মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃ৮ মাসের অন্তঃসত্বা লিপি খাতুন (৩০) নামে এক গৃহবধুকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করলেন জেলা প্রশাসকের এসএ শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পিয়ন) মোঃ শহিদুল ইসলাম ও তার লাঠিয়াল বাহিনীরা।ঘটনাটি ঘটেছে (১নভেম্বর) রাত সাড়ে আট টায় সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামে।
গুরুতর আহত গৃহবধু সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগে জানা যায়, আমিনপুর গ্রামের মৃত হযরত আলীর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসকের এসএ শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পিয়ন)হিসাবে চাকুরীরত রয়েছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিয়নের চাকুরীর দাপটে এলাকায় প্রভাব বিস্তারে ত্রাসের সৃষ্টি করে পরিবারের লোকজনসহ এলাকাবাসিকে অতিষ্ট করে তুলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোঃ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী জামাতের রোকন মোছাঃ পারভীন খাতুন,মিন্টু শেখ,মোছাঃ আলমিনা খাতুন চারজন মিলে বাবার সম্পত্তি আত্বসাতের চেষ্টায় মেতে উঠে দীর্ঘদিন ধরে। এ বিষয়ে শহিদুল ইসলামের বড় ভাই ফরিদুল ইসলাম নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে শান্তিরক্ষার একটি মামলা দায়ের করেন। বাবার সম্পত্তি একক ভাবে গ্রাস করার বিষয়ে এলাকায় একাধিকবার বৈঠক হলে শহিদুল ইসলাম কাউকে তোয়াক্কা না করে একতরফা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় নানা অপকর্মে মেতে উঠে।এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার রাত সাড়ে আট ঘটিকায় মৃত হযরত আলীর ছেলে মোঃ ইউসুব আলীর পরিবারকে ঘর ও বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেবার চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় ইউসুব ও তার স্ত্রী বাধার চেষ্টা করলে এতে ইউসুব আলী ও তার স্ত্রী ৮ মাসের অন্তঃসত্বা লিপি খাতুনকে বেধরক মারপিটে গুরুতর আহত করেন। এলাকাবাসি আহত লিপি খাতুনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।শহিদুল ইসলামের বড় ভাই মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান, শহিদুল ইসলাম আমাদের বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পায়ঁতারায় নানা অপকৌশল করে আসছে। সে এলাকা মুরুব্বীদের ন্যায় বিচার মানতে নারাজ। সে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামান্য পিয়নের চাকুরী করায় তার দাপটে তার পরিবার ও এলাকাবাসি অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সদর থানার এসআই ফারুক আহমেদ জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
