামা হয়। কিন্তু পরে জানতে পারেন এ জমি ফটিকছড়ি নানুপুর শাখার ওয়ান ব্যাংকে বন্ধক রেখে ঋণ নেন ইমাম হোসেন, এক পর্যায়ে ১২টি চেকের মাধ্যমে লাভসহ ৬৯ লাখ টাকা ফেরত দেন ইমাম। কিন্তু চেকগুলো ব্যাংকে দেওয়া হলে টাকা না থাকায় তা ডিজঅনার হয়। এ ঘটনায় তানিম বাদি হয়ে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় ইমাম হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন।

টাংগাইলে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.শাহিনের নির্বাচনী সভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

টাংগাইলে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.শাহিনের নির্বাচনী সভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

ডা.এম.এ.মান্নান,টাংগাইল জেলা প্রতিনিধি:আসন্ন টাংগাইল পৌরসভা নির্বাচনে ৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.শাহীনের টেবিল ল্যাম্প মার্কার  সমর্থনে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও  জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মংগলবার,২৬ জানুয়ারি ২০২১ খ্রি.সকাল ৮.০০ টা থেকে ৯ নং ওয়ার্ডে প্রত্যেক অলি গলিতে টেবিল ল্যাম্প মার্কার হ্যান্ডবিল নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা করা হয় এবং বেলা ২.৩০ মিনিটে হাজী আবুল হোসেন আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সম্মানিত ভোটারদের নিয়ে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জনসভায় কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো.শাহীন বলেন, এই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর  আসে কাউন্সিলর  যায় কিন্তু পৌরবাসীর অথাৎ এই মহল্লার  ভাগ্যের কোন পরিবর্ত হয় না। এর মূল কারণ হচ্ছে দুর্নীতি। আর যুবসমাজকে ধ্বংস করছে মাদক। আমি নির্বাচিত হলে নিজে দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না এবং মাদক মুক্ত সমাজ ও এলাকার রাস্তাঘাট সহ একটি আর্দশ ওয়ার্ড গড়ার লক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য কর্মসূচি হাতে নিব,ইনশাআল্লাহ। 
টেবিল ল্যাম্পের গণসংযোগ ও জনসভায় উপস্হিতি ছিলেন ৯ নং ওয়ার্ডের ছাত্র,শিক্ষক,চিকিৎসক,শ্রমিক,কৃষক,দিনমুজুরী,আলেম সমাজ,মাতাব্বর সহ সর্বস্বরের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ।

অধিকার আদায়ে অনলাইন প্রেস ইউনিটির সদস্য হওয়ার আহবান

অধিকার আদায়ে অনলাইন প্রেস ইউনিটির সদস্য হওয়ার আহবান

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  অনলাইন সাংবাদিকতা ও সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত অনলাইন প্রেস ইউনিটির নতুন সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচী শুরু হয়েছে।

২৬ জানুয়ারী বেলা ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ভার্চুয়াল লাইভে অনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শুভংকর দেবনাথ। কার্যকরী সভাপতি এ্যাডভোকেট নূরনবী পাটোয়ারী জানান, নীতিমালা দেয়া হয়েছে কিন্তু অনলাইন নিউজ পোর্টাল-এর জন্য কোন সুবিধা দেয়া হয়নি। বরং নিউজ পোর্টাল বন্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যেগ নেয়া হচ্ছে, এ থেকে উত্তরণের জন্য 'বায়ান্ন প্রেরণা-একাত্তর চেতনা সকল জাতীয় বীর শ্রদ্ধাজন-আমাদের লক্ষ্য একটাই সুষ্ঠু সংবাদ-সমৃদ্ধ দেশ প্রয়োজন।' শ্লোগানকে লালনে আগ্রহী যে কোন সংবাদযোদ্ধা অনলাইন প্রেস ইউনিটির সদস্য হতে পারবেন। সদস্য হতে নামÑঠিকানা-বয়স-শিক্ষা ও কর্মস্থলের নাম লিখে ০১৭৯৫৫৬৮১৩৭ নম্বরে কল করলেই প্রাথমিক সদস্য করে নেয়া হবে। এছাড়াও কেন্দ্রীয় দপ্তর ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা ১০০০ তে এসেও সদস্য হতে পারবেন। সংবাদযোদ্ধাদের অধিকার আদায়ে প্রতিষ্ঠাতা কলামিস্ট মোমিন মেহেদী অনলাইন প্রেস ইউনিটির সকল সদস্যকে নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে ৩ মে ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে'তে 'সংবাদযোদ্ধা র‌্যালী' করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাগর-রুণী সহ সকল সংবাদযোদ্ধার ঘাতকদের বিচারের দাবিতে সমাবেশ, করোনা পরিস্থিতিতে সংবাদযোদ্ধাদের জন্য ফ্রি পিপিই, প্রণোদনার দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান সহ গত ১০ বছরে সংবাদপত্র ও সংবাদযোদ্ধাদের দাবি আদায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে অনলাইন প্রেস ইউনিটি।

বগুড়ার ধুনটে নৌকার প্রচারণায় ছাত্রলীগ

বগুড়ার ধুনটে নৌকার প্রচারণায় ছাত্রলীগ

মোঃ সবুজ মিয়া বগুড়া প্রতিনিধিঃবগুড়ার ধুনট পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক টিআইএম নূরুন্নবী তারিকের নৌকা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। দুপুরে ধুনট বাজার ও পৌর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ করে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন তারা।

নৌকা'র পক্ষে এই নির্বাচনী প্রচারণায় নেতৃত্ব দেন বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস। এসময় বগুড়া সরকারি আজিজুর হক কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা তারিক, সরকারি শাহসুলতান কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা আতিক, বগুড়া শহর ছাত্রলীগ নেতা ইমন, ধুনট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ স্বপন, যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব, প্রচার সুলতান মাহমুদ, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহŸায়ক হাসান মাহমুদ রাব্বী, ধুনট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সোহাগ, গোসাইবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সম্রাট, এলাঙ্গী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল, ছাত্রলীগ নেতা খোকন, সোহান, সৌরভ, রাসেল, শাহাদৎ, আরিফ, জীবন, অ্যাপলো, মাহিনসহ প্রমুখ নেতাকর্মী অংশ নেয়।

আশাশুনিতে শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান সাকিলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

আশাশুনিতে শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান সাকিলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন

আহসান উল্লাহ বাবলু., আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃআশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও  উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা সাকিলের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পুইজালা হাড়ির হাটখোলায় এ নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী। নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন কালে সভাপতির বক্তব্যে ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল বলেন, আমি বিগত ১৮ বছর যাবত আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান হিসেবে সততা নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে শ্রীউলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে চলেছি। ইউনিয়নের প্রতিটি দুর্যোগকালীন সময়ে আমি নিজের অর্থ দিয়ে ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবকিছুর মোকাবেলা করেছি। আমার সবথেকে বড় সম্পদ জনগণ আর সেই জনগণের জন্যই আমি আমৃত্যু পর্যন্ত কাজ করে যাব। তিনি আরও বলেন,জনগণের দুঃখ-দুর্দশা ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যারা অপরাজনীতি করে তাদের বিরুদ্ধে আজকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যারা আজ নির্বাচন করতে আসছে তারা যদি অর্থ দিয়ে সেদিন যদি এই নদী ভাঙ্গন কবলিত মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতো তাহলে আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাতাম। কিন্তু সেই সময় এই প্রার্থীরা জনগণের পাশে না যেয়ে আজকে টাকা দিয়ে মানুষ কিনতে এসেছে এদের থেকে আপনারা সাবধান থাকবেন। আপনারা আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে এর সঠিক জবাব দিবেন। তিনি আগামী নির্বাচনে তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন ও শ্রীউলা ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাকে পুনরায় নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু,শ্রীউলা ইউনিয়নের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক কুমার মন্ডল,উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়হান সাদ, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি সঞ্চয় মিশ্র প্রমুখ।

আশাশুনির হাজরাখালি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজের পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান

আশাশুনির হাজরাখালি ভেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজের পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান

আহসান উল্লাহ বাবলু , আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ সুপার সাইক্লোন আম্পানে ভেঙে যাওয়া আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালী ভেড়ীবাঁধের ভাঙ্গন নির্মানের কাজ পরিদর্শন করেন আশাশুনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মোস্তাকিম। পরিদর্শনকালেে তিনি বলেন, আম্পানে শ্রীউলা ইউনিয়নের হাজরাখালি বাঁধ ভেঙে ৮ মাস যাবত এই অঞ্চলের মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করেছে। অনেকে নিজের ভিটা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।অবশেষে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাঁধ নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এখন এই বাঁধ নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির দিকে। তিনি এই কাজে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অব. কর্নেল মুনির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, উপজেলা আ'লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, পাউবো'র এসও গোলা রাব্বি হাসান প্রমুখ।

আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিলনের কর্মী সমাবেশ

আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিলনের কর্মী সমাবেশ

আহসান উল্লাহ বাবলু, আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ  আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান স,ম সেলিম রেজা মিলনের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার রাতে সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের কোদন্ডায় সমাজসেবক আনন্দ মোহন অধিকারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান স.ম.সেলিম রেজা মিলন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান মিলন বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি কোন অন্যায় অনিয়ম করি নাই, জমি দখল ও সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলি নাই। আমি সবসময় আপনাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম।তিনি আশাশুনি সদর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে পরিণত করার লক্ষ্যে অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের জন্য আগামী নির্বাচনে পুনরায় তাকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান। কর্মীসমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান,শাহিনুর আলম শাহিন, সমাজসেবক আব্দুল মজিদ, আজিজ সানা, তুলসী পদ বাইন, স্বরফউদ্দিন, দীপঙ্কর, সুভাষ অধিকারী, সত্যজিৎ মাস্টার, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুল, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তবিবুর রহমান প্রমুখ।

মাননীয় মন্ত্রীর নজমুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

মাননীয় মন্ত্রীর নজমুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ

আকরাম হোসাইন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের  সাবেক চেয়ারম্যান, জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক,  উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা জনাব  নজমুল ইসলামের
মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি।
মন্ত্রী এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

রাজাপুরে ঘর পেয়ে আনন্দে কাঁদলেন সেই রহিমা বেগম

রাজাপুরে ঘর পেয়ে আনন্দে কাঁদলেন সেই রহিমা বেগম

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারl: 'ঘর পেয়ে আনন্দে কাঁদলেন রাজাপুরের সেই রহিমা বেগম। অসুস্থ্য স্বামী নিয়ে কোনো সময় কন কনে শীতে তীব্র ঠান্ডা বাতাশে, কোনো সময় বৃষ্টিতে কাক ভেজা হয়ে থাকতে হতো গৃহহীন স্বামীর ভিটায়। স্বামীর ঘরের ভিটা মাটি ছাড়া আর কোন আয়ের উৎসো নেই তাদের। ওই ভিটায় ছিলো ভাঙ্গা টিনের পলিথিনের চালা ও ভাঙ্গা বেড়ার ছোট এক কক্ষ বিশিষ্ট একটি ঝুপড়ি ঘর। সেই ঘরে অতি কষ্টে বসবাস করে আসছিলো অসুস্থ্য মন্নাফ ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম'। সরেজমিনে ঝালকাঠির রাজাপুরের গালুয়া ইউনিয়নের জীবনদাসকাঠি গ্রামের ২নং ওয়ার্ডে গেলে রহিমা বেগম জানান, সাথি নামে তার একটি মেয়ে ছিলো, তাকে বিবাহ দেয়া হয়েছে। জামাই গাড়ির হেলপার। আসলাম (১৯) নামে তার একটি ছেলে ছিলো। ২০ বছর আগে সাগরে মাছধরতে গিয়ে আজো ফিরে আসেনি। তার স্বামী মন্নাফ (৮০) কাঠ মিস্ত্রী কাজ করে সংসার চালাতেন। স্বামী দশ বছর আগে কাজ করতে গিয়ে ঘরের মাচান থেকে পড়ে অসুস্থ্য হয়ে যায়। অর্থাভাবে ভালো ডাক্তার না দেখাতে পারায় সেই থেকে আস্তে আস্তে প্যারালাইজে পরিনত হয়ে যায়। পঞ্চাশউর্ধো রহিমা চলতে কষ্ট হলেও বেঁচে থাকার লড়াই করে আসছেন। অসুস্থ্য স্বামীর ন্যুনতম ঔষধ কিনতে ও তার মুখে দু'মুঠো আহার তুলে দিতে এবং নিজে বেঁচে থাকতে অন্যের ঘরে জিএর কাজ, কখনো মাটি কাটার কাজসহ যখন যে কাজ পান তাই করেন। অর্ধাহার অনাহারে থাকলেও ছিলো না মাথা গোঁজার ঠাই। একটি ঘর পাওয়ার আশায় এলাকার মেম্বর, চেয়ারম্যানসহ অনেকের দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়েও কোন লাভ হয়নি। তাকে নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ঘর নাই, খাবার নাই বিষয়টি প্রকাশিত হলে সামান্য খাদ্য নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোক্তার হোসেন নিজেই হাজির হন রহিমার বড়িতে। তিনি ওই পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন। আশ্বাস দেন প্রধান মন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি ঘর দেয়ার। গত ২৩ জানুয়ারী উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের চারাখালি গ্রামের ১নং ওয়ার্ডে সরকারের নির্মিত ঘরের ১১নং ঘরের চাবিটি রহিমার হাতে তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী  কর্মকর্তা মোঃ মোক্তার হেসেন। ঘরের চাবিটি হাতে পেয়ে আনন্দে-আবেগে কেঁদেফেলেন রহিমা। উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, রাজাপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে প্রধান মন্ত্রীর দেয়া সরকারি জমিতে নির্মিত মোট ৩শ' ৩০টি ঘর এলাকার গৃহহীনদের মাঝে বিতরন করা হবে। তার অংশ হিসাবে চারাখালি গ্রামে প্রথম বারের মত ৩১টি জমিসহ ঘর ও তার দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি ঘরে দুটি কক্ষ, একটি রান্না ঘর ও একটি লেট্রিন রয়েছে। একটি ঘর নির্মানে বরাদ্ধ ১লাখ ৭১ হাজার টাকা।

নলছিটিতে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি সভা

নলছিটিতে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি সভা

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টার: ঝালকাঠির নলছিটিতে উপজেল বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি'র উদ্যোগে ও প্লান ইন্টার ন্যাশনাল বাংলাদেশ ও আরডিএফ'র যৌথ উদ্যোগে এক সচেতন মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভার) সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোর্সেদা লস্কর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ শিউলি পারভিন। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেন,  মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাঈমুন্নাহার, সাপর্ট ইন্টিগ্রেশন স্পেশালিস্ট  উম্মে আছমা খানম, উপজেলা সমন্বয়কারী আশ্রাফুল ইসলাম, সুবিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ মান্নান সিকদার, প্রভাষক মোঃ আমির হোসেন, সাংবাদিক অরবিন্দ পোদ্দার তপু প্রমুখ।

এছাড়াও শিক্ষক- শিক্ষার্থী, ইমাম, পুরোহিত, এনজিও প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেনী পেষার মানুষ সভায় অংশ নেন। এসময় নলছিটি উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহবান জানানো হয়।

শৈলকুপায় ৪০ শতাংশ জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ, ব্যাপক সাফল্যের আশা

শৈলকুপায় ৪০ শতাংশ জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ, ব্যাপক সাফল্যের আশা



সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃবর্তমানে জনপ্রিয় সবজি'র মধ্যে ক্যাপসিকাম অন্যতম। ক্রমেই বড় শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ছে প্রত্যন্তপল্লীর মাঠে ঘাটে। শৈলকুপা কৃষি অফিসের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মসলেহ উদ্দিন তুহিন ও শিক্ষিত বেকার যুবক নেওয়াজ শরিফের তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা বাহারী ক্যাপসিকাম ক্ষেত নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহের শেষ নেই। বাস্তবতার স্বপ্ন রাঙাতে পৌর এলাকার পাঠানপাড়া গ্রামে দৃষ্টিনন্দন ৪০ শতাংশ জমিতে দোল খাচ্ছে ক্যাপসিকামের আবাদ। জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞানে পাশ করা ছাত্র উপজেলায় প্রথম মিষ্টি মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়ায় আগ্রহী হচ্ছে আরো অনেকে।
সরেজমিন পরিদর্শনে নেওয়াজ শরিফ জানায়, করোনাকালীন মহামারীর মধ্যে একদিকে অর্থাভাব অন্যদিকে বেকারত্বের ফাঁদে পড়ে তার সহযোগি বন্ধু রাশেদুল আলম বনির সাথে আলোচনা করে আদর্শ চাষী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। প্রথমে তার বাবা শরিফুল ইসলাম রাজি না হলেও একপর্যায়ে ছেলের স্বপ্ন পূরনের জন্য ৫ হাজার চারা লাগানোর উপযোগি জমি তৈরিতে সাহায্য করেন। বিজ্ঞান ভিত্তিক একটি উন্নত প্রজাতির কৃষি খামার গড়ে তোলার লক্ষেই তার সামনে হাসছে সবুজ ক্যাপসিকাম। আগামী ফেব্রুয়ারি মার্চ মাসের মধ্যেই ক্ষেতে থেকে সম্পূর্ণ ক্যাপসিকাম সংগ্রহ করা যাবে। সে বিবেচনায় তাইওয়ানের এ জাত থেকে অন্তত ৫ টন ফল উত্তোলনের লক্ষমাত্রা রয়েছে। যার স্বাভাবিক বাজার মূল্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বেঁলে দোয়াশ মাটির এ মিষ্টি মরিচ থেকে ৪ মাসে বিশাল অংকের টার্গেটকে কাজে লাগিয়ে সে হতে চায় সফল চাষী। পরিচ্ছন্ন পরিপাটি ক্ষেতের চারিদিকে বেষ্টনী, রয়েছে সেচ ব্যবস্থা ও পাহাড়াদার। মেধা শ্রম ও সাধনার সমন্বয় ঘটিয়ে নেওয়াজ শরিফ জানায়, চাকুরির বাজার খুব কঠিন তাছাড়াও করোনাকালীন অবসরে তার সৃজনশীল চিন্তা ছড়িয়ে দিতে চায় অন্যান্য শিক্ষিত বেকার যুবকদের মাঝে। তার বিশ^াস সাবলম্বী হওয়ার জন্য শুধু চাকুরিতে নয় কৃষিতেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। একারনে যথার্থভাবে লেখাপড়াকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি খামার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে তার নিরন্তর যাত্রা শুরু হয়েছে। দেশে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, মিষ্টি মরিচের আকার ও আকৃতি বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। তবে সাধারণত ফল গোলাকার ও ত্বক পুরু হয়। দেশীয় প্রচলিত সবজি না হলেও বর্তমানে এর চাষ প্রসারিত হচ্ছে। বিশেষ করে বড় বড় শহরের আশেপাশে সীমিত পরিসরে কৃষক ভাইয়েরা এর চাষ শুরু করেছে। যা অভিজাত হোটেল ও বিভিন্ন বড় বড় মার্কেটে বিক্রি হয়ে হচ্ছে। এ ছাড়া মিষ্টি মরিচের বিদেশে রপ্তানীর সম্ভাবনাও প্রচুর। সারা বিশ্বে টমেটোর পরেই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সবজি হচ্ছে মিষ্টি মরিচ বা ক্যাপসিকাম। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ মিষ্টি মরিচ খাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে।   
শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আকরাম হোসেন জানান, অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ক্যাপসিকাম চাষের উপযোগি সময়। আগে থেকে তৈরি করে রাখা বীজতলায় ১০ সেমি. দূরে দূরে লাইন করে বীজ বুনতে হবে। ৭-১০ দিন পর চারা ৩-৪ পাতা হলে মাঝারি আকারের পলিথিন ব্যাগে চারা স্থানান্তর করতে হবে। প্রতিটি বেড চওড়া ২.৫ ফুট মাঝখানে নালা রাখা দরকার। সাধারণত ৩০ দিন বয়সের চারা তৈরি করা বেডে ১.৫ ফুট দূরে দূরে লাইনে রোপণ করা হয়। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা অনেক কমে যায় বলে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে রাখলে ভেতরের তাপমাত্রা বেশি থাকে। যেহেতু, ক্যাপসিকাম খরা ও জলাবদ্ধতা কোনটাই সহ্য করতে পারে না, তাই প্রয়োজন অনুসারে জমিতে সেচ দিতে হবে। কোন গাছে ফল ধরা শুরু হলে খুঁটি দিতে হবে যাতে গাছ ফলের বারে হেলে না পড়ে। জমি সব সময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। তিনি বলেন পাঠানপাড়া গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক নেওয়াজ শরিফের ক্ষেতটি নিয়মিত দেখভাল করা হয়। এখান থেকে বহু যুবক কৃষিকর্মীর সাথে পরামর্শ করে অনুপ্রানিত হবে মনে মনে করি।

বাঁকড়ায় ৪কেজি গাঁজাসহ দুই মহিলাকে আটক করেছে বাঁকড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ

বাঁকড়ায় ৪কেজি গাঁজাসহ দুই মহিলাকে আটক করেছে বাঁকড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ

আব্দুল জব্বার, স্টাফ রিপোর্টার।।যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নং বাঁকড়া ইউনিয়নের উজ্জলপুর গ্রামের বাগের মোড় পাকা রাস্তার উপর থেকে ৪কেজি গাঁজাসহ ২ জন মহিলাকে আটক করেছে, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এ এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ২৫-০১-২০২১ইং তারিখে সকালে বাঁকড়া টু ঝাঁপা উজ্জ্বলপুর বাগের 
মোড় সড়কের পাকা রাস্তার উপর থেকে 
জইরন বেগম ও মাহফুজা বেগম নামে ২ জন মহিলাকে আটক করা হয়েছে। দুই মহিলাদের 
গ্রাম পুলিশ দিয়ে শরীর তল্লাশি করে, তাদের কাছে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে থাকা ৪ কেজি
গাঁজা পাওয়া যায়।

আটককৃতরা হলেন, জইরন বেগম বেনাপোল পোর্ট থানার গাজীপুর মধ্য পাড়ার ইনছার মুন্সীর ভাড়াটিয়া। তার স্বামীর নাম ইসহক মোড়ল এবং মাহফুজা বেগম বেনাপোল পোর্ট থানার এপি দূর্গাপুরের পিকে এসের সামনে মান্দার গাজীর কন্যা ও তার তালাক প্রাপ্ত স্বামী 
আব্দুস সাত্তার। তাদের স্থায়ী কোন ঠিকানা নেই।
তারা পেশাদার মাদক কারবারি বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ঝিকরগাছা থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। মামলা নং ১৭, তারিখ -২৫-০১-২০২১ ইং।

রাজাপুর অপহরন হওয়া ২ মাস ৭ দিনের শিশু উদ্ধার,হাজতে বাদীর জিম্মায় শিশু

রাজাপুর অপহরন হওয়া ২ মাস ৭ দিনের শিশু উদ্ধার,হাজতে বাদীর জিম্মায় শিশু

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন স্টাফ রিপোর্টারঃ  ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর থানার বড় কৈবর্তখালী গ্রামের মৃত,আঃজব্বার মুন্সীর পুত্র মোঃনাছির উদ্দিন মুন্সীর সাথে পরিচয় হয় একই গ্রামের খাদিজা বেগমের সহিত।গত ৩০ শে ডিসেম্ভর ২০১৯ তারিখে খাদিজাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে।পরবর্তীতে খাদিজাকে ঢাকায় চাকুরি দেয়ার কথা বলে একটি মশার কয়েল কারখানায় চাকুরি দেয় এবং  খাদিজার সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিনিয়ত ধর্ষন করে।

নাছিরের সহিত পার্শ্ববর্তী  জনৈক মাহাবুব ফরাজীর সহিত জমিজমা নিয়া বিরোধ থাকায় খাদিজাকে বাধ্য করে খাদিজার সহিত মাহাবুব ফরাজীর সহিত বিবাহের একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ঢাকার বিজ্ঞ আদালতে খাদিজাকে বাদী করে একটি মিথ্যা যৌতুক মামলা দায়ের করে।উক্ত মামলার খবর জানতে পেরে মাহাবুব ফরাজী আদালত হইতে জামিন লাভ পরবর্তী অব্যাহতি পান।পরবর্তীতে মাহাবুব ফরাজী তার নামে জাল জালিয়াতী করে মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করার বিষয়ে ঝালকাঠীর রাজাপুর বিজ্ঞ আদালতে খাদিজা ও নাছির গংদের নামে মামলা করেন এবং নাছির গ্রেফতার হন।ইতিমধ্যে খাদিজা গত  ১৬ ই জুলাই প্রেগনেন্সী টেষ্টে ২৩ সপ্তাহ ৪ দিনের গর্ভবতি ধরা পরে ও গত ৩০ শে অক্টোবর একটি পুত্র সন্তান প্রসব করে নাম রাখা হয় নাজমুল।৩০ শে ডিসেম্ভর নাজমুলকে ডাঃ দেখানোর কথা বলে ফাতেমা বেগম, মজিবর,রুস্তুম নাজমুলকে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষনের আলামত নষ্ট করার চেষ্টা চালায়।পরবর্তীতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের বিষয়টি জানিয়ে গত ৭ ই জানুয়ারি ঝালকাঠী  বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিজ্ঞ বিচারক মোঃশহিদুল্লাহ র আদালতে নাঃশিঃনিঃদঃআইন ২০০০ এর ৯(১)/৭/৩০ ধারায় নালিশি আকারে মামলা দায়ের করিলে বিজ্ঞ বিচারক এজাহারের আদেশ দেন।ইতিমধ্যে মাহাবুব ফরাজীর দায়ের করা মামলায় খাদিজা আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে জামিন না মন্জুর হওয়ায় জেল হাজতে যান।

এদিকে অপহরন হওয়া নাজমুলকে রাজাপুর থানা পুলিশ নলছিটি পুলিশের সহায়তায় ফাতেমা বেগমের নলছিটি বাড়ি হইতে উদ্ধার পূর্বক ফাতেমাকে গ্রেফতার করেন চৌকস তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আঃআউয়াল।গ্রেফতার পরবর্তী বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করিলে খাদিজার মা শিশু সন্তানটিকে তার জিম্মার আবেদন করিলে বিজ্ঞ বিচারক মোঃশহিদুল্লাহ   খাদিজার উপস্থিতে অপহরন হওয়া নাজমুলকে তার মা খাদিজার হেফাজতে দেয়ার আদেশ প্রদান করেন।

মধুপুরে নৌকার প্রার্থী সিদ্দিক হোসেন খানকে বিজয়ী করার লক্ষে ব্যস্ত উপজেলা আওয়ামীগ

মধুপুরে নৌকার প্রার্থী সিদ্দিক হোসেন খানকে বিজয়ী করার লক্ষে ব্যস্ত উপজেলা আওয়ামীগ

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃটাঙ্গাইলের মধুপুরে ৩০শে জানুয়ারি  পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মধুপুর পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ সিদ্দিক হোসেন খানকে বিজয়ী করার লক্ষে ব্যাস্ত সময় পার করছেন উপজেলা আওয়ামীলীগ। মধুপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠন গুলো একত্রে   গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করে নৌকার প্রার্থী আলহাজ সিদ্দিক হোসেন খানের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনায় ব্যাস্ত সময় পার করছেন। মধুপুর পৌর এলাকার শহীদ স্মৃতি রোড এবং আশ পাশ এলাকায় গনসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠন। এসময় উপস্হিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক, আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল গফুর মন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদ মির্জাবাড়ী  ইউনিয়নের  সাবেক চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলাম সাদিক, গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা খান বাবলু, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম, বেরীবাইদ ইুউপি চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন, ফুলবাগচালা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বেনু,  আতিকুল ইসলাম সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

সাংবাদিকের স্বাধীনতা সুযোগ ও দায়িত্ব

সাংবাদিকের স্বাধীনতা সুযোগ ও দায়িত্ব

সাংবাদিকের কাজ মানুষের জীবনের জন্য জরুরী। ভালোভাবে জীবন চালানোর জন্য মানুষের তথ্য ও মতামত জানা - বোঝা এবং জানানো বোঝানো প্রয়োজন হয় ।সাংবাদিকতা  মানে মানুষকে এই তথ্য সেবা দেওয়া। চারপাশে কি ঘটেছে, ঘটতে যাচ্ছে, মানুষের জীবনকে তা কিভাবে প্রভাবিত করবে- মানুষকে প্রতিনিয়ত তা জানতে এবং বুঝতে হয়। না হলে নিজের ব্যক্তিজীবনে ও সম্মানিত সমাজের জীবনের জন্য জরুরী বিভিন্ন বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়না 


মানুষ বিচিত্র জগত সম্পর্ক, যে জগতের পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চায়- তার কৌতুহল মিটে জীবন ও জগতের সম্ভাবনাগুলো সে বুঝতে পারে ।

গণতন্ত্রের চর্চা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি  নির্ভর করে সর্ব সাধারণের তথ্য পাওয়া এবং জানানোর অধিকারের উপর: মানুষের ভালো থাকার জন্য জরুরি বিষয়গুলোতে সমাজের সব অংশের মধ্য সচেতনতা আলোচনা-বিতর্ক তথ্যের আদান-প্রদান, জনমত গঠন ও সেটা প্রকাশের  সুযোগের উপর ।এই  প্রক্রিয়ায় সাংবাদিকতা মুখ্য  ভূমিকা নিতে পারে। 

মানুষের এ চাহিদা  ও প্রয়োজনগুলো মেটানোর অলিখিত  প্রতিশ্রুতির জোরেই কিন্তু সাংবাদিক নিজের কাজে স্বাধীনতা অধিকারী হন, সত্য খোঁজার বিশেষ সুযোগ অধিকার দাবি করতে পারেন। সাংবাদিকের খুঁটির জোর নিহিত রয়েছে এই দায়িত্ব পালন করার মধ্যে। 

অন্যদিকে এই অধিকারের জোরে সাংবাদিক যখন কাজ করেন, তিনি বহু মানুষের জীবনকে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করেন।সাংবাদিক এর দায়-দায়িত্ব নিতে হয়। 

সুতরাং সাংবাদিকের নৈতিকতার কেন্দ্রে আছে মানুষ এবং মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ। সাংবাদিকের কাজ মানুষকে নিয়ে, মানুষের জন্য ।রোজকার কাজ এবং সার্বিক ভাবে তার পেশাগত অধিকার ও দায়িত্বের  ভিত্তিও এখানেই ।
লেখক : সাংবাদিক আব্দুল আহাদ

জমে উঠেছে কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন, কে হবেন পৌর পিতা ?

জমে উঠেছে কোটচাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন, কে হবেন পৌর পিতা ?

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার,খুলনা ব্যুরো প্রধানঃজমে উঠেছে কোটচাঁদপুর পৌর সভা নির্বাচন, কে হবেন পৌর পিতা। ঘড়ির কাটায় নির্বাচনের দিনক্ষন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ভোটারদের মধ্যে বাড়ছে নাভিঃম্বাস। এদিক থেকে বিএনপি প্রার্থী ফুরফুরে মেজাজে থাকলেও শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে আওয়ামীলীগে। কারণ দলটিতে নৌকা প্রতিকের বিরুদ্ধে খাড়া হয়েছে একই দলের বিদ্রোহী প্রার্থী। তবে তাদের কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ইতিপূর্বে।  তারাও শক্ত অবস্থানে আছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ ভোট করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। ফলে আপাতত ভোট কাটাকাটি ও কেন্দ্র দখলের আগাম অভিযোগ নেই প্রার্থীদের মাঝে। কোটচাঁদপুর সরজমিনে ঘুরে দেখা  গেছে, এখন বইছে নির্বাচনী আমেজ।  প্রচারণা চলছে পুরোদমে। 'বিদ্রোহী' প্রার্থী থাকায় একক প্রার্থী দিয়ে সুবিধা নিতে মরিয়া বিএনপি। কোটচাঁদপুর  পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী রয়েছেন চারজন। তাঁরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মোঃ শাহাজান আলী (নৌকা)  বিএনপির , এস কে এম সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল ( ধানের শীষ) বহিষ্কৃত বর্তমান  পৌর মেয়র, জাহিদুল ইসলাম জিরে( নারকেল গাছ)  বহিষ্কৃত 'বিদ্রোহী' প্রার্থী মো: সহিদুজ্জামন সেলিম( মোবাইল ফোন) ।  নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী পুরোদমে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামিলীগ নেতাদের নিয়ে করছেন সভা সমাবেশ।  আর বিএনপি প্রার্থী গণসংযোগ করছে নীরবে। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, আওয়ামী লীগের  বহষ্কৃত 'বিদ্রোহী' প্রার্থী  সহিদুজ্জামান সেলিম নির্বাচনের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।গত নির্বাচনে ফেল করার পর থেকে মাঠ ছাড়েননি তিনি পৌর বাসির সাথেই ছিলেন তিনি।  তিনিও একজন শক্ত প্রতিদদ্বী। ফলে সবাই ভাবছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি দেখা দেওয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন। , পৌর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের 'বিদ্রোহী প্রার্থী'র পক্ষে কাজ না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শাহাজান আলী  দাবি করেন, 'আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। এ ছাড়া সংগঠনের অনেকেসহ সাধারণ জনগণও আমার পক্ষে। পৌর এলাকায় চোখে পড়ার মতো কোন উন্নয়ন হয়নি। জনগনের ট্যক্সের টাকা তছরুপ করা হয়েছে। ভুয়া বিল ভাউচারে টাকা লোপাট করা হয়েছে। এ সব খবর ভোটাররা জানে। তাই এ নির্বাচনে আমি জয়ী হবো।' বর্তমান মেয়র স্বতন্র প্রাথী আমি এই পৌরসভার  দুইবার নির্বাচিত মেয়র। পৌরসভার অনেক উন্নয়ন করেছি। উন্নয়ন মূলোক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে আমাকে আবারও ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করবে জনগন। বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক মেয়র এস কে এম সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল বলেন , এই নির্বাচন নিয়ে সাধারণ ভোটারের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভোট দেওয়ার মতো অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। এমন অবস্থা থাকলে ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক ভোটার উপস্থিত হবেন। তিনি আরো  বলেন একযুগ ধরে বিএনপি নির্যাতিত। মামলা হামলায় আমরা বিপর্যস্ত। তারপরও ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করছি। সুষ্ঠ স্বাভাবিক নিরেপক্ষ নির্বাচন হলে ধানের শীষের বিজয় আসবেই বলে মনে করছেন তিনি। সাধারণ ভোটার রা জানান নির্বাচন কে কেন্দ্র করে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না।  স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে দল মত নির্বিশেষে। পৌর সভার উন্নয়ন মূলোক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে পারবে, এমন প্রাথী কে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচত করা হবে। তবে খুব অল্প ভোটে মেয়র নির্বাচিত হবে। চতূর মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা আছে, ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় আছে ভোটাররা।

নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যবিপ্রবির অর্জন ঈর্ষণীয়: যবিপ্রবি উপাচার্য

নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যবিপ্রবির অর্জন ঈর্ষণীয়: যবিপ্রবি উপাচার্য

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ
নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অর্জন গর্ব করার মতো এবং ঈর্ষণীয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, শিক্ষক-গবেষকদের উদ্ভাবিত জ্ঞান জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। সোমবার যবিপ্রবি দিবস-২০২১ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে 'রিসার্চ কন্ট্রিবিউশন অব জাস্ট ইন দ্য ডেভেলপমেন্ট অব বাংলাদেশ'শীর্ষক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রধানত: তিনটি লক্ষ্য স্থির করে প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রথমটি হলো- যে জ্ঞানটি বর্তমানে আছে, সেটি অর্জন করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। দ্বিতীয়টি হলো- নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে শিক্ষার্থী এবং বিশ্বের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং তৃতীয়টি হলো- সামাজিক দায়বদ্ধতা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তায় এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে এগিয়ে যাচ্ছে।

সেমিনারে যবিপ্রবির শিক্ষক-গবেষক ড. মোঃ জাবেদ হোসেন খান, ড. ইমরান খান ও ড. আমিনুল ইসলাম তাঁদের গবেষণার ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক ড. মোঃ তানভীর হাসান। সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক ফারহানা ইয়াসমিন।  

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২১-এর কর্মসূচি শুরু হয় সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন উপলক্ষে কাটা হয় কেক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ভবনের সামনে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ১৪টি চারা রোপণ করা হয়। বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন পর্বের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, অধ্যাপক ড মোঃ জিয়াউল আমিন, ড. মো. জাফিরুল ইসলাম, ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ড. সুমন চন্দ্র মোহন্ত, ড. মো. মেহেদী হাসান, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব, শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. মোঃ নাজমুল হাসান, শেখ হাসিনা ছাত্রী হলের সহকারী প্রভোস্ট ফাতেমা-তুজ-জোহরা, সহকারী প্রক্টর ড. মো. তানভীর ইসলাম, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ড. মো. আব্দুর রউফ, যবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের নেতা আফিকুর রহমান অয়ন, সোহেল রানা, নাজমুস সাকিব, শিলা আক্তার ও কামরুল হাসান শিহাব, সাংবাদিক সমিতির নেতা মোসাব্বির হোসাইন, নাজমুল হোসাইন প্রমুখ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জায়গা জুড়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়।

১৫৪ বার ‘ধুম থ্রি’ দেখে বগুড়ার কিশোরের ব্যাংক ডাকাতির ভয়ংকর বর্ণনা!

১৫৪ বার ‘ধুম থ্রি’ দেখে বগুড়ার কিশোরের ব্যাংক ডাকাতির ভয়ংকর বর্ণনা!

বগুড়া প্রতিনিধিঃ বয়স সবে ১৬। এই বয়সেই অপরাধ দুনিয়ার নানা দরজায় ঘুরে ফেরা এক কিশোর নিজেই জানান দিয়েছে তার ভয়ংকর সব কীর্তির। তার এসব তথ্য জেনে শুধু হতভম্বই নন, রীতিমতো যেন বোকা বনে গেছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরাও। আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে মাথায় সব জাদুকরী জ্ঞান। বিশ্বব্যাপী সব বড় বড় সাইবার অপরাধীর সঙ্গে রয়েছে তার সখ্য। সুদর্শন এবং তুখোড় মেধাবী ওই কিশোরের ৫২টি ফেসবুক আর ২২টি ই-মেইল আইডি দিয়ে তার অপরাধের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। আর ডার্ক ওয়েব জগতের নিষিদ্ধ গলিপথটাও তার চেনা। হোয়াইট ডেভিল নামের হ্যাকিং গ্রুপের চতুর এই সদস্য বগুড়া শহরের বিস্ময়কর বালক! বগুড়ার গাবতলীর একটি ব্যাংক ডাকাতির দুর্বৃত্ত খুঁজতে গিয়ে পুলিশ আবিষ্কার করেছে এই কিশোরকে। ওই ডাকাতির ঘটনার ১৮ দিন পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী ওই কিশোর। পড়াশোনার পাশাপাশি সে স্কাউটিং, বিএনসিসি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও তথ্য-প্রযুক্তিতে দারুণ দক্ষ। ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ডসহ রাজশাহী বিভাগের সেরা স্কাউটের খেতাব পায়। তার বাবা বগুড়া শহরের নিউ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী। বাড়ি শহরতলীর মাটিডালি এলাকায়। তার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে বগুড়ার গাবতলীতে। সেই টানে কৌশিক প্রায়ই গাবতলী যেত। ঠিক এ কারণেই সেখানকার ব্যাংকে ডাকাতির চিন্তা মাথায় আসে তার।

পুলিশ জানায়, গাবতলীর ডাকাতি ছিল কৌশিকের অ্যাডভেঞ্চারের অংশ। এ কারণে অত্যাধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসে তৈরি বলিউডের ছবি 'ধুম-৩' গুনে গুনে ১৫৪ বার দেখে সে নিজেকে প্রস্তুত করে। যদিও ওই ছবির দৃশ্যে ঝুঁকি থাকায় সিনেমার শুরুতেই সতর্কবাণী জুড়ে দেয় সেন্সর বোর্ড। ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (ভিএফএক্স) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে চিত্রগ্রহণটি চলচ্চিত্র তৈরির একটি লাইভ-অ্যাকশন শটের প্রেক্ষাপটের বাইরে তৈরি করা হয়। এই দৃশ্যমান প্রভাবগুলো (ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস) বেশির ভাগ বিনোদন শিল্প, সিনেমা, টিভি শো ও গেমে ব্যবহার করা হয়।

'ধুম-৩' থ্রিলার ছবিতে সর্বাধুনিক ভিএফএক্সের মাধ্যমে দুঃসাহসিক সব ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্যে অভিনয় করেন বলিউড কিং আমির খান। সেখানে ই-বাইক (যা মাটি ও পানিতে সমানভাবে চলে) ব্যবহার করে ডাকাতির দুঃসাহসিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। মূলত এই ছবি দেখে এবং সাইবার অপরাধে বিচরণ করে বেড়ানো ওই কিশোরের সাধ জাগে ব্যাংক ডাকাতির ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাডভেঞ্চারের।

গত (৫ জানুয়ারি) বগুড়ার গাবতলীতে ছুরিকাঘাত ও দাহ্য পদার্থ ছুড়ে দুই নিরাপত্তারক্ষীকে আহত করে রূপালী ব্যাংকের একটি শাখায় ডাকাতির চেষ্টা করে। মুখোশ পরা অবস্থায় তার নিক্ষিপ্ত দাহ্য পদার্থ ও ছুরিকাঘাতে ক্ষতবিক্ষত হন দুই আনসার সদস্য। ওই দিন ভোরে সে মুখোশ এবং হাতে বিশেষ রুফটপ গ্লাভস পরে প্রথমে ছাদে ওঠে। এই গ্লাভস ব্যবহার করলে স্পাইডারম্যানের মতো দেয়ালে উঠতে মই ব্যবহার করতে হয় না। এরপর কাটার দিয়ে ছাদের সিঁড়িঘরের তালা কেটে ভেতরে ঢোকে কৌশিক। শেষে ব্যাংকের ভেতরের ভল্ট ভাঙার চেষ্টা করেও সে ব্যর্থ হয়। ঘটনার ১৮ দিন পর গাজীপুরের টঙ্গীর চাচার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে বগুড়া পুলিশের একটি বিশেষ দল।

ওই কিশোর পুলিশকে জানায়, সে ডার্ক ওয়েব থেকে নেয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ব্যাংক ডাকাতির সময় সেখানে পাহারারত আনসারের গায়ে নাইট্রোজেন সলিউশন ছুড়ে মারে। এটি শরীর পুড়ে ফেলার পাশাপাশি প্রচণ্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি করে। কাঁদানে গ্যাসের মতো এই এসিডও তার নিজের ল্যাবে তৈরি। এ ছাড়া সে ব্যাংকের দেয়াল ও মেঝের ওপর এসিটোন আল অ্যালকাইন সলিউশন ঢেলে দেয়। যাতে দেয়াল ও মেঝে পিচ্ছিল হয়ে যায়।

ডার্ক ওয়েবে অবাধ বিচরণ ছিল কৌশিকের। ডার্ক ওয়েব ইন্টারনেটের এমনই এক অংশ, যেখানে কোনো সার্চ ইঞ্জিন, সাধারণ ব্রাউজার এক্সেস নিতে পারে না। ওই ওয়েবে নিজের পরিচয় পুরোটা লুকিয়ে ঢোকা যায় বলে সেখানে অনাসায়েই সর্বোচ্চ অপরাধ ও নিষিদ্ধ কাজ করা যায়। ডার্ক ওয়েবে হোয়াইট ডেভিল নামে একটি হ্যাকিং গ্রুপের মাধ্যমে কৌশিকের ইচ্ছা ছিল বিশ্বের শীর্ষ অপরাধীদের খাতায় নাম লেখানো। এ কারণে সে একটি আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রাশিয়া থেকে চাহিদা দিয়ে এনেছিল পারক্লোরিক এসিড, ক্লোরোফম, এডিনল ইথানল ও পটাশিয়াম ডাইক্লোরেট নামের বিভিন্ন ভীতিকর রাসায়নিক পদার্থ। নিজের বাড়িতে বসে সে তার ব্যক্তিগত ল্যাবে এসব নিয়ে গবেষণা চালাতো।

এছাড়া আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে 'ধুম-৩' ছবিতে ব্যবহৃত ই-বাইক, অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স টুলস চীন থেকে অর্ডার করেছিল। বাংলাদেশ কাস্টমসের অনুমতি না মেলায় সেগুলো তার হাতে আর পৌঁছেনি। তার সংগ্রহে ছিল বিভিন্ন সার্ভেইল্যান্স ইকুইপমেন্ট, নাইফ ও ভেস্ট। এগুলো ব্যবহার করেন পুলিশের বিশেষ দল ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া সে বাংলাদেশি একটি ই-কমার্স সাইট থেকে কিনে নেয় ট্রেসার গান। হাইভোল্টেজ তৈরি করা এই গান ব্যবহার করে যেকোনো মানুষকে প্রতিহত করা সম্ভব।

নিউক্লিয়ার সায়েন্সের বাতিক : নিউক্লিয়ার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনার বাতিক ছিল কৌশিকের। ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে সে নিষিদ্ধ এসব বই সংগ্রহ করে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Brittanica, The light USA, The unknown, The versa, La diaga, Critix। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কৌশিক জানায়, নিউক্লিয়ার সায়েন্সের ওপর পড়াশোনা করতে গিয়ে তাকে রাশিয়ান ভাষা শিখতে হয়েছে। একই সঙ্গে নিউক্লিয়ার বোমা তৈরির জন্য সে থিসিস নোট লিখে ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে জমা দিত। তার একটি ২৩ পাতার আর্টিকেল ও তিন পাতার নকশা ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে আট হাজার ডলারে বিক্রি হয়। বাংলাদেশি টাকায় যা সাড়ে সাত লাখের কিছু বেশি। দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকে তার মায়ের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কৌশিক এই টাকা তুলে নেয়। এর পর ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমেই তার কাছে আরো কিছু থিসিস মেটার নেয়ার চাহিদা আসে। থিসিস নোট থেকে পাওয়া টাকার পুরোটাই সে ব্যয় করে অন্ধকার জগতের অ্যাডভেঞ্চারের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে। নতুন কিছু জানতে সাইবার অপরাধীদের সঙ্গে কাটিয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

ওই কিশোর পুলিশকে জানায়, সে সেনা কমান্ডোর মতোই নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে বিপজ্জনক দোনলা বন্দুক তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে চেতনানাশক গ্যাসও তৈরি করতে পারে। এটি স্প্রে করলে যে কেউ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চেতনা হারাবে।

কৌশিকের আরো একটি বিস্ময়কর আবিষ্কার হলো বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশ্রিত ইনস্ট্যান্ট ফায়ার। এটি তরল পদার্থ, যা দিয়ে মাটি, বালি, পানি, কংক্রিটসহ যেকোনো বস্তুর ওপর আগুন জ্বালানো সম্ভব। এই ইনস্ট্যান্ট ফায়ার ব্যবহার করে একই ব্যাংকে সে দুই-তিন মাস আগে আরেকবার আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করেছিল। কয়েক বছর আগে ডার্ক ওয়েবে পাওয়া একটি লিংকের মাধ্যমে কৌশিক বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি মোবাইল ফোনের প্রধান সার্ভার হ্যাক করে। ওই কিশোরের দাবি, তার হ্যাকিংয়ের গ্যাঁড়াকলে পড়ে ওই ফোন কম্পানি আট ঘণ্টা তাদের প্রধান সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল।

বগুড়ার এসপি আলী আশরাফ ভূঞা বলেন, ছেলেটির কীর্তিতে সত্যিই আমরা অবাক! এই বয়সে এত বড় বড় অপরাধ পরিকল্পনা, ভাবাই যায় না!' তিনি বলেন, তাকে ধরতে বগুড়া পুলিশের বিশেষ দলকে রীতিমতো ঘাম ছড়াতে হয়েছে।অতিরিক্ত এসপি আলী হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে গাবতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন ১৮ দিন চেষ্টার পর তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।
এসপি আরো জানান, একজন পেশাদার অপরাধীর চেয়েও চতুরতা বেশি নিয়েছিল ওই কিশোর। পিঠে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় ডাকাতিতে ব্যর্থ হয়েছিল সে। পরে সে বগুড়া শহরে এসে তার এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে সে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছদ্মনাম ব্যবহার করে চিকিৎসা নেয়। এরপর বাসে পালিয়ে চলে যায় গাজীপুরের টঙ্গীতে তার চাচার বাসায়। সেখানে সে তার সব অনলাইন যোগাযোগ বন্ধ রেখে গোপনে ই-পাসপোর্ট করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।

কিন্তু প্রতি রাতে তার এক মেয়ে বন্ধুর সঙ্গে চ্যাটিং তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। শুধু এই একটি সূত্র ধরে পুলিশ এই ভয়ংকর বালককে গ্রেফতারে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের পর তার পরিবারের কেউ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। শুক্রবার ভোরে গ্রেফতারের পর ওই দিন সন্ধ্যায় তাকে বগুড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসমা মাহমুদের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে সব ঘটনার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় সে। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, বয়সের কারণে কৌশিককে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হতে পারে।

এ ব্যাপারে ওই কিশোরের মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ছেলে মেধাবী হলেও বখে গেছে। তাদের কথা শোনে না। তারা ছেলের অপরাধের ব্যাপারে আর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।

চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী’র পক্ষে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী’র পক্ষে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ চট্টগ্রামস্থ কাজীর দেউডী সুগন্ধা হলে ২২ই জানুয়ারি ২০২১ ইংরেজি রোজ শুক্রবার বেলা ৩ঘটিকায়। আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী, রেজাউল করিম চৌধুরী'র পক্ষে চট্টগ্রামস্থ প্রগতিশীল সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রগতিশীল সামাজিক প্রতিনিধি সংগঠন ইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মোঃ আরিফুল ইসলাম হৃদয়ের সভাপতিত্বে, আসলাম হোসেন আসাদ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয় এই আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ বাংলাদেশ সরকার ও সিটি কর্পোরেশনের সাথে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠন সমুহকে কাজ করার আহবান জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ। বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুস আরও বলেন,উন্নয়ন এর ধারা অব্যাহত রাখতে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী'কে নৌকা মার্কাই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।এতে আরও বক্তব্য রাখেন প্রগতিশীল সামাজিক সংগঠন "গনজাগণের বাংলাদেশ" চট্রগ্রাম জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ রায়ান মাহবুবইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ তহিদুল ইসলাম রিয়াদইচ্ছা মানব উন্নয়ন সংস্থার চট্রগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মোঃইয়াছিন আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক জোনাঈদ খানআমাদের আলোকিত সমাজ এর মোঃ বাপ্পি, মানব সেবাই হোক আমাদের অহংকার-চট্টগ্রাম মহানগর এর শাহিন রেজা, ইয়ুথ প্যাষ্ট এর প্রতিনিধি ইমন খালিফামানবতার কর্ণধার ও মানবতার কর্ণধার রক্তদাতা ফোরামের মোছাঃ আলিজা তালুকদার আজমিরা, প্রত্যাশা ক্লাবের আকাশ চৌধুরি রিদয় সহ বিভিন্ন প্রগতিশীল সামাজিক সংগঠন এর সদস্য ও প্রতিনিধিরা। এসময় সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন উন্নয়নের ধারা চলমান রাখতে চট্টগ্রামের প্রগতিশীল সামাজিক সংগঠন সমুহ যৌথ উদ্যোগে রেজাউল করিম চৌধুরীকে সমর্থন দিবে। এছাড়াও চট্টগ্রাম নগরিতে সামাজিক কর্মকান্ড বাস্তবায়নে যে সকল সমস্যাদি দেখা মিলে তা উল্লেখ করেন এই সভায়। ভবিষ্যৎকালে সামাজিক প্রগতিশীল ব্যক্তিদের ঐক্যবদ্ধকরে প্রগতিশীল কর্মকান্ডের সাথে স্ব স্ব স্থান থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধার পক্ষে অবস্থান নিবেন। এসময় চট্টগ্রাম নগরের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড হতে মানবিক চট্টলা, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ-২নং জালালাবাদ, জিনিয়াস সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, রাবিক৭১, গ্রীণওয়াল্ড, গনজাগরণে বাংলাদেশ, জয়যাত্রা, স্বাধীনতা তথ্য প্রযুক্তি পরিষদ, কারা ফাউন্ডেশন, আমাদের আলোকিত সমাজমানব সেবাই হোক আমাদের অহংকার-চট্টগ্রাম মহানগর, প্রত্যাশা ক্লাব, জাগরণ সংঘ, মানবতার কর্ণধার, হিলফুল ফুজুল যুব সংঘ জমাদার বাড়ী, ইচ্ছা হিউম্যান ব্ল্যাড ব্যাংক, জাগ্রো চট্টগ্রাম, আমাদের শিক্ষাঙ্গণ, ইয়ুথ প্যাষ্ট, টিম ডির্ম্রাস ব্লাড ব্যাংক সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় বন্ধুসভার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

সাতক্ষীরায় বন্ধুসভার উদ্যোগে  শীতবস্ত্র বিতরণ

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরায় বন্ধুসভার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) শহরের প্রথম আলো সাতক্ষীরা অফিস সংলগ্ন শিল্পীচক্র চত্বরে, প্রথম আলো (সাতক্ষীরা) বন্ধুসভার সভাপতি মরিয়ম খাতুন কেয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীত বিতরণ করেন,  সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক ও সাতক্ষীরা বন্ধুসভার প্রধান উপদেষ্টা কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা বন্ধুসভার উপদেষ্টা জাহিদা জাহান মৌ, সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম হোসেন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাহাতুল ইসলাম বাপ্পা, প্রতিক চন্দ্র মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হোসেন আলী, যোগাযোগ সম্পাদক শেখ শরিফ হাসান, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম, দূূর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

প্রথম আলো বন্ধুসভা (সাতক্ষীরা) আয়োজিত উক্ত শীত বস্ত্র শহরের মুনজীতপুর, পলাশপোল, কামালনগর, সুলতানপুর, তালতলা, এলাকার হত দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিতদের ৪ ক্যাটাগরিতে, ৫০টি পরিবার বাছাই করে, বয়স অনুপাতে শারিরীক মাপ নিয়ে প্রত্যেকের জন্য পৃথক নতুন ৫০টি পোশাক ও নিতান্ত  হত দরিদ্র ৫টি পরিবাকে কম্বল বিতরণ করা হয়।

নওগাঁর মাটিতে নতুন সবজি স্কোয়াশ চাষ নতুন আশা দেখছেন কৃষক

নওগাঁর মাটিতে নতুন সবজি স্কোয়াশ চাষ  নতুন আশা দেখছেন কৃষক

রহমতউল্লাহ আশিকুর জামান নুর, নওগাঁ জেলাঃ নওগাঁর জেলার আত্রাইয়ের মাটিতে স্কোয়াশ চাষ বাম্পার ফলন স্বপ্ন বুনছে কৃষক।

উত্তর আমেরিকা ও মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চাষকৃত ফসল স্কোয়াশ বাংলাদেশের মাটিতে চাষ করে ব্যাপক সফল হয়েছেন উত্তরাঞ্চলের শষ্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাবু হোসেন ও শাহাগোলা ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের কৃষক নাহিদ হোসেন। 
স্কোয়াশ সবজি এই প্রথম বারের মতো এ উপজেলায় চাষ হচ্ছে। শীতকালীন এই সবজি আবাদ করে মাত্র তিন মাসেই লাভের আশা করছেন তারা। এর সাথে সাথে উপজেলার কৃষিতে পন্যতে আরেকটি নতুুুন সবজি স্কোয়াশ।
স্কোয়াশ  চাষি নাহিদ হোসেনে সাংবাদিকদের বলেন স্কোয়াশ কুমড়ার একটি ইউরোপীয় জাত, যা খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু এবং ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও হার্টের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। স্কোয়াশ মূলত উত্তর আমেরিকা ও মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চাষ হয়ে থাকে। স্কোয়াশ অনেকটা দেখতে শশা আকৃতির। এটি শশার মতো লম্বা হলেও রং মিষ্টি কুমড়োর মতো। উচ্চ ফলনশীল জাতের এ সবজি ভাজি, মাছ ও মাংসের তরকারিতে রান্নার উপযোগী, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এছাড়া এটি সালাদ হিসেবেও ব্যবহার করা য়ায়। 
 স্কোয়াশ চাষি বাবু হোসেন বলেন, স্কোয়াশ আবাদের সুবিধা  অল্প সময়ে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে। তাছাড়া এক বিঘা জমিতে যে পরিমাণ কুমড়া লাগানো যায় তার চেয়ে দ্বিগুণ স্কোয়াশ লাগানো সম্ভব। পূর্ণবয়স্ক একটি স্কোয়াশ গাছ অল্প জায়গা দখল করে। স্কোয়াশের একেকটি গাছের গোড়ায় ৮ থেকে ১২টি পর্যন্ত ফল বের হয়। কয়েকদিনের মধ্যেই খাওয়ার উপযোগী হয় এটি। বাজারে প্রতি কেজি স্কোয়াশ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। স্কোয়াশ দেখতে অনেকটাই লাউ আকৃতির। উচ্চ ফলনশীল এই জাতের ফসল ভাজি, মাছ ও মাংসের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়। এটা খেতেও সুস্বাদু। বিশেষ করে চাইনিজ রেস্টুরেন্টে সবজি এবং সালাদ হিসেবে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
দেশের উচ্চ ফলনশীল ফসলের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি উৎপাদন করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন আত্রাই উপজেলার ভবানীপুরের এ কৃষক। তিন মাসে এ ফসল আবাদ করে তিনি খরচ বাদে হাজার হাজার টাকা আয় করার আশা করছেন।বাজার থেকে স্কোয়াশ সবজির বীজ সংগ্রহ করে পরীক্ষামূলকভাবে সামান্য জমিতে রোপন করেন কৃষক বাবু ও নাহিদ হোসেন। ওই আবাদে সফল হন তারা দু'জনই। পরবর্তীতে তারা দু'জনই বড় পরিসরে স্কোয়াশের চাষ করবেন বলে জানান সাংবাদিক দের ।
আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, স্কোয়াশ সবজি জাতীয় ফসল। যা কুমড়া ও ধুন্দল জাতীয় ফসলের ক্রস। দেশের প্রচলিত কোন সবজির এমন উৎপাদন ক্ষমতা নেই। তাই এই স্কোয়াশ চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষি অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন তিনি।