সুবর্ণচর উপজেলায় গৃহবধূকে ৪ টুকরো করে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার

সুবর্ণচর উপজেলায় গৃহবধূকে ৪ টুকরো করে হত্যা, মরদেহ উদ্ধার



মোঃ আরিফ হোসাঈন, ঢাকা জেলা প্রতিনিধিঃনোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক বধূকে ৪ টুকরো করে কেটে হত্যা করেছে দৃর্বৃত্তরা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের উত্তর জাহাজ মারা গ্রামের প্রভিডা ফিডে পিছনের একটি ধান ক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত গৃহবধূ নুর জাহান বেগম (৪২) উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল বারেকের স্ত্রী।

চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত গৃহবধূর মরদেহের দুই টুকরো উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহের উদ্ধারকৃত টুকরো অংশের মধ্যে রয়েছে, মাথা আর কোমরের অংশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, ওই গৃহবধূকে কেটে কেটে ৪ টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে। তবে শরীরের টুকরো অংশের মধ্যে বুক আর পায়ের  অংশ এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

নিহতের ছেলে হুমায়ন কবির (২৮) জানান, বুধবার ভোর থেকে তার মা ঘর থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে স্থানীয় এক মহিলা বিকেলের দিকে ধান ক্ষেতের আইলে শামুক খুঁজতে এসে একটি টুকরো টুকরো মরদেহ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আমি মরদেহের পাশে শামুকের ব্যাগ দেখে, আমি শনাক্ত করি এটি আমার মায়ের মরদেহ।

ওসি সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

ডিজিটালাইজেশানের যুগে ঘুনে ধরা মনুষত্ব

ডিজিটালাইজেশানের যুগে ঘুনে ধরা মনুষত্ব

‘ফুলন দেবী’ নারী নির্যাতন ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পরবর্তীতে দস্যু রানী ফুলন দেবী নামে আবির্ভূত হয়েছিলেন। নিম্ন বর্ণের মাল্লা সম্প্রদায়ের ঘরে জন্ম গ্রহন করেও ফুলন দেবীর জীবদ্দশায় গণ ধর্ষণের স্বীকার হতে হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে ফুলন দেবী  যখন ক্ষমতার শিখরে অবস্থান করছিলেন তখন ওনার কাছে বারবার ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার কারন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে উত্তরে বলেছিলেন ‘ধর্ষিতা হওয়ার মতো আমার রূপ কোনো কালেই ছিল না। নিম্নবর্ণের একটি মেয়ে কারো খায়েশ হবে সেটা আমি চিন্তাও করতাম না। আমার হাড্ডিসার দেহে মজা লোটার মতো কী থাকতে পারে?’ ওনার কাছে যখন শেষ প্রশ্ন করা হয়েছিল কারা ধর্ষণ করে? ফুলন দেবী উত্তর দিয়েছিলেন ‘ক্ষমতা, আর কেউ নয়’।

হ্যাঁ ক্ষমতাই ধর্ষণ করে। সব ধর্ষকের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় তারা এহেন বর্বরতা নেই যেটা ঘটাতে বিন্দুমাত্র পিছপা হয়না। তারা জানে তাদের কিছুই হবেনা। তাদেরকে মদদ যোগানোর জন্য পিছনে আছে অনেক বড় বড় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তাইতো ধর্ষকরা ঘোষনা দিয়ে সেঞ্চুরি করেও আইনের আওতায় না গিয়ে বীরদর্পে বুক ফুলিয়ে জনসমক্ষে ঘুরে বেড়ায়। এমন ইতিহাস পৃথিবীর অন্য কোন দেশে আছে কিনা আমার জানা নেই। এটায় বাস্তবতা, এটায় রীতি হয়ে গেছে এখন। খাতা কলমে আইন সবার জন্য সমান ভাবে প্রযোজ্য হলেও সেটার প্রয়োগ বাস্তবে ক্ষীণ। আইনের প্রয়োগ শুধুমাত্র নিরীহ জনগনের জন্য।

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশও আজ এগিয়ে যাচ্ছে। ডিজিটাল দেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন সরকার প্রধানরা। বিশ্বের দরবারে দেশের সফলতা ও সুনাম কোন অংশে কম নেই। কিন্তু কি লাভ আমাদের এই ডিজিটাল দেশ দিয়ে? যে দেশের মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা নেই সেখানে ওই ডিজিটালের ছোয়া যে মূল্যহীন। আমি সহ প্রতিটি কন্যা সন্তানের পিতা আজ সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। সাথে আছে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যাযজ্ঞ। এই হত্যার আওতায় বেশি বলি হচ্ছে নিরীহ শিশুরা। বাদ যায়না ছেলে শিশুরাও। ভাবতে অবাক লাগে একটা শিশু যখন প্রকৃতি পরিবেশ বুঝে ওঠার আগেই তাকে মানুষ নামের কিছু নরপিশাচের হাতে জীবন দিতে হয়। চোখ বন্ধ করে একটি বার ভাবুন তো শিশুটি মারা যাওয়ার আগে কি ভেবেছিল? সুস্থ সবল দুনিয়ায় তারও তো বেড়ে ওঠার অধিকার ছিল। ছিল মায়ের কোলে, বাবার আদর স্নেহে বড় হয়ে একদিন দেশের হাল ধরবে, দেশের সুনাম রক্ষায় কাজ করবে এই আশাটুকু। কিন্তু হলনা, নরপিশাচরা তা তাকে করতে দিলনা। নিজের বাচ্চাকে নিয়ে একবার এই বর্বরতার দৃশ্য মনে করলে চোখে জল চলে আসাটায় স্বাভাবিক। 

একজন নারীকে যখন জোর পূর্বক সম্ভ্রম হানি করা হয় তখন তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে কতটা বেগ পেতে হয় সেটা শুধুমাত্র সেই নারীই জানেন। তাইতো ধর্ষণ পরবর্তী আত্মহত্যাও থেমে থাকে না। যেটুকু মিডিয়ায় আসে সেখান থেকেই আমরা বুঝতে পারি আশপাশে ঘটে যাওয়া বহু ঘটনায় গ্রাম, পাড়ার মোড়ল মাতব্বরেরা ধর্ষিতার গায়ে দোষ চাপিয়ে উপরন্তু লোক জনের সামনে ধর্ষকের আরও কয়েকটা এরকম ঘটনা ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিচার কাজ শেষ করেন। কেননা ওনারা ও যে ক্ষমতার লোভে লোভান্বিত।

দেশের মুষ্টিমেয় ধার্মিক ব্যক্তিরা নারীদের চলাফেরা, পোষাক পরিচ্ছেদ এবং কর্মক্ষেত্রে নারীর উপস্থিতি কে ধর্ষণ বৃদ্ধির কারন হিসেবে গন্য করে। তারা একবারও ভাবেনা উন্নত দেশগুলো তে নারীর স্বাধীনতা আমাদের দেশের থেকেও অনেক বেশি। যেখানে সারা রাত ধরে একটা মহিলা টি-শার্ট আর হাফ প্যান্ট পরে ঘুরে বেড়ালেও সেখানকার পুরুষ দের লোলুপ দৃষ্টি পড়েনা ওই মহিলার প্রতি। কেননা সেসব জায়গায় ক্ষমতার চেয়ে আইন কে প্রাধান্য দেওয়া হয়। আইনের চোখে সবাই সমান তাই সে হোক যত বড় ক্ষমতাসীন দলের হোক না কেন। এই একটি দিকে নিজর দিলে দেশ থেকে ৯০ ভাগ ধর্ষণ উঠে যেতে বাধ্য। সে হিসাবে যে দেশের মানুষের ধর্ম নিয়ে অত বেশি মাথাব্যাথা নেই সেদেশে ধর্ষণ ও বেশি হওয়ার কথা কিন্তু সেসব দেশে এমন নির্মম বর্বরতা চোখে পড়েনা। তারই উদাহরণ হিসেবে চীনকে এগিয়ে আনা যেতে পারে। নারীরা এখানে অনেক স্বাধীন আর নিরাপদ। তাই গভীর রাত বা একাকী নির্জনে যেকোন নারী মনের ফুর্তিতে স্বাধীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং কর্মক্ষেত্রেও তাদের উপস্থিতি অধিক লক্ষ্যনীয়। হবেই না বা কেন এখানে ধর্ষণকারীরা কেউ রেহায় পায়না এবং সাজা হিসেবে  বলবৎ আছে মৃত্যু দন্ড। 

নোয়াখালীর ঘটনা সমগ্র দেশে প্রত্যাহ ঘটে যাওয়া অসংখ্য ঘটনার একটির উদাহরণ মাত্র। মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করেনা বলেই মানুষ বোঝেনা। তারপরেও যেটুকু আসে সেটুকুতেই আমরা চোখ কপালে তুলি। একবার ও কি আমরা সুস্থ্য সবল মস্তিষ্ক দিয়ে চিন্তা করতে পারি যে এই ঘটনা আমার নিজের মা বোন বউ বা বাচ্চা যেকারও সাথে ঘটতে সময় লাগবেনা। পত্রিকা বা টেলিভিশনে খবর গুলো দেখার পরে আমাদের হা-হুতাশ ছাড়া আর কিছুই করার নেই। কেননা এর বেশি কিছু করতে গেলে আগে পিছে অনেক কিছু ভাবতে হয়।

মেনে নিতে কষ্ট লাগে দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নারী হওয়ার সত্ত্বেও একজন সাধারন নারীর সম্ভ্রম হারানোর ভয়ে নেই পথে বের হওয়ার স্বাধীনতা, নেই তার সতীত্বের কোন নিশ্চয়তা। এরকম স্বাধীনতা পাওয়ার জন্যই কি দেশ স্বাধীন হয়েছিল? আমরা বলব নিশ্চই না।

পরিশেষে শুধু এটুকু বলব, যার যায় সেই কেবল বোঝে অন্য কেউ তার আবেগ, তার অনুভূতি, তার সম্ভ্রম, তার সতীত্ব ফিরিয়ে দিতে পারবেনা। একটি বার অনুধাবন করার চেষ্টা করুন শুধু ক্ষমতার অপব্যবহারের কারনে আজ মানব সমাজের কতটা অধঃপতন হয়েছে। সেটা শুধুমাত্র ধর্ষক হিসেবে নয়; খুনী, মাস্তান, চাঁদাবাজ আর ছিনতাইকারী হিসাবেও। তাইতো ইতিহাস হয়ে রয়ে যাবে পুরানো ঢাকার বিশ্বজিত, বুয়েটের আবরার, বরগুনার রিফাত হত্যা সহ আরও হাজারো ঘটনা। 

অজয় কান্তি মন্ডল
ফুজিয়ান, চীন।

পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের ছুরির আঘাতে চীনের নাগরিকের মৃত্যু

 পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের ছুরির আঘাতে চীনের নাগরিকের মৃত্যু


মিঠুন কুমার রাজ, স্টাফ রিপোর্টারঃপিরোজপুরে নির্মানাধীন ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুতে (বেকুটিয়া সেতু) কর্মরত প্রধান টেকনিশিয়ান চীনের নাগরিক মি. লাওফা (৫৮) দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সন্ধ্যায় পিরোজপুর সদর উপজেলার বেকুটিয়া সেতু সংলগ্ন কুমিরমারা এলাকায় তার উপর হামলা করে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। তাকে আহত অবস্থায় পিরোজপুর হাসপাতালে আনা হলে রাত পোনে ৮ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নিজাম উদ্দিন চায়না নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাসপাতালে তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল এবং ঘটনাস্থলে গিয়েছে। হামলার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।

পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন জানান, ঘটনার সময় মি. লাওফা নির্মানাধীন সেতু সংলগ্ন চায়না কর্মকর্তাদের আবাসিক ব্যারাক থেকে শ্রমিকদের টাকা দেওয়ার জন্য বাই সাইকেলে করে সেতুর কাজের স্থলে যাচ্ছিলেন।


হামলার ঘটনায় পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে কুমিরমারা এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

সাতক্ষসীরায় ডাঃ মুনসুরের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদের শোক প্রকাশ

 সাতক্ষসীরায় ডাঃ মুনসুরের মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদের শোক প্রকাশ

 


আজহারুল ইসলাম সাদী, জেলা প্রতিনিধিঃবঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ও ১৩নং লাবসা ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক, ডাঃ মশিউর রহমানের পিতা, পল্লী চিকিৎসক মুনসুর উদ্দীনের মৃত্যুতে, গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারে প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ জহির উদ্দীন মবু ও কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আল মাহমুদ পলাশ।

অনুরূপভাবে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদের সাতক্ষীরা জেলা সহ-সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার শীল, ডাঃ আবু তাহের, মাষ্টার নির্মল দাস ও আবু ইয়াছিন ও আজহারুল ইসলাম সাদী। সাতক্ষীরা পৌর শাখা সভাপতি আসাদুজ্জামান লাবলু ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। 

বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ প্রতিষ্ঠানিক শাখাসসূহ

যথাক্রমে ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি এমাম হোসেন, কৃষিজীবী প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি সংকর মিস্ত্রি ও সাধারণ সম্পাদক ব্রজেন স্বর্ণকার, ক্লিনিক ও ডায়াগনিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি ডাঃ খলিলুর রহমান, আইনজীবী প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি এড.প্রবীর মুখার্জি, হোমিও চিকিৎসক প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি ডাঃ এ আর হাবিব ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ নাছিমুল হক, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি রফিকুল ইসলাম, 

আইনজীবী সহকারী প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি মনোরঞ্জন বন্ধ্যপধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, শিক্ষক প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক কিংকর মন্ডল, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবী প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দীন আহমেদ, পল্লী চিকিৎসক

প্রতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি ডাঃ আব্দুল কাদের ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ চঞ্চল কুমার, মৎস্যজীবী প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি মোখলেছুর রহমান, ভোমরা স্থল বন্ধর প্রাতিষ্ঠানিক শাখা সভাপতি আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন।

আশাশুনিতে ধর্ষকদের শাস্তির দাবীতে ছাত্রলীগের আলোক প্রজ্জ্বলন

 আশাশুনিতে ধর্ষকদের শাস্তির দাবীতে ছাত্রলীগের আলোক প্রজ্জ্বলন


 


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধিঃ সারাদেশ ব্যাপী ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে আশাশুনিতে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আলোক (মোমবাতি) প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। 

আশাশুনিসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্ষণ, নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবী এবং এ সকল ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি ‘ফাঁসি’র দাবীতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আশাশুনি উপজেলা শাখার উদ্যোগে ‘আলোক প্রজ্জ্বলন’ কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হুসাইনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

নওগাঁয় নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

নওগাঁয় নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ


      


মোঃ ফিরোজ হোসাইন,রাজশাহী ব্যুরোঃসারা দেশে লাগাতার ধর্ষণ ও নির্যাতেনর প্রতিবাদে নওগাঁয় শিক্ষার্থীরা   বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  করেছে। আজ বুধবার মুক্তির মোড়ে প্রধান সড়কে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সাধারন শিক্ষার্থী ফারিয়া চৌধুরী, সমপ্রীতি,রাহিম ইসলাম  তারুন্য ইসলাম, আকাশ,তামিম, সৈরব আহমেদ সিয়াম, প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন দেশে একের পর এক ধর্ষণ ও নারীর প্রতি নিপীড়ন, নির্যাতন বেড়েই চলছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সূত্রতার কারণে নারীরা আজ ঘরে বাইরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ধর্ষনকারীরা দেশ ও জাতির শত্র৷  তাই সকল  ধর্ষনকারীদের গ্রেফতার করে দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায় তারা। এছাড়াও ধর্ষনকারীদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড আইনের দাবি জানান   তারা। বিক্ষোভ 

মানববন্ধনে শতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মোংলার দিগরাজে কাঁকড়া মার্কেট দখল নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চরমে

 মোংলার দিগরাজে কাঁকড়া মার্কেট দখল নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ চরমে


মোঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলা  মোংলার দিগরাজ এলাকায় কাঁকড়া মার্কেটের জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের দখলে থাকা বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে বুধবার সকালে নতুন করে আরো দুইটি সাইনবোর্ড দেয় আরেক পক্ষ। এ নিয়ে সংঘাতের আশংকায় ওই কাঁকড়া মার্কেটের দোকানীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। 


সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মোংলার দিগরাজ এলাকায় কাঁকড়া মার্কেট নামে পরিচিত জায়গাটিতে পূর্ব থেকে দখলে রয়েছেন খুলনার ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন। সেখানে আগে থেকেই তার নামে দুইটি সাইনবোর্ড রয়েছে। এদিকে মালিকানা দাবী করে বুধবার সকালে একই স্থানে আরো দুইটি সাইনবোর্ড দেয়া হয় জনৈক আকবর হোসেন ও তাপস গাইন নামক দুই ব্যক্তির নামে। পরে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে নতুন করে ঝুলানো সাইনবোর্ড দুথটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।


দীর্ঘদিন ওই জায়গায় দখলে থাকা খুলনার ব্যবসায়ী বেলায়েত হোসেন বলেন, তিনি ১৯৯৮ সালে ২ একর ৮৪ শতক নিচু জমি ক্রয় করেন। এরপর ২০০০ সালে সেখানে বালু ভরাট করে ৫৬টি দোকান ঘর নিমার্ণ করেন। তখন থেকেই তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ওই জায়গায় রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন বলেন, স্থানীয় দুই ব্যক্তি জায়গা অথার্ৎ কাঁকড়া মার্কেটটি দখলের উদ্দ্যেশে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেন। বিষয়টি তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছেন।


তবে নতুন করে সাইনবোর্ড ঝুলানোর বিষয়ে আকবর হোসেন ও তাপস গাইন বলেন, ১৯৯৯ সালে মাহফুজুল হক লিমন ৬৫ শতক জমি জনৈক এম,এ করিম ভুইয়া ও তার স্ত্রীর কাছ থেকে ক্রয় করেন। এরপর গত বছর মাহফুজুল হক লিমনের কাছ থেকে তারা ৬৫ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন বেলায়েত হোসেন তাদের ক্রয়কৃত সম্পতি বুঝিয়ে না দিয়ে নানা তাল বাহানা করছেন। এ কারণে তারা বুধবার ওই জায়গার উপর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। 


পরে বিরোধপূর্ণ ওই জায়গার উপর সাইনবোর্ড দেয়ার বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ। পুলিশের নির্দেশে নতুন করে ঝুলানো সাইনবোর্ড দুইটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। 


মোংলা থানার উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন বলেন, ওসি স্যারের (অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী) নির্দেশে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয়ার জন্য বলা হলে যারা সাইনবোর্ড দিয়েছিল তারা নিজেরাই তা সরিয়ে নিয়েছে। #

খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দোয়া মাহফিল

খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দোয়া মাহফিল


তুহিন রানা (আব্রাহাম) খুলনা নগর প্রতিনিধিঃআজ খুলনা মহানগরের অন্তগর্ত খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের আয়োজনে ০৮ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বিকাল ০৫ টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচি, শেখ আবু নাসেরের সহধর্মিণী,সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন ও সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েলের মাতা বেগম রিজিয়া নাসেরে আশু সুস্থতা কামনায় এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


উক্ত দোয়া মাহফিলের উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ-সম্পাদক জনাব এম.ডি.এ বাবুল রানা। খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এ.কে.এম সানাউল্লিাহ নান্নু, খালিশপুর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম বশার সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি - সাধারণ সম্পাদক,বিভিন্ন ওয়ার্ডের যুবলীগ,ছাত্রলীগ,সেচ্ছাসেবকলীগ সহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতা ও কর্মীবৃন্দরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্মানীত কাউন্সিলরগন।


উক্ত দোয়া মাহফিলে বেগম শেখ রিজিয়া নাসেরের সুস্থতা কামনার জন্যে দোয়া করা হয়।

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন এর প্রতিবাদে আলোক প্রজ্জ্বলন করল চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ

 ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন এর প্রতিবাদে আলোক প্রজ্জ্বলন করল চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ




চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃনোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বর্বরোচিত কায়দায় নির্যাতনসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণের প্রতিবাদ ও অপরাধীদের অতিদ্রুত এবং একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে আলোক প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালন করেছে চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগ।


বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এর নির্দেশনায় আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায়  চৌগাছায় ভাস্কর্যের মোড়ে এই কর্মসূচী পালিত হয়। চৌগাছা উপজেলা  ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহীম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান রাজু'র  নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌগাছা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুজ্জামান রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক রাজু আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক হাশেম আলী, চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আশিকুজ্জামান রিংকু, সাধারণ সম্পাদক মিকাইল ইসলাম, পাশাপোল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ হোসেন, চৌগাছা সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আকরামুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক জিহাদ হোসেন,  নারায়নপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আমজাদ হোসেন, ধুলিয়ানী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রেফাউন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন মাসুদ, পাতিবিলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আলমগীর হোসেন, এবিসিডি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেদ হোসেন, জগদীশপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক জনি হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম সুমন এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাগর কুমার, শাকিল হোসেন, আক্তারুল ইসলাম, সাগর হোসেন, রায়হান,ইমন, স্বপ্ন সহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিট এর নেতৃবৃন্দ।

ধর্ষণের বিরুদ্ধে টাংগাইল শহর ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

 ধর্ষণের বিরুদ্ধে টাংগাইল শহর ইসলামী ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল




ইন্জিনিয়ার তারিকুল ইসলাম টাংগাইল উপজেলা প্রতিনিধি:সারা দেশে অব্যাহত হারে বৃদ্ধি পাওয়া ধর্ষণ, গণধর্ষন, নারীর প্রতি সহিংসতাসহ সকল প্রকার সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল সহ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে টাংগাইল শাহর ইসলামী ছাত্র শিবির। 


আজ বুধবার,০৭ অক্টোবর সকালে শহরের প্রধান প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে টাংগাইল শহর ছাত্র শিবির। 


এসময় কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে অংশগ্রহণ করেন পথচারীরা।


এছাড়াও বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে ছাত্রনেতারা  সারাদেশে ধর্ষনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানায়৷ এছাড়া ধর্ষকদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়া সহ দেশে সব ধর্ষন মামলার রায় দ্রুত নিষ্পত্তি ও ধর্ষনের মামলা রায় দ্রুত দেয়ার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠনের দাবি জানান।

হবিগঞ্জে ২৪ চা বাগানে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি

 হবিগঞ্জে ২৪ চা বাগানে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি


লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ২৪টি চা বাগানের শ্রমিকরা মানববন্ধন ও ২ ঘন্টা কর্মবিরতী পালন করেছে, শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবের আগে চা-শ্রমিকদের ৩শ টাকা মজুরি বৃদ্ধি চুক্তি নবায়ন ও বিগত ২২ মাসের বকেয়া বোনাস ও পূজার বোনাস পরিশোধের দাবিতে।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে ১০টায় পর্যন্ত এ কর্মবিরতি পালন করে শ্রমিকরা। পরে এক মানবন্ধন করে চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ তাদের দাবী না মানলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাগান বন্ধের হুমকি দিয়েছে।


সকাল১০ টায় চান্দপুর চা বগানের মেইন ফটকে বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সাধন সাওতালের সভাপতিত্বে এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চা- শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক নৃপেন পাল। এতে বক্তব্য রাখেন আদিবাসী ফোরামের সভাপতি স্বপন সাওতাল কাঞ্চন পাত্র সন্ধা নায়েকসহ অনেকেই একই ভাবে উপজেলার পারকুল, আমু চন্ডিছড়া লস্করপুর ও দেউন্দিসহ বিভিন্ন বাগানে কর্মবিরতি পালন এবং মানববন্ধন করে।


এসব মানববন্ধনে পঞ্চায়েত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ভ্যালীর চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন,মানববন্ধন বক্তারা বলেন প্রতি ২ বছর পর পর বাগান মালিকদের সাথে চুক্তি নবায়ন হয়। কিন্ত মেয়াদ শেষে আরো ২২ মাস অতিবাহিত হলেও তারা চুক্তি নবায়ন না করে টালবাহান করছে। মজুরী ১০২ টাকা থেকে বাড়িয়ে তারা ৩শ টাকা বৃদ্ধি করার জন্য বিগত ২২ মাস পূর্ব থেকে যে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল তা এখনো বাস্তবায়ন হয় নি বাংলাদেশ সরকারের 


মজুরী বোর্ডের সাথে ৫ বার বৈঠক হলোও এর কোনো সুফল হয়নি বিশ্বের কোথাও এত স্বল্প আয়ের মজুরী নেই করোনা কালীন সময়েও আমরা চা-বাগনের কাজ চালিয়ে গেয়েছি। এই দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রেখেছি। কিন্তু আমরা বিনিময়ে কি পেয়েছি বকেয়া বোনাস ২২ মাস হওয়ার পরও মালিক পক্ষ মজুরী বৃদ্ধি করছেন না। তাই আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই একই সাথে শারদীয় দুর্গা পুুুুজার পূর্বে ২২ মাসের বকেয়া প্রদান ৩শ টাকা মজুরী বৃদ্ধি এবং নতুন চুক্তির জোর দাবী জানাচ্ছি অন্যতায় আমরা লাগাতার কর্মবিরতী পালন করব।

মাধবপুরে আগাম শিমের ভাল ফলন চাষিদের মুখে হাসি

 মাধবপুরে আগাম শিমের ভাল ফলন চাষিদের মুখে হাসি

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জের মাধবপুরে আগাম শিম চাষ করে উপজেলার চাষিরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন। ভাল ফলন ও দাম পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। ধান-পাট চাষের অব্যাহত ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাদের এ শিম চাষ। বিগত বছরের তুলনায় এবার তারা শিমের বেশী দাম পাচ্ছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং আরো এক মাস ভাল দাম পেলে প্রতিটি শিম চাষির ঘরে আনন্দের বন্যা বইবে এমন প্রত্যাশা এ উপজেলার শিম চাষিদের।


উপজেলার ধর্মঘর, চৌমুহনী, বহরা, জগদীশপুর, শাহজাহানপুর, তেলিয়াপাড়া, নয়াপাড়া, বাঘাসুরা, ছাতিয়াইন সহ কয়েকটি গ্রামের মাঠে প্রচুর পরিমাণ শিম চাষ হয়েছে। এলাকাঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ শিম ফুলে ভরে উঠেছে চাষি শিমক্ষেতে সেচ ও বীজ দিচ্ছে। করছে শিম গাছের পরিচর্যা। কেউ তুলছেন শিম। শাহপুর গ্রামের মাঠে কয়েকজন চাষির সাথে কথা হয়। তারা জানান স্থানীয়ভাবে তৈরি উন্নত জাতের শিম চাষ করেছেন এলাকার চাষিরা।


জানা যায় ওই গ্রামের শাহজাহান মিয়া সাড়ে ৪ বিঘা রিপন ২ বিঘা আলামিন সিরাজ ও আব্দুল হক এক বিঘা করে জমিতে শিম চাষ করেছেন। তারা জানালেন, সাধারণত মাঝ আষাঢ়ে শিম চাষ করতে হয়। এবার এলাকার চাষীরা জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি শিম চাষ শুরু করেছেন। আগাম শিম উঠছে। মাধবপুর বাজারে পাইকারি ২ হাজার ৮শ’ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা মন দরে এ শিম বিক্রি হচ্ছে। জালুয়াবাদ গ্রামের চাষি আকবর দেড় বিঘা জমিতে শিম চাষ করেছেন তিনি জানালেন, এ পর্যন্ত তার ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে শিমের আবাদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তার দেড় বিঘা জমির পিছনে ১৫ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।


গেল সপ্তাহে তিনি প্রথম দিনে ২৫ কেজি শিম তুলেছেন। শাহপুর বাজারে ওই শিম ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। তিনি এখন প্রতি সপ্তাহে শিম তুলবেন। তিনি বললেন, মাঘ মাস পর্যন্ত ক্ষেত থেকে শিম তোলা যাবে। ভাল দাম পেলে বিঘা প্রতি ৬০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করতে পারবেন। যদি আরো এক দেড় মাস প্রতি কেজি শিমের দাম ৪০ টাকা বা তার বেশী পান তবুও বিঘা প্রতি ৪০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করতে পারবেন বাড়াচান্দুরা গ্রামের চাষি ওয়াহাব মিয়া জানান তিনি ১০ কাঠা জমিতে শিম চাষ করেছেন।


তিনি জানালেন, গেল সপ্তাহে প্রথম দিনে ক্ষেত থেকে ২ মন শিম তুলে মাধবপুরে পাইকারি ৩ হাজার টাকা মন দরে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেছেন, এ পর্যন্ত ওই জমিতে তার যে খরচ হয়েছে তা প্রথম দিনের বিক্রিত শিমের দামে ওঠে গেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে চাষ, বীজ-সেচ, সার-বিষ ও লেবার বাবদ প্রতি বিঘা শিমে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হবে। গত বছর তার মাত্র ৮ কাঠা জমিতে শিম চাষে খরচ বাদে ৪০ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল এবছরও তিনি মোটা টাকা লাভের আশাবাদী।


মাধবপুর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী ছোট্টু মিয়া জানান, বাজারে খুচরা শিম বিক্রির জন্য আসছে না বললেই চলে। গ্রামের শিম চাষিরা বিকেলে বিকেলে শিম নিয়ে আড়তে দিচ্ছে। মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এবছর শিম চাষ ভাল হয়েছে। আবহাওয়া বৈরি না হলে শিম চাষে চাষি খুব ভাল লাভবান হবেন এবছর মাধবপুর উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে শিম চাষ হয়েছে।

শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত



চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,হাসান রিফাতঃঅদ্য ০৭/১০/২০২০ তারিখে ১৫.০০ ঘটিকায় বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার  মোহাম্মদ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে করোনা কালে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে আইন শৃঙ্খালা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর বিভাগ) অলক বিশ্বাস, সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) কীর্তিমান চাকমা, সহকারী পুলিশ কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) ইয়াসিন আরাফাত এবং বন্দর বিভাগের সকল থানার অফিসার ইনচার্জ। এছাড়াও উপস্থিত ছিল বন্দর বিভাগাধীন সকল থানার বিভিন্ন পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সেক্রটারিবৃন্দ।


 আলোচনায় করোনা কালীন সময়ে পূজা মন্ডপের বিভিন্ন নতুন নিদের্শনা ও সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করন এবং আইন শৃঙ্খলা নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ  ও পূজা মন্ডপের সভাপতিদের সাথে আলোচনা করা হয়।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ছাত্রঅধিকার পরিষদের মানববন্ধন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ছাত্রঅধিকার পরিষদের মানববন্ধন





কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি //

এম,ডি,আল আসিবুজ্জামান চঞ্চল।


বাংলাদেশ ছাএ অধিকার পরিষদ,দৌলতপুর উপজেলা শাখার (কুষ্টিয়া) উদ‍্যোগে সারা দেশে ধর্ষণ,নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ও দোষীদের বিচারের দাবিতে আজ সকাল ১১টায় দৌলতপুরের তারাগুনিয়া থানার মোড়ে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন  দৌলতপুর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ শাখা প্রধান সমন্বয়ক মোঃ রাজিজুল ইসলাম, সমন্বয়কগন মো হোসাইন আহমেদ সোহাগ,তুষার ইমরানসহ সাধারন শিক্ষাথীবৃন্দ।

সুন্দরবনে বিরল প্রজাতির দুটি তক্ষকসহ ৫ পাচারকারী আটক

সুন্দরবনে বিরল প্রজাতির দুটি তক্ষকসহ ৫  পাচারকারী আটক



মোঃঃএরশাদ হোসেন রনি, মোংলাঃসুন্দরবন সংলগ্ন গড়ইখালি খেয়াঘাট এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি বিরল প্রজাতির তক্ষকসহ ৫ পাচারকারীকে আটক করেছে মোংলা কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গভীর রাতে তক্ষকসহ পাঁচ পাচারকারীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হায়াত ইবনে সিদ্দিক।


তিনি জানান, সুন্দরবনে বণ্যপ্রানী সংরক্ষণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড নিয়মিত টহল অব্যাহত রেখেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গভীর রাতে সুন্দরবনের গড়ইখালি এলাকায় একদল পাচারকারী সুন্দরবন থেকে আনা দুটি বিরল প্রজাতির তক্ষক পাচারের চেষ্টা করছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান শুরু করে কোস্টগার্ড।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিরল প্রজাতির তক্ষকসহ ৫ পাচারকারীকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত তক্ষক দুটির আকার ও ওজন যথাক্রমে ১৬ ইঞ্চি ৪০০ গ্রাম ও ১২ ইঞ্চি ৩০০ গ্রাম যার আনুমানিক বাজার মূল্যে দুই কোটি ১৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।


আটক হওয়া ৫ পাচারকারী হলেন- মোঃ সাইফুল ইসলাম,(৩০) পিতা- হাকিম  মোড়ল, জিয়াউল (৩০) পিতা- রশিদ দপ্তরী, রুবেল (২৫), পিতা- সাহাবুদ্দিন, মোঃ রশিদ, পিতা- মোঃ লিয়াকত আলী, মোঃ জয়নাল, পিতা- ইসা বিশ্বাস। তাদের প্রত্যেকের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।


উদ্ধারকৃত তক্ষক পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহীর কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় বনবিভাগ অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আটক পাচারকারীদের জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।


বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা কর্মকর্তা  লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হায়াত ইবনে সিদ্দিক বলেন, কোস্টগার্ডের এখতিয়ারভূক্ত এলাকাসমূহে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, মৎস্য সম্পদ রক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চোরাচালানেও কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

পটিয়ার আনোয়ারা রোড় ব্যাবসায়ি সমিতির মানববন্ধনে বক্তারা জমিদারের হয়রানি বন্ধের দাবি

পটিয়ার আনোয়ারা রোড় ব্যাবসায়ি সমিতির মানববন্ধনে বক্তারা জমিদারের হয়রানি বন্ধের দাবি





সেলিম চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টারঃ- চট্টগ্রামের   পটিয়া পৌর সদরে আনোয়ারা রোড় ব্যাবসায়ি সমিতির উদ্যোগে ৭ অক্টোবর বুধবার বিকালে সমিতির সদস্য পেয়ার মোহাম্মদ এর ব্যাবসা প্রতিষ্টান খাজা আজমির ট্রেডিং এর  জমিদার নজরুল ইসলাম (নজু) কতৃক বিভিন্ন সময় দোকান বন্ধ করার পায়তারা ও নানান ধরনের হয়রানির প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে   মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন পটিয়ার আনোয়ারা রোড় ব্যাবসায়ি সমিতির সভাপতি হাজী শহিদুজ্জমান, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ খোরশেদ আলম এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হাজী এম.এ ইউসুপ, বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম খোকন। বক্তব্য রাখেন কাজী আবু বক্কর, সমিতির অর্থ সম্পাদক এনামুর রশিদ, জয়নাল আবেদীন (জনাব) আবুল কালাম, আবু তাহের, এনাম, জামাল উদ্দীন, অরুন দাশসহ শতাধিক ব্যাবসায়ি মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এতে বক্তারা বলেন, জমিদার ভাড়াটিয়া সমম্বয় করে চলতে হবে। কথায় কথায় দোকান বন্ধ করে দেওয়া হুমকি ও মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সভায় বক্তারা আনোয়ারা রোড় ব্যাসায়ি সমিতির সদস্য পেয়ার মোহাম্মদ এর দোকান খাজা আজমির ট্রেডিং দোকান শান্তিপুর্ণভাবে ব্যাবসা বানিজ্য করার সুয়োগ করে দেওয়ার আহবান জানান। অন্যাতাই জমিদার বার বার হয়রানি করার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করার ঘোষণা দেন। এ ব্যাপারে ব্যাসায়িরা নেতারা পটিয়া প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পটিয়া আনোয়ারা রোড়ের   খাজা আজমির ট্রেডিং এর মালিক পেয়ার মোহাম্মদ জানান, জমিদার দোকানের চুক্তিলঙ্গন করে ভাড়াটিয়া সন্রাসী দিয়ে হামলা ও হয়রানি করছে এসব বিচার দাবি করে আনোয়ারা রোড় ব্যাবসায়ি সমিতির কাছে দিয়েছি। কিন্তু জমিদার তা না মেনে গায়ের জোরে আমাকে দোকান থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে আমি এ ব্যাপারে পটিয়া উপজেলা প্রশাসন ও পটিয়া থানার পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন পেয়ার মোহাম্মদ।

সাধারণ ছাত্র জনতাদের মিছিল সহ মানববন্ধন এ ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

সাধারণ ছাত্র জনতাদের মিছিল সহ মানববন্ধন এ ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি


 

রিয়াজুল করিম রিজভী,চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধানঃদেশব্যাপী হত্যা, ধর্ষণ, নারী সহিংসতার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সাধারণ ছাএ জনতার  উদ্যোগে চট্টগ্রাম এর দেওয়ান হাট থেকে প্রেস ক্লাব পর্যন্ত মিছিল সহ এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


বৃহস্পতিবার (৭অক্টোবর) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম এর দেওয়ান হাট এর পুলিশ বক্সের পাশে এসে জমায়েত হয়। ওইখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর এক সাথে সবাই লালখান বাজারের দিকে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে চলা শুরু করে। টাইগার পাস থেকে স্লোগান নিয়ে ছাএ জনতা হাঁটতে থাকে।


লালখান বাজারে উপস্থিত হওয়ার পর ওইখান থেকে তাদের সাথে আরো কিছু ছাএ-ছাএী যোগদান করেন।তারা সবাই ব্যানার ফেস্টুন আর স্লোগান নিয়ে ওয়াসা মোড় হয়ে কাজীর দেউড়ি অতিক্রম করে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এসে উপস্থিত হয়।


প্রেসক্লাবের সামনে উপস্থিত হয়ে সেখানে অনেকই বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন,সারা দেশে নারীরা যে ধর্ষণ সহ অত্যাচার ও যে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার 

প্রতিবাদের দাবিতে তারা আজ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন।তাদের দাবি হচ্ছে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে অতি দ্রুত।


সাধারণ ছাএ সমাজ এর পক্ষ থেকে উক্ত মানবন্ধন ও মিছিল এর আয়োজক ছিলেন মাহফুজ হোসেন সামি, মোঃ রবিউল হাসান সাকিব, ফাহিম আলমগির, মোঃ মবারুক ইসলাম এবং একাত্মতা পোষণ করেন রিয়াজুল করিম রিজভী, রবিউল, তাসফিয়া,নুসরাত,সুমি,সুমাইয়া,নাজমুল হুদা, মোঃ হাসিব,সিফাত,আমিন,ইকরা,তাহিন,রাশেদ, আরমান,ইমন প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন

 নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন


নারায়ণগঞ্জ,শিপনঃনারায়ণগঞ্জের  সোনারগাঁয়ে বৈদ্যেরবাজারে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ সহ সিলেটে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণ, নোয়াখালীতে নারীর ওপর নির্মম নির্যাতন এবং সারা দেশে ধর্ষণ-নিপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুরে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

মদনপুরের বাস স্ট্যান্ডের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়। 

কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেন নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজ, সোনারগাঁ সরকারি কলেজ, কদমরসূল কলেজ, হাজী ইব্রাহীম আলম চান কলেজ, আড়াইহাজার সরকারি কলেজ, সফর আলী কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরাও এই কর্মসূচিতে যুক্ত হোন।


মানববন্ধনের মূল আহবায়ক গণমাধ্যমকর্মী কামরুজ্জামান রানা জানান, ধর্ষণ ও ধর্ষক মুক্ত একটি সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ধর্ষকের সর্বোচ্চ/দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একদল অদম্য তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের কে সাথে নিয়ে রাস্তায় মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। আমরা জানি ধর্ষকের কোন ধর্ম-বর্ণ, জাতি বা কোন দলের না। আমাদের সমাজে মানুষ নামের এই অমানুষ গুলোর কোন স্থান নেই। আমাদের মা ও বোনদের জন্য সুষ্ঠ ও নিরাপদ একটি সমাজ ব্যবস্থার দাবিতেই আজকের মানববন্ধন।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের দাবি গুলো ছিল ধর্ষণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে সর্ব্বোচ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা, ধর্ষণ প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় র্যা ব/বিজিবি/পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা, ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পাদনা নিশ্চিত করা, ধর্ষিতার বিনা মূল্যে চিকিৎসা এবং তার পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করা, ইতিপূর্বে সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা, ধর্ষণকারী ও তার পরিবারকে সামাজিক ভাবে বয়কট করা এবং আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

মাগুরা মেয়র পদপ্রার্থীদের তালিকায় নতুন চমক পাইলট রফিকুল ইসলাম কামাল

 মাগুরা মেয়র পদপ্রার্থীদের তালিকায় নতুন চমক পাইলট রফিকুল ইসলাম কামাল




মাগুরা সংবাদদাতা:


ইতিমধ্যে মাগুরাতে জমে উঠেছে পৌরসভা নির্বাচনের আমেজ, মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে এবার নতুন চমক রফিকুল ইসলাম কামাল। আওয়ামী লীগের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম কামাল একেবারেই আলাদা। কামাল একধারে যেমন শিক্ষিত, সদালাপী ও সৃজনশীল মন-মানসিকতার, অন্যদিকে তার রয়েছে বংশ পরম্পরায় আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস।



মোঃ রফিকুল ইসলাম কামাল ১৯৮০ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে মাগুরা মোল্লাপাড়া এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আলহাজ্ব মোঃ গোলাম মওলা মোল্লা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, তার মাতা আখেরা খানম মাগুরা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ সভানেত্রী।

 ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সপরিবারে শাহাদৎ বরণ করেছিলেন, তখন বাংলাদেশের যে কয়টি স্থানে বিদ্রোহ হয়েছিল মাগুরা তার মধ্যে অন্যতম। বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে তৎকালীন মাগুরা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক গোলাম মাওলা মোল্লা মাগুরা থানা অস্ত্রাগার ভেঙে মাগুরাতে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এরপর স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের সময়ে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন জেল-জুলুম হুলিয়া উপেক্ষা করে মাগুরা মোল্লাপাড়া, খানপাড়া ও তাতিপাড়া এলাকাকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলেন যা আজও অব্যাহত রয়েছে। কামালের পিতা গোলাম  মওলা মোল্লা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সন্তানদের নামে নিজের সন্তানদের নাম রাখেন "কামাল" ও "রাসেল"। ২০০২ সালে বিএনপি জোট সরকারের আমলে মাগুরাতে শেখ হাসিনা আগমন করেন কিন্তু তৎকালীন সরকার সমাবেশ করতে বাধা দেয়, তখন গোলাম মওলা মোল্লার নেতৃত্বে মাগুরা পিটিআই মাঠে শেখ হাসিনা সফলভাবে সমাবেশ করেন। 


রফিকুল ইসলাম কামালের পরিবারে রয়েছে বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী রাজনৈতিক ইতিহাস বিশেষ করে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের এবং বিরোধী দলে থাকাকালিন সময়ে তার পরিবারের সকল প্রতিরোধ, প্রতিবাদ ও সংগ্রামে নেতৃত্ব দান করেছে যা সর্বজনবিদিত। কামালের ছোট চাচা আওয়াল হোসেন মোল্লা মাগুরা জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ন আহবায়ক ও আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। তার আরেক চাচা আলহাজ্ব আকরাম হোসেন মোল্লা মাগুরা পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ ১৩ বছর দায়িত্ব পালন করেন। কামালের চাচাতো ভাই নাজমুল হাসান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তার ফুপাতো ভাই মকবুল হাসান মাকুল জেলা শ্রমিক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মাগুরা পৌরসভার প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 


দশম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়ে  ১৯৯৫ সালে রফিকুল ইসলাম কামাল মাগুরা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কিশোর কমান্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই অত্যন্ত মেধাবী কামাল প্রত্যেক শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করতেন। অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত, এসএসসিতে ১৯৯৬ সালে মাগুরা জেলার সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত এবং সে বছর মাগুরা থেকে একমাত্র ছাত্র হিসেবে ঢাকা কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান এবং ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।  ১৯৯৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষা শেষে ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন এবং তিনি ২০০০ সালে জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন হেলিকপ্টার পাইলট। কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সহ স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এস এস এফ) এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্কোয়াড্রন লিডার (মেজর পদমর্যাদা) হিসেবে চাকরি জীবন শেষে বেসরকারি কোম্পানিতে হেলিকপ্টার পাইলট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 



মাগুরা তৃনমূল আওয়ামী লীগের প্রবাদ পুরুষ ও শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত অনুচর গোলাম মওলা মোল্লা শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকায় তার স্বপ্ন পূরণে  রফিকুল ইসলাম কামাল "গ্রীন মাগুরা ক্লিন মাগুরা" গড়ার স্বপ্ন নিয়ে মাগুরা পৌরসভাকে একটি আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশ বান্ধব ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলার মানসে আসন্ন মাগুরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এবং বঙ্গবন্ধুর সেনা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক পাইলট মোঃ রফিকুল ইসলাম কামাল মাগুরাবাসীর দোয়া এবং সমর্থন চান।

সাতক্ষীরায় অপহরণ ও ছিনতাইয়ের নাটক সাজাতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক-৭

সাতক্ষীরায় অপহরণ ও ছিনতাইয়ের নাটক সাজাতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক-৭




আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি: সদরের গোপিনাথপুরের খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কে লাখটাকা ছিনতাই করে অপহরণের মিথ্যে নাটক সাজাতে গিয়ে পুলিশের কাছে বন্দি হয়েছে সাতজন।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় সাতক্ষীরা সদর থানায় সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাহউদ্দিন বলেন, সোমবার রাত দশটার দিকে জনৈক ব্যক্তি সদর থানায় ফোন দিয়ে জানায়, খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কের গোপিনাথপুর সাকিনস্থ ঋশিল্পী অফিস সম্মুখস্থ রাস্তায় হাফিজুল নামের এ ব্যাবসায়ীকে অস্ত্রের মুখে মাইক্রোবাসযোগে অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

হাফিজুলের আত্মীয়রাও একইভাবে অভিযোগ জানিয়ে থানা পুলিশকে অভিযোগ করে হাফিজুলের কাছ থেকে লাখ টাকাও ছিনিয়ে নিয়েছে। যে ভ্যানযোগে হাফিজুল যাচ্ছিল সেই ভ্যানওয়ালা কবিরুলকেও সাক্ষী বানায় তারা। পুলিশ রাতেই মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তে নামে। রাতেই ঘটনা অবগত হয়ে পুলিশ সুপার ভ্যানওয়ালা, অন্যান্য স্বাক্ষী ও অভিযোগকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে নির্দেশ দেন।

জিজ্ঞাসাবাদে একেকজন একেকরকম স্বাক্ষ্য দিতে থাকলে পুলিশের সন্দেহ হয় ঘটনা মিথ্যে। এরপর পুলিশ কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদে বের করে ফেলেন হাফিজুল সদর উপজেলার আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বাশঘাটায় অবস্থিত শশুর মতিয়ারের বাড়িতে আত্মগোপন করে আছে। এরপর পুলিশ সেখানে অভিযোগ চালিয়ে সাজানো অপহরণ নাটকের কথিত নায়ক হাফিজুলকে উদ্ধার করে।

হাফিজুল পুলিশকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, পাওনাদারের টাকা আত্মসাত করতে এই নাটক সাজায় আত্মীয় স্বজনদের সহায়তায়।

ব্রিফিংয়ে ওসি আসাদুজ্জামান জানান, আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আর কেউ জড়িত আছে কিনা খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

এসআই বুরহান জানান, এঘটনায় আটককৃতরা হলেন, হাফিুজুল ইসলাম, ভ্যানওয়ালা কবিরুল, হাফিজুলের ভাই মফিজুল, রবিউল ও আত্মীয় আমিনুর, জিয়াউল ইসলাম ও ইসমাইল হোসেন।

নওগাঁয়, বদলগাছীতে ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

নওগাঁয়, বদলগাছীতে ধর্ষণকারীদের  বিরুদ্ধে মানববন্ধন




রহমতউল্লাহ বদলগাছী নওগাঁঃ নওগাঁ জেলা বদলগাছী সদরে ৭ই অক্টোবর শিক্ষক-শিক্ষার্থী সর্বস্তরের জনগণ  ধর্ষণ ও বর্বরতা নির্যাতন-নিপীড়ন  এর  বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন । 

থামিয়ে দাও নারীর দিকে নোংরা লভের থাবা !  স্লোগানকে সামনে রেখে - 

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে  বিবস্ত্র করে নারীর উপর বর্বরতা, নির্যাতন।

 রাজশাহীতে গির্জায় আটকে রেখে কিশোরী  কে ধর্ষণ, সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণসহ সারাদেশব্যাপী ধর্ষণ এর বিরুদ্ধে,স্বেচ্ছার হয়ে' 

বদলগাছী সরকারি পাইলট হাইস্কুলের সাবেক ছাত্র ছাত্রীদের উদ্যোগে বদলগাছী সদরে  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন সর্বস্তরের জনসাধারণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  গণমাধ্যম ও নেতাকর্মী।

চলমান দেশেরে কঠিন দুরবস্থায় পিক্কো প্রতিবাদ পরিসরে ধর্ষণেরনেই বিচার এর দাবিতে বাংলাদেশ আজ উত্তাল সারা দেশ জুড়ে ধর্ষণ ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে হাজারো তরুণ-তরুণী শিক্ষার্থীবৃন্দ তারই,

এক অঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে বদলগাছীর সকল শ্রেণী-পেশার শিক্ষার্থীদের মাঝে।তাদের দাবি ধর্ষণের বিরুদ্ধে এমন কিছু আইন প্রণয়ন করা হোক- যাতে দেশের এই দুরবস্থা আর পড়তে না হয়।দেশের এই দুরবস্থা থেকে পরিপূর্ণতা পেতে সকলের দাবি ধর্ষণের বিরুদ্ধে কঠিনতম শাস্তি প্রদান করা হোক।

যাতে -ধর্ষণকারীরা ধর্ষণ করতে একবারও  ভাববে যে তার পরিশেষ কী?

বীরগঞ্জে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদী মানববন্ধন

 বীরগঞ্জে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদী মানববন্ধন

 

 


খাদেমুল ইসলাম রাজ 

বীরগঞ্জ উপজেলা  প্রতিনিধিঃ



নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি গণধর্ষণ, ধর্ষণ ও নিপীড়নের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন  ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অফ বীরগঞ্জ দিনাজপুর (এস. এ. বি. ডি), বীরগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরী ও এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হলেও, পরে সাইন্স ক্লাব,সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থা সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের ছাত্র জনতা এতে একাত্বতা ঘোষনা করে অংশ গ্রহন করেন।  

 

বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা  ১১টায়  

বীরগঞ্জ বিজয় চত্বরের সম্মুখ সড়কে ঘণ্টাব্যাপী উক্ত প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।



মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম ফিরোজ আলম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. আবু হোসেন বিপু, বীরগঞ্জ পাবলিক লাইব্রেরীর সভাপতি রোকুনুজ্জামান বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান অলি , এস. এ. বি. ডি সভাপতি আব্দুল্লাহ-আল-সাঈদ,সাধারণ সম্পাদক মো. নুর নবী, এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সোহাগ ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুর্শিদ,বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার্থী বিথী রায়,সুরভী রায়,শারমিন নীরা, ফয়জুর রহমান,আসিফ প্রমূখ। 


মানববন্ধনে সারাদেশে ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এছাড়া ধর্ষকদের প্রকাশ্যে ফাঁসিসহ দেশে সব ধর্ষণ মামলার রায় দ্রুত নিষ্পত্তি ও এজন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানান তারা।

চুয়াডাঙ্গায় নারী নির্যাতন এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে মানববন্ধন পালিত

 চুয়াডাঙ্গায় নারী নির্যাতন এবং ধর্ষনের প্রতিবাদে মানববন্ধন পালিত




মোঃকাউসার আলী,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃআজ ৭-ই অক্টোবর বুধবার বিকাল সাড়ে চারটায় চুয়াডাঙ্গা বড়বাজার চৌরাস্তা মোড়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষনের প্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন মানববন্ধন পালন করে।উক্ত মানববন্ধনের স্লোগান ছিল "ধর্ষিতা বোনের শাড়ি ও রক্তাক্ত জাতির পতাকা।"

উক্ত মানববন্ধনে যেসব সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে তারা হলঃঅরিন্দম সাংস্কৃতিক সংগঠন,সংলাপ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি,উদীচী শিল্পী গোষ্ঠি,শহর বাউল একাডেমি,চুয়াডাঙ্গা আবৃত্তি পরিষদ,চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ,বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, ফেসবুক গ্রুপ চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক ভাষা পরিষদ এবং ইয়ূথ এসেম্বলি।


মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ জহির রায়হান,ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি শাওন রায়,শহর বাউল একাডেমির লিটু বিশ্বাস,চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক ভাষা পরিষদের দেলোয়ার হোসেন বাপ্পি,ইয়ূথ এসেম্বলির সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি -বিন-মোর্ত্তুজা।

 এবং মানববন্ধনটি উপস্থাপনা করেন জনাব মোঃআব্দুস সালাম।বক্তারা ধর্ষনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড দাবি করেন এবং রাষ্ট্রের দূর্বলতার সমালোচনা করেন।

ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

 ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন


 


আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা  প্রতিনিধি :  নোয়াখালীসহ সারা দেশে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদ এবং ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক আইন সম্পাদক এড. ওসমান গণি।সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ,দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার কল্যাণ ব্যাণার্জি, সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপি, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক রাম কৃষ্ণ চক্রবর্তী, সাতক্ষীরা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আবু আফফান রোজ বাবু, সাধারণ সম্পাদক শামিমা পারভীন রতœা, সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদীআলী সুজয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান পলাশ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, শেখ রাসেল শিশুকিশোর পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, তাঁতীলীগ নেতা শেখ ফিরোজ হোসেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আজমল হোসেন, প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি জাহিদা জাহান মৌ, সহ-সভাপতি হোসেন আলী, রোটার‌্যক্টর ক্লাবের সহ-সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটির সভাপতি শেখ শাকিল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন বিল্লাহ, সৌমদ্বীপ প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, দাবি একটাই ধর্ষকের ফাঁসি চাই। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্ষকের জায়গা নাই। যারা ধর্ষন গণ-ধর্ষন করে, নারী ও শিশু নির্যাতন করে তারা পশুর চেয়েও জঘন্য। তাদের দ্রুত কঠোর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। আইনের দীর্ঘসূত্রতায় যেন বিচার কার্যক্রম বিলম্ব না হয়। নোয়াখালির বেগমগঞ্জের গৃহবধুকে যে অমানবিক নির্যাতন করেছে ওই কুলাঙ্গাররা মানুষ হতে পারে না। যারা ধর্ষনকারী তাদের পক্ষে যেন কোন আইনজীবী না থাকে , সুপারিশকারী না থাকে। যদিও সুপারিশ করে তাদেরও ওই মামলার আসামী করার দাবি জানান বক্তারা। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক রওনক বাসার।এদিকে, সম্প্রতি দেশব্যাপি ধর্ষন ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ সারাদেশে ধর্ষনের শাস্তির দাবিতে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে পড়ে। একই দাবিতে সাতক্ষীরা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে মানববন্ধন সফল করতে সাতক্ষীরা সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট সোসাইটি, প্রথম আলো বন্ধুসভা সাতক্ষীরা, মেডিসিন ক্লাব সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ, সম্মিলিত সাংবাদিকএ্যাসোসিয়েশন,সাতক্ষীরাসহ নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ব্যনারে সকাল হতেই ধর্ষকদের ফাঁসির দাবিতে “কুকুর নিধন নয়, ধর্ষক নিধন চাই, আমি লজ্জিত আমি পুরুষ, নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষন ও সন্ত্রাস রুখে দাও, দাবি একটাই ধর্ষকের ফাঁসি চাই” শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হতে সাতক্ষীরা শহর।

সাতক্ষীরার ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমের ফাঁসির দাবীতে মানবন্ধন

 সাতক্ষীরার  ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমের ফাঁসির দাবীতে মানবন্ধন





আহসান উল্লাহ বাবলু আশাশুনি সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলাধীন ৮নং খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো.শরবত আলী মোল্লাসহ একাধিক নৃশংস হত্যা মামলা ও গোপালগঞ্জের মেয়ে টুম্পাসহ অসংখ্য ধর্ষণ মামলার আসামী আশাশুনি উপজেলার ত্রাস খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহানেওয়াজ ডালিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফঁাসির দাবীতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে দশ টায় নির্যাতিত পরিবারবর্গ ও খাজরা ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে সাতক্ষীরা কালেক্টরেট চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ৮নং খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা র“হুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে  মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী এ্যাড. মাসুদুর রহমান, আওয়ামী লীগনেতা আসাদুজ্জামান, ইউপি সদস্য খোকা, প্রভাষক জাকির“ল ইসলাম, ইউপি সদস্য আনার“ল ইসলাম, হত্যার শিকার শরবতের পুত্র সবুজ প্রমুখ। মানববন্ধনে একাধিক মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমের অত্যাচারে ক্ষতিগ্রস্ত খাজরা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন নিহত শরবত ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। তাকে প্রকাশ্যে দিবালোকে ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে হত্যা করেছে ডালিম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। সন্ত্রাসী ডালিম কুখ্যাত রাজাকার মোজাহার আলীর পুত্র। মোজাহার আলীর নাম আশাশুনি উপজেলার রাজাকারদের তালিকায় ১২ নম্বরে রয়েছে। সে  কিভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করে। বক্তারা আরও বলেন ডালিম টুম্পাসহ অসংখ্য নারি ধর্ষণকারী। সে এলাকায় চাঁদাবাজী থেকে শুর“ করে ভূমি দখল করে বিভিন্ন মানুষের কাছে বিক্রয় করে কোটি টাকার মালিক হয়েছে। বক্তারা আরও বলেন সন্ত্রাসী ডালিমকে চাঁদা না দিলে এলাকায় মৎস্য ঘের করতে দিতো না। একাধিক মামলায় সে গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকার মানুষ মুখ খুলতে শুর“ করেছে। এসময় বক্তারা সন্ত্রাসী, খুনি ডালিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। 

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেছে অতঃপর পাঁচ টাকা দিয়ে বিদায়

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেছে  অতঃপর পাঁচ টাকা দিয়ে বিদায়


আব্দুর রাজ্জাক, হরিরামপুর প্রতিনিধি (মানিকগঞ্জ)মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার নতুন হাট বালিয়াচর এলাকায় শিশুকে ধর্ষণের পর পাঁচ টাকা দিয়ে বিদায় করেছেন জামিল হোসেন নামের ৪০ বছরের এক প্রতিবেশী। শিশুটি মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক।


পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে প্রতিবেশী জামিল হোসেন শিশুটিকে তাদের বাড়িতে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। তারপর তাকে ধর্ষণ করে পাঁচ টাকা একটি নোট দিয়ে বিদায় করে দেয়।


হরিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোশারফ হোসেন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 


শিশুটির নানি জানিয়েছেন, শনিবার সকালে প্রতিবেশী জামির হোসেন শিশুটিকে নিয়ে ধর্ষণ করে অসুস্থ অবস্থায় পাঁচ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। শিশুটি বাড়িতে এসে কান্নাকাটি করে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে সম্মানের ভয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শিশুটির জীবন বাঁচাতে মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর এ ঘটনার পর প্রতিবেশী জামির হোসেন (৪০) এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন।


সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশাদ উল্লাহ জানান, শিশুটিকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার অবস্থা অনেকটা এখন ভালো।

সাতক্ষীরার দেবহাটায় নারী নির্যাতন মামলার আসামী গ্রেফতার

 সাতক্ষীরার দেবহাটায় নারী নির্যাতন মামলার আসামী গ্রেফতার




আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা সার্কেল মোঃ শেখ ইয়াছিন আলীর তত্ত্বাবধানে এবং দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার সাহা এর নেতৃত্বে দেবহাটা থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে বুধবার (৭ অক্টোবর) এসআই(নিঃ) মোঃ মিজানুর রহমান 

ফোর্স এর সহায়তায়, দেবহাটা উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের, মৃত্যু মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস এর ছেলে, মোঃ আবু জাফর বিশ্বাস (৪০) কে গ্রেফতার করে, বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছে।

বিষয় টি দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বিপ্লব কুমার সাহা নিশ্চিত করেছেন।

সাতক্ষীরায় জব্দকৃত যানবাহনের উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ৮শ’ হাইড্রোলিক হর্ণ ধ্বংস

 সাতক্ষীরায় জব্দকৃত যানবাহনের উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ৮শ’ হাইড্রোলিক হর্ণ ধ্বংস




আজহারুল ইসলাম সাদী, স্টাফ রিপোর্টারঃসাতক্ষীরায় জব্দকৃত, যানবাহনের উচ্চমাত্রায় শব্দ সৃষ্টিকারী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ণের ধ্বংস করা হয়েছে। 

 

বুধবার (৭অক্টোব) বেলা সাড়ে ১২ টায় সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড চত্ত্বরে জেলা পুলিশে আয়োজনে, এলইডি লাইট ও হর্ণের ধ্বংসকরণ কার্যক্রম উদ্বোধন কর্মসূচির প্রথম দিনে ৮শ’ হাইড্রোলিক হর্ণ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।


এসময় সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার বলেন, কোন দেশ কতটা সভ্য সেটা বোঝা যায় সেই দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থা দেখে। উন্নত বিশ্বে হাইড্রোলিক হর্ণ তো দুরের কথা, তারা কোন হর্ণ ব্যবহার করে না?

হাইড্রোলিক হর্ণ মানুষের দৃষ্টি শক্তি, শ্রবণ শক্তি নষ্ট করে দেয়। এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে ব্যবহারকারী। সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে, পরিবেশ দূষণ হওয়ার কারণে রাস্তা ঘাটে জন জীবনের স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষে, এটি বন্ধে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মালিক ও শ্রমিকদের সচেতন করে জব্দ করা হয়, ৮শ’ শব্দ দুষণকারী হর্ণ এবং এলইডি লাইট, সেগুরি করা হয়েছে বিনষ্ট। 


জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান আরো বলেন, এখন থেকে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বাস-পরিবহনে নারীদের সম্মানের প্রতি শ্রমিকদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।


এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি আবু আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মির্জা সালাউদ্দিন, শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক আবু জাহিদ প্রমুখ।

ধর্ষনের প্রতিবাদে কোটচাঁদপুরে মানববন্ধন

 ধর্ষনের প্রতিবাদে কোটচাঁদপুরে মানববন্ধন




তাহের খাঁন(কোটচাঁদপুর) ঝিনাইদহঃ দেশব্যাপি নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে কোটচাঁদপুরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ৭ অক্টোবর বেলা ১১টায় ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড হয়ে বাজার পায়রা চত্বর পর্যন্ত র‍্যালী করে শিক্ষার্থীরা, ধর্ষণ বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে কোটচাঁদপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ বিরোধী বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ধর্ষণ বিরোধী নানা স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে নোয়াখালীতে বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে আটকে রেখে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন, সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং তানোরের গির্জায় কিশোরীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ জানানো হয় এবং দোষীদের আটক করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানানো হয়।


বক্তারা বলেন, সারাদেশ জুড়ে নারী ও শিশুর ওপর যে নির্যাতন নেমে এসেছে তা মধ্যযুগীয় বর্বর তাকেও হার মানিয়েছে। এই অবস্থা চলতে দেওয়া যায় না। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, নারীরা কোথাও নিরাপদ না। সরকারের প্রতি আহ্বান অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক।

ঝিকরগাছায় ২৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেপ্তার -৩

ঝিকরগাছায় ২৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেপ্তার -৩

ঝিকরগাছায় ২৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ গ্রেপ্তার -৩!  

বিস্তারিত পড়তে চোখ রাখুন দৈনিক কপোতাক্ষ নিউজ- এর পাতায়।

ধর্ষন, নারী নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে দিনাজপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

 ধর্ষন, নারী নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদে দিনাজপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

মামুনুর রশিদ, দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরসাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশ ধর্ষন, খুনসহ নোয়াখালীতে ঘটে যাওয়া অমানুষিক নির্যাতনের প্রতিবাদসহ জড়িত দ্রুত বিচার কার্যকর করার প্রতিবাদে দিনাজপুরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। 

আজ বুধবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ধর্ষন বন্ধ সরকারকে কঠোর থেকে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবী জানান। পাশাপাশি নোয়াখালীতে অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদসহ দ্রুত বিচারের দাবী জানান মানববন্ধনকারীরা। মানববন্ধন শেষে স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা একটি বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী সাফিন ইসলাম ,সিয়াম আজম, জীবন ইসলাম, প্রিন্স রায়, মুন্না রায়, প্রমূখ।

মাটির চাষি মোঃ জসীম উদ্দিন

মাটির চাষি   মোঃ জসীম উদ্দিন






ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে

আসছে কে-ঐ মাটির চাষি 


ভেঙে করবে চুরমার

দিবে বর্গি ধারের ফাসি।


জননী জন্মভূমিশঃ সর্গাধপী গড়িয়সি

প্রেম দাও রাশি রাশি


মানুষ তুমি মহৎ দোয়ারি 

স্বভাব দু'ফোটা প্রেম চন্দন

তাইতো শুনতে পাই ঐ অনন্তের কন্দন

সে যে আমার মাতা মাত্রি ভাষা আর মাতৃভূমি, পরম পুজো নীয় মূলধন।

কেশবপুরে সাজাপ্রাপ্ত মহিলা আসামীসহ ১৫ জন গ্রেফতার

 কেশবপুরে সাজাপ্রাপ্ত মহিলা আসামীসহ ১৫ জন গ্রেফতার

যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃকেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত মহিলাসহ ওয়ারেন্টভুক্ত, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, হত্যা ও থানার নিয়মিত মাদক মামলায় ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক আজিজুর রহমান, পিন্টু লাল দাস, সুপ্রভাত মন্ডল, অরূপ বসু, সহকারী উপ-পরিদর্শক ফিরোজ, রহমত পুলিশ ফোর্স নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত, ওয়ারেন্টভক্ত নিয়মিত মামলার আসামিরা হলো সাজাপ্রাপ্ত আসামি আলতাপোল গ্রামের আব্দুর রশিদ মোড়লের স্ত্রী আঞ্জুমানারা বেগম (৪০), কাবিলপুর গ্রামের মৃত প্রফুল্ল দাসের ছেলে আনন্দ দাস (৩৭), ব্যাসডাঙ্গা গ্রামের হযরত আলীর ছেলে হাফিজুর রহমানকে (৩৫), ওয়ারেন্টভুক্ত কায়েমখোলা গ্রামের দিনবন্ধু হালদারের ছেলে দেবল হালদার (২৭), বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের কাওছার মল্লিকের ছেলে বিল্লাল হোসেন মল্লিক (৩১), ব্যাসডাঙ্গা গ্রামের আহমদউল্লাহর ছেলে মহিউস সুন্না (৩০) আলতাপোল গ্রামের হযরত আলীর স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম (৩৫), মনোহরপুর গ্রামের নওয়াব আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান (৪৮), বসুন্তিয়া গ্রামের ইনসার আলী মোড়লের ছেলে টিটো (২২), ডুমুরিয়া উপজেলার বরাতিয়া গ্রামের বিষ্ণুদাসের ছেলে চন্দন দাস (২১), একই গ্রামের নিখিল দাসের ছেলে কৃষ্ণ হালদার (৩১), দেবাল হালদারের ছেলে তমাল হালদার (২২), আলতাপোল গ্রামের হযরত আলীর ছেলে ইমরান (২০) ও নওয়াব আলীর ছেলে হযরত আলী (৫১) এবং নিয়মিত মাদক মামলায় খতিয়াখালী গ্রামের মলয় দাসের ছেলে উত্তম দাসকে (৩৫) গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দীন বলেন, সাজাপ্রাপ্ত মহিলাসহ ওয়ারেন্টভুক্ত, ডাকাতি, নারী নির্যাতন, হত্যা ও থানার নিয়মিত মাদক মামলায় গ্রেফতারকৃতদের বুধবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিনোদন কেন্দ্র ও কমিউনিটি সেন্টার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত-ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

 স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিনোদন কেন্দ্র ও কমিউনিটি সেন্টার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত-ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় সমস্যার সমাধান বিষয়ক আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক জনাব সরোজ কুমার নাথ মহোদয়ের সভাপতিত্ব ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুক্রবার ০৯-১০-২০২০ থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিনোদন কেন্দ্র ও কমিউনিটি সেন্টার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছেন ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে এ সকল সেবা গ্রহন করলে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, ঝিনাইদহ পৌরসভার সুযোগ্য পৌর মেয়র জননেতা জনাব আলহাজ্ব সাইদুল করিম মিন্টু

যশোরের শার্শায় ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 যশোরের শার্শায় ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

 



তুহিন হোসেন বেনাপোল  প্রতিনিধি:  "হারবে ধর্ষক, জিতবে দেশ, ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ" এই স্লোগানে নোয়াখালী সহ দেশব্যাপী ধর্ষণ ও নারী সহিংসতা এবং ধর্ষকদের "দ্রুত বিচার আইনে" সর্ব্বোচ শাস্তির দাবিতে শার্শায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। 



বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০ টার সময় উপজেলার নাভারণ সাতক্ষীরা মোড়ে উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজানের উদ্যোগে ৭ দফা দাবিতে এ মানববন্ধন পালিত হয়েছে। 


এসময় মানববন্ধন কর্মসূচিতে যোগ দেন, ঝিকরগাছা সেবা সংগঠন, ঝিকরগাছা সেবক সংগঠন, সার্চ মানবাধিকার কল্যান ট্রাস্ট শার্শা, নবীবনগর মিতালী যুব সংঘ ও বাঁকড়া স্বপ্নচূড়া সংগঠন সহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা।


মানববন্ধনে ৭ দফা দাবি ছিল, ১- ধর্ষণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে সর্ব্বোচ শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিত করা। ২- ধর্ষণ প্রতিরোধে প্রতিটি জেলায় র্যাব/বিজিবি/পুলিশের যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা। ৩- ধর্ষণজনিত ঘটনা বা অপরাধের জন্য আলাদা দ্রুত ট্রাইবুনাল গঠন এবং ৩০-৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পাদনা নিশ্চিত করা। ৪- ধর্ষিতার বিনা মূল্যে চিকিৎসা এবং তার পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করা। ৫- ইতিপূর্বে সকল ধর্ষণ মামলার রায় ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা। ৬- 

ধর্ষণ ও অপরাধ প্রতিরোধে নির্জন রাস্তায় সচল সিসিটিভি স্থাপন করা। ৭- ধর্ষণকারী ও তার পরিবারকে সামাজিক ভাবে বয়কট করা এবং আশ্রয়দাতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। 


এসময় বক্তারা মানববন্ধনে দেশব্যাপী নারী নির্যাতনকারী ও ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন যুবলীগ নিয়ে যে কোন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে

দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন যুবলীগ নিয়ে যে কোন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে




পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির উদ্যোগে গত ২ রা অক্টোবর শুক্রবার পটিয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক, যুগ্ম আহ্বায়কের উপস্থিতিতে বিশাল কর্মী সভার পরবর্তী দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলদের মতামত নিয়ে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটি তিন ওয়ার্ডর কমিটি অনুমোদন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে শুধু মাত্র কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে উপজেলা কমিটি ও ইউনিয়ন যুবলীগের কিছুটা ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি হয়। যা বর্তমানে প্রায় সমাধানের পথে। কিন্তু এই অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কে পুঁজি করে এলাকার কিছু চিহ্নিত ভূমি দু্র্শু, মাদক ব্যাপারী কিশোর গ্যং সৃষ্টি কারীরা গোলা পানিতে মাছ শিকার করা হীন চেষ্টায় লিপ্ত। যা আমরা কোন হতে দেব না। আমরা মাঠে কর্মী, অতীতের আন্দোলন সংগ্রাম রাজপথ থেকেই আমরা বেড়ে উঠেছি, সুতরাং এই সব ষড়যন্ত্র কি ভাবে মোকাবিলা করতে হয় আমাদের জানা আছে।


আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক পটিয়ার মাটি ও মানুষের নেতা জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আ ম ম টিপু সুলতান চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক হাসান উল্লাহ চৌধুরী যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান উদ্দিন বশির, মাষ্টার রিটন নাথ এর নেতৃত্বের প্রতি আমাদের শতভাগ আস্থা বিশ্বাস শ্রদ্ধা ভক্তি রয়েছে। এবং দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে সভাপতি বাবু মিহির চক্রবর্তী সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও ইউনিয়ন যুবলীগের সম্মেলন প্রস্তত কমিটির আহবায়ক মোরশেদুল হক যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু রণধীর দের নেতৃত্বে আমরা ঐকবদ্ধ। বিবৃতিদাতা ১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের নব নির্বাচিত সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা হুমায়ুন কবির., সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুস, ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তানিম, ৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক রানা চক্রর্তী।


মহেশপুর উপজেলা আহবায়ক কমিটিতে অছাত্র প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

 মহেশপুর উপজেলা আহবায়ক কমিটিতে অছাত্র  প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল




খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। খুলনা ব্যুরো প্রধানঃ ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে অছাত্রদেরকে দিয়ে কমিটি দেয়ায়  যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের কে বাদ দিয়ে কমিটি করার প্রতিবাদে মহেশপুর উপজেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিট নেতাকর্মীদের নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল  করেন ছাত্রদল । ৭ ই অক্টোবার সকালে মহেশপুর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই কমিটির বিপক্ষে মহেশপুর উপজেলা ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মহেশপুর সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইয়াকুব আলী, সাবেক পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহানুর রহমান সোহান,২ নং ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম রাসেদ,৬ নং নেপা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আহসান হাবীব, ১২ নং আজমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, ১০ নং নাটিমা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ারা হোসেন সাগর,৬ নং নেপা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপোন হোসেন, ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক রুবেল হোসেন, সাইফুল ইসলাম বুরহান,বাপ্পি,আব্দুর রহমান নুরুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোটচাঁদপুরে কে এম এইচ কলেজের খেলার মাঠ রেখে ভবন নির্মানের দাবীতে মানব বন্ধন

 কোটচাঁদপুরে কে এম এইচ  কলেজের  খেলার মাঠ রেখে ভবন নির্মানের দাবীতে মানব বন্ধন


 

 

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 


 সরকারি কে এম এইচ ডিগ্রি কলেজের ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ নষ্ট করে বিজ্ঞান একাডেমি ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারন করায়, তারই লক্ষে পুনরায় স্থান পরিবর্তনের দাবিতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মানব বন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। 


বুধবার (৭ই অক্টোবর) বেলা ১০ টায় কোটচাঁদপুর কলেজ বাসস্ট্যান্ড চত্বরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। সেসময় উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ও সাংবাদিকরা কর্মসুচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানাই।

এসময় মাবন বন্ধন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুন্নেছা মিকি, পৌরসভার মেয়র জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, স্থানিয় সাংবাদিক, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শেখ শাহিন, এ্যাডঃ বিপ্লব আহমেদ,কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শান্ত,মিল্লাত হোসেন, রনি,আকাশ প্রমুখ। 


 বক্তারা বলেন ঐতিহ্যবাহী কোটচাঁদপুর সরকারি কে এম এইচ ডিগ্রি কলেজের খেলার মাঠ রক্ষার্থে সকল কে এক  হওয়ার জন্য অনুরোধ করে এবং উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যাতে করে কলেজ ক্যাম্পাসে একাডেমি ভবনের স্থাপন পুনরায় স্থান নির্ধারন করে খেলার মাঠটি বাঁচিয়ে রাখে

নবীনগরে বিয়ের নাটক সাজানো নিলা নাঈমের খপ্পরে অনেক প্রবাসী যুবক,মানববন্ধন

 নবীনগরে বিয়ের নাটক সাজানো নিলা নাঈমের খপ্পরে অনেক প্রবাসী যুবক,মানববন্ধন

 



এস.এম অলিউল্লাহ  ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃ


ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের নারুই গ্রামের ছাবিকুন্নাহার নীলা নামক নারী প্রতারক দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী যুবকদের তার খপ্পরে ফেলে ভূয়া এভিডেভিড মাধ্যমে দেনমোহরের নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে আদালতে প্রতারণার মামলা করেন এক ভুক্তভোগীর ছোট ভাই এবং প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে আজ নূরনগর সাংবাদিক ফোরাম সংলগ্ন শিবপুর বাজারে সকাল ১১ ঘটিকায় এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।


মানববন্ধনে উপস্থিত থাকা গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের তথ্য সূত্রে  জানা যায়,এই প্রতারণায় শুধু সে এক নয়, তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। এই চক্রের মূলহোতা ছাবিকুন্নাহার নীলা( নিলা নাঈম),তার সহযোগিরা হলে,শারমিন সুলতানা(৪৫), আফরুন্নাহার শায়লা(১৫),জাহের মিয়া(৪০),মোহাম্মদ মিয়া(৩০)সহ আরো অনেকে।তাকে আইনগত সহযোগিতা করতে আইনজীবী ও স্থানীয় শক্তির সহযোগী হিসেবে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন ।


এই নারী চক্রের প্রতারণার স্বীকার শিবপুর সড়ক পাড়ের ওমান প্রবাসী  বাবুর পিতা কতুব মিয়া প্রথমে সাংবাদিকদের কাছে মুখ খুলতে না চাইলেও চক্রটি শাস্তি পেলে সমাজে এমন অপরাধ হবে না বলে চিন্তা করে বলেন,আমার পুত ওমানে থাহে এই মাইয়া হেরে ফান্দ ফালাইয়া আমার মানসম্মান সব শেষ করছে,আমি আগীলা দিনের মানুষ কিছু বুজি না ইতা কি বলে আছে ফেসবুক হ্যান থাক্কিয়া ছবি লইয়া আমার পুতেরে স্বামী দাবি করে, কোর্টের এক উকিলে কইল  ৭০ হাজার টেহ্যা দিলে আর জামেলা অইতো না পরে আমার মেয়ের জামাই এই টেহ্যা দিইয়া জামেলা শেষ করছে।


 আরেক ভুক্তভোগী বঘডহর গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি একই কায়দায় প্রতারণার স্বীকার হয়,প্রথমে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত বলবে বলেও পরে স্ত্রী সন্তানের কথা ভেবে মুখ খুলতে রাজী না হওয়ায় ঘটনা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত থাকা উনার ভাতিজা মাওলানা মেহেদী হাসান বলেন,আমরা চাচার সাথে যা হয়েছে আর যেন কোন পুরুষের সাথে এমনটা না হয়,সমাজে শুধু নারীরা না আজ নারী কতৃক পুরুষও নির্যাতিত হচ্ছে। আমার চাচা প্রবাসে থাকা অবস্থায় নিলা উনার ফেইসবুকে বন্ধু হয়ে ইমু নাম্বার নিয়ে প্রতিনিয়ত ভিডিও কলে আপত্তিকর অবস্থায় কথা বলে বলে ফাঁদে ফেলে দেশে আসা মাত্র তার চক্রের সবাইকে নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে এয়ারপোর্টে থেকে তুলে হবিগঞ্জ নিয়ে যায়।সেখানে দীর্ঘদিন আটকিয়ে রেখে আমার চাচার কাছে থাকা ৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়,এদিকে আমরা চাচাকে খুঁজে না পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে নিখোঁজ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি মামলা করি।মামলা করার কিছু দিন পার হতেই আমার চাচা কৌশলে বিদেশ যাওয়ার কথা বলে তাদের খপ্পর থেকে বাড়িতে এসে ঘটনার বর্ণনা করলে আমরা সবাই বিষয়টি অবগত হই।সে তাতেও হ্ম্যান্ত না হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ও নবীনগরে আওয়ামী লীগের লোকজন দিয়ে আমার চাচাকে হয়রানি করার চেষ্টা করলে, আমাদের চেষ্টায় সে ব্যর্থ হয়।আমি শুনেছি সে আরো অনেক প্রবাসী যুবকদের সাথে এমনটা করেছে, যদি তার উপযুক্ত বিচার হয় তবে আরো কোন প্রবাসী যুবক নিলা নামক নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে নিজের সোনার সংসার নষ্ট করবে না।পরিশেষে এই ঘটনা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানায়।


এই সম্পর্কে আদালতে অভিযোগ করা ভুক্তভোগীর ছোট ভাই মামলার বাদী মাহমুদুল হক রিপন বলেন, 

এই নারী প্রতারক চক্রের মূলহোতা নিলা সে একজন শিক্ষিত ও সুচতুর হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থেকে তার আশেপাশের সম্ভান্ত্র পরিবারের প্রবাসী যুবকদের বেছে নিয়ে প্রথমে তাদের ছবি সংগ্রহ করে, আর চক্রের অন্য সদস্যরা খুঁজখবর রাখে ছবি সংগ্রহ করা ব্যক্তটি কবে বিদেশ থেকে ছুটিতে দেশে আসবেন।যেই তারিখে ব্যক্তিটি বিদেশ থেকে দেশে আসবে তার ৫/৬ দিন পরের তারিখ দেখিয়ে একটি ভূয়া নিকাহনামার এভিডেভিড বানিয়ে কিছু দিন পরই স্ত্রী দাবি করে বাড়িতে তাদের চক্রের কাউকে পাঠিয়ে হুমকি ধমকি দেয়। পরে একটি মহল আড়াল থেকে বিভিন্ন মাধ্যম বিষয়টি শেষ করার কথা বলে এভিডেভিডে ধার্য্য করা দেনমোহরের টাকায় রফাদফা করে দেয়, রফাদফার টাকা বুজে পেলে তাদের আর কোন আপত্তি থাকে না।আমার ভাইয়ের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটেছে কিন্তু আমরা এই রফাদফায় রাজী না হওয়ায় আদালতে যৌতুকের দাবিতে মামলা করেন এবং আদালত এই চক্রের মূলহোতা মামলার বাদীনি নিলাকে পর পর চার বার তথ্য প্রমাণ নিয়ে হাজির থাকতে বলার পরও সে হাজির না থাকায় এই মামলা থেকে আমাদের খালাস প্রদান করেন,এমনি গ্রামীণ সালিশেও সে ভাড়া করা গুন্ডাপান্ডা দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করলে গ্রামীণ সালিশে কোন প্রমাণাদি না দিতে পারায় ক্ষমা চেয়ে পালিয়ে যায়।এখন নানান ভাবে টাকার জন্য আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে অপ্রচার চালাচ্ছে তাই আমি বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে ০৪/১০/২০ ইং তারিখে সি আর ২৬৩/২০ মামলা দায়ের করেছি করেছি,।আমি চাই সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাদের শাস্তি হলে সমাজে আর কোন সম্ভান্ত্র পরিবার এদের দ্বারা হয়রানি ও অপমানিত হবে না।


এই সম্পর্কে জানতে প্রতারক চক্রের মূলহোতার গ্রামের ঠিকানায় যোগাযোগ করা হলে তার নিকট আত্মীয় তাজুল ইসলাম বলেন,আমি জানি না সে কোথায় থাকে তার মা আমার চাচাতো ভাইয়ের বউ ছিল কিন্তু অনেকদিন পূর্বে সে তার স্বামীকে ফেলে হবিগঞ্জের এক লোকের কাছে বিয়ে বসে ঐখানে তাদের নিয়ে বসবাস করছেন।


 মামলার বিষয়টি নিশ্চিত হতে বাদীর আইনজীবী এড.দেলোয়ার হোসেন দুলালকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,মামলাটি আমার মাধ্যমে হয়েছে এবং বিজ্ঞ আদালত মামলাটি  পুলিশি তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।

সারা দেশে ধর্ষনের প্রতিবাদে কোটচাঁদপুরে মানব বন্ধন

 সারা দেশে ধর্ষনের প্রতিবাদে কোটচাঁদপুরে মানব বন্ধন

খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার। 

খুলনা ব্যুরো প্রধান। 

 সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণসহ সারাদেশে ধর্ষণের প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মানব বন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। 


বুধবার (৭ই অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কোটচাঁদপুর মেইন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার্থী ও কোটচাঁদপুর ব্লাড ব্যাংক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ব্যানারে এ প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। সেসময় উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ও সাংবাদিকরা কর্মসুচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিবাদ জানাই।


 বক্তারা সিলেট এমসি কলেজে গৃহবধূ ধর্ষণ সহ সারাদেশে যে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে গেছে তার প্রতিবাদে ধর্ষণকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান । তারা বলেন, শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় সমাজে ধর্ষনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বিচার কাজ বিলম্বিত হওয়ায় ছাড় পাচ্ছে অনেক অপরাধীই।


তাই ধর্ষন মামলার বিচার কার্য ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে শেষ করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তারা। মানব বন্ধনে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি পতেঙ্গা থানা কমিটি গঠিত

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি পতেঙ্গা থানা কমিটি গঠিত




চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ঃ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি পতেঙ্গা থানা কমিটি গঠন কল্পে ০৫/১০/২০২০ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বন্দর থানাধীন মাইজপাড়া মোড় রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর অফিসে চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি জনাব ডাঃ দিবাকর চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে,ও চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শাহজালাল রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ আবদুল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক শাহনাজ পারভীন, সাংবাদিক মোঃ ইলিয়াস, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ সিরাজুল মুস্তাকিম , বিপ্লব দাশ, মোঃ মোশাররফ হোসেন, মোঃ নাছির উদ্দিন, দুলাল চন্দ্র দাশ,মোঃ হেলাল উদ্দিন প্রমূখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি - মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন  , সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ  জাবেদ হোসেন  , সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমানুল ইসলাম , দপ্তর সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান , নির্বাহী সদস্য মো:ওমর ফারুক,সিনিয়র সদস্য  মোঃ সাদ্দাম কে নিয়ে ৬ সদস্য বিশিষ্ট ২(দুই) বছর মেয়াদি পতেঙ্গা থানা কমিটি গঠিত হয়।

সিরাজগঞ্জে প্রকাশ্যে জুয়া খেলায় ৭ জনকে কারাদণ্ড প্রদান

সিরাজগঞ্জে প্রকাশ্যে জুয়া খেলায় ৭ জনকে কারাদণ্ড  প্রদান




মাসুদ রানা সিরাজগঞ্জ  জেলা প্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জ  উল্লাপাড়া  উপজেলার  সলঙ্গা থানার নবরত্ন পাড়ায় প্রকাশ্যে জুয়া খেলারত সেখানে অভিযান  চালিয়ে  ৭ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড  প্রদান  করেছে  ভ্রাম্যমাণ  আদালত।

গতকাল বুধবার গভীর রাতে জেলা প্রশাসনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মোঃ মঈন উদ্দিন এর  নেতৃত্ব  ভ্রাম্যমাণ  আদালত পরিচালিত  হয় । অভিযানে  সহয়তা  করেন  RAB -১২ এর এএসপি এরশাদুর রহমান এবং  একটি  চৌকষ  দল । 

আসামি কৃতরা হলেন, বগুড়া

শেরপুর উপজেলার  উত্তর সাহাপাড়া গ্রামের  মৃত হরিশ চন্দ্র মোহন্ত ছেলে 

অরুন চন্দ্র মোহন্ত (৩৪), জতিশ চন্দ্র মজুমদার ছেলে টপি চন্দ্র মজুমদার (৩০),সলঙ্গার দত্তকুশা গ্রামের মৃত ওসমান গনি ছেলে মোঃ হারুন অর রশিদ (৬০), সিরাজগঞ্জ সদর বড়হামকুরিয়া গ্রামের মৃত শুকুর আলী ছেলে মোঃ খলিল (৪০),

কুমামপুর গ্রামের  মৃত তৈয়ব আলী ছেলে মোঃ লাবলু (৪০),মুরাদপুর গ্রামের  মৃত গিয়াস উদ্দিন আকন্দ ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৪০),পাবনার সাঁথিয়া থানার কেসুয়ান গ্রামের  

মৃত আঃ প্রামানিক ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪১)। 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ  মঈন উদ্দিন জানান,বুধবার  রাত ১২.৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নবরত্ন পাড়ায় থেকে  জুয়ার বোর্ড,  গুটি, পটসহ নগদ ৫০ হাজার  ৯ শত ১২ টাকা  জব্দ করা হয়। প্রকাশ্যে জুয়া খেলায় তারা অপরাধ স্বীকার করে।তাদের বংগীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭ এর ৪ ধারায় প্রত্যেক আসামীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের এধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে।

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার

 ময়মনসিংহের তারাকান্দায় তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার




স্টাফ রিপোর্টারঃ আর.জে মিজানুর রহমান ইমনঃ


ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় ০৭ নং রামপুর ইউনিয়নের চাড়িয়া গ্রামে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া আট (৮) বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে । ঘটনাটি ঘটেছে, (৪ই অক্টোবর) রবিবার । জানা যায়, তারাকান্দা উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের হাসিম উদ্দিনের বখাটে ছেলে আনন্দ মোহন কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ধর্ষক জাহাঙ্গীর আলম (২০) তার আপন ফুফাতো বোনের শিশু কন্যা (ভাগনী) (৮) বছরের শিশুকে পটেটো চিপস দেওয়ার লোভ দেখিয়ে তার নিজ ঘরে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে ।


এই ঘটনা কাউকে না বলার জন্য, ধর্ষিতা শিশুটি কে নানা ধরনের ভয় দেখায় ঐ লম্পট বখাটে যুবক ধর্ষক জাহাঙ্গীর আলম । পরে তীব্র যন্ত্রণায় কান্নাকাটি করে শিশুটি তার মাকে ধর্ষণের আলামত দেখিয়ে সব কিছু খুলে বলে । শিশুটির মা শরীফা আক্তার জানান, রাতে আমার শিশু কন্যা (৮) তীব্র ব্যথায় চিৎকার শুরু করলে, চাড়িয়া বাজারের এক ওষুধের দোকান থেকে ডাক্তার বাড়িতে ডেকে এনে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় । এবং ঘটনার পরদিন সোমবার ভোরে ধর্ষণকারী জাহাঙ্গীর আলমের পিতা হাসিম উদ্দীন কে সবকিছু খুলে বললে তিনি অকথ্য ভাষায় আমাদের গালিগালাজ শুরু করে । 


ঐ দিন (৫ই অক্টোবর) সোমবার সন্ধায় ধর্ষিতা শিশু কন্যা সহ তার মা শরীফা আক্তার তারাকান্দা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । এ ব্যাপারে তারাকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া (৮) বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষনকারীর বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু হয়েছে, তাকে গ্রেফতার জন্য তারাকান্দা থানার বেশ কয়েকটি পুলিশের টিম কাজ করছে । (৬ই অক্টোবর) মঙ্গলবার তাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে হয়েছে এবং জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।

লাকসাম মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ১ম শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন নীপিড়নের অভিযোগ

 লাকসাম মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ১ম শ্রেনীর ছাত্রীকে যৌন নীপিড়নের অভিযোগ


মোঃ রবিউল হোসাইন সবুজ, লাকসাম প্রতিনিধিঃ কুমিল্লায় লাকসামে প্রথম শ্রেনীর একজন ছাত্রীকে ধর্ষন এর অভিযোগে নুরানী মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক রাশেদুল ইসলাম (২৩) নামের একজনকে আটক করে থানা-পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) লাকসাম উপজেলার ৬নং কান্দিরপাড় ইউনিয়নের সালেহপুরে এ ঘটনা ঘটে। ছাত্রীকে যৌন নীপিড়নের দায়ে আটককৃত ধর্ষক রাশেদুল একই গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে উক্ত গ্রামের কোরবান আলী দারুল ফোরকান নুরানী মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  এ শিশু ছাত্রী প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে আসে। মাদ্রাসা ক্লাস ছুটি শেষে  শিক্ষক রাশেদুল ইসলাম  তাকে ভিতরে নিয়ে জোরপূর্বক যৌন নীপিড়ন করে। এই সময় ওই ছাত্রীর  আত্মচিৎকার শুনে স্থানীয় কয়জন লোক এসে ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং ধর্ষকে অভিযুক্ত শিক্ষক কে আটক করে।

বিশেষ সূত্রে আরো জানা যায়,স্থানীয় অসাধু কুচক্র মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠা করে। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সন্ধ্যায় লাকসাম থানার পুলিশ ধর্ষক রাশেদুলকে আটক করে থানা হাজতে নিয়ে আসে৷

লাকসাম থানার ওসি নিজাম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্রীকে যৌন নীপিড়নের ঘটনাটি বে-আইনীভাবে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠার খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাশেদুলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে৷ তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু যৌন নিপিড়ন আইনে মামলা দায়ের করা হয় বলে জানা যায়।

কলাপাড়ার কুয়াকাটায় জলবায়ূ সহনশীল বিষয়ক অবহিত করণ সভা

কলাপাড়ার কুয়াকাটায় জলবায়ূ সহনশীল বিষয়ক অবহিত করণ সভা




নাঈমুর রহমান কুয়াকাটা প্রতিনিধি

পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা “বাদাবন সংঘের” উদ্যোগে জলবায়ু সহনশীল নগরী বিষয়ক প্রকল্পের অবহিত করণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হোটেল বনানী প্যালেস হল রুমে এ সভা করা হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা পৌর মেয়র আঃ বারেক মোল্লা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা পৌরসভার প্রকৌশলী মোঃ সাজেদুল আলম , কাউন্সিলর মোঃ হাবিবুর রহমান, তোফায়েল আহম্মেদ তপু। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু,কাউন্সিলর তৈয়বুর রহমান,আবুল হোসেন ফরাজীসহ পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারী ও জলবায়ূ ঝঁুকিতে থাকা সুবিধাভোগী নারী। সভায় জলবায়ূ সহনশীল নগরী বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাদাবন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক লিপি রহমান।

 নির্বাহী পরিচালক লিপি রহমান বলেন,ঝড় বন্যার সময় সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার নারীরা সব চেয়ে বেশি ঝকিঁতে থাকে। জলবায়ূ পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত ঝড় বন্যায় নারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ঝুকিঁ মোকাবেলায় দক্ষতা অর্জণ ও  নারীর সমঅধিকার রক্ষায় বাদাবন সংস্থা কাজ করছেন। প্রথম পর্যায়ে তারা কুয়াকাটা পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের নারীদের বেছে নিয়েছে। আদিবাসী নারীদেরও প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করবেন। তিনি আরো বলেন জলবায়ূ সহনশীল নগরী গড়ে তোলার জন্য সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই কুয়াকাটাকে উন্নয়নশীল ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। অবহিত করণ সভার সঞ্চালনা করেন বাদাবন সংঘের প্রোগ্রাম ম্যানেজার শায়লা আক্তার।

জবির ইংরেজি ভাষা বিভাগের নতুন পরিচালক অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান

 জবির ইংরেজি ভাষা বিভাগের নতুন পরিচালক অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান





জবি প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি ভাষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান কে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট (আই এম এল)- এর নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।


গত বৃহস্পতিবার (১ লা অক্টোবর) স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান কে নিয়োগ দেয়া হয়।


অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। সম্প্রতি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে ফলিত ভাষাবিজ্ঞান এবং ইএলটি-তে তার পিএইচডি থিসিস জমা দিয়েছেন। ইতঃপূর্বে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর, ইংরেজি ভাষাশিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক, জবি নীলদল (একাংশ) কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি কার্যকরী কমিটি-২০১৬ এর সদস্য হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭৭ সালে নওগাঁ জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নওগাঁ সরকারী কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের  অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং  সহধর্মীনি ঢাকার মিরপুর কলেজের ইংরেজির প্রভাষক। মোন্তাসির হাসান শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তিনি ঢাকাস্থ নওগাঁ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এ নিয়োগের জন্য তিনি জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।


উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এর সাথে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের নতুন পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মোন্তাসির হাসান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় প্রাক্তন পরিচালক ড. প্রতিভা রানী কর্মকারসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রিয়া রাথীন গ্রুপের চেয়ারম্যানের পক্ষে আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান

 রিয়া রাথীন গ্রুপের চেয়ারম্যানের পক্ষে আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান




ফরিদপুর প্রতিনিধিঃরিয়া রাথীন গ্রুপের চেয়ারম্যানের পক্ষে আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান


ফরিদপুরের নগরকান্দার শশা গ্রামে সম্প্রতি অগ্নিকান্ডে ক্ষতি গ্রস্থদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।


মঙ্গলবার সকালে উপজেলার শশা গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি,শিক্ষানুরাগী রিয়া রাথীন গ্রুপের চেয়ারম্যান কাজী আব্দুস সোবহান এর পক্ষে এ ঢেউটিন  ও  নগদ অর্থ ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে তুলে দেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


কাজী আব্দুস সোবহান এলাকার জনগনের সমস্যায় সব সময়ই এভাবেই এগিয়ে আসেন বলে অনেকে জানান।

নগরকান্দায় গৃহহীন প্রতিবন্ধীকে গৃহ নির্মানে তালুকদার নাজমুলের সহায়তা প্রদান

 নগরকান্দায় গৃহহীন প্রতিবন্ধীকে গৃহ নির্মানে তালুকদার নাজমুলের সহায়তা প্রদান



নগরকান্দা  প্রতিনিধি  :  ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযোশরদী ইউনিয়নের কৌরাবালী গ্রামের গৃহহীন এক অসহায় প্রতিবন্ধী মহিলাকে গৃহ নির্মানে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও তরুন সমাজসেবক তালুকদার নাজমুল হাসান। 


শনিবার বিকালে কৌরাবালী গ্রামের অসহায় প্রতিবন্ধী পারুল বেগমের বাড়িতে গিয়ে  প্রতিবন্ধী পারুল বেগম এবং তার বৃদ্ধা মায়ের মাথা গুজার ঠাই না থাকা,পরিবারের কোন উপার্জনাক্ষম মানুষ না থাকায় তিন বেলা তো দুরের কথা দু বেলা দু মুঠো খাবার সংস্থান না থাকা সহ নানা সমস্যার কথা শুনে তালুকদার নাজমুল হাসান পারুল বেগম ও তার বৃদ্ধা মায়ের বসবাসের জন্য একটা ঘর নির্মান করার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফ,রফিকুল ইসলাম জাজরিস, সাইফুল আলম শান্ত, রফিকুল ইসলাম, কাজী আমানুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন ইয়াদ,  আবু সাঈদ তালুকদার, রেবা আক্তার, আনোয়ার হোসেন রাজু, রফিকুল ইসলাম ঝন্টু, সিরাজুল ইসলাম, কাজী সাহেব,পলাশ ,সাঈদ, দিপু,পলাশ প্রমুখ। গৃহ নির্মানের সহায়তা পেয়ে প্রতিবন্ধী পারুল বেগম এবং তার বৃদ্ধা মাতা দু হাত তুলে আল্লাহ রব্বুল আলামিনের নিকট তালুকদার নাজমুল হাসানের জন্য দোয়া করেন ।

বাংগরা বাজার থানায় ধর্ষণকারীদের শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন

বাংগরা বাজার থানায় ধর্ষণকারীদের শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন

আলমগীর হোসাইন,বাংগরা বাজার থানা প্রতিনিধিঃআজ ঐতিহ্যবাহী নবগঠিত  বাংগরা বাজার থানা সংলগ্ন বাংগরা বাজার নবীনগর রোডে ধর্ষণ কারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য মানববন্ধন করেন, বাংগরা বাজার সেচ্ছাসেবক কমিটি। 

এই মানববন্ধনের মূল বিষয় ছিলো, ধর্ষণকারীদের অনতিবিলম্বে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

স্থানীয় তথ্য মতে জানা যায়, গ্রামে নারী ও শিক্ষার্থী (ছাত্রী) রা স্বাভাবিক ভাবে চলা ফেরা করতে পারে না। সব সময় আতংক নিয়ে চলয়ে হয়। কেউ কেউ জানান এভাবে চলতে থাকলে মেয়েরা লেখাপড়া কিভাবে করবে? 

উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরো বলা হয়, এ বিষয়ে সরকার ও সমাজের এক শ্রেণির মানুষের এগিয়ে আসা আবশ্যক। ধর্ষণ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

কেশবপুরে জি.এম কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টস এর মালিককে জরিমানা সহ কারাদণ্ড

 কেশবপুরে জি.এম কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টস এর মালিককে জরিমানা সহ কারাদণ্ড

 



যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃযশোরের কেশবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জি.এম কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টসের মালিক এবং সুজাপুর গ্রামের রিজাউল ইসলামকে জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা।


ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌর শহরের সাবদিয়া এলাকার সরকারি কবরস্থান সংলগ্ন হাসানের বাড়ীর প্রথম তলা ও দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে জি.এম কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টসের কারখানা অবস্থিত ৷ (৬ অক্টোবর) মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জি.এম কনজ্যুমার ফুড প্রোডাক্টসের মালিকের বৈধ কাগজপত্রের অনুমোদন না থাকায় এবং নামি-দামি কোম্পানীর পণ্যের মোড়ক ব্যবহার করে, তেল,পাউডার, নুডুসসহ বিভিন্ন পণ্যের নাম নকল করে বাজারজাত করণের অপরাধে হাফিজুর রহমানকে ভোক্তা সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ধারা মোতাবেক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও উভয়দন্ডে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ৷ অপর দিকে উপজেলা সুজাপুর গ্রামের রাস্তার পাশ থেকে সরকারি গাছ কর্তন করার অপরাধে ওই গ্রামের রিজাউল ইসলামকে ১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ৷


এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মোঃ ফারুক হোসেন, অফিস সহায়ক জুলফিকার হাসান,মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ আশরাফুল জামানসহ কেশবপুর থানা পুলিশ সদস্যরা ৷