ধলই প্রবাসী পরিষদ কাতার শাখা ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)উদযাপন

 


মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শাকিল বিশেষ প্রতিনিধিঃগত১২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার  রাতে দোহা আল আসমাক অভিজাত রেস্টুরেন্টে মিরসরাই হোটেলে 

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে ধলই প্রবাসী পরিষদ কাতার শাখা,হাটহাজারী, চট্টগ্রামের ব্যবস্থাপনায়    এর  মিলাদ মাহফিল  আয়োজন করা হয়।

এই অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক  বেলায়েত হোসেন। সদস্য সচিব মুহাম্মদ সাজ্জাদুল হক আরফান সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন  বাংলাদেশ কমিউনিটি  কাতারের সম্মানিত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (আকন)।এতে উদ্ধোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এন.বি গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মামুনুল ইসলাম তালুকদার।।এতে  আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ কমিউনিটি  কাতারের সম্মানিত উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক চৌধুরী,আল সামস কোম্পানি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলিম উদ্দিন,বাংলাদেশ কমিউনিটি  কাতারের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নুর মোহাম্মদ (নুর), বাংলাদেশ কমিউনিটি কাতারের নেতা মুহাম্মদ আব্দুল অদুদ, আল মাষ্টার কোম্পানি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সহ প্রমুখ। 

প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা চট্টগ্রামের সাবেক শিক্ষার্থী,কাতার সিরাতুল মুস্তাকীম ফাউন্ডেশনরে ধর্মীয় সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম কাদেরী। এতে আরো উপস্থিত সংগঠনে যুগ্ম আহবায়ক টিপু ও শাহদাত হোসেন সাকিল, সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরী,সৈয়দ ইলিয়াস,রোশন, সোহেল রানা, নাসির,আলী মোর্তজা সাদ্দাম, জনি,ইসমাইল, তানভির, শহিদুল্লাহ,মাসুম,ওয়াহিদ,জাবেদ,বাবলু ও জুয়েল প্রমুখ। 

বক্তারা বলেন ১২ রবিউল আউয়ালকে  মুসলিম সহ সমগ্র দুনিয়ার জন্য একটি অশেষ পুণ্যময় ও আশীর্বাদধন্য দিন। আরব জাহান যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল, তখন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সমস্ত জগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন মহান আল্লাহ।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) নবুয়তপ্রাপ্তির আগেই ‘আল-আমিন’ নামে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তাঁর এই খ্যাতি ছিল ন্যায়নিষ্ঠা, সততা ও সত্যবাদিতার ফল। তাঁর মধ্যে সম্মিলন ঘটেছিল সমুদয় মানবীয় সদ্‌গুণের: করুণা, ক্ষমাশীলতা, বিনয়, সহিষ্ণুতা, সহমর্মিতা, শান্তিবাদিতা। আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি কর্মময়তাও ছিল তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে বিশ্বমানবতার মুক্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা ছিল তাঁর ব্রত। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়নির্বিশেষে সর্বশ্রেষ্ঠ মানবিক গুণাবলির মানুষ হিসেবে তিনি সব কালে, সব দেশেই স্বীকৃত।

অনুষ্টান শেষে দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক ও আরিফুল ইসলাম কাদেরী। চলমান করোনা পরিস্থিতি থেকে বিশ্ববাসীর উত্তরণ ও সকলের সুস্থতা কামনায় মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্টান সমাপ্ত হয়।


শেয়ার করুন
পূর্ববর্তী পোষ্ট
পরবর্তী পোষ্ট