নওগাঁর আত্রাইয়ে টিসিবি'র পণ্য বিক্রি,পণ্য পেতে দীর্ঘ লাইন

নওগাঁর আত্রাইয়ে টিসিবি'র পণ্য বিক্রি,পণ্য পেতে দীর্ঘ লাইন



মোঃ ফিরোজ হোসাইন    

রাজশাহী ব্যুরো

 

নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের তদারকিতে টিসিবি পণ্য বিক্রয় করার ফলে কিছুটা স্বস্তি এসেছে নিম্ন আয়ের খেঁটে খাওয়া মানুষের মাঝে। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৫ লিটার তেল,২কেজি ডাল,২ কেজি চিনি,২ কেজি পেঁয়াজ ছয়শত ত্রিশ টাকায় বিক্রয় করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ভবানীপুর বাজারে টিসিবি‘র পণ্য বিক্রয় করা হয়।

তবে তালিকায় আরও কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য রাখার দাবি ক্রেতাদের।

উপজেলার টিসিবি পণ্য বিক্রয় তদারকি করেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. ছাইফুল ইসলাম। শারীরিক দূরত্ব বজায় এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে পণ্যসামগ্রী কিনতে প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন সাহাগোলা ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

এ ব্যাপারে ক্রেতা জামাল জানান, টিসিবি পণ্য খোলা বাজারে বিক্রি করায় আমরা অল্প দামে এগুলো কিনতে পারছি। তিনি আরো বাজারের তুলনায় জিনিসের দাম সহজলভ্য এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় মানুষের ভিড় বেশি। তবে পণ্যগুলোর সরবরাহ বেশি করা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।

করোনা সংকট মোকাবিলায় দেশরত্ন ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, নিম্ন আয়ের খেঁটে খাওয়া মানুষের মাঝে টিসিবি পণ্য দেওয়ার ফলে তারা আজ আনন্দিত। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ ছানাউল ইসলাম বলেন, চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমরা চেষ্টা করছি বেশি সরবরাহের জন্য।

এসময় তিনি ক্রেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হবেন না। বাড়িতে থেকে নিজেকে এবং দেশকে করোনার হাত থেকে মুক্ত রাখুন। সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে চলুন- প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করুন ৷

দুর্বার'র উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান

 দুর্বার'র উদ্যোগে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান




মিরসরাই প্রতিনিধি

মিরসরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দুর্বার প্রগতি সংগঠন এর উদ্যোগে, ট্রিটমেন্ট আই ও ফ্যাকো সেন্টার, চট্টগ্রামের সার্বিক পরিচালনায় একুশ সেপ্টেম্বর সোমবার মলিয়াইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রায় দু'শ রোগীকে দিনব্যাপি চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। স্থানীয় জনসাধারণ ও দূর-দুরান্ত থেকে আগত রোগীদের চোখের প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো, চোখ দয়ে পুঁজ পড়া বা চোখে ময়লা আসা, মাথা ব্যথা, চোখ ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, নেত্রনালী পরিস্কার করা, কাছে এবং দূরে কম দেখা, চোখ জ্বালাপোড়া করা, নেত্রনালী (এস. পি.টি) পরীক্ষা ও চশমার পাওয়ার পরীক্ষা করা হয়।


দুর্বার স্বাস্থ্য পরিষদের সার্বিক ত্বত্তাবধানে দিনব্যাপী চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান কার্যক্রমে ট্রিটমেন্ট আই ও ফ্যাকো সেন্টারের ডা. গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী সোহেল ও কাউন্সিলর অফিসার মো. সাইফ, দুর্বার'র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দীন, সভাপতি মহিবুল হাসান সজীব, সহ-সভাপতি জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক সৈকত চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক রিপন কুমার দাস,দপ্তর সম্পাদক আরিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈমুল হাসান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার চৌধুরী, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক জয় শর্মা,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তরিকুর রহমান বাবু,স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক শাহ আরমান ফরহাদ, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হাসান,পাঠাগার সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন, সদস্য রিয়াজ উদ্দীন, ইব্রাহিম হোসেন,সৈয়দ আবু হাসনাত, শরিফুল ইসলাম,আসিফুল ইসলাম,মনির হোসেন পাবেল,শিমুল মজুমদার, নূর নবী,মো. সজিব,মো.ইব্রাহিম, নাহিদুল ইসলাম,জোবায়ের আলম শাকিব,নাহিদুল আলম,মো.সায়েম,শাহ ইফরাত,মো.আরমান হোসেন সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বশেমুরবিপ্রবিঃ এক বছর পরেও বিচারে আশার আলো নেই ভিসি হামলার শিকার শিক্ষার্থীদের

 বশেমুরবিপ্রবিঃ এক বছর পরেও বিচারে আশার আলো নেই ভিসি হামলার শিকার শিক্ষার্থীদের




বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ঃবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়( বশেমুরবিপ্রবির) সাবেক উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালানোর এক বছর পরেও বিচার থমকে আছে।২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ক্যাম্পাসে আন্দোলন চলাকালীন এ হামলা চালানো হয়। স্থানীয়দের কর্তৃক পরিচালিত  ওই হামলায় আহত হয়েছিলেন প্রায় অর্ধশতাধিক বশেমুরবিপ্রবিয়ান। 


শিক্ষার্থীরা বলেন, মূলত আন্দোলন বানচাল করতে তৎকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নির্দেশে ওই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছিলো।


হামলার ঘটনায় ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা দায়েল না করায় প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বাদী হয়ে মামলা করে।পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।  হামলার জড়িত পাচঁ শিক্ষার্থীর স্থায়ী বহিষ্কার এবং এক শিক্ষার্থীর দুই সেমিস্টার  বহিষ্কারাদেশ ছিল বিচারের সর্বশেষ আপডেট।  এ হামলার  ঘটনার আর কোনো বিচার পাননি শিক্ষার্থীরা।


মামলার একজন বাদী প্রিয়তা দে জানান,“মূলত আন্দোলন বন্ধ করতেই আমাদের ওপর হামলা করানো হয়েছিলো। হামলার পর বিচার নিশ্চিত করতে মামলা করাটা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলেও তারা ওই সময়ে মামলা না করায় আমরা ৭-৮ জন শিক্ষার্থী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী উল্লেখ করে মামলা করেছিলাম। পরবর্তীতে আমরা হামলাকারীদের ছবিসহ বিভিন্ন ডকুমেন্টস প্রদান করেছিলাম। " এক বছর পেরোলেও কাউকে আর শনাক্ত বা গ্রেফতার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।


এক বছর পরেও বিচার না  পাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হামলায় আহত শিক্ষার্থীরা। হামলার শিকার কৃষি বিভাগের ছাত্র মোঃ মাশুকুর রহমান বলেন, “আমি সামনে থেকে খুব খারাপভাবে হামলার শিকার হওয়া একজন  শিক্ষার্থী হিসেবে বলতে পারি, এতগুলো উর্বর বিবেকের উপর এমন হামলা, একজন মানুষের পক্ষে কল্পনাও করা সম্ভব নয়। সাবেক উপাচার্যের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে আমি সহ আমার ভাই-বোনের উপর নির্বিচারে যে হামলা করা হয়েছিলো তার বিচার আমরা আজ অবধি পাইনি"। 


তিনি সঠিক বিচারের দাবি তুলে বলেন,"নবনিযুক্ত নতুন ভিসি মহোদয় এবং প্রশাসনের কাছে দাবি থাকবে,যে বা যারা এই জঘন্যতম হামলার সাথে জড়িত ছিলো সকলকে বিচারের আওতায় এনে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করার। যাতে পরবর্তীতে কেউ এমন ঘৃণ্য কাজ করার সাহস না পায়। আমি আমার কিংবা আমাদের উপর নির্মম আঘাতে শরীর বয়ে ঝড়ে পড়া প্রতিটি ফোটা রক্তের সুষ্ঠ বিচার চাই।”



মামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল সেলের কর্মকর্তা সাজিদুর রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিলো কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হওয়ায় এবং করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকায় সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবগত নই”


মামলাটির অগ্রগতি বিষয়ে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মনিরুল ইসলামএবং তার সাথে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয়ে আদালত থেকে তথ্য সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন।


শিক্ষার্থীদের ওপর বারবার এধরনের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বশেমুরবিপ্রবির প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান বলেন, “হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ছিলো আমরা সেটা করেছি। যেসকল শিক্ষার্থীরা হামলার সাথে জড়িত ছিলো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এছাড়া বর্তমানেও কোনো সমস্যা তৈরি হলে সেগুলো সমাধান করছি এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।

কয়রায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ৩ দিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

কয়রায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ৩ দিন ব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প




মোহাঃ ফরহাদ হোসেন কয়রা (খুলনা)প্রতিনিধি 

  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনে সুন্দরবনের কোল ঘেসা কয়রা উপজেলার আম্ফান ক্ষতিগ্রস্থদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিৎ করতে আগামী ২৪/২৫/২৬ সেপ্টেম্বর তিন দিন ব্যপি মেডিকেল ক্যাম্প করার উদ্যোগ গ্রহন করেছে উপজেলা প্রশাসন কয়রা! এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি তাদের মেডিকেল টিম দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন মানব কল্যাণ ইউনিট মেডিকেল ক্যাম্প বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহন করেছেন! 


এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব অনিমেষ বিশ্বাস বলেন "আম্ফানে এ অঞ্চলের আপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে, যা পুরন করার সাধ্য আমাদের নাই! এখনো অনেক এলাকার ভেড়িবাধ সম্পন্ন হইনি, হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধি জীবন যাপন করছে, আমরা আমাদের সাধ্যমত ত্রান কার্যক্রম চালাচ্ছি! আমি নিজে এলাকা পরিদর্শন করে দেখেছি অনেক মানুষ অসুস্থ্য অবস্থায় গৃহ বন্ধী হয়ে আছে, তাই তাদের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহন করেছি! আমি অন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি  খুলনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিকে তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে!


মানব কল্যাণ ইউনিটের সভাপতি আল আমিন ফরহাদের কাছ থেকে জানা যায় এ ক্যাম্প আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর  উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের কাশির হাটখোলা, ২৫ সেপ্টেম্বর কাটমারচর এবং ২৬ সেপ্টেম্বর কয়রা উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

৪৫ বছর ধরে বিভিন্নস্থানে গাছ লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গ্রাম্য ডাঃ আনিছুর

 ৪৫ বছর ধরে বিভিন্নস্থানে গাছ লাগিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গ্রাম্য ডাঃ আনিছুর





আহসান উল্লাহ বাবলু সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান গত ৪৫ বছর ধরে তার নিজ খরচে বিভিন্নস্থানে গাছ লাগিয়ে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, কচুয়া গ্রামের মৃত আবু জাফর সরদারের ছেলে বৃক্ষপ্রেমী আনিছুর রহমান ১৯৪৭ সালের ১৩ এপ্রিল জন্মগ্রহন করেন। এরপর তিনি বড় হয়ে তার পেশা গ্রাম্য ডাক্তারীর মধ্যে দিয়ে তিনি মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্নস্থানে তার নিজ খরচে তিনি ফলজ, বনজ ও সৌন্দর্য্যবদ্ধনের জন্য বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে চলেছেন। বিগত ৪৫ বছর ধরে তিনি দেশের বিভিন্নস্থানে প্রতি বছরের আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ ৩ মাসে তিনি প্রতিদিন কমপক্ষে ২টি করে গাছ বিভিন্ন হাটবাজার, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চত্বরে এবং রাস্তার পাশে রোপন করেন। এছাড়াও তিনি সারা বছরের বিভিন্ন সময়ে পছন্দমত বিভিন্নস্থানে নিজ খরচে নিজ হাতে গাছ রোপন করে থাকেন। তথ্যানুসন্ধানে আরও জানাগেছে, কাদাকাটি বাজারের বিভিন্নস্থানে ছোট ও বড় যতগুলো গাছ লাগানো আছে তার অধিকাংশ বৃক্ষপ্রেমী ডাঃ আনিছুর রহমান নিজ খরচে নিজ হাতে লাগিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বুধহাটা বাজার, নওয়াপাড়া মসজিদ, নওয়াপাড়া সীমানা পয়েন্ট, কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ, জামালনগর এলাকায়, সদর উপজেলার বঁাকাল এতিমখানায়, খুলনার শিরোমনি এলাকায়, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ সহ অসংখ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অসহায় লোকদের বাড়ির আঙ্গিনায় ও রাস্তার পাশে তিনি হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন। বিভিন্নস্থানে তার লাগানো গাছের মধ্যে আম, জাম, কাঠাল, লিচু, কদবেল, আমড়া, নারিকেল, কৃষ্ণচূড়া, কদম, বকুল, শিশু, মেহগুনি, শুপারী, কেওড়া, সুন্দরী গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের তথ্য পাওয়া যায়। এসব গাছ তিনি নিজ উদ্যোগে লাগিয়ে আসার পর গাছগুলো বড় হলে তা বিক্রিয় করে বিভিন্ন কাজে লাগিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আর যেগুলো এখনো বিক্রয় করা হয়নি সেগুলো আজও বিভিন্নস্থানে বড় হয়ে কালের স্বাক্ষী হিসাবে দঁাড়িয়ে আছে। এলাকার সচেতন মহল বলেন, বৃক্ষপ্রেমী গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান যেভাবে এলাকায় নিজ খরচে গাছ লাগিয়ে চলেছেন সত্যি তিনি বৃক্ষপ্রেমী হিসাবে আমাদের কাছে উজ্জল দৃষ্টান্ত। এব্যাপরে জানতে চাইলে গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান জানান, আমি ডাক্তারী পেশার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রকে একটু অন্যভাবে সেবার করার ব্রত নিয়ে বিগত ৪৫ বছর ধরে বিভিন্নপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্নস্থানে যেখানে যে গাছ মানায় সেখানে সে গাছ রোপন করি। গাছ লাগাতে আমার অনেক ভালো লাগে, আরও ভালো লাগে যখন আমার লাগানো গাছ থেকে কেউ কোন সুফল পেতে থাকে। এসময় তিনি বর্তমান যুব সমাজকে বেশী বেশী করে গাছ লাগানোর আহবান জানান।

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজ এর শোক প্রকাশ

 মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে সাংবাদিক মিঠুন কুমার রাজ এর শোক প্রকাশ




নিজেস্ব প্রতিবেদকঃগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও পিরোজপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিম এমপির মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন শিক্ষক ও গণমাধ্যম কর্মী মিঠুন কুমার রাজ। আজ ২২ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মরহুমা ছিলেন একজন রত্নগর্ভা মা ও মহীয়সী নারী। তিনি জীবনের সুখগুলো বিসর্জন দিয়ে তার সাতটি সন্তানকেই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলেছেন। আদর্শ মা হিসেবে তার জুড়ি মেলা ভার। ইসলামী অনুশাসন মেনে ধর্মীয় মৌলিক শিক্ষা দিয়েছেন সব কটি সন্তানকে। তার ইন্তেকালে জাতি একজন বিদুষী নারীকে হারালো।


তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে বলেন, সৃষ্টিকর্তা যেন তাকে মাফ করে স্বর্গের শ্রেষ্ঠতম স্থান দান করেন। 


উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মা “মাজিদা বেগম” বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১১.৫৩ মিনিটে খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ সকাল দশটায় পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রামে জানাযার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

ইন্দুরকানীতে সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রভাতী সামাজিক সংগঠন

ইন্দুরকানীতে সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন প্রভাতী সামাজিক সংগঠন




মিঠুন কুমার রাজ, 

স্টাফ রিপোর্টার। 


ইন্দুরকানীতে প্রভাতী সামাজিক সংগঠনের ২য় বারেরমত সুবিধাবঞ্চিতদের ঔষধ সহায়তা প্রদান।


পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে উপজেলার বিভিন্ন স্তরের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় চিকিৎসা প্রত্যাশী ব্যক্তিদেরকে ঔষধসামগ্রী সহায়তা প্রদান করেছে জনসেবায় বিশেষায়িত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন প্রভাতী।


মঙ্গলবার সকালে ইন্দুরকানীর একটি হলরুমে সংগঠন আয়োজিত সভা ও বিতরণ কার্যক্রমে উপজেলার দুইজন মহিলা ও একজন পুরুষ (তিনজন) অসহায় রোগীকে এই ঔষধ  বিতরণ করা হয়।তারা হলেন ফাতেমা বেগম(দঃ ইন্দুরকানী),আছিয়া বেগম(উত্তর ভবানীপুর) ,সুধীর চন্দ্র হালদার(কালাইয়া)


বিতরণ কার্যক্রমে উপদেষ্টা এস এম বজলুর রশিদ,ফার্মাসিস্ট জিয়ারুল হক ও মিঠুন কুমার রাজ সহ এসময় সমন্বয়কবৃন্দ ও সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীসহ উপদৃষ্টামন্ডলীর সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

জ‌বি ছাত্রদ‌লের আয়োজ‌নে ভার্চুয়াল বিজ্ঞান মেলা

জ‌বি ছাত্রদ‌লের আয়োজ‌নে ভার্চুয়াল বিজ্ঞান মেলা





জ‌বি প্র‌তি‌নি‌ধিঃ

বিএনপির প্রতিষ্ঠা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর নামে গড়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ভবিষ্যৎ বিজ্ঞাণীর খোঁজে নামক ভার্চুয়াল বিজ্ঞান মেলার পোষ্টাল কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসে পোস্টার লাগায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।  

মঙ্গলবার বিকাল ৩ টার দিকে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পোস্টার লাগাতে দেখা যায়।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে জবি ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, করোনাকালীন এই সংকট আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে বিজ্ঞান আমাদের জীবনে কত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পৃথিবীর যেকোনো মহামারী থেকে উত্তরণে বিজ্ঞানই পারে আমাদের পথ দেখাতে। তাই জনকল্যাণমুখী দল হিসেবে বিএনপি তরুণ বিজ্ঞানীদের খোঁজে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।


এসময় উপস্থিত ছিলেন জবি ছাত্রদলের মেহেদী হাসান হিমেল, আবিদ কামাল রুবেল, সাইফুল হক তাজ, জাফর মাহমুদ, সাইফ সবুজ, হাসিব সরকার, মোঃ নাসিম, আহমেদ শাহরিয়ার, জামাল সাগর, মোঃ মাইনউদ্দীন চৌধুরী মাইন, আজিজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, আসমাউল, রিয়াদ, ওলিয়ার রহমান, শরন, তৌহিদ চৌধুরী সহ আরো অনেকে।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজন ভার্চ্যুয়াল বিজ্ঞান মেলার প্রত্যেক শাখায় বিজয়ীদের সনদসহ আকর্ষণীয় পুরষ্কার দেয়া হবে বলে জানা যায়।

বাপাজস এর প্রকাশনা সম্পাদক হলেন ইফতেখার হোসাইন রাজু

বাপাজস এর প্রকাশনা সম্পাদক হলেন ইফতেখার হোসাইন রাজু


নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির (বাপাজস) কার্যনির্বাহী পরিষদের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুরের কৃতিসন্তান ইফতেখার হোসাইন রাজু প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।


২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতির (বাপাজস) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের কর্মকর্তাদের নিয়ে পেশাগত সংগঠন হচ্ছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ সমিতি (বাপাজস)’। কোভিট-১৯ পরিস্থিতির কারণে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সমিতির নির্বাচনী সাধারণ সভা অনলাইন মাধ্যম জুমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সমিতির নবগঠিত ২১ সদস্যবিশিষ্ট অবকাঠামো অনুমোদনসহ সর্বসম্মতিক্রমে ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

মোহনগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি মামলা

 মোহনগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি মামলা




আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি  (নেত্রকোনা): 

 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে পাল্টপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটেছে। 


মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উপজেলা কমিটির সভাপতি  মিজানুর রহমান রিজন বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের ৫৭ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেছেন। 


এর আগে রবিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লতিফুর রহমান রতন গ্রুপের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। দুই মামলায় ৬৬ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।


মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে হুমকি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, ক্ষতি সাধনসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।


মোহনগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


উল্লেখ্য গত শুক্রবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌরশহরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাসাবাড়িতে হামলা, দোকানপাট ও মোটরসাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

মোহনগঞ্জে রামদা বানানোর সময় আটক যুবককে আদালতে প্রেরণ

 মোহনগঞ্জে রামদা বানানোর সময় আটক যুবককে আদালতে প্রেরণ



আজহারুল ইসলাম মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি  (নেত্রকোনা): নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে একটি ওয়ার্কশপে রামদা বানানোর সময় মো. উমর ফারুক (২৬) নামে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। 



মঙ্গলবার এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গোপন সংবাদে মোহনগঞ্জ থানার এসআই আবু রায়হানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় পৌরশহরের মাইলোরার হাজি বাড়ি এলাকা থেকে থাকে আটক করা হয়। আটক উমর ফারুক ওই এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে। 


উমর ফারুক ওই ওয়ার্কশপে কাজ করে। তবে  তিনি কি উদ্দেশ্য এগুলো বানাচ্ছিলেন তা জানা যায়নি।


এসআই আবু রায়হান জানান, পৌরশহরের মাইলোরার হাজি বাড়ি এলাকার একটি ওয়ার্কশপে রামদা তৈরি হচ্ছে। এমন পোপন খবরে দ্রুত গিয়ে উমর ফারুককে রামদা বানানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার কাছ থেকে ২টি অর্ধ বানানো রামদা, রামদা বানানোর মতো একই মাপে কাটা ২২টি লোহার পাত উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


উল্লেখ্য গত শুক্রবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌরশহরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় বাসাবাড়িতে হামলা, দোকানপাট ও মোটরসাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

আশাশুনিতে ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

আশাশুনিতে ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন


আশাশুনি আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধি:  আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, আওয়ামীলীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিজানুর রহমান মন্টুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া বাজার সড়কে ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়নের শত শত জনসাধারনের অংশগ্রহনে এসময় বীরমুক্তিযোদ্ধা সায়েদ আলী ফকির, মোন্তাজ আলী গাজী, শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেম্বার সাইদুর রহমান, ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি আব্দুল মজিদ সরদার, ছাত্রলীগ সভাপতি রিপন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাহিম, তাসলিমা বেগম, রওশনারা বেগম বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা বলেন, নির্বাচন এলেই প্রতিপক্ষরা চেয়ারম্যান প্রার্থী মন্টুর বিরুদ্ধে ন্যাক্কারজনক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মন্টুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণ মামলা দিয়ে তাকে নির্বাচন থেকে সরানো এবং জনপ্রিয়তা নষ্টের ষড়যন্ত্র চলছে। এসময় ধর্ষন মামলাটির প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে মন্টুর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা। উল্লেখ্য, সাবেক মেম্বর মিজানুর রহমান মন্টু ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্র তেঁতুলিয়া গ্রামের এক মাদুর ব্যবসায়ীর শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করেছে বলে ট্রিপল নাইনে একটি অভিযোগ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে মন্টুসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়।




৪৫ বছর ধরে বিভিন্নস্থানে গাছ লাগিয়ে


দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গ্রাম্য ডাঃ আনিছুর



আহসান উল্লাহ বাবলু উপজেলা প্রতিনিধি :আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান গত ৪৫ বছর ধরে তার নিজ খরচে বিভিন্নস্থানে গাছ লাগিয়ে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তথ্যানুসন্ধানে জানাগেছে, কচুয়া গ্রামের মৃত আবু জাফর সরদারের ছেলে বৃক্ষপ্রেমী আনিছুর রহমান ১৯৪৭ সালের ১৩ এপ্রিল জন্মগ্রহন করেন। এরপর তিনি বড় হয়ে তার পেশা গ্রাম্য ডাক্তারীর মধ্যে দিয়ে তিনি মানব সেবায় আত্মনিয়োগ করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্নস্থানে তার নিজ খরচে তিনি ফলজ, বনজ ও সৌন্দর্য্যবদ্ধনের জন্য বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে চলেছেন। বিগত ৪৫ বছর ধরে তিনি দেশের বিভিন্নস্থানে প্রতি বছরের আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ ৩ মাসে তিনি প্রতিদিন কমপক্ষে ২টি করে গাছ বিভিন্ন হাটবাজার, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চত্বরে এবং রাস্তার পাশে রোপন করেন। এছাড়াও তিনি সারা বছরের বিভিন্ন সময়ে পছন্দমত বিভিন্নস্থানে নিজ খরচে নিজ হাতে গাছ রোপন করে থাকেন। তথ্যানুসন্ধানে আরও জানাগেছে, কাদাকাটি বাজারের বিভিন্নস্থানে ছোট ও বড় যতগুলো গাছ লাগানো আছে তার অধিকাংশ বৃক্ষপ্রেমী ডাঃ আনিছুর রহমান নিজ খরচে নিজ হাতে লাগিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বুধহাটা বাজার, নওয়াপাড়া মসজিদ, নওয়াপাড়া সীমানা পয়েন্ট, কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদ, জামালনগর এলাকায়, সদর উপজেলার বঁাকাল এতিমখানায়, খুলনার শিরোমনি এলাকায়, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহ সহ অসংখ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন অসহায় লোকদের বাড়ির আঙ্গিনায় ও রাস্তার পাশে তিনি হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন। বিভিন্নস্থানে তার লাগানো গাছের মধ্যে আম, জাম, কাঠাল, লিচু, কদবেল, আমড়া, নারিকেল, কৃষ্ণচূড়া, কদম, বকুল, শিশু, মেহগুনি, শুপারী, কেওড়া, সুন্দরী গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের তথ্য পাওয়া যায়। এসব গাছ তিনি নিজ উদ্যোগে লাগিয়ে আসার পর গাছগুলো বড় হলে তা বিক্রিয় করে বিভিন্ন কাজে লাগিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আর যেগুলো এখনো বিক্রয় করা হয়নি সেগুলো আজও বিভিন্নস্থানে বড় হয়ে কালের স্বাক্ষী হিসাবে দঁাড়িয়ে আছে। এলাকার সচেতন মহল বলেন, বৃক্ষপ্রেমী গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান যেভাবে এলাকায় নিজ খরচে গাছ লাগিয়ে চলেছেন সত্যি তিনি বৃক্ষপ্রেমী হিসাবে আমাদের কাছে উজ্জল দৃষ্টান্ত। এব্যাপরে জানতে চাইলে গ্রাম্য ডাক্তার আনিছুর রহমান জানান, আমি ডাক্তারী পেশার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রকে একটু অন্যভাবে সেবার করার ব্রত নিয়ে বিগত ৪৫ বছর ধরে বিভিন্নপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্নস্থানে যেখানে যে গাছ মানায় সেখানে সে গাছ রোপন করি। গাছ লাগাতে আমার অনেক ভালো লাগে, আরও ভালো লাগে যখন আমার লাগানো গাছ থেকে কেউ কোন সুফল পেতে থাকে। এসময় তিনি বর্তমান যুব সমাজকে বেশী বেশী করে গাছ লাগানোর আহবান জানান।

নাভারণ ইউনিয়নের তৃনমুল নেতাকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন -এমপি নাসির উদ্দিন

 নাভারণ ইউনিয়নের তৃনমুল নেতাকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন -এমপি নাসির উদ্দিন




স্টাফ রিপোর্টারঃ  ঝিকরগাছা উপজেলা তৃণমূলের আওয়ামীলীগ কে গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়নের নেতা কর্মীদের সঙ্গে যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের মাননীয় সংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন এর ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার অংশ হিসেবে আজ (২২শে সেপ্টেম্বর) নাভারণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 


উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান জননেতা জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন নাভারণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হারুন-অর- রশিদ।


আ‌রো উপ‌স্থিত ছি‌লেন যশোর জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি আজাহার আলী, উপ‌জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলী‌গের অন্যতম নেতা র‌ফিকুল ইসলাম বাপ্পী, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা, উপজেলা যুবলীগ নেতা ও ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সে‌লিম রেজা, বাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নেছার আলী, ঝিকরগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খায়রুল হুদা রাসেল, উপজেলা যুবলীগ নেতা জাফিরুল হক, আব্দুর বারিক, আরিফুজ্জামান ছন্টু, এনামুল হাবিব জগলু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হাবিব শিপলু, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন.....


নাভারণ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বুলি, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আহমেদ, মেম্বার কাশেম আলী সিকদার, মেম্বার সাইফুল ইসলাম, মেম্বার শাহাজাহান আলী, শুকুর ঢালী, আবু তালেব, কালু মিয়া, মুকুল হোসেন, শেখ আবুল হোসেন, আতিয়ার রহমান, আবুল কালাম খান, আবু বাক্কার সিদ্দিকী, ওলিয়ার রহমান, রহিম মৃধা, আনোয়ার হোসেন, রুহুল আমিন, নূর ইসলাম, ওমর আলী লাল্টু, লাল মিয়া, রিজাউল ইসলাম মিয়া, আব্দুর জলিল, আব্দুর রশিদ, ফারুক হোসেন, আলতাফ হোসেন প্রমূখ।

অচিরেই বাজারে আসছে ঝিনাইদহে চাষ হওয়া মনিপুরি ইলিশ মাছ

অচিরেই বাজারে আসছে  ঝিনাইদহে চাষ হওয়া মনিপুরি ইলিশ মাছ



সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃবাজারে প্রায় সময়ই ইলিশ মাছের দাম চড়া, ইচ্ছা থাকলেও সবার কেনার ক্ষমতা নেই। আবার বছরের অধিকাংশ সময় ঠিকমতো ইলিশ পাওয়াও যায় না। জাতীয় এই মাছটির স্বাদ অনেকের কাছেই আজ অচেনা। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে শুরু হয়েছে মনিপুরি ইলিশের চাষ। মাছটি দেখতে মাথার অংশ ইলিশের আর পেছনের অংশ পুটি মাছের মতো, কিন্তু স্বাদ ও গন্ধে পুরোটাই ইলিশ। অনেকে মাছটিকে পেংবা বলেও চেনেন।

মৎস্য চাষীরা বলছেন, এবছরই তারা প্রথম এই মনিপুরি ইলিশের চাষ করেছেন। উপজেলার বাশবাড়িয়া ও পান্তাপাড়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে প্রায় অর্ধশত পুকুরে ১২ লাখ পোনা ছাড়া হয়েছে। ২ মাস পূর্বে পোনা ছেড়ে আশা করছেন ৭ থেকে ৮ মাস বয়স হলেই বাজারে তুলতে পারবেন। মিঠাপানিতে উৎপাদিত এই মাছ বাজারে পর্যাপ্ত আমদানি হলে ইলিশের চাহিদা অনেকটা পুরণ হবে। মৎস্য বিভাগ বলছেন তারাও আশাবাদি এই মাছ চাষে ইলিশের চাহিদা পুরনের পাশাপাশি চাষীরাও লাভবান হবেন। 


সরেজমিনে পুকুরে গিয়ে কথা হয় একাধিক মৎস্যচাষীর। তারা জানান, মহেশপুর উপজেলায় প্রচুর বিল-বাওড় ও পুকুর রয়েছে। এখানে প্রচুর মাছ চাষ হয়। এই মাছ চাষীদের একজন পান্তাপাড়া গ্রামের আলিউজ্জামান প্রথম এই মনিপুরি ইলিশটি তাদের এলাকায় নিয়ে আসেন। এর পূর্বে কেউ এই মাছের চাষ সম্পর্কে বুঝতেন না। তুলসীতলা গ্রামের মৎস্যচাষী আব্দুল আলিম জানান, উপজেলার পান্তাপাড়া ও বাশবাড়িয়া ইউনিয়নের পান্তাপাড়া, তুলসীতলা ও বাগানমাঠ গ্রামে অর্ধশত পুকুরে এই মনিপুরি মাছের চাষ হয়েছে। অলিমুজ্জামান প্রথম মাছটি এই এলাকায় নিয়ে আসলেও বর্তমানে আয়াত আলী, আত্তাব আলী, সজিব হোসেন, ওসমান গণী, জায়েদ আলী, আব্দুর রহিম, নয়ন মিয়া, সাহাবুদ্দিন আহম্মদ, ইদ্রিস আলী, মনিরুল ইসলাম, মকছেদ আলী, জুলমত আলী, আলিউজ্জামান সহ বেশ কয়েকজন মৎস্যচাষী এই মাছের চাষ করেছেন। প্রথম বছরেই এই পুকুরগুলোতে ১২ লাখ পোনা ছাড়া হয়েছে। 

আব্দুল আলিম আরো জানান, তিনি ৪ বিঘা জলাকারের একটি পুকুরে ৬০ হাজার পোনা ছেড়েছেন। প্রতিটি বাচ্চা মাছ ১ টাকা ৫৫ পয়সা করে কিনতে হয়েছে। পুকুরে পোনা ছাড়ার সময় কেজিতে ৫ হাজার বাচ্চা ছিল, যা গত দেড় মাসে অনেকটা বড় হয়েছে। বর্তমানে ৩৫ টি মাছে এক কেজি ওজন হচ্ছে। আব্দুল আরিম জানান, এই মাছ এর বয়স ৭ থেকে ৮ মাস হলে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। তখন একটি মাছের ওজন হবে ৪ থেকে ৬ শত গ্রাম। তিনি বলেন, অন্য সব মাছের মতোই এর খাবার দিতে হয়, তবে খাবার একটু বেশি প্রয়োজন হয়। এই মাছ দ্রুত বড় হয়, যে কারনে তাদের খাবারও বেশি প্রয়োজন হয়। 

মোঃ আলিউজ্জামান জানান, বাংলাদেশে এবারই প্রথম পেংবা বা মনিপুরি ইলিশের চাষ হচ্ছে। তিনি ময়মনসিংহ থেকে এই মাছের পোনা আমদানি করেন। তিনি জানান, মাছটি ভারতের মনিপুরি রাজ্যে চাষ হচ্ছে কয়েক বছর। সেখানে ৮ শত থেকে ৯ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের সংকটে জামাই ষষ্টিতে এই মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকে। সেখান থেকে ময়মনসিংহের একটি হ্যাচারী মালিক ২০১৯ সালে মা মাছ সংগ্রহ করেন। এরপর সেই মাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করে বাচ্চা তৈরী করেছেন। এই বাচ্চা তিনি প্রথম সংগ্রহ করে নিজ এলাকায় নিয়ে আসেন। বর্তমানে তার পুকুরে ২ লাখ পোনা বড় হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তার এই চাষ দেখে তার এলাকার অনেক চাষী এগিয়ে এসছেন। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ পোনা বড় হচ্ছে তিনটি গ্রামের অর্ধশত পুকুরে। 

বাগানমাঠে পুকুর করে মাছ চাষ করছেন আনোয়ার হোসেন নামের এক মৎস্যচাষী জানান, তারা নতুন জাতের এই মাছের চাষ করেছেন। যেখান থেকে পোনা সংগ্রহ করেছেন তারা জানিয়েছেন এই মাছটি ভারতের মনিপুরি রাজ্যে চাষ হচ্ছে। তারা ইলিশের বিকল্প হিসেবে চাষ করে থাকেন। মাছটির মাথা দেখতে ইলিশের আর পেছনের অংশ পুটি মাছের মতো। স্বাদ ও গন্ধ ইলিশের মতো হওয়ায় তারা আশা করছেন বাজারে উঠানোর পর ইলিশের চাহিদা অনেকটা পুরণ হবে। তবে নতুন জাত হওয়ায় বাজার মুল্য কত হবে তা নিয়ে চিন্তিত মৎস্যচাষীরা। তারা আশা করছেন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে পারলেই তারা লাভবান হবে।

ময়মনসিংহ জেলার বন্ধন হ্যাচারীর মালিক কামাল হোসেন জানান, তারা এ বছর পেংবা মাছের পোনা ছেড়েছেন। প্রায় ১৫ লাখ পোনা বিক্রি করেছেন। যার বেশির ভাগই ঝিনাইদহে দেওয়া হয়েছে। তাদের এলাকায় সাামন্য কিছু চাষ হয়েছে। তিনি আরো জানান, মাছটি একেবারেই নতুন জাত। যে কারনে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা দেখার অপেক্ষায় আছেন। তবে ভারতে মনিপুরি ইলিশ হিসেবে ব্যপক প্রচলিত রয়েছে মাছটি। 

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, মাছটি চাষীরা সংগ্রহ করলেও তারা সার্বক্ষনিক দেখভাল করছেন। কখন কি পরিচর্যা করতে হবে তা দেখিয়ে থাকেন। তিনি আরো বলেন, মাছটি পেংবা বলেও অনেক স্থানে পরিচিত। তবে ভারতের মনিপুরি রাজ্যে এর বেশি চাষ হওয়ায় এটাকে মনিপুরি ইলিশ হিসেবে পরিচিত। মাছটিতে ইলিশের স্বাদ থাকায় ইলিশের চাহিদা অনেকটা পুরণ হবে। বাজারে একটু দাম পেলে চাষীরাও লাভবান হবেন।

যশোর M.M.Collage এর ইতিহাস বিভাগের মেয়ে হোসনেয়ারা নিখোঁজ

 যশোর M.M.Collage এর ইতিহাস বিভাগের মেয়ে হোসনেয়ারা নিখোঁজ


সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:  গত আগস্ট মাসের ১৯ তারিখ থেকে আসমাউল হোসনেয়ারা নামের মেয়েটিকে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় প্রশাসনে জিডি করা হয়েছে,যার নম্বর -১৫ ।কিন্তু এখনো কোনো খোঁজ মিলেনি। 



সে নিজ গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলা, শালিখা থানার সাতনাফুরিয়া গ্রাম থেকে যশোর এ বাসাবাড়িতে যাওয়ার  উদ্দেশ্য রওনা দেয়। তারপর থেকেই মেয়েটি আজও নিখোঁজ । মেয়েটি যশোর এম,এম কলেজ এর ইতিহাস বিভাগের ১ বর্ষের ছাত্রী। মেয়েটি বিবাহিত এবং তার ছোট একটি কন্যা সন্তান আছে। মেয়েটির জন্য পরিবার,পরিজন, আত্মীয়,স্বজন সকলেই দুঃশ্চিন্তাই দিশেহারা। কোন ভাবেই মেয়েটির অস্তিত্বের প্রমান পাওয়া যাচ্ছে না। দয়া করে আপনারা সকলে মেয়েটিকে খুঁজে পেতে সাহায্যে করুন। যোগাযোগে:-01744554772/01758196573

বাহাউদ্দীন নাসিম এর রোগমুক্তি কামনায় চৌগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল

বাহাউদ্দীন নাসিম এর রোগমুক্তি কামনায় চৌগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের দোয়া মাহফিল




চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিমের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল করেছে যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগ।


মঙ্গলবার বিকাল চারটায় উপজেলা আওয়ামী লীগের চৌগাছা শহরের ঝিকরগাছা রোডের দলীয় কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এসএম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন।


উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম সাইফুর রহমান বাবুলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, যশোর জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহানুর আলম শাহিন মল্লিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও জগদিশপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, সুখপুকুরিয়া ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোতা মিয়া, স্বরূপদাহ ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনোয়ার হোসেন, সিংহঝুলি ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল বাদল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবু সৈয়দ মোঃ শরিফুল ইসলাম ও কাউন্সিলর আনিচুর রহমান আনিচ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জিয়াউর রহমান রিন্টু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক  বিএম শফিকুজ্জামান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহাম্মেদ প্রমুখ।


অনুষ্ঠানে উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলারোয়ায় জোর পূবর্ক ভাবে মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ

কলারোয়ায় জোর পূবর্ক ভাবে মৎস্য ঘের দখলের অভিযোগ




আহসান উল্লাহ বাবলু,   সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি : কলারোয়ায় মৎস্য ঘের দখলের উদ্দেশ্যে গরিব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টির পায়তারা করছে ছাত্র শিবিরের সাবেক নেতা ফারুক, লিটন, মাহাবুবসহ ও অন্যান্যরা। কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের লীজ গ্রহীতা মৃত জোহর আলী মোড়লের ছেলে মোঃ আরিজুল ইসলাম, পিতা-আলহাজ্ব মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে মোঃ মোখলেছুর রহমান, মৃত জোহর আলী মোড়লের ছেলে মো: নজরুল ইসলাম।

এ সময় বিলের জমির মালিকরা বাৎসরিক হারি নির্ধারণ করে মাছের ঘের করার জন্য আমাকে অনুরোধ করে। জমির মালিকদের অনুরোধে আমি আমার প্রতিবেশি মাস্টার হাবিবুর রহমানের ছেলে মোখলেছুর রহমান কে সাথে নিয়ে জমির মালিক ৭০জন এর মধ্যে ৬১ জন জমির মালিকদের নিকট থেকে ১০ বছরের জন্য জমি লীজ নিয়ে মাছের ঘের পরিচালনা করে আসছি। ইতিমধ্যে ৪ বছর অতিবাহিত হয়েছে। চুক্তি মোতাবেক সামনে এখনো ৬ বছর বাকী আছে। ইতিমধ্যে ঘেরের ভেড়িবঁাধ নির্মাণে ও পানি সেচের মেশিন ক্রয় বাবদ আমাদের ২০ লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় এলাকার জব্বার মোড়লের ছেলে ছাত্র শিবিরের ক্যাডার সাবেক নেতা প্রভাষক মোঃ ফারুক হোসেন, মোফাজুল হক ভোলার ছেলে শিবির কমর্ী লিটন, বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ মৃত ইসমাইল মোড়লের ছেলে জালাল, মুজিবর রহমানের ছেলে মমিন ফকির, শাজাহানের ছেলে হাফিজুর, মৃত মহাতাব গাজীর ছেলে শহিদুল গাজী গংরা আমাদের আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠছে এবং মাছের ঘেরটি দখলে নেয়ার পায়তারা করছে জয়নগর ইউনিয়নের বস্তনপুর গ্রামের শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক, লিটন,ও বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ। 

গোপন সুত্রে জানাযায় সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুকসহ তার সঙ্গীরা জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রাম ৪নং ওয়ার্ডে মৃত ইসমাইল মোড়লের ছেলে জালালউদ্দীন বাড়িতে বসে একাধিক বার জামাত-শিবিরের সদস্যদের নিয়ে পুনারায় শিবির সংগঠনের বৈঠক করে যাচ্ছে শুধূ জালালউদ্দীনের বাড়ি নই সে অন্যান্য জায়গার শিবিরের সদস্যদের সাথে বৈঠক করে যাছেন, সেই সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক এলাকায় নাশকতা মূলক কার্যক্রম করে যাচ্ছে গোপনে। গোপন বৈঠক করে যাহাতে আগামীতে আওয়ামী লীগের উপর আক্রমন করতে  পারে সেই ব্যাপারে সবর্দা প্রস্তুত থাকতে বলেন। বিএনপি ক্যাডার মাহাবুব একাধিক মামলার আসামী ২০১৪ সালে জামাত-শিবিরের সাথে মিলে গাছ কাটা, অগ্নি কান্ড , হত্যা আসামী ছিলেন। 

আরও জানাযায় সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক বামনখালী উচ্চ দ্বিমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শিবির সদস্য হিসেবে করেন মাধ্যমিক পাশ করা পর্যন্ত।এরপর কলারোয়া সরকারী কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি হয়ে পুরাপুরি ভাবে জামাত -শিবিরের সংগঠনের সাথে কাজ করেন এবং কলেজে জামাত-শিবিরের বাহিনী তৈরি করার কাজে লেগে যান । এখন এলাকায় গরিব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে প্রতিহিংসা মুলক কার্যক্রম করে অসহায় গরিব দুখীদের জীবিকা থেকে বঞ্জিত করার জন্য পায়তারা করছে। 

একাধিক জমিদাতাগন বলেন সাবেক শিবির ক্যাডার মাষ্টার ফারুক, লিটন,ও বিএনপি ক্যাডার মাহাবুবসহ তার বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার গরিব দুখী মানুষরা অতিষ্ঠিত  হয়ে পরছে। তারা বলেন এই সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে আমাদের মত শতশত গরীব কৃষকদের রক্ষা করুন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বসন্তপুর মৌজা জেএলনং-১০৯ এবং ১১৩ নং খোর্দ্দ বাটরা মৌজার দাগে জমির পরিমান আনুমানিক ১২০বিঘা (বিল)। জমির মালিক ৭০জন এর মধ্যে ৬১ জন মৎস্য ঘের মো: নজরুল ইসলালকে দিতে সম্মত প্রকাশ করছে। ৬১ জন সম্মতকারীদের জমির পরিমান আনুমানিক ৯৮ বিঘা এবং অসম্মতকারীদের জমির পরিমান আনুমানিক ২০-২২ বিঘা।মৌজা জেএলনং-১০৯ এবং ১১৩ নং খোর্দ্দ বাটরা মৌজার দাগে যাহার চারি পাশে কয়েকটি করে মৎস্য ঘের তৈরি হয়েছে। সেই সকল ঘের মালিকগন বলেন আমার ঘের নষ্ট করে বা লক্ষাধিক টাকা  ক্ষয় ক্ষতি করতে পারবো না। একাধিক গরীর কৃষকরা বলেন ঐ মৎস্য ঘের টি যদি বন্ধ হয়ে যায় তবে আমরা না খেয়ে মারা যাবো এবং আমাদের লক্ষাধিক টাকা ক্ষয় ক্ষতি হবে যাহা বলে বুঝানো যাবে না।

সরেজমিনে গিয়ে আরোও দেখাযায় প্রতিপক্ষরা পরিত্যাক্ত ওই ব্রিজ নিয়ে একটি মনগড়া ইস্যু সৃষ্টি করেছে খাল দিয়ে বিলের পানি বের হবে বলে প্রচার করলেও বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। প্রকৃতপক্ষে যে খালের কথা বলা হচ্ছে সেটা ঐ ব্রিজ ও মৎস্য ঘের থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে। বিলের পানি খাল দিয়ে সরানোর চেষ্টা করলে ব্যক্তিগত ৫/৭ টি ঘেরের উপর দিয়ে খাল কেটে নিয়ে যেতে হবে। যাহা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। সকলের কাছে এটা প্রমাণিত হবে। 

জমির মালিকদের নিকট থেকে সহি-স্বাক্ষর গ্রহণ পূর্বক মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসলেও প্রতিপক্ষরা এলাকার গরীব কৃষকদের ভুল বুঝিয়ে আসছে। তারা সরলমনা কিছু সংখ্যাক গরীর কৃষকদের সংঘবদ্ধ করে এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টির পায়তারা চালিয়ে আসছে। নন জুডিসিয়াল ষ্টাম্পে শর্ত সমূহ মধ্যে বলা হয়েছে মেয়াদকালের মধ্যে উক্ত বিলের বা মৎস্য ঘেরের মধ্যে লীজ দাতাগন কোন প্রকার মাছ ধরিতে বা কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করিতে পারিবেন না। দাতাগন যদি মৎস্য ঘেরে কোন প্রকার ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করেন সেক্ষেত্রে বা লীজ গ্রহীতাকে সম্পূর্ন ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকিবে। 

লীজ গ্রহীতাগন বলেন এমতাবস্থায় বসন্তপুর বিলের মাছের ঘের নিয়ে দুষ্কৃতিকারীদের কথায় কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। একই সাথে ঘের নিয়ে এলাকায় শান্তি শৃংখলা বিনষ্টকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও আমরা যাহাতে জমির মালিকদের চুক্তি অনুযায়ী হারি প্রদান করে আগামী ৬ বছর মাছের ঘের পরিচালনা করতে পারি তার সুস্থ্যতা গ্রহণের জন্য মাননীয় জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

কালিগঞ্জের দক্ষিন শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

কালিগঞ্জের দক্ষিন শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের  অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

 

আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টাঃসাতক্ষীরা জেলার  কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকারের বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ এনে ইউনিয়নের সচেতনবাসী সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। 


এ লক্ষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর)  দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে, এই অভিযোগ করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, কালিগঞ্জ উপজেলার উত্তর শ্রীপুর গ্রামের মৃত গোরাই সরদারের ছেলে মোঃ রুহুল কুদ্দুস সরদার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত ২০১৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, নৌকা প্রতিক নিয়ে, কালিগঞ্জ উপজেলার ৪নং দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত দেব নারায়ন সরকারের ছেলে এক সময়কার তুখোড় জুয়া খেলোয়াড়, তর্ক্ক সাপ ও সীমানা পিলার ব্যবসায়ী নামে পরিচিত, ভারতীয় নাগরিক প্রশান্ত কুমার সরকার। 

বিগত সময়ে আওয়ামী বিরোধী রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকাকালে আ’লীগের যেসকল নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিল, প্রশান্ত কুমার সরকার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের আরো ক্ষতি করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।


২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জ্বালাও পোড়াও সহিংসতাকারিদের সাথে তার ঘনিষ্ট সম্পর্ক। নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্থরা তার পাশে যেতে পারে না। চেয়ারম্যান কথায় কথায় বলেন, আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত না তাই তাদের কথা শুনতে হবে কেন? এধরনের মন্তব্য করে সে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আনিত অভিযোগে রুহুল কুদ্দুস সরদার অভিযোগ করে আরো বলেন, সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত বিধবা, বয়ষ্ক, প্রতিবন্ধি, ভিজিডি ও রেশনকার্ড বন্টনের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অশ্রয় নিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার সরকার। ইতিমধ্যে যেসব বিধবা, বয়ষ্ক ও প্রতিবন্ধি ভাতাভোগির মৃত্যু হয়েছে, তাদের নামেও টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানের দুই স্ত্রী ও ৬ মেয়ে।


এদের মধ্যে ৫ মেয়ে স্থায়ীভাবে ভারতে বসবাস করে। অপর মেয়েটি কালিগঞ্জের বসন্তপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরি করলেও তার ভারতে বাড়িঘর রয়েছে। চেয়ারম্যান প্রশান্ত সরকার নিজেও ভারতে জমি কিনে বাড়ি করেছেন। চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে এখানেও দু’টি পাকা বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন এবং জমি কিনে সেখানে আরো একটি বাড়ি নির্মাণ করছেন।

চেয়ারম্যান এর  কোন সহায় সম্পত্তি না থাকা স্বত্বেও, এত বাড়িঘর ও সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন, সে প্রশ্ন সবার মনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দেখা দিয়েছে।


এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে, চেয়ারম্যান প্রশান্ত তার গুন্ডা বাহিনী লেলিয়ে দেন বলে অভিযোগ। তিনি আরো বলেন, চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নের বিভিন্ন সোলিং রাস্তার ইট তুলে নিয়েছেন। এছাড়া নবযাত্রা প্রকল্পে রাস্তার কাজ কর্মসৃজনের শ্রমিক দিয়ে করে ৫ লাখ, গৃহহীনদের ঘর দেয়ার নামে ৫ লাখ, সরকারি রাস্তার গাছ বিক্রি করে প্রায় ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অসহায় দুস্থ্য দরিদ্র মানুষের বিভিন্ন ভাতা ভোগীদের টাকা আত্মসাৎ করায় তার বিরুদ্ধে, বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়েছে। তার এসব দুর্নীতির সাথে অসৎ সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত থেকে উভয় আর্থিক সুবিধা ভোগ করছে। তিনি দুর্নীতিবাজ ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার সরকারের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সমূহ তদন্তপূর্বক, তার বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আর্কষন করেছেন।


উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনেকালে এলাকার ভুক্তভোগী সচেতন মহল উপস্থিত ছিলেন।

মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

 মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর  মৃত্যু



লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের  মাধবপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে মঙ্গলবার (২২-সেপ্টেম্বর) উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের গোবিন্দ্রপুর গ্রামে এঘটনা ঘটে। এলাবাসী সুত্রে জানাযায়,ওই গ্রামের  ফয়সল আহম্মেদ  লিপনের ছেলে   আবরার(৩)বাড়ির সকলের অগোচরে বাড়ির  পাশে পুকুরে পড়ে মারা যায়।পরে পুকুরে লাশ দেখে সকাল ১০টা দিকে  উদ্বার করা হয় এর কয়েক ঘন্টা পর  একই গ্রামের।


জহিরুল ইসলাম মিন্টুর  মেয়ে  তানিসা (৩)পানি ডুবে মারা যায়। তানিসা বাড়ির সকলের অগোচরে খেলতে  গিয়ে   পুকুরের পানিতে ডুবে  মারা যায়। পরে  পুকুরে লাশ ভেসে উঠলে  উদ্বার করা হয়। মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন  ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেছে, একই দিনে গ্রামের দুই শিশু মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান বিতর্ক সাংসদের সংবাদ সম্মেলন

হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান বিতর্ক সাংসদের সংবাদ সম্মেলন




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি


হবিগঞ্জের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় সংসদে আইন পাশ হওয়ার দিন-পনের যেতে না যেতেই স্থান নির্ধারণ নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। এছাড়া আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে চলছে বিতর্ক। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলার মাঝেই সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে মিলিত হলেন হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান।

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নিয়ে বিতর্ক যখন তুঙ্গে তখন মনোরম শিক্ষার পরিবেশ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, সরকারি অর্থ সাশ্রয় ও পর্যাপ্ত জায়গা থাকার করণে একমাত্র বানিয়াচং উপজেলার নাগুড়া এলাকাই।


হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’র উপযুক্ত স্থান বলে মনে করছেন এই সাংসদ এ ব্যাপারে বিস্তারিত সুযোগ-সুবিধা ও কার্যকরি দিকগুলো তোলে ধরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেছেন তিনি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান ফটকে নিজ বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় এমপি আব্দুল মজিদ খান বলেন- সম্প্রতি জাতীয় সংসদে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হওয়ার পর থেকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থান নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে এছাড়া আরও বেশ কিছু বিষয় 


নিয়ে হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে বিতর্ক চলছে সে বিষয়গুলো জনগণের জানা দরকার

তিনি বলেন- ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জ জেলাবাসীর বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৫টি দাবি আদায়ের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এগুলো হলো- হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ স্থাপন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন শায়েস্তাগঞ্জ থানাকে উপজেলায় রূপান্তর, বাল্লা স্থলবন্দর আধুনিকায়ন ও হবিগঞ্জ-সুনামগঞ্জ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ-শাল্লা-দিরাই) আঞ্চলিক মহসড়ক নির্মাণ।


এমপি আব্দুল মজিদ খান বলেন- সম্প্রতি হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইনও সংসদে পাশ করা হয়েছে কিন্তু জটিলতা দেখা দিয়েছে স্থান নির্ধারণ নিয়ে। প্রয়াত সংসদ সদস্য বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নে অবস্থিত নাগুড়া ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এরিয়ার নিজস্ব জমি ও খাস জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রস্তাব রেখেছিলেন। কিন্তু বিদ্যমান আইনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কথাটি সংযুক্ত করে আইন পাশ করার কারণে বানিয়াচংয়ের।


ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সবুজ চত্বর ও খাস জমি কাজে লাগানোর সুযোগ থাকছে না। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের এরিয়ায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহজতর হত এবং কম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা যেত গবেষণাগারের অবকাঠামোগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে। বিকল্প স্থানে হলে ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রায় ২ থেকে ৩শ’ একর ভূমি সহজলভ্য হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সুযোগ-সুবিধা উল্লেখ করে তিনি বলেন- নাগুড়া ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অনেক সুবিধা হতো।


সেই জায়গায় বর্তমানে নতুন ভবন নির্মাণ না করেও ক্লাস চালু করা যেত এছাড়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রচুর জায়গার প্রয়োজন। পুকুর-জলাশয়সহ বিভিন্ন গবেষণার জন্য সেখানে জায়গা লাগবে যে জায়গা শুধুমাত্র সেখানেই আছে। ওই জায়গাতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে অন্তত একশ একর জায়গা সরকারের সাশ্রয় হবে। বাকি একশ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে নিলেই বিশাল জায়গা হবে। বিদ্যমান আইনটি সংশোধন কিংবা পরিমার্জন করতে হলে এখন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বিশেষ সুবিবেচনা প্রয়োজন বলে জানান তিনি।


মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তজজিম্মুল হক চৌধুরী। এ সময় হবিগঞ্জ জেলার ও বানিয়াচং উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে এক মিনিটের ঝড়ে তিনটি গ্রাম লন্ডভন্ড

 সিরাজগঞ্জ কাজিপুরে এক মিনিটের ঝড়ে তিনটি গ্রাম লন্ডভন্ড



 মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ জেলাপ্রতিনিধিঃএক মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তিনটি গ্রামের পন্ঞ্চাশটি পরিবারের বাড়িঘর। আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া তিনটার সময় কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের লক্ষীপুর, হাটশিরাও হাজারহাটি গ্রামের উপর চলে ঝড়ের এ তান্ডব। প্রত্যক্ষদর্শীদের নিকট হতে জানা যায়, ঝড়ের আগ থেকেই মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল, হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে আসা ঝটকা বাতাশে সব লন্ডভন্ড হয়ে গেল। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত রেজাউল করিম জানান, " প্রায় দেড় ঘন্টা ধরে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছিল, হঠাৎ পশ্চিম দিক থেকে ঝটকা বাতাশ এলো, কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার মাথার উপর থেকে ঘরের চালা উড়ে চলে গেলো। " মুহুর্তের এই ঝড়ে উপড়ে পড়েছে বেশ কিছু গাছ, নষ্ট হয়েছে সবজির ক্ষেত, ছিঁড়ে গেছে বিদ্যুতের তাঁর । ঝড়ের সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ কে এম শাহা আলম মোল্লা ও চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুকুল ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি গ্রাম পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্হদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, " সরেজমিনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখে গেলাম, তালিকা করে পরে তাদের সহায়তা প্রদান করা হবে, আপাতত তাদের শুকনো খাবার দেওয়া হলো।

মাধবপুরে থানার ওসি'র আন্তরিকাতায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ

মাধবপুরে থানার ওসি'র আন্তরিকাতায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ




লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি


হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার ওসি ইকবাল হোসেনের আন্তরিকায় পুলিশ ফাঁড়ির নির্মাণ কাজ চলছে উপজেলা শাহাজাহানপুর ইউনিয়নের নয়াহাটি নামক স্থানে চল্লিশ শতক জায়গার উপর একটি আধুনিক তেলিয়াপাড়া (হরষপুর)  পুলিশ ফাঁড়ির নির্মানকাজ শেষের পথে

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন একটি সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন প্রচুর মাদকের ছড়াছড়ি থাকায় ভাড়া বাড়িতে পুলিশ ফাড়ি স্থাপন করা হয়েছে এর ফলে পুলিশকে ভাড়া গুনতে হচ্ছে লাখ লাখ টাকা।


পুলিশের অনুরোধে ও স্থানীয় সমস্যা অনুধাবন করে  স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান  মরহুম তৌফিকুল আলম চৌধুরী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য জমি দান করেন। মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, মরহুম তৌফিক চেয়ারম্যান জমি দেয়ার পর ফাঁড়ি নির্মান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করি প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ কিছু দিনের ভেতর আমাদের নিজস্ব ভবনে সমুদয় কাজ শুরু করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 


উল্লেখ্য ২৫ জুলাই সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দীন আহম্মেদ পিপিএম তেলিয়াপাড়া (হরষপুর)পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্যা বিপিএম পিপিএম। প্রায় ২৫ লক্ষ টাকায় ব্যয় করে পুলিশ ফাঁড়ি নির্মানে একদিকে পুলিশ কে গুনতে হবে না বাড়তি ভাড়া অন্যদিকে মাদকের ছোবল থেকে এলাকার যুব সমাজ রক্ষা পাবে বলে মনে করেন এলাকার সচেতন মহল।

পটিয়ার কচুয়াই প্রতিপক্ষের হামলায় বসতঘর ভাংচুর আহত-১, হত্যার হুমকি

 পটিয়ার কচুয়াই প্রতিপক্ষের হামলায় বসতঘর ভাংচুর আহত-১, হত্যার হুমকি




সেলিম চৌধুরী, পটিয়া প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের পটিয়া     উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নে ৪ নম্বর ওয়ার্ড অলির হাট সর্দার পাড়ায়  প্রতিপক্ষরা সজল সর্দার এর বসতঘর ভাংচুর তান্ডব লুটপাট চালিয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সজল সর্দারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে।  ঘটনাটি ঘটেছে ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার  রাত ১১ টার সময়। এঘটনায় মৃত   মিদুল সর্দার এর পুএ সজল সর্দার বাদী হয়ে একই এলাকার বাবুল সর্দার, সুকুমার সর্দার, রগু সর্দার, অজয় সর্দার এর বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে জানাযায় দীর্ঘদিন যাবত সজল সর্দার এর সাথে প্রতিপক্ষ বাবুল সর্দার গং এর মধ্যে বসতঘর এর জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ২১ সেপ্টেম্বর সজল সর্দার পটিয়া থানার হাট থেকে মাছ বিক্রি করে ঘরে আসে। এসময় প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র-শস্র নিয়ে সজল সর্দার এর উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত শরীরে বিভিন্ন স্থানে  



জখম করে। এর এক পর্যায়ে সজল সর্দার এর মাছ বিক্রির লুঙ্গির গোছে থাকা ৬০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায় বলে থানার দায়েরকৃত অভিযোগ সুএে প্রকাশ। এসময় ঘরের অন্য সদস্যরা বাঁধা দিলে তাদেরকে হত্যার হুমকি ধামকি দেয় এবং দেশীয় অস্ত্র- শস্র দিয়ে এলোপাতাড়ি বসতঘর ভাংচুর তান্ডব লুটপাট চালায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন। এ ব্যাপারে থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মোঃ জাহাঙ্গীর জানান, অভিযোগ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করি মুলত বসতঘর নিয়ে তাদের বিরোধ। ২৫ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যদি বিরোধ মিমাংসা না হয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে দায়ী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে সজল সর্দার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে জানান। সে এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রতারণার শিকার রুগী

 ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের প্রতারণার শিকার রুগী


সম্রাট হোসেন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারী) ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলামের প্রতারণার স্বীকার হয়ে হাফিজুর রহমান নামে এক রোগী সর্বশান্ত হয়েছেন। ৬ মাস চিকিৎসা শেষে অপারেশন করার প্রতিশ্রতি দিয়েও সরকারী হাসপাতালে অপারেশ করেন নি। অবশেষে বিভিন্ন অজুহাত আর তালবাহানা করে অপারেশন না করে রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। হাফিজুর রহমান শৈলকুপা উপজেলার বিষ্ণুদিয়া গ্রামের দিয়ানত আলীর ছেলে। হাফিজুর রহমানের পিতা মোঃ দিয়ানত আলী শেখ অভিযোগ করেন, আমার ছেলে মোটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করার পর ঝিনাইদহ ফিরোজ ডায়াগষ্টিক সেন্টারে ডা. মোঃ মনিরুল ইসলামের তত্বাবধানে দীর্ঘ ৬ মাস চিকিৎসা গ্রহন করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলতে থাকে। চিকিৎসাকালে ডাক্তার জানান প্রাইভেট ক্লিনিকে অপারেশন করাতে হলে ৩৬ হাজার টাকা আর সরকারি হাসপাতালে করলে ২৬ হাজার টাকা লাগবে। রোগীর পিতা জানান, আমাদের অর্থ সংকট থাকায় ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে অপারেশনের জন্য আমার ছেলেকে গত ১০ সেপ্টেম্বর ভর্তি করি। সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয় হাফিজুর রহমানের অপারেশন কোথায় কিভাবে হয় সেটি আমি দেখে নেব। ডাক্তারের এই হুমকি দেওয়ার পর তিনি সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ককে বিষয়টি জানান। তত্বাবধায়ক ওই ডাক্তারকে ডেকে অপারেশনের জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় তত্বাবধায়কের অনুরোধ উপেক্ষা করে আমার ছেলেকে অপারেশন না করেই অন্যত্র রেফার্ড করার চেষ্টা করেন। তখন আমি নিরুপায় হয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আমার ছেলেকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে যায়। দিয়ানত শেখ আক্ষেপ করে বলেন, সরকারি হাসপাতালে যদি মানুষ সেবা না পায় তাহলে কোথায় গিয়ে সেবা পাবে? ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল কমিউনিটি সাপোর্ট কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক পৌরসভার চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান খোকা বলেন, ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম সুপাররেন্টেডেন্ট সাহেবের কথাও রক্ষা করেনি। এটা দুঃখজনক। এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারী) ডাঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম মুঠোফোনে রাগান্বিত কন্ঠে বলেন, হাফিজুর রহমান নামের কোন রোগিকে আমি কোন চিকিৎসা দেয়নি। তাকে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। আমার কাছে এ রোগীর কোন চিকিৎসা নেই।

আখ চাষে বেকারত্ব ঘুচিয়েছে শিক্ষিত যুবক জাহাঙ্গীর অলম

আখ চাষে বেকারত্ব ঘুচিয়েছে শিক্ষিত যুবক জাহাঙ্গীর অলম





মোরশেদ আলম

যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি


যশোর কেশবপুর উপজেলার মঙলকোট ইউনিয়নের কেদারপুর গ্রামে আখ চাষ করে অধিক মুনাফা ও সাফল্য অর্জন করার চেষ্টা করছেন জাহাঙ্গীর আলম নামে শিক্ষিত বেকার যুবক। 


জাহাঙ্গীর আলম কেদারপুর গ্রামের সুলতান মোড়লের ছেলে।

বিগত কয়েক বছর ধরে তিনি আখ চাষ করে আসছেন, গতবারে ক্ষতির মুখে পড়লেও এবার তিনি ভালো লাভের আশা করছেন। তিনি বলেন,গতবার যে কোন কারণে আখের খেতে পচন ধরে, সার কীটনাশক প্রয়োগ করেও কোন ফলাফল না পাওয়ায় সব আখ নষ্ট হয়ে যায় এবং ব্যাপক টাকার ক্ষতি হয়, কিন্তু ভেঙ্গে না পড়ে  নিজ উদ্যোগে আবারও ১৬ শতক জমিতে ১৫০০ পিচ গেন্ডারী জাতের আখের চারা রোপন করেছি, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যবারের তুলনায় এবার ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।


সারে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশে পাশে থাকা অন্যান্য জমিতে কেও আখ কাটছেন কেউ জমি থেকেই আখের ক্ষেত সহ বিক্রি করে দিচ্ছেন, আবার কেউ রোপনের জন্য জমি পরিস্কার পরিছন্ন করছেন।


আখ চাষী জাহাঙ্গীর  আলম বলেন, নবেম্বর -ডিসেম্বর মাসে আখ চাষের মৌসুম, এ সময় আখের চারা রোপন করা হয়, এবং অক্টোবর মাসে আখ কেটে বাজারজাত করণ করা হয়, এ আখ সাধারনত বড় হতে ২৮০-২৯০ দিন সময় লাগে। চাষীরা বিভিন্ন জাতের আখ চাষ করেন তার মধ্যে কেবল গুড় তৈরীর জন্য (আইএসডি) ঈশ্বরদী ১২, ১৪,১৬,২০ এবং চিবিয়ে খাওয়ার জন্য, বাঁশপাতা, গেন্ডারী ও ২০৮ সহ প্রায় ১৬ জাতের আখ চাষ হয়। এসব আখ প্রতিটি ১৫-২০ টাকা বিক্রি হয়। আখ চাষে বিঘা প্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয় আর আয় হয় প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। আখের প্রধান শত্রু শিয়াল ও সামান্য কিছু রোগ বালাই যেমন- মাঝরা পোকা, কান্ডপচা, লালচে রেখা ইত্যাদি যদি সঠিক সময়ে সঠিক নিয়মে ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে রোধ করা যায় এবং সরকারী কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের আখ উৎপাদন বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা যায় তাহলে তাহলে আখের ফলন আরো বাড়ার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে ও বেকারদের কর্ম-সংস্থানের সৃষ্টি হবে।

শৈলকুপা পৌর এলাকায় সাতগাছি গ্রামের সাপের কামড়ে মৃত্যু

 শৈলকুপা পৌর এলাকায় সাতগাছি গ্রামের সাপের কামড়ে মৃত্যু




সম্রাট হোসেন, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের শৈলকুপা সাপের কামড়ে সুমাইয়া (৭) নামের এক শিশু শিক্ষার্থী মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) শৈলকূপা পৌরসভার সাতগাছি গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ওই গ্রামের মোঃ সুজাল মন্ডল মেয়ে সাতগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী।


পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ভোর ৪:৪৫ মিনিটের নিহত শিশুটি হঠাৎ করে  হাতে ব্যাথা বলে চিৎকার করে তার পর তাকে নিয়ে স্হানীয় কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে অবস্হা খারাপ হলে তাকে নিয়ে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পথে মারা যায়।

চরফ্যাশনে শিকল পরা খাদিজার খুনের রহস্য ১০দিনেও মিলেনি

 চরফ্যাশনে শিকল পরা খাদিজার খুনের রহস্য ১০দিনেও মিলেনি




মোবাশ্বের আলম চরফ্যাশন প্রতিনিধি:

ভোলা চরফ্যাশন পৌরসভা ১নং ওয়ার্ডে পানিভর্তি বিল থেকে উদ্ধার হওয়া মৃত খাদিজার (১৪) খুনের রহস্য ১০ দিনেও উদঘাটন হয়নি৷ তবে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বেওয়ারিশ হিসেবে ভোলা আঞ্জুমানে দাফন করা হলেও এখন তদন্ত চলমান অবস্থায় লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে৷


গত ১২সেপ্টেম্বর চরফ্যাশনে উদ্ধার হওয়া এক তরুণীর লাশ সনাক্তকরণে অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া যে তথ্য প্রকাশ করেছে অবশেষে থানা পুলিশের তদন্তে সেটাই সত্যি প্রমানিত হলো৷ উদ্ধার হওয়া তরুনী চরফ্যাশন জাহানপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের ফারুক মিয়ার মেয়ে খাদিজা৷


মেয়ের এমন রহস্যময় নিশংস মৃত্যুর খবর শুনে একনজর দেখতে আসেনি বা না চেনার ভান করে লাশ গ্রহণও করিনি তার বাবা৷ অবশ্য যে বাবা তার মাহারা মেয়েকে মধ্যযুগীয় কায়দায় পায়ে শিকল বেঁধে নির্যাতন করতে পারে, মেয়ের অমতে বয়স্ক পুরুষের নিকট অর্থের লোভে বিয়ে দিতে পারে, নির্যাতনের সময় মেরে ফেলার হুমকি দিতে পারে এমন পাষণ্ড পিতা মেয়ের লাশ গ্রহন না করাটাই স্বাভাবিক৷ মেয়ের নিশ্চিত মৃত্যু হয়েছে এ খবর শুনে যে বাবা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়, এখন পর্যন্ত মেয়ের বা মামলার কোন খবর নেয়নি, সে বাবা কখনোই মেয়ের খুনের দায় এড়াতে পারেন না৷ পুলিশের তদন্তে প্রকৃত খুনের রহস্য এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন চরফ্যাশনের সাধারণ জনগণ৷


জানা যায়, চরফ্যাশন থানা পুলিশের এক সদস্য স্বপ্রণোদিত হয়ে খাদিজাকে খুন এবং লাশ গোপন করার অভিযোগ এনে অজ্ঞাত আসামি করে চরফ্যাশন থানায ১২সেপ্টেম্বর একটি মামলা দায়ের করেন৷ মামলা নং ০৭ ধারা ৩০২/২০১. ৩৪ পেনাল কোড৷ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল ইসলাম জানান, মামলাটি তদন্তদিন, এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি, কয়েক জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে৷ তবে মেয়েটির পরিচয় পাওয়া গেছে৷


চরফ্যাশন থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক৷ আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের সর্বাত্মক চেষ্টা করব৷ এ মামলার অগ্রগতি নিয়ে আমাদের কোনো গাফিলতি বা সময় ক্ষেপণের সুযোগ নেই৷

সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি

 সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর  স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে  হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি




মামুনুর রশিদ,দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলে দেশ উন্নত দেশের কাতারে দ্রুত পৌছে যাবে উল্লেখ করে বলেন, হুইপ সাম্প্রতিককালের করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় চিত্র তুলে ধরে আরও বলেন, ভাইরাসের কারনে উন্নয়নের পাশাপাশি লেখাপড়া বন্ধ করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাকে আরও তরান্বিত করতে অনলাইন ও টিভিতে পড়ালেখার কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তিনি শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সতর্ক থেকে গুরুত্বের সাথে সন্তানদের পড়ালেখার ক্ষেত্রে সজাগ থাকার জন্য আহবান জানান। তিনি আরও বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে যেন কোন পরীক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্থ না হয় এর দায়িত্ব আমাদের সকলকে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আসন্ন শীতে সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন। তবে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে না। শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ সকল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগনকেও গুরুত্বের সাথে কাজ করতে হবে। 

২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে দিনাজপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল (বাংলা স্কুল) এর একাডেমিক ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন। 

এ সময় বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইমদাদ সরকার, পৌরসভার প্যানেল মেয়র তৈয়ব আলী দুলাল, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহীনুর ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল, উপজেলা প্রকৌশলী ফিরোজ আহমেদ, শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজু জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ ফয়সল হাবিব সুমন, প্রাক্তন বাংলা স্কুল ছাত্র ফাউন্ডেশনের সভাপতি মেহেরুল্লাহ বাদল প্রমুখ।

ঝালকাঠির বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেত্রী কেকা সংগঠন থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত!

ঝালকাঠির বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেত্রী কেকা সংগঠন থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত!


এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ,ঝালকাঠি জেলাঃঝালকাঠির বহুল বিতর্কিত জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শারমীন মৌসূমী কেকাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শহরের টাউন হলের জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহআলম। সভায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ২৪ সেপ্টেম্বর জন্মদিন পালন এবং আগামী ১ অক্টোবর শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের ঝালকাঠি সফর উপলক্ষে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল এ তথ্য বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।


জানা গেছে, গৃহবধূকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে মাথার চুল কেটে দেয়ায় আদালতে মামলা এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে শহীদ মিনার ভেঙে স্টল নির্মাণ করায় জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে বিতর্কিত হওয়ায় দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।


জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম আলম খান কামাল সাংবাদিকদের জানান, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদক শারমিন মৌসূমী কেকাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।


গত ৩০ আগস্ট রাত ৮টার দিকে এক গৃহবধূকে জিম্মি করে সারারাত নির্যাতন শেষে মুক্তিপণ আদায় ও মাথার চুল কেটে শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুন মাখিয়ে দেন আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন মৌসূমী কেকা ও তার লোকজন। এ সময় ওই নির্যাতিত নারীর বিনীত অনুরোধে তার প্রাণ ভিক্ষা দেয়ার কথা বলে এ কথা কাউকে জানালে আগুন ধরিয়ে দেয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।


এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওই নির্যাতিত নারী বাদী হয়ে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শারমিন মৌসূমী কেকাসহ ৬ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করলে আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করে বাদীকে নিরাপত্তা দিতে সদর থানা পুলিশের ওসিকে নির্দেশ দেন। রাতেই সদর থানায় মামলাটি রেকর্ড করেন ওসি মো. খলিলুর রহমান। এরপর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

ডাকসুর ভিপির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে চরফ্যাশনে মানব বন্ধন

 ডাকসুর ভিপির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে চরফ্যাশনে মানব বন্ধন




জেলা প্রতিনিধি, ভোলা:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ পরিষদের সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরুর উপর ক্ষমতাসীন দলের বিমাতাসুলভ আচরন অনেক পুরনো।নুরুল হক নুরু ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি  হামলার শিকার হয়েছেন অনেকবার। যার ইন্ধন দাতা ক্ষমতাধর গোষ্ঠী। বহু দমন, পীড়ন,নিপীড়ন,নির্যাতন,মারপিট করেও যখন নুরুল হক নুরকে দমন করতে পারে নাই, তখন অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষনের সহযোগী করে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৭জন নেতার নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।যার ফলশ্রুতিতে এই মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ করতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করলে ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের উপর ছাত্র লীগ ও পুলিশবাহিনি দিয়ে অতর্কিত হামলা করে সমাবেশ লন্ডভন্ড করে দেয়।ভিপি নুরুল হক হক নুর সহ ছাত্র অধিকার পরিষদের ৮ নেতাকে পুলিশ প্রচুর মেরে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের সকল নেতাকর্মীর মুক্তির দাবীতে সারা দেশে আজ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আজ সকল ১১.০০ ঘটিকার সময় চরফ্যাশনে শান্তি পূর্ণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সাইদুল ইসলাম  সদস্য যুব অধিকার পরিষদ  ভোলা জেলা শাখা  ও সাইফুল ইসলাম হাওলাদার  সদস্য দক্ষিণ আইচা থানা ছাত্র অধিকার পরিষদ শাখা এবং এনায়েত মৃধা সদস্য   শ্রমিক অধিকার পরিষদ নজরুল নগর ইউনিয়ন শাখা।

যশোর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নীরা, বিএনপির নুর-উননবী

যশোর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী নীরা, বিএনপির নুর-উননবী




সুমন হোসেন, যশোর জেলা প্রতিনিধি:যশোর সদর উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন নুরজাহান ইসলাম নীরা। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। এরআগে বিএনপিথেকে  উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর উন নবীকে মনোনিত করা হয়। জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী নুরজাহান ইসলাম নীরা বর্তমানে যশোর সদর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার পদত্যাগ করে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। শাহীন চাকলাদার পদত্যাগ করায় যশোর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২০ অক্টোবর এই পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মোংলায় ৯ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্য জনক মৃত্য

মোংলায় ৯ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্য জনক মৃত্য


মোংলা প্রতিনিধি:মোংলায় ঘরের আড়ার সাথে গলায় গামছা প্যাঁচানো মাদ্রাসা পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে গলার ফাঁস খুলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাকে মৃত্য ঘোষনা করে। তবে পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে আত্মহত্যার নমুনা না মেলায় শিশুটি আত্মহত্যা করেছে নাকি মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বা অন্য কোন কারণ রয়েছে এনিয়ে এলাকা জুড়ে চলছে নানা গুঞ্জন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যা দাবী করা হলেও মুলত চিকিৎসক ও পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে আত্মহত্যার কোন নমুনা পাওয়া যায়নী বলে জানায় জানানো হয়েছে। 


মোংলা থানা পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানা যায়, উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলার র“চোমারী গ্রামে দাদা-দাদীর সাথে থাকতেন শিশু আব্দুললাহ শেখ। তার মা-বাবা কর্মের সন্ধানে চট্রগ্রামে বসবাস করেন। ছোট বেলা থেকেই মা ও বাবা তাছিরুল শেখ দাদা-দাদীর কাছে রেখে চট্ট্রগ্রামে থাকেন। একই ঘরে বসবাস করেন চাচী কুলসুম বেগম, তারও এক বছরের শিশু পুত্র রয়েছে।   


সোমবার রাতে দাদা বাডীর বসত ঘরের আড়ার সাথে আব্দুল্লাহকে গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্তায় ঝুলতে দেখে দাদা সালাম শেখ তাকে নিচে নামিয়ে চিৎকার করতে তাকে। এসময় স্তানীয়রা দ্রুত আব্দুল্লাহকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মৌসুমী মৌ তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে প্রতিবেশীরা আব্দুল্লার লাশ নিয়ে হাসপাতালে আসলেও ঘরে থাকা দাদা-দাদী ও আপন চাচীরা কেউই সাথে আসেনী। আব্দুল্লাহ রুচোমারী গ্রামের তাছিরুল শেখথর ছেলে। আব্দুল্লাহ উত্তর বাশতলা কেরাতুল মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়াশুনা করতেন।  মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রেরর মেডিকেল অফিসার ডাঃ শাহানা বলেন, হাসপাতালে রাতে আব্দুল্লাহকে মৃত্য অবস্তায় নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরে আত্মহত্যার কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নী, তবে ময়না তদন্ত করলেই সব কিছু জানা যাবে। 


মোংলা থানার থানার এস আই লিটন মন্ডল জানায়, আব্দুল্লাহ শরীরের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করা হয়েছে, গলায় সামন্ন কালো দাগ থাকলেও তার আত্মহত্যার কোন নমুনা পাওয়া যায়নী। তাই এটি আত্মহত্যা নাকি, অন্য কোন কারণ, সঠিক বিষয়টি জানার জন্য লাশের ময়না তদন্ত শেষে নিশ্চিৎ হওয়া যাবে। তাই ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। 


মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানায়, আমাদের সন্দেহ হওয়ায় গলায় ফাসঁ লাগানো শিশুটিকে ময়না তদন্তের জন্য  বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে এর মৃত্যর মুল ঘটনা উধঘাটন করা সম্ভব হবে। 

নওগাঁয় বন্যার পানি বৃদ্ধিতে ঢেউয়ের কবলে সড়ক ভাঙ্গন ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌ পারাপার

 নওগাঁয় বন্যার পানি বৃদ্ধিতে ঢেউয়ের কবলে সড়ক ভাঙ্গন ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌ পারাপার


মোঃ ফিরোজ হোসাইন 

রাজশাহী ব্যুরো

বন্যার ওপর বন্যা। দেশে আরও বড় ধরনের বন্যার ঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধান নদ-নদীর উজানের অববাহিকায় আবারও ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। অতিবৃষ্টি চলতে পারে এই সপ্তাহজুড়ে। 


বিগত বন্যায় নওগাঁ জেলায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে যেটার ক্ষতি কাটিয়ে না তুলতেই আবার নতুনভাবে শুরু হয়েছে বন্যা।

বন্যায় রাস্তা ঘাট ডুবে একাকার সেই সাথে আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া হতে বিভাগীয় শহর রাজশাহী সড়কে বড় বড় ঢেউয়ের কবলে রাস্তায় পাশের গাছ গুলো উপড়ে পড়ে রাস্তা ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।


বন্যার আগে স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক কতৃপক্ষের ঘুমিয়ে থাকায় বারবার সড়কে সৃষ্টি হাচাই নতুনভাবে ভাঙ্গন।


আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া হতে গজমতখালি সড়ক বেশ কবছর আগে নির্মাণ হলেও এটার পাশ দিয়ে রয়েছে বিশাল বিল। যার ঢেউয়ের ফলে রাস্তার ভাঙ্গন শুরু হলে স্থানীয় প্রশাসন ও কতৃপক্ষের সহযোগিতায় একটা প্লেয়ার গাথা হয় যা সড়কের ভাঙ্গণ রোধ করবে।


কিন্তু এটা বিগত বন্যা গুলোতে ভেঙ্গে সসড়কের ক্ষতি সৃষ্টি হলেও নজরে আসলেও স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক কতৃপক্ষ তেমন কোন গুরুত্ব নেয়নাই। যার ফলে এইবার ভয়াবহ দুটো বন্যায় সড়কে ব্যপক ভাঙন দেখা দিয়েছে পাশাপাশি রাস্তার পাশের গাছ গুলো ও বিলে পড়ে যাচ্ছে। 


অপরদিকে এই বন্যায় রাস্তা তলিয়ে যাওয়ার ফলে তীব্র ঢেউয়ের ভেতর মাছ ধরার ছোট্ট ছোট্ট নৌকায় করে যাত্রীদের ডুবে যাওয়া রাস্তা পার করিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


যেখানে বড় কোন নৌকার ব্যবস্থা ও নাই, যার ফলে যারা সাঁতার জানেনা বা ছোট্ট বাচ্চা এদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।


এই বিষয়ে আত্রাই উপজেলার মেহেদী মাহবুব জানায় রাস্তায় দ্রুত পদক্ষেপ না গ্রহণ করলে রাস্তা আবার আগের মত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। পাশের উপজেলা রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার অটো চালক বারী জানায়, বান্দাইখাড়া গজমতখালি সড়ক বর্তমান খুবই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে এইভাবে ভাঙ্গতে থাকলে বা উপযুক্ত প্রদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এমন রাস্তা পাইতে হইতো আরও কয়েকবছর সময় লেগে যেতে পারে।

সাতক্ষীরা'র ভোমরায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রিয় কার্যক্রম উদ্বোধন

 সাতক্ষীরা'র ভোমরায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রিয় কার্যক্রম উদ্বোধন


আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃশেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায়, খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত হতদরিদ্রদের মাঝে, আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়ন এর ৩ঃ টি পয়েন্টে ১০ টাকা কেজির স্বল্পমূল্যে  চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভোমরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, গাজী আব্দুল গফুর, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাক অফিসার তৈবুর রহমান, ডিলার সিরাজুল ইসলাম ময়না, আবু তোহা রাম কৃষ্ণ প্রমূখ।


সাতক্ষীরা সদরের ভোমরা ইউনিয়ন এর ৩ টি পয়েন্টে ডিলারের মাধ্যমে ১৫১৭ জন কার্ড ধারির মাঝে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে এই চাল বিক্রি করা হবে।

জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম

 জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম




মিঠুন কুমার রাজ, 

স্টাফ রিপোর্টার। 


"শিশু ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক যোগাযোগ কার্যক্রম" প্রকল্পের আওতায় জেলা তথ্য অফিস পিরোজপুর এর উদ্যোগে সোমবার শিকদারমল্লিক ইউনিয়ন পরিষদের সভা কক্ষে ইউনিয়নের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে একটি ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব আবু আলী মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন শিকদারমল্লিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব এডভোকেট মোঃ শহীদুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের গণপ্রতিনিধিবৃন্দ, এনজিও কর্মী বৃন্দ, শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ।


 কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার জনাব সানজিদা আজাদ শিফা। কর্মশালায় শিশু ও নারী উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু যেমন নিরাপদ মাতৃত্ব, শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী-শিক্ষা, যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধ, শিশুর পানিতে ডুবা প্রতিরোধ, অটিজম, করোনাভাইরাস থেকে সচেতন থাকতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে করণীয়, শিশুশ্রম, জন্ম নিবন্ধন, জন্মনিয়ন্ত্রণ, প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা

 কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 


কোটচাঁদপুর উপজেল বিএনপির কার্যালয়ে অদ্য ২১/০৯/২০২০ ইং তারিখে এক জরুরী মতবিনিময় সভা কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক বলুহর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক কুশনা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুখ, বলুহর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন খাঁন , মনিরুল ইসলাম মন্টু, বিএনপি নেতা বজলুর রহমান, কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি কামরুজ্জামান সিদ্দিক, বিএনপি নেতা আবুল হোসেন বাবু, আজমল হোসেন, নাজিম উদ্দিন,  তারেক জিয়া প্রজন্ম দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশাদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মিজানুর রহমান মজনু, যুবদল নেতা মানোয়ার হোসেন আল-আমিন, রকিব হাসান রিকন, ছাত্রদল নেতা হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া হিরা, কোটচাঁদপুর উপজেলা শ্রমিকদল আহবায়ক হাফিজুর রহমান খোকন, শ্রমিকদল সদস্যসচিব আব্দুর রহমান শিমুল,  উপজেলা মৎসজীবি দলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম, সদস্যসচিব আজিম হোসেন, সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক আতিয়ার রহমান, বিএনপি নেতা আইচ উদ্দিন (মেম্বর) বিএনপি নেতা বজুলুর রহমান (মেম্বর), আব্দুল মজিদ (মেম্বর), মোশারফ হোসেন, যুবদল নেতা কামাল হোসেন সহ বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 


সভায় কোটচাঁদপুর উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষনা করার জন্য  জেলা বিএনপির উদ্দেশ্যে আহবান জানানো হয়। 


ইতোপূর্বে জেলা বিএনপি কর্তৃক ৪১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি ফেসবুকে পক্ষপাতীত্ব করে একতরফা এবং দির্ঘদিনের নির্যাতীত নেতা কর্মিদের বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষনা করা হলে গত ১১/০৩/২০২০ তারিখে একযোগে চার জন যুগ্ন-আহবায়ক সহ সর্বমোট ১৫ জন পদত্যাগ করে, আগামীদিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সহ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্জু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ ইসলাম অমিত, জয়ন্ত কুমার কুন্ড, কেন্দ্রীয় বিএনপির দপ্তর, ঝিনাইদহ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জেলা বিএনপির আহবায়ক, সদস্যসচিব বরাবর পদত্যাগ পত্র জমা দিয়ে, দির্ঘদিনের নির্যাতিত এবং ত্যাগী সৎ কর্মিবান্ধব ননেতাকর্মী  নিয়ে কমিটি ঘোষনা করার  ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য দাবী জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস জনিত কারনে দির্ঘদিন রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ ঘোষনা করা হলে বিষয়টি নিয়ে আর কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেননি। রাজনৈতিক কর্মকান্ড  শুরু হওয়ার প্রেক্ষিতে অদ্য সভা থেকে  পুনরায় উপরোক্ত বিষয়টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও আগামীদিনের রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ গ্রহন কামনা করা হয়।

কোটচাঁদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর নূপুর হত্যা ২০ দিনেও গ্রেফতার হয়নি হত্যা কারী

 কোটচাঁদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর নূপুর হত্যা ২০ দিনেও   গ্রেফতার হয়নি হত্যা কারী


খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

কোটচাঁদপুর উপজেলার দূর্বাকুন্ডু গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী চাঞ্চল্যকর নূপুর হত্যা কান্ডের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের হওয়ার ২০ দিন পার হলেও হত্যাকান্ডের  সাথে জড়িত কেউ গ্রেফতার হয়নি।  যে কারণে হত্যার শিকার নূপুরের স্বজনরা মামলার ভবিষ্যত নিয়ে শংকিত হয়ে পড়েছেন। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুবাই প্রবাসী মোজাম্মেল হকের স্ত্রী নূপুর খাতুন (৩২) ৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮ টার পরে নিকটতম প্রতিবেশি মুসার বাড়িতে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হলে রাতে খোঁজাখুজির পর তার কোন সন্ধান মেলেনি। পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নূপুরের বসতভিটা সংলগ্ন দক্ষিণ পাশের বাগান থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। নূপুরকে হত্যা করার সময় তার বাম চোখ উপড়ে ফেলা হয়। তাছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিনই কোটচাঁদপুর থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলার বাদী নিহত নূপুরের জ্যেষ্ঠ কন্যা শোভা মামলার এজাহারে এ তথ্য দেন। তবে মামলায় নির্দিষ্টভাবে কাউকে আসামী করা হয়নি। শুধু প্রতিবেশি মুসাকে সন্দেহ  করে লেনদেন জনিত কারণে  তার মাকে হত্যা করতে পারে  বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। মামলা প্রসঙ্গে প্রথম বারের তদন্তকারী কর্মকর্তা কোটচাঁদপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ইমরান আলম বলেন, নূপুর হত্যা মামলার বাদী শোভা এজাহার গর্ভে নির্দিষ্ট কাউকে আসামী করেননি। মুসা তার মাকে হত্যা করতে পারে বলে সন্দেহভাজন হিসাবে আসামী করা হয়েছে। তবে এ মামলার রহস্য দ্রুততম সময়ের মধ্যেউ উন্মোচন হবে। মামলায় বাদী মুসাসহ বেশ ক’জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামী করেন। যার নম্বর ১। তারিখ ০৪-০৯-২০২০। এদিকে স্থানীয়রা জানান, নূপুর নিখোঁজ হওয়ার রাতে মুসা তার নিজ বাড়িতেই ছিলেন। পরদিন সকালে লাশ উদ্ধার হওয়ার পর তিনি গা ঢাকা দেন। মুসার স্বজনদের দাবী নূপুরের সাথে মুসার ছিল জামাই শাশুড়ী সম্পর্ক। তাদের সাথে অর্থনৈতিক লেন-দেনও ছিল। সে কারণে তাকে হত্যা করা হবে এমন ধারনা করা ঠিক নয়। নূপুরের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে তার মা বড় ভাইসহ স্বজনরা দূর্বাকুন্ডু যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে হত্যার বিষয়টি রহস্যজনক মনে হলে মৃতার বড় ভাই নুরুজ্জামান নিজে বাদী হয়ে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করতে চান। বড় ভাই নুরুজ্জামানের অভিযোগ তাকে মামলার বাদী না করে আসামীর ভাগ্নি শোভাকে বাদী করে পুলিশ মামলা নেয়। এ অবস্থায় নুরুজ্জামান গত ৭ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বামী মোজাম্মেল হককে হুকুমের আসামীসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর ৪৬/২০। বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পিবিআই ঝিনাইদকে আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে তদন্তপূর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ৪ সেপ্টেম্বর থানা পুলিশের নেয়া মামলাটি পিবিআই সদর দপ্তরের নির্দেশে ৮ সেপ্টেম্বর মামলার যাবতীয় কাগজপত্র তাদের হেফাজতে নেয়। দায়ের হওয়া মামলা দু’টি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে। নুরুজ্জামান জানান, হত্যার মূল রহস্য আড়াল করতে শোভাকে মামলার বাদী করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, আমার বোন নূপুরকে তার স্বামীর নির্দেশে আসামীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের ঘটনা থেকে নিজেদের আড়াল করতে মেয়ে শোভাকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে স্বামী মোজাম্মেল হক বিদেশ যাওয়ার জন্য নূপুরের পরিবারের কাছে দেড় লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করে। তা দিতে অস্বীকার করায় নূপুরের উপর নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় নূপুর যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে ১৬৮/১৮ ও ১৮২/১৮ দু’টি মামলা করেন। মামলায় স্বামী, ভাসুর ও দেবরদেরকে আসামী করা হয়। স্বামীর পরিবারের লোকজন এক পর্যায়ে মামলা আপোষ মীমাংসা করে নূপুরকে বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে মোজাম্মেল বিদেশে চলে যান। এরপর থেকে নূপুর দু’কন্যা সন্তানকে নিয়ে স্বামীর ভিটায় বসবাস করে আসছেন। কিন্তু নূপুরের সাথে স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্যদের সাথে বিরোধ বিদ্যমান ছিল। বাড়িতে থাকা দেবর, ভাসুর ও তার সন্তানেরা নূপুরের উপর প্রতিশোধ নিতে কৌশল আটতে থাকে। সংসার করার  জন্য নূপুর সবকিছু মেনে নিয়ে সন্তানদের সাথে বসবাস করছিলেন। এদিকে পরিবারের সদস্যরা নূপুরকে চরিত্রহীনাসহ বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে প্রবাসী মোজাম্মেলের কান ভারী করে। এসব ঘটনার জেরেই আসামীরা তার বোনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে ভাই নুরুজ্জামানের দাবী।

গরিবের জালে বড় পাঙ্গাশ মাছ

 গরিবের জালে বড় পাঙ্গাশ মাছ


মোঃকুতুবুল আলম, মহম্মদপুর(মাগুরা)প্রতিনিধি:

 মোহাম্মদপুর উপজেলার  বাবুখালী ইউনিয়নের   দাতিয়া দাহ   ঘাটের মধুমতী_নদীতে_ বড় পাঙ্গাশ_মাছ_ধরা_পরলো,,, মুরাদের সালে


মধুমতি নদীতে ১০ কেজি ওজনের পাঙ্গাশ মাছ পাওয়া গেছে। মাছটি বাবুখালীর ইউনিয়নের দাতিয়াদাহ গ্রামের মুরাদ হোসেনের জালে ধরা পড়েছে।

প্রায় ৮ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি হয়েছে  বলে জানা গেছে

মধুমতি নদীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ২২ দিন

মধুমতি নদীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ২২ দিন




মোঃকুতুবুল আলম, মহম্মদপুর(মাগুরা) প্রতিনিধিঃআগামী ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ কোনও ধরনের মাছ ধরা যাবে না।এ সময় সারা দেশে ইলিশ বিপণন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় এবং মজুতও নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ও ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে এ সিদ্ধান্ত। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


ইলিশ ধরা বন্ধ থাকাকালে তালিকাভুক্ত জেলেদের ভিজিএফ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের নির্দেশ অমান্য করে কেউ যাতে এ সময় মাছ ধরতে নদীতে নামতে না পারে, সে জন্য -নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। প্রসঙ্গত, ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম।

মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের মায়ের মৃত্যুতে এমপি বিএইচ হারুনের শোক প্রকাশ

 মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের মায়ের মৃত্যুতে এমপি বিএইচ হারুনের শোক প্রকাশ




এইচ এম জহিরুল ইসলাম মারুফ,ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:পিরোজপুর-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ সরকারের মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শ ম রেজাউল করিমের রত্নগর্ভা মা মিসেস মজিদা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঝালকাঠি -১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন এমপি। 


এমপি বিএইচ হারুন মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


ঝালকাঠি-১ আসনের মাননীয় এমপি মহোদয়ের অ্যাম্বাসেডর  ও রাজাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হাসান মাহমুদ প্রেরিত শোক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।


নগরকান্দায় মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জামাইয়ের পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

 নগরকান্দায় মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জামাইয়ের পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

 



ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুটি গ্রামের মৃত ছালাম শিকদারের ছেলে শহিদুল শিকদার (৪৫) তার মেয়ে মোসাঃতৃষা আক্তারী (১৯)কে পাশ্ববর্তী ভাংগা উপজেলার বালিয়াচারা গ্রামের মোঃ শওকত মোল্যার ছেলে সাব্বির মোল্যা (২১) এর সাথে শরা শরীয়ত মোতাবেক আনুষ্ঠানিক ভাবে মেয়ের বিয়ে হয়।মেয়েকে বিয়ে দিয়ে জামাইয়ের পরিবারের লোকজনের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেন বিয়াই শওকত মোল্যা।বিয়ের সময় মেয়ের বয়স কম থাকায় মেয়ের পিতা শহিদুল ইসলাম শিকদার ১৬/০১/২০২০ ইং তারিখে ফরিদপুর নোটারীর পাবলিক এর মাধ্যমে কনের বয়স বাড়িয়ে মেয়ে তৃষাকে বিয়ে দেয়।গত ২১/০১/২০২০ ইং তারিখে স্হানীয় কাজী মৌলোবী দিয়ে দুই পরিবারের সম্মতি ক্রমে ছেলে মেয়ের বিয়ে হয়।বিবাহ রেজিস্ট্রী হয় ৩১/০১/২০২০। বিয়ের সময় ছেলে পক্ষ কনের পোন বাবদ জমি লিখে দিয়ে দেনমোহর এর টাকা নগদ উসিল লেখায়।মেয়ের বিয়ের কিছু দিন পর তার বাবা শহিদুল  ইসলাম তার নিজের নামে মেয়েকে জমি লিখে দিতে বলে। বাবার এই আবদার না রেখে জমিটি তার শশুর শওকত মোল্যার নামে পুনরায় লিখে দেয় ছেলের বউ তৃষা।নিকাহ্ নামা বালাম নং ২ পৃষ্টা নং০৮ ক্রমিক নং ০৮সন ২০২০। ২৯/০২/২০২০ কাবিনের নকল প্রধান করে কাজী মৌলবী।মেয়ে বিয়ে দিয়ে শহিদুল ইসলাম জামাইয়ের পরিবারের লোকজন কে আসামী করে ঢাকা গাজীপুর কালিয়াকৈর থানায় একটি মেয়ে অপহরর মামলা দেন।মেয়ের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে জামাই ১।সাব্বির হোসেন (২০),ছেলের বাবা ২। শওকত মোল্যা(৪৫)ছেলের মা ৩ মোসাঃ মুক্তি বেগম (৪০)সর্ব সাং বালিয়াচারা থানা ভাংগা, জেলা ফরিদপুর গনকে আসামি করে মিথ্যা অপহরণ মামলা দেয়।কালিয়াকৈর থানার এই মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা সানোয়ার  তদন্ত করেন।মামলা নং ১০। তারিখ ০৮/০২/২০২০।মামলার আসামি শহিদুল ইসলামের জামাইর পিতা শওকত মোল্যা একজন ইউপি সদস্য ও মাতা মুক্তি বেগম বর্তমান সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহকারী হিসাবে চাকরি  করে আসছেন।মিথ্যা মামলা দিয়ে কনে পক্ষ ছেলে পক্ষকে হয়রানি করা সহ তাদের মান সম্মান নস্ট করছে। এছাড়া  গত ৩০/০১/২০২০ ইং তারিখে মেয়ের বাড়িতে এক শালিসি মিমাংসা করার চেস্টায় গেলে সেখানে মেয়ে পক্ষ ছেলে পক্ষের উপর উত্তেজিত হয়ে তাদের লোকজনের উপর চড়াও হয়।এই ঘটনায় ছেলের বাবা শওকত মোল্যা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় ১২/০৯/২০২০ ইং তারিখে একটি মামলা দেয়।সরেজমিনে শ্রীরামপুটি গ্রামে শহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় ঘরের দরজা বন্ধ তালা ঝুলিয়ে গ্রাম থেকে পালিয়ে গেছে।বাড়িতে মেয়ের পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। এই ব্যাপারে ছেলের পিতা শওকত বলেন তদন্ত করে 

আমি ন্যায় বিচার দাবী জানান।

হাজ্বী দিদারুল আলম (মদিনা) প্রবাসী ক্লাবের প্রতিনিধি নিয়োগ

 হাজ্বী  দিদারুল আলম (মদিনা)  প্রবাসী ক্লাবের প্রতিনিধি নিয়োগ




সেলিম চৌধুরী পটিয়া প্রতিনিধিঃ পটিয়ার কৃতি সন্তান হাজ্বী দিদারুল (মদিনা)  প্রিয় চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের চেয়ারম্যান সাহেব সকল দায়িত্ব শীল ব্যাক্তিবর্গদেরকে,


প্রিয় ভালোবাসার সংগঠন চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবের সৌদি আরব  মদিনা মনোয়ারা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব প্রধান করা হয়। এতে  হাজ্বী দিদারুল আলম (মদিনা)  তিনি  


ক্লাবের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা করে বলেন, তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং সকলের কাছে দোয়া চান দিদারুল আলম বঞ্চিত নিপিড়ীত মানুষের অধিকার আদায় করতে সক্ষম হন। হাজ্বী দিদারুল আলম মদিনা বলেন, ইনশাআল্লাহ দায়িত্ব যখন অর্পিত হয়েছে নিজের উপর সবার ভালোবাসায় ও সহযোগিতায় সেই দায়িত্ব পালন করে ক্লাবের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখিব,


সবার কাছে একটাই চাওয়া সবাই দোয়া করবেন আমরা একে অপরের সহযোগিতা করে প্রিয় চট্টগ্রাম প্রবাসী ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে প্রবাসীদের স্বপ্ন পূরনে বাস্তবতা  রুপে পরিপূর্ণ করার সচেষ্ট থাকিব। তিনি   


 সবাইকে সালাম ও  সালাম জানান।

এম এ মান্নান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও খাঁটি দেশপ্রেমিক - রেজাউল করিম চৌধুরী

 এম এ মান্নান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও খাঁটি দেশপ্রেমিক - রেজাউল করিম চৌধুরী


কাজী মোঃ সাজ্জাদ হাসানঃচট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চসিক নির্বাচনের মেয়র পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের পূর্বাঞ্চলীয় জোনের উপ-অধিনায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সাবেক সদস্য, সাবেক সফল মন্ত্রী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম জননেতা এম এ মান্নান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও খাঁটি দেশপ্রেমিক । বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে মানবসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন। বর্তমান প্রজন্মের সকলকে মরহুম এম এ মান্নানের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি।  


সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর সকালে এম এ মান্নানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মরহুমের দামপাড়াস্থ কবর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রেজাউল করিম চৌধুরী। 


চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মরহুম এম এ মান্নান একজন শুদ্ধাচারী রাজনীতিক ছিলেন। তিনি রাজনীতিতে সৃজনশীল কর্মী সৃষ্টির কারিগর। তার আদর্শিক দায়বদ্ধতা আমাদেরকে প্রকৃত রাজনীতিক হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা যুগিয়েছে।  তিনি আরো বলেন, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে এমপি-মন্ত্রী হয়েছিলেন এম এ মান্নান। কিন্তু মন্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েননি। তার মতো ত্যাগী নেতার আজ অনেক অভাব।  


সভায়  মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, এম এ মান্নান, আপাদমস্তক একজন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, রাজনীতিতে তিনি সুদক্ষ কর্মী গঠনে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। যে কোনো সংকটে খুব সহজেই নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে পারতেন।  


মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এম এ রশিদ, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন।  


সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন, শফর আলী, শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, অ্যাডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন, জহুর আহমদ, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবদুল আহাদ, মো. আবু তাহের, ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী,  শহীদুল আলম, মো. আবুল মনসুর, নুরুল আবছার মিয়া, সৈয়দ আমিনুল হক, বখতিয়ার উদ্দিন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, রোটারিয়ান মো. ইলিয়াছ, ড. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, বেলাল আহমদ, ফিরোজ আহমদ, সিদ্দিক আলম, সাহাব উদ্দিন আহমদ, মোমিনুল হক, মো. আনসারুল হক, রেজাউল করিম কায়সার, আতিকুর রহমান আতিক, আবছার উদ্দিন চৌধুরী, সিদ্দিক আহমদ, আবুল কাশেম, এম এ হান্নান, সলিমুল্লাহ বাচ্চু, শেখ সরওয়ার্দী, মো. আবুল বশর, সৈয়দ মো. জাকারিয়া, কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, ইকবাল হাসান, মোসলেম উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, দিদারুল আলম মাসুম, খালেদ হোসেন খান মাসুক প্রমুখ।